Anjali-অঞ্জলি

Anjali-অঞ্জলি শনি দেবের পুজো করার সময় যদি তিল তেল দিয়ে প্রদীপ জ্বালানো যায়, তাহলে প্রসন্ন হন দেবতা।

শনি গ্রহের কু-প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে প্রতি শনিবার নবগ্রহ মন্দিরে শনিদেব ঠাকুরের প্রদীপের জন্য যে তেলটা ব্যবহার করা হয় আ...
26/08/2022

শনি গ্রহের কু-প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে প্রতি শনিবার নবগ্রহ মন্দিরে শনিদেব ঠাকুরের প্রদীপের জন্য যে তেলটা ব্যবহার করা হয় আপনার সাধ্যমত সেই তেলটি দান করুন।
শনি ঠাকুরের কৃপায় আপনার জীবনের অনেক সমস্যার সমাধান হবে।
🍁 তেল দানের প্রণামীঃ ৮০ টাকা।

আগামী শনিবার যারা নবগ্রহ মন্দিরে বড় ঠাকুরের পূজা অথবা তেল দান দিবেন তারা দয়া করে আমাদের পেইজে আপনার কুষ্টির নাম ও গোত্র ...
26/08/2022

আগামী শনিবার যারা নবগ্রহ মন্দিরে বড় ঠাকুরের পূজা অথবা তেল দান দিবেন তারা দয়া করে আমাদের পেইজে আপনার কুষ্টির নাম ও গোত্র প্রদান করবেন। যদি পারেন নিজে গিয়ে পূজা দিতে পারেন কিনা দেখবেন। যারা নানান কারণে ব্যস্ত ও সময়ের অভাবে পূজা দিতে পারছেন না তাদের জন্য আমাদের এই ব্যবস্থা। আমরা পূজার বাজার করে নবগ্রহ মন্দিরে আপনার পূজা ও তেল দান দিয়ে দিব। নবগ্রহ মন্দির থেকে পূজা ও দেওয়ার রসিদটা আপনাদের ছবি তুলে মেসেঞ্জারে পাঠিয়ে দেয়া হবে যাতে আপনার পূজা যে আমরা দিয়েছি তাহার প্রমান হিসেবে।
বড় ঠাকুর সবার মঙ্গল করুক। জয় বড় ঠাকুরের জয়।
♻️ বড় ঠাকুরের পূজার প্রণামীঃ ৩৫০ টাকা।
♻️ বড় ঠাকুরের তেল দানের প্রণামীঃ ৮০ টাকা।
☎️ 01811202383.

অপূর্ব লীলাময় শ্রীকৃষ্ণ-এই কলি যুগে কৃষ্ণ কথা-----------------------------------------------------------পরমেশ্বর ভগবান ...
26/08/2022

অপূর্ব লীলাময় শ্রীকৃষ্ণ-এই কলি যুগে কৃষ্ণ কথা
-----------------------------------------------------------
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মর্ম উপলব্ধি করতে না পেরে এবং তার অপ্রাকৃত ঐশ্বর্য সম্বন্ধে না জানার ফলে সরলচিত্ত বৃন্দাবনবাসীরা শ্রীকৃষ্ণের সমস্ত আশ্চর্য কার্যকলাপ সম্বন্ধে আলােচনা করতে লাগলেন—যে সব কার্যকলাপ সাধারণ মানুষের সাধ্যাতীত।

তাদের মধ্যে একজন বললেন, হে বন্ধুগণ, এই রকম অসাধারণ একজন বালক, যার কার্যকলাপ এত বিস্ময়কর, সে বৃন্দাবনে আমাদের সঙ্গে বাস করছে, কিভাবে এটি সম্ভব হল?

এটা সত্যিই অসম্ভব, একটু বিবেচনা করে দেখ! তার বয়স এখন মাত্র সাত বৎসর! কিন্তু সে এই গােবর্ধন পর্বত তুলে ধরল ঠিক যেমন ঐরাবত একটি পদ্মফুল তুলে ধরে।”

একটি হাতির পক্ষে একটি পদ্মফুল তােলা যেমন অতি তুচ্ছ একটি ব্যাপার, শ্রীকৃষ্ণ ঠিক তেমনিভাবে গিরি গােবর্ধনকে তুলে ধরেছিলেন। তিনি যখন একটি ছোেট্ট শিশু এবং যখন তার ভালমতাে চোখও ফোটেনি,

