Late Ali-Raja patwary memorial Open Scout Group,Chandpur

Late Ali-Raja patwary memorial Open Scout Group,Chandpur It's a social community .it's aim to serve the society as well as make a peace & harmony bangladesh

02/03/2016

ডেল কার্নেগীর ২৫ টি স্মরণীয় উক্তি:
(১) যার কথার চেয়ে কাজের পরিমান
বেশী, সাফল্য তার কাছেই এসে ধরা
দেয়,কারন যে নদী যত গভীর তার বয়ে
যাওয়ার শব্দ ততো কম।
(২) মনে রাখবেন,
আপনি কে বা আপনার কি আছে তার
উপর আপনার সুখ নির্ভর করেনা,
আপনার সুখ নির্ভর
করে আপনি কেমন চিন্তা করেন তার
উপর।
(৩) যা আপনাকে পীড়া দেয়, এমন বিষয়
নিয়ে এক মিনিটের বেশি ভাববেন
না।
(৪) মানুষের গুণ নিয়ে প্রতিযোগিতা
করুন দোষ নিয়ে নয়।
(৫) মনে রাখবেন আজকের দিনটি
গতকাল আপনার কাছে আগামীকাল
ছিল। যেটার কথা ভেবে গতকাল
আপনি চিন্তিত ছিলেন আজ নয়।
(৬) আপনি ভাল মানুষ হলেই পুরো
জগৎবাসী আপনার সঙ্গে ভাল
ব্যবহার করবে এমনটা আশা করা ঠিক
নয়।
আপনি নিরামিষভোজী হলে কি কোন
ষাঁড় আপনাকে তাড়া করবে না?"
(৭) অস্পষ্টতায় ভরা দুরের কিছুর চেয়ে
কাছের স্পষ্ট কিছু দেখাই আমাদের
দরকার।
(৮) কি কাজ করতে চলেছেন সে
সম্পর্কে কোন ধারণা না থাকার
অর্থ,আপনি অন্ধকারের যাত্রী কোন
অন্ধের মত।
(৯) মন্দ সহচর্যের চেয়ে নিঃসঙ্গতা
অনেক ভালো।
(১০) মানুষ যখন রাগান্বিত অবস্থায়,তখন
তাকে কোনভাবে বিরক্ত করা উচিত
নয় ।কেননা তা থেকে চরম ভুল
বোঝাবুঝি সৃষ্টি হতে পারে।
(১১) পৃথিবীতে ভালবাসার একটি মাত্র
ঊপায় আছে,
সেটা হল প্রতিদান পাওয়ার আশা না
করে শুধু
ভালবেসে যাওয়া।
(১২) মনে রাখবেন অন্যায় সমালোচনা
অনেক ক্ষেত্রেই আড়াল করা প্রশংসাই:
মনে রাখবেন মরা কুকুরকে কেউ লাথি
মারেনা।
(১৩) দুশ্চিন্তা দূর করার এক নম্বর উপায় হল-
ব্যস্ত থাকা।
(১৪) আমি চাইতাম বিখ্যাত ব্যক্তিদের
মতো সফল হতে; এর জন্য আমি অনেক
পরিশ্রমও করেছি কিন্তু আমি
কোনভাবেই সফল হইনি,অবশেষে আমি
সিদ্ধান্ত নিলাম- অন্যের মতো নয়- বরং
আমি হবো আমার মতো।
(১৫) অনুকরন নয়, অনুসরন নয়, নিজেকে খুঁজুন,
নিজেকে জানুন, নিজের পথে চলুন।
(১৬) আমরা যখন আমাদের কর্তব্য - কর্মে
অবহেলা দেখাই, কোন দায়িত্বকে
নিষ্ঠার সঙ্গে গ্রহন করিনা, তখনই
অকৃতকার্যতা আসে।
(১৭) ভদ্র আচরন করতে শিক্ষা লাগে,
অভদ্র আচরন করতে অজ্ঞতাই যথেষ্ট।
(১৮) সাফল্য হল আপনি যা চান তা
হাসিল করা। আনন্দ হল আপনি যা চান
তা পাওয়া।
(১৯) দাম্পত্য জীবনে সুখি হতে চাও?
তাহলে-পরস্পরকে অবিশ্বাস করবেনা
আর ঘ্যানর ঘ্যানর করবে না।
(২০) একটি সুন্দর মুখের কুৎসিত কথার
চেয়ে, একটি কুৎসিত মুখের মধুর কথা
অধিকতর শ্রেয়।
(২১) যে স্ত্রীরা স্বামীকে সুখী করতে
পারেন, তারা নিজেরাও তারি
সঙ্গে সুখী হন। তারা অতি সহজেই
বলতে পারেন যে স্বামীর
সহযোগিতায় আমাদের জীবন কানায়
কানায় পূর্ণ।
(২২) মনে রাখা প্রয়োজন যে, একজন
হতাশা গ্রস্থ মানুষের চেয়ে একজন সুখী
মানুষ হাজার গুন বেশী কর্মক্ষম।
(২৩) যে অবস্হায়ই পড়ুন না কেন- অবস্থার
ভালো মন্দ না দেখে বিচার করা
উচিত নয়।
(২৪) সব সময়-ই অপর ব্যাক্তিকে নিজের
শ্রেষ্ঠত্ব উপলব্ধি করার সুযোগ দিন
(২৫) যিনি নিজের মন নিয়ন্ত্রণ করতে
পেরেছেন তিনিই সফলতা লাভ
করেছেন।

