Da’waah-দা’ওয়াহ্

Da’waah-দা’ওয়াহ্ রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়। (সহীহ বুখারীঃ৩৪৬১)

25/03/2026

আকস্মিক মৃত্যু থেকে রক্ষার দোয়া:

আবুল ইয়াসার (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, আল্লাহর রাসুল (সা.) এই দোয়া পড়তেন,

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَدْمِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ التَّرَدِّي وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْغَرَقِ وَالْحَرَقِ وَالْهَرَمِ وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ يَتَخَبَّطَنِي الشَّيْطَانُ عِنْدَ الْمَوْتِ وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ أَمُوتَ فِي سَبِيلِكَ مُدْبِرًا وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ أَمُوتَ لَدِيغًا

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাদমি ওয়া আউজুবিকা মিনাত তারাদ্দি, ওয়া আউজুবিকা মিনাল গারাকি ওয়াল হারকি ওয়াল হারামি ওয়া আউজুবিকা আঁইয়াতাখব্বাতানিশ শাইতনু ইংদাল মাওতি ওয়া আউজুবিকা আন আমুতা ফি সাবিলিকা মুদবিরান ওয়া আউজুবিকা আন আমুতা লাদি-গান।

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাপা পড়ে মৃত্যুবরণ থেকে আশ্রয় চাই, আশ্রয় চাই গহ্বরে পতিত হয়ে মৃত্যুবরণ থেকে, আমি আপনার কাছ থেকে আশ্রয় চাই পানিতে ডুবে ও আগুনে পুড়ে মৃত্যুবরণ থেকে এবং অতি বার্ধক্য থেকে। আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই মৃত্যুকালে শয়তানের প্রভাব থেকে, আমি আশ্রয় চাই আপনার পথে জিহাদ থেকে পলায়নপর অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা থেকে এবং আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে মৃত্যুবরণ থেকে।

(আবু দাউদ, হাদিস : ১৫৫২; নাসায়ি, হাদিস : ৫৫৪৬), হাকিম, হাদিস : ১/৫৩১)

19/03/2026

`শাওয়াল মাসের রোযার ফজিলত॥`

৬ হাজার টাকা জমা রেখে কেউ যদি ৬ দিনে ৬০ হাজার টাকা পাওয়ার অফার পাইতো; আমার বিশ্বাস ধনী-গরিব,ফকির-মিসকিন কেউই এই অফার হাতছাড়া করতো না॥ কিন্তু আমার আল্লাহ রমজান মাসের পর ৬টি রোজা রাখলে ১২ মাস রোজা রাখার অফার দিয়েছে তারপরও অনেকেই এই অফার হাতছাড়া করবে!!

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন, ‘যারা রমজানে রোজা পালন করবে এবং শাওয়ালে আরও ছয়টি রোজা রাখবে; তারা যেন পূর্ণ বছরই রোজা পালন করল।’ (মুসলিম: ২৬৪৮,২৬৪৯,২৬৫০; আবু দাউদ: ২৪৩৩)।

17/03/2026

`আল কুরআনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাণী॥`

সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না এবং জানা সত্ত্বে সত্যকে গোপন করো না। [সুরা বাকারা-৪২]

তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো এবং আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর; অকৃতজ্ঞ হয়ো না। [ সুরা বাকারা-১৫২ ]

আল্লাহ তোমাদের কাজকর্ম সম্পর্কে বে-খবর নন। [ সুরা বাকারা-৭৪ ]

অবশ্যই আমি তোমাদিগকে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের। [ সুরা বাকারা-১৫৫ ]

যারা আল্লাহর রাস্তায় স্বীয় ধন সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উদাহরণ একটি বীজের মত, যা থেকে সাতটি শীষ জন্মায়। প্রত্যেকটি শীষে একশ করে দানা থাকে। আল্লাহ অতি দানশীল, সর্বজ্ঞ। [ সুরা বাকারা-২৬১ ]

যে লোক সৎকাজের জন্য কোন সুপারিশ করবে, তা থেকে সেও একটি অংশ পাবে। আর যে লোক সুপারিশ করবে মন্দ কাজের জন্যে সে তার বোঝারও একটি অংশ পাবে। বস্তুতঃ আল্লাহ সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল। [ সুরা নিসা-৮৫ ]

পার্থিব জীবন ক্রীড়া ও কৌতুক ব্যতীত কিছুই নয়। পরকালের আবাস পরহেযগারদের জন্যে শ্রেষ্টতর। তোমরা কি চিন্তা ভাবনা করবে না ? [ সুরা আন’য়াম-৩২ ]

