Kurratu Aiyun - কুররাতু আইয়ুন

Kurratu Aiyun - কুররাতু আইয়ুন Lifestyle�Grooming�Fitness�Motivation by sunnah�

26/05/2026

বিসমিল্লাহ
জিলহজের নয় তারিখে করণীয় আমাল
ইফতার থেকে ইফতার পযন্ত
--------
আরবি তারিখ শুরু হয় সূর্যাস্ত থেকে। আট তারিখ ইফতারির সময় থেকে নয় তারিখের ফজিলত শুরু হয়ে যায়।
১. অত্যন্ত গুরুত্ব আর মহব্বতের সাথে ওজু করব। হাম্মাম (ওয়াশরূম)-এর দোয়া, সুন্নত, আদাব আদায় করব। ৮ তারিখে মাগরিবের আগে গুরুত্বের সাথে দোয়া করব। ইফতারির সময় দোয়া কবুল হয়। রোজাদার হলে সুন্নত মনে করে ইফতার করব। ইফতারিতে আগে বেজোড় খেজুর খাবো, তারপর তিনচুমুকে পানি-শরবত পান কর। দোয়া পড়ব।
২. দ্রুত মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে মাগরিব আদায় করব। মসজিদে প্রবেশ ও বের হওয়ার সুন্নত আদায় করব। দুই রাকাত সুন্নত ও নফল আদায় করব। সলাতপরবর্তী মাসনুন দোয়া-জিকির মহব্বতের সাথে আদায় করব।
৩. প্রতিটি ক্ষেত্রের দোয়া, জিকির, সুন্নত, আদাবগুলো গুরুত্ব ও মহব্বতের সাথে আদায় করব। কথাবার্তা, কাজকর্মের ফাঁকে ফাঁকে ইস্তেগফার-তাওবা, দুরুদ শরিফ, সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, লা হাওলা ওয়ালা কুউয়াতা ইল্লা বিল্লাহ, সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযীম পড়ব। বেশি বেশি তাকবীরে তাশরীক বলব।
৪. জিলহজ্ব মাসের নয় তারিখ ফজর থেকে নিয়ে তের যিলহজ্ব আসর পর্যন্ত (মোট ২৩ ওয়াক্ত) প্রত্যেক ফরয নামাযের পর নারী-পুরুষ সকলের জন্য একবার তাকবীরে তাশরীক বলা ওয়াজিব। তাকবীরে তাশরীক হল-
اللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ، لَا إِلهَ إِلّا اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ، وَلِلهِ الْحَمْدُ.
৫. আগে আগে মসজিদে যাওয়ার চেষ্টা করব। ওজুর পর দুই রাকাত তাহিয়াতুল ওজু আদায় করব, মসজিদে প্রবেশের পর দুই রাকাত তাহিয়াতুল মসজিদ আদায় করব।
৬. ফরজ নামাজের আগে ও পরের সুন্নতগুলো গুরুত্ব আর মহব্বতের সাথে আদায় করব। ফরজ নামাদের আগের সুন্নতের নিয়তের সাথে মিলিয়ে তাহিয়াতুল ওজু ও তাহিয়াতুল মসজিদের নিয়তও করতে পারব।
