শ্রী শ্রী চট্টেশ্বরী কালী মন্দির, চট্টগ্রাম

  • Home
  • Bangladesh
  • Chittagong
  • শ্রী শ্রী চট্টেশ্বরী কালী মন্দির, চট্টগ্রাম

শ্রী শ্রী চট্টেশ্বরী কালী মন্দির, চট্টগ্রাম Chatteshwari Temple is considered as one of the Shakti Peethas. Shakti Peethas are holy places reverred by Shaktism.

The origin of the Shakti Peethas is from the mythology of Daksha Yaga and Sati Devi's self immolation and Shiva carrying her co**se resulting in the falling of body parts of the co**se he wandered. Those shrines where Sati Devi's body parts fell came to be known as Shakti Peethas.

24/12/2022
18/12/2017

চট্টগ্রাম: বন্দরনগরীর রিমা কমিউনিটি সেন্টারে সদ্য প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে পদদলিত হ�...

20/10/2017

আগামীকাল ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাই ফোঁটা উৎসব।
ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাই ফোঁটা উৎসব কি এবং কেন করা হয় ?

পুরাণে উল্লেখ আছে- কার্তিকেয় শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিতে যমুনাদেবী তাঁর ভাই যমের মঙ্গল কামনায় গভীর ধ্যানমগ্ন হয়ে পুজা করেন। তাঁরই পুণ্যপ্রভাবে যমদেব অমরত্ব লাভ করেন। বোন যমুনা দেবীর পুজার ফলে ভাই... যমের এই অমরত্ব লাভের চেতনায় উদ্ভুদ্ধ হয়ে বর্তমান কালের বোনেরাও এই সংস্কার বা ধর্মাচার পালন করে আসছে।
এই দিন আমাদের বোনেরা উপবাস রেখে ভাইয়ের কপালে বাঁ হাতের অনামিকা আঙ্গুল দিয়ে চন্দন, ঘি, কাজল, মধু , শিশির,দিয়ে ফোঁটা দিয়ে ভাইয়ের দীর্ঘায়ু কামনা করে থাকে।
অন্য মতে, নরকাসুর নামে এক দৈত্যকে বধ করার পর যখন কৃষ্ণ তাঁর বোন সুভদ্রার কাছে আসেন, তখন সুভদ্রা তাঁর কপালে ফোঁটা দিয়ে তাঁকে মিষ্টি খেতে দেন। সেই থেকে ভাইফোঁটা উৎসবের প্রচলন হয়। ভাইফোঁটার দিন বোনেরা তাদের ভাইদের কপালে চন্দনের ফোঁটা পরিয়ে দিয়ে ছড়া কেটে বলে-

“ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা,
যমের দুয়ারে পড়ল কাঁটা।
যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা,
আমি দেই আমার ভাইকে ফোঁটা।

ভালো লাগলে পেজটিকে লাইক দিয়ে রাখুন।

শ্রীশ্রী চট্টেশ্বরী কালী মন্দির দুর্গোৎসব ২০১৭
27/09/2017

শ্রীশ্রী চট্টেশ্বরী কালী মন্দির দুর্গোৎসব ২০১৭

26/08/2017

গণেশ পুজা ২০১৭

19/07/2017

জানেন কি মহিলাদের কেন লাল পলা পরা উচিৎ? জানলে চমকে যাবেন July 14, 2017 Admin Disk এইসময়, বিনোদন, লাইফস্টাইল প্রাচীন কাল থেকে আমাদের সমাজে প্রচলিত রীতি, হিন্দু মহিলাদের বিয়ের সময় লাল পলা এবং সিঁদুর পরানো। এটা শুধুই কি সংস্কার। না এর পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে? অনেকে বলেন, মহিলাদের লাল পলার পরার পিছনে র...

