Salsabil-সালসাবিল

Salsabil-সালসাবিল Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Salsabil-সালসাবিল, Religious organisation, 94/103, Katalganj Road, Panchlaish, Chittagong.

01/09/2025

নিজেকে না বদলালে
কেউ আপনাকে বাঁচাতে আসবে না....

এই পৃথিবীতে কেউ আপনাকে এসে সফল করে দিয়ে যাবে না।
কেউ এসে আপনাকে টেনে তুলবে না, যদি আপনি নিজে উঠে দাঁড়াতে না চান।
জীবনের লড়াই আপনাকেই লড়তে হবে, একদম একা।

১. কেউ আপনাকে কিছু দিতে বাধ্য না
আপনার বাবা-মা আপনাকে জন্ম দিয়েছেন, মানুষ করেছেন।
তবে আপনি জীবনে কতদূর যাবেন, কত বড় হবেন— সেটা একান্তই আপনার দায়িত্ব।
কেউই বাধ্য না আপনাকে সুযোগ করে দিতে।
আপনাকেই নিজের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

২. পৃথিবী কঠিন, আপনি যদি দুর্বল থাকেন তো শেষ
জীবন কারও জন্য থেমে থাকবে না।
আপনি ব্যর্থ হলে, খুব বেশি মানুষ এক মিনিটও সময় দেবে না আপনার জন্য।
এই দুনিয়ায় টিকে থাকতে হলে আপনাকে মজবুত হতে হবে — মানসিকভাবে, মানসিকতায়, সিদ্ধান্তে।

নাহলে পৃথিবী আপনাকে গিলে ফেলবে, একটুও দয়া করবে না।

৩. কষ্ট হবে, কিন্তু কেউ দেখবে না
হয়তো আপনি রাত জেগে পরিশ্রম করছেন, একা লড়াই করছেন, কাঁদছেন —
কিন্তু কেউ তা দেখবে না।
মানুষ শুধু ফলাফল (result) দেখতে চায়,
আপনার পরিশ্রম (process) নয়।

তাই নীরবে লড়াই করুন, জেতার পর সবাই দেখবেই।

৪. বারবার ক্ষমা চাইলে পিছিয়ে পড়বেন
যদি আপনি সবসময় অজুহাত দেন—
যে, “সময় পাইনি”, “পরিস্থিতি খারাপ ছিল”, “ভাগ্য সহায় ছিল না”—
তাহলে আপনি কখনোই এগোতে পারবেন না।

Victim mindset মানে নিজেকে সবসময় দুর্ভাগা ভাবা — এটা আপনাকে কেবল পিছিয়ে দেবে, কিছুই দেবে না।

৫. আপনিই আপনার একমাত্র ভরসা
কেউ এসে আপনাকে ধাক্কা দিয়ে বলবে না: “উঠে দাঁড়াও!”
কেউ এসে আপনাকে অনুপ্রাণিত করবে না, যদি না আপনি নিজে চেষ্টার আগুন জ্বালান।

আজ আপনি যেখানে আছেন, ১০ বছর পরও সেখানেই থাকবেন — যদি আজই বদলানো শুরু না করেন।

শেষ কথা:
এখনো ভাবছেন, কেউ এসে আপনাকে বাঁচাবে?
না, কেউ আসবে না।
আপনাকেই নিজেকে বাঁচাতে হবে।
নিজের ভিতরের আগুন জ্বালান — কারণ একমাত্র আপনিই পারেন নিজেকে বদলাতে।