তখন তিনি পূতনা রাক্ষসীকে হত্যা করেছিলেন, তার স্তন্যপান করে তিনি তার প্রাণবায়ু শুষে নিয়েছিলেন। মহাকাল যেমন জীবের শরীর থেকে জীবন আর্কষণ করে, ঠিক সেইভাবে শ্রীকৃষ্ণ মহাবল পুতনা রাক্ষসীর স্তন্যপান করে তার প্রাণ সংহার করেছিলেন।

তার বয়স যখন মাত্র তিন মাস, তখন তাকে একটা শকটের নীচে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছিল। ক্ষুধার্ত হয়ে শ্রীকৃষ্ণ কাদতে কাঁদতে তার পা ছুঁড়তে লাগলেন,

এবং সেই পায়ের আঘাতে সেই শকটটি তৎক্ষণাৎ ভেঙ্গে গিয়েছিল। যখন তার বয়স মাত্র এক বৎসর, তখন ঘূর্ণিঝড়ের রূপে তৃণাবর্ত অসুর তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় এবং যদিও সে তাঁকে আকাশে অনেক উঁচুতে নিয়ে গিয়েছিল,

কিন্তু শ্রীকৃষ্ণ তার গলা টিপে শ্বাসরুদ্ধ করে ফেলে, এবং তার ফলে সেই অসুর প্রচণ্ড বেগে ভূপতিত হয় এবং তৎক্ষণাৎ প্রাণত্যাগ করে।

একবার ননী চুরি করার অপরাধে তার মা তাকে একটা উদুখলের সঙ্গে বেঁধে রাখেন এবং শ্রীকৃষ্ণ তার কোমরের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বাঁধা সেই উদুখলটি টানতে টানতে দুটি অর্জুন বৃক্ষের মাঝখানে সেটি আটকে একটু টান দিয়েছিলেন, এবং তার ফলে সেই বৃক্ষ দু'টি ভূপতিত হয়।

একবার কৃষ্ণ তাঁর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা বলরামের সঙ্গে বনে গােবৎসদের নিয়ে বিচরণ করছিলেন, তখন তাদের হত্যা করার উদ্দেশ্য নিয়ে বকাসুর নামক এক প্রবল অসুর সেখানে উপস্থিত হয়। কিন্তু। শ্রীকৃষ্ণ তার মুখ থেকে আরম্ভ করে সমস্ত শরীর বিদীর্ণ করে দিয়েছিলেন।

বৎসাসুর নামক একটি অসুর যখন গােবৎসদের সঙ্গে মিশে শ্রীকৃষ্ণকে বধ করার চেষ্টা করেছিল, তখন শ্রীকৃষ্ণ সেই অসুরটিকে চিনতে পেরে তাকে একটা গাছের উপর ছুঁড়ে দিয়ে মেরে ফেলে।

শ্রীকৃষ্ণ যখন তার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা বলরামের সঙ্গে তালবনে প্রবেশ করেন, তখন গর্দভ-রূপধারী ধেনুকাসুর তাদের আক্রমণ করে এবং বলরাম তৎক্ষণাৎ তার পেছনের পা-দুটি ধরে মাথার উপর ঘােরাতে ঘােরাতে একটি তালগাছের উপর ছুঁড়ে ফেলে তাকে বধ করেন।

যদিও ধেনুকাসুরের গর্দভ রূপধারী বন্ধুরা তাঁদের আক্রমণ করেছিল, কিন্তু শ্রীকৃষ্ণ ও বলরাম তাদের সকলকে বধ করেছিলেন; এবং তখন থেকে বৃন্দাবনবাসীরা এবং সমস্ত পশুরা স্বচ্ছন্দে সেই তালবনে প্রবেশ করতে শুরু করে।

প্রলম্বাসুর যখন তাঁর গােপসখাদের সঙ্গে মিশে গিয়ে বলরামকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল, তখন বলরাম তাকে অনায়াসে বধ করেছিলেন।

তারপর শ্রীকৃষ্ণ তার সখাদের এবং গাভীদের ভয়ঙ্কর দাবানল থেকে রক্ষা করেন এবং যমুনা হ্রদে কালীয় সর্পকে দমন করে তাকে যমুনা থেকে নির্বাসন দেন। এইভাবে তিনি যমুনার জলকে বিষমুক্ত করেন।

নন্দ মহারাজের আরেক বন্ধু বললেন, "প্রিয় নন্দ, আমরা জানি না তােমার পুত্র শ্রীকৃষ্ণের প্রতি কেন আমরা এই গভীর আকর্ষণ অনুভব করি। আমরা তাকে ভুলে যেতে চাই, কিন্তু তা সম্ভব হয় না।

কেন আমরা এই রকম স্বাভাবিকভাবে তার প্রতি আকৃষ্ট হই? একবার ভেবে দেখ এটি কী আশ্চর্য! তার বয়স এখন মাত্র সাত বছর, আর সে অনায়াসে এই বিরাট গোবর্ধন পূর্বত তার হাতের উপর তুলে ধরল! হে নন্দ মহারাজ!

