14/01/2026
সুরা মুলক- মনিমুক্তার চেয়েও
_________কোটিগুন বেশি দামি!
হাদীসে বর্ণিত সূরা মুলকের কয়েকটি ফযীলত:
(ক) আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘নিশ্চয় পবিত্র কোরআনে একটি সূরা, যাতে আছে ত্রিশটি আয়াত। উহা পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে, যে পর্যন্ত না তাকে ক্ষমা করা হয়। সূরাটি হচ্ছে— تبٰرك الذى بيده الملك
(‘তাবারাকাল্লাযীবি ইয়াদিহিল মুলক)
(ইবনে হিব্বান; ৩৫৪, মান: সহীহ,
তিরমিযী; ২৭৯, মান: হাসান)
(খ) আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘কব'রস্থিত ব্যক্তির নিকট পায়ের দিকে দিয়ে ফেরেশতারা শা'স্তির জন্য আসতে চাইবে।
তখন তার পদদ্বয় বলবে, আমার দিক দিয়ে আসার রাস্তা নেই। কেননা সে সূরা আল ‘মুলক’ পাঠ করত। তখন তার সীনা অথবা পেটের দিক দিয়ে আসতে চাইবে। তখন সীনা অথবা পেট বলবে, আমার দিকে দিয়ে আসার কোনো রাস্তা তোমাদের জন্য নেই।
কেননা সে আমার মধ্যে সূরা আল ‘মুলক’ ভালোভাবে ধারণ করে রেখেছিল। অতঃপর তার মাথার দিক দিয়ে আসার চেষ্টা করবে। মাথা বলবে এ দিক দিয়ে আসার রাস্তা নেই। কেননা সে আমার দ্বারা সূরা আল ‘মুলক’ পাঠ করেছিল।
সূরা মুলক হচ্ছে বাধা দানকারী। কব'রের আ'জাব থেকে বাধা দেবে। তাওরাতেও সূরা আল ‘মুলক’ ছিল। যে ব্যক্তি উহা রাত্রে পাঠ করে, সে অধিক ও পবিত্র-উৎকৃষ্ট আমল করবে।’
(হাকীম; ৪০৫, মান: সহীহ)
(গ) আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে অপর একটি হাদীস বর্ণিত
‘‘যে ব্যক্তি প্রতি রাতে "তাবারাকাল্লাযী বি ইয়াদিহিল মুলকু" পাঠ করবে, আল্লাহ তাকে কব'রের আজা'ব থেকে রক্ষা করবেন। (সুবহানাল্লাহ) আমরা রাসূল সা. এর যুগে এই সুরাকে المانعة বা (আ'যাব) প্রতিরোধকা@রী হিসেবে আখ্যায়িত করতাম।’’
(আল-মুনযিরী; ৬০৬, মান সহীহ/হাসান)
এতোক্ষণ আমরা সুরা মুলকের ফযীলত সম্পর্কে মোটামুটি জানলাম।
আমাদের এই জানা যেন শুধুমাত্র জানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং জানাকে আমলে রূপান্তর করার জন্য প্রচেষ্টা করতে হবে।