24/08/2025
26/07/2025

স্ত্রীর কাছে একজন স্বামীর নিঃশব্দ
চাওয়া:....
বিবাহিত জীবনে একজন পুরুষের চাওয়া-পাওয়া খুব
জটিল কিছু নয়। অধিকাংশ সময়েই এগুলো মুখে আসে
না, বড় কোনো চাহিদার রূপ নেয় না, কিন্তু ভেতরে জমে
থাকে গভীরভাবে। পুরুষের ভালোবাসা শব্দে প্রকাশ পায়
না, যেমন তার চাওয়াগুলোও আসে নিঃশব্দে—হৃদয়ের
'
ভেতর থেকে, ছোট ছোট মুহূর্তের মাধ্যমে। সমাজ, সংসার,
কর্মক্ষেত্র—সব দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে হাঁটা পুরুষটির কাছে
স্ত্রীর কাছ থেকে চাওয়াগুলো আসলে খুবই সূক্ষ্ম, কিন্তু
অসাধারণভাবে আবেগময়।
সে চায়, দিনের শেষে কেউ তার অপেক্ষায় থাকুক। অফিস
থেকে ফিরেই দরজা খুলে যেন একটা চেনা গন্ধে মাখামাখি
হয়ে উঠুক চারপাশ—সেই ঘ্রাণ হয়তো রান্নাঘর থেকে আসা
ভাতের গন্ধ, বা স্ত্রীর চুলে লেগে থাকা নারকেল তেলের
ঘ্রাণ। সে চায়, কেউ এক কাপ চা এগিয়ে দিক, কোনো কথা
না বলে পাশে বসে থাকুক, কেবল চোখে চোখ রেখে বুঝিয়ে
দিক—“আমি জানি তুমি ক্লান্ত।” পুরুষটি জানে, এই এক
কাপ চা-ই সারাদিনের সমস্ত ধকল ভুলিয়ে দিতে পারে।

পুরুষেরা চায় প্রশংসা, যদিও সেটা তারা মুখ ফুটে বলে
না। কিন্তু স্ত্রীর মুখে একটি ছোট্ট কথা—“তুমি কত কষ্ট
করো আমাদের জন্য”, অথবা “তুমি ছাড়া আমি এত কিছু
পারতাম না”—এই একবাক্যই তার সমস্ত আত্মবিশ্বাস
ফিরিয়ে দেয়। কখনো কখনো স্ত্রী রেগে যায়, অভিমান
করে মুখ গোমড়া করে বসে থাকে। কিন্তু সেসব অভিমানেও
থাকে এক মিষ্টি প্রেম—একটা মুঠোফোনের বার্তায় লেখা
থাকে, “তাড়াতাড়ি বাসায় এসো, রাগ তো চা বানিয়ে
ঠান্ডা করে ফেলেছি।” এই অভিমান, এই মিষ্টতা, পুরুষটি
আজীবন লালন করে হৃদয়ের গভীরে।
সকালবেলা অফিসে বের হবার সময়ের মুহূর্তটাও তার খুব
প্রিয়। স্ত্রীটি এসে শার্টের কলার ঠিক করে দেয়, বোতাম
লাগিয়ে দেয় নিঃশব্দে। তার নিঃশ্বাস ছুঁয়ে যায় স্বামীর
গলার নিচে। সদ্যস্নাত চুলের গন্ধে মোহিত হয়ে পড়ে সে।
আর তখনই যেন অনুভব করে, এই ছোট্ট মুহূর্তে পৃথিবীর
সমস্ত প্রেম তার জীবনে একত্র হয়েছে। এ এক অনুপম
ছোঁয়া, যা হাজার শব্দেও বোঝানো সম্ভব নয়।
আরো এক জিনিস পুরুষেরা চায়—ভরসা। এমন একজন
মানুষ, যার সামনে নিজের দুর্বলতাগুলো খুলে ধরতে পারে।
যে শুনবে, পাশে থাকবে, বিচার করবে না। স্রেফ বলবে
—“সব ঠিক হয়ে যাবে, আমি আছি।” এই "আমি আছি"
কথাটা পুরুষের কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আশ্বাস। কারণ
বাইরে সে হয়তো শক্ত, সাহসী, দায়িত্ববান; কিন্তু ভেতরে সে
ঠিক একজন মানুষ, যে চায় একটু নির্ভরতা, একটু আশ্রয়।

এসব চাওয়াগুলো কখনো দামি উপহারের মতো দেখায়
না, কিন্তু এদের ওজন অনন্ত ভালোবাসার থেকেও বেশি।
সংসারে, প্রতিদিনের ছুটে চলায় এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলোই
একজন পুরুষকে টিকিয়ে রাখে, তার সমস্ত ক্লান্তি মুছে
দেয়, আর মনে করিয়ে দেয়—সে একা নয় ।
স্ত্রীর স্পর্শ, একটি হাসি, কিছু নিঃশব্দ ভালোবাসা-
এইসবই একজন বিবাহিত পুরুষের কাছে প্ৰকৃত প্রাপ্তি।
এবং এসবের মাঝেই সে খুঁজে পায় জীবনের সবচেয়ে
গভীর প্রেম।

কথায় আছে, মাঝে মাঝে ভুল বলো, না হলে তুমি বুঝতে পারবে না লোকে তোমার কথা শুনছে কিনা! মাঝে মাঝে ভুল লিখো, তাহলে যে তোমার ফে...
12/07/2025

