10/03/2026
`দুই সিজদার মাঝখানে পাঠ করার দু’আ॥`
রাসূল ﷺ বলেছেন, দুই সিজদার মাঝখানে বলতে বলেছেন,,,,
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ; وَارْحَمْنِي ; وَاهْدِنِي ; وَعَافِنِي ; وَارْزُقْنِي ; وَاجْبُرْنِي
বাংলা উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মাগফিরলী অর্থঃ হে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুন।
বাংলা উচ্চারণঃ ওয়ারহা্মনী। অর্থঃ আমার উপর রহম করুন।
বাংলা উচ্চারণঃ ওয়াহদ্বীনি। অর্থঃ আমাকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন।
বাংলা উচ্চারণঃ ওয়া আ’ফিনি অর্থঃ আমাকে নিরাপত্তা দান করুন।
বাংলা উচ্চারণঃ ওয়ারঝুক্বনী । অর্থঃ আমাকে রিজিক দান করুন ।
বাংলা উচ্চারণঃ ওয়াজবুরনী অর্থঃ আমার সকল ক্ষয়ক্ষতি পূরণ করুন ।
(আবু দাউদ, ৮৫০, তিরমিজী, ২৮৪, ২৮৫)
`ক্ববর, জাহান্নাম, মৃত্যু এবং দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষার দু‘আ॥`
اَللَّهُـمَّ إِنِّـي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَمِنْ عَذَابِ جَهَـنَّم، وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّ جَّالِ
বাংলা উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নি আ’য়ূযুবিকা মিন আ’যাবিল ক্ববর, ওয়ামিন আ’যাবি জাহান্নাম। ওয়ামিং ফিতনাতিল মাহ্ইয়া ওয়াল মামাত,ওয়ামিং শার্রি ফিতনাতিল মাসীহি্দ দাজ্জাল।
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করুন, জাহান্নামের আজাব থেকে রক্ষা করুন, মৃত্যুর ফিতনা থেকে রক্ষা করুন এবং দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা করুন।
উপকারঃ রাসূল ﷺ বলেছেন, যখন তোমাদের মধ্যে কেউ শেষ তাশাহুদ (সালামের ফিরানোর পূর্বে) শেষ করে, তখন যেন সে এই দু’য়াটি পরে চারটি জিনিস থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে।
(বুখারী ১৩৭৭; ইবনে মাজাহ ৯০৯,৯১০,৩৮৪৭; নাসায়ী ১৩১০,৫৫২০; আবূ দাঊদ ৭৯২, ৯৮৩)
`ফরজ নামাজের পর গুরুত্বপূর্ণ দু‘আ॥`
১)
سُبْحَانَ اللَّه، اَلْحَمْدُ لِلَّه، اَللَّهُ أَكْبَر
لاَ إِلَـٰهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْـدَهُ لاَ شَـرِيْكَ لَـهُ ، لَـهُ الْمُـلْكُ وَلَهُ الْحَمْـدُ ، وَهُـوَ عَلَـى كُلِّ شَـيْ ءٍ قَدِيْرٌ
রাসূল ﷺ বলেছেন, হে আবূ যার! আমি কি তোমাকে এমন দুটি বাক্য শিক্ষা দিবো না যা পাঠ করলে তুমি তোমার চেয়ে অগ্রগামীদের সমপর্যায় হতে পারবে এবং তোমার পিছনের লোকেরাও তোমাকে অতিক্রম করতে পারবে না? তবে তার কথা ভিন্ন যে তোমার মতো আমল করে।
তিনি বললেন, হ্যাঁ, নিশ্চয়। তিনি বললেনঃ তুমি প্রত্যেক ফরয সালাতের পর তেত্রিশবার ‘আল্লাহু আকবার’, তেত্রিশবার ‘আলহা্মদু লিল্লাহ’, তেত্রিশবার ‘সুবহা্নাল্লাহ’ এবং শেষে একবার ‘‘লা ’ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্ দাহু লা শারীকা লাহ, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হা্মদু ওয়া হুয়া আ’লা কুল্লি শাইয়িং ক্বদীর’’ বলবে তাহলে তোমার গুনাহসমূহ সমুদ্রের ফেনারাশির মতো অসংখ্য হলেও ক্ষমা করে দেয়া হবে।
(কিছু হাদি চৌত্রিশবার ‘আল্লাহু আকবার’, তেত্রিশবার ‘আলহা্মদু লিল্লাহ’, তেত্রিশবার ‘সুবহা্নাল্লাহ’ পড়ার কথা বলা হয়েছে) (সহীহ মুসলিম, হা/১২৩৬,১২৩৭,১২৩৯;, আবু দাউদ, হা/১৫০৪, আহমাদ, ৭২৪২)
২)
اَللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَىٰ ذِكْرِكَ، وَشُكْـرِكَ، وَحُسنِ عِبَادَتِكَ
বাংলা উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আয়িন্নী ‘আলা যিকরিকা,ওয়া শুকরিকা, ওয়া হুসনি ইবাদাতিক।
অনুবাদঃ হে আল্লাহ! আমাকে তোমার যিক্র ও শুকরিয়া জ্ঞাপন এবং উত্তমরূপে ইবাদত করার তাওফীক দাও।
উপকারঃ মুআয ইব্ন জাবাল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূল ﷺ তাঁর হাত ধরে বলেন, হে মুআয! আল্লাহর শপথ, আমি তোমাকে ভালবাসি। অতঃপর তিনি বলেনঃ আমি তোমাকে কিছু ওসয়িত করতে চাই; তুমি নামায পাঠের পর এটা কোন সময় ত্যাগ করবে না। তা হলঃ “আল্লাহুম্মা আইন্নী আলা যিক্রিকা ওয়া শুক্রিকা ওয়া হুস্নি ইবাদাতিক।” অতঃপর মুআয (রাঃ) আল্-সানাবিহীকে এরূপ ওসীয়ত করেন এবং আল্-সানাবিহী আবু আব্দুর রহমানকে এরূপ ওসীয়ত করেন। (সুনান আবূ দাউদ ১৫২২)
৩)
اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلاً مُتَقَبَّلاً
বাংলা উচ্চারণঃ ইন্নি আস’আলুকা ‘ইলমান নাফি’আন; ওয়া রিজকান তাইয়্যিবান; ওয়া ‘আমালান মুতাকাব্বালান।
অনুবাদঃ হে আল্লাহ্! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিযিক ও এবং কবূল হওয়ার যোগ্য কর্মতৎপরতা প্রার্থনা করি।
উপকারঃ উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ফজরের সালাত পড়ে সালাম ফিরিয়ে বলতেনঃ আল্লাহুম্মা ইন্নি আস’আলুকা ‘ইলমান নাফি’আন; ওয়া রিজকান তাইয়্যিবান; ওয়া ‘আমালান মুতাকাব্বালান হে আল্লাহ্! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিযিক ও এবং কবূল হওয়ার যোগ্য কর্মতৎপরতা প্রার্থনা করি। (সুনান ইবনে মাজাহ_৯২৫)