পূজা-পার্বণ

পূজা-পার্বণ হিন্দু ধর্মের সকল পবিত্র স্থানের চিত্রপট আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

ফিরে দেখা রাধা কৃষ্ণের ঝুলন উৎসব🌸স্থান- শ্রী শ্রী গোপাল বাড়ি।সুচক্রদন্ডী,পটিয়া, চট্টগ্রাম।📸 জয়ন্ত সরকার
01/09/2026

ফিরে দেখা রাধা কৃষ্ণের ঝুলন উৎসব🌸
স্থান- শ্রী শ্রী গোপাল বাড়ি।
সুচক্রদন্ডী,পটিয়া, চট্টগ্রাম।
📸 জয়ন্ত সরকার

জয় মা মনসা🌺নাগ মাতার আগমন 🙏স্থান-সদরঘাট কালী বাড়ি।🕉️📸 জয়ন্ত সরকার
11/08/2026

জয় মা মনসা🌺
নাগ মাতার আগমন 🙏
স্থান-সদরঘাট কালী বাড়ি।🕉️

📸 জয়ন্ত সরকার

গণেশ চর্তুথী -২০২৬ইং”লোভের বশবর্তী হয়ে গাছ নয়,   বনজ সম্পদ রক্ষা করুন”ভাবনা: THE LAST TREEসৃজনে: জয় দেপ্রচ্ছেদ: ইমন দে।দ...
06/08/2026

গণেশ চর্তুথী -২০২৬ইং
”লোভের বশবর্তী হয়ে গাছ নয়,
বনজ সম্পদ রক্ষা করুন”
ভাবনা: THE LAST TREE
সৃজনে: জয় দে
প্রচ্ছেদ: ইমন দে।
দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর ১নং সাইট হিন্দুপাড়া,বন্দর চট্টগ্রাম।

একটি নগরী যেখানে প্রতিটি সূর্যোদয় এক নতুন আধ্যাত্মিক আশার জন্ম দেয়।।।গনেশ পূজা ২০২৬।।রূপায়নে:মঙ্গল পালসৃজনে:জয় দে আয়েজ...
06/08/2026

একটি নগরী যেখানে প্রতিটি সূর্যোদয় এক নতুন আধ্যাত্মিক আশার জন্ম দেয়।
।।গনেশ পূজা ২০২৬।।
রূপায়নে:মঙ্গল পাল
সৃজনে:জয় দে
আয়েজনে:বিঘ্নবিনাশন সংঘ
।।১নং সাইট হিন্দুপাড়া,হালিশহর,বন্দর,চট্টগ্রাম।।

Hanuman Jayanti 2026 🕉️🚩Idol- Uttam Paul Idol Decoration - Rimon Dey Decoration - রৌদ্র ছায়া ইভেন্ট Lighting - 19 light...
03/04/2026

Hanuman Jayanti 2026 🕉️🚩

Idol- Uttam Paul
Idol Decoration - Rimon Dey
Decoration - রৌদ্র ছায়া ইভেন্ট
Lighting - 19 light housexBoishaki lighting.
Special Collaboration - সংহিতা আর্ট স্কুল
Organised by রাজাপুর পূজা উদযাপন মৈত্রী সংসদ

© Jøy Sarkar

27/03/2026

শুভ বাসন্তী নবমী ☘🌼☘

রামায়ণে আছে, ত্রেতাযুগে শরত্কালে রামচন্দ্র দুর্গাপূজা করেছিলেন। তবে তারও অনেক আগে সত্যযুগেই দুর্গাপূজার সূচনা হয়। ধার্মি...
27/03/2026

রামায়ণে আছে, ত্রেতাযুগে শরত্কালে রামচন্দ্র দুর্গাপূজা করেছিলেন। তবে তারও অনেক আগে সত্যযুগেই দুর্গাপূজার সূচনা হয়। ধার্মিক রাজা সুরথ শত্রুদের চক্রান্তে রাজ্য হারিয়ে উদ্‌ভ্রান্তের মতো ঘুরতে ঘুরতে উপস্থিত হন মেধস মুনির আশ্রমে। মেধস মুনি তাঁর দুর্দশা দেখে তাঁকে হারানো রাজ্য পুনরুদ্ধারের জন্য দুর্গাপূজা করার উপদেশ দেন। মুনির উপদেশ মেনে সুরথ রাজা দুর্গাপূজা করেন। দেবী দুর্গার আশীর্বাদে তিনি শত্রুদের পরাস্ত করে আপন রাজ্য উদ্ধারে সক্ষম হন। সেই থেকে প্রচলিত হয় দুর্গাপূজা।

