হিদায়াত ও শান্তির খোঁজে

হিদায়াত ও শান্তির খোঁজে A little effort to find peace 🌿

26/07/2022

যেসব দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় নাঃ
(রেফারেন্স সহ)

১) অনুপস্থিত ব্যক্তির জন্য দু'আ, কোন মুসলিমের অগোচরে অন্য মুসলিমের দু'আ। (মুসলিম -৬৮২২)

২) জালিমের বিরুদ্ধে মাজলুম ব্যক্তির দু'আ। (তিরমীযি-৩৪৪৮)

৩) বাবা তার সন্তানের জন্য দু'আ৷ (তিরমীযি-৩৪৪৮)

৪) নেককার সন্তানের দু'আ - বাবা-মায়ের জন্য তাদের মৃত্যুর পর। (আবু দাউদ-২৮৮০)

৫) আরাফাতের ময়দানে দু'আ। (তিরমীযি-৩৫৮৫)

৬) বিপদগ্রস্ত অসহায় ব্যক্তির দু'আ (সূরা নমল ৬২,৫৭ ও সূরা ইসরার ৬৭ নাম্বার আয়াত)

৭) সেজদায় দু'আ। (নাসায়ী১০৪৫)

৮) হজ্জের স্থানসমূহে দু'আ। যেমন: আরাফাহ, মুজদালিফা, মিনা...। (ইবনে মাজাহ-২৮৯২)

৯) হজ্জ করা অবস্থায় হাজ্জীর দু'আ। (ইবনে মাজাহ-২৮৯৩)

১০) উমরাহ করার সময় উমরাহকারীর দু'আ। (নাসায়ী-২৬২৫)

১১) আযানের পর দু'আ। (তিরমীযি-২১০)

১২) ক্বিতাল চলাকালীন সময় দু'আ। (আবু দাউদ-২৫৪০)

১৩) বৃষ্টি বর্ষণকালে দু'আ। (আবু দাউদ-২৫৪০)

১৪) শেষ রাতের দু'আ, তাহাজ্জুদের সময়কার দু'আ। বুখারী-১১৪৫)

১৫) জুম্মার দিনে দু'আ, আসরের শেষ দিকে তালাশ করার জন্য নির্দেশ আছে। (নাসায়ী-১৩৮৯)

১৬) লাইলাতুল ক্বদরের রাত্রির দু'আ। (বুখারী ও মুসলিম)

১৭) আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়কার দু'আ। (আহমাদ-১৪৬৮৯, মুসলিম -৬৬৮)

১৮) ফরয স্বলাতের শেষ অংশে দু'আ (সালাম ফিরানোর আগে)। (রিয়াদুস স্বালেহীন ১৫০৮, তিরমীযি-৩৪৯৯)

১৯),মুসাফিরের দু'আ (সফর অবস্থায়)। (তিরমীযি-৩৪৪৮)

২০) রোজাদার ব্যক্তির দু'আ (রোজা অবস্থায়) । (ইবনে মাজাহ-১৭৫২)

২১) ন্যায়পরায়ণ শাসকের দু'আ। (তিরমীযি-২৫২৬)

২২) দু'আ ইউনুস পাঠ করে দু'আ করলে কবুল হয়। (তিরমীযি-৩৫০৫)

২৩) ইসমে আযম পড়ে দু'আ করলে কবুল হয়। (ইবনে মাজাহ-৩৮৫৬)

২৪) বিপদে পতিত হলে যে দু'আ পড়া হয় (ইন্না লিল্লা-হি... রাজিউন) এবং ( আল্লা-হুম্মা আজিরনি ফি মুসিবাতি ওয়া ওয়াখলিফলী খইরাম মিনহা...) তখন দু'আ কবুল হয়।

(মিশকাতুল মাসীবাহ-১৬১৮, মুসলিম -৯১৮)
২৫) জমজমের পানি পান করার পর দু'আ। ( ইবনে মাজাহ-৩০৬২, আহমদ৩/৩৫৭)