কথায় আছে, মাঝে মাঝে ভুল বলো, না হলে তুমি বুঝতে পারবে না লোকে তোমার কথা শুনছে কিনা! মাঝে মাঝে ভুল লিখো, তাহলে যে তোমার ফেসবুকে জীবনেও কমেন্ট করবে না বলে পণ করেছে, সেও কমেন্ট করবে।

স্ট্যাসি বালিসের "How to change a life" বইটি দ্বিতীয় সংস্করণে নামের ভুলে "How to change a wife" হয়ে বের হয়েছিল‌। পরেরটা ইতিহাস। নামের ভুলের কারণে বইটি বেস্ট সেলার হয়ে যায়!

দুধ খারাপ হলে দই হয়ে যায়। দই কিন্তু দুধের চেয়ে দামি। যদি এটা আরো খারাপ হয়, এটা পনির হয়ে যায়। দই এবং দুধের চেয়ে পনিরের মূল্য অনেক বেশি।

আঙুরের রস টক হলে তা ওয়াইনে রূপান্তরিত হয়, যা আঙ্গুর রসের চেয়েও দামি। আপনি ভুল করেছন মানেই আপনি ব্যর্থ ব্যাপারটা এমন নয়। ভুল হলো সেই অভিজ্ঞতা যা আপনাকে একজন ব্যক্তি হিসেবে আরো মূল্যবান করে তোলে। আপনি ভুল থেকে শেখেন যা আপনাকে আরো বেশি নিখুঁত করে তোলে!

ক্রিস্টোফার কলম্বাস একটি নেভিগেশন ভুল করেছিলেন, যা তাকে আজকের আমেরিকা আবিষ্কার করতে বাধ্য করেছিল। আলেকজান্ডার ফ্লেমিংয়ের ভুল তাকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করতে সাহায্য করেছিল। টমাস আলভা এডিসনকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, "আপনি জীবনে কতবার ভুল করেছেন?" তিনি মৃদু হেসে জবাব দিয়েছিলেন, "অসংখ্যবার!" এটা শুনে প্রশ্নকর্তা বলেছিলেন, "তাহলে তো আপনার মাথায় বুদ্ধি কম?" উত্তরে এডিসন যা বলেছিলেন তা এরকম, "মাথায় বুদ্ধি কম ছিল কিন্তু অসংখ্যবার ভুল করার কারণে তা বেড়ে বহুগুণ বড় হয়ে গিয়েছে!" ব্যাপারটা এমন, প্রতিবার ভুলের পর এডিসন নতুন নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করতেন।

কানাডিয়ান বিখ্যাত লেখক রবিন শর্মা বলেছিলেন, "ভুল বলে কিছু নেই সবই নতুন শিক্ষা।" বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন, "কেউ যদি বলে সে কখনো ভুল করেনি, তার মানে সে কখনো চেষ্টাই করেনি!"

বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন বলেছিলেন, "উন্নয়ন হলো চেষ্টা এবং ভুলের একটি সমন্বিত পক্রিয়া।"

বিজনেস গুরু রিচার্ড ব্রানসনের মতে, "নিয়ম মেনে কেউ হাঁটা শিখতে পারে না, বরং চেষ্টা এবং বার বার ভুল পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে হাঁটা শিখতে হয়।"

কলিন পাওয়েলের মতে, "যোগ্য নেতা জন্ম নেয় না, তৈরি হয় চেষ্টা, ভুল এবং অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে।"

অন্যতম সেরা ক্রীড়াবিদ মাইকেল জর্ডান বলেছিলেন, "আমি অসংখ্যবার ভুল করেছি এবং ব্যর্থ হয়েছি বলেই আজ আমি সফল।"

হেনরি ফোর্ড বলেছিলেন, "ভুল হলো একমাত্র সুযোগ যার মাধ্যমে নতুন করে শুরু করার আরো সুযোগ পাবেন।'

এক প্রেমিকের ভাষ্য, "ভুল মানুষের প্রেমে পড়া মানে আরেকটি শুদ্ধ মানুষের প্রেমে পড়ার অন্যতম সুযোগ।"

কথায় আছে, সত্যিকার মানুষ কখনো নির্ভুল হতে পারে না। যদি সবকিছু নির্ভুল থাকে তাহলে তুমি কখনো কিছু শিখতে পারবে না।

পেন্সিল মানসিকতা হওয়ার চেষ্টা করো, তাহলে ভুল হলে পিছন দিয়ে ঘষে মুছে নতুন করে চেষ্টা করার সুযোগ থাকবে! মুছতে না পারলে চিত্র হয় না! কলম মানসিকতার মানুষগুলো নিজেকে নির্ভুল ভাবে! তাই কলম দিয়ে সুন্দর চিত্র হয় না!

