আহ্বান

আহ্বান The Door to your Islamic Knowledge

24/11/2024

আল ওয়ালা ওয়াল বারা.

25/09/2021

সূরা আল-ফাতিহা হলো পবিত্র কুরআন মাজীদের প্রথম ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ এক অংশ। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নবুওয়াত লাভের একেবারেই প্রথম যুগের সূরা "সূরা আল-ফাতিহা"। হাদীসের নির্ভরযোগ্য বর্ণনা থেকে জানা যায়, এটিই মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর নাযিলকৃত প্রথম পূর্ণাঙ্গ সূরা।

ফাতিহা শব্দটি আরবি "ফাতহুন" শব্দজাত যার অর্থ "উন্মুক্তকরণ"। এ সূরার বিষয়বস্তুর সাথে সামঞ্জস্য রেখেই এর এই নামকরণ করা হয়েছে। যার সাহায্যে কোন বিষয়, গ্রন্থ বা জিনিসের উদ্বোধন করা হয় তাকে ‘ফাতিহা’ বলা হয়। অন্য কথায় বলা যায়, এ শব্দটি ভূমিকা এবং বক্তব্য শুরু করার অর্থ প্রকাশ করে।

ইমাম কুরতুবী বলেন, একে ‘ফাতিহাহ’ এজন্য বলা হয় যে, এই সূরার মাধ্যমে কুরআন পাঠ শুরু করা হয়। এই সূরার মাধ্যমে কুরআনের সংকলন কাজ শুরু হয়েছে এবং এই সূরার মাধ্যমে ছালাত শুরু করা হয়’। এটি মক্কায় অবতীর্ণ ১ম ও পূর্ণাঙ্গ সূরা। এতে ৭টি আয়াত, ২৫টি শব্দ এবং ১১৩টি হরফ বা বর্ণ রয়েছে। সূরাটি কুরআনের মূল, কুরআনের ভূমিকা ও ছালাতের প্রতি রাক‘আতে পঠিতব্য সাতটি আয়াতের সমষ্টি ‘আস-সাব‘উল মাছানী’ নামে ছহীহ হাদীছে ও পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে। যেমন আল্লাহপাক এরশাদ করেন, وَلَقَدْ آتَيْنَاكَ سَبْعاً مِّنَ الْمَثَانِيْ وَالْقُرْآنَ الْعَظِيْمَ ‘আমি আপনাকে সাতটি বার বার পঠিতব্য আয়াত এবং মহান কোরআন দিয়েছি।’ (হিজর ১৫/৮৭)