যদি আল্লাহ লোকদেরকে তাদের অন্যায় কাজের কারণে পাকড়াও করতেন, তবে ভুপৃষ্ঠে চলমান কোন কিছুকেই ছাড়তেন না। কিন্তু তিনি প্রতিশ্রুত সময় পর্যন্ত তাদেরকে অবকাশ দেন। অতঃপর নির্ধারিত সময়ে যখন তাদের মৃত্যু এসে যাবে, তখন এক মুহুর্তও বিলম্বিত কিংবা তরাম্বিত করতে পারবে না। [ সুরা নাহল-৬১ ]

16/03/2026

আল্লাহর কাছে ভালবাসা চাওয়ার দোয়া।

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ حُبَّكَ وَحُبَّ مَنْ يُحِبُّكَ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুব্বাকা ওয়া হুব্বা মাই ইউহিব্বুক

হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট তোমার ভালোবাসা এবং যে তোমাকে ভালোবাসে তার ভালোবাসা প্রার্থনা করি

জান্নাত প্রাপ্তি এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির দু’আ ।
اَللّٰهُمَّ أَدْخِلْنِى الْجَنَّةَ
বাংলা উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আদখিলনিল জান্নাতা।
অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও।
اَللّٰهُمَّ أَجِرْنِىْ مِنَ النَّارِ
বাংলা উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার ।
অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি আমাকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করো।

রাসূল ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি তিনবার আল্লাহর কাছে জান্নাতের প্রত্যাশা করে; জান্নাত বলবে, হে আল্লাহ! তুমি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও।
আর যে ব্যক্তি তিনবার জাহান্নাম থেকে মুক্তি কামনা করবে; জাহান্নাম বলবে, হে আল্লাহ! তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দাও। (সকাল এবং সন্ধ্যায় পড়া উত্তম)
( তিরমিযী, হা/২৫৭২, মিশকাত, হা/২৪৭৮, ইবনে মাজাহ, হা/৪৩৪০)

(উক্ত হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, যে কোন দোয়া তিনবার করে বলা উত্তম)

কিয়ামতের দিন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার সন্তুষ্টি লাভের দু‘আ॥

رَضِيتُ بِٱللَّهِ رَبًّا، وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا، وَبِمُحَمَّدٍ صَلَّى ٱللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَبِيًّا وَرَسُولًا
বাংলা উচ্চারণঃ রদ্বীতু বিল্লা-হি রব্বা, ওয়াবিল ইসলা-মি দ্বীনা, ওয়াবি মুহাম্মাদিন সাল্লাল্লা-হু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামা নাবিয়্যা ওয়া রাসুল।

অনুবাদঃ আল্লাহকে রব, ইসলামকে দ্বীন ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে নবীরূপে গ্রহণ করে আমি সন্তুষ্ট।

উপকারঃ রাসূল ﷺ বলেছেন, কোন মুসলিম বা কোন মানুষ বা কোন বান্দা সন্ধ্যায় ও সকালে উপনীত হয়ে ’’আল্লাহ আমার প্রভু, ইসলাম আমার দীন এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার রাসূল হওয়ায় আমি সর্বান্তঃকরণে সন্তুষ্ট আছি ’’ এ কথা বললে, কিয়ামতের দিন তার উপর সন্তুষ্ট হওয়া আল্লাহর কর্তব্য হয়ে যায়। [সুনান ইবনু মাজাহ ৩৮৭০]

বিপদ-আপদ থেকে রক্ষার দোয়া।

بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الأَرْضِ وَلاَ فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

বাংলা উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহীল্লাযী লা ইয়া দু্ররু মা’য়াসমিহি শাইয়ুং ফিল আরদি্ ওয়ালা ফিস সামায়ি ওয়াহুয়াস সামীউল আ’লীম।

অর্থঃ “আল্লাহ তা'আলার নামে” যার নামের বারাকাতে আকাশ ও মাটির কোন কিছুই কোন অনিষ্ট করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।”

ফজিলতঃ রাসূল ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় তিনবার উক্ত দু’য়া পড়বে সকাল হওয়া পর্যন্ত তার প্রতি কোন হঠাৎ বিপদ আসবে না। আর যে তা সকালে তিনবার পাঠ করবে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার উপর কোন হঠাৎ বিপদ আসবে না । (আবু দাউদ_৫০৮৮;তিরমিজী_৩৩৮৮; ইবনে মাজাহ_৩৮৬৯;)