আমাদের এখন সন্দেহ হচ্ছে তােমার পুত্র শ্রীকৃষ্ণ নিশ্চয়ই কোন দেবতা হবেন, তিনি কোন সাধারণ নরশিশু নন। হয়ত বা তিনি পরমেশ্বর ভগবান স্বয়ং।”

সুপ্রভাত, আজকের রাশিফল....অঞ্জলী পেইজের পক্ষ থেকে শুভ শুক্রবারের প্রভাতী শুভেচ্ছা। আজকের দিনটি সকলের শুভ হোক। আজ ৯ই আষাঢ়...
24/06/2022

সুপ্রভাত, আজকের রাশিফল....
অঞ্জলী পেইজের পক্ষ থেকে শুভ শুক্রবারের প্রভাতী শুভেচ্ছা।
আজকের দিনটি সকলের শুভ হোক।
আজ ৯ই আষাঢ় ১৪২৯, ইং- ২৪শে জুন ২০২২
সূর্যোদয়- ০৪.৫৬মি: ভোর,
সূর্যাস্ত- ০৬.২৩:মি সন্ধ্যা... কৃষ্ণপক্ষে.....
আজকের তিথি..... সূর্যোদয় - ০১:১১:০০ রাত্রি পর্যন্ত = একাদশী ০১:১১:০০ রাত্রি - পরের সূর্যোদয় = দ্বাদশী
আজকের নক্ষত্র..... সূর্যোদয় - ১১:০৮:০০ দিবা পর্যন্ত = অশ্বিনী নক্ষত্র
১১:০৮:০০ দিবা - পরের সূর্যোদয় = ভরণী নক্ষত্র
🎇আজকের রাশিফল🎇
👉মেষ- কর্মক্ষেত্রে কোন কারণে অস্থিরতা বৃদ্ধি পারে। ছোটখাটো কোন কারণে চোট লাগতে পারে। বাড়তি কোনো খরচের জন্য বাড়িতে অনেক অশান্তি বাধার সম্ভাবনা।
👉 বৃষ- কাজের চাপের জন্য শরীরে ক্লান্তি। রক্তচাপ নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে। সামাজিক সম্মান বৃদ্ধি ও গঠনমূলক কোন কাজে সাফল্য। বন্ধুদের জন্য অর্থ অপচয় হতে পারে।
👉 মিথুন- বাড়িতে কোন সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ অনেক দূর পর্যন্ত যেতে পারে। শত্রুর জন্য কাজের ক্ষতি, সামাজিক কোনো কাজে সুনাম বৃদ্ধি। গুপ্ত শত্রুর থেকে সাবধানে থাকুন।
👉 কর্কট- বাড়িতে কোন শুভ কাজ হতে পারে। সঞ্চয় কম হবে, আইনি কোনো কাজের জন্য মানসিক চাপ বাড়তে পারে। নতুন কোনো বন্ধুর সঙ্গে পরিচয় হতে পারে।
👉 সিংহ- সংসারের কাজে অনীহা আসবে। আজ ব্যবসায় ভালো ফল পাবেন না, প্রতিবেশীর সাথে শত্রুতা বাড়তে পারে। বন্ধু থেকে সাহায্য লাভ, বিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণায় সাফল্য।
👉 কন্যা- বিবাহ সংক্রান্ত কোনো যোগাযোগ আসতে পারে। ব্যবসায় লাভের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। অত্যাধিক বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে। কোন কাজের জন্য মনে চঞ্চল্যতা বাড়বে।
👉 তুলা- আজ ভালো কোন কাজের জন্য মহান হতেও পারেন। সাধু সেবার জন্য মনে আনন্দ লাভ। ভাই- বোনের মধ্যে কোন সমস্যা আজ বাড়তে পারে। প্রতিবেশীর সঙ্গে কোন বিবাদ থেকে একটু সাবধানে থাকুন।
👉 বৃশ্চিক- কোন বড় কারণে অর্থ ক্ষতি হওয়ার যোগ প্রবল। আজ পেটের কোন অংশে যন্ত্রণায় শরীর দুর্বল হয়ে যেতে পারেন। ব্যবসার ক্ষেত্রে নতুন কিছু ভাবনা। স্ত্রীর সাথে বিবাদ।