25/03/2021

খাইরুদ্দীন বারবারোসা : একজন পরাক্রমশালী নৌ কমান্ডারের গল্প

১৪৭৮ সালে বর্তমান গ্রীসের লেসবস দ্বীপে জন্মগ্রহণ করেন অট্যোমানদের শ্রেষ্ঠ নেভাল এডমিরাল খায়রুদ্দীন বারবারোসা।তার নাম ছিলো খিজির।
ভূমধ্যসাগরে তার পিতা এবং চার ভাই মিলে বাণিজ্যিক জাহাজ নিয়ে ব্যাবসা করতো।এই সময়ে ভূমধ্যসাগরে অর্ডার অফ সেইন্ট জোন'স বা নাইট টেম্পলাররা তুর্কি মার্চেন্ট জাহাজগুলাতে রেগুলার হামলা করতো।এরকমই এক হামলায় তার ১ভাই খুন হোন এবং অপর ভাইকে টেম্পলাররা তাদের দুর্গে বন্দী করে রাখে।তিনি নিজের ৩টি জাহাজ নিয়ে দ্বীপটিতে অভিযান চালিয়ে ভাইকে মুক্ত করে আনেন।।
১৫১৮ সালে বড় ভাইয়ের মৃত্যুর পরে তিনি আলজেরিয়ায় অট্যোমানদের ভিজিয়ার হন।এই সময়ে স্প্যানিশদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি নৌযুদ্ধে তিনি জয়লাভ করেন এবং ইতালিতে সফল রেইড পরিচালনা করেন।
স্পেনে তখনো পাইকারি হারে মুসলিম আর ইহুদিদের উপরে গণহত্যা চলছিলো।।এই সময়ে স্পেনে এক অভিযান চালিয়ে ৭দফায় তিনি ৭০০০০ মরিস্কোকে আন্দালুস থেকে মরক্কোতে ফিরিয়ে আনেন।
সুলতান সেলিমের মৃত্যুর পরে সুলতান সুলেমান বারবারোসাকে অট্যোমান নেভির গ্র‍্যান্ড এডমিরাল নিয়োগ দেন।তিনি এর আগে সুলেমানের রোডস বিজয়ে অংশ নেন।
বারবারোসা অট্যোমানদের মূল শত্রু হ্যাবসবার্গদের রাজত্ব বিশেষ করে ইতালি,স্পেনে একের পর এক অভিযান চালাতে থাকেন।ইতালি,সার্ডিনিয়া,ল্যাম্পাডেসু এবং স্পেনের উপকুলে বার্সেলোনা, ভ্যালেন্সিয়াসহ অন্যান্য এলাকার মানুষেরা তার অভিযানের আতংকে রাতে ঘুমাতে পারতো না।।তিউনিসিয়া আর লিবিয়ায় স্পেনের সম্রাটের মিত্র মুসলিম আমিরদের পরাজিত করে তিনি সেসকল এলাকাকে অট্যোমানদের শাসনে আনেন।
সেইসময়ে নতুন নতুন দেশ আবিষ্কার করা স্পেন আর পর্তুগাল সমৃদ্ধশালী উত্তর আফ্রিকায় বারবার অভিযান করেও তার কাছে পরাজিত হয়।স্পেনের সম্রাট তাকে তাদের সাথে যোগ দিতে বলে এবং বিনিময়ে পুরো উত্তর আফ্রিকার স্বাধীন আমির হিসেবে মেনে নেওয়া হবে বলে প্রস্তাব করলেও তিনি তাতে রাজী হননি।
এসময় মোহাচে হাংগেরির পরাজয়ে মধ্য ইউরোপ অট্যোমানদের নিয়ন্ত্রনে চলে যায় এবং হ্যাবসবার্গদের মূল ঘাটি অস্ট্রিয়ায় একেরপর এক আক্রমণ করতে থাকেন।এছাড়াও ভূমধ্যসাগরে বারবার ইতালির উপরে আক্রমনে ক্ষেপে গিয়ে পোপ হ্যাবসভার্গদের তিন দেশ অস্ট্রিয়া,জার্মানি আর স্পেনের সাথে জোট গঠন করে।। এতে যোগ দেয় অট্যোমানবিরোধী ভেনিস,জেনোয়া,রুশ,টেম্পলার আর হস্পিট্যালার বাহিনী,পর্তুগিজ বাহিনী এবং অট্যোমানদের মিত্র ফ্রান্সের শত্রু ব্রিটিশরা।এই জোটের নাম হয় হলি লীগ।
১৫৩৮ সালে হলি লীগের নৌবাহিনীর মুখোমুখি হয় বারবারোসার অট্যোমান বাহিনী। হলি লীগের ছিলো ১৬২ টি বড় যুদ্ধজাহাজ এবং ১৪০ টি পালতোলা যুদ্ধজাহাজ।তাদের সাথে ছিলো ৬২হাজার সেনা।তাদের কমান্ডে ছিলো বারবারোসার সারাজীবনের শত্রু আন্দ্রা ডোরিয়া।।অপরদিকে বারবারোসার কমান্ডে ছিলো ১১২টি যুদ্ধজাহাজ এবং ১২ হাজার সেনা।
২৮ সেপ্টেম্বর সংঘটিত এই যুদ্ধে হলি লীগের ১০টি জাহাজ ডুবে যায়,৩টিতে আগুন ধরে ধ্বংস হয়ে যায় এবং ২০টিরও বেশি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।তাদের ৩৬টি জাহাজ অট্যোমান বাহিনীর হাতে আত্নসমর্পন করে এবং বাকিরা পালাই যায়।৩০০০ খ্রিস্টান সেনা যুদ্ধবন্দী হয়।।কমপক্ষে ১০হাজারের অধিক সেনা নিহত হয়।
অপরদিকে বারবারোসার ৪০০ জন সেনা নিহত হয় এবং একটিও জাহাজ হারাতে হয় নাই।।
এই যুদ্ধের পরে বারবারোসা নেভাল যুদ্ধের কিংবদন্তি হয়ে যান।খ্রিস্টানদের হলি লীগ ভেংগে যায় এবং ভূমধ্যসাগরে অট্যোমানদের একক আধিপত্য খ্রিস্টানরা মেনে নেয়।এই যুদ্ধের পরেও বারবারোসা ইতালি আর স্পেনে অনেক সফল অভিযান চালান।তিনি এবং তার শিষ্য দ্রুগুত পাশা,উরুজ আলি, পিয়ালি পাশারা ইউরোপের ঘুম কেড়ে নিয়েছিলো।
প্রেভেজার যুদ্ধ মধ্যযুগের ভয়াবহতম নেভাল যুদ্ধ।। এই জয়ে কয়েকযুগের জন্য সমস্ত ইউরোপ ভূমধ্যসাগরে অট্যোমান আধিপত্য মেনে নিতে বাধ্য হয়।।
লাল দাড়ির এই কিংবদন্তি নেভাল এডমিরাল ১৫৪৬ সালে ইস্তাম্বুলে মৃত্যুবরণ করেন।।

