মাতৃচিত্র MatriChitro

মাতৃচিত্র MatriChitro পূজোর চিত্র ধারণ করার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা!

 #সকলকে_নৃসিংহ_চতুর্দশীর_শুভেচ্ছা💐শুভ আবির্ভাব তিথি ভগবান শ্রী নৃসিংহদেব 🌿🌸🙏🏻জয় নৃসিংহ শ্রীনৃসিংহ। জয় জয় জয় শ্ৰীনৃসি...
04/05/2023

#সকলকে_নৃসিংহ_চতুর্দশীর_শুভেচ্ছা💐

শুভ আবির্ভাব তিথি ভগবান শ্রী নৃসিংহদেব 🌿🌸🙏🏻
জয় নৃসিংহ শ্রীনৃসিংহ। জয় জয় জয় শ্ৰীনৃসিংহ ॥

উগ্রং বীরং মহাবিষ্ণুং জ্বলন্তং সর্বতোমুখম্।
নৃসিংহ ভীষণং ভদ্রং মৃত্যুর মৃত্যো নমাম্যহম্ ॥

শ্রীনৃসিংহ, জয় নৃসিংহ, জয় জয় জয় শ্রীনৃসিংহ।
প্রহ্লাদেশ জয় পদ্মা মুখপদ্ম ভূঙ্গং ।।

জয় ভগবান নৃসিংহদেব🌼🙏🏻
জয় প্রহ্লাদ মহারাজ🌼🙏🏻

মহাকালের মনমোহিনী🌺
20/04/2023

মহাকালের মনমোহিনী🌺

◆৷| শুভ নববর্ষ |৷◆সকলকে বঙ্গাব্দ ১৪৩০ এর আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সকলে সুস্থ থাকুন, আনন্দে থাকুন, ভগবানের শ্...
15/04/2023

◆৷| শুভ নববর্ষ |৷◆

সকলকে বঙ্গাব্দ ১৪৩০ এর আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সকলে সুস্থ থাকুন, আনন্দে থাকুন, ভগবানের শ্রীচরনে এই প্রার্থনা জানাই।

সনাতন ধর্ম মতেআজ ৩১ শে চৈত্র,১৪২৭ বাংলাচৈত্র মাসের শেষ দিনটি যেমন মাসের শেষ দিন তেমনি বছরেরও শেষ দিন। সাধারণ ভাবে বাংলা ...
14/04/2023

সনাতন ধর্ম মতে
আজ ৩১ শে চৈত্র,১৪২৭ বাংলা
চৈত্র মাসের শেষ দিনটি যেমন মাসের শেষ দিন তেমনি বছরেরও শেষ দিন। সাধারণ ভাবে বাংলা শেষ মাসের শেষ দিনটিকে বলা হয় সংক্রান্তি। এক অর্থে সংক্রান্তি ধারণাটি এমন যে কালের আবর্তে অসীমের মাঝে সাঁতরে, সূর্য এক রাশি থেকে অন্য রাশিতে (মীন রাশিতে প্রবেশ করে) গমন করে। ছুটে চলে সময়, দিন, সপ্তাহ, মাস, বছর অবিরাম চলে ক্রান্তির সঞ্চারে। অর্থাৎ এক ক্রান্তি বা প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত বা ক্রান্তিতে যায়। এ দিনকে সূর্য সংক্রান্তি বলা হয়।

পৌরাণিক সূত্রে জানা যায়, দক্ষ রাজার সাত কন্যার বিয়ে হয় চন্দ্রদেবের সঙ্গে। সেই সাতজন কন্যার একজন চিত্রা। তার নাম অনুসারে চিত্রা নক্ষত্র এবং চিত্রা নক্ষত্রের নাম থেকে চৈত্র মাসের নামকরণ করা হয়। চৈত্র মাসের শেষ দিনটিকে বাঙালিরা চৈত্র সংক্রান্তি হিসেবে পালন করেন। এখনো এ দেশের হিন্দু সম্প্রদায় নিজেদের মতো পালন করেন চৈত্রসংক্রান্তির দিনটি। শাস্ত্র ও লোকাচার অনুসারে এই দিনে স্নান, দান, ব্রত, উপবাস প্রভৃতি ক্রিয়াকর্মকে পুণ্যজনক মনে করা হয়। চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে বাংলাদেশে প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে নানা অনুষ্ঠান-পূজা-পার্বণ-মেলা। এটি একটি লোক উত্সব। চৈত্র সংক্রান্তির এ দিনটিকে ‘বেসমা’র দিনও বলা হয়।

সবাইকে চৈত্র সংক্রান্তির শুভেচ্ছা।

শ্রী শ্রী হনুমান পূজা ২০২৩ইংপ্রতিমাশিল্পী: সূর্য দাশআয়োজনে: মনোহরখালী মারুতি সংঘ।
08/04/2023

শ্রী শ্রী হনুমান পূজা ২০২৩ইং
প্রতিমাশিল্পী: সূর্য দাশ
আয়োজনে: মনোহরখালী মারুতি সংঘ।

আজ হনুমান জয়ন্তী। চৈত্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতে হনুমান জন্মগ্রহণ করেছিলেন। দিনটি ছিল মঙ্গলবার। অঞ্জনাদ্রি হল হনুমানের জন্ম...
06/04/2023

আজ হনুমান জয়ন্তী। চৈত্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতে হনুমান জন্মগ্রহণ করেছিলেন। দিনটি ছিল মঙ্গলবার। অঞ্জনাদ্রি হল হনুমানের জন্মস্থান। ত্রেতাযুগে অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতির সাত পাহাড়িয়ার অঞ্জনাদ্রি শেশাচলা পাহাড়ে হনুমানের জন্ম হয়েছিল।

একদা দশানন রাবণ কৈলাসে দ্বার পাহারারত নন্দীকে ব্যাঙ্গ করলে, ক্ষিপ্ত হয়ে নন্দী রাবণকে অভিশাপ দিয়েছিলেন, নর আর বানরের হাতেই রাবণ আর তার কূল ধ্বংস হবে। রাক্ষস বাহিনীর অত্যাচার থেকে ধরিত্রীকে মুক্ত করতে, তথা ভগবান রামের সেবা ও রাম নাম প্রচারের জন্যই হনুমানের আবির্ভাব।

