Deen Islam

Deen Islam Whose heart Allah widens towards Islam, then that heart is surrounded by a light from God.

26/05/2023
26/05/2023

'পরিপূর্ণ ভাবে ইসলাম মেনে চললে মিউজিক শোনা যাবে না, গান গাওয়া যাবে না, সুদ খাওয়া যাবে না, হালাল-হারাম বেঁছে চলতে হবে, প্রতি পদে পদে।
ব্যাংকে চাকরি করা যাবেনা, বয়ফ্রেন্ড রাখা যাবেনা।

'গায়রে মাহরামদের সাথে দেখা দেওয়া যাবেনা,পর্দা ছাড়া বাইরে যাওয়া যাবেনা।এত এত নিয়ম নীতি ইসলান পালন করে চলা শুধু কঠিন না এ যুগে অসম্ভব ও দেখছি! '

সাহাবী উবাই ইবনে কা'বের নাম শুনেছেন?
উবাই ইবনে কা'ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু একবার উমার
রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করলেন -
'তুমি কি কখনো কাঁটাওয়ালা পথে চলেছো? সেখানে কীভাবে চলতে হয়?”
তিনি বললেন,হ্যা, প্রতি মুহূর্তে সতর্কভাবে পা ফেলতে হয়। এরই নাম তাক্বওয়া (আল্লাহভীতি), প্রতি মুহুর্তে পাপ এড়িয়ে চলা। '

'আল্লাহকে মেনে চলতে হলে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অতি সাবধাতার সাথে পা ফেলতে হয়।
হালাল হারামের তোয়াক্কা করতে হয়, আল্লাহর সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি সর্বদায় মাথায় রাখতে হয়।
ইচ্ছে করলেই মন যা চায় সেটা করা যায়না।
আরে একজন মুমিনের জন্য দুনিয়াটা তো জেলখানা।
জেলখানায় কেউ চাইলেই সব পেয়ে যায়? যা ইচ্ছা তা করতে পারে ?

'আমাদের ও মনে রাখতে হবে দুনিয়াতে আমাদের কিছু কালের জন্য পাঠানো হয়েছে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য।দুনিয়া আমাদের জন্য স্বল্প সময়ের বিশাল এক সিলেবাস!জীবন একটাই, সুতরাং খাও-দাও ফূর্তি কর এমনটি ভাবার অবকাশ নাই।

'কিন্ত এতো কঠিন ভাবে চলতে পারবে কয়জন মানুষ?এসব পালন করে চলা কি এতই সহজ?
বটে? আচ্ছা, একটা এক্স্যাম্পল দিই? দেখুন,
আমরা যখন বিসিএসে পরীক্ষা দেই কত ছেলে-মেয়ে পরীক্ষা দেয়? অসংখ্য ছেলে মেয়ে শুধুমাত্র একটি পরীক্ষায় চান্স পাওয়ার জন্য রাত-দিন কি নিদারুণ পরিশ্রমই না করে!তারপরেও স্বপ্নের সেই বিসিএস অধিকাংশের কাছে স্বপ্নই থেকে যায়!আর চান্স মিলেনা লাখো শিক্ষার্থীর !

'এখন চিন্তা করুন সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কোটি কোটি মানুষের মধ্যে একটা এক্স্যাম হবে, সেই এক্স্যামে হাইয়েস্ট অব দ্য হাইয়েস্ট মার্ক্স যারা পাবে, তারাই তো ডানপন্থী, তারাই তো জান্নাতী।'

'এত বড় একটা এক্স্যাম, তার প্রিপারেশান নেওয়া কি সত্যিই খুব সহজ হওয়া উচিৎ? আমাদের বিবেক কী বলে?
আবার ধরুন, হাদীসে এসেছে,
“সমুদ্রের পানিতে একটি আঙ্গুল ডুবালে যতটুকু পানি ওঠে, ঐটুকু দুনিয়ার জীবন আর বাকি সমুদ্রটাই আখিরাত।”তার মানে, এই এক ফোঁটা পানিসম জীবন আপনি কীভাবে ব্যবহার করলেন, তার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে আপনার সমুদ্রসম জীবনের আবাস।
তাহলে এই পানিটুকুর ব্যবহার কী পরিমাণ সতর্কভাবে করা উচিৎ?

