মুসলিম

মুসলিম Basically I changed myself for Allah! And I pray that Allah gives me the right education for practicing Muslim. Thank you 😊

I created this page to invite you to Islam and to be a good practicing Muslim.

27/12/2024

قَالَ وَمَنۡ کَفَرَ فَاُمَتِّعُہٗ قَلِیۡلًا ثُمَّ اَضۡطَرُّہٗۤ اِلٰی عَذَابِ النَّارِ ؕ وَبِئۡسَ الۡمَصِیۡرُ


যে ব্যক্তি #কুফর অবলম্বন করবে তাকেও আমি কিছু কালের জন্য জীবন ভোগের সুযোগ দেব, (কিন্তু) তারপর তাকে হিঁচড়ে নিয়ে যাব জাহান্নামের শাস্তির দিকে এবং তা নিকৃষ্টতম ঠিকানা।

—আল বাকারা - ১২৬

কুফর (আরবি: كفر) শব্দটি ইসলামি পরিভাষায় এমন আচরণ বা বিশ্বাসকে বোঝায় যা আল্লাহর অস্তিত্ব, তাওহিদ (একত্ববাদ), অথবা ইসলামের মৌলিক শিক্ষাকে অস্বীকার করে।

#কুফরের_সংজ্ঞা

ইসলামে কুফর বলতে বোঝায়,

১. আল্লাহর অস্তিত্ব অস্বীকার করা।
২. আল্লাহর দেওয়া নির্দেশ বা শিক্ষার বিরুদ্ধে যাওয়া।
৩. রাসুল (সা.)-এর প্রেরিত বার্তাকে অস্বীকার করা।

#কুফরের_ধরন
কুফরের কয়েকটি প্রধান ধরন রয়েছে, যেমন:

১. ইনকারি কুফর (অস্বীকারের কুফর):

আল্লাহ, কুরআন, বা ইসলামের কোনো মৌলিক বিশ্বাস অস্বীকার করা।
উদাহরণ: কেউ যদি বলে, "আল্লাহ নেই" বা "কুরআন সত্য নয়"। নাঊজুবিল্লাহ

২. ইবাদতির কুফর (উপাসনার কুফর):

একমাত্র আল্লাহর উপাসনা না করে অন্য কিছুকে উপাসনা করা।
উদাহরণ: মূর্তিপূজা,মাজার পূজা বা শিরক।

৩. নাফরমানি কুফর (অবাধ্যতার কুফর):

ইসলামের আদেশ মানার পরেও ইচ্ছাকৃতভাবে তা লঙ্ঘন করা।

উদাহরণ: ইসলামের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করা,হারামকে হালাল বানিয়ে ফেলা,ব্যভিচারে লিপ্ত থাকা।

৪. নিফাকি কুফর (মুনাফেকি):

বাইরে মুসলমানের পরিচয় দেওয়া, কিন্তু অন্তরে ইসলাম অস্বীকার করা।

৫. শাক্কি কুফর (সন্দেহের কুফর):

আল্লাহ বা ইসলামের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করা।

আল্লাহ তাআলা আমাদের কুফর করা থেকে হেফাজতে রাখুক।

 #খ্রিস্টান_ভাই_বোনদের_প্রতি_আহবানউল্লেখিত বাইবেলের আয়াতটি (John 16:13-14) যদি বিশ্লেষণ করা হয়, তবে এর সঙ্গে কুরআনের একট...
16/11/2024

#খ্রিস্টান_ভাই_বোনদের_প্রতি_আহবান

উল্লেখিত বাইবেলের আয়াতটি (John 16:13-14) যদি বিশ্লেষণ করা হয়, তবে এর সঙ্গে কুরআনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মিল খুঁজে পাওয়া যায়। আয়াতে যেসব বিষয় উল্লেখিত তা বিশ্লেষণ করলে কুরআন এবং মুহাম্মদ (সা.)-এর নবুওতের সাথে সম্ভাব্য সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায়:

আয়াতের মূল পয়েন্ট এবং কুরআনের সঙ্গে সাদৃশ্য:

"সে তোমাদের সব সত্যে পরিচালিত করবে":

কুরআন দাবি করে এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে চূড়ান্ত এবং সর্বজনীন সত্য। মুহাম্মদ (সা.)-এর মাধ্যমে এটি প্রকাশিত হয়।
কুরআন:

"এটি এমন এক কিতাব, যাতে কোনো সন্দেহ নেই। এটি পরহেযগারদের জন্য পথ নির্দেশিকা।"
(সুরা বাকারা ২:২)

"সে নিজের থেকে কিছু বলবে না; সে শুধু সেই কথাগুলো বলবে, যা সে শুনবে"

কুরআন এবং মুহাম্মদ (সা.)-এর কথা অনুযায়ী, তিনি নিজের পক্ষ থেকে কিছু বলেননি। সবকিছু আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত।

কুরআন:
"তিনি নিজের মন থেকে কিছু বলেন না। এটি তো ওহি যা তার কাছে প্রেরণ করা হয়।"
(সুরা আন-নাজম ৫৩:৩-৪)

"ভবিষ্যৎ বিষয়গুলো তোমাদের জানাবে":

কুরআনে ভবিষ্যতের অনেক বিষয় উল্লেখ রয়েছে, যেমন: কিয়ামতের আলামত, দাজ্জালের আবির্ভাব, এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিস্তার।
উদাহরণ:

"তারা কি দেখে না যে, আমরা তাদের চারপাশের অঞ্চল সংকুচিত করছি?"
(সুরা আম্বিয়া ২১:৪৪)

এটি এক ধরনের ভবিষ্যদ্বাণী, যা আধুনিক ভূগোল ও বিশ্ববিস্তারের সঙ্গে মিলে যায়।

"সে আমাকে মহিমান্বিত করবে":

মুহাম্মদ (সা.)-এর বাণীতে যিশু মসীহ (আ.)-কে অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে। কুরআনে যিশু মসীহকে আল্লাহর প্রেরিত নবী ও রসূল হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

কুরআন:

"মারিয়ামের পুত্র ঈসা মসীহ শুধুমাত্র আল্লাহর রসূল এবং তাঁর পক্ষ থেকে একটি বাক্য এবং তাঁরই প্রেরিত রূহ।" (সুরা নিসা ৪:১৭১)

বাইবেলের এই আয়াতের সঙ্গে কুরআনের মিল অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। এই আয়াতে "সত্যের আত্মা" বলতে মুহাম্মদ (সা.)-কে বোঝানো হয়েছে, কারণ কুরআনের বার্তা বাইবেলের এই ভবিষ্যদ্বাণীকে বাস্তবায়ন করে।

Address

Cepz Road Chattogram
Chittagong
4218

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মুসলিম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to মুসলিম:

Share