ছিরাত্বল মুস্তাক্বীম

ছিরাত্বল মুস্তাক্বীম "ছিরাত্বল মুস্তাক্বীম" (সরল পথ) যে পথ ধরে চললে জান্নাত পাবো ইনশাআল্লাহ

ইনি হলেন মাইজভান্ডারীদের তথাকথিত বিশ্ব অলি ! তারা এসব আউল বাউলদেরকেই অলি মনে করে।পাশের এলাকায় থাকি বলে একদম ছোটকাল থেকেই...
18/08/2026

ইনি হলেন মাইজভান্ডারীদের তথাকথিত বিশ্ব অলি ! তারা এসব আউল বাউলদেরকেই অলি মনে করে।

পাশের এলাকায় থাকি বলে একদম ছোটকাল থেকেই তার হাঁকডাক শুনতাম। তার মুরিদানরা বলে, সে নাকি আরশে আজীমে গিয়ে নামাজ পড়ে, সেজদা করে খোদার পায়ে। জমিনে নাকি সে নামাজ পড়ে না। কারণ হিসাবে তারা বলে, এই জমিন নাকি হযরত হোসাইন (র) এর র*ক্তে রঞ্জিত হয়েছে। জমিন নাপাক হয়ে গেছে। এখানে আর নামাজ পড়া যাবেনা। হেনতেন আরো কত কথা।

নামাজ কালাম তো নাই, আবার সারাদিন বিড়ি টানতো মনের সুখে। তবুও সে বিশ্ব অলি ! এই হলো মাজারপন্থীদের মহান পীরের কর্মকাণ্ড। জিয়াউল হক বাবার জিন্দা কেরামত !

বাঙালি কি পরিমাণ চালাক ভাইরে ভাই🙂ডায়রিয়া সমস্যা নিয়ে মেয়েটি ভর্তি হইছে মাদারীপুর সরকারী হাসপাতালে। সাথে আছে স্বামী। ...
17/08/2026

বাঙালি কি পরিমাণ চালাক ভাইরে ভাই🙂
ডায়রিয়া সমস্যা নিয়ে মেয়েটি ভর্তি হইছে মাদারীপুর সরকারী হাসপাতালে। সাথে আছে স্বামী। উনি অ্যাম্বুলেন্স চালায়।ওয়ার্ডে ভর্তি না হয়ে উনারা কেবিন নিয়েছে।
কিন্তু রাতে বেলায় নার্সদের বিষয়টা সন্দেহজনক লাগলে আনসার কে জানানো হয়, আনসার পুলিশ কে ইনফর্ম করলে ২ জনকেই গ্রেফতার করা হয়। কেনো গ্রেফতার করা হলো??
এইখানেই মেইন টুইস্ট।
উনারা স্বামী-স্ত্রী না। বয়ফ্রেন্ডে গার্লফ্রেন্ড। রোগীর ডায়রিয়া ও হয় নাই। আসল উদ্দেশ্য অশ্লীল কাজ করা। তাই হাসপাতালে মিথ্যা রোগী সেজে কেবিন নিছে।
কারণ কেবিনের ভাড়া মাত্র ৫০০ টাকা মতো। পুরোপুরি নিরাপদ। বাইরে হোটেলে গেলে তো ভাড়া ২০০০-১০০০০ টাকা। তাছাড়া পুলিশ রেইড দিয়ে গ্রেফতার করে। এই ঝুঁকি এড়াতে হাসপাতালের কেবিন ভাড়া নিয়ে অশ্লীল কাজ করতে আসছিলো। কি বুদ্ধি বাপরে বাপ🙂
বাংলাদেশে না জন্মাইলে যে কতো রকম বিনোদন মিস করতাম আল্লাহ।

13/08/2026

মিরসরাইয়ের মিঠাছরা বাজারে অটোরিকশা চো'রকে ধরে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করাচ্ছেন স্থানীয়রা🤣