13/03/2026

সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়ার ফজিলত ।
ءَامَنَ ٱلرَّسُولُ بِمَآ أُنزِلَ إِلَيۡهِ مِن رَّبِّهِۦ وَٱلۡمُؤۡمِنُونَۚ كُلٌّ ءَامَنَ بِٱللَّهِ وَمَلَٰٓئِكَتِهِۦ وَكُتُبِهِۦ وَرُسُلِهِۦ لَا نُفَرِّقُ بَيۡنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِۦۚ وَقَالُواْ سَمِعۡنَا وَأَطَعۡنَاۖ غُفۡرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيۡكَ ٱلۡمَصِيرُ

لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا ۚ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ ۗ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِنْ نَسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ ۖ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا ۚ أَنْتَ مَوْلَانَا فَانْصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ

ফজিলতঃ
• রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা আসমান-যামীন সৃষ্টির দুই হাজার বছর পূর্বে একটি কিতাব লিখেছেন। সেই কিতাব হতে তিনি দুটি আয়াত নাযিল করছেন আর তা হলো সূরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াত।

• রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, সূরা বাক্বারার শেষে এমন দুটি আয়াত রয়েছে যে ব্যক্তি রাতের বেলা আয়াত দুটি তেলোয়াত করবে তার জন্য এ আয়াত দুটোই যথেষ্ট। অর্থাৎ রাত্রে কুরআন মাজীদ তেলোয়াতের করার যে হক রয়েছে কমপক্ষে সূরা বাক্বারার শেষ দুটি আয়াত তেলোয়াত করলে তার জন্য তা যথেষ্ট হবে।

• রাসূলুল্লাহ ﷺ আরো বলেছেন, যে বাড়ীতে পর পর তিন রাত এই আয়াত দুটি পাঠ করা হয় শয়তান সে বাড়ীর নিকটেও যেতে পারবে না
(বুখারী, হা/৪০০৮, ৫০০৭, ৫০০৯, ৫০৪০, ৫০৫১, মুসলিম, হা/১৭৬৩,১৭৬৪,১৭৬৫; আত-তিরমিযী, হা/২৮৮১, ২৮৮২, আবু দাউদ, হা/১২৬৩)

যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে/ঈশার নামাজের পর সূরা মূলক পাঠ করবেন আল্লাহ তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করবেন ইনশাআল্লাহ।...........
12/03/2026

যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে/ঈশার নামাজের পর সূরা মূলক পাঠ করবেন আল্লাহ তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করবেন ইনশাআল্লাহ।
................
বাবার দাফনের কাজ সম্পন্ন।
সবাই চলে গেছে কিন্তু ছেলেটা একাকী বাবার কবরের কাছে দাঁড়িয়ে আছে।
কাঁদো কাঁদো স্বরে বলছে,

-আব্বু, আপনি কি প্রতি রাতে সূরা মুলক তিলাওয়াতের ব্যপারে আল্লাহর ওয়াদা সত্য পেয়েছেন?

বাবাভক্ত ছেলে এবার আকাশের দিকে তাকিয়ে অশ্রুসজল চোখে বলল, ইয়া আল্লাহ! আমাদের রাসুলুল্লাহ ﷺ বলে গিয়েছেন, প্রতি রাতে সূরা মুলক তিলাওয়াত করলে, আপনি কবরের আযাব মাফ করে দেবেন।

ইয়া আল্লাহ!
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আমার আব্বুকে কখনো সুরা মুলক তিলাওয়াত করা ছাড়া ঘুমাতে যেতে দেখিনি।

কবর দিতে আসা আত্মীয়-স্বজন অবাক হয়ে দেখল, ছেলেটা চোখের পানি মুছতে মুছতে হাসিমুখে কবরস্থান ত্যাগ করছে আর বলছে,
আমার এত চিন্তার কী আছে!
রাসুলুল্লাহ ﷺ এর হাদীস মিথ্যা হতেই পারে না।

#এটাই_রবের_প্রতি_বান্দার_বিশ্বাস_আর_ভালোবাসার_বহিঃপ্রকাশ। (প্রতিকী)

` #সূরা_মূলক_পাঠের_ফজিলত ।`
(বিঃদ্রঃ উক্ত সূরাটি পবিত্র কুরআনের ২৯তম পারার ৬৭ নং সূরা /আয়াত সংখ্যা-৩০)

ফজিলতঃ
যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে/ঈশার নামাজের পর সূরা মূলক পাঠ করবেন আল্লাহ তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করবেন ইনশাআল্লাহ।

প্রতিদিন রাতে ঈশার নামাজের পর নিয়মিত পাঠ করলে ঐ ব্যক্তিকে ক্ষমা না করা পর্যন্ত এই সূরা আল্লাহর কাছে ঐ ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করতেই থাকবে ইনশাআল্লাহ।