সম্পুর্ণ ভিডিওর লিংঃ- https://youtu.be/Q4PGsDYvO4k

group:- https://www.facebook.com/groups/492657037993718/?ref=share

FB Page:- https://www.facebook.com/Ahoban.bd.islam/

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুনে বেশ কয়েকজন নিহত এবং অনেকে আহত হয়েছে , শত শত মুসলিম তাদের মাথাগোজার ছোট্ট ঘরটি হারিয়েছে । এ...
23/03/2021

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুনে বেশ কয়েকজন নিহত এবং অনেকে আহত হয়েছে , শত শত মুসলিম তাদের মাথাগোজার ছোট্ট ঘরটি হারিয়েছে । এই রোহিঙ্গা মুসলিমরা গত ১ যুগ ধরে ভয়াবহ সব বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে দিন পাড় করছে । কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে দেখা যাচ্ছে রোহিঙ্গা মুসলিমদের এই বিপর্যয়ে এদেশের কিছু সো-কল্ড মুসলিমরা বেশ আনন্দিত-উৎফুল্ল। বিভিন্ন কমেন্ট সেকশনে তারা তাদের মনে থাকা হিংসা-অহংকার উগড়ে দিচ্ছে ...

আমরা সূরা বাকারাহ এর ১৫৫ নম্বর আয়াতে দেখি, আল্লাহ আযওয়াজাল বলেনঃ

وَ لَنَبۡلُوَنَّکُمۡ بِشَیۡءٍ مِّنَ الۡخَوۡفِ وَ الۡجُوۡعِ وَ نَقۡصٍ مِّنَ الۡاَمۡوَالِ وَ الۡاَنۡفُسِ وَ الثَّمَرٰتِ ؕ وَ بَشِّرِ الصّٰبِرِیۡنَ ﴿۱۵۵﴾ۙ
অর্থঃ তোমাদেরকে ভয় ও ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ, জীবন ও ফল-ফসলের ক্ষয়-ক্ষতি (এসবের) কোনকিছুর দ্বারা নিশ্চয়ই পরীক্ষা করব, ধৈর্যশীলদেরকে সুসংবাদ প্রদান কর।

রোহিঙ্গা মুসলিমরা জাতিগত ভাবে পরীক্ষা দিচ্ছে , আমরা আশাকরি আল্লাহ তা'আলা তাদেরকে ধৈর্যশীল হিসেবেই পাবেন এবং তাদের পুরষ্কার বৃদ্ধি করে দেবেন। কিন্তু তোমরা যারা মুসলিমদের সাময়িক বিপর্যয় দেখে নিজেদের চোখকে প্রশান্ত করছো এবং খুশি হচ্ছো , হয়ত এই আয়াত হয়ত খুব শিঘ্রই তোমাদের জীবনে বাস্তবায়ন হবে। তখন কি হবে? ঈমান ধরে রাখতে পারবে তো?