২৬) নির্যাতিতের দু'আ। (তিরমীযি-৩৪৪৮)

২৭) যখন তোমরা মোরগের ডাক শুনবে, তখন তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ চাইবে, কেননা সে একটি ফেরেশতা দেখেছে। (বুখারী (ফাতহুল বারীসহ), ৬/৩৫০, নং ৩৩০৩; মুসলিম, ৪/,২০৯২, নং ২৭২৯)

২৮) দু'হাত তুলে দোয়া করা, আল্লাহ বান্দার খালি হাত ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন। (আবু দাউদ-১৪৮৮)

আল্লাহ আমাদের সকল নেক দোয়াগুলো কবুল করুন। আমিন
©️

 #সন্তান_নিতে_দেরি_করবেন_না( kabir Anwar ভাইয়ের লেখা )সেদিন আসরের নামায শেষে বাসায় ঢুকলাম। দেখি ফাতিমা বিছানায় বসে বিষণ্...
24/07/2022

#সন্তান_নিতে_দেরি_করবেন_না

( kabir Anwar ভাইয়ের লেখা )

সেদিন আসরের নামায শেষে বাসায় ঢুকলাম। দেখি ফাতিমা বিছানায় বসে বিষণ্ণ মনে খুনখুন করছে। জিজ্ঞেস করলাম কী হেতু। সে জানাল তার আম্মু একটা সিভিট দিয়েছিল। কিন্তু সে সিভিটের পাতা খোলার পর সেটা কোথায় যেন পড়ে গেছে। আর খুঁজেই পাচ্ছে না। সান্ত্বনা দিলাম মাগরিবের নামাযে গিয়ে সিভিট এনে দিব।

মাগরিবের সময় বের হচ্ছি। দেখি তার নব্য শেখা লিখনজ্ঞানে একটা কাগজে লিখে দিয়েছে- আব্বুসিবিট, শেষের 'ব' আবার মিররিং হয়ে গেছে। একরকম জোর করেই চিরকুটটা আমার পাঞ্জাবির পকেটে ঢুকিয়ে দিল-যদি আবার ভুলে যাই! আমার ভুলোমনের কথা বাসায় কিংবদন্তীতুল্য। যাই হোক, নামাযের পর 'সিবিট' এনে দিলাম। তার খুশি দেখে কে! ছোটো মানুষদের জগৎটাই যেন আলাদা। বাবা-মা না হলে এই অসাধারণ কিউট ও বিস্ময়কর জগতের সাথে পরিচিত হওয়া অসম্ভব।

ভাইয়েরা/বোনেরা, আপনারা যারা ইচ্ছা করে সন্তান নিতে দেরি করছেন কিংবা নিছক জাগতিক টেনশনে নিতে চাচ্ছেন না, আপনারা অনেক বড় ভুল করছেন। আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে সন্তান গ্রহণ করার চেষ্টা করুন। একটা পরিবারকে রহমত ও বরকতে ভরপুর করে ফেলতে সন্তানের কোনো বিকল্প নেই। সেই সাথে ২৪/৭ একটা শিশুর মনোজগৎ ও তার বেড়ে ওঠাকে খুব কাছ থেকে দেখা ও উপভোগ করা এবং নিত্যনতুন মজার মজার বিষয় শেখা, রাত জেগে কোলে নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে কোমর-পিঠ-হাত টনটন করতে থাকা এসব কিছুই প্যারেন্টিং জার্ণির একেকটি অনবদ্য অধ্যায়। বিরক্ত হই কখনও, রাগও যে আসে না তা নয়। কিন্তু পির্তৃত্ব/মার্তৃত্বের যে অনুভূতি তার তুলনায় এগুলো নগণ্য। তাই আবারও বলব- সন্তান নিতে অহেতুক ও অযৌক্তিকভাবে দেরি করবেন না। নচেৎ খুব সম্ভাবনা রয়েছে একসময় এজন্য আফসোস করতে হবে।