01/03/2016

#সতর্কীকরণ #
গ্যাসের চুলা ব্যবহারে সতর্কতা ★
১. রান্নাঘরের জানালা ২৪ ঘণ্টাই
খোলা রাখুন। যদি মনে হয় খোলা
রাখলে মশা-মাছির উৎপাত বাড়বে
তাহলে জানালার গ্রিলে নেট
লাগিয়ে নিন।
২. গ্যাস লিক করে কি না তা ভালো
করে খেয়াল করুন। গন্ধ চেনার চেষ্টা
করুন।
৩. অনেক দিন ঘর বদ্ধ থাকলে বাসায়
ঢুকেই আগুন জ্বালাবেন না। জানালা
খুলুন, ঘরে বাতাসের আসা-যাওয়া
স্বাভাবিক হলে চুলা জ্বালুন।
৪. বাথরুমে প্রচুর গ্যাস থাকে, সব কিছু
বন্ধ করে কখনোই মোমবাতি, ম্যাচ
জ্বালাবেন না।
৫. গ্যাসলিকের সমস্যা থাকলে দ্রুত
বাড়িওয়ালাকে জানান ও
প্রতিকারের ব্যবস্থা নিন।
৬. যাঁরা বাড়ির মালিক তাঁরা
অবহেলা না করে দ্রুত ব্যবস্থা নিন।
দুর্ঘটনার আগেই সতর্ক হোন।
৭. রান্নাঘরে ইলেকট্রিক ওভেন-ফ্রিজ
রাখলে বুঝেশুনে ব্যবহার করুন।
৮. মনে রাখবেন, ফ্রিজ কিন্তু ২৪ ঘণ্টাই
চলে। ফ্রিজের পেছনটা গরম হয়। এই গরম
হাওয়া বের হওয়ার ব্যবস্থা রাখবেন।
৯. গ্যাসের চুলায় কাপড় শুকাতে
দেবেন না।
১০. ম্যাচের কাঠি বাঁচানোর প্রবণতা
বাদ দিতে হবে। কাজ শেষে চুলা বন্ধ
করে দিন।
১১. বাসা থেকে বের হওয়ার সময়
খেয়ালকণ্ঠী করুন চুলা বন্ধ করেছেন কি
না। চাবি ঘুরিয়ে গ্যাস বন্ধ করে বের
হোন।
১২. সর্বোপরি নিজে এবং পরিবারের
প্রত্যের সদস্যকে সতর্ক করুন এবং
করণীয়গুলো জানিয়ে রাখুন।
তথ্যঃ কালের কন্ঠ

24/02/2016
18/02/2016

#তুমি_স্কাউটিং_কেন_কর ?

উত্তরে এক কাব স্কাউট জানালো ---

"স্কাউটিং আমাকে চমৎকার একটা
সুযোগ দিয়েছে এমন কিছু কার্যক্রমে
অংশগ্রহন করার যেটা একই সাথে
শিক্ষণীয় আবার আনন্দদায়ক। যারা
স্কাউটিং করে না তারা কখনই এমন
কাজ করার সুযোগ পাবে না।
স্কাউটিং এর মূল ব্যাপারটা হচ্ছে
ভাল কিছু বন্ধুদের সাথে মজা করার
সাথে সাথে জীবনের জন্য শিক্ষা
গ্রহন করা।"

18/02/2016

#স্কাউটিং_সম্পর্কে_কিছু_অসাধারণ_তথ্য..
# চাঁদে হাটার সৌভাগ্য পাওয়া ১২
জনের মধ্যে ১১ জনই স্কাউট ছিলেন!
# দক্ষিন মেরু পর্যন্ত হেটে যাওয়া
সবচেয়ে কমবয়সী ব্যাক্তিটি একজন
স্কাউট ছিলেন (Andrew Cooney)
# স্কাউটিং এর কল্যানে পৃথিবীর
২১৬টি দেশ এবং অঞ্চলের যুব সমাজ একই
রকমের আদর্শ অনুসরণের
সুযোগ পাচ্ছে। বিশ্বের আর কোন
সংগঠন একই সাথে এত দেশে কাজ করে
না।
# বিশ্ব স্কাউট সংস্থা, শান্তির এবং
কল্যানের উদেশ্যে কাজ করা
সংগঠনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়।
# JOTA JOTI এর ফলে সারা পৃথিবীর প্রায়
৫০০,০০০ স্কাউট একে অপরের সাথে
যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
# পৃথিবীতে স্কাউটস ছাড়া আর কোন
সংগঠন নেই যারা শিশু-কিশোর দের
জন্য ক্যাম্পিং, হাইকিং, প্রকৃতি
পর্যবেক্ষনের মত চ্যালেঞ্জিং
কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে পারে।

18/02/2016

া_ডাক্তারি_গেরো_নিয়ে_কিছু_বিশেষ_তথ্য ...