কিন্তু দুর্গাপূজার উৎপত্তিস্থল সেই মেধস মুনির আশ্রম কোথায়? আজ থেকে ১৩৩ বছর আগে বেদানন্দ স্বামী দৈব ক্ষমতা দিয়ে জেনেছিলেন সেই মেধস মুনির আশ্রম আর কোথাও নয়, চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর করলডেঙ্গার পাহাড়ে। তখন তাঁর উদ্যোগে গড়ে ওঠে এই আশ্রম। আশ্রমে চণ্ডী মন্দির, শিব মন্দির, সীতা মন্দির, তারা কালী মন্দিরসহ ১০টি মন্দির রয়েছে। রয়েছে সীতার পুকুরও। বছরজুড়ে মনসকামনা পূর্ণ করার উদ্দেশ্যে দেশ–বিদেশের পুণ্যার্থীরা ছুটে আসেন এই আশ্রমে। পৌরাণিক কাহিনির স্মৃতি-অণুস্মৃতি নিয়ে করলডেঙ্গা পাহাড়ের এই আশ্রম এখন পরিণত হয়েছে দেশের অন্যতম তীর্থকেন্দ্রে।

সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ের শিব মন্দিরের মতো পাহাড়বেষ্টিত নিসর্গের মাঝে এই আশ্রমের অবস্থান। শানবাঁধানো পুকুর, হরেক রকম গাছগাছালি আর পাহাড়ের শোভা দেখতেও এই আশ্রমে ছুটে আসেন পর্যটকেরা।

বোয়ালখালী উপজেলা সদর থেকে আট কিলোমিটার দূরে মধ্যম করলডেঙ্গা গ্রামের করলডেঙ্গা পাহাড়ের চূড়ায় এই আশ্রমের অবস্থান। আশ্রমের প্রধান ফটক দিয়ে প্রায় আধা কিলোমিটার গেলে ওপরে ওঠার সিঁড়ি। প্রায় ১৪০টি সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠলে মেধস মুনির মন্দির চোখে পড়বে। এই মন্দিরের পরই দেবী চণ্ডীর মূল মন্দির। এর একপাশে সীতার পুকুর, পেছনে রয়েছে ঝরনা। মন্দিরের পেছনে সাধু সন্ন্যাসী ও পুণ্যার্থীদের থাকার জন্য রয়েছে দোতলা ভবন।

প্রায় ৬৮ একর জায়গাজুড়ে স্থাপিত এই মন্দিরে প্রতিবছর মহালয়ার মাধ্যমে দেবী পক্ষের সূচনা হয়। দেবী দুর্গাকে মর্ত্যে আহ্বান জানাতে প্রতিবারের মতো এবারেও চলছে প্রস্তুতি। সেদিন শত শত পুণ্যার্থীর পদচারণে মুখরিত হয়ে ওঠে এ আশ্রম।

তিনি আরও বলেন, পুরাকালের এই আশ্রমের কথা শাস্ত্রে লিপিবদ্ধ থাকলেও সাধারণ্যে তার প্রকাশ বা প্রচার ছিল না। ১১৩ বছর আগে দৈববলে পাহাড়-পর্বত পরিভ্রমণ বেদানন্দ স্বামী এই তীর্থভূমি আবিষ্কার করেন।

🔱 || শ্রী শ্রী আদিনাথ মন্দির || 🔱🔹️স্থান : মহেশখালী, কক্সবাজার। 🔹️ ইতিহাস : আদিনাথের গোড়াপত্তন কয়েক হাজার বৎসর পূর্বে ...
20/03/2026

🔱 || শ্রী শ্রী আদিনাথ মন্দির || 🔱

🔹️স্থান : মহেশখালী, কক্সবাজার।

🔹️ ইতিহাস : আদিনাথের গোড়াপত্তন কয়েক হাজার বৎসর পূর্বে ত্রেতাযুগে। এর একটি ঐতিহাসিক সত্যতা রয়েছে যা হিন্দু ধর্মগ্রন্থ, রামায়ণ, পুরাণ ও ঐতিহাসিকদের বর্ণনা থেকে জানা যায়। ত্রেতাযুগে রাম-রাবণের যুদ্ধের কথা ধর্মগ্রন্থে পাওয়া যায়। রাবণ লঙ্কা যুদ্ধে রামের সঙ্গে জয়লাভের জন্য দেবাদিদেব মহাদেবের কাছে অমরত্ব বর প্রার্থনা করেন। মহাদেব এসময় কৈলাসে ধ্যানমগ্ন ছিলেন। তিনি রাবণের আরধনায় সন্তুষ্ট হয়ে তাকে অভীষ্ট সাধনে বর দান করেন এবং শর্ত দেন শিবরূপী উর্ধমুখী শিবলিঙ্গ কে কৈলাস হতে বহন করে লঙ্কায় নিয়ে যেতে হবে এবং পথিমধ্যে কোথাও রাখা যাবে না। যদি রাখা হয় তবে মহাদেব সেই স্থানেই অবস্থান নেবেন এবং রাবণের অভীষ্ট সাধন হবেনা। শর্তানুসারে রাবণ শিবলিঙ্গ বহন করে লঙ্কার উদ্দেশ্য গমন করেন তবে পথিমধ্যে প্রাকৃতিক কর্ম সম্পাদনের লক্ষ্যে বর্তমান মহেশখালীর মৈনাক পর্বতে থামতে বাধ্য হন। পরবর্তীতে শর্তানুসারে রাবণ শিবলিঙ্গ পূনরায় উঠাতে ব্যর্থ হন এবং মহাদেব এই মৈনাক শিখরেই অবস্থান গ্রহণ করেন।