৬. আজান ও ইকামতের জবাব দিব। আজান ও ইকামতের মাঝে দোয়া কবুল হয়। এই সময় বেশি বেশি দোয়া করব। পাঁচওয়াক্ত নামাজ মসজিদে জামাতের সাথে আদায় করব।
৭. ইশার পর যত দ্রুত সম্ভব ঘুমিয়ে পড়ব। শোয়ার আগে ওজু করে নিব। তাহাজ্জুদের নিয়তে কমপক্ষে দুই রাকাত নামাজ আদায় করব। শোয়ার সময় মাসনুন দোয়া-জিকির, সুন্নত-আদাবগুলো আদায় করব।
৮. বিতির নামাজ ভোররাতে তাহাজ্জুদের পর পড়ার চেষ্টা করব। গুরুত্ব আর মহব্বতের সাথে তাহাজ্জুদ আদায় করব। সম্ভব হলে ৮ রাকাত আদায় করব। তাহাজ্জুদের সুর করে দীর্ঘ কেরাত পড়ার চেষ্টা করব। মুনাজাতে চোখের পানি আনার আপ্রাণ চেষ্টা করব। তাহাজ্জুদের সুন্নত, আদাব, দোয়া-জিকিরগুলো আদায় করার চেষ্টা করব। সুন্নত মনে করে সাহরি খাবো। সাহরিতে নিত্যদিনের খাবারের সাথে খেজুর খাওয়ার চেষ্টা করব।
৯. গুরুত্বের সাথে ঘুমমুক্ত থেকে জামাতের সাথে ফজর পড়ার চেষ্টা করব। ফজরের পর ইশরাক পর্যন্ত জায়নামাজে থাকব। ইশরাক ও চাশতের নামাজ আদায় করব। উভয় নামাজ চার রাকাত করে পড়ার চেষ্টা করব। সকাল ও সন্ধ্যার মাসনুন আমলগুলো মহব্বত ও গুরুত্বের সাথে আদায় করব।
৮. সারাদিন যতবেশি সম্ভব কুরআন তিলাওয়াত করব। অন্তত কয়েকটা আয়াত অর্থ ও তাফসীরসহ পড়ার চেষ্টা করব। কয়েকটা হাদীস অর্থ ও ব্যাখ্যাসহ পড়ার চেষ্টা করব।
৯. সাধ্যমতো দান-খয়রাত করার চেষ্টা করব। আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করার চেষ্টা করব। মা-বাবার জন্য দোয়া করব। বিপদগ্রস্তকে সাহায্য করার চেষ্টা করব।
১০. কারো সাথে সম্পর্ক খারাপ থাকলে, শুধরে নেয়ার চেষ্টা করব। কয়েকজনকে ভালো কাজের দাওয়াত দিব। ইফতারের আগে দোয়া করব। সময়মতো ইফতার করব। রোজাদারকে ইফতার করনোর চেষ্টা করব। হাজি সাহেবগণ জিলহজের ৯ তারিখে রোজা না রাখা সুন্নত। হাজি সাহেবগণ জিলহজের নয় তারিখে যতবেশি সময় দোয়া-মুনাজাতে সময় কাটানোর চেষ্টা করবেন। অন্যরা বারবার তাওবা-ইস্তেগফার করব। দুরুদ শরীফ পাঠ করব।
রাব্বে কারীম আমাদেরকে আমল করার তাওফিক দান করুন।
রাব্বে কারীম আমাদের কাজে ইখলাস দান করুন।
রাব্বে কারীম আমাদের কাজকে রিয়ামুক্ত করে দিন।