--এটি অনেক প্রাচীন একটি গেরো।
হাজার বছর ধরে মানুষ এই গেরো
ব্যাবহার করে আসছে। প্রাচীন গ্রিসে
এই গেরোকে "হারকিউলিসের গেরো"
বলা হত কারন হারকিউলিস তার সময়ে
যেভাবে দক্ষতার সাথে পরিচালানা
করে গ্রিসের সাম্রাজ্য ধরে
রেখেছিলেন ঠিক সেইভাবেই
ডাক্তারি গেরোর দুটি প্রান্ত একে
অপরকে ধরে রাখে।
--এই গেরোটি ঝালর বাতি তৈরী
করতে ব্যাপক ভাবে ব্যাবহার করা হয়।
--সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল ৩৫০০ বছর
আগের মিসরীয় বিভিন্ন মূর্তির
কোমরের বেল্টের সামনের দিকে
ডাক্তারি গেরোর প্রতিকৃতি পাওয়া
গেছে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন এই
গেরোটি কত প্রাচীন।
--স্কাউটের ব্যাজ, পোস্টার সহ বিভিন্ন
জায়গায় রীফ নটের প্রতিকৃতি
ব্যাবহার করা হয় শোভা বর্ধনের জন্য।
--বিভিন্ন ব্যান্ডেজের প্রান্ত বাধার
জন্য রীফ নট আন্তর্জাতিক ভাবে
স্বীকৃত।

18/02/2016

#কম্পাস
#স্কাউটদের_জন্য_অতি_প্রয়োজনীয়_একটি_গেজেট

কম্পাস অর্থাৎ দিক নির্দেশক যন্ত্র
সম্পর্কে সবারই কম বেশি জানা আছে।
সূচালো শলার উপর সরু চুম্বকের পাত
বসিয়ে কম্পাস তৈরি করা হয় যেখানে
চুম্বকপাতের প্রান্ত দুটি সর্বদা উত্তর-
দক্ষিণ দিক নির্দেশ করে থাকে।
বর্তমানে কম্পাস আর একটি প্রকারের
মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, তৈরি হচ্ছে
নানা রকম কম্পাস। যেমন: সাধারণ
ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত হয় পকেট কম্পাস,
আকাশপথে ব্যবহৃত হয় জাইরো কম্পাস
আবার নৌপথে ব্যবহৃত হয় নৌকম্পাস। আর
এই কম্পাস আবিষ্কারের পেছনেও
রয়েছে বিশাল ইতিহাস।
ইউরোপিয়ানরা যখন প্রথম আমেরিকায়
যাবার পরিকল্পনা শুরু করে তখনই তারা
একটা দিক নির্দেশক যন্ত্রের অভাব
অনুভব করে। তারা পরিস্কার দিনের
আকাশের সূর্য কিংবা রাতের
আকাশের নক্ষত্র বিশেষ করে নর্থ স্টার
বা উত্তর নক্ষত্রের অবস্থান দেখে দিক
নির্ণয় করতেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে
আকাশ পরিস্কার না থাকলে কিংবা
ঝড় বা কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়
দিক নির্ণয় করা শুধু কষ্টসাধ্যই নয়,
অনেকটা অসম্ভব ছিল যা তাদেরকে
কম্পাস আবিষ্কারে আরও উদ্বুদ্ধ করে।
তার আগেই প্রাচীনকালের মানুষেরা
ম্যাগনেট বা চুম্বকের একটি বিশেষ
বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা লাভ
করেছিল যে ম্যাগনেট কে ঝুলিয়ে
রাখলে এর এক প্রান্ত সর্বদা নর্থ
স্টারের দিকে মুখ করে থাকে অর্থাৎ
নর্থ স্টারকে নির্দেশ করে।
ধারনা করা হয় ১৩ শতকের দিকে
ইউরোপিয়ানরাই এই তত্বের উপর
ভিত্তি করেই কম্পাস বা দিক
নির্দেশক যন্ত্র আবিষ্কার করেন। তবে
এমন কথারও প্রচলন আছে যে আরবরাই প্রথম
চীনাদের তত্ত্ব অনুসরণ করে কম্পাস
আবিষ্কার করে কিন্তু এ ব্যাপারে
এখনো স্পষ্ট কোন প্রমাণ পাওয়া
জায়নি। ১৪শতকের দিকে কম্পাসের
ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়ে তা একটা সাধারণ
বিষয়েই পরিণত হয়।
বর্তমান বিজ্ঞান দিক নির্দেশনার জন্য
হাজারো প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছে,
জিপিএস এর কথায় হয়তো আপনাদের
অনেকেরই জানা। তারহীন প্রযুক্তি
দিক নির্দেশনাকে একটা
ছেলেখেলাই বানিয়ে ফেলেছে
কিন্তু এসবকিছুর শুরুটা কিন্তু হয়েছিল এই
সাধারণ একটা কম্পাসের মাধ্যমেই। এই
কম্পাস ব্যবহার করেই ইউরোপিয়ানরা
প্রথম আমেরিকা সফর করতে সক্ষম হন।