👉ধনু- প্রেমের ব্যাপারে একাকীত্ব আসতে পারে। বাড়িতে কোন কিছুর জন্য আনন্দ লাভ। পেটের কষ্ট বৃদ্ধি। আজ একটু বুঝে শুনে বন্ধুর সঙ্গে চলুন, বিবাদ হয়ে যেতে পারে।
👉 মকর- আজ প্রিয়জনের কাছ থেকে দুঃখ পেতে পারেন। কোন অশান্তিতে সাহসিকতার পরিচয় দিতে পারবেন। ব্যবসায় বাড়তি কোন লাভের জন্য আনন্দ। পিতার সঙ্গে তর্ক। কোন ভাল কাজ করেও বদনামের ভাগীদার হতে পারেন।
👉 কুম্ভ- অতিরিক্ত লোভের জন্য ক্ষতি হতে পারে। ব্যবসায়ে কোনো উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সাহায্য লাভ। চিকিৎসার ব্যাপারে খরচ বাড়তে পারে। কোন বড় কারণে অর্থ ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
👉 মীন- গঠনমূলক কোন কাজে সাফল্য লাভ। ব্যবসায় ভালোর চেয়ে মন্দ বেশি হতে পারে। বন্ধুদের জন্য অর্থ অপচয় হতে পারে। আজ একটু সাবধানে যানবাহনে চলাফেরা করবেন।
✳️✳️✳️ ( উক্ত রাশিফল স্থান, কাল ও ব্যক্তি বিশেষে কিছুটা তারতম্য ঘটতে পারে, সঠিক রাশিফল পেতে গেলে অবশ্যই জাতক-জাতিকাদের রাশিচক্রের গ্রহের অবস্থান দশা বিচারের বিশেষ প্রয়োজন আছে )✳️✳️✳️
♦️আজকের শুভ রং ও শুভ সংখ্যা.....👉মেষ-হলুদ, ৪ 👉বৃষ- নীল, ২ 👉মিথুন-সাদা, ৮ 👉কর্কট- লাল, ৪ 👉সিংহ- ধূসর, ৬ 👉কন্যা-বেগুনি, ৭ 👉তুলা-তামাটে, ৫ 👉বৃশ্চিক-সবুজ, ৯ 👉ধনু-তুঁতে, ১০ 👉মকর- পিত্ত, ৩ 👉কুম্ভ-আকাশী, ৫ 👉মীন-বাসন্তী, ১
আজকের যা খাওয়া নিষেধ.....
সূর্যোদয় থেকে ০১:১১:০০ রাত্রি পর্যন্ত একাদশী তিথিতে শিম্ব (শিম) ভক্ষণ নিষেধ! ভক্ষণে..... পাপ জন্মানোর সম্ভাবনা!

আগামী শনিবার যারা নবগ্রহ মন্দিরে বড় ঠাকুরের পূজা দিবেন তারা দয়া করে আমাদের পেইজে আপনার কুষ্টির নাম ও গোত্র প্রদান করবেন।...
22/06/2022

আগামী শনিবার যারা নবগ্রহ মন্দিরে বড় ঠাকুরের পূজা দিবেন তারা দয়া করে আমাদের পেইজে আপনার কুষ্টির নাম ও গোত্র প্রদান করবেন। যদি পারেন নিজে গিয়ে পূজা দিতে পারেন কিনা দেখবেন। যারা নানান কারণে ব্যস্ত ও সময়ের অভাবে পূজা দিতে পারছেন না তাদের জন্য আমাদের এই ব্যবস্থা। আমরা পূজার বাজার করে নবগ্রহ মন্দিরে আপনার পূজা ও তেল দান দিয়ে দিব। নবগ্রহ মন্দির থেকে পূজা ও দেওয়ার রসিদটা আপনাদের ছবি তুলে মেসেঞ্জারে পাঠিয়ে দেয়া হবে যাতে আপনার পূজা যে আমরা দিয়েছি তাহার প্রমান হিসেবে।
বড় ঠাকুর সবার মঙ্গল করুক। জয় বড় ঠাকুরের জয়।
♻️ বড় ঠাকুরের পূজার প্রণামীঃ ৩৫০ টাকা।
☎️ 01811202383.