23/07/2022

ভালো কথা বলতে না পারলে মন্দ কথাও বলবেন না। ভালো কথা বলা যেমন সদকা তেমনি খারাপ কথা থেকে জিহ্বাকে বিরত রাখা ও সদকা।

জাস্ট আপনি নিজের এই জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে কত শত অপ্রাসঙ্গিক ঝামেলা আর গুনাহ থেকে বেঁচে যাবেন আপনি কল্পনা ও করতে পারবেন না।

তাহলে আজ থেকেই শুরু হোক প্রচেষ্টা, নিজের জিহ্বাকে কন্ট্রোলের প্রচেষ্টা?

#কালেক্টেড

01/07/2022

আলহামদুলিল্লাহ আমরা বছরের শ্রেষ্ঠ ১০ দিনে প্রবেশ করলাম ‌। আজ থেকে আগামী ১০ দিনের এবাদত আল্লাহ সুবাহানাতালার কাছে সবচাইতে প্রিয় । কোন কোন বর্ণনামতে এ দশ দিনের এবাদত রমজানের শেষ দশ দিন থেকে উত্তম আবার কোন কোন বর্ণনা মতে এ দশ দিনের এবাদত আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ থেকে উত্তম ।

জিলহজের প্রথম ১০ দিনের কথা বলছি ।

একটা প্ল্যান করে ফেলি কি করা যায় এ দশ দিনে । আমি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে সুন্নাহ সম্মত কিছু আমল শেয়ার করছি।

১.
এ দশ দিনে বেশি বেশি করে

-তাসবিহ : সুবাহানাল্লাহ
-তাকবীর : আল্লাহু আকবার
-তাহমিদ : আলহামদুলিল্লাহ
-তাহলিল : লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ

নিয়ম করে প্রতিদিন কমপক্ষে প্রত্যেকটা ১০০ বার করে পড়তে পারি । ১০০ বার এটা আমার একটা প্লান শেয়ার করছি, কোন কিছু টার্গেট করে আগালে সেটা আদায় সহজ হয়ে যায় । সর্বোত্তম হচ্ছে যত বেশি সম্ভব করা যায় ।

সশব্দ পড়বে পুরুষরা আর মেয়েরা নিঃশব্দে । জিলহজের প্রথম ১০ দিনে সাহাবারা বাজার এবং বেশী লোকসমাগম আছে এমন জায়গায় এ শব্দগুলো জোরে জোরে পড়তেন যাতে তা শুনে অন্যরাও পড়তে পারে ।

২.
বেশি বেশি করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা । সবচেয়ে ছোট শব্দে ক্ষমা প্রার্থনা 'আস্তাগফিরুল্লাহ' চাইলে সারাদিনই পড়া যায় । দিনে কমপক্ষে ১০০ বার ।

৩.
যত বেশি সম্ভব দরুদ শরীফ পাঠ । সবচেয়ে ছোট দরুদ 'সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম' । দিনে কমপক্ষে ১০০ বার ।

৪.
আল্লাহু আকবার ,আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ । আল্লাহ খুবই পছন্দ করেন এ প্রশংসা গুলো ।

৫.
পারলে নয় দিন রোজা রাখা । আর না পারলে যে কয়দিন সম্ভব । তবে আরাফার দিনের রোজা তো সর্বোত্তম ।

৬.
বেশি বেশি করে দান করা । সামর্থ্য লাগল না থাকলে ১০ দিনে নিয়ম করে প্রতিদিন ২ টাকা করে ২০ টাকা অন্তত করতে পারি ।

৭.
যত বেশি সম্ভব কোরআনের সাথে থাকা । পড়তে না পারলে অন্তত শুনতে পারি । দিনে অন্তত ১০ মিনিট, বাদ যাবে না একদিনও ইনশাআল্লাহ ।