17/02/2016

#স্কাউট_আন্দোলনের_উদ্দেশ্য_নীতিওপদ্ধতি

স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা কর্তৃক
নির্ধারিত উদ্দেশ্য, মূল নীতি ও
পদ্ধতিতে পরিচালিত শিশু, কিশোর ও
যুবকদের জন্য স্কাউটিং একটি
স্বেচছাসেবী, অরাজনৈতিক ও
শিক্ষামূলক আন্দোলন। জাতি, ধর্ম, বর্ণ
নির্বিশেষে স্কাউটিং সকলের জন্য
উন্মুক্ত।
স্কাউট আন্দোলনের উদ্দেশ্য
স্কাউট আন্দোলনের উদ্দেশ্য হল ছেলে
মেয়েদের শারীরিক, বুদ্ধিবৃত্তিক,
সামাজিক আধ্যাত্মিক ও মানসিক
দিকগুলো পরিপূর্ণ অন্তর্নিহিত ক্ষমতা
বিকাশে অবদান রাখা যাতে করে
তারা ভারসাম্যপূর্ণ ব্যক্তি,
দায়িত্বশীল নাগরিক এবং স্থানীয়,
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের
সদস্য হিসাবে জীবনযাপন করতে পারে।
স্কাউট আন্দোলনের মূলনীতি
স্কাউট আন্দোলন নিম্নবর্ণিত তিনটি
মূলনীতির উপর প্রতিষ্ঠিত (প্রতিজ্ঞা ও
আইনের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে)-
১। স্রষ্টার প্রতি কর্তব্য পালন
(আধ্যাত্মিক দিক)।
২। নিজের প্রতি কর্তব্য পালন (ব্যক্তিগত
দিক)।
৩। অপরের প্রতি কর্তব্য পালন (সামাজিক
দিক)।
স্কাউট পদ্ধতি
স্কাউট পদ্ধতি একটি ধারাবাহিক স্ব-
শিক্ষামূলক প্রক্রিয়া, যার উপাদান
গুলো হচ্ছেঃ
১। প্রতিজ্ঞা ও আইনের চর্চা এবং তার
প্রতিফলন।
২। হাতে-কলমে শিক্ষা
৩। ছোট ছোট দলের সদস্য হিসেবে কাজ
করা (যেমন- ষষ্ঠক/উপদল পদ্ধতি)
৪। ক্রমোন্নতিশীল ও উদ্দীপনামূলক
বিভিন্ন কার্যক্রম (ব্যাজ পদ্ধতি)
৫। বয়স্ক নেতার সহায়তা
৬। প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ
৭। প্রতিকী কাঠামো
সকল ধরণের স্কাউট কার্যক্রম ও প্রোগ্রাম
স্কাউট পদ্ধতিতে বাসত্মবায়ণ করতে হয়
যাতে করে স্কাউট আন্দোলনের
উদ্দেশ্য অর্জিত হতে পারে। স্কাউটদের
জন্য যে সকল কাজ স্কাউট পদ্ধতিতে
করা হয় না, তা স্কাউট প্রোগ্রাম বা
কার্যক্রম বলে বিবেচনা করা যায় না।
স্কাউটিং শিশু কিশোর, যুব বয়সীদের
লেখা পড়ার অবসরে বয়স উপযোগী
আনন্দদায়ক কার্যাবলীর মাধ্যমেস
উপস্থাপিত শিক্ষা সম্পূরক কার্যক্রম। এই
বয়সীদের প্রধান ও প্রথম কাজ
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জন।
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মূল লক্ষ্য এবং
স্কাউট আন্দোলনের লক্ষ্য এক হলেও
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় তারা এই
লক্ষ্য অর্জনের বাস্তব অনুশীলনের সুযোগ
পায় না। অপরদিকে স্কাউটরা
মুক্তাঙ্গনে হাতে-কলমে কাজে অংশ
গ্রহণ করে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করে
তা ব্যক্তি জীবনে অনুশীলনের মাধ্যমে
আত্মস্ত করার সুযোগ লাভ করে।
স্কাউট আন্দোলনের বৈশিষ্ট্য
স্কাউটি আন্দোলন তার নিজস্ব
বৈশিষ্ট্যের কারণে সারা বিশ্বে
আজও সমাদৃত। স্কাউটিংয়ের
বৈশিষ্ট্যের কতগুলো দিক হচ্ছে-
১। স্কাউটরা স্কাউট প্রতিজ্ঞা নিয়ে
আন্দোলনে যোগ দেয় এবং তার
জীবনে প্রতিজ্ঞা মেনে চলার
চেষ্টা করে।
২। স্কাউটরা সাফল্য বা বিফলতার কথা
না ভেবে যথাসাধ্য চেষ্টা করে।
৩। স্কাউটরা সকল কাজ হাতে-কলমে
কাজের মাধ্যমে শেখে।
৪। স্কাউটরা ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে
কাজ করে ও শেখে। একে উপদল পদ্ধতি
বলে।
৫। স্কাউটদের কাজের স্বীকৃতি
ব্যাজের মাধ্যমে দেয়া হয়। একে ব্যাজ
পদ্ধতি বলে। নিজ নিজ বিষয় নির্বাচন
করে সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দক্ষতা
অর্জনে সফল হলে ব্যাজ প্রদান করা হয়।
৬। স্কাউটরা নির্ধারিত পোশাক,
স্কাউট ব্যাজ ও স্কার্ফ প্রদান করে।
৭। স্কাউটরা নির্ধারিত তিন আঙ্গুলের
বিশেষ কায়দায় সালাম দেয় ও গ্রহণ
করে।
৮। স্কাউটরা ডান হাতে পরস্পরে করমর্দন
করে।
৯। স্কাউটরা নিজস্ব কায়দায় তাদের
অনুষ্ঠান পরিচালনা করে থাকে - যেমন
ক্যাম্পুরী, জাম্বুরী, মুট, ক্যাম্পফায়ার,
স্কাউটস ওন, ক্রু মিটিং/ট্রুপ মিটিং/
প্যাক মিটিং ইত্যাদি।
বয়স ভিত্তিক স্তর বিন্যাস
স্কাউট আন্দোলন সকল ধরণের ছেলে