আল্লাহু আকবার !
আমরা কি সত্যিই তেমন করে চিন্তা করি?
দুনিয়ার এ অল্প কয়েকটা দিন কোন ভাবে আল্লাহর আনুগত্যে কাটিয়ে দিতে পারার মাঝেই রয়েছে জীবনের সার্থকতা।

'দুনিয়ার অল্প ক'টা দিন কোনো না কোনোভাবে কেটেই যাবে। এটা নিয়ে এত ভাবার কিছু নাই। আমাদের আরেকটা জীবন আছে। যার শুরু আছে; শেষ নাই। ওটার কথা ভুলে যাওয়া বা ওটার জন্য প্রস্তুতি না নেয়া অবশ্যই কোনো বুদ্ধিমানের কাজ নয়। রাসূল সা. এর একটি হাদিস আছে, যেটি একটি মাত্র বাক্যে সমাপ্ত; কিন্তু আমাদের হুঁশ ফেরার জন্য এটিই যথেষ্ট।

তিনি বলেন, তোমরা সুখ-স্বাচ্ছন্দ বিনাশকারী মৃত্যুকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করো। জীবন থেকে হতাশা নামক বিষয়টিকে একেবারে বিদায় করে দেয়ার জন্য এই একটি হাদিসই যথেষ্ট। আমরা বেহুঁশ, একটু থমকে দাঁড়াবারও চেষ্টা করি না। একবারও ভাবি না, আমি কে? আমাকে কে দুনিয়াতে পাঠালো? কেন পাঠালো? কোথায় যাচ্ছি? আমার কী করা উচিত?

'আসুন আমরা চিরস্থায়ী জীবনের জন্য কিছু করি,দুই দিনের দুনিয়ায় গা ভাসিয়ে গোনাহের রাজ্যে ভেসে না যায়,সময় থাকতেই পরকালের প্রস্তুতি নিয়ে রাখি হেদায়েতের পথ অনুসরণ করি !
মৃত্যুর পর যাতে আফসোস করে বলতে না হয় আহ আবার যদি দুনিয়ায় একবার এর জন্য ফেরত যেতে পারতাম,যদিও তখন সেটা আর সম্ভব হবেনা। '

'আল্লাহর জন্য নিজেকে এখন থেকেই পরিবর্তন করা শুরু করি,দরকার শুধু প্রবল ইচ্ছেশক্তি আর মনোবল,সত্যিকার অর্থে আল্লাহর ইবাদতের মধ্যেই রয়েছে প্রকৃত প্রশান্তি ভালো লাগা।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুক! ( আমিন )

✍️ Jānnatul Rāisa Shārmin

26/05/2023
ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের বিধান ও শর্তাবলী▬▬▬▬◢◯◣▬▬▬▬প্রশ্ন: ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং এর ক...
25/05/2023

ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের বিধান ও শর্তাবলী
▬▬▬▬◢◯◣▬▬▬▬
প্রশ্ন: ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং এর কাজ করা কি জায়েজ আছে?

উত্তর:

ইন্টারনেটের মাধ্যমে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের তলব অনুযায়ী কাজ করার নাম হচ্ছে, ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং। এ জগতে হাজার হাজার কাজ আছে। সেগুলো থেকে যদি আপনি কিছু শর্ত সাপেক্ষে হালাল কর্মের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করেন তাহলে নি:সন্দেহে তা হালাল।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
مَا أكَلَ أَحَدٌ طَعَاماً قَطُّ خَيْراً مِنْ أنْ يَأكُلَ مِنْ عَمَلِ يَدِه، وَإنَّ نَبيَّ الله دَاوُدَ عليه السلام كَانَ يَأكُلُ مِنْ عَمَلِ يَدِهِ ». رواه البخاري
‘‘নিজের হাতের উপার্জন থেকে উত্তম খাবার কেউ কখনো খায় নি। আল্লাহর নবী দাউদ আলাইহিস সালাম নিজ হাতের উপার্জন থেকে খেতেন।’’(সহীহুল বুখারী ২০৭২, ইবনু মাজাহ ২১৩৮, আহমাদ ১৬৭২৯, ১৫৭৩৯)