হনুমানের মা অঞ্জনা দেবী ছিলেন শাপভ্রষ্টা অপ্সরা। অঞ্জনা দেবী ছিলেন গৌতম মহর্ষি-অহল্যা দম্পতির মেয়ে। পরে গৌতম মহর্ষি তাঁর মেয়েকে একটি বানর নেতার হাতে দিয়েছিলেন। তারপরেই তিনি বানররাজ কেশরীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বানররাজ কেশরী রাজত্ব করতেন সুমেরু পর্বতে।

মলয় পর্বতে বাস করেন বানররাজ কেশরী ও তার পরমা সুন্দরী স্ত্রী অঞ্জনা। অঞ্জনার রূপের ছটায় ত্রিভূবন আলোকিত। পত্নীকে নিয়ে মহা সুখে দিন কাটে কেশরীর। শীতের আবরণ ছাড়িয়ে এল বসন্তকাল। দখিনা বাতাস নিয়ে মলয় পর্বতে উপস্থিত হলেন পবন দেব। অঞ্জনার চোখ ঝলসানো রূপ মুগ্ধ করল তাকে। মোহিত পবন দেব বায়ু রূপে তাকে আলিঙ্গন করলেন। বুঝতে পেরে ক্রুদ্ধ হয়ে অঞ্জনা পবন দেবকে বললেন, আপনি দেবতা হয়ে পরস্ত্রী গমন করলেন ? এতো মহাপাপ। পবনদেব বললেন, তুমি নিশ্চিন্তে ঘরে যাও। পৃথিবীর প্রয়োজনে তোমার গর্ভে এক মহাবীর পুত্র জন্ম গ্রহণ করবে।

বানররাজ কেশরী ও তার স্ত্রী অঞ্জনা এই দম্পতি অঞ্জনাদ্রি পাহাড়ে গিয়েছিলেন এবং সেখানে অঞ্জন একটি শিশুর জন্য ভগবান শিবের আশীর্বাদ পাওয়ার জন্য তপস্যা করেছিলেন। স্বয়ং ভগবান শিব অঞ্জনার ভক্তিতে তুষ্ট হয়ে তাকে বীর সন্তানের জননীর বর প্রদান করেন৷ ভগবান শিবের আশীর্বাদে অঞ্জনা অঞ্জনাদ্রিতে হনুমানের জন্ম দেন।

কেশরীর স্ত্রী অঞ্জনার গর্ভে পবনদেবের ঔরসে জন্ম হয় হনুমানের। নিজ পত্নীর গর্ভে অন্য পুরুষের ঔরসজাত পুত্রকে ক্ষেত্রজ পুত্র বলে। হনুমান কেশরীর ক্ষেত্রজ পুত্র।

ছোটোবেলা থেকেই হনুমান অতি চঞ্চল ছিলেন। পুরাণ অনুসারে একদা হনুমান সূর্য দেবতাকে ফল হিসাবে গ্রাস করতে হনুমান এক লাফে ধরতে যান উদীয়মান সূর্যকে। সেই দিনটি আবার ছিল সূর্য গ্রহন। সূর্যকে গ্রাস করতে চলেছেন রাহু। কিন্তু হনুমানকে প্রচন্ড গতিতে সূর্যের দিকে ছুটে যেতে দেখে রাহু ভয় পেয়ে দেবরাজ ইন্দ্রের কাছে গিয়ে সব বৃত্তান্ত বর্ণনা করলেন। ব্যাপারটা আসলে কী তা জানার জন্য বজ্র হাতে ইন্দ্র ঐরাবতে চড়ে আকাশ পথে চললেন। কাছে গিয়ে ইন্দ্র দেখলেন, কুমেরু পর্বতের মত প্রকান্ড শরীরের এক প্রাণী সূর্যকে ধরতে যাচ্ছে।

হনুমান যখন সূর্যকে গ্রাস করেছেন তখন ইন্দ্রদেবতা বজ্র ধারন করে ঐরাবত স্কন্ধে আসলেন বললেন — “কপি বালক। সূর্য দেবকে উন্মুক্ত করে ফিরে যাও। অন্যত্থায় তোমাকে দণ্ড প্রদান করবো।”

হনুমান তো কিছুতেই সূর্য দেবতাকে ছাড়বেন না। ইন্দ্রদেবতা তখন বজ্র অস্ত্র নিক্ষেপ করলেন। বজ্র দ্বারা হনুমানকে আঘাতের ফলে হনু (চোয়াল) ভেঙে যায়। হনুমানের মুখ থেকে সূর্য বেরিয়ে এলো। রক্তাক্ত অবস্থায় হনুমান আছড়ে পড়লো আরবল্লী পর্বতের উপর।

হনুমান অচেতন অবস্থায়। পুত্রের এই মর্মান্তিক অবস্থা দেখে বুক চাপড়ে কেঁদে উঠলেন অঞ্জনা। তার কান্না শুনে ছুটে এলেন পবন দেব। স্বর্গ মর্ত্য পাতালের প্রাণ বায়ু সরবরাহ করেন তিনি। অথচ তারই পুত্র আজ বেঘোরে মারা যাচ্ছে ! ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে পবনদেব বায়ু প্রবাহ বন্ধ করে দিলেন। ফলে সমগ্র প্রাণিজগৎ ধীরে ধীরে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ছটফট করতে লাগল। ত্রিভূবনের সমস্ত দেব-দানব, মুনি, ঋষি জ্ঞান হারালেন।

বায়ুর অভাবে সৃষ্টি ধ্বংস হতে চলেছে। দেবতারা ছুটলেন পিতামহ ব্রহ্মার কাছে। সৃষ্টি কর্তা ব্রহ্মা ও দেবতারা সকলে এলেন। ব্রহ্মার স্পর্শে মৃতপ্রায় হনুমান সুস্থ হলেন। সকলে শান্ত করলেন পবনদেব তথা বায়ুকে। সৃষ্টি রক্ষা পেল।