মেয়েদের জন্য উন্মুক্ত। সুষ্ঠু পরিচালনার
সুবিধার্থে বাংলাদেশে স্কাউটিং
তিনটি শাখায় বিভক্ত -
১। কাব স্কাউট- যে সকল বালক/
বালিকার বয়স ৬ বছরের বেশী কিন্তু
এগার বছরের কম।
২। স্কাউট- যে সকল কিশোর /
কিশোরীর বয়স ১১ বছর বা তার চেয়ে
বেশী কিন্তু ১৭ বছরের কম।
৩। রোভার স্কাউট- যে সকল তরুণ / তরুণী
কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে অথবা
যাদের বয়স ১৭ বা তার চেয়ে বেশী
কিন্তু ২৫ বছরের কম। রেলওয়ে, বিমান ও
অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে চাকুরীজীবীদের
জন্য বয়স ৩০ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।
কাব প্রতিজ্ঞা
আমি প্রতিজ্ঞা করছি যে,
‘‘আল্লাহ ও আমার দেশের প্রতি কর্তব্য
পালন করতে
প্রতিদিন কারো না কারো উপকার
করতে
কাব স্কাউট আইন মেনে চলতে
আমি আমার যথাসাধ্য চেষ্টা করব।’’
(অন্য ধর্মালম্বীগণ ‘‘আল্লাহ’’ শব্দের
পরিবর্তে নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস
মতে সৃষ্টিকর্তার নাম উচ্চারণ করতে
পারে)
কাব স্কাউট আইন
১. বড়দের কথা মেনে চলা।
২. নিজেদের খেয়ালে কিছু না করা।
স্কাউট প্রতিজ্ঞা
আমি আমার আত্মমর্যাদার উপর নির্ভর
করে প্রতিজ্ঞা করছি যে,
‘‘আল্লাহ ও আমার দেশের প্রতি কর্তব্য
পালন করতে
সর্বদা অপরকে সাহায্য করতে
স্কাউট আইন মেনে চলতে
আমি আমার যথাসাধ্য চেষ্টা করব।’’
(অন্য ধর্মালম্বীগণ ‘‘আল্লাহ’’ শব্দের
পরিবর্তে নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস
মতে সৃষ্টিকর্তার নাম উচ্চারণ করতে
পারে।)
স্কাউট আইন
১. স্কাউট আত্মমর্যাদায় বিশ্বাসী
২. স্কাউট সকলের বন্ধু
৩. স্কাউট বিনয়ী ও অনুগত
৪. স্কাউট জীবের প্রতি সদয়
৫. স্কাউট সদা প্রফুল্ল
৬. স্কাউট মিতব্যয়ী
৭. স্কাউট চিন্তা, কথা ও কাজে নির্মল।
(মনে রাখার সুবিধার্থে- বিশ্বাসী,
বন্ধু, বিনয়ী, সদয়, প্রফুল্ল, মিতব্যয়ী,
নির্মল রয়।)
স্কাউটদের মটো
‘‘সেবার জন্য সদা প্রস্তুত থাকতে
যথাসাধ্য চেষ্টা করা।’’ সুষ্ঠু
পরিচালনার জন্য স্কাউট মটো- কাব,
স্কাউট ও রোভারদের মধ্যে নিম্নভাবে
ভাগ করা হয়েছে
কাব মটো ‘‘যথাসাধ্য চেষ্টা করা’’
স্কাউট মটো ‘‘সদা প্রস্তুত’’
রোভার মটো ‘‘সেবা’’
এই মটোকে সামনে রেখে কাব, স্কাউট,
ও রোভাররা তাদের বয়স বাড়ার
সাথে সাথে নিজেদের জীবনকে
গড়ে তোলার চেষ্টা করে।
বিশ্ব স্কাউটিং ও বিশ্বভ্রাতৃত্ব
প্রথম অবস্থায় বিশ্বজুড়ে বালকদের
প্রশিক্ষণ দেয়ার পরিকল্পনা নিয়ে
স্কাউটিং আরম্ভ হয়নি, কিন্তু স্কাউট
আন্দোলনের প্রবর্তক রবার্ট স্টিফেনশন
স্মিথ লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল অব
গিলওয়েল এর (সংক্ষপে বিপি)
চিন্তাধারা ও প্রশিক্ষণ পদ্ধতি যা
কল্পনাতীত রূপে বিভিন্ন দেশে গৃহীত
ও প্রয়োগ হয়। দেশের পর দেশ অনুধাবন
করতে পারে যে বালকদের কাছে
স্কাউটিং যে আবেদন সৃষ্টি করে অন্য
কোন প্রশিক্ষণ পদ্ধতি তেমন আর
পারেনা।
এইভাবে স্কাউটিং বিশব জনগণের
মধ্যে তার একটি ঐক্যবন্ধন সৃষ্টি করেছে।
বিশ্ব স্কাউট ভ্রাতৃত্ব গড়ে তোলার
প্রথম ধাপ হচ্ছে ষষ্ঠক/উপদল । একজন নবাগত
কাব/স্কাউট/রোভার দলে যোগদান
করার পর নিজ ষষ্ঠক/উপদলের সকলের
সাথে ভ্রাতৃত্ব গড়ে তোলে।
পরবর্তীতে এই গণ্ডি ষষ্ঠক/উপদল অতিক্রম
করে বিস্তার লাভ হয়ে দল/ গ্রুপের সকল
সদস্যদের মধ্যে, পরবর্তীতে এই ভ্রাতৃত্ব
বিস্তার ঘটে থানা/জেলা
স্কাউটসের সকল কাব, স্কাউট,
রোভারদের মধ্যে, পরবর্তীতে এই
ভ্রাতৃত্বের বিস্তার ঘটে আঞ্চলিক
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে।
ইউনিট / গ্রুপ তাঁবু বাস থানা/জেলা
স্কাউটস কর্তৃক আয়োজিত স্কাউট
সমাবেশ ও অন্যান্য অনুষ্ঠানাদিতে
যোগদান এবং আঞ্চলিক, জাতীয় ও
আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিভিন্ন
ক্যাম্পুরী, সমাবেশ, রোভারমুট,
জাম্বুরী, ইউয়ুথ ফোরাম ইত্যাদি স্কাউট
অনুষ্ঠানে যোগদান করে একজন স্কাউট
এর মনে এই বিশ্ব ভ্রাতৃত্ববোধ আরো
নিবিড়তর হয়।