৮.
অবিরত দোয়ায় থাকুন এই দশদিন । দোয়া কবুলের জন্য এ দশ দিন সর্বোত্তম সময় ।

৯.
আর এর চাইতে উত্তম আর কি হতে পারে যদি মানুষ যখন ঘুমিয়ে থাকে আপনি তখন রাতে নামাজে দাঁড়িয়ে যান । তাহাজ্জুদের এটা সর্বোত্তম সময় ।

১০.
সামর্থ্যবানদের জন্য পশু কোরবানি ।

১১.
আর আরাফাত দিনের কথা কি আর লিখব । এটা সেই দিন যেদিন আল্লাহ সুবহানা তায়ালা সবচাইতে বেশি সংখ্যক গুনাগারদেরকে ক্ষমা করে দেন ।

জিলহজের এ দশ দিন আমার এ বছরের শ্রেষ্ঠ দিনগুলো হোক ।

আল্লাহ সহজ করুন । আমাদের ভুল-ভ্রান্তিতে ভরা আমলগুলো কবুল করুন ।
#সংগৃহীত

05/06/2022

ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিমাহুল্লাহর আত্মসমালোচনা:

"আমার একটা রোগ আছে ভাইয়েরা। আমি যখন কুরআন বা হাদীসে পড়ি যে, যার অন্তরে অহংকার আসে, যার অন্তরে অহংকার থাকে, সে জান্নাতে যেতে পারবেনা। আর (তখনই) চট করে আমার মনে হয় আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের অমুক প্রফেসরও জান্নাতে যেতে পারবে না, ওর খুব অহংকার।

যখন আমি পড়ি যে, লোভ থাকলে জান্নাতে যেতে পারবে না বা জান্নাতে যেতে অসুবিধা হবে; তখন আমার মনে হয় অমুক হুজুরের খুব লোভ, ও জান্নাতে যেতে পারবে না।

কিন্তু আমিও যে যেতে পারবো না, এটা আমার কিছুতেই মনে হয় না। আপনারা কি আমার কথা বুঝতে পারছেন?

এটা হল ঈমানের ক্যান্সার। সাহাবীদের এই ক্যান্সার ছিল না। সাহাবীরা যখন কোনো হাদিস শুনতেন, তখন নিজের গুনাহর কথা আগে চিন্তা করতেন, পরের কবর নিয়ে কখনো চিন্তা করতেন না। তারা নিজের কবর, নিজের আখিরাত নিয়ে চিন্তা করতেন।

আমি আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, হুজুর মানুষ আপনারা ডাকেন, দাওয়াত দেন। জানাজা পড়াতে যাই, কবর দিতেও অনেক সময় যাই। হয়তো কবর দেয়ার সময় গেলাম, জানাজায় থাকলাম, দাফন করলাম।

আপনারা কি দেখেছেন কবর দেখে আমার কোনোদিন কান্না আসে? কোনোদিন কান্না আসে না। কারণ, আমি কবরের আজাবের সব জানি। কিন্তু আমি জানি কবরের আজাব হবে মন্ত্রী, মিনিস্টার, আমার বিরুদ্ধে আমার উপর যারা রাগ করে, অমুক দলের। আমার যে কবরের আযাব হবে, আমার মনেই হয় না, তো চোখের পানি আসবে কি করে?