রাসূলুল্লাহ ﷺ সূরা মূলক পাঠ না করে কখনও ঘুমাতেন না।
(সুনানে আত-তিরমিজী হা/২৮৯১,২৮৯২; আবু দাউদ হা/১৪০০; ইবনে মাজাহ হা/৩৭৮৬; মিশকাত হা/২১৫৩)

11/03/2026
11/03/2026

`আয়াতুল কুরসী পাঠের ফজিলত ।`
ٱللَّهُ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُۥ سِنَةٌۭ وَلَا نَوْمٌۭ ۚ لَّهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَ‌ٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ مَن ذَا ٱلَّذِى يَشْفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذْنِهِۦ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىْءٍۢ مِّنْ عِلْمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ ٱلسَّمَـٰوَ‌ٰتِ وَٱلْأَرْضَ ۖ وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ ٱلْعَلِىُّ ٱلْعَظِيمُ ۝

বাংলা উচ্চারণঃ
আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হা্ইয়্যুল ক্বাইয়্যুম। লা তা খুযুহু সিনাতুও ওয়ালা নাউম। লাহু মা ফিস-সামাওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্ব। মাং যাল্লাযি ইয়াশফা’য়ু ইংদাহু ইল্লা বিইযনিহি, ইয়া’লামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খলফাহুম। ওয়ালা ইউ হি্ ত্বুনা বিশাই ইম মিন ইলমিহি ইল্লা বিমা শা আ। ওয়াসিয়া কুরসিইয়্যু হুসসামাওয়াতি ওয়াল আরদ্ব। ওয়ালা ইয়া উদুহু হিফ্ জুহুমাওয়াহু ওয়া হুওয়াল আ’লিয়্যুল আ’জিম।
ফজিলতঃ • প্রতি ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পরে পড়লে তার আর বেহেস্তের মধ্যে একটি জিনিসেরই দুরত্ব থাকে, আর তা হলো মৃত্যু। • যখন কেউ বিছানায় ঘুমাতে যায় তখন আয়াতুল কুরসী পাঠ করলে আল্লাহর পক্ষ হতে তার জন্য একজন ফেরেস্তা নিয়োগ করা হয় যে সকাল হওয়া অবধি তাকে শয়তানের হাত থেকে রক্ষা করে। • প্রতিদিন সকালে পড়লে সন্ধ্যা পর্যন্ত এবং সন্ধ্যায় পড়লে সকাল পর্যন্ত আল্লাহ সমস্ত বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করেন। [ বুখারী, হা/২৩১১, ৩২৭৫, ৫০১০, মুসলিম, হা/১৭৭০, আবু দাউদ, হা/৪০০৩, তিরমিযী, হা/২৮৮০ এবং নাসাঈ ১০০, সিলসিলাহ সহিহাহ: ৯৭২ ]

`দুই সিজদার মাঝখানে পাঠ করার দু’আ॥`রাসূল  ﷺ বলেছেন,  দুই সিজদার মাঝখানে বলতে বলেছেন,,,, اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ; وَارْحَ...
10/03/2026

`দুই সিজদার মাঝখানে পাঠ করার দু’আ॥`
রাসূল ﷺ বলেছেন, দুই সিজদার মাঝখানে বলতে বলেছেন,,,,
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ; وَارْحَمْنِي ; وَاهْدِنِي ; وَعَافِنِي ; وَارْزُقْنِي ; وَاجْبُرْنِي

বাংলা উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মাগফিরলী অর্থঃ হে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুন।

বাংলা উচ্চারণঃ ওয়ারহা্মনী। অর্থঃ আমার উপর রহম করুন।

বাংলা উচ্চারণঃ ওয়াহদ্বীনি। অর্থঃ আমাকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন।

বাংলা উচ্চারণঃ ওয়া আ’ফিনি অর্থঃ আমাকে নিরাপত্তা দান করুন।

বাংলা উচ্চারণঃ ওয়ারঝুক্বনী । অর্থঃ আমাকে রিজিক দান করুন ।

বাংলা উচ্চারণঃ ওয়াজবুরনী অর্থঃ আমার সকল ক্ষয়ক্ষতি পূরণ করুন ।
(আবু দাউদ, ৮৫০, তিরমিজী, ২৮৪, ২৮৫)