30/07/2026

দেশের প্রতিটা ওয়ার্ডে এভাবে মাইকিং চলুক।

30/07/2026

ইলন মাস্কের মতে ২০৩৬ সালের মধ্যে টাকা মূল্যহীন হয়ে পড়বে কারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং হিউম্যানয়েড রোবট মানুষের চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি পণ্য ও সেবা উৎপাদন করবে। অতি-প্রাচুর্যের এই যুগে উৎপাদন খরচ প্রায় শূন্যে নেমে আসায় প্রচলিত মুদ্রাব্যবস্থা তার কার্যকারিতা হারাবে ।
মাস্ক সাম্প্রতিক কিছু পডকাস্ট ও ইকোনোমিস্টের সাক্ষাৎকারে বলেছেন, সরকার তখন নাগরিকদের সরাসরি ব্যাংকে ক্রেডিট প্রদান করবে যা ডিজিটাল বণ্টন ব্যবস্থার অনুরুপ ।
মাস্কের এই বৈজ্ঞানিক তত্ত্বকে যখন ধর্মতাত্ত্বিক বা শেষ জামানার দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করা হয়, তখন এর পেছনে একটি গভীর ও সুদূরপ্রসারী এজেন্ডা বা মহাপরিকল্পনার ইঙ্গিত পাওয়া যায় ।
চলুন এর মাস্টারপ্ল্যানের গভীরে প্রবেশ করি….
বাইবেলের বুক অব রেভেলেশন কিংবা ইসলামি চিন্তাধারায় এর রূপরেখা বুঝতে হবে । বাইবেল বলছে, শেষ সময়ে একটা বৈশ্বিক ব্যবস্থা আসবে যখন নির্দিষ্ট একটি মার্কের মাধ্যম ছাড়া কেউ কেনাবেচা করতে পারবে না । এই মার্ককে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা ধরা যেতে পারে ।
কাগজের টাকা বা ক্যাশ থাকলে মানুষ সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে লেনদেন করতে পারে। কাগজের টাকা বা ক্যাশ থাকলে মানুষ সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে লেনদেন করতে পারে। কিন্তু মাস্ক যেভাবে বলছেন "টাকা থাকবে ডেটাবেজে" - তার অর্থ হলো সম্পূর্ণ ডিজিটাল ক্রেডিট সিস্টেম।
কোনো মানুষের যদি স্বাধীনভাবে অর্থ উপার্জনের পথ না থাকে এবং তাকে সম্পূর্ণভাবে এআই বা সরকারি ডেটাবেজের দয়ার ওপর বেঁচে থাকতে হয়, তবে সেই বৈশ্বিক ব্যবস্থার অবাধ্য হলে মুহূর্তের মধ্যে তার সমস্ত সুযোগ-সুবিধা বা "লাইফ ক্রেডিট" বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব।
ইলন মাস্কের অন্যতম বড় প্রজেক্ট হলো নিউরালিংক, যা মানুষের মস্তিষ্কে চিপ স্থাপন করে এআই-এর সাথে সরাসরি যুক্ত করে। শেষ জামানার দৃষ্টিকোণ থেকে, এই চিপ বা মস্তিষ্কের প্রযুক্তিই হতে পারে সেই চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। টাকা যখন থাকবে না, তখন মানুষের শরীর বা মস্তিস্কই হবে তার অর্থনৈতিক পরিচয় এবং লেনদেনের মাধ্যম।
মাস্কের এআই চালিত ইউটোপিয়া বা স্বর্গীয় প্রাচুর্যের ধারণাটি মূলত খোদাবিহীন এক নতুন ব্যবস্থার দিকে ইঙ্গিত করে। যেখানে মানুষ রিজিকের জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা না করে সম্পূর্ণভাবে এআই এবং টেক-জায়ান্টদের তৈরি ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে। এটি শেষ জামানার সেই 'মেকি জান্নাত' বা দাজ্জালিয় ব্যবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ, যা মানুষকে এক অলীক প্রাচুর্যের লোভ দেখিয়ে ঈশ্বরের পথ থেকে বিচ্যুত করবে।