তবে সর্বদা হালাল-হারামের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে এবং হারাম ও সন্দেহপূর্ণ বিষয় থেকে দূরে থাতে হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
«إنَّ الحَلاَلَ بَيِّنٌ، وَإنَّ الحَرامَ بَيِّنٌ، وَبَيْنَهُمَا مُشْتَبَهَاتٌ لاَ يَعْلَمُهُنَّ كَثيرٌ مِنَ النَّاسِ، فَمَنِ اتَّقَى الشُّبُهَاتِ، اسْتَبْرَأَ لِدِينهِ وَعِرْضِهِ، وَمَنْ وَقَعَ فِي الشُّبُهَاتِ وَقَعَ في الحَرَامِ
‘‘অবশ্যই হালাল স্পষ্ট এবং হারামও স্পষ্ট। আর এ দুটির মাঝখানে রয়েছে কিছু সন্দেহপূর্ণ বস্তু; যা অনেক লোকেই জানে না। অতএব যে ব্যক্তি এই সন্দেহপূর্ণ বিষয় সমূহ হতে দূরে থাকবে, সে তার দ্বীন ও মর্যাদা রক্ষা করবে এবং যে সন্দেহপূর্ণ বিষয়ে পতিত হবে সে হারামে পতিত হবে।” (সহীহুল বুখারী ৫২, ২০৫১, মুসলিম ১৫৯৯)

মোটকথা, কাজের উপর নির্ভর করে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা কখনো বৈধ আবার কখনো অবৈধ।

এ ক্ষেত্রে মূলনীতি হল, যদি আপনি এমন কাজ করেন যেটা মূলত শরিয়তে হালাল-যাতে হারামের সংস্পর্শ নাই তাহলে তা হালাল এবং সেখান থেকে উপার্জিত অর্থও হালাল আর যদি কাজটা হারাম হয় তাহলে তা করা হারাম এবং সেখান থেকে উপার্জিত অর্থও হারাম।

❑ ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের শর্তাবলী:

কয়েকটি শর্ত সাপেক্ষে ফ্রিল্যান্সিং করা এবং তার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা বৈধ। যথা:
১. ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে কাজটি হালাল হওয়া (হারাম না হওয়া)।
২. দেশের প্রচলিত আইন পরিপন্থী না হওয়া।
৩. মানুষ, সমাজ ও দেশের জন্য ক্ষতি কারক না হওয়া।
৪.কারো অধিকার খর্ব না করা। (যেমন: কপিরাইট লঙ্ঘন করা)।
৫. আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে সুদ, ঘুস বা দুর্নীতির আশ্রয় না নেয়া।
৬. মিথ্যা, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও প্রতারণার আশ্রয় না নেয়া ইত্যাদি।

যদিও এগুলো অনলাইন-অফলাইন সর্বক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কিন্তু অনলাইনে
আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ ক্ষেত্রে প্রতারণা ও অন্যায়-অপকর্মের সুযোগ বেশি থাকে।

❑ কয়েকটি উদাহরণ:

◈ গ্রাফিক্স ডিজাইন। গ্রাফিক্সে ডিজাইনে যদি কোন অশ্লীলতা না থাকে এবং পুরুষ-মহিলা বা অন্য কোনো প্রাণীর ছবি যুক্ত করা না করা হয় বা কপিরাইট কৃত কোন ছবি ব্যবহার না করা হয় তাহলে তা হালাল; অন্যথায় হারাম।

◈ ডাটা এন্ট্রি বা (লেখা)। এতে যদি শরিয়ত বিরোধী কিছু না থাকে তাহলে কোন আপত্তি নাই; অন্যথায় হারাম। যেমন: কোনো লেখকের কপি রাইট কৃত বই থেকে নকল করা, নাস্তিকতা ও ইসলাম বিরোধী প্রপাগাণ্ডা মূলক লেখা, অবৈধ প্রেমভালবাসা ও নোংরা-সেক্সুয়াল বিষয়ে লেখা ইত্যাদি। এগুলো লিখে অনলাইনে পয়সা কামানো হারাম।

◈ অনলাইন ভিত্তিক সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ/বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করা। পণ্যটি যদি হালাল হয় তাহলে তা হালাল কিন্তু পণ্যটি হারাম হলে তা অবশ্যই হারাম। যেমন: মদ-নেশা, বিড়ি-সিগারেট, মানব দেহের জন্য ক্ষতিকারক, খাঁটি পণ্যের লেভেল লাগানো নকল পণ্য, সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ পণ্য ইত্যাদি। এগুলো অনলাইনে বিক্রয় সেবা দিয়ে পয়সা কামানো হালাল নয়।