বজ্রের আঘাত খেয়েও জীবিত। ব্রহ্মা হনুমানের নব নাম দিলেন 'বজ্রংবলী' বা ‘বজরংবলী’। ব্রহ্মা বর দিলেন — "হনুমান ব্রহ্মজ্ঞ ও চিরায়ু হবেন।"

দেবরাজ ইন্দ্র বললেন, হনু ভেঙে যাওয়ার জন্য নাম হবে হনুমান। ইন্দ্র বর দিলেন — "বজ্রের ন্যায় বল পাবে।"

পবন বর দিলেন — "বায়ুর চেয়েও দ্রুতগামী হবে তুমি। বহু দূরের বাক্য তুমি জানতে পারবে।"

অগ্নি বর দিলেন — "আগুনে তোমার ক্ষতি হবে না।"

বরুণ বর দিলেন — "জলের তলে তুমি অবাধে বিচরণ ও শ্বাস নিতে পারবে।"

যম হনুমানকে গদা দিয়ে বললেন — “এই গদা দিয়ে দুষ্ট দমন করো। তোমার বৃদ্ধির সাথে সাথে এই গদাও বৃদ্ধি পাবে।”

সূর্য দেবতা হনুমানের লোমকূপে সমগ্র কিরণ দিলেন।

বিশ্বকর্মা বর দিলেন — “অযুত শক্তিমান হও।”

নারদ বললেন — "মহান হরি ভক্ত রূপে খ্যাত হবে।"

বাসুকী নাগ বললেন — “নাগেরা তোমার বশে থাকবে। তোমার নামে নাগ ভয় দূর হবে।”

এভাবে বাকী দেবতারা নানান বর দিলেন।

শ্রীরামচন্দ্রের একনিষ্ঠ সেবক ছিলেন হনুমান। সীতার অপহরণের পর হনুমানের উদ্যোগে রামচন্দ্রের সঙ্গে বানর রাজ বালীর ভাই সুগ্রীবের বন্ধুত্ব হয়। বালী আবার নিজ ভ্রাতা সুগ্রীবের স্ত্রী রুমাকে অপহরণ করে বন্দী করে রেখেছিলেন। রামচন্দ্র বালীকে বধ করে সুগ্রীবকে বানর জাতির রাজা বানান। হনুমান প্রথম অপহৃতা মা সীতার সংবাদ আনেন। ভগবান রামচন্দ্রের লঙ্কা আক্রমণ কালে হনুমান নিজে প্রচুর রাক্ষস সৈন্য, বড় বড় রাক্ষস বীরদের বধ করেন এবং যুদ্ধে আহত লক্ষণ এর প্রাণ বাঁচাতে তিনি গন্ধমাদন পর্বত তুলে আনেন। এ ভাবে হনুমান ভগবান রামচন্দ্রের সেবা করেন।

হনুমানের প্রবল ভক্তির একটি কথা পুরাণে পাওয়া যায়। রামচন্দ্র তখন রাক্ষস বাহিনী আর রাবণকে বধ করে ভাই লক্ষণ ও সীতাকে নিয়ে ১৪ বছর বনবাস শেষে অযোধ্যাতে ফিরেছেন। এই সময় সীতা হনুমানকে একটি মুক্তার মালা উপহার দিলেন। ভক্ত হনুমান মালাটি নিয়ে দেখে, নেড়ে চেড়ে ছিঁড়ে মুক্তোগুলো দাঁত দিয়ে চিবিয়ে ফেলে দিলেন। সকলে অবাক হল। ভাবলেন, বনের পশু মুক্তার মালার মর্ম কী জানে ? সকলে হনুমানকে কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, “যাহাতে রাম নাম নেই তাহাতে কী প্রয়োজন ?” সকলে বললেন, “তাই যদি হয় তবে তোমার অন্তরে কী রাম নাম আছে ? থাকলে দেখাও।” এই শুনে হনুমান নিজের নখ দিয়ে নিজের বুক বিদীর্ণ করলেন। সকলে দেখলেন সেখানে রামচন্দ্র ও মা সীতা বিরাজমান। হনুমানের এই শিক্ষা আমাদের পথ দেখায়। যাতে ভগবানের নাম নেই, যেখানে ভগবানের নাম কীর্তন হয় না, সেই স্থান পরিত্যাগ করা উচিত।

হনুমান দ্বাপর যুগেও ছিলেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সেবাও করেছেন। হনুমানের অনুরোধে শ্রীকৃষ্ণ রামচন্দ্রের রূপ ধারণ করে হনুমানকে একবার দর্শন দিয়েছিলেন। বলা হয়, হনুমান পরম বৈষ্ণব, ভগবান হরির প্রিয় ভক্ত। একটি মন্ত্রে বলা হয় —

যত্র যত্র রঘুনাথকীর্তনং তত্র তত্র কৃতমস্তকাঞ্জলিম্ ।
বাষ্পবারিপরিপূর্ণলোচনং মারুতিং নমত রাক্ষসান্তকম্ ॥

(যেখানে যেখানে রঘুনাথের গুণগান করা হয়, সেখানে সেখানেই যিনি মস্তকে অঞ্জলি স্থাপনপূর্বক সাশ্রুনয়নে অবস্থান করেন, সেই রাক্ষস বিনাশী মারুতিকে (হনুমান) সকলে নমস্কার করুন॥)

হিন্দুদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উত্‍সব হল হনুমান জয়ন্তী। হনুমান জয়ন্তীতে হনুমানের পূজা করা সবচেয়ে ভাল। হনুমান জয়ন্তীর দিন বিধি অনুসারে ভগবান হনুমানের উপাসনা করলে তিনি তাঁর আশীর্বাদ লাভ করেন। বিশ্বাস করা হয় যে সঙ্কটমোচন হনুমানের অনুগ্রহে ভক্তদের সমস্ত সমস্যা দূর হয় এবং ভক্তদের সকল প্রকারের ইচ্ছা পূরণ হয়।