আগামী শনিবার যারা নবগ্রহ মন্দিরে বড় ঠাকুরের পূজা দিবেন তারা দয়া করে আমাদের পেইজে আপনার কুষ্টির নাম ও গোত্র প্রদান করবেন।...
22/06/2022

আগামী শনিবার যারা নবগ্রহ মন্দিরে বড় ঠাকুরের পূজা দিবেন তারা দয়া করে আমাদের পেইজে আপনার কুষ্টির নাম ও গোত্র প্রদান করবেন। যদি পারেন নিজে গিয়ে পূজা দিতে পারেন কিনা দেখবেন। যারা নানান কারণে ব্যস্ত ও সময়ের অভাবে পূজা দিতে পারছেন না তাদের জন্য আমাদের এই ব্যবস্থা। আমরা পূজার বাজার করে নবগ্রহ মন্দিরে আপনার পূজা ও তেল দান দিয়ে দিব। নবগ্রহ মন্দির থেকে পূজা ও দেওয়ার রসিদটা আপনাদের ছবি তুলে মেসেঞ্জারে পাঠিয়ে দেয়া হবে যাতে আপনার পূজা যে আমরা দিয়েছি তাহার প্রমান হিসেবে।
বড় ঠাকুর সবার মঙ্গল করুক। জয় বড় ঠাকুরের জয়।
♻️ বড় ঠাকুরের পূজার প্রণামীঃ ৩৫০ টাকা।

🔴ভগবান শ্রী জগন্নাথের জ্বর লীলা!🔵জগন্নাথের স্নানযাত্রার পর মন্দির পনেরো দিন পর্যন্ত বন্ধ থাকে। জগন্নাথের জ্বর হয়। ১৫ দিন...
15/06/2022

🔴ভগবান শ্রী জগন্নাথের জ্বর লীলা!