এভাবে হালাল-হারামের বিষয়টি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, SEO, নেটওয়ার্কিং ও তথ্যব্যবস্থা (ইনফরমেশন সিস্টেম), প্রশাসনিক সহায়তা, মাল্টিমিডিয়া, গ্রাহকসেবা (Customer Service) ইত্যাদি যতপ্রকার কাজ আছে সকল ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
আল্লাহু আলাম।

মহান আল্লাহ আামাদেরকে বৈধ পন্থায় কাজ করে অর্থ উপর্জন করার এবং সকল প্রকার হারাম ও অসদুপায় অবলম্বন থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমীন।
https://www.facebook.com/Guidance2TheRightPath/posts/883519988734214
▬▬▬▬◢◯◣▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল

জুবাইল, দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স, সৌদি আরব

23/05/2023

🌸সিজদায় দোয়া🌸

সিজদায় গিয়ে আমি আল্লাহ তাআলার সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থান করি। সিজদা করাবস্থায় আমার আকুতি, আমার মিনতি, আমার দোয়া আল্লাহ তাআলার কাছে বেশি মকবুল হওয়ার নিশ্চয়তা থাকে। তাই নিজের দুঃসময়ে, নিজের কষ্ট-সংকটে সিজদায় গিয়ে আল্লাহ তাআলার কাছে চাইব, আল্লাহ তাআলার শিখিয়ে দেয়া দোয়া দিয়ে,
১: আমার আমল কবুল করার জন্য আবেদন করবো,
رَبَّنَا تَقَبَّلۡ مِنَّاۤۖ إِنَّكَ أَنتَ ٱلسَّمِیعُ ٱلۡعَلِیمُ
বাকারা: ১২৭।
২: হক থেকে বিচ্যুতির আশংকা থাকলে পড়ব,
رَبَّنَا لَا تُزِغۡ قُلُوبَنَا بَعۡدَ إِذۡ هَدَیۡتَنَا وَهَبۡ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحۡمَةًۚ إِنَّكَ أَنتَ ٱلۡوَهَّابُ
আলে ইমরান: ৮।
৩: হকপথের ওপর অটল রাখার জন্য, দ্বীনের সঠিক বুঝ দান করার জন্য পড়ব,
ٱهۡدِنَا ٱلصِّرَ ٰ⁠طَ ٱلۡمُسۡتَقِیمَ
সুরা ফাতিহা।
৪: দুঃখ-দুশ্চিন্তা, দুর্দশায় পড়বো,
حَسۡبِیَ ٱللَّهُ لَاۤ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَۖ عَلَیۡهِ تَوَكَّلۡتُۖ وَهُوَ رَبُّ ٱلۡعَرۡشِ ٱلۡعَظِیمِ
তাওবা: ১২৯।
৫: জীবনে ভালো কিছু হচ্ছে না? যেটাই করি, সুফল তুলে আনতে পারছি না? চাকরিবাকরি হচ্ছে না? ব্যবসায় লাভ উঠে আসছে না? পড়বো,
وَمَا تَوۡفِیقِیۤ إِلَّا بِٱللَّهِۚ عَلَیۡهِ تَوَكَّلۡتُ وَإِلَیۡهِ أُنِیبُ
হুদ: ৮৮।
৬: নিজের দ্বীন-ঈমান নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে? পরিবেশ-পরিস্থিতির প্রভাবে ঈমান দুর্বল হয়ে গেছে? পড়বো,
رَبَّنَاۤ ءَامَنَّا بِمَاۤ أَنزَلۡتَ وَٱتَّبَعۡنَا ٱلرَّسُولَ فَٱكۡتُبۡنَا مَعَ ٱلشَّـٰهِدِینَ
আলে ইমরান: ৫৩।
رَبَّنَاۤ ءَامَنَّا فَٱكۡتُبۡنَا مَعَ ٱلشَّـٰهِدِینَ
মায়েদা: ৮৩।
৭: মন অস্থির হয়ে আছে? কোনো কাজে মন বসছে না? একটু ধৈর্য-সবর নেই? সিজদায় লুটিয়ে পড়বো,
رَبَّنَاۤ أَفۡرِغۡ عَلَیۡنَا صَبۡرࣰا وَتَوَفَّنَا مُسۡلِمِینَ
আরাফ: ১২৬।
رَبَّنَاۤ أَفۡرِغۡ عَلَیۡنَا صَبۡرࣰا وَثَبِّتۡ أَقۡدَامَنَا وَٱنصُرۡنَا عَلَى ٱلۡقَوۡمِ ٱلۡكَـٰفِرِینَ
বাকারা: ২৫০।
৮: মনটা ভীষণ খারাপ? মনটা বিষন্ন? সিজদায় লুটিয়ে গিয়ে পড়বো,
إِنَّمَاۤ أَشۡكُوا۟ بَثِّی وَحُزۡنِیۤ إِلَى ٱللَّهِ
ইউসুফ: ৮৬।
৯: নেকসন্তান দরকার? সন্তানকে নামাজি বানানোর ইচ্ছা? সিজদায় লুটিয়ে গিয়ে পড়বো,