29/06/2025

জীবনে ঝামেলা যতই থাকুক
চিন্তা করলে বেড়ে যাবে,
চুপ থাকলে কমে যাবে,
ধৈর্য ধরলে শেষ হয়ে যাবে,
আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখলে তা খুশিতে পরিবর্তন হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

28/06/2025

ব্যাক্তিত্ব গঠনের ক্ষেত্রে সূরা হুজুরাত থেকে কয়েকটি উপদেশ—

১. উপহাস করো না। [আয়াত-১১]
২. দোষারোপ করো না।[আয়াত-১১]
৩. মন্দ নামে ডেকো না। [আয়াত-১১]
৪. পশ্চাতে নিন্দা করো না। [আয়াত-১২]
৫. সন্দেহ করা থেকে বিরত থাকো। [আয়াত-১৫]
৬. ধারণা করা থেকে বিরত থাকো। [আয়াত-১২]
৭. গোপনীয় বিষয়ের সন্ধান করো না।[আয়াত-১২]
৮. ফাসিকের কথা যাচাই ব্যতিরেকে বিশ্বাস করো না।[আয়াত-৬]
৯. বিবাদমান দুটি পক্ষের ঝামেলা ন্যায়পন্থায় মীমাংসা করবে।[আয়াত-৯]
১০.সর্বাবস্থায় ইনসাফ করবে।[আয়াত-৮]
বেনামাজির সাথে সম্পর্ক তৈরি করবেনা

প্রকৃতপক্ষে একজন বিশ্বাসী ব্যক্তির চরিত্র কেমন হওয়া উচিত তা-ই উক্ত সূরার মূল উপজীব্য বিষয়। আশা করা যায় চরিত্র ও ব্যাক্তিত্ব গঠনে পবিত্র কোরআনের উক্ত সূরা আপনাকে দারুণভাবে প্রভাবিত করবে। পড়ার আহ্বান রইল।

সূরা হুজুরাত
আয়াত সংখ্যাঃ১৮

23/06/2025

বা*চ্চার দুষ্টুমিতে এলোমেলো হয়ে যাওয়া ঘরটা দেখে আজ বিরক্ত হচ্ছেন?? এই ঘর একসময় ঠিকই সাজানো-গোছানো, পরিপাটি থাকবে। কিন্তু সেই ঘরে থাকবেনা কোন খিলখিল হাসির শব্দ, ছোট্ট পায়ের হাঁটার আওয়াজ, খেলনার টুংটাং শব্দ, ঠোঁট ফুলিয়ে কান্নার মেলানকোলি।💔
সোনামণি এত দিনে বড় হয়ে গেছে। তার আলাদা একটা জগৎ হয়েছে। মিনিটে মিনিটে মামণি-মামণি, পাপা-পাপা বলে ডাকার সময় এখন তার আর নেই।সে আপনাকে আর বিরক্ত করেনা। খাবার নিয়ে তার পেছনে এখন আপনাকে ছুটতে হয়না, তার অসুখ হলে আপনাকে আর রাত জাগতে হয়না। আপনার কাছে শুধুই আছে তার শৈশবের কোমলতার কিছু সুখ-স্মৃতি।

সন্তান আল্লাহর দেয়া সবচেয়ে বড় নেআমত।বিশ্বাস করেন না তো?? যার সন্তান নেই তাকে জিজ্ঞেস করুন। তাই বলছি, আপনার শিশু সন্তানের দুষ্টুমিগুলোকে স্বাভাবিকভাবে নিতে শিখুন।পারলে তার সাথে আপনিও জয়েন করুন,এনজয় করুন।সময় চলে যাবে শুধু থেকে যাবে শুধু কিছু মূহুর্তের স্মৃতি। ❣️

17/06/2025

আমরা ( বোনেরা ) আসলে কার জন্য সাজি?

নিজের স্বামীর জন্য, নাকি মানুষকে দেখানোর জন্য?