`ক্ববর, জাহান্নাম, মৃত্যু এবং দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষার দু‘আ॥`
اَللَّهُـمَّ إِنِّـي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَمِنْ عَذَابِ جَهَـنَّم، وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّ جَّالِ
বাংলা উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নি আ’য়ূযুবিকা মিন আ’যাবিল ক্ববর, ওয়ামিন আ’যাবি জাহান্নাম। ওয়ামিং ফিতনাতিল মাহ্ইয়া ওয়াল মামাত,ওয়ামিং শার্রি ফিতনাতিল মাসীহি্দ দাজ্জাল।

অর্থঃ হে আল্লাহ! আমাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করুন, জাহান্নামের আজাব থেকে রক্ষা করুন, মৃত্যুর ফিতনা থেকে রক্ষা করুন এবং দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা করুন।

উপকারঃ রাসূল ﷺ বলেছেন, যখন তোমাদের মধ্যে কেউ শেষ তাশাহুদ (সালামের ফিরানোর পূর্বে) শেষ করে, তখন যেন সে এই দু’য়াটি পরে চারটি জিনিস থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে।
(বুখারী ১৩৭৭; ইবনে মাজাহ ৯০৯,৯১০,৩৮৪৭; নাসায়ী ১৩১০,৫৫২০; আবূ দাঊদ ৭৯২, ৯৮৩)

`ফরজ নামাজের পর গুরুত্বপূর্ণ দু‘আ॥`
১)
سُبْحَانَ اللَّه، اَلْحَمْدُ لِلَّه، اَللَّهُ أَكْبَر
لاَ إِلَـٰهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْـدَهُ لاَ شَـرِيْكَ لَـهُ ، لَـهُ الْمُـلْكُ وَلَهُ الْحَمْـدُ ، وَهُـوَ عَلَـى كُلِّ شَـيْ ءٍ قَدِيْرٌ

রাসূল ﷺ বলেছেন, হে আবূ যার! আমি কি তোমাকে এমন দুটি বাক্য শিক্ষা দিবো না যা পাঠ করলে তুমি তোমার চেয়ে অগ্রগামীদের সমপর্যায় হতে পারবে এবং তোমার পিছনের লোকেরাও তোমাকে অতিক্রম করতে পারবে না? তবে তার কথা ভিন্ন যে তোমার মতো আমল করে।
তিনি বললেন, হ্যাঁ, নিশ্চয়। তিনি বললেনঃ তুমি প্রত্যেক ফরয সালাতের পর তেত্রিশবার ‘আল্লাহু আকবার’, তেত্রিশবার ‘আলহা্মদু লিল্লাহ’, তেত্রিশবার ‘সুবহা্নাল্লাহ’ এবং শেষে একবার ‘‘লা ’ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্ দাহু লা শারীকা লাহ, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হা্মদু ওয়া হুয়া আ’লা কুল্লি শাইয়িং ক্বদীর’’ বলবে তাহলে তোমার গুনাহসমূহ সমুদ্রের ফেনারাশির মতো অসংখ্য হলেও ক্ষমা করে দেয়া হবে।
(কিছু হাদি চৌত্রিশবার ‘আল্লাহু আকবার’, তেত্রিশবার ‘আলহা্মদু লিল্লাহ’, তেত্রিশবার ‘সুবহা্নাল্লাহ’ পড়ার কথা বলা হয়েছে) (সহীহ মুসলিম, হা/১২৩৬,১২৩৭,১২৩৯;, আবু দাউদ, হা/১৫০৪, আহমাদ, ৭২৪২)

২)
اَللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَىٰ ذِكْرِكَ، وَشُكْـرِكَ، وَحُسنِ عِبَادَتِكَ

বাংলা উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আয়িন্নী ‘আলা যিকরিকা,ওয়া শুকরিকা, ওয়া হুসনি ইবাদাতিক।

অনুবাদঃ হে আল্লাহ! আমাকে তোমার যিক্‌র ও শুকরিয়া জ্ঞাপন এবং উত্তমরূপে ইবাদত করার তাওফীক দাও।

উপকারঃ মুআয ইব্‌ন জাবাল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূল ﷺ তাঁর হাত ধরে বলেন, হে মুআয! আল্লাহর শপথ, আমি তোমাকে ভালবাসি। অতঃপর তিনি বলেনঃ আমি তোমাকে কিছু ওসয়িত করতে চাই; তুমি নামায পাঠের পর এটা কোন সময় ত্যাগ করবে না। তা হলঃ “আল্লাহুম্মা আইন্নী আলা যিক্‌রিকা ওয়া শুক্‌রিকা ওয়া হুস্‌নি ইবাদাতিক।” অতঃপর মুআয (রাঃ) আল্‌-সানাবিহীকে এরূপ ওসীয়ত করেন এবং আল্‌-সানাবিহী আবু আব্দুর রহমানকে এরূপ ওসীয়ত করেন। (সুনান আবূ দাউদ ১৫২২)