رَبِّ ٱجۡعَلۡنِی مُقِیمَ ٱلصَّلَوٰةِ وَمِن ذُرِّیَّتِیۚ رَبَّنَا وَتَقَبَّلۡ دُعَاۤءِ
ইবরাহিম: ৪০।
১০: মনটা সংকুচিত হয়ে আছে? মনে কোনো আনন্দ খুঁজে পাচ্ছি না? সিজদায় লুটিয়ে পড়বো,
قَالَ رَبِّ ٱشۡرَحۡ لِی صَدۡرِی وَیَسِّرۡ لِیۤ أَمۡرِی
তোয়াহা: ২৫-২৬।
১১: জানাশোনা কম? লেখাপড়া কম পারি? বুঝিশুনি কম? সিজদায় লুটিয়ে বারবার পড়তে থাকবো,
رَّبِّ زِدۡنِی عِلۡمࣰا
তোয়াহা: ১১৪।
১২: নফস ও শয়তানের দৌরাত্ম্যে জীবন অতিষ্ঠ? শয়তানের প্ররোচনা থেকে বাঁচতে, শয়তানকে তাড়াতে সিজদায় লুটিয়ে পড়বো,
رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنۡ هَمَزَ ٰ⁠تِ ٱلشَّیَـٰطِینِ وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَن یَحۡضُرُونِ
মুমিনুন: ৯৭-৯৮।
১৩: দুরারোগ্য ব্যাধিতে জীবন জর্জরিত? রোগাবালাইয়ে জীবন ছারখার হয়ে যাচ্ছে? সিজদায় লুটিয়ে পড়বো,
أَنِّی مَسَّنِیَ ٱلضُّرُّ وَأَنتَ أَرۡحَمُ ٱلرَّ ٰ⁠حِمِینَ
আম্বিয়া: ৮৩।
১৪: জাহান্নামের আযাবের ভয় লাগছে? জাহান্নামের আযাব থেকে বাঁচতে সিজদায় লুটিয়ে পড়বো,
رَبَّنَا ٱصۡرِفۡ عَنَّا عَذَابَ جَهَنَّمَۖ إِنَّ عَذَابَهَا كَانَ غَرَامًا
ফুরকান: ৬৫।
১৫: নেককার সন্তান ও বিবি দরকার? বিবি ও সন্তান নেককার হয়নি? সিজদায় লুটিয়ে নিয়মিত বারবার পড়বো
رَبَّنَا هَبۡ لَنَا مِنۡ أَزۡوَ ٰ⁠جِنَا وَذُرِّیَّـٰتِنَا قُرَّةَ أَعۡیُنࣲ وَٱجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِینَ إِمَامًا
ফুরকান: ৭৪।
১৬: দুনিয়া ও আখেরাতে সব ধরণের কল্যাণ লাভের জন্য সিজদায় লুটিয়ে বারবার পড়বো,
رَبَّنَاۤ ءَاتِنَا فِی ٱلدُّنۡیَا حَسَنَةࣰ وَفِی ٱلۡـَٔاخِرَةِ حَسَنَةࣰ وَقِنَا عَذَابَ ٱلنَّارِ
বাকারা: ২০১।
১৭: মা-বাবার জন্য নিয়মিত সিজদায় লুটিয়ে পড়বো,
رَّبِّ ٱرۡحَمۡهُمَا كَمَا رَبَّیَانِی صَغِیرࣰا
ইসরা: ২৪।
১৮: সমস্ত মুমিনের জন্য মাগফিরাতের দোয়া করব,
رَبَّنَا ٱغۡفِرۡ لِی وَلِوَ ٰ⁠لِدَیَّ وَلِلۡمُؤۡمِنِینَ یَوۡمَ یَقُومُ ٱلۡحِسَابُ
ইবরাহিম: ৪১।
১: কুরআন কারীমে আরো দোয়া আছে। উপরোক্ত দোয়াগুলো নিয়মিত পড়ার অভ্যেস গড়ে তুলতে পারলে, বাকি দোয়াগুলোও আস্তে আস্তে পড়ার অভ্যেস তৈরি হয়ে যাবে।
২: কুরআন কারীমের দোয়াগুলো মোটাদাগে প্রায় সবারই মুখস্থ থাকে। কিন্তু সমস্যা হল মুনাজাতের সময় দুয়েকটার বেশি মনে আসে না। এমনটা হওয়ার কারণ দোয়াগুলো পড়ার অভ্যেস না থাকা। নিয়মিত সচেতনভাবে চেষ্টা করলে, কাজ হবে।
৩: এজন্য সহজ হল, যেসব দোয়া পারি, সেগুলোর সাথে একটা একটা করে দোয়া বাড়াতে থাকা। নতুন দোয়াটি কয়েকদিন পড়ার পর, আরেকটি দোয়া মুনাজাতের তালিকায় যোগ করা। এভাবে মেহনত চালিয়ে গেলে, দুয়েক মাসের মধ্যেই কুরআন কারিমের সমস্ত দোয়া অনায়াসেই মুনাজাতে উঠে চলে আসবে। ইন শা আল্লাহ।
৪: আরো ভালো হয়, প্রতিদিন ৫-১০ মিনিট নির্ধারণ করে, কুরআন কারীমের সবগুলো দোয়া একসাথে পড়া। পড়ার সময় খেয়াল রাখা, কোন কোন দোয়া মুনাজাতের সময় আমার মুখে উঠে আসে না। সেগুলোর দিকে বাড়তি মনোযোগ দেয়া। এভাবে মেহনত করলে, একমাসও লাগবে না, সমস্ত কুরআনি দোয়া আমার যবানে গেঁথে যাবে। মনেও ইনশা আল্লাহ।
রাব্বে কারিম তাওফিক দান করুন। আমিন।