এবার কয়েকটা জিনিসের সাদৃশ্য দেখা যাক ।
মাস্ক বলছে এআই দ্বারা কাজের মাধ্যমে প্রাচুর্য আসবে, ও টাকার প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবে কিন্তু ধর্মীয় দিক থেকে ভাবলে বুঝা যায়, ক্যাশলেস সমাজ তৈরি করে মানুষের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা কেড়ে নেয়া হবে ।
তারপর বলা হচ্ছে, কাজ অপশনাল হয়ে যাবে, সরকার আয় প্রদান করবে । এটাকে ভিন্নভাবে চিন্তা করি, “মানুষ সম্পূর্ণভাবে বৈশ্বিক ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল হয়ে যাবে” ।
এটাই মূলত নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার যার দ্বারা মানুষের বেঁচে থাকা, খাওয়া, চলাচল পুরোপুরি একটা সিস্টেমের কেন্দ্র থেকে পরিচালিত হবে ।
এবার চলুন আধ্যাত্মিক জগতে প্রবেশ করি…
বাইবেলের বুক অব রেভেলেশন এর ১৩ নং অধ্যায়ে শেষ জামানার গ্লোবাল ইকোনমি সিস্টেম অ্যান্ড কন্ট্রোলকে একটা চিহ্ন বা চিপ “মার্ক অব দ্য বিস্ট “ ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে । সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, একটা নির্দিষ্ট সংখ্যা বা চিহ্ন ছাড়া কেউ লেনদেন করতে পারবে না এবং এই মার্ক মানুষের ডান হাতে স্থাপন করা হবে ।
এই অধ্যায়ের ১৮ং আয়াতে বলা হয়েছে পশুর সাংকেতিক চিহ্ন হিসাবে ৬৬৬ উল্লেখ করে বুঝানোর জন্য জ্ঞান-বুদ্ধি ব্যবহারের কথা বলেছে । ইলন মাস্কের নিউরালিঙ্ক চিপ হাতের নিচে বসানো RFID চিপের সাথে প্রযুক্তিগত মিল অনেকে খুঁজে পান । মাস্কের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা এবং মানুষের কেনাবেচা বন্ধের ক্ষমতার ধারণা রেভেলেশনের বর্ণিত পরিস্থিতির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ বলে মনে করা হয়, যেখানে কেন্দ্রীয় ডিজিটাল সিস্টেমে চিপ ছাড়া লেনদেন অযোগ্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এবার আমি নিউরালিঙ্ক চিপ ও মার্ক অব দ্য বিস্টের প্রযুক্তি ও ধর্মীয় মিল তুলে ধরবো ।
ইলন মাস্কের নিউরালিংক হলো এমন একটি চিপ, যা মানুষের মস্তিষ্কে সরাসরি স্থাপন করা হবে, যাতে মানুষ শুধু ভাবনার মাধ্যমেই কম্পিউটার বা ফোন নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। মাস্কের এই প্রযুক্তিতে চিপটি মাথার খুলি কেটে সরাসরি মস্তিষ্কে বা কপালে স্থাপন করা হবে । অন্যদিকে চিপ প্রযুক্তির আরেকটি অংশ হল RFID, যা মানুষের ডান হাতের তালুর নিচে স্থাপন করা হবে ।
এবার বাইবেল কি বলছে দেখা যাক, ১৩ঃ১৬ তে বলা হয়েছে, "সে ছোট-বড়, ধনী-দরিদ্র, স্বাধীন-দাস, সকলকে আপন আপন ডান হাতে কিংবা কপালে একটি চিহ্ন গ্রহণ করতে বাধ্য করল।"
এবার অর্থনৈতিক ও কেনাবেচা সংক্রান্ত মিল খুঁজে বের করিঃ
মাস্কের আরেকটি প্ল্যান হল টুইটার বা এক্সকে এভ্রিথিং অ্যাপ তৈরি করা । এখানে চ্যাটিং থেকে শুরু করে লেনদেন পর্যন্ত সকল কিছু যুক্ত থাকবে । মাস্ক বলছে, টাকা বাতিল হয়ে যাবে, এটা ক্রেডিট হিসাবে ডাটাবেজে থাকবে । তার মানে মানুষের লেনদেন ডিজিটাল হবে । আপনি যদি নিউরালিংক চিপ বা আইডেন্টিটি সিস্টেমের বাইরে থাকেন, তবে কেন্দ্রীয় সার্ভার থেকে আপনার অ্যাকাউন্ট লক করে দেওয়া হবে। ফলে আপনি চিপ ছাড়া কোনো কিছু কিনতে বা বেচতে পারবেন না।