16/02/2016

#স্কাউটিং_শুরু_হওয়ার_ইতিহাস

যুদ্ধের সময় শত্রুর অবস্থান, সংখ্যা
ও অস্ত্র সম্পর্কে ধারণা, শত্রু
এলাকার চাক্ষুষ নকশা তৈরি
ইত্যাদি এমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ
আছে, যা বড়দের জন্য কঠিন হলেও
ছোটরা করতে পারে সহজেই। এ
কৌশলটিকে কাজে লাগাতে
চেয়েছিলেন ব্রিটিশ
সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট
জেনারেল রবার্ট স্টিভেনসন
স্মিথ ব্যাডেন পাওয়েল (বিপি)।
অভিজ্ঞতার ঝুড়ি কাজে
লাগিয়ে প্রশিক্ষণ দেন কিছু
বালককে। তিনি নিজেও হয়তো
ধারণা করেননি যে এর মাধ্যমেই
প্রতিষ্ঠিত হবে বিশ্বের অন্যতম
বড় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি।
বর্তমানে ২১৭ দেশে প্রায় চার
কোটিরও বেশি মানুষ
'স্কাউটিং'-এর সঙ্গে জড়িত। অথচ
১৯০৭ সালে মাত্র ২০ জন বালক
নিয়ে ইংল্যান্ডের
ব্রাউনসীয়া দ্বীপে এর যাত্রা
শুরু হয়েছিল। সে সময় মাত্র ৯
দিনের এ প্রশিক্ষণ শিবিরটি
ব্যাপক সাফল্য লাভ করে। বিপি
তাঁর প্রথম গ্রন্থ 'হ্যান্ডবুক ফর বয়েজ'
স্কাউট আন্দোলন বা বয়েজ
স্কাউটের কথা উল্লেখ করেন।
এটি প্রকাশের পরপরই বিভিন্ন
দেশে স্কাউটিং কার্যক্রম
ছড়িয়ে যেতে থাকে। ১৯১০
সালে ব্যাডেন পাওয়েলের
স্ত্রী ওলেভের নেতৃত্বে শুরু হয়
গার্ল গাইড প্রোগ্রাম। ১৯১৪
সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়
স্কাউটরা যুদ্ধক্ষেত্রে সামরিক
বাহিনীকে বিভিন্নভাবে
সহায়তা করে। এরপর চিত্র
পাল্টায় আরো। ১৯২০ সালে
বিভিন্ন দেশের আট হাজার
স্কাউটকে নিয়ে শুরু হয় 'বিশ্ব
জাম্বুরি'। যুদ্ধবিধ্বস্ত পৃথিবীতে
স্কাউটরা নিয়ে আসে
সম্প্রীতির বন্ধন। বাংলাদেশে
ব্রিটিশ ভারতীয় আমল থেকেই
স্কাউট আন্দোলন প্রতিষ্ঠিত
হয়েছিল। ১৯৭১ সালে
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'বাংলাদেশ বয়
স্কাউট অ্যাসোসিয়েশন' নামে
প্রতিষ্ঠিত হয় সংস্থাটি এবং
১৯৭৪ সালে এটি বিশ্ব সংস্থার
১০৫তম দেশ হিসেবে স্বাধীন
সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৭৮ সালে
দ্বিতীয় দফায় এর নাম পরিবর্তন
করে 'বাংলাদেশ স্কাউট' রাখা
হয়। ১৯৯৪ সাল থেকে মেয়েরাও
এর সদস্য হতে পারছে। প্রাথমিক
বিদ্যালয়ে 'কাব স্কাউট', স্কুল
পর্যায়ে 'বয় স্কাউট' ও 'গার্ল
গাইড' এবং কলেজ পর্যায়ের
ছাত্রছাত্রীদের জন্য রয়েছে
'রোভার স্কাউট'। যুদ্ধকালে
গেরিলা বাহিনী হিসেবে
কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে
স্কাউটদের বিভিন্ন ধরনের
প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। 'এর
পাশাপাশি স্কাউটরা বিভিন্ন
ধরনের সামাজিক
গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম,
প্রাকৃতিক দুর্যোগ-পরবর্তী
কার্যক্রম, প্রাথমিক চিকিৎসা
ইত্যাদি কার্যক্রমেও অংশগ্রহণ
করে।