যদি বলেন, "স্বামীর জন্য সাজি"—তাহলে প্রশ্ন জাগে, কেন শুধু অনুষ্ঠান-আসলেই সাজগোজ করেন?

আর যদি বলেন, "অনুষ্ঠানের জন্য", তাহলে বলতে হয়—স্বামীর হক নষ্ট করে, দাম্পত্য-জীবন কীভাবে টিকাবেন?

এটা আজকাল বিরাট সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক নারীরাই সাজগোজ করেন, সাজতে পছন্দ করেন, কিন্তু সেটা নিজের স্বামীর জন্য নয়; বরং বাইরের লোকজনের প্রশংসা কুড়াতে। এমন সাজ, যেন কেউ বলে—“ওয়াও! তোমাকে দারুণ লাগছে!”

আপনি নিজেই একবার খোঁজ নিন—কয়জন নারী আছে, যারা শুধু নিজের স্বামীর জন্য সাজে? খুব বেশি না, হাতে গোনা কয়েকজন মাত্র। কিন্তু যখন কেউ কারো বাসায় দাওয়াত খেতে যায়, বিয়ের অনুষ্ঠান যায়, কিংবা শপিং -এ—তখন কি কেউ না সেজে বের হয়?

সাজ কি শুধু বাইরের লোকজনের জন্যই হবে? যে মানুষটা আপনার সবচেয়ে কাছের, সবচেয়ে আপন, তার জন্য কি সাজার প্রয়োজন নেই?

আমরা অনেক সময় দেখি, স্ত্রী অভিযোগ করছেন—স্বামী নাকি অন্য মেয়ের দিকে ঝুঁকছে, কিংবা পরকীয়ায় জড়াচ্ছে। এটা যে খারাপ কাজ, সন্দেহ নেই। কিন্তু কখনো কি নিজেকে প্রশ্ন করেছি—স্বামীর মন যে দূরে সরে যাচ্ছে, তার পেছনে আমারও কি কোনো অবহেলা আছে?

পুরুষদের স্বভাবগতভাবেই সুন্দর জিনিসের প্রতি টান থাকে। তারা চায়, ঘরে ফিরলে এক টুকরো প্রশান্তি পাবে—একটা হাসিমাখা মুখ, সুন্দর আচরণ আর সাজানো মনোভাব। কিন্তু যদি স্ত্রী তার প্রতি উদাসীন থাকে, ভালোবাসা প্রকাশে কৃপণ হয়, কিংবা নিজের যত্ন নেয় না—তখন সে ধীরে ধীরে বাইরে ভালোবাসা খুঁজে ফিরবে।

শয়তানের ধোঁকায় পড়ে সে হয়তো ভুল পথেও পা বাড়াতে পারে।

যখন সে দেখে, তার স্ত্রী তার জন্য সাজে না, বাইরের কেউ তার জন্য পরিপাটি হয়ে এসেছে— তখন সে তার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে। তাকে দেখে মুগ্ধ হয়।

আরেকজনের সাজগোজে যদি সে মুগ্ধ হয়, তাহলে দাম্পত্য জীবনে ফাঁটল তৈরি হবে না?

আমি কখনো বলছি না, স্বামীর ভুল আচরণ গ্রহণযোগ্য। কিন্তু আমাদেরও তো দায়িত্ব আছে—নিজের পক্ষ থেকে সবটুকু দিয়ে সম্পর্ককে আগলে রাখা।

তাই সাজগোজ কেবল অনুষ্ঠানের জন্য নয়—প্রথমেই হওয়া উচিত স্বামীর জন্য। প্রতিদিন না হোক, অন্তত সপ্তাহে একদিন নিজেকে তার জন্য সাজিয়ে তুলুন।
হালকা একটু প্রসাধন, পরিপাটি পোশাক, আর মিষ্টি করে বলুন—"তোমার জন্য সেজেছি।"

দেখবেন, আপনার প্রতি তার ভালোবাসা যেন নতুন করে জেগে উঠেছে।

পুরুষরা চায়, তার জীবনসঙ্গিনী তার দিকে তাকাক, যত্ন নিক, ভালোবাসায় ভরিয়ে দিক। আপনার সাজ, আপনার মনোভাব, আপনার ভালোবাসাই—তাকে বেঁধে রাখার সবচেয়ে শক্তিশালী বাঁধন।

তাই নিজেকে শুধরে নেওয়ার সময় এখনই।
পরপুরুষের প্রশংসা নয়—নিজের স্বামীর প্রশংসাই হোক আমাদের সাজের আসল উদ্দেশ্য।