আমার মনে হয় আমার মনের অবস্থা এই, যে আমি হুজুর মানুষ ,আমার জন্য তো জান্নাত কনফার্ম। কবরে আজাব হলে ওদের হবে, আমার কেন হবে? এজন্য কবর দেখলেও, দাফন করলেও আমার কিন্তু চোখে পানি আসে না।

উসমান রদিয়াল্লাহু 'আনহু কবর দেখলে বেহাল হয়ে যেতেন, অস্থির হয়ে যেতেন। তার সাথীরা প্রশ্ন করল, 'ইয়া আমীরুল মুমিনীন! আপনি কবর দেখলে বেহাল হন কেন?' তিনি বলেন," রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "কবর হলো আখিরাতের প্রথম স্টেশন, প্রথম ঘাটি। কবর হয় জান্নাতের বাগান হবে, নইলে জাহান্নামের গর্ত হবে!" উসমান বলেন, 'আমি যখনি কোনো কবর দেখি, আমার ভয় হয়, আমিও তো কবরে যাব। আমার কবরটা কি জান্নাতের বাগান হবে, নাকি জাহান্নামের গর্ত হবে! এই চিন্তায় আমি অস্থির হয়ে যাই।'

তাহলে উসমান যখন এই কথাটা রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখ থেকে শুনেছিলেন, তখন তিনি আর কারো কবরের চিন্তা করেননি, নিজের কবরের চিন্তা করেছিলেন। আর আমি আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর অনেক হাদিস পড়েছি, আমার খালি পরের কবরের চিন্তাই হয়, নিজের কবরের চিন্তা আসে না।

তো আমার এই রোগের কথা আপনাদের বলার উদ্দেশ্য হলো যে, আপনারা অন্তত এই রোগ থেকে মুক্ত হন। সাহাবীদের দেখেন কি অবস্থা! আর আমরা কী করি?

শুধু পরের সমালোচনা করি। কিছু মানুষ আছে যারা দ্বীন নিয়ে চিন্তা করে না, আখিরাত নিয়ে চিন্তা করে না, দুনিয়ায় পাগলের মতো ছুটেছে, একসময় মরে যাবেন। সবই পড়ে থাকবে, খালি হাতে চলে যাবেন, তারা এক মিসকিন।

আর আমরা কি মিসকিন?

আমরা কিছু ভালোমন্দ বুঝি। হক বুঝি, বাতিল বুঝি, হালাল বুঝি, হারাম বুঝি। এই পাঁচজন বুঝদার লোক এক জায়গায় হলে ষষ্ঠ একজনের সমালোচনা করি। ও হারাম খায়, ও দেখো কি করেছে, ও কি খারাপ! কিন্তু আমি যে কতটুকু খারাপ, আমি আল্লাহর কি করলাম, এটা আমরা নিজেরা আলোচনাও করিনা, চিন্তাও করি না।"


শ্রুতিলিখন: মিরাজ শাহরিয়ার

কেউ যদি এটা থেকে বের হয়ে আসতে পারে তখনই সে কেবল দাবী করতে পারে সে উত্তম আখলাখ ধারণ করতে পেরেছে।

©

25/05/2022

-চলো না প্রিয়, পূর্ণিমা রাত টাকে উপভোগ করি।
- না সকালে অফিস আছে, উঠতে হবে। আর চাঁদ তো প্রতিদিন ই উঠে, এটাতে দেখার কি আছে?
- হুমম, তাও ঠিক। আচ্ছা ঘুমাও।

- একটু রিকশা চড়ি চলো।
- সময় নাই, বাচ্চাগুলোকে দেখবে কে?
- আব্বা-আম্মা দেখবে, কিছুক্ষন এর জন্য ই তো।
- না, ওদের পড়া আছে। তাছাড়া উনারা কি ভাববেন? ওরা বড় হউক তারপর নাহয় যাবো।
- আচ্ছা...

- বৃষ্টি পড়ছে বাইরে, চলো ভিজে আসি।
- না, ঠান্ডা লেগে যাবে।
- একটু ই তো.. চলোনা।
- আমার ঠান্ডা লাগলে অফিস মিস হবে। আর তোমার ঠান্ডা লাগলে সংসার সামলাবে কে? তোমার সেবা করবে কে?
- আচ্ছা থাক..