শক্তি ও ক্ষমতার প্রতীক হলেন হনুমান। এদিন ভক্তেরা সিঁদুর, লাল কাপড়, হলুদ, লাল গোলাপ দিয়ে হনুমানের পূজা করেন। লাড্ড‌ু, কলা, হালুয়া ভোগ হিসেবে দেওয়া হয়। এই দিনে উপাসনা করার মাধ্যমে, কেউ ভয়, গ্রহের ত্রুটি এবং ঝামেলা থেকে মুক্তি পায়।

হনুমান জয়ন্তীতে এই ৫ টি নিয়ম পালন করতে হবে। এটি সকল প্রকার সংকট থেকে মুক্তি দেয় এবং বিশ্বাস অনুসারে ভক্তের ইচ্ছাও পূরণ হয়।

হনুমান জয়ন্তীর দিন ভক্তকে যে কোনও হনুমান মন্দিরে গিয়ে বজরঙ্গবলীর দর্শন করতে হবে এবং তাঁর সামনে প্রদীপ জ্বালাতে হবে। ১১ বার হনুমান চালীসা পাঠ করা উচিত। ভগবান হনুমান এতে সন্তুষ্ট হন এবং আপনাকে জীবনের সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্তি দেন। ভগবান হনুমানের উচিত হনুমান জয়ন্তীতে গোলাপের মালা অর্পণ করা। তবে তাঁর কৃপাদৃষ্টি সর্বদা সঙ্গে থাকে। ১১ টি অশ্বত্থ পাতায় শ্রী রামের নাম লিখুন এবং ঈশ্বরের কাছে অর্পণ করুন। এটি বিশ্বাস করা হয় যে এটি করার মাধ্যমে আপনার অর্থ সম্পর্কিত সমস্যাগুলি দূর হবে এবং আপনার ইচ্ছা পূরণ হবে। হনুমান জয়ন্তী উপলক্ষে একটি বিশেষ পান পাতা হনুমানকে অর্পণ করলে পরিবারের সমস্যাগুলি কাটিয়ে ওঠে যায়। হনুমান জয়ন্তী উপলক্ষে হনুমান মন্দিরে গিয়ে মূর্তির সামনে একটি সরিষার তেল এবং একটি খাঁটি ঘি-এর প্রদীপ জ্বালান। এর পরে, বজরঙ্গবলীর আরতি করুন।

হনুমান চালীসা —

দোহা

শ্রী গুরু চরণ সরোজ রজ নিজমন মুকুর সুধারি |
বরণৌ রঘুবর বিমলয়শ জো দায়ক ফলচারি ||
বুদ্ধিহীন তনুজানিকৈ সুমিরৌ পবন কুমার |
বল বুদ্ধি বিদ্য়া দেহু মোহি হরহু কলেশ বিকার।

(শ্রীগুরুর চরণরূপ কমলের পরাগের দ্বারা অর্থাৎ গুরুর চরণধূলি দ্বারা নিজের মনকে পরিষ্কার করে নিয়ে রঘুনাথ শ্রীরামচন্দ্রের বিমল যশ বর্ণনা করতে যাচ্ছি। শ্রীরামের এই কীর্তিগাথা ধর্ম, অর্থ, কাম এবং মোক্ষ এই চতুর্বিধ পুরুষার্থই প্রদান করে। কিন্তু আমি যে নিতান্তই নির্বোধ তা বুঝে আমি পবননন্দন হনুমানজীকে স্মরণ করছি- প্রভু আপনি কৃপা করে আমার সেই ক্ষমতা, বুদ্ধি এবং বিদ্যা দান করুন, আমার সর্বপ্রকার দুঃখ কষ্ট ও তজ্জনিত বিকার অর্থাৎ খারাপ দিক সমূহ ধ্বংস করুন॥)

চৌপাঈ

জয় হনুমান জ্ঞান গুণ সাগর |
জয় কপীশ তিহু লোক উজাগর || ১ ||

(হে হনুমানজী, হে কপি শ্রেষ্ঠ আপনার জয় হোক। জ্ঞান ও গুনের সাগর আপনি এই ত্রিভুবনেই উজ্জল "প্রসিদ্ধ" আপনার নাম॥)

রামদূত অতুলিত বলধামা |
অংজনি পুত্র পবনসুত নামা || ২ ||

(আপনি শ্রীরামেরদূত, অতুলনীয় আপনার বল ও তেজ। অজ্ঞনার পুত্র আপনি পবননন্দন নামেও পরিচিত॥)

মহাবীর বিক্রম বজরঙ্গী |
কুমতি নিবার সুমতি কে সঙ্গী || ৩ ||

(মহান বীর আপনি মহাবিক্রমশালী বজ্রের ন্যায় অঙ্গ বজরঙ্গবলী, আপনি কুমতি অর্থাৎ খারাপ চিন্তার ধ্বংসকর্তা এবং শুভবুদ্ধির দাতা॥)

কংচন বরণ বিরাজ সুবেশা |
কানন কুংডল কুংচিত কেশা || ৪ ||

(স্বর্ণবর্ণ দেহে সুশোভিত বেশে কানে কুন্ডল এবং কুঞ্চিত কেশের শোভায় দর্শনীয় আপনার রূপ॥)

হাথবজ্র ঔ ধ্বজা বিরাজৈ |
কাংথে মূংজ জনেবূ সাজৈ || ৫ ||

(বজ্রের ন্যায় হাত দিয়ে গদা কাধে নিন আপনি॥)

শংকর সুবন কেসরী নন্দন |
তেজ প্রতাপ মহাজগ বন্দন || ৬ ||

(মহাদেবের অংশ জাত অর্থাৎ মহাদেবের অবতার আপনি, বানর শ্রেষ্ঠ কেসরী আপনার পিতা। আপনার তেজ এবং প্রতাপ দ্বারা সম্পূর্ণ বিশ্বকে জয় করেছেন॥)