এই ব্যাপারে বাইবেল কি বলছে দেখা যাক, ১৩ঃ১৭ তে লিখা রয়েছে, "আর সেই চিহ্ন, অর্থাৎ সেই পশুর নাম কিংবা তার নামের সংখ্যাটি যার কাছে না থাকবে, সে যেন কোনো কিছু কেনাবেচা করতে না পারে।"
গোলামি ও চিন্তার স্বাধীনতা কেড়ে নেয়া সংক্রান্ত মিল বের করিঃ
বাইবেল বলছে, যারা এই চিহ্ন গ্রহণ করবে তারা আল্লাহর অবাধ্য হয়ে এক স্বৈরাচারী পশুর প্রতি আনুগত্য করবে । এখানে দাজ্জালীয় সিস্টেমকে বলা হয় । এটা মানুষের আধ্যাত্মিক স্বাধীনতা কেড়ে নিবে ।
এবার প্রযুক্তিগত মিল দেখি, মাস্কের নিউরালিঙ্ক চিপ শুধু ডেটা প্রদান করে না, ডেটা গ্রহণ করে মস্তিষ্কে পাঠাতে পারে । গবেষকদের আশংকা হলো, এই চিপের দ্বারা মানুষের চিন্তা, আবেগ, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বাইরে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব ।
১. মাস্ক নিউরালিংক চিপকে প্রচার করছেন চিকিৎসা ক্ষেত্রে একটি অলৌকিক আবিষ্কার হিসেবে, যার মাধ্যমে অন্ধ মানুষ দেখতে পাবে এবং প্যারালাইজড মানুষ আবার হাঁটতে পারবে । কিন্তু ধর্মতাত্ত্বিকদের মতে, শয়তান বা দাজ্জালিয় শক্তি সবসময় মানবতার কল্যাণ ও উপকারের ছদ্মবেশেই পৃথিবীতে আসে। শুরুতে চিকিৎসার কথা বলে এই চিপকে বৈধতা দেওয়া হলেও, পরবর্তীতে এটি পুরো মানবজাতিকে একটি সেন্ট্রাল ডেটাবেজের অধীনে এনে চিরতরে শৃঙ্খলিত করার চূড়ান্ত ফাঁদ হতে পারে।
ইসলামি ভাবধারা এবং হাদিসের আলোকে শেষ জামানার ‘দাজ্জালের ফিতনা’ ও অলৌকিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সাথে ইলন মাস্কের আধুনিক প্রযুক্তির এক অবিশ্বাস্য ও ভীতিজনক যোগসূত্র রয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) দাজ্জালের যে সমস্ত ক্ষমতা, ফিতনা এবং বৈশ্বিক ব্যবস্থার কথা ১৪০০ বছর আগে বলে গেছেন, তা আজ আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক এবং নিউরালিংক চিপের মাধ্যমে হুবহু বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।
দাজ্জালের অন্যতম প্রধান অস্ত্র হবে অর্থনীতি। হাদিসে এসেছে, দাজ্জাল একদল মানুষের কাছে গিয়ে নিজেকে রব দাবি করবে, যারা তাকে বিশ্বাস করবে সে তাদের আকাশকে নির্দেশ দেবে বৃষ্টি বর্ষণ করতে এবং ভূমিকে নির্দেশ দেবে ফসল ফলাতে। আর যারা তাকে অস্বীকার করবে, সে তাদের ছেড়ে চলে যাবে এবং পরদিন তারা চরম দুর্ভিক্ষে পড়বে, তাদের হাতে তাদের ধন-সম্পদের কিছুই থাকবে না (সহীহ মুসলিম)