ওয়াফফাকানাল্লাহ
জাযাকুমুল্লাহু খাইরান
রাদিয়াল্লাহু আনহুম ওয়া রাদু আনহু
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম

👉ইন শা আল্লাহ আগামীকাল থেকে অর্থ্যাৎ ২৭ মে বুধবার ৯ জিলহজ্জ ফজরের, ফরজ নামাজের পর থেকে তাকবিরে তাশরিক পড়ব সবাই।।এইদিন থে...
26/05/2026

👉ইন শা আল্লাহ আগামীকাল থেকে অর্থ্যাৎ ২৭ মে বুধবার ৯ জিলহজ্জ ফজরের, ফরজ নামাজের পর থেকে তাকবিরে তাশরিক পড়ব সবাই।।এইদিন থেকে ১৩ জিলহজ্জ অর্থ্যাৎ ৩১ মে রবিবার আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর একবার তাকবিরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব।

👉ছেলেরা উচ্চ স্বরে আর মেয়েরা নিচু স্বরে পড়বে।।

🤏এছাড়াও সব সময় এই তাকবিরে তাশরিক পড়া যাবে।।।

[এই জিলহজ্জ মাসে এই আমল করে প্রত্যেকে নিজের আমলের পাল্লা টা ভারি করি]

Sharjil Shaakil
#কুররাতু_আইয়ুন
#সারজিল_শাকিল



💕💕💕💕💕💕💕💕💕💕💕💕💕💕💕💕💕💕💕💕💕💕💕💕💕💕💕

নবী মুহাম্মদ ﷺ এর জীবনী গভীরভাবে পড়লে দেখা যায় উনা সাধারণ দিনগুলোর রুটিন প্রায় একই। কিন্তু এই রুটিনটা আরেকটু গভীরভাবে দে...
12/02/2026

নবী মুহাম্মদ ﷺ এর জীবনী গভীরভাবে পড়লে দেখা যায় উনা সাধারণ দিনগুলোর রুটিন প্রায় একই।

কিন্তু এই রুটিনটা আরেকটু গভীরভাবে দেখলে বুঝা যায় এখানে তিনি খুঁটি নির্মান করে রেখেছেন।

নামাজ ছিল উনার ডেইলি লাইফের পিলার।

এটার আশপাশে তিনি কাজগুলোকে ভাগ করে নিয়েছিলেন নিজের মতো করে।

না তিনি হাতে কলমে কোনো রুটিন লিখেন নি।

কারণ তখন যেমন এখনকার মতো পড়ালেখা জানা মানুষ তেমন ছিলেন না, তেমনই রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিন্তু খুব একটা পড়ালেখা জানতেন না।

কিন্তু নিজের জীবনকে তিনি একটা ছকে নিয়ে সুন্দরভাবে পরিচালনা করেছিলেন।

সুবহানাল্লাহ!

রাসুল স. সবসময় আমাদের জন্য অনুপ্ররণায় জায়গায় থাকবেন। ✨

Credit - tarsheedacademy

এবারের রামাদানকে জীবনের শ্রেষ্ঠ রামাদান বানাতে আমরা যেভাবে রামাদান কাটাবো:১) প্রতিদিন ন্যূনতম ৪ রাকাত তাহাজ্জুদের নামাজ ...
31/01/2026