16/02/2016

েব্রুয়ারি বিশ্ব স্কাউট
আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা রবাট
ব্যাডেল পাওয়েলের জন্মদিন। ১৮৫৭
সালের ঐদিন ফেব্রুয়ারি রবার্ট
ব্যাডেন পাওয়েল লন্ডনে জন্মগ্রহণ
করেন। তার পুরো নাম রবার্ট স্টিফেন্সন
স্মিথ লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল। তার হাত
ধরেই ১৯০৭ সালে এ আন্দোলনের
সূত্রপাত ঘটে। তাই দিনটিকে স্কাউট
দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বর্তমানে
পৃথিবীর ২১৭টি দেশে স্কাউটি
আন্দোলন চলছে। বাংলাদেশ তথা
ভারতীয় উপমহাদেশে স্কাউটিংয়ের
যাত্রা শুরু ব্রিটিশ আমলে। ৪৭-এর পর ইস্ট
পাকিস্তান বয়স্কাউট
অ্যাসোসিয়েশনের যাত্রা। ১৯৭২
সালে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়
বাংলাদেশ বয়স্কাউটস। ১৯৯৪ সাল
থেকে মেয়েরা এর সদস্য হওয়ার
অধিকার লাভ করে। কমিউনিটি
সেবা, কৃষি,স্বাস্থ্য, শিশুকল্যাণ,
নির্মাণ ও সস্তায় বাড়িঘর তৈরিতে
স্কাউটরা সহায়তা করে থাকে।
এছাড়া বন্যা, ঝড় ইত্যাদি প্রাকৃতিক
দুর্যোগ সামাল দিতে অসহায় মানুষের
আশ্রয় বা পুনর্বাসনে তারা
স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকা পালন করে।
আত্মনির্ভরশীল সুনাগরিক গড়ে তোলার
ক্ষেত্রে এ আন্দোলন বিশ্বব্যাপি
সমাদৃত।
তিনি ১৮৭৬ সালে একজন লেফটেন্যান্ট
হিসেবে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে
যোগদান করেন। সামরিক বাহিনীতে
কর্মরত থাকাকালীন বিভিন্ন
অভিজ্ঞতা থেকে তিনি স্কাউট
আন্দোলন গড়ে তোলার প্রেরণা পান।
বিশেষ করে ম্যাফেকিং এর যুদ্ধ
থেকে তিনি বাস্তব অভিজ্ঞতা ও
ধারণা থেকে উপলব্ধি করেন যে যুবক ও
বালকদেরকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণের
মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করানো সম্ভব।
ম্যাফেকিং এর যুদ্ধে স্বেচ্ছাসেবক
বালকদলের অবদান দেখে তিনি
অভিভূত হন। তখন থেকেই তিনি
বালকদের কে নিয়ে কিছু একটা করার
পরিকল্পনা করতে স্বপ্ন ও শ্রমকে অব্যাহত
রাখেন। যা পরবর্তীতে স্কাউট
আন্দোলন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
১৯০৭ সালে তিনিই প্রথম ব্রাউন সি
দ্বীপে স্কাউট ক্যাম্প স্থাপন করেন।
তিনি ১৯৪১ সালের ৮ জানুয়ারি
কেনিয়াতে মৃত্যুবরণ করেন।

