Shri shri Giridhari Temple,Chandpur,Bangladesh

Shri shri Giridhari Temple,Chandpur,Bangladesh Chan't Hare Krishna & be happy.

Permanently closed.
বৈষ্ণব সার্বভৌম সিদ্ধ শ্রীল জগন্নাথ দাস বাবাজী মহারাজের উপদেশামৃতঃ                                  ১) কখনো বিষয়ীর অন্ন...
15/05/2022

বৈষ্ণব সার্বভৌম সিদ্ধ শ্রীল জগন্নাথ দাস বাবাজী মহারাজের উপদেশামৃতঃ
১) কখনো বিষয়ীর অন্নগ্রহণ করিও না, গ্রহণ করিলে বিষয়ী হইয়া যাবে।
২) সাংসারিক অমঙ্গলকে ভগবানের দয়া বলিয়া জানিবে।
৩) 'সেবা করিয়াছি' বলিয়া ঢাক পিটাইয়ো না, তখন আর ইহাকে 'সেবা' বলা যাইবে না।
৪) গৌরধাম কৃপা করিলেই ব্রজবাস হয়।
৫) কখনো মর্কটবৈরাগীর (বিরক্তবেষী কপট সাধু) সহিত মিশিও না। ৬) অন্তরে ঐকান্তিক কৃষ্ণসেবার জন্য অনুরাগ না আসিলে বাহিরে বেষগ্রহণ করিলে তাহাকে পরমহংস বলা যায় না।
৭) নির্জনভজনের ছলনায় অলস হইও না।
৮) অপরাধের সহিত লক্ষ লক্ষ মালা টানিবার চেয়ে বৈষ্ণবসেবার জন্য বাগানে চাষ ও গাছে জল দেওয়া অধিক মঙ্গলজনক। বৈষ্ণবসেবার ফলে শ্রীহরিনামে অকপট রুচি আসিবে।
৯) বৈষ্ণবের অনুকরণ করিও না, পুড়িয়া মরিবে। তাঁহার অকপট সেবা যাচনা কর। ১০) যিনি হরিসেবার অর্থ ভোগ করেন, তিনি মহাপাষণ্ডী।
১১) সাধারণ চোরের কখনো কখনো মঙ্গল হইয়া থাকে, কিন্তু গুরু-বৈষ্ণবের নামে অর্থ ভোগকারীর কখনোই মঙ্গল হয় না ।
১২) অন্যাভিলাষের সহিত গুরু-বৈষ্ণবের সেবা করলে তাঁহারা সেবকাভিমানীকে লাভ-পূজা-প্রতিষ্ঠা দিয়া সরে পড়েন।
১৩) আনুগত্যময় আচরণই সদাচার, স্বতন্ত্রতাই কদাচার।
১৪) কৃত্রিম অষ্টকালীন লীলা স্মরণপদ্ধতি রূপানুগ ভজনরীতি নহে শ্রীনামকীর্তনযোগে স্মরণই গোস্বামীগণের সিদ্ধান্ত।

🌼যে ৯টি নাম নিলে আপনি  নবগ্রহের দোষ থেকে মুক্তি লাভ করবেন।🙇‍♂️Read the name of Nrisimhadev to get rid of the guilt of Na...
15/05/2022

🌼যে ৯টি নাম নিলে আপনি নবগ্রহের দোষ থেকে মুক্তি লাভ করবেন।🙇‍♂️
Read the name of Nrisimhadev to get rid of the guilt of Navagrah!!🌕🌔

☘️নৃসিংহ দেবের নয় নাম হল:
১) জ্বালা নৃসিংহদেব – এই বিগ্রহের নাম যদি কেউ স্মরণ করে তা হলে মঙ্গল গ্রহের দোষ নষ্ট হয়।
২) অহােবিলা নৃসিংহ –এই নৃসিংহদেবের নাম স্মরণ করলে বৃহস্পতি গ্রহের দোষ নষ্ট হয়।
৩) মালােলা নৃসিংহদেব - এই নৃসিংহদেবের নাম স্মরণ করলে শুক্র গ্রহের দোষ নষ্ট হয়।
৪) বরাহ নৃসিংহদেব – এই নৃসিংহদেবের নাম স্মরণ করলে রাহু গ্রহের দোষ নষ্ট হয়
৫) করঞ্জ নৃসিংহ – এই নৃসিংহদেবের নাম স্মরণ করলে চন্দ্র গ্রহের দোষ নষ্ট হয়।
৬) ভার্গব নৃসিংহদেব - এই নৃসিংহদেবের নাম স্মরণ করলে রবিগ্রহের দোষ নষ্ট হয়
৭) যােগানন্দ নৃসিংহদেব - এই নৃসিংহদেবের নাম স্মরণ করলে শনি গ্রহের দোষ নষ্ট হয়।
৮) ছত্রবটা নৃসিংহদেব – এই বিগ্রহের নাম
স্মরণ করলে কেতু গ্রহের দোষ নষ্ট হয়।
৯) পাবন নৃসিংহ – এই বিগ্রহের নাম উচ্চারণ করলে বা স্মরণ করলে বুধ গ্রহের দোষ নষ্ট হয়।
এইভাবে আমরা নরসিংহদেবের নাম উচ্চারণ করলে, স্তব পাঠ করলে ভক্তির বিভিন্ন বাধা-বিঘ্নকে খুব সহজে অতিক্রম করতে পারি।
জয় নরসিংহদেব ভগবান কি জয়।☘️