- আমার সাথে ৫ মিনিট কথা বলা যাবে?
- না অনেক কাজ। পরে কথা বলবো।
- এতো কাজ কাজ করো কেন?
- আমাদের সুন্দর ভবিষ্যত এর জন্য।

- রাগ করসো?
- হুমম।
- আচ্ছা চলো, ফুচকা খাওয়াই।
- রাগ না করলেও তো খাওয়াতে পারতা, কতদিন ধরে বলছি তখন তো সময় হচ্ছিলোনা। এখন কিভাবে হচ্ছে?

- শুনোনা আজকে কি হইসে
- ঘুম পাচ্ছে, পরে শুনবো।
- একটু শুনো
- সারাদিন এতো কথা কিভাবে বলো? বকবক করিও না তো।
- আচ্ছা।

………………………………………………….

অভিমান করে এতটাই দূরে চলে গেলে যে আর কখনো তোমাকে ছুঁয়ে দেখতে পাবো না। প্রতি টা পূর্ণিমায় চাঁদ কে দেখতে পাই কিন্তু আমার চাঁদ টাকে আর দেখিনা। জানো? এখন প্রতিটা রাতেই তোমাকে মনে করে চাঁদ দেখি কিন্তু তার মধ্যে কেবল নিঃসঙ্গতাই খুঁজে পাই।

রাস্তায় রিকশা দেখি, তার মধ্যে শত শত জোড়া দেখি। ফুচকাওয়ালার দোকানে তাদের কত মান-অভিমান আর খুনসুটি। কিন্তু আমাদের কে তার মধ্যে দেখিনা।

এতদিন এই ব্যস্ত নগরীর ব্যস্ততা টাই দেখলাম কিন্তু কেন যে তার উপচে পড়া প্রেম টা দেখলাম না।

বর্ষার বৃষ্টিগুলো খালি ঝুমঝুম করে আর আমার কানে বাজতে থাকে তোমার সেই ছেলেমানুষি আবদার গুলো। সেইদিন সেবা কে করবে বলে ভিজতে দেইনি কিন্তু যদি নিজেই একটু তোমার সেবা করতাম।

অনেক তো করলে আমার জন্য.... আমি ই তোমার জন্য কিছু করতে পারলাম না। ভাবতাম একদিন তোমার সব ইচ্ছে পূরণ করবো আগে ভবিষ্যত টাকে গুছিয়ে নি। ইশ! তোমার ছোট্ট ছোট্ট চাওয়াগুলো ই যদি পূরণ করে দিতাম!

কত কথা জমে গেলো মনে, কিন্তু শোনার জন্য তুমি কই? আমার কানগুলো আজ শুধু একটু তোমার কথা শুনতে চায়, কিন্তু এই কোলাহলপূর্ণ শহরে সেই চিরচেনা কণ্ঠস্বর টাই আর খুঁজে পায়না।

সবাই আমাকে পরিপূর্ণ ভাবলেও এই প্রেমের নগরীতে আমি যে বড্ড একা, কতটা তা কেবল আমি ই উপলব্ধি করি।
..........

উৎসর্গ : যারা শুধুমাত্র ভবিষ্যত এর কথা ভেবে আর বর্তমান এর সমস্যাগুলো কে বড় করে দেখে জীবনে পাওয়া রহমতগুলো কে অপচয় করছেন।

অভিমান

© The Modest Bengali Blogger

07/05/2022

মানুষ কখনো মানুষের উপর দয়া করেনা কারণ দয়া করার অধিকার একমাত্র আল্লাহর তায়ালার।

মানুষ যা করে তা হলো সহানুভূতিশীল হওয়া, আর যে যত বেশি সহানুভূনতিশীল সে তত বেশি ই মানবিক।