৩)
اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلاً مُتَقَبَّلاً
বাংলা উচ্চারণঃ ইন্নি আস’আলুকা ‘ইলমান নাফি’আন; ওয়া রিজকান তাইয়্যিবান; ওয়া ‘আমালান মুতাকাব্বালান।

অনুবাদঃ হে আল্লাহ্! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিযিক ও এবং কবূল হওয়ার যোগ্য কর্মতৎপরতা প্রার্থনা করি।

উপকারঃ উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ফজরের সালাত পড়ে সালাম ফিরিয়ে বলতেনঃ আল্লাহুম্মা ইন্নি আস’আলুকা ‘ইলমান নাফি’আন; ওয়া রিজকান তাইয়্যিবান; ওয়া ‘আমালান মুতাকাব্বালান হে আল্লাহ্! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিযিক ও এবং কবূল হওয়ার যোগ্য কর্মতৎপরতা প্রার্থনা করি। (সুনান ইবনে মাজাহ_৯২৫)

ক্বদরের রাত্রী॥আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নিজেই এ রাতের মহিমা বর্ণনায় একটি স্বতন্ত্র সূরা নাজিল করে বলেছেন, ক্বদরের_রাত্রি_এক...
09/03/2026

ক্বদরের রাত্রী॥

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নিজেই এ রাতের মহিমা বর্ণনায় একটি স্বতন্ত্র সূরা নাজিল করে বলেছেন, ক্বদরের_রাত্রি_এক_হাজার_মাসের_চেয়েও_শ্রেষ্ঠ (৯৭:০৩)।
অর্থাৎ কারো এক নাগাড়ে এক হাজার মাস বা ৮৩ বছর ৪ মাস পর্যন্ত ইবাদত করার যে ফযীলত বা সওয়াব পাওয়া যায়; তার চাইতেও অধিক এ এক রাতের ইবাদতের দ্বারাই মহান আল্লাহ প্রদান করে থাকেন।

`রাসূল ﷺ বলেছেন,'যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে নেকির আশায় কদরের রাতে ইবাদতের মধ্যে রাত্রি জাগবে, তার পূর্বের গুনাহ্ ক্ষমা করে দেয়া হবে। (সহীহ বুখারী_হা/৩৭, ৩৮, ১৯০১, ২০০৮, ২০০৯, ২০১৪)`

আপনি_এমন_একটি_লটারীর_টিকেট কিনলেন যার পুরস্কারের মূল্য টিকেটের মূল্যের চাইতেও লক্ষ কোটি গুন বেশী।
অথচ আপনি নিশ্চিতভাবেই জেনে গেলেন যে, ১ থেকে ১০ পর্যন্ত সিরিয়ালের টিকেটের মধ্যেই যে কোন একটিতে অবশ্যই পুরস্কার রয়েছে। এটা একেবারেই নিশ্চিত, গ্যারান্টেড। আরো মজার বিষয় হচ্ছে, এই ১ থেকে ১০ পর্যন্ত সিরিয়ালের টিকেটগুলো আপনি এখনই কিনে নিতে পারছেন।

> এখন বলুন, আপনি কি এই লক্ষ কোটি গুনের চাইতেও দামী পুরস্কারের ১০টি টিকেটের মধ্য থেকে একটি কিনে ভাগ্যকে ট্রাই করবেন। নাকি এর মধ্যে বেজোড় সংখ্যার টিকেট গুলো কিনবেন। নাকি পুরো ১০টি টিকেটই কিনে ফেলবেন একেবারে নিশ্চিত পুরস্কার পাবার জন্য।
এক্ষেত্রে আপনি যদি কোন রিস্ক না নেন। কোন সন্দেহ বা সংশয় না রাখেন। তাহলে নিশ্চয়ই সেটাই হবে বেশী বুদ্ধিমানের কাজ। তাই ক্বদরের রাত্রীর জন্য শেষ ১০ দিন সমানভাবে গুরুত্ব দিয়ে ইবাদত করুন।
.....................