03/07/2017

একটা জিনিস প্রমাণিত হয়েছে। নিরাপত্তার হুমকির কথা বলে এ যাবৎ গ্রাম-গঞ্জে বন্ধ করা বৈশাখী মেলা, যাত্রাপালা, বাউল উৎসব, পালা গানের আয়োজন প্রশাসন অনুমতি দেয়নি তার হয়ত ৯৯টি ঘটনাই ছিল ভুয়া। এই সন্দেহ আগেও ছিল। কোন নামাজী ডিসি এসপি এমপি মাতবর কেউই বাউলদের ধর্মীয় দর্শনকে সহ্য করতে পারার কথা না। নামাজকালাম বাদ দিয়ে গান বাজনা, নাটক অভিনয় দেখতে গ্রাম ভেঙ্গে পড়বে এটা স্থানীয় প্রশাসনে গোল টুপি মাথায় দিয়ে বসা হোমড়াচোমড়াদের সহ্য হবার নয়। শত শত বছর ধরে গ্রামের নদী বা বটতলায় বসা বৈশাখী মেলাগুলো বিগত বছরগুলোতে বসতে দেয়া হয়নি কথিত নিরাপত্তার অজুহাতে। একই জায়গায় সারা বছর ধুমধাম করে ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন হয়েছে। সেসব মাহফিলে প্রধান অতিথি হয়ে এসেছেন প্রশাসনের বড় কর্মকর্তারা। যুব সমাজকে বেয়াল্লাপণা বাদ দিয়ে নামাজকলাম নিয়ে ঈমান মজবুত করা কথাই তাদের বক্তব্যের প্রধান্য পেয়েছিল।
যেখানে লালনের গানের আয়োজনকে নিরাপত্তার কথা বলে বাতিল করা হয়েছে, সেই একই মাঠে ওয়াজ মাহফিল করে ‘ঈমান মজবুত’ করতে বললে- যে রকম যুব সমাজ গড়ে উঠার কথা তেমনটাই গড়ে উঠছে।

উল্টো রথযাত্রার মেলাকে প্রশাসন বন্ধ করে দেয়ার প্রতিবাদে আয়োজকরা রথযাত্রাই বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণায় প্রশাসন আন্তর্জাতিক নিউজ হবার ভয় পেয়েছে। তাই তড়িঘড়ি আলোচনায় বসে সিদ্ধান্ত নিয়েছে রথ ও মেলা দুটোই হবে। কোথায় গেলো তাহলে সেই জঙ্গি হামলার আশঙ্কা ???

রথের মেলাতে হিন্দু মুসলমান দুই সম্প্রদায়ের মানুষই আসে। এই মেলা রথের সময় হলেও আবহমানকালের বাংলার মেলাগুলোর যে ধর্মনিরপেক্ষ চেহারা- সম্ভবত প্রশাসনের ঈমানদার কোন ‘বড়সাপের’ ভাল লাগত না এটা দেখে। এখন তো মনে হয় কুষ্টিয়ার লালন উৎসবের বাউলরা এক বছর বন্ধ রাখুক তাদের উৎসব প্রতিবাদ হিসেবে। ছায়ানট বন্ধ রাখুক এক বছর বৈশাখের অনুষ্ঠানে নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে নিয়ন্ত্রণের প্রতিবাদে। বইমেলা বন্ধ রাখুক এক বছর মুক্তচিন্তার বিরুদ্ধে সরকারি হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে।…

গ্রামীণ মেলা, পালা, বাউলদের প্রতিবাদ করার সময় পেরিয়ে যাচ্ছে। এভাবে সব মুখ বুজে মেনে নিলে নিজের অস্তিত্ব হারিয়ে একদিন তারা ইতিহাসের পাতাতেই কেবল শোভাবর্ধন করবে। ঢাকার শহুরে সংস্কৃতির কান্ডারীরা যে প্রতিবাদ করবেন না সেটা অনুমেয়। কারণ তারা একটি দলের কাছে তাদের বিবেক বন্ধক দিয়ে রেখেছেন। এরা অবশ্য বাংলাদেশের সামান্য একটু অংশ মাত্র। গ্রাম বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। বাংলার গ্রামগুলোতে আবার ঢোলের শব্দ আর দোতরার শব্দে মুখর হয়ে উঠলে ঢাকার মাথায় কালা পট্টি বাধা হাজিবিবিদের মদিনা সনদ টিকবে না গ্যারান্টি!

©সুষুপ্ত পাঠক

Address

Chatteswari Road
Chittagong
4000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শ্রী শ্রী চট্টেশ্বরী কালী মন্দির, চট্টগ্রাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category