🔵জগন্নাথের স্নানযাত্রার পর মন্দির পনেরো দিন পর্যন্ত বন্ধ থাকে। জগন্নাথের জ্বর হয়। ১৫ দিন পর মন্দির খোলা হয়।
নয়নকল উৎসবে নয়ন খুলবে। জগন্নাথকে সাজানো হয়। শ্রীক্ষেত্র পুরী হল মর্ত্যের বৈকুন্ঠ, দ্বারকা। পুরী মন্দিরের চারটা দরজা। অশ্ব,হস্তি, ব্যাঘ্র, সিংহ। অশ্ব-অর্থ, হস্তি-মোক্ষ, ব্যাঘ্র-কাম, সিংহ-ধর্ম। জগন্নাথ সিংহ দরজা দিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করে।
মহাপ্রভুও এই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতেন জগন্নাথ দর্শনে। হস্তি দরজা দিয়ে জগন্নাথ বের হয় সমাধিতে যাওয়ার জন্য। দরজা বন্ধ থাকে সবসময়। শুধু জগন্নাথ সমাধিতে যায় এই দরজা দিয়ে। একবার দেবকী, বাসুদেবের বাসনা হল তীর্থ স্নান করবে। বলরাম কৃষ্ণ বললেন দেবকী বাসুদেবকে। কুরুক্ষেত্রে অমাবস্যায় সূর্যগ্রহনের স্নান করলে মোক্ষ লাভ হয়। কুরুক্ষেত্রে একুশবার ক্ষত্রিয়দের বিনাশ করেছিল। তাদের রক্ত থেকে এই সরোবর। আবার পরশুরাম ওখানে তর্পন করে ঐ ক্ষত্রিয়দের। ঐ সরোবর পূর্ণ তীর্থে পরিনত হয়। ঐখানে সবাইকে নিয়ে আসেছেন দ্বারকাদীশ শ্রীকৃষ্ণ। মা দেবকী, বাসুদেব, সঙ্গে সুভদ্রা মাতা, কৃষ্ণের আট জন মহাপটরানী, সঙ্গে বলরাম তার সাথে বারূণী, রেবতী যাচ্ছেন। অনেক সৈন্য, অনেক বাদ্যযন্ত্র বাজছে। নারদজী ভাবছেন, শ্রীকৃষ্ণ আসেছেন কুরুক্ষেত্রে এই কথা ব্রজবাসীদের বলতে হবে। নারদজী বীনায় কৃষ্ণ নাম করতে করতে চললেন ব্রজে। একমাসের বেশীসময় কৃষ্ণ কুরুক্ষেত্রে থাকবে এই খবর দিতে চললেন নারদজী ব্রজে। ব্রজে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে অঙ্গে জ্বলতে লাগল। যোগ ধ্যানে বসলেন নারদজী কেন তার অঙ্গ জ্বলছে। বিরহ তাপে অঙ্গ জ্বলছে ব্রজধামের, যমুনার, স্থাবর-জঙ্গম, গোবৎস, গাভী, গোপ গোপী,মা যশোদা নন্দবাবা।
কৃষ্ণবিরহে সবাই কাঁদছে। নারদজী দেখলেন ব্রজে নন্দালয়ে যশোদা ননী নিয়ে গোপাল গোপাল করে কাঁদছে। শ্রীদাম পটে আঁকা কৃষ্ণের ছবি দেখে কেঁদে কেঁদে বলছে, কানাইয়া দেখ মিষ্টি ফল আনেছি। এটো ফল দিই নি রে। এটো ফল দিলাম বলে তুই আমাকে ছেড়ে চলে গেলি এই বলে কাঁদতে লাগল। এদিকে রাধা কাঁদে সখীদের গলা ধরে। নারদজী বললেন তোমাদের নয়নাভিরাম কুরুক্ষেত্রে। চল তোমরা দর্শন করবে তোমাদের প্রাণ গোবিন্দকে। রাধাকে বলল ললিতা চল সখী তোকে সাজিয়ে দিই। রাধারাণী বলল আমি সেজে বসে আছি। নয়ন সেজেছে শ্যামের রূপ দর্শনে, হাত সেজেছে শ্যামের পদসেবনে,কানের ভূষন আমার শ্যামের নাম শ্রবন। সবাই চল কুরুক্ষেত্রে। বিরহিনী গোপীরা এক কুঞ্জে শ্যাম আছে শুনে দর্শনে ব্যাকুলতা নিয়ে গেল। দেখল যে বনমালী, যে গোপালকে ওরা ভালবাসত সে কৃষ্ণ নয়। কোথায় বনমালা কোথায় চুড়া। এ রাজার বেশে কৃষ্ণকে ভালবাসে না ওরা। দেখা না করে চলল রাধা। যোগমায়া দেখলেন রাধারানী কৃষ্ণ দর্শন না করে চলে যাচ্ছেন। কৃষ্ণকে বলল রাধারানী চলে গেছে শুনে শ্যামের মনে বিরহ হল রাধা বিরহ। এদিকে যোগমায়া অপূর্ব কুঞ্জ রচনা করলেন রাধা আর প্রিয় সখীদের জন্য। কৃষ্ণ আসবেন রাধার সেই অপূর্ব কুঞ্জে। কিন্তু এর জন্য রুক্মণীকে মানে লক্ষীকে রাজি করাতে হবে। রুক্মনী তো রাজি হয় না কিছু তো। কিছুতে যেতে দেবে না তাকে। এই নিয়ে দুইজনের রাগ।
তাইতো রাগ করে লক্ষী রান্না করে না। তখন কৃষ্ণ বলে আমার দাদা বলরাম কি দোষ করল,ও কেন না খেয়ে থাকবে। তাই শুধু পাচন রান্না করেন। কুরুক্ষেত্রে এই স্নান এল জগন্নাথের স্নান যাত্রা। এই যোগমায়ার কুঞ্জ হল গন্ডিচা মন্দির। যা যোগমায়া তৈরি করলেন।
জগন্নাথের জ্বর হল রাধার বিরহ জ্বর হল। জগন্নাথ যাবে রথে করে ভক্ত দর্শনে। রাধার কুঞ্জে গন্ডিচা মন্দিরে যাবে রথে করে। কিন্তু লক্ষী যেতে দেবে না। জগন্নাথের সাথে বলরাম সঙ্গে সুভ্দ্রা তাতে রাজি হলেন মা লক্ষী। তাই রথে আগে বলরাম, পরে সুভদ্রা তারপর জগন্নাথ।

জয় জগন্নাথ স্বামী || অপূূর্ব লীলা

Address

Hajari Lane
Chittagong
4000

Telephone

+8801811202383

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anjali-অঞ্জলি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share