কাগজের টাকা থাকলে মানুষ সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে লেনদেন করতে পারে। কিন্তু ইলন মাস্কের "টাকা থাকবে ডেটাবেজে" এবং এক্স অ্যাপের মাধ্যমে "ক্যাশলেস সোসাইটি" বা টাকাহীন সমাজ গড়ার যে মহাপরিকল্পনা, তা দাজ্জালের এই ব্যবস্থার সাথে হুবহু মিলে যায়। কেন্দ্রীয় ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমের চাবিকাঠি যখন এআই বা কোনো বৈশ্বিক শক্তির হাতে থাকবে, তখন যে ব্যক্তি সেই ব্যবস্থার অবাধ্য হবে, এক ক্লিকেই তার ডিজিটাল ওয়ালেট বা ক্রেডিট শূন্য করে দেওয়া যাবে। ফলে সে কোনো খাবার বা ওষুধ কিনতে পারবে না এবং চরম দুর্ভিক্ষে পড়বে।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "দাজ্জালের সাথে জান্নাত এবং জাহান্নাম থাকবে। তবে তার জান্নাত মূলত জাহান্নাম এবং তার জাহান্নাম মূলত জান্নাত" (সহীহ মুসলিম)। দাজ্জাল মানুষকে অলীক সুখ ও যন্ত্রণার অনুভূতি দিতে পারবে।
নিউরালিংক চিপের কাজ হলো মানুষের মস্তিষ্কের নিউরনে সরাসরি বৈদ্যুতিক তরঙ্গ পাঠানো। বিজ্ঞানীরা স্বীকার করেছেন যে, এই চিপের মাধ্যমে মানুষের মস্তিষ্কে কৃত্রিমভাবে সুখ, আনন্দ বা চরম যন্ত্রণার অনুভূতি তৈরি করা সম্ভব। চিপটি যদি কোনো কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে, তবে বাইরে থেকেই একজন মানুষের মস্তিষ্কে ‘জান্নাত’ বা ‘জাহান্নাম’ এর অনুভূতি নিখুঁতভাবে তৈরি করা যাবে।
২. দাজ্জাল ফিতনা সৃষ্টির জন্য এক বেদুইনকে বলবে, "আমি যদি তোমার মৃত বাবা-মাকে জীবিত করে দেখাই, তবে কি তুমি আমাকে রব বলে মানবে?" সে বলবে, "হ্যাঁ"। তখন শয়তানরা তার বাবা-মার রূপ ধরে এসে বলবে, "বাবা, তুমি তার আনুগত্য করো" (সুনানে ইবনে মাজাহ)
বর্তমানের জেনারেটিভ এআই, ডিপফেক এবং ভয়েস ক্লোনিং প্রযুক্তি এত উন্নত যে, যেকোনো মৃত মানুষের অবিকল ত্রিমাত্রিক রূপ এবং তার কণ্ঠস্বর হুবহু তৈরি করা সম্ভব। ভবিষ্যতে এআই এবং রোবোটিক্সের মাধ্যমে মৃত মানুষের স্মৃতি ও কণ্ঠ ডাউনলোড করে হুবহু তার মতো অবয়ব তৈরি করার প্রজেক্ট নিয়ে কাজ চলছে, যা দাজ্জালের এই অলৌকিক প্রতারণার প্রযুক্তিগত ভিত্তি তৈরি করছে।
সাহাবিরা রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, দাজ্জাল পৃথিবীতে কত দ্রুত চলবে? তিনি বলেছিলেন, "মেঘ যেভাবে বাতাসের তাড়নায় ধাবিত হয়, সেভাবে" (সহীহ মুসলিম)। অন্য রেওয়ায়েতে আছে, তার গাধার দুই কানের দূরত্ব হবে বিশাল, যা দিয়ে সে এক লাফে দিগন্ত পার হবে।
ইলন মাস্কের স্টারলিংক প্রজেক্টের আওতায় পৃথিবীর কক্ষপথে হাজার হাজার স্যাটেলাইট স্থাপন করা হয়েছে, যা পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে চোখের পলকে উচ্চগতির ইন্টারনেট বা ডেটা পৌঁছে দেয়। এছাড়া মাস্কের 'স্পেস-এক্স' রকেট পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে মাত্র ৩০ মিনিটে মানুষ পরিবহনের পরিকল্পনা করছে। দাজ্জালের এই বিশ্বব্যাপী চোখের পলকে নজরদারি ও বিচরণের ক্ষমতা মূলত এই স্যাটেলাইট ও ড্রোন নেটওয়ার্কেরই পূর্বাভাস।
দাজ্জালের একটি চোখ হবে অন্ধ বা ত্রুটিযুক্ত, যা দেখতে ফোলা আঙুরের মতো। কিন্তু তার অপর চোখটি হবে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ এবং সেটির মাধ্যমে সে পুরো বিশ্বকে দেখতে পাবে।