15/05/2022
13/02/2022
 # #ছয় প্রকারের দৃষ্টিভঙ্গি 👀সুন্দর উপস্থাপনায়ঃ শ্রীপাদ অনঙ্গমোহন দাস।১) শুধু অন্যের দোষ দেখা।২) ভাল খারাপ দুটিই দেখে কি...
03/08/2021

# #ছয় প্রকারের দৃষ্টিভঙ্গি 👀
সুন্দর উপস্থাপনায়ঃ শ্রীপাদ অনঙ্গমোহন দাস।
১) শুধু অন্যের দোষ দেখা।

২) ভাল খারাপ দুটিই দেখে কিন্তু খারপটা গ্রহণ করে।

৩) অল্প দোষ দেখে কিন্তু অন্যেদের কাছে তা বাড়িয়ে বলে।

৪) শুধু ভাল গুণ দেখে।

৫) ভাল খারাপ দুইটায় দেখে কিন্তু ভালটা গ্রহণ করে।

৬) কারো মধ্যে অল্প ভাল গুণ দেখলে তা বড় করে দেখে।

ভক্তদের মধ্যে দোষ দেখার প্রবণতা কমানোর জন্যে ১,২,৩ নম্বরের দৃষ্টিভঙ্গিগুলো আমাদের বাদ দিতে হবে। আর ৪,৫,৬ নম্বর দৃষ্টিভঙ্গিগুলো আমাদের হৃদয়ে লালন করতে হবে।

🌺আজকের আলোচনাব বিষয় *বৈষ্ণব 🌺১.বৈষ্ণব কে?২.কি কি কারনে বৈষব অপরাধ হয়?৩.বৈষ্ণব অপরাধের ফল?৪.বৈষ্ণব অপরাধ কিভাবে খন্ডন  কর...
02/08/2021

🌺আজকের আলোচনাব বিষয় *বৈষ্ণব 🌺

১.বৈষ্ণব কে?
২.কি কি কারনে বৈষব অপরাধ হয়?
৩.বৈষ্ণব অপরাধের ফল?
৪.বৈষ্ণব অপরাধ কিভাবে খন্ডন করা যায়?
৫.যদি কোন পরিবারে বৈষব হয় তাহলে কি হবে?

🌺যারা ভগবান কৃষ্ণ বা বিষ্ণুর উপাসক তাকে বৈষ্ণব বলা হয়।

🌹বিভিন্ন কারনে মনের অজান্তেই বৈষ্ণব অপরাধ হতে পারে। তাই উক্ত বিষয়ে আমাদের সতক নজর রাখতে হবে।

🌹এ বিষয়ে স্কন্দ পুরানে ৬ টি বৈষ্ণব অপরাধের কথা বলা হয়েছে।আসেন আমরা এগুলো দেখে নেই?

১.কোনো বৈষবকে হ্ত্যা বা আঘাত করলে।

২.কোনো বৈষ্ণবকে নিন্দা করলে।

৩.কোনো বৈষবের প্রতি বিদ্বেষী হলে।

৪.কোনো বৈষবকে আসতে দেখে অভিনন্দন না করলে।

৫.কোন বৈষবের প্রতি ক্রোধ প্রকাশ করলে

৬.কোন বৈষ্ণবকে দশন করে আনন্দ প্রকাশআনা করলে।

🌺বৈষব নিন্দার ফলঃ

১.স্কন্দ পুরানের মতে,
কেউ দি উত্তম বৈষবকে উপহাস করে, তাহলে তার সমস্ত পুন্য, ধন্ সম্পদ,যশ এবং সন্তান বিনষ্ট হয়।