09/06/2025

**আমরা আবার মাস্ক পরার দিকে ফিরে যাচ্ছি।
COVID-Omicron XBB অতীতের থেকে আলাদা কারণ এটি মারাত্মক এবং সনাক্ত করা সহজ নয়, তাই সকলকে মাস্ক পরার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

১। নতুন COVID-Omicron XBB এর লক্ষণগুলি হল:

i). কাশি নেই।
ii). জ্বর নেই।
বেশিরভাগ লক্ষণগুলি নিম্নরূপ।

iii). জয়েন্টে ব্যথা।
iv). মাথাব্যথা।

v). গলা ব্যথা।
vi). পিঠে ব্যথা।

vii). নিউমোনিয়া।
viii). ক্নাটকীয়ভাবে ক্ষুধা হ্রাস পেয়েছে।

২। এছাড়াও, COVID-Omicron XBB ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় ৫ গুণবেশি বিষাক্ত এবং এর মৃত্যুর হারও বেশি।

৩। অতি অল্প সময়ের মধ্যে লক্ষণগুলি অত্যন্ত তীব্র হয়ে উঠবে এবং স্পষ্ট লক্ষণগুলির অনুপস্থিতিতেও পরিবর্তন ঘটবে।

৪। তাই আপনাকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।

* এই রূপটি তুলনামূলকভাবে অল্প সময়ের মধ্যে এটি সরাসরি ফুসফুসের "জানালা" প্রভাবিত করে এবং নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখাতে শুরু করে।

৫। COVID-Omicron XBB-তে সংক্রামিত অল্প সংখ্যক রোগীকে জ্বর-মুক্ত এবং ব্যথা-মুক্ত হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়, তবে এক্স-রে তে হালকা নিউমোনিয়া দেখা যায়।
এছাড়াও, নাকের গহ্বরের মধ্য দিয়ে তুলার সোয়াব পরীক্ষা করে COVID-Omicron XBB নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং নাসোফ্যারিঞ্জিয়াল পরীক্ষার সময় মিথ্যা নেতিবাচক পরীক্ষার উদাহরণ বাড়ছে।
তাই এই ভাইরাসটি খুবই ধূর্ত। এর ফলে, ভাইরাসটি সম্প্রদায়ের মধ্যে সহজেই ছড়িয়ে পড়ে। সরাসরি মানুষের ফুসফুসকে সংক্রামিত করে, ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে এবং তীব্র শ্বাসকষ্টের সমস্যা সৃষ্টি করে।
এটি ব্যাখ্যা করে যেকেন COVID -Omicron XBB এত সংক্রামক এবং মারাত্মক হয়ে উঠেছে*

৬। যতটা সম্ভব জনাকীর্ণ স্থান এড়িয়ে চলুন, খোলা জায়গায় এমনকি ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন, মাস্কের উপযুক্ত স্তর পরুন এবং লক্ষণ ছাড়া কাশি বা হাঁচি না দিলে ঘন ঘন হাত ধুয়ে নিন।

এই COVID-Omicron XBB "WAVE" প্রথম COVID-19 মহামারীর চেয়েও মারাত্মক।

* অতএব, বিচক্ষণ, বৈচিত্র্যময় এবং নিবিড় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক।

[বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের সাথে এই বিভাগটি শেয়ার করতে ভুলবেন না]।
[এই বার্তাটি নিজে বুকমার্ক করবেন না]।
অনুগ্রহ করে আপনার আত্মীয়স্বজন এবং বন্ধুদের যতটা সম্ভব বলুন।

নিরাপদ থাকার জন্য বাইরে বের হওয়ার সময় মাস্ক পরতে ভুলবেন না।

07/06/2025

যখন একজন পুরুষ ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফেরে, তার সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত প্রশান্তির জায়গা হয়ে ওঠে তার প্রিয় মানুষের চোখের দৃষ্টি। রান্নাঘরে ধোঁয়া উঠছে, ফোনে চলছে ওয়াজ/হামদ/নাত কিন্তু সেইসব ব্যস্ততার মাঝেও যদি নারী একবার তাকিয়ে বলে, “তুমি এসেছো?”, সেই দৃষ্টিই তার সমস্ত পরিশ্রমকে ধুয়ে মুছে ফেলে। সে অনুভব করে, এই চোখের গভীরতাই তার সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়।