মাসজিদুল হারামের শ্রদ্ধেয় ইমাম রমজানের শেষ দশ রাত্রের জন্য চমৎকার এক আমলের টিপস দিয়েছেন।
১. প্রতিরাত্রে কম পক্ষে এক দিরহাম (এক টাকা) দান করুন, যদি রাত্রটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর বা ১০০০ মাস পর্যন্ত প্রতিদিন এক টাকা দান করার সাওয়াব পাবেন।

২. প্রতিরাত্রে নিদেনপক্ষে (অন্তত) দুই রাকা'আত নফল সালাত আদায় করুন, যদি রাত্রটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন দুই রাকা'আত নফল সালাত আদায় করার সাওয়াব পাবেন।

৩. প্রতিরাত্রে নিম্নে তিনবার সূরা ইখলাস পাঠ করুন, যদি রাত্রটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন খতমুল কোরআন পাঠের তুল্য সাওয়াব পাবেন।

৪.প্রতি রাতে কিছু হলেও কোরআন পাঠ করুন।যদি রাত্রটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন কুরআন পাঠের সাওয়াব পাবেন।

★এই পরামর্শ কেবলমাত্র আমলের উৎসাহ দিতে, এটা ইবাদতের শর্টকাট কোনো পন্থা যেনো না ভাবি। অথবা এটিই একমাত্র শবে ক্বদরের আমল যেনো মনে না করি।কেউ যেনো বঞ্চিত না হই তাই নূন্যতম এটি করতে বলা। আমাদের বেশী বেশী আমল করা উচিৎ।

রাসূল ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমানসহ পুণ্যের আশায় রমাযানের সিয়াম পালন করে, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়। (সহীহ বুখারী ৩৮)

হাদিস (কুদসি): আল্লাহ তাআলা বলেন, "মানুষের প্রতিটি আমল তার নিজের জন্য, কিন্তু রোজা শুধু আমার জন্য। আর আমি নিজেই এর প্রতিদান দেব।" (বুখারি ১৯০৪)
……………………..

"শেষ ভালো যার, সব ভালো তার”একটু পড়ি……,.॥বিপদমুক্তির হাতিয়ার ‘দুআ ইউনুস' বই থেকে। শেষটুকু যার ভালোয় ভালোয় হয়, সেই-ই সত্য...
08/03/2026

"শেষ ভালো যার, সব ভালো তার”
একটু পড়ি……,.॥
বিপদমুক্তির হাতিয়ার ‘দুআ ইউনুস' বই থেকে।
শেষটুকু যার ভালোয় ভালোয় হয়, সেই-ই সত্যিকারের সফল হয়। যেমন সফল ছিলেন আল্লাহর রাসূলের সাহাবীরা।

"কিছু মানুষ ভাবে, যে ব্যক্তি মুসলিম পরিবারে জন্ম নিয়েছে এবং কখনো কুফরি করেনি, সে ওই ব্যক্তির চাইতে উত্তম যে আগে কাফির ছিল এবং পরবর্তী সময় মুসলিম হয়েছে। এটা ভুল ধারণা।
বরং মানুষের শেষ পরিণতিই আসল পরিচয়। দুজন মানুষের ভেতর যে কিনা মৃত্যুর আগ মুহূর্তে আল্লাহর প্রতি বেশি তাকওয়া রাখে, সে-ই সেরা।
এজন্য আপনি যদি গুনাহগার হন, তাহলে হতাশ হবেন না। আশা হারাবেন না। নিজেকে পাল্টানোর চেষ্টায় থাকুন।
বেশি আমল করতে না পারলেও তাওবা, ইস্তিগফার জারি রাখুন। চেষ্টা করুন নামাজ না মিস করার।

বার বার গুনাহ হয়ে যাচ্ছে দেখে তাওবা করা ছেড়ে দিবেন না।
✅নবী ﷺ বলেছেনঃ গুনাহ থেকে তওবাকারী নিষ্পাপ ব্যক্তিতুল্য। (ইবনে মাজাহ ৪২৫০)

✅ রাসূল ﷺ বলেছেনঃ বান্দা যখন গুনাহ করার পর তা স্বীকার করে (অনুতপ্ত হয়) আর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। [বুখারী হা/২৬৬১; মিশকাত ২৩৩০]

✅আল্লাহ বলেন, ‘যাহারা তওবা করে, ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে। আল্লাহ্ উহাদের পাপ পরিবর্তন করিয়া দিবেন পুণ্যের দ্বারা। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’।
(সূরা আল ফুরকান, আয়াত ৭০)