শেষ জামানার গবেষকদের মতে, দাজ্জালের এই একটি চোখ আসলে কোনো জৈবিক চোখ নয়, এটি হলো বৈশ্বিক নজরদারির "অল সিয়িং আই" বা কেন্দ্রীয় মনিটরিং ব্যবস্থা। ইলন মাস্কের টেসলা গাড়ি, স্টারলিংক স্যাটেলাইট এবং এআই ক্যামেরাগুলো চব্বিশ ঘণ্টা পুরো পৃথিবীর প্রতিটি কোণ ক্যামেরার একক ফ্রেমে বন্দি করছে, যা একটি কেন্দ্রীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চোখের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।
৩. ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে, দাজ্জাল কোনো অতিপ্রাকৃতিক জাদুকর নয়, বরং সে হবে এক চরম বস্তুবাদী এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার চূড়ান্ত প্রধান। ইলন মাস্ক হয়তো সচেতনভাবে দাজ্জালের জন্য কাজ করছেন না, কিন্তু তিনি যে প্রযুক্তিগুলো তৈরি করছেন, তা মূলত দাজ্জালিয় ব্যবস্থার জন্য একটি নিখুঁত বৈশ্বিক অবকাঠামো তৈরি করে দিচ্ছে। যখন দাজ্জাল আত্মপ্রকাশ করবে, তখন এই চিপ, স্যাটেলাইট এবং এআই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেই সে মুহূর্তের মধ্যে সারা পৃথিবীর মানুষকে নিজের দাসত্ব করতে বাধ্য করবে। তবে এটাও মনে রাখা দরকার সে স্যাটানিক ধর্ম পালন করে । একের পর এক দাজ্জালীয় সিস্টেম একটা মানুষের কাছ থেকেই প্রকাশ পাচ্ছে ।
আপনি এই সিস্টেম থেকে বাঁচবেন কিভাবে ? নিজের পরিবারকে কিভাবে বাঁচাবেন ?
ইসলাম আমাদের দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাঁচার দোয়া শিখিয়েছে । অন্যদিকে,
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "শীঘ্রই এমন এক সময় আসবে যখন মুসলমানের সর্বোত্তম সম্পদ হবে ছাগল-ভেড়া, যা নিয়ে সে পাহাড়ের চূড়ায় এবং বৃষ্টিপাতের জায়গায় (যেখানে ঘাস জন্মায়) চলে যাবে। সে তার দ্বীন (ঈমান) বাঁচানোর জন্য ফিতনা থেকে পালিয়ে বেড়াবে" (সহীহ বুখারী
চিপ বা এআই নজরদারির বাইরে থাকতে হলে মানুষকে বড় বড় মেগাসিটি বা স্মার্ট সিটি ছেড়ে প্রত্যন্ত গ্রাম, পাহাড় বা কৃষিভিত্তিক অঞ্চলে চলে যেতে হবে, যেখানে নিজের উৎপাদিত খাদ্যের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকা যায় ।
ডিজিটাল ক্যাশলেস সমাজ যখন আপনার ব্যাংকের টাকা এক ক্লিকে শূন্য করে দিতে পারবে, তখন কাগজের টাকা বা ডিজিটাল ব্যাংক ব্যালেন্স কোনো কাজে আসবে না।
হাদিসের ইঙ্গিত অনুযায়ী, শেষ জামানায় সোনা, রুপা এবং গবাদি পশুর মতো বাস্তব সম্পদই টিকে থাকবে।
নিজের জমিতে খাদ্য উৎপাদন করার যোগ্যতা অর্জন করা অত্যন্ত জরুরি। কারণ দাজ্জালিয় ব্যবস্থা যখন চিপ না নেওয়ার অপরাধে আপনার রেশন বা খাবার কেনা বন্ধ করে দেবে, তখন নিজের উৎপাদিত খাদ্যই বাঁচিয়ে রাখবে।
এই লেখায় কেবল ফিতনা কেমন বা কিভাবে আমাদের গ্রাস করতে পারে তার একটা নমুনা উল্লেখ করলাম । এরকমই ঘটবে সেটা বলছি না, আল্লাহ জানেন পরিস্থিতি কোনদিকে যাবে । কিন্তু নগদ টাকার উপর ভরসা করার দিন যে প্রায় শেষ হয়ে আসছে সেটা গ্লোবাল সিস্টেম মেকারদের কথাবার্তা শুনলে বুঝতে পারা যায় । তাই সোনা, রূপা, জমি, গবাদি পশুই আপনার ভবিষ্যৎ সুসংহত করতে পারে ইনশাল্লাহ ।