বিদ্য়াবান গুণী অতি চাতুর |
রাম কাজ করিবে কো আতুর || ৭ ||

(সর্বপ্রকার বিদ্যা ও সকল গুণে ভূষিত আপনি উদ্দেশ্যসাধনে অতিশয় দক্ষ ও চতুর অর্থাৎ খুবই বুদ্ধিমান। শ্রীরামের কার্য সম্পাদন করতে আপনি সর্বদাই প্রস্তুত॥)

প্রভু চরিত্র সুনিবে কো রসিয়া |
রামলখন সীতা মন বসিয়া || ৮ ||

(শ্রীরামচন্দ্রের কীর্তিগাথা সুনিবে খুবই আনন্দ সহকারে, সর্বদাই আপনার হৃদয়ে শ্রীরাম, সীতা এবং লক্ষণ বিরাজ করে॥)

সূক্ষ্ম রূপধরি সিয়হি দিখাবা |
বিকট রূপধরি লংক জরাবা || ৯ ||

(সীতাদেবীর কাছে ছোট আকার দেহ ধারন করে দেখাদিয়েছিলেন, স্বর্ণ লঙ্কা অগ্নি দ্বারা জ্বালানোর সময় পর্বতের ন্যায় বিশাল দেহ ধারন করেছিলেন॥)

ভীম রূপধরি অসুর সংহারে |
রামচংদ্র কে কাজ সংবারে || ১০ ||

(রাক্ষসদের ধ্বংস করার সময় আপনার রূপ ছিল অতি ভয়ঙ্কর, এইভাবে শ্রীরামচন্দ্রের কার্যোদ্ধার করার জন্য বিভিন্ন রূপ ধারন করেছিলেন॥)

লায় সংজীবন লখন জিয়ায়ে |
শ্রী রঘুবীর হরষি উরলায়ে || ১১ ||

(মৃতসঞ্জীবনী ঔষধি নিয়ে এসে শ্রীলক্ষণকে পুনর্জীবিত করেছিলেন, আপনার এই অসামান্য কাজ দেখিয়া শ্রীরামচন্দ্র খুবই আনন্দিত হয়॥)

রঘুপতি কীন্হী বহুত বডায়ী |
তুম মম প্রিয় ভরতহি সম ভায়ী || ১২ ||

(শ্রীরামচন্দ্র আপনার অশেষ প্রশংসা করেন এবং বলেন ভরতেরই মতো আমার পরম প্রিয় ভ্রাতা তুমি॥)

সহস বদন তুম্হরো য়শগাবৈ |
অস কহি শ্রীপতি কণ্ঠ লগাবৈ || ১৩ ||

(সম্পূর্ণ শরীর দিয়ে তোমার যশ খ্যাতি ঝরুক, এই বলে শ্রীরামচন্দ্র আনন্দিত হয়ে তোমাকে বুকে জড়িয়ে নেয়॥)

সনকাদিক ব্রহ্মাদি মুনীশা |
নারদ শারদ সহিত অহীশা || ১৪ ||
য়ম কুবের দিগপাল জহাং তে |
কবি কোবিদ কহি সকে কহাং তে || ১৫ ||

(ব্রক্ষাদি দেবতাশ্রেষ্ঠগণ ও দেবী সরস্বতী মুনিঋষি অনন্তনাগ যম কুবের নারদ সহ সকল জ্ঞানী ও কবিশ্রেষ্ঠ গণ তোমার মহিমা বর্ণন করে উঠতে পারে না॥)

তুম উপকার সুগ্রীবহি কীন্হা |
রাম মিলায় রাজপদ দীন্হা || ১৬ ||

(আপনি সুগ্রীবের সাথে শ্রীরামচন্দ্রের দেখা করিয়ে রাজসিংহাশনে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করে তার পরম উপকার সাধন করেছিলেন॥)

তুম্হরো মন্ত্র বিভীষণ মানা |
লংকেশ্বর ভয়ে সব জগ জানা || ১৭ ||

(বিভীষণ আপনার পরামর্শ মেনেছিলো এবং তার ফলে সে লঙ্কার অধীশ্বর হয়েছিল যা সম্পূর্ণ জগত জানে॥)

য়ুগ সহস্র য়োজন পর ভানূ |
লীল্য়ো তাহি মধুর ফল জানূ ||১৮ ||

(হাজার হাজার যোজন দূরে সূর্যদেব অবস্থিত, আপনি তাকে মিষ্টি ফল ভেবে খেতে চলেছিলেন॥)

প্রভু মুদ্রিকা মেলি মুখ মাহী |
জলধি লাংঘি গয়ে অচরজ নাহী || ১৯ ||

(প্রভু শ্রীরামচন্দ্রের নাম লিখিত আংটি মুখে নিয়ে আপনি মহাসাগর পার হয়েছিলেন এতে কোন সংশয় নেই কারন বালক কালেই আপনি সূর্যদেব পর্যন্ত পৌছে গেছিলেন মিষ্টি ফল ভেবে খেতে॥)

দুর্গম কাজ জগত কে জেতে |
সুগম অনুগ্রহ তুম্হরে তেতে ||২০ ||

(জগতে যত কঠিন থেকে কঠিনতম কাজ আছে, সবকিছুই আপনার কৃপায় সহজলভ্য হয়ে ওঠে আমার কাছে॥)

রাম দুআরে তুম রখবারে |
হোত ন আজ্ঞা বিনু পৈসারে || ২১ ||

(শ্রীরামচন্দ্রের দ্বারে আপনিই রক্ষক আপনার অনুমতি না নিয়ে কেউই প্রবেশ করতে পারে না অর্থাৎ আপনার কৃপা ছাড়া শ্রীরামচন্দ্রের আশীর্বাদ পাবো না॥)

সব সুখ লহৈ তুম্হারী শরণা |
তুম রক্ষক কাহূ কো ডর না || ২২ ||

(যে আপনার ভক্তিসহকারে শরণ নেয় সে সর্ব সুখ শান্তি লাভ করে, তার আর অন্য কিছুতেই ভয়ভীতি থাকে না কারন আপনিই তার রক্ষাকারী॥)