২.পদ্মপুরানের মতে,
যিনি বৈষব মহাত্মাদের যে নিন্দা করে সে তার পিতৃ পুরুষ সহ মহারৌরবে পতিত হয়।

🌹🌼যে ভাবে বৈষ্ণব অপরাধ খন্ড যায়।

১.যে ব্যক্তির গৃহে বৈষব ভোজন করেন,শ্রীহরি স্বয়ং এবং পিতগনেই ও সেই গৃহে অন্নসেবন হয়ে যায়া।

🌺 কারও পরিবারে যদি কেউ বৈষ্ণব হয় তাহলে কি হয়?
এ বিষয়ে নিম্ন শাস্ত্রের আলোকে আলোচনা করা হলো।

১.ভাগবতে প্রহ্লাদ মহারাজ বলেছেন,
কারো পরিবারে যদি কেউ একজন বৈষ্ণব হয় তাহলে ভবিষ্যৎকুল ও অতীতকুল বা ১৪ পুরুষকে উদ্ধার করতে পারে।

২.চৈতন্যচরিতামৃতে গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু বলেছেন,কারো পরিবারে যদি কেউ সন্ন্যাস নেয় তাহলে সে ৩ কোটি পুরুষকে উদ্ধার করতে পারে।

🌹🌺🌹হরেকৃষ্ণ 🌹🌺🌹

 # প্রণাম_প্রসঙ্গঃ- # প্রণাম কত প্রকার..? # পুরুষ ও নারীর প্রণাম বিধি কি..? # বিগ্রহের সম্মুখে ফিরে কেন প্রণাম করা হয় না...
26/07/2021

# প্রণাম_প্রসঙ্গঃ-

# প্রণাম কত প্রকার..?
# পুরুষ ও নারীর প্রণাম বিধি কি..?
# বিগ্রহের সম্মুখে ফিরে কেন প্রণাম করা হয় না..?
# কোন শাস্ত্রে প্রণাম বিধি দেওয়া আছে..?

# শাস্ত্র অনুযায়ী প্রণাম করার বিধি দুই প্রকারঃ-(১)সাষ্টাঙ্গ প্রণাম,(২)পঞ্চাঙ্গ প্রণাম।*
# সাষ্টাঙ্গ প্রণামঃ-(১)দুই বাহু,(২)দুই চরণ,(৩)দুই জানু,(৪)বক্ষ,(৫)মস্তক,(৬)দৃষ্টি (৭)মন ও (৮)বচন।এই আটপ্রকার অঙ্গ দ্বারা দণ্ডবৎ (লাঠিকে দাঁড় করিয়ে ছেড়ে দিলে যেমনভাবে পড়ে যায়,অর্থাৎ পূর্ণ সমর্পন) প্রণতি নিবেদন করাকে "সাষ্টাঙ্গ প্রণাম "বলা হয়।বাহু,চরণ,জানু,বক্ষ,শির (মস্তক)মাটিতে স্পর্শ করে চক্ষু ঈষৎ উন্মীলিত করে সোজাভাবে প্রণাম নিবেদন কর্তব্য।🙇প্রণামের ভাবধারা এইরকম থাকে যে ভগবানের পাদপদ্মযুগলে মাথা রেখে,ডান হাতে ভগবানের ডান চরণ ও বাম হাতে ভগবানের বাম চরণ ধারণ করে প্রার্থনা করতে হবে "হে প্রভূ!মৃত্যুরূপ সাগর থেকে ভীত ও শরণাগত,আমাকে রক্ষা করুন।" 'প্রপন্নং পাহি মামীশ ভীতং মৃত্যুগ্রহার্ণবাৎ।'(ভাগবত ১১/২৭/৪৬) এই প্রণাম নিবেদন করা একমাত্র পুরুষদের বিধেয়।*
☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*💥পঞ্চাঙ্গ প্রণামঃ-🙏(১)দুই জানু,(২)দুই বাহু,(৩)মস্তক,(৪)মন ও (৫)বচন-এই পাঁচ অঙ্গ দ্বারা প্রণাম কে 'পঞ্চাঙ্গ প্রণাম' বলা হয়।*
*💥পূর্বে সাষ্টাঙ্গ প্রণাম আলোচনায় যেভাবে ভগবানের চরণে মস্তক রেখে স্মরণ করে প্রণাম করার কথা বলা হয়েছে তেমনভাবে এই পঞ্চাঙ্গ প্রণাম মহিলাদের ক্ষেত্রে বিধেয়।*🙏
*💥অত্যন্ত ভীড়,ঠেলাঠেলি কিংবা চলন্ত গাড়ির মধ্যে থেকে কোন মতে হাত জোড় 🙏করে মাথায় বৃদ্ধাঙ্গুলি স্পর্শ করে প্রণাম নিবেদন করলেও মন্দিরে এসে অবশ্যই সাষ্টাঙ্গে বা পঞ্চাঙ্গে প্রণাম করাই কর্তব্য।*
*💥দাঁড়িয়ে থেকে শ্রী বিগ্রহের উদ্দেশ্য একটি আঙুল কপালে ছুঁয়ে প্রণাম🙋 নিবেদনের আধুনিক রীতি কখনোই উপযুক্ত নয়।*
*💥কোথায় প্রণাম করতে নেই?-ভগবদ্ বিগ্রহের সম্মুখে সামনাসামনি ফিরে,বিগ্রহের পিছনে,বিগ্রহে বামদিকে,খুব কাছে,গর্ভমন্দিরে প্রণতি নিবেদন করা উচিত নয়।*
*"অগ্রে পৃষ্ঠে বামভাগে সমীপে গর্ভমন্দিরে।*
*জপ হোম নমস্কারান্ন কুর্যাৎ কেশবালয়ে।।"*
-------------------------------
*💥জপ বা হোম করতে করতে প্রণাম করা উচিত নয়।ভগবানের শ্রীপাদপদ্মের দক্ষিণ পার্শ্বে,কিঞ্চিত দূরে প্রণাম করতে হয়।*
*"মৎপাদয়োর্দক্ষিণপার্শ্বে কিঞ্চিদ্দূরে শিরঃকৃত্বা বন্দেত।(শ্রীল বিশ্বনাথ চক্রবর্তী)*
*💥কেন বামদিকে প্রণাম করতে হয়? *ভগবানের সম্মুখে গরুড়দেবের অবস্থান।প্রণাম নিবেদন কালে ভগবানের সম্মুখ দিকে অবস্থিত গরুড়দেবকে প্রণামকারীর দক্ষিণদিকে রেখে বামদিকে প্রণাম করতে হয়।ভগবানের অতি কাছে প্রণাম করতে নেই।*
*গরুড়ং ভগবদ্ অভিমুখে বর্তমানং দক্ষিণে*
*কৃত্বেতি ভগবত পুরোভাগে পৃষ্ঠদেশে*
*বামেহত্যন্তনিকটে চ প্রণাম নিষেধাৎ।।*
*(আগম শাস্ত্র)*
*💥কমপক্ষে তিনবার প্রণাম কর্তব্য।বেশি প্রণাম নিবেদন যার যেমন ভাব অনুযায়ী করতে পারেন,এতে কোন দোষ নেই।*
*💥এই সমস্ত প্রণামবিধি গৌরপার্ষদ শ্রীল গোপাল ভট্ট গোস্বামী রচিত "শ্রীশ্রীহরিভক্তিবিলাস"গ্রন্থে অষ্টম বিলাসে ১৬১-১৬৩ শ্লোকে উল্লেখ রয়েছে।*
------------------------------------------------------------------------------

সদা সর্বদা শ্রী শ্রী রাধা ও কৃষ্ণের পাদপদ্মের কথা স্মরণ করুন, তাহলে শ্রীকৃষ্ণের দ্বারা আপনার জন্য বরাদ্দকৃত কার্য সম্পাদন করতে কোনও অসুবিধা অনুভব করতে হবে না।

জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে শ্রীকৃষ্ণের কৃপার প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও ভরসা রাখতে হবে।
শ্রীকৃষ্ণের পবিত্র নামটিতে অসাধারণ আধ্যাত্মিক শক্তি রয়েছে কারণ শ্রীকৃষ্ণের নাম স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণের থেকে আলাদা নয় ....

ঐকান্তিক ভালবাসা এবং নিষ্ঠার সাথে এই নামগুলি জপ করুন তবেই আপনি চিণ্ময় আনন্দ অনুভব করবেন:

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ..

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করুন এবং সুখী হন ..

ক= কলিযুগে কৃষ্ণচন্দ্র গৌররূপে আসেখ= খোল-করতাল নিয়ে মাতে কীর্তন উল্লাসেগ= গিরিধারী গোবিন্দ ব্রজের জীবনঘ= ঘরে ঘরে সবে কর...
25/07/2021

ক= কলিযুগে কৃষ্ণচন্দ্র গৌররূপে আসে
খ= খোল-করতাল নিয়ে মাতে কীর্তন উল্লাসে
গ= গিরিধারী গোবিন্দ ব্রজের জীবন
ঘ= ঘরে ঘরে সবে কর নাম সংকীর্তন
ঙ= শঙ্খের পরশে ধ্রুব জ্ঞান লভিল
চ= চন্দন সুবাসে হরি আনন্দিত হল
ছ= ছয় গোঁসাই করে বৃন্দাবনে বাস
জ= জগতে প্রসিদ্ধ নামাচার্য হরিদাস
ঝ= ঝুলন বেদীতে রাধাকৃষ্ণ বিরাজিত
ঞ= গোঁসাঞি অদ্বৈত প্রভু জগৎ পূজিত
ট= টিয়াপাখি বৃন্দাদেবীর অতি অনুগত
ঠা= ঠাকুর মশাই আছেন যজ্ঞেতে রত
ড= ডাকাতের পিঠে চড়ে ছোট্ট নিমাই
ঢ= ঢাক বাজিয়ে দুর্গা মাকে আহবান জানাই
ণ= বেণুধারী বাজায় বেণু নাচে বৃন্দাবন
ত= তুলসী মঞ্জরি কর কৃষ্ণে সমর্পণ
থ= থৈ থৈ জলে কৃষ্ণের জমুনা বিহার
দ= দুষ্ট কংসেরে কৃষ্ণ করেন সংহার
ধ= ধেনু চরায় বৃন্দাবনে কানাই বলাই
ন= নদীয়ায় বিলায় নাম নিমাই নিতাই
প= পাদসেবন নববিধা ভক্তির এক অঙ্গ
ফ= ফাল্গুনে আবির্ভূত হলেন গৌরাঙ্গ
ব= বিষপানে নীলকণ্ঠ হল মহাদেব
ভ= ভক্ত হরিদাসের প্রিয় শ্রীচৈতন্যদেব
ম= ময়ূরপুচ্ছ করে কৃষ্ণের মস্তক শোভন
য= যমুনায় কৃষ্ণ করেন কালীয় দমন
র= রাধাঠাকুরাণী হন বৃন্দাবনেশ্বরী
ল= লক্ষ্মীদেবী হন সর্ব ধনের অধীশ্বরী
শ= শুকমুখে ভাগবত শোনেন পরীক্ষিৎ
ষ= ষড়ভূজ রূপে গৌর হল প্রকাশিত
স= সর্বজনাশ্রয় কৃষ্ণ জগতের প্রাণ
হ= হরেকৃষ্ণ আন্দোলন কর যোগদান
ড়= গরুড়ের পিঠে চড়ে লক্ষ্মী নারায়ণ
ঢ়= আষাঢ়ে জগন্নাথ করেন রথে আরোহন
য়= হায়! হায়! বদ্ধজীব কত পাপ করে
ৎ= মৎস্যরূপে কৃষ্ণ এলেন জগৎ উদ্ধারে
ং= হংস বাহন ব্রহ্মা করেন সৃজন
ঃ= দুঃখ মোচন করেন শ্রীমধুসূদন
ঁ= গৌরাচাঁদ প্রচারিলেন নাম সংকীর্তন।।
#হরে_কৃষ্ণ

"""""""""""""""""""হরে কৃষ্ণ"""""""""""""""""শ্রীরূপ সনাতন ভট্ট রঘুনাথ।শ্রীজীব গোপাল ভট্ট দাস রঘুনাথ।।এই ছয় গোসাঞির করি ...
24/07/2021

"""""""""""""""""""হরে কৃষ্ণ"""""""""""""""""

শ্রীরূপ সনাতন ভট্ট রঘুনাথ।
শ্রীজীব গোপাল ভট্ট দাস রঘুনাথ।।
এই ছয় গোসাঞির করি চরণ বন্দন।
যাহা হইতে বিঘ্ন নাশ অভিষ্ট পূরণ।।
এই ছয় গোসাঞি যবে ব্রজে কৈলা বাস।
রাধা-কৃষ্ণ নিত্য লীলা করিলা প্রকাশ।।
এই ছয় গোসাঞি যাঁর মুঞি তাঁর দাস।
তা সবার পদরেণু মোর পঞ্চগ্রাস।।
এ ছয় গোসাঞি প্রভু মোরে কর দয়া।
আমি চরণে শরণ নিলাম দেহ পদছায়া।