একটা interesting বিষয় খেয়াল করেছেন? আল্লাহ মুসলিম পুরুষদের bored হওয়ার কোনো সুযোগই রাখেননি।কেউ যদি দিনে পাঁচবার মসজিদ...
20/07/2026

একটা interesting বিষয় খেয়াল করেছেন? আল্লাহ মুসলিম পুরুষদের bored হওয়ার কোনো সুযোগই রাখেননি।
কেউ যদি দিনে পাঁচবার মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ে,
তাহলে সে কীভাবে bored হবে?
আর যদি কোনো কারণে একবার অর্থসহ বুঝে দুই-চার লাইন কোরআন পড়ে ফেলে,
তাহলে তো মোটিভেশনের আর কোনো অভাবই থাকবে না।
এবার যদি জামাত শুরু হওয়ার কিছু আগে মসজিদে গিয়ে,
দোয়া কবুলের সময় আল্লাহর কাছে নিজের সব চাওয়া-পাওয়া এক এক করে বলে ফেলে,
তাহলে তাকে আর কে পায়?
বলুন তো, কেন মুসলিম পুরুষদের সবাই হিংসা করবে না?

ইরান কেবল জানাযার আয়োজনই করেনি।বরং, প্রতিটি প্রতিনিধিদল যখন সম্মান জানাতে আসবে,তখন কি আয়াত তিলাওয়াত করা হবে,সেটাও নির্ধা...
05/07/2026

ইরান কেবল জানাযার আয়োজনই করেনি।বরং, প্রতিটি প্রতিনিধিদল যখন সম্মান জানাতে আসবে,তখন কি আয়াত তিলাওয়াত করা হবে,সেটাও নির্ধারণ করে রেখেছিলো।
যখন আফগান মন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি ও অন্যান্যরা আসলেন,তখন তিলাওয়াতকারী পড়া শুরু করলেন সুরা ফাতাহ'র প্রথম আয়াত: নিশ্চয়ই আমি আপনাকে (হে মুহাম্মদ) একটি পরিপূর্ণ বিজয় দান করেছি।
যখন সৌদি ডেলিগেশন সম্মান জানাতে আসলো,তখন ইরানি ক্বারী পড়া শুরু করলেন সুরা আলে ইমরানের ত্রয়োদশ আয়াত: তোমাদের জন্য ইতিমধ্যেই দুটি বাহিনীর মুখোমুখি হওয়ার মধ্যে একটি নিদর্শন ছিল—একটি আল্লাহর পথে যুদ্ধ করছিল এবং অন্যটি কাফেরদের। তারা নিজেদের চোখে দেখেছিল যে, তাদের সংখ্যা তাদের নিজেদের সংখ্যার দ্বিগুণ। কিন্তু আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাঁর বিজয় দ্বারা সাহায্য করেন। নিশ্চয়ই এর মধ্যে দূরদৃষ্টিসম্পন্নদের জন্য একটি শিক্ষা রয়েছে।
বর্তমানে সৌদি রা খুবই রেগে আছে এই আয়াত শুনে।অন্যদিকে আফগান প্রতিনিধিদলকে যেনো বিজয়ের অভিনন্দন জানিয়েছে ইরান।

02/07/2026

সেজদায় মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ বাড়ে — নামাজ শুধু ইবাদত না, ব্রেইনের ব্যায়ামও❕
Dr. Nobel