আপন তেজ তুম্হারো আপৈ |
তীনোং লোক হাংক তে কাংপৈ || ২৩ ||

(আপনার তেজ আপনি নিজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন অন্য কেউ না, আপনার হুঙ্কারে সম্পূর্ণ ত্রিভুবন কাঁপে॥)

ভূত পিশাচ নিকট নহি আবৈ |
মহবীর জব নাম সুনাবৈ || ২৪ ||

(মহাবীর হনুমানজীর নাম যখন যেখানে উচ্চারিত হয় সেখানে কোন ভূত প্রেত পিশাচ অপশক্তি আসতে পারে না॥)

নাসৈ রোগ হরৈ সব পীরা |
জপত নিরংতর হনুমত বীরা || ২৫ ||

(হনুমানজীর নাম নিরন্তর জপ করলে সব রোগ-শোক থেকে মুক্তি পাওয়া যায়॥)

সংকট সেং হনুমান ছুডাবৈ |
মন ক্রম বচন ধ্য়ান জো লাবৈ || ২৬ ||

(সঙ্কটে অর্থাৎ খারাপ পরিস্থিতির সময় হনুমানজীকে প্রাণ ভরে স্মরণ করলে সেই সঙ্কটাবস্থা থেকে মুক্ত করে॥)

সব পর রাম তপস্বী রাজা |
তিনকে কাজ সকল তুম সাজা || ২৭ ||

(তপস্বী শ্রীরামচন্দ্র সম্পূর্ণ জগতের প্রভু তাঁর সকল গুরত্বপূর্ন কাজগুলো আপনার পক্ষেই সম্ভব হয়েছিল॥)

ঔর মনোরধ জো কোয়ি লাবৈ |
তাসু অমিত জীবন ফল পাবৈ || ২৮ ||

(যে কোন মনোষ্কামনা নিয়ে আপনার কাছে যায় আপনার কৃপায় সেই মনোষ্কামনা সারাজীবনের জন্য ফলদায়ী॥)

চারো য়ুগ পরিতাপ তুম্হারা |
হৈ পরসিদ্ধ জগত উজিয়ারা || ২৯ ||

(সম্পূর্ণ জগতে একথা চিরন্তন সত্য যে আপনি চার যুগে বিদ্যমান এবং নিজের প্রতাপ ও কৃপা বিস্তার করে চলেছেন॥)

সাধু সন্ত কে তুম রখবারে |
অসুর নিকন্দন রাম দুলারে || ৩০ ||

(সাধু-সন্তদের আপনি একমাত্র রক্ষাকর্তা, অসুরদের বিনাশকারী এবং শ্রীরামচন্দ্রের একমাত্র প্রিয়পাত্র॥)

অষ্ঠসিদ্ধি নব নিধি কে দাতা |
অস বর দীন্হ জানকী মাতা || ৩১ ||

(আপনার মাতা জানকীদেবী আপনাকে বরদান দিয়েছিলো যে আপনি ইচ্ছা করলে আট প্রকারের সিদ্ধি এবং নয় প্রকারের মহাসম্পদ দান করতে পারবেন॥)

রাম রসায়ন তুম্হারে পাসা |
সদা রহো রঘুপতি কে দাসা || ৩২ ||

(শ্রীরামচন্দ্রের প্রতি ভক্তিপ্রেম তোমার ভান্ডারেই বিদ্যমান, হে রঘুবীরদাস মহাবীর হনুমান আপনি সর্বদা শ্রীরামচন্দ্রের ভক্ত রয়ে আমাকে কৃপা করুন॥)

তুম্হরে ভজন রামকো পাবৈ |
জন্ম জন্ম কে দুখ বিসরাবৈ || ৩৩ ||

(হে হনুমানজী তোমার নাম জপ করলে তোমার পূজা অর্চণা করলে তা আসলে শ্রীরামচন্দ্রের প্রতি ভক্তি নিবেদিত হয় শ্রীরামচন্দ্রকে পাওয়া যায়, যা জন্ম জন্মান্তরের দুঃখ কষ্ট শেষ করে দিয়ে মোক্ষ প্রদান করে॥)

অংত কাল রঘুবর পুরজায়ী |
জহাং জন্ম হরিভক্ত কহায়ী || ৩৪ ||

(যেখানেই সেই হনুমানজীর ভজনাকারীর জন্ম হোক না কেন সে জগতে হনুমানজীর ও শ্রীরামচন্দ্রের পরম ভক্ত রূপে পরিচিত হবে এবং অন্তে শ্রীরামচন্দ্রের নিত্যধামে যাবে॥)

ঔর দেবতা চিত্ত ন ধরয়ী |
হনুমত সেয়ি সর্ব সুখ করয়ী || ৩৫ ||

(অন্য কোন দেবতাকে ইষ্ট না করে হনুমানজীকে একমাত্র ইষ্ট করলেই সর্ব সুখ পাওয়া যাবে॥)

সংকট কটৈ মিটৈ সব পীরা |
জো সুমিরৈ হনুমত বল বীরা || ৩৬ ||

(যিনি মহাবীর হনুমানজীকে স্মরণ করে তিনি সকল বিপদ এবং রোগ থেকে মুক্তি পায়॥)

জৈ জৈ জৈ হনুমান গোসায়ী |
কৃপা করো গুরুদেব কী নায়ী || ৩৭ ||

(হে হনুমানজী আপনার জয় হোক, জয় হোক, জয় হোক। গুরু যেমন তার শিষ্যকে অনুগ্রহ করে ঠিক সেইরকমই আপনিও আমাকে কৃপা করুন॥)

জো শত বার পাঠ কর কোয়ী |
ছূটহি বন্দি মহা সুখ হোয়ী || ৩৮ ||

(যে কেউ এই হনুমান চালিসা ভক্তি সহকারে একজায়গায় একভাবে বসে ১০৮ বার পাঠ করে, তার সকল বন্দী মুক্ত হয় সে প্রকৃত সুখ সৌভাগ্য যশ খ্যাতি কীর্তি লাভ করে॥)

