30/10/2024
গতকাল একটা দাওয়াত ছিলো মিরপুরের এক চায়-নিজ রেস্টুরেন্টে। এটা বাংলাদেশের একমাত্র চেইন চায়-নিজ রেস্টুরেন্ট গ্রুপ।
ভেন্যুর ঠিক উল্টোদিকে একটা ব্যক্তিগত কাজ থাকায় একটু আগেই ভেন্যুতে যাই। কাজ শেষে ভেন্যুতে ঢুকতেই দেখি এশার আযান। তো নামাজের জায়গায় গিয়ে দেখি জামায়াত শুরু হয়ে গেছে। নামাজ শেষে পিছনে তাকাতেই রেস্টুরেন্টের একজন স্টাফ। ড্রেসে বুকের কাছে নাম ও পদবী লেখা। উনি শেফ। জিজ্ঞাসা করলাম এখানে শেফ কতোজন, জানালেন উনারা ৪/৫ জন। জিজ্ঞাসা করলাম এখানে কতোদিন, উত্তরে বললেন ২২ বছর! মা শা আল্লাহ। বললো, কোম্পানি ভালো, সুযোগ সুবিধা ভালো। আমি যোগ করলাম হ্যাঁ পুরো রমাদান তো ছুটি। আর কোম্পানি ভালো হলে কম বেতনেও চাকরি করা যায়।
উনি বললেন, অনেক কোম্পানি তো নামাজের সময় দেয় না। আর এখানে নামাজের উপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এজন্য বাংলাদেশে নতুন রেস্টুরেন্ট হলে পুরাতন রেস্টুরেন্ট থেকে শেফ বা দক্ষ লোক ভাগিয়ে নেওয়ার যে ট্রেন্ড সেখানে এদের সাথে কেউ সুবিধা করতে পারে না।
খেয়াল করছিলাম নামাজ শেষে নামাজের স্থান ত্যাগ করার আগে সবাই একটা বোর্ডে কি জানি করছিলো। কাছে যেয়ে দেখলাম সেটা নামাজের এন্ট্রি বোর্ড। কে কোন ওয়াক্তের নামাজ পড়েছে সেটার তালিকা! সুবহান'আল্লাহ! কতো চমৎকার ব্যবস্থা...!
আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন — ❝জেনে রেখো! তোমাদের প্রত্যেকেই একজন দায়িত্বশীল; আর তোমরা প্রত্যেকেই নিজ অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে।❞ (সহিহ বুখারি)
~ জুলফিকার আলি!