15/02/2016

াহ_আব্দুল_করিমের_জন্মদিন

প্রায় দেড় হাজার গানের স্রষ্টা আবদুল
করিম ১৯১৬ সালে সিলেটে
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার
জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদকসহ
অসংখ্য পদকে ভূষিত হয়েছেন।
তাঁর গান বাংলাদেশের
লোকসঙ্গীতের আঙিনা ছাড়িয়ে
পৌঁছে গেছে দেশের বাইরেও।
নাটক, চলচ্চিত্র এবং হালের জনপ্রিয়
ব্যান্ড শিল্পীদের কণ্ঠে তার গান
পেয়েছে ভিন্ন মাত্রা।
কিশোর বয়স থেকেই গানের চর্চা শুরু
হলেও, বাংলাদেশের সব শ্রেণীর
মানুষের কাছে শাহ আব্দুল করিমের
গানের বিস্তার ঘটে মূলত গত শতকের
শেষদিকে।
শাহ আব্দুল করিম বেড়ে ওঠেন
সুনামগঞ্জের হাওর এলাকায়।
শুরুর দিকে সিলেটের বিভিন্ন
এলাকায় মালজোড়া গান গাইতেন।
তাকে নিয়ে তৈরি একটি প্রামাণ্য
চিত্রে তিনি বলেছেন, “আগে তো
রেডিও টিভি ছিল না। আমরা
মালজোড়া গান গাইতাম। দুইজনে
প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে গান গাইতাম”।
শুরুর দিকে ভাটি অঞ্চলের মানুষের
কাছে আব্দুল করিমের গান বেশ
জনপ্রিয়তা পেলেও, সিলেটের
বাইরে সারাদেশের মানুষের কাছে
তা পৌছায় আরও পরে।
বেশ কয়েকজন শিল্পী শাহ আব্দুল
করিমের গান নতুন করে গেয়ে ব্যাপক
জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
আর দেশব্যাপী পরিচিতি পান
সিলেটের এই বাউল শিল্পী।
যেকজন শিল্পী তার গান ছড়িয়ে
দিতে ভূমিকা রাখেন সেলিম
চৌধুরী, প্রবাসী শিল্পী কায়া,
হাবিব ওয়াহিদ, মমতাজ, শাহনাজ
বেলী তাদের মধ্যে অন্যতম।
সিলেটে অঞ্চলের মৌলভীবাজারে
বেড়ে ওঠা শিল্পী সেলিম চৌধুরী
দীর্ঘদিন লোকসঙ্গীতের চর্চা করছেন।
তিনি বলছিলেন, তিনি শাহ আব্দুল
করিমের গান অল্প বয়স থেকেই শুনে
আসছিলেন বেতারে।
তবে তিনি নিজে তার গান প্রথম গান
১৯৯৪ সালে।
তার রূপসাগর অ্যালবামে “কুঞ্জ
সাজাও গো আজ আমার প্রাণনাথ
আসিতে পারে” এই গানটি তার গলায়
শাহ আব্দুল করিমের প্রথম গান।
এরপর ব্যাপক সাড়া মেলে বলে জানান
তিনি।
আব্দুল করিম নিজেও তাকে সে বিষয়ে
জানিয়েছিলেন বলে সেলিম চৌধুরী
জানান।
শাহ আব্দুল করিমের গান ছড়িয়ে
দেয়ার পেছনে প্রয়াত কথা
সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের অবদান
ছিল।
তিনি এই শিল্পীকে নিয়ে একটি
টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাণ করেন।
এছাড়া তার নাটকেও এই বাউল
শিল্পীর গান স্থান পায়।
এ বছর শাহ আব্দুল করিমের
জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের উদ্যোগ
নিয়েছে এ সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি।
এই কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক লেখক ও স্থপতি
শাকুর মজিদ। তিনি বাউল শাহ আব্দুল
করিমের জীবন ও সঙ্গীত নিয়ে একটি
প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করেছেন।
ভাটির পুরুষ নামে সেই চিত্রে উঠে
এসেছে এই বাউল শিল্পীর জীবনের
নানা দিক।
এই তথ্যচিত্র নির্মাণ করতে গিয়ে এই
বাউল শিল্পীকে টানা সাতটি বছর
সরাসরি কাছ থেকে দেখেছেন
নির্মাতা শাকুর মজিদ।
তিনি বলেন, শাহ আব্দুল করিম তার
কাছে একজন রহস্যময় চরিত্র।
অভাব-অনটনের সংসার ছিল।
অল্পবয়সেই মুদি দোকানে কাজ,
রাখালের কাজ করেছেন।
পরে গলায় সুর ছিল। গান শুরু করেন।
তিনি লেখাপড়া করতে পারেননি।
একবার তাকে গান গাওয়ার কারণে
গ্রাম থেকে বের করে দেয়া হয়।
একটা বড় সময় পালাগান গেয়েছেন।
বড় বড় রাজনৈতিক সমাবেশেও তিনি
গান গাইতেন।
সুনামগঞ্জের কালনী নদীর তীরে
বেড়ে উঠা আব্দুল করিমের গানে
ভাটি অঞ্চলের মানুষের সুখ দু:খ প্রেম-
ভালোবাসার সাথে সাথে দেহতত্ত্ব
ও অসাম্প্রদায়িকতার কথা উঠে আসে।
‘আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম’, ‘বন্দে
মায়া লাগাইছে, পিরিতি
শিখাইছে’, ‘গাড়ি চলে না’, ‘কেমনে
ভুলিব আমি বাঁচি না তারে ছাড়া’,
‘কোন মেস্তরি নাও বানাইছ’, তার
এরকম অসংখ্য গান জনপ্রিয়তা
পেয়েছে। তার গান বেছে নিয়েছে
জনপ্রিয় অনেক ব্যান্ডের শিল্পীরাও।
তার প্রথম স্ত্রী আফতাবুন্নেসার নামে
আফতাব সঙ্গীত রচনা করেন তিনি।
তার লেখা গান ইংরেজি ভাষাতেও
অনূদিত হয়েছে।
বেশকিছু গানের বইও প্রকাশিত হয়েছে।
দারিদ্রের কারণে প্রথাগত শিক্ষায়
শিক্ষিত হতে পারেননি।
স্কুলে গিয়েছিলেন কয়েক দিন মাত্র।
পরিবেশ ও সমাজ থেকেই শিক্ষা
নিয়ে বেড়ে উঠেছেন।
তবে গানের দীক্ষা নিয়েছেন
পূর্ববর্তী বাউল গুরুদের কাছে।
শাহ আব্দুল করিমকে নিয়ে একটি
মঞ্চনাটকও রচনা করেছেন শাকুর মজিদ।
এখন তার গানের সাথে আধুনিক
যন্ত্রানুসঙ্গের ব্যবহারের মাধ্যমে
ভিন্ন রূপ দিচ্ছেন আধুনিক কালের
শিল্পীরা।
বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে
তা পৌঁছে গেছে আরও দূরে।
২০০৯ সালের মারা যান শাহ আব্দুল
করিম।
তার গান নিয়ে যারা কাজ করছেন
তারা মনে করেন, বাউল গানের
ইতিহাসে হাসন রাজা কিংবা লালন
শাহের পরবর্তী প্রতিনিধি হিসেবে
বাউল শাহ আব্দুল করিমের নামটিই এখন
উঠে আসে।

Address

Shahid Muktijoddha Shorak , Chandpur Sadar
Chandpur
3600

Telephone

1515652308

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Late Ali-Raja patwary memorial Open Scout Group,Chandpur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share