এবারের রামাদানকে জীবনের শ্রেষ্ঠ রামাদান বানাতে আমরা যেভাবে রামাদান কাটাবো:
১) প্রতিদিন ন্যূনতম ৪ রাকাত তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করবো এবং কিছু সময় আন্তরিকভাবে দু‘আয় কাটাবো। শেষ রাতের দু‘আ ও ইস্তিগফার আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়।
২) সারা মাসে কমপক্ষে একবার কুরআন পড়ে শেষ করবো। বিশেষভাবে রাতের বেলা কিছু সময় তিলাওয়াত করবো। রাতের তিলাওয়াতের মর্যাদা অনেক বেশি।
৩) পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আওয়াল ওয়াক্তে (ওয়াক্তের শুরুতেই) পূর্ণ আন্তরিকতার সাথে আদায় করবো। পুরুষরা অবশ্যই জামাতের সাথে পড়তে চেষ্টা করবো। ধীরে-সুস্থে তারাবির নামাজ আদায় করবো। বাসায় তারাবি পড়লে জামাতের সাথে পড়বো এবং নারীদেরকেও শামিল রাখার চেষ্টা করবো। তাঁদের কাতার হবে সবার শেষে। নারীদের কাতারে কোনো পুরুষ থাকবে না।
৪) গুনাহ থেকে বেঁচে থাকবো: বিশেষত রোজা অবস্থায় চোখ, কান এবং জিহ্বা দিয়ে কোনো ছোট গুনাহও করবো না। টেলিভিশনে সতর্কতার সাথে ইসলামি অনুষ্ঠানগুলো দেখা যেতে পারে। এর বেশি কিছু অবশ্যই না।
৫) প্রয়োজন ব্যতীত অনলাইনে আসবো না। কারণ অনলাইন হলো গুনাহের মহাসমুদ্র। ইউটিউব, ফেইসবুক, টিকটকে ডুবে যাবো না।
৬) সারা মাসে অন্তত একবার আত্মীয়দের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করবো অথবা ফোন করে খোঁজ-খবর নেবো। আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফরজগুলোর একটি।
৭) প্রতিদিন অন্তত তিন ঘণ্টা সময় কুরআনের তিলাওয়াত, কুরআন মুখস্থকরণ এবং কুরআনের অর্থ ও তাফসির পাঠে ব্যয় করবো। সম্ভব হলে সম্মিলিতভাবেও এই কাজটি করা যায়।
৮) সাধ্যানুযায়ী পুরো মাস জুড়ে অসহায় ও দরিদ্রদের দান-সাদাকাহ করবো। এক্ষেত্রে নিজ আত্মীয়দের প্রাধান্য দেবো। এটিই ইসলামের নির্দেশনা। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে এমন অনেক পরিবার খাদ্যসংকটে আছে, যারা লজ্জায় কারও কাছে হাত পাতে না; তাদেরকে খুঁজে বের করে সাধ্যানুযায়ী হেল্প করবো। এটি বিরাট নেকির কাজ হবে। বিশেষ করে তাদের সাহরি ও ইফতারের ভালো-মন্দ খোঁজ নেবো।
৯) মনের সংকীর্ণতা দূর করে উদারচিত্তে সবাইকে ক্ষমা করে দেবো। বিনিময়ে আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করে দেবেন। কুরআন ও হাদিসে এই ওয়াদা আছে।
১০) রামাদানের শেষ দশকে ইবাদাতে ডুবে যাবো এবং লাইলাতুল কদর তালাশ করবো; শুধু ২৭ তম রাতেই নয়, শেষ দশকের পুরোটাতেই। বিশেষত বিজোড় রাতগুলোতে।
১১) সাহরি ও ইফতারে খাবারের অপচয় করবো না এবং খাবার নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা, কথা-বার্তা ও হৈ-হুল্লোড় করবো না। খাবার তৈরিতে বাসার নারীদের যথাসাধ্য সহযোগিতা করবো এবং কোনো খাবার পছন্দ না হলে মেজাজ দেখাবো না। কেউ ইচ্ছা করে খাবার বিস্বাদ করে না। কারণ যে রাঁধে, সে নিজেও খায়।
১২) নামাজের পর, সকাল-সন্ধ্যায় ও ঘুমের আগে-পরের মাসনুন যিকরগুলো গুরুত্বের সাথে পড়বো। বিশেষভাবে চাশতের নামাজে অভ্যস্ত হবো। প্রতিদিন অন্তত ৪ রাকাত পড়বো।
১৩) সারা মাস তাওবাহ এবং ইস্তিগফারে লেগে থাকবো। সাহরি ও ইফতারের সময়ে দু‘আয় কিছু সময় কাটাবো। এ দুটো সময়ে দু‘আ কবুল হয়। মনে রাখতে হবে, রামাদানে মুমিনের প্রধান টার্গেটই হলো, নিজের গুনাহ মাফ করানো।
১৪) আমরা যারা গিবত, গান শোনা, নাটক-মুভি দেখা, পর্নোগ্রাফি, কুদৃষ্টি, কুধারণা, লালসা, হিংসা, অহংকার এসব গুনাহ থেকে বের হতে পারছি না, বরং এগুলো জীবনের সাথে মিশে গেছে এবং অভ্যাসে পরিণত হয়েছে, তারা রামাদানের দীর্ঘ এক মাসের কঠিন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের সংশোধন করে নিতে পারি। যারা অনলাইনে গেইম খেলায় আসক্ত, তারাও নিজেদের সংশোধন করে নিতে পারি। খেলা দেখে নিজের মহামূল্যবান সময় ও আমলকে ক্ষতিগ্রস্ত করবো না।
১৫) এই রামাদানই হতে পারে আমাদের অনেকের জীবনের শেষ রামাদান। তাই, হাসি-ঠাট্টা, ফূর্তিবাজি ও গতানুগতিক উদ্দেশ্যহীন জীবনযাপন বাদ দিয়ে যথাসাধ্য তাকওয়া, বিনয় ও গাম্ভীর্যের সাথে এমনভাবে এই রামাদান কাটানো, যেন সবাই আমরা মৃত্যুপথযাত্রী। এই অনুভূতি ধারণ করে দিনগুলো কাটাবো।
মহান রব আমাদের এই কাজগুলো সঠিকভাবে করার তাওফিক দিন, আমাদের গুনাহগুলো ক্ষমা করুন এবং তাঁর সন্তুষ্টির উপর মৃত্যু দিয়ে কবরবাসী করুন। আমিন।
সবাইকে রামাদানের শুভেচ্ছা। আল্লাহ্ আমাদের নেক আমলগুলো কবুল করুন। ]