জো য়হ পডৈ হনুমান চালীসা |
হোয় সিদ্ধি সাখী গৌরীশা || ৩৯ ||

(যে এই হনুমান চালীসা ১ বার করে পাঠ করে যাবে তার সিদ্ধিলাভ হবে তার মনোষ্কামনা পূরণ হবেই হবে॥)

তুলসীদাস সদা হরি চেরা |
কীজৈ নাথ হৃদয় মহ ডেরা || ৪০ ||

(তুলসীদাস শ্রীরামচন্দ্রের ও আপনার ভক্ত আপনি তার হৃদয়ে সর্বদা বসবাস করুন॥)

দোহা

পবন তনয় সঙ্কট হরণ — মঙ্গল মূরতি রূপ |
রাম লখন সীতা সহিত — হৃদয় বসহু সুরভূপ ||

(শ্রীরামচন্দ্র, সীতাদেবী, লক্ষণ সহ পবনন্দন সঙ্কটমোচন মহাবীর হনুমানজী আমার হৃদয়ে বসবাস করুন আমাকে কৃপা করুন॥)

সিয়াবর রামচন্দ্রকী জয় |
পবনসুত হনুমানকী জয় ||

হনুমান অষ্টোত্তর শতনাম —

১। ॐ আঁঞ্জনেয়ায় নমঃ
২। ॐ মহাবীরায় নমঃ
৩। ॐ হনুমতে নমঃ
৪। ॐ মারুতাত্মজায় নমঃ
৫। ॐ তত্বজ্ঞান প্রদায় নমঃ
৬। ॐ সীতাদেবী মুদ্রাপ্রদায়কায় নমঃ
৭। ॐ অশোক বনিকা ক্ষেত্রে নমঃ
৮। ॐ সর্ব মায়া বিভঞ্জনায় নমঃ
৯। ॐ সর্ব বন্ধ বিমোক্ষে নমঃ
১০। ॐ রক্ষো বিধ্বস কারকায় নমঃ
১১। ॐ পরবিদ্যা প্রদায় নমঃ
১২। ॐ পরশৌর্য বিনাশায় নমঃ
১৩। ॐ পরযন্ত্র নিরকর্তে নমঃ
১৪। ॐ পরযন্ত্র প্রভেদকায় নমঃ
১৫। ॐ সর্বগ্রহ বিনাশীনে নমঃ
১৬। ॐ ভীমসেন সহায়কৃতে নমঃ
১৭। ॐ সর্বদুঃখ হরায় নমঃ
১৮। ॐ সর্ব লোকচারীনে নমঃ
১৯। ॐ মনোজবায় নমঃ
২০। ॐ পারিজাত দ্রুমূল বাসায় নমঃ
২১। ॐ সর্বমন্ত্র সরূপ বতে নমঃ
২২। ॐ সর্বযন্ত্র সরূপিনে নমঃ
২৩। ॐ সর্ব তন্ত্রাত্মকায় নমঃ
২৪। ॐ কপীশ্বরায় নমঃ
২৫। ॐ মহাকায়ায় নমঃ
২৬। ॐ সর্বরোগ হরায় নমঃ
২৭। ॐ প্রভবে নমঃ
২৮। ॐ বল সিদ্ধি করায় নমঃ
২৯। ॐ সর্ববিদ্যা সম্বিতপ্রদায়কায় নমঃ
৩০। ॐ কপিসেনা নায়কায় নমঃ
৩১। ॐ ভবিষ্যৎ চতুরান্নায় নমঃ
৩২। ॐ কুমার ব্রহ্ম চারিনে নমঃ
৩৩। ॐ রত্ন কুন্ডল দীপ্তিমতে নমঃ
৩৪। ॐ সন্চাল দবাল সন্নদ্ধ রবিমন্ডল গ্রাসো জ্বোলায় নমঃ
৩৫। ॐ গন্ধর্ব বিদ্যা তত্বজ্ঞানায় নমঃ
৩৬। ॐ মহাবল পরাক্রমায় নমঃ
৩৭। ॐ করাগ্রহ বিমোক্কে নমঃ
৩৮। ॐ শৃঙ্খলা বন্ধমোচকায় নমঃ
৩৯। ॐ সাগরোদ্ধারকায় নমঃ
৪০। ॐ প্রজ্ঞায় নমঃ
৪১। ॐ রামদূতায় নমঃ
৪২। ॐ প্রজাভবতে নমঃ
৪৩। ॐ বানরায় নমঃ
৪৪। ॐ কেসরীসূতায় নমঃ
৪৫। ॐ সীতাশোক নিবারনায় নমঃ
৪৬। ॐ অঞ্জনাগর্ভ সম্ভুতায় নমঃ
৪৭। ॐ বালার্ক সদরসশন্নায় নমঃ
৪৮। ॐ বিভীষন প্রিয়করায় নমঃ
৪৯। ॐ দশগ্রীব কূলান্তকায় নমঃ
৫০। ॐ লক্ষণ প্রাণদাত্রে নমঃ
৫১। ॐ বজ্রকায় নমঃ
৫২। ॐ মহাদূতৈ নমঃ
৫৩। ॐ চিরঞ্জীবিনে নমঃ
৫৪। ॐ রামভক্তায় নমঃ
৫৫। ॐ দৈত্যকার্য বিঘাতকায় নমঃ
৫৬। ॐ যক্ষহন্ত্রে নমঃ
৫৭। ॐ কাঞ্চনাভায় নমঃ
৫৮। ॐ পঞ্চ বক্ত্রায় নমঃ
৫৯। ॐ মহাতপসে নমঃ
৬০। ॐ লঙ্কিনী ভঞ্জনায় নমঃ
৬১। ॐ শ্রীমতে নমঃ
৬২। ॐ সিন্হিকা প্রাণ ভঞ্জনায় নমঃ
৬৩। ॐ গন্ধ মাদন শৈলহস্তায় নমঃ
৬৪। ॐ লঙ্কাপুর বিদাহকায় নমঃ
৬৫। ॐ সুগ্রীব সচিবায় নমঃ
৬৬। ॐ ধীরায় নমঃ
৬৭। ॐ শূরায় নমঃ
৬৮। ॐ দৈত্য কুলান্তকায় নমঃ
৬৯। ॐ সুরার্চিতায় নমঃ
৭০। ॐ মহাতেজসে নমঃ
৭১। ॐ রাম চূড়ামনি প্রদায় নমঃ
৭২। ॐ কামরূপিনে নমঃ
৭৩। ॐ পিঙ্গলাক্ষায় নমঃ
৭৪। ॐ বারিধের মৈনাক পুজিতায় নমঃ
৭৫। ॐ কর্পুরিকৃত মার্তণ্ড মন্ডলায় নমঃ
৭৬। ॐ বিজিতেন্দ্রিয়ায় নমঃ
৭৭। ॐ রাম সুগ্রীব সন্ধাত্রে নমঃ
৭৮। ॐ মহারাবন মর্ধনায় নমঃ
৭৯। ॐ স্ফটি কাভায় নমঃ
৮০। ॐ বাগধীশায় নমঃ
৮১। ॐ নববাকৃত পন্ডিতায় নমঃ
৮২। ॐ চতুর্বাহবে নমঃ
৮৩। ॐ দীন বন্ধবে নমঃ
৮৪। ॐ মহাত্মনে নমঃ
৮৫। ॐ ভক্তবৎসলায় নমঃ
৮৬। ॐ সঞ্জীবন গদা খদগিনে নমঃ
৮৭। ॐ শূচয়ে নমঃ
৮৮। ॐ বাগ্মিনে নমঃ
৮৯। ॐ দৃঢ়ব্রতায় নমঃ
৯০। ॐ কালনেমি প্রমথনায় নমঃ
৯১৷ ॐ হরিমর্কট মর্কটায় নমঃ
৯২। ॐ ধ্বন্ত ধনসিনে নমঃ
৯৩। ॐ শান্তায় নমঃ
৯৪। ॐ প্রসন্নাত্মনে নমঃ
৯৫। ॐ দশকন্ঠ মদসনৃতৈ নমঃ
৯৬। ॐ যোগীনে নমঃ
৯৭। ॐ রাম গদা লোলায় নমঃ
৯৮। ॐ সীতান্বেশন পন্ডিতায় নমঃ
৯৯। ॐ বজ্র দ্রৌনষ্টায় নমঃ
১০০। ॐ বজ্র নখায় নমঃ
১০১। ॐ রুদ্রবীর্য সমুদ্ভবায় নমঃ
১০২। ॐ ইন্দ্রজিৎ প্রহার মোঘ ব্রহ্মাস্ত্র নিবারকায় নমঃ
১০৩। ॐ পার্থ ধ্বজাগ্র সম্বাসিনে নমঃ
১০৪। ॐ শরপনজর ভেদকায় নমঃ
১০৫। ॐ দশবাহবে নমঃ
১০৬। ॐ লোকপূজ্যায় নমঃ
১০৭। ॐ জাম্ববান প্রীতি বর্ধনায় নমঃ
১০৮৷ ॐ সীতা সহিত শ্রীরাম পদসেবা ধুরনধরায় নমঃ ॥