02/07/2026

অন দ্য স্পট অ্যাকশন 🔥🔥🔥
চাঁদাবাজির পরিণতি

“ঘরে ঘরে এমন অজস্র আবু জা*হেল আছে”ছেলে ইমুতে মেসেজ পাঠিয়েছে-“বাবা আপনার নামে ২০ হাজার টাকা ছেড়েছি, এ টাকা দিয়ে আপনি ডাক্...
02/07/2026

“ঘরে ঘরে এমন অজস্র আবু জা*হেল আছে”
ছেলে ইমুতে মেসেজ পাঠিয়েছে-
“বাবা আপনার নামে ২০ হাজার টাকা ছেড়েছি, এ টাকা দিয়ে আপনি ডাক্তার দেখাবেন, ফল কিনে খাবেন। গোপন নাম্বারে পাঠিয়েছি, আপনি আইডি কার্ড নিয়ে জনতা ব‍্যাংকে গেলেই টাকা পেয়ে যাবেন”।
(গোপনীয়তার স্বার্থে পিন নাম্বারটি দিলাম না)।
ছেলের কথা মতো বাবা আজ জনতা ব‍্যাংক গৌরীপুর শাখায় এসেছেন টাকা তোলার জন‍্য। বেশ অসুস্থ শরীর তাঁর। কোনমতে লাঠিতে ভর করে চলাফেরা করেন। বললাম- এই শরীর নিয়ে একা একা আসা ঠিক হয়নি আপনার।
তিনি জানালেন- সাথে আসার মতো কাউকে পাননি বলে কষ্ট করে একাই এসেছেন। টাকা তুলে ডাক্তার দেখিয়ে তারপর বাড়ি ফিরবেন।
মুরুব্বিকে আমার রুমে বসিয়ে সহকর্মীকে বললাম ওনার টাকাটা পে-আউট করে দেয়ার জন‍্য। কিছুক্ষণ পর আমার সহকর্মী জানালো, এই টাকার বেনিফিসিয়ারী তিনি নন, অন‍্য আরেকজন। পরবর্তীতে গোপন পিন নাম্বারটি আমি নিজে কয়েক বার মিলিয়ে দেখলাম, সহকর্মীর কথাই সত‍্যি। পরে ভদ্রলোকের কাছে জানতে চাইলাম উল্লেখিত ব‍্যাক্তিকে আপনি চিনেন কিনা। নাম শোনতেই তাঁর দু’চোখে জলের তান্ডব দেখলাম!
অভাগা বাবা কাঁদতে কাঁদতে লাঠিতে ভর দিয়ে চলে গেলেন।
তখন নায়ক রাজ্জাকের “বাবা কেনো চাকর” সিনেমাটির কথা মনে পড়ে গেল। হৃদয়ে বাজতে লাগলো- আমার মতো এমন সুখী নেইতো কারো জীবন…..
বুঝতে পারলাম, ছেলে তার শ্বশুরকে পাঠানো মেসেজটি ভুলক্রমে বাবার মোবাইলে পাঠিয়ে দিয়েছেন। ঘন্টা দেড়েক পর একজন তড়তাজা ভদ্রলোক এসে সে টাকা উঠিয়ে নিয়ে গেলেন। তারঁ সাথেও কথা হল। জানতে চাইলাম কে টাকা পাঠিয়েছেন।
মাঝ বয়োসী ভদ্রলোক জানালো - “আমার জামাই, নবীর দেশে থাকে। খুব ভালো ছেলে, কয়েক মাস পর পর শরীর চেকআপের জন‍্য টাকা পাঠায়। পাগল একটা জামাই!, দোয়া করবেন স‍্যার।
আমি কিছুক্ষণের জন‍্য স্তব্দ হয়ে গেলাম। ভাবলাম বাবা ছেলেকে বড় করে নবীর দেশে পাঠিয়েছিলেন ঠিকই, এখন সে আবু জাহেলের দেশে বাস করে……
মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন
ব‍্যবস্থাপক,জনতা ব‍্যাংক পিএলসি.গৌরীপুর শাখা।

Address

GEC
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ছিরাত্বল মুস্তাক্বীম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to ছিরাত্বল মুস্তাক্বীম:

Shortcuts

Share