শায়েখ: Atik ullah

23/05/2023

বের হচ্ছিলাম বাসা থেকে, এমন সময় বাবা বললো 'তোমার কাছে কি ৫০০ টাকা হবে?'

হঠাৎ কেমন যেন একটা অদ্ভুত অনুভূতি হলো, বাবার দিকে তাকিয়ে মনে পড়ে গেলো সেই ক্লাস টু'র একটি

কথা।

বাবাকে বলেছিলাম 'বাবা ২ টাকা দিবা?'

বাবা 'কেন? কি করবে ২ টাকা দিয়ে?' আমিঃ আইসক্রিম খাবো। (তখন এক

টাকায় ৪ টা রঙিন আইসক্রিম অথবা ২ টা

বরফের সাথে নারকেল দেয়া আইসক্রিম পাওয়া যেতো)। বাবা ২ টাকার পরিবর্তে ৫ টাকা দিয়েছিলো।।

বাবা-মা আসলেই বড় অদ্ভুত ক্যারেকটার, তারা সারাজীবন চেষ্টা করেছেন তাদের

সর্বোচ্চটা আমাদের জন্য করার।

সময় কতোটা দ্রুত চলে যায়, আজ বাবা

অবসরপ্রাপ্ত। কেন যেন খুব কান্না পেলো, জানি না। ওয়ালেট হাতড়ে ১০০ টাকা বাদে যা ছিলো সবটা বাবাকে

দিয়ে দিলাম।

বাবাঃ আরে পাগল, এতো দিয়ে আমি কি

করবো?

আমিঃ বাইরে যাও, তোমার দোস্তদের সাথে আড্ডা দিবা, চা নাস্তা খাবা আর কি..

বলেই উল্টো ঘুরে হাঁটা শুরু করলাম, নিজের চোখের পানি

এড়াতে।

আপনজনের জন্য সময়মতো কিছু করতে না পারলে

কিসের চাকুরী, কিসের ব্যবসা, এসব দিয়ে কি হবে, কিসের

প্রাচুর্য, সবই তো ক্ষণস্থায়ী।

আমি মনে করি আমার বলে কিছু নেই, সব সাময়িকভাবে আমাকে ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে ওপরওয়ালা। সবকিছুই

ঠিকঠাক রয়ে যায়, থাকে না শুধু মানুষগুলো...!!!

#সংগৃহীত

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Deen Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share