আবার এখন অনেক নেক আমল করছেন দেখে আত্মতুষ্ট হয়ে যাবেন না।
আপনি জানেন না আপনার শেষ পরিণতি কেমন হবে। ইতিহাসে এমন ঘটনা বিরল নয়, শুরুতে অনেক ধার্মিক থাকলেও শেষ জীবনে কুফরীর ওপর মারা গিয়েছে।
উবাইদুল্লাহ ইবনে জাহাশের সম্পর্কের দিক থেকে তিনি ছিলেন রাসূল ﷺ এর আপন ফুফাতো ভাই। খ্রিস্টধর্ম থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তাই নবীজি তাকে ওহী লিবিবদ্ধ করার দায়িত্ব দেন। সূরা বাকারা এবং সূরা আলে-ইমরান লিপিবদ্ধ করে সে।
একদিন হঠাৎ এই মানুষটাই দাবি করে বসল, নবীজির ওপর কোনো আসমানি বার্তা নাযিল হয় না। সে যা লেখে, সেগুলোই নাকি ওহী বলে চালিয়ে দেয়া হয়! অবশেষে সে ঈমান হারা হয়ে গেল॥

আল্লাহ সুবহা্নাহু ওয়া তা’আলা আমাদেরকে শেষের খারাপ পরিণতি থেকে হেফাজত করুক,আমিন॥

 #গীবত_থেকে_বাঁচার_কিছু_উপায়ঃহুটহাট করে কিছু বলে ফেলবেন না। কথা বলার আগে ভেবে চিন্তে কথা বলুন। এমনকি যতটুকু সম্ভব কম কথা...
07/03/2026

#গীবত_থেকে_বাঁচার_কিছু_উপায়ঃ

হুটহাট করে কিছু বলে ফেলবেন না। কথা বলার আগে ভেবে চিন্তে কথা বলুন।
এমনকি যতটুকু সম্ভব কম কথা বলাই ভালো, চুপ থাকাও একটা ইবাদত।

[রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
যে লোক নীরব থাকলো, সে নাজাত (মুক্তি) পেলো।
(তিরমিজী /সহীহ ২৫০১)]

আপনার বন্ধু অথবা কাছের আত্মীয়ের অনুপস্থিতিতে তাদের নামে ভালো কথাও বলবেন না।
কারণ ভালো কথা বলতে গিয়ে শয়তান আপনাকে দিয়ে কখন যে গীবত করিয়ে নিবে আপনি টেরই পাবেন না।

অতি প্রয়োজন ছাড়া লোকসমাগম জায়গা এড়িয়ে চলুন। কেননা যেখানে মানুষ বেশি থাকে সেখানে গীবতও বেশি হয়।

আপনার কাছে কেউ গীবত করলে তাকে থামিয়ে দিবেন। সম্ভব হলে বুঝিয়ে বলবেন।কারণ গীবত করা ও গীবত শোনা দুই টাই হারাম।
নিজেও যখন কথা বলতে বলতে গীবত করে ফেলবেন এবং হঠাৎ খেয়াল হবে আরে আমি তো গীবত করে ফেলতেছি সাথে সাথে থেমে যাবেন এবং তওবা করবেন।

অমুক এই এই কাজ গুলো ভালো করেনি।অমুকের এই এই স্বভাব ভালো না। অমুকের নামে এই এই বদনাম আছে।ওমুক আমার এই এই ক্ষতি করছে। এগুলো বলা মানে মানুষের দোষ নিয়ে কথা বলা যে টা গীবতের অন্তর্ভুক্ত।

এর পরেও যদি গীবত হয়ে যায়, তাহলে সাথে সাথে আস্তাগফিরুল্লাহ অথবা দুই রাকাত নফল নামাজ পরে ফেলতে পারেন।

কাউকে নিয়ে কোন অভিযোগ থাকলে সেটা আমরা আল্লাহর কাছে বলব। পারলে তাকে ক্ষমা করে দিব ।মানুষের কাছে এগুলো নিয়ে আলোচনা করে উল্টা আরো গুনাহ কামানো কোনো বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারেনা। অন্যের দোষ ঢেকে রাখলে আল্লাহ তার দোষ ঢেকে রাখবেন ইনশাআল্লাহ।

[রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ যে লোক দুনিয়ায় কোন মুসলিমের দোষ-ক্রটিকে গোপন রাখে, আল্লাহ তা'আলা দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবেন।
(তিরমিজী /সহীহ ১৯৩০)]

মনে রাখবেন গীবত আমাদের নেক আমল গুলো ধ্বংস করে দিবে।
মহান আল্লাহ তায়ালা আমাকে এবং আপনাদেরকে আমল গুলো করার তাওফিক দান করুক....আমিন

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
এমন দু’টি নিয়ামত আছে, যে দু’টোতে অধিকাংশ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। তা হচ্ছে, সুস্থতা আর অবসর।
(সহীহ বুখারী ৬৪১২)

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Da’waah-দা’ওয়াহ্ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Da’waah-দা’ওয়াহ্:

Share