হনুমান প্রণাম মন্ত্র —

মনোজবং মারুততুল্যবেগং
জিতেন্দ্রিয়ং বুদ্ধিমতাং বরিষ্ঠম্ ।
বাতাত্মজং বানরযূথমুখ্যং
শ্রীরামদূতং শিরসা নমামি ॥

(যিনি মন ও বায়ূর ন্যায় দ্রুতগামী, বুদ্ধিমান, ব্যাক্তিদিগের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ এবং বানর বাহিনীর অধিনায়ক, সেই শ্রীরামের দূত, জিতেন্দ্রিয় পবন নন্দনকে অবনত মস্তকে নমস্কার করি॥)


জয় হনুমান


(সংগৃহীত)

 #বাসন্তী_উৎসব২০২৩ভাবনা : জেলে পল্লী পূজাঙ্গন : চকবাজার, ফুলতলা, বাঘাপাড়া,                চট্টগ্রাম আয়োজনে : ক্লাসিক ইয়া...
30/03/2023

#বাসন্তী_উৎসব২০২৩

ভাবনা : জেলে পল্লী
পূজাঙ্গন : চকবাজার, ফুলতলা, বাঘাপাড়া, চট্টগ্রাম
আয়োজনে : ক্লাসিক ইয়াং বয়েজ ক্লাব
প্রতিমাশিল্পী : সূর্য দাশ
মন্ডবসজ্জা : বিশ্বজিৎ আইচ
প্রতিমা রূপায়নে : রিমন দে

 #বাসন্তী_উৎসব_২০২৩স্থান:- জে. এম .সেন হল, চট্টগ্রাম।আয়োজনে:-বাংলাদেশ পূজা উৎযাপন পরিষদ,চট্টগ্রাম জেলা,বাংলাদেশ।
28/03/2023

#বাসন্তী_উৎসব_২০২৩

স্থান:- জে. এম .সেন হল, চট্টগ্রাম।
আয়োজনে:-বাংলাদেশ পূজা উৎযাপন পরিষদ,চট্টগ্রাম জেলা,বাংলাদেশ।

বসন্তের এই শুভক্ষনে মাতা বাসন্তী এলো। মায়ের আগমনে আলোকিত হল ত্রিভুবন।হ্রদয়ে দেয় বার বার একটি সাড়া। মা যে এলো নয়নতারা❤ #ব...
27/03/2023

বসন্তের এই শুভক্ষনে মাতা বাসন্তী এলো।
মায়ের আগমনে আলোকিত হল ত্রিভুবন।
হ্রদয়ে দেয় বার বার
একটি সাড়া।
মা যে এলো নয়নতারা❤

#বাসন্তী_উৎসব_২০২৩
স্থানঃ হাজারী লেইন

হর হর শম্ভু💙
18/02/2023

হর হর শম্ভু💙

দেবী পলাশপ্রিয়া🌺
30/01/2023

দেবী পলাশপ্রিয়া🌺

Address

Chittagong
4000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মাতৃচিত্র MatriChitro posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share