05/05/2022

"বিয়ের পূর্বে চরিত্র ও ব্যক্তিত্বের দিকটি খুব কম পরিবারই যাচাই করে। ফলে এর খেসারত দিতে পরবর্তীতে রাজপ্রাসাদে থেকেও অগ্নিকুণ্ডের উত্তাপ আস্বাদন করে। এখানে হয়তো ধৈর্য নয়তো নিকৃষ্টতম জায়েজ 'তালাক' এই দু'টির যেকোনো একটি বেছে নেয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প থাকে না।"

বই : লাভ ক্যান্ডি
লেখক : জাফর বিপি

04/05/2022

দুঃখগুলো যদি আমাকে আল্লাহর নিকটে নিয়ে যায় তাহলে সারাজীবন তাই থাকুক;

আমার অন্তরে শুধু আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা থাকুক।

02/05/2022

ঈদের দিন রয়েছে ১৩ টি সুন্নত। জেনে নিন বিষয়গুলো :

১. অন্যদিনের তুলনায় সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া। [বায়হাকী, হাদীস নং-৬১২৬]

২. মিসওয়াক করা। [তাবয়ীনুল হাকায়েক-১/৫৩৮]

৩. গোসল করা। [ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-১৩১৫]

৪.শরীয়তসম্মত সাজসজ্জা করা। [বুখারী, হাদীস নং-৯৪৮]

৫. সামর্থ্য অনুপাতে উত্তম পোশাক পরিধান করা। [বুখারী, হাদীস নং-৯৪৮, মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং -৭৫৬০]

৬. সুগন্ধি ব্যবহার করা। [মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং-৭৫৬০]

৭. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার আগে মিষ্টি জাতীয় যেমন খেজুর ইত্যাদি খাওয়া। তবে ঈদুল আযহাতে কিছু না খেয়ে ঈদের নামাযের পর নিজের কুরবানীর গোশত আহার করা উত্তম। [বুখারী, হাদীস নং-৯৫৩, তিরমিজী, হাদীস নং-৫৪২, সুনানে দারেমী, হাদীস নং-১৬০৩]

৮. সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া। [আবু দাউদ, হাদীস নং-১১৫৭]

৯. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে সদকায়ে ফিতর আদায় করা। [দারাকুতনী, হাদীস নং-১৬৯৪]

১০. ঈদের নামায ঈদগাহে আদায় করা, বিনা অপরাগতায় মসজিদে আদায় না করা। [বুখারী, হাদীস নং-৯৫৬, আবু দাউদ, হাদীস নং-১১৫৮]

১১. যে রাস্তায় ঈদগাহে যাবে, সম্ভব হলে ফিরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফিরা। [বুখারী, হাদীস নং-৯৮৬]

১২. পায়ে হেঁটে যাওয়া। [আবু দাউদ, হাদীস নং-১১৪৩]

১৩. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার সময় আস্তে আস্তে এই তাকবীর পড়তে থাকাঃ
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ
বাংলায়: আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবর লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।

তবে ঈদুল আযহায় যাবার সময় পথে এ তাকবীর আওয়াজ করে পড়তে থাকবেন। [মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং-১১০৫]

আল্লাহ তায়ালা আমাদের উক্ত সুন্নতগুলোর উপর আমল করার তৌফিক দান করুন। (আমীন)

30/04/2022

সম্পর্ক এবং পারফেক্ট-শন ❤

#সম্পর্কের_যত্ন #সিরিজ

30/04/2022

যখন আপনার জন্য হালালগুলো হয় অসাধ্যর মতো কঠিন আর হারামগুলো হয় পানির মতো সহজ কিন্তু তবুও আপনি হালাল কে আঁকড়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন আর ভরসা করছেন রবের প্রতি তখন মনে রাখবেন, আপনি আল্লাহর অতি প্রিয় বান্দা হওয়ার পথে আছেন আর আপনার কষ্ট হয়তো আর খুব বেশিদিন থাকবেনা... শীঘ্রই আপনার সুন্দর দিন আসছে ইন শা আল্লাহ ।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হিদায়াত ও শান্তির খোঁজে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share