এক কাপ চা বানিয়ে দিলে বা খাবারের পাশে প্লেট এগিয়ে দিলে, পুরুষ চায় না সেটা নিয়ে ঢাকঢোল পিটিয়ে ধন্যবাদ দেওয়া হোক। সে শুধু চায়, তার পরিশ্রমটাকে তুমি একটু বুঝো, একটু অনুভব করো। একটুখানি হাসি, কিংবা একটুখানি চোখে চেয়ে বলা, “তুমি খুব কষ্ট করো,”— এসবই তার হৃদয়ের প্রতিদান।

সবচেয়ে জরুরি ব্যাপারটা হলো মানসিক আশ্রয়। একজন পুরুষ তার হৃদয়ের গভীরে এক নির্ভরতার খোঁজে থাকে। সে চায় এমন একজন পাশে থাকুক, যে তার কাঁধে হাত রেখে বলবে, “ভয় পেও না, আমি আছি।” জীবনের টালমাটাল সময়ে, চারপাশে অন্ধকার নেমে এলে সে চায় তার প্রিয় মানুষটি হোক এক টুকরো আলো। তার জন্য চুপিচুপি প্রিয় কিছু রান্না করে রাখা, তার পছন্দের কথা গুলো চালিয়ে দেওয়া, কিংবা নীরবতায় হাতটা ধরে রাখা— এসব ছোট ছোট যত্নেই পুরুষ ভীষণভাবে আবেগে ভেসে যায়।

সম্পর্কে বন্ধুত্বটা সবচেয়ে জরুরি। যদি নারী কেবল ‘ভালোবাসার প্রতিমা’ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন, তাহলে সম্পর্কের ভারসাম্য হারিয়ে যায়। বরং, মাঝে মাঝে তার সাথে মজা করে কথা বলা, হালকা ঠাট্টা-মশকরা, বা কোনো ছবি দেখে একসাথে হেসে ওঠা— এই বন্ধুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোই আসলে সম্পর্ককে প্রাণবন্ত করে তোলে। প্রেমটা যদি বন্ধুত্বে মেশে, তবে তা হয়ে ওঠে অনন্য।

একজন পুরুষের আত্মমর্যাদা তার জন্য অনেক কিছু। তাই তার সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দেওয়া, তাকে সম্মান জানানো, তার চেষ্টার প্রশংসা করা— এসবই তার হৃদয় ছুঁয়ে যায়। যখন তুমি তার স্বপ্নে বিশ্বাস রাখো, তার পাশে দাঁড়িয়ে বলো, “আমি বিশ্বাস করি তুমি পারবে,” তখন সে নিজের সীমারেখা পেরিয়ে যায়।

এবং শেষে, সেই ছোট ছোট খুশির মুহূর্তগুলো। বিকেলের চা খেতে খেতে বলা, “তোমার পাশে থাকাটা দারুণ লাগে,” — এসব মুহূর্ত গড়ে তোলে এমন এক ভালোবাসা, যা কখনও ফিকে হয় না।

কারণ সত্যিকারের ভালোবাসা মানে বড় চাওয়া-পাওয়া নয়। এটা হলো হাজারো ছোট ছোট অনুভবের একটি নিঃশব্দ সুর, যা শুধু হৃদয় দিয়ে বোঝা যায়। আর সেই বোঝাটুকুই একটি সম্পর্ককে করে তোলে গভীর, দৃঢ় এবং অপার শান্তির।

05/06/2025

#কোরবানির_গোশত_বন্টন

১.নিজে খাবেন, ২.কিছু উপহার দিবেন এবং ৩.কিছু দান করবেন। আল্লাহ তাআলা বলেন:
"فَكُلُواْ مِنْهَا وَأَطْعِمُواْ الْبَآئِسَ الْفَقِيرَ"
(সূরা হজ্জ ২২:২৮)
নবী করীম (স.)বলেছেন:
«وكلوا وأطعموا وادخروا»
"তোমরা খাও, খাওয়াও এবং সংরক্ষণ করো।"
(সহীহ বুখারী)
এখানে ‘খাওয়াও’ শব্দের অর্থ হচ্ছে ধনীদেরকে হাদিয়া দেওয়া এবং দরিদ্রদেরকে সদকা দেওয়া।

Address

94/103, Katalganj Road, Panchlaish
Chittagong
4000

Telephone

+8801747274255

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Salsabil-সালসাবিল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Salsabil-সালসাবিল:

Share