রাসূল (সা.) রলেছেন, আমি কি তোমাদেরকে জান্নাতী লোকের কথা বলব না?
14/10/2025

রাসূল (সা.) রলেছেন, আমি কি তোমাদেরকে জান্নাতী লোকের কথা বলব না?

27/06/2025

(পবিত্র জান্নাতের সামান্য কিছু বর্ণনা)
জান্নাতের একশতটি স্তর রয়েছে। প্রতি দুই স্তরের মাঝে আসমান-যমীনের সমান ব্যবধান বর্তমান। ফিরদাউস হচ্ছে সবচেয়ে উঁচু স্তরের জান্নাত, সেখান থেকেই জান্নাতের চারটি ঝর্ণা প্রবাহিত হয় এবং এর উপরেই (আল্লাহ্‌ তা'আলার) আরশ স্থাপিত। তোমরা আল্লাহ্‌ তা'আলার নিকট প্রার্থনা করার সময় ফিরদাউসের প্রার্থনা করবে।( তিরমিজি-২৫৩১-সহীহ)

জান্নাতের তাঁবুগুলো মণি-মুক্তার তৈরি হবে। এর দৈর্ঘ্য হবে ঊর্ধাকাশের দিকে ষাট মাইল। এর প্রত্যেক কোণে মু’মিনদের সহধর্মিণীগণ থাকবে। তবে পরস্পর একে অপরকে দেখতে পাবে না। ( মুসলিম-৭০৫২-সহীহ)

জান্নাতবাসীগণ জান্নাতের সুউচ্চ বালাখানাসমূহ দেখতে পাবে, তোমরা যেমন আকাশের তারকারাজি দেখে থাকো।(মুসলিম-৭০৩৩-সহীহ)

জান্নাতে এমন একটি বৃক্ষ আছে, যার ছায়ায় একজন আরোহী একশ’ বছর পর্যন্ত সফর করতে থাকবে। (মুসলিম-৭০২৮-সহীহ)

জান্নাতের প্রতিটি গাছের কাণ্ডই স্বর্ণ দ্বারা নির্মিত। (তিরমিজি-২৫২৫-সহীহ)

জান্নাতবাসীগণ জান্নাতে পানাহার করবে। তবে থু-থু ফেলবে না, প্রস্রাব-পায়খানা করবে না এবং নাকও ঝাড়বে না। এ কথা শুনে সহাবাগণ বললেন, তবে ভক্ষিত খানা যাবে কোথায়? উত্তরে তিনি বললেন, এক ঢেকুরে শেষ হয়ে যাবে। তাদের শরীরের ঘাম মিশ্কের মতো সুঘ্রাণযুক্ত হবে। আল্লাহর পবিত্রতা এবং প্রশংসা তাদের অন্তঃকরণে এভাবে দেয়া হবে যেভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস দেয়া হয়।(মুসলিম-৭০৪৪-সহীহ)

জান্নাতের মধ্যে পানি, মধু, দুধ ও মদের সমুদ্র আছে। এগুলো থেকে আরো ঝর্ণা বা নদীসমূহ প্রবাহিত হবে।(তিরমিজি-২৫৭১- সহীহ)

পর্দা খুলে যাবে (এবং আল্লাহ্‌ তা‘আলার সাক্ষাৎ সংঘটিত হবে)। তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র কসম! তিনি মানুষকে তাঁর সাক্ষাতের চেয়ে বেশি পছন্দনীয় ও আকাঙ্ক্ষিত কোন জিনিসই প্রদান করেননি। (তিরমিজি -২৫৫২ সহীহ)

30/05/2025

যে মানুষটা শুধু একজন নবী নন, শেষ জামানার মুয়াহহীদের ভাই!

একবার ইসা আলাইহিস সালাম কোথাও যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আকাশে মেঘেরা গর্জন করতে শুরু করে। অনবরত বিদ্যুৎ চমকাতে থাকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়। ইসা আলাইহিস সালাম তখন বৃষ্টির প্রকোপ থেকে বাঁচতে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজতে থাকেন। এমন সময় রাস্তার পাশে জঙ্গলের ভেতর একটি তাঁবু চোখে পড়ে। অমনি তিনি তাঁবুতে গিয়ে উপস্থিত হন। গিয়ে দেখেন, একজন নারী আগে থেকেই সখোনে অবস্থান করছে। তাই তিনি সেখান থেকে ফিরে আসেন।

পাশেই একটি পাহাড় দেখতে পান। পাহাড়ের গুহায় আশ্রয় নেয়ার জন্য সেখানে ছুটে যান। কিন্তু গিয়ে দেখেন, একটি বাঘ ওই গুহায় আশ্রয় নিয়েছে।

অগত্যা তিনি দু’হাত তুলে মহান প্রভুকে ডেকে বলেন, ‘হে আমার রব, আপনি সবাইকে আশ্রয় দিয়েছেন; কিন্তু আমাকে নিরাশ্রয় ছেড়ে দিয়েছেন।’

আল্লাহর পক্ষ থেকে তখন এই মর্মে অহি আসে, ‘হে ইসা! দুনিয়ায় তোমার আশ্রয় নয়। তোমার প্রকৃত আশ্রয় তো আমার রহমতের ছায়ায়। আখিরাতে আমি তোমার সাথে একশত চিরযৌবনা হুরের বিয়ে দেবো। দীর্ঘ চার হাজার বছর বিয়ের ওলিমা খাওয়াবো।

সেদিন আমি ঘোষককে এই মর্মে ঘোষণা করতে বলবো,

أَيْنَ الزُّهَّادُ فِي دَارِ الدُّنْيَا؟ زُورُوا عُرْسَ الزَّاهِدِ عِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ .

'দুনিয়াত্যাগীরা আজ কোথায়? তোমরা দুনিয়াবিমুখ ইসা ইবনু মারইয়ামের ওলিমায় শরীক হও।'
_______________________________________
সালাফদের চোখে দুনিয়া: ৬০
মূল: ইমাম ইবনু আবিদ দুনিয়া (রাহিমাহুল্লাহ)

আবূ বাকরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)  বলেন— যখন কোনো মুসলিম তার (অপর মুসলিম) ভাইয়ের উপর (তাকে হ*ত্যার উদ্দেশ্য...
23/04/2025

আবূ বাকরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন— যখন কোনো মুসলিম তার (অপর মুসলিম) ভাইয়ের উপর (তাকে হ*ত্যার উদ্দেশ্যে) ত*রবারী উত্তোলন করবে; তখন ফেরেশতারা ত*রবারী কোষাবদ্ধ না করা পর্যন্ত তার উপর অ*ভিসম্পাত করতে থাকে।
(অর্থাৎ, হ*ত্যার বাসনা ত্যাগপূর্বক ত*রবারী খাপে না রাখা পর্যন্ত ফেরেশতাগণ তার উপর লা*নাত করতে থাকে)।

[সিলসিলা সহিহা, হাদিস নং: ২০]

Address

Chittagong
GPO-4000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kurratu Aiyun - কুররাতু আইয়ুন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share