শ্রী শ্রী আদিনাথ এর আবিষ্কার সর্ম্পকে স্থানীয়ভাবে একটি জনশ্রুতি রয়েছে। এলাকাবাসীর মতানুসারে এই তীর্থ আবিস্কৃত এবং মর্যাদা পায় নূর মোহাম্মদ শিকদার নামক একজন সচ্ছল মুসলিম ধর্মালম্বীর মাধ্যমে। তিনি লক্ষ্য করেন তার একটি গাভী হঠাৎ দুগ্ধদান বন্ধ করে। এ ঘটনায় তিনি রাখালের উপর সন্ধিহান হন। রাখাল বিষয়টির কারণ অণুসন্ধানে রাত্রি বেলায় গোয়ালঘরে গাভীটিকে পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেখতে পায় গাভীটি গোয়ালঘর হতে বের হয়ে একটি কাল পাথরের উপর দাড়ায় এবং গাভীর স্তন হতে আপনা আপনি ঐ পাথরে দুধ পড়তে থাকে। দুধ পড়া শেষ হলে গাভীটি পূনরায় গোয়ালঘরে চলে যায়। রাখাল বিষয়টি নূর মোহাম্মদ শিকদার কে জানালে তিনি গুরুত্ব না দিয়ে গাভীটি বড় মহেশখালী নামক স্থানে সরিয়ে রাখেন। একদিন শিকদার স্বপ্নাদেশ পান গাভীটিকে সরিয়ে রাখলেও তার দুধ দেওয়া বন্ধ হবে না বরং সেখানে তাকে একটি মন্দির নির্মাণ ও হিন্দু জমিদারদের পুজোদানের বিষয়ে বলতে হবে। স্বপ্নানুসারে শিকদার সেখানে একটি মন্দির নির্মাণ করেন। মন্দিরের প্রধান পুরোহিতের মতানুসারে আদিনাথ মন্দিরই একমাত্র মন্দির যা, মুসলিম ধর্মালম্বী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত।

মৈনাক শিখরেই আদিনাথ মন্দিরের পাশে অষ্টাভূজারূপী দেবী দুর্গার একটি মন্দির রয়েছে। জনশ্রুতি রয়েছে নূর মোহাম্মদ শিকদারই অষ্টাভূজাকে সদূর নেপাল থেকে এখানে এনে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্নাদেশ পান। পরবর্তীতে নাগা সন্ন্যাসী নামক একজন সাধক ১৬১২ সালে নেপালের ষ্টেট মন্দির থেকে অষ্টাভূজাকে চুরি করে আনার সময় ধরা পড়ে জেলবণ্দি ও বিচারের সম্মুখীন হন। বিচারের পূর্ব রাত্রিতে সন্ন্যাসী যোগমায়াবলে মহাদেবের কৃপা সান্নিধ্য লাভ করেন। মহাদেব অভয় বাণী প্রদান করেন এবং বিচারকের প্রশ্নের প্রেক্ষিতে ইচ্ছামোতাবেক উত্তর দিতে বলেন। পরের দিন বিচারকালে বিচারক প্রথমে নেপালের রাজা এর নিকট মূর্তির রং জানতে চাইলে রাজা কষ্টি পাথরের মূর্তি কাল রং বলে বর্ণনা দেন। একই প্রশ্ন সন্ন্যাসীকে করা হলে তিনি মূর্তির রং সাদা বলেন। পরবর্তীতে মূর্তি সকলের সম্মুখে উন্মোচন করে সাদা দেখা যায় এবং সন্ন্যাসীর পক্ষে রায় ঘোষণা করা হয়। রাজা প্রকৃত ঘটনা জানতে উদগ্রীব হলে সন্ন্যাসী তাকে বিস্তারিত বলেন। পরবর্তীতে রাজা যথাযথ মর্যাদার সহিত মৈনাক শিখরে শ্রী শ্রী আদিনাথ এর পাশে মন্দির নির্মাণ করে অষ্টভূজাকে প্রতিষ্ঠান করেন। মন্দির কমিটির তত্ত্বাবধায়কের মতে এখনও নেপাল সরকার মাঝে মধ্যে মন্দিরে যথাসাধ্য অণুদান দিয়ে থাকেন।

জয় রাম , জয় গোবিন্দ 🙏স্থান: সরকার বাড়ির পুজো,পটিয়া,চট্টগ্রাম।
14/03/2026

জয় রাম , জয় গোবিন্দ 🙏

স্থান: সরকার বাড়ির পুজো,পটিয়া,চট্টগ্রাম।

Address

Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পূজা-পার্বণ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to পূজা-পার্বণ:

Shortcuts

Share