তোমরা যারা , ঈমান বাচাতে হিজরত করে আসা মুসলিমদের কীটপতঙ্গ মনে করো - তাদের ব্যাপারে আল্লাহ আযওয়াজাল বলেনঃ

فَالَّذِیۡنَ ہَاجَرُوۡا وَ اُخۡرِجُوۡا مِنۡ دِیَارِہِمۡ وَ اُوۡذُوۡا فِیۡ سَبِیۡلِیۡ وَ قٰتَلُوۡا وَ قُتِلُوۡا لَاُکَفِّرَنَّ عَنۡہُمۡ سَیِّاٰتِہِمۡ وَ لَاُدۡخِلَنَّہُمۡ جَنّٰتٍ تَجۡرِیۡ مِنۡ تَحۡتِہَا الۡاَنۡہٰرُ ۚ ثَوَابًا مِّنۡ عِنۡدِ اللّٰہِ ؕ وَ اللّٰہُ عِنۡدَہٗ حُسۡنُ الثَّوَابِ ﴿۱۹۵﴾
" ...সুতরাং যারা হিজরাত করবে এবং স্বীয় গৃহ হতে বিতাড়িত হবে ও আমার পথে নির্যাতিত হবে, যুদ্ধ করবে ও নিহত হবে, নিশ্চয় আমি তাদের গুনাহসমূহ দূর করে দেব এবং নিশ্চয়ই তাদেরকে এমন জান্নাতে দাখিল করবো, যার নীচ দিয়ে বয়ে যাচ্ছে নদ-নদী, আল্লাহর নিকট হতে পুরস্কার হিসেবে, বস্তুতঃ আল্লাহর নিকটেই রয়েছে উত্তম বিনিময়। " - (আল ইমরান ১৯৫)

তোমাদের এই অহংকার পতনের কারণ হতে পারে । মনে রেখ তোমার ভূমির চেয়ে একজন মুসলিমের রক্তের দাম অনেক বেশি। কিয়ামতের দিনে তোমার দেশ , দেশের মানুষ তোমাকে আল্লাহর আযাব থেকে বাচাতে আসবে না ...

13/03/2021

এই হল উম্মাহর অবস্থা!! এই হল আমাদের জাতির অবস্থা!!! এই হল আপনার আমার ভাই বোনদের অবস্থা!!!

আসেন আরো বেশি চিল করি!!
আরো বেশি পার্টি করি!!
আর বেশি ফুর্তি মজায় মগ্ন থাকি!!!

আল্লাহ'র কাছে জবাব দেওয়ার জন্যে প্রস্তু তো প্রিয় ভাই আমার?? প্রস্তুত তো আপনি??

আবেগি হোন, আবেগি হোন, উম্মাহকে নিয়ে ভাবুন।

আপনার ওয়ালিমার খাবারের টাকা গুলো পাঠিয়ে দিন তাদের জন্যে।
আপনার আক্বীকার টাকা গুলো পাঠিয়ে দিন তাদের জন্যে।
আপনার চিল করার টাকা গুলো পাঠিয়ে দিন তাদের জন্যে।

এখন সময় নই এই গুলো করার, এখন সময় নই দুনিয়া দেখানোর, এখন সময় নই চিল করার।

চুড়ান্ত চিল জান্নাতে যায় করিয়ে, চুড়ান্ত সুখ জান্নাতে যায় করিয়েন, চুড়ান্ত সান্তনা জান্নাতে যেয়ে ই সম্ভব।

ভীতু দ্বীনি বন্ধুর সাথে কম চলুন, ১০ জন ভীতু দ্বীনি বন্ধুর সাথে চলার চাইতে ১ জন সাহসী বন্ধুর সাথে চলুন। কারণ ভীতু দ্বীনি বন্ধুরা শুধু আপনাকে দুনিয়া মুখি করবে ঘর কুনো বানাবে আর কিছু ই করতে পারবে না। আপনি হয় তো তা একটু চিন্তা করলে ই বুঝতে পারবেন।

দোয়ায় উম্মাহর কথা ভুলিয়েন না, উম্মাহ আজ কঠিন দিন কাটাচ্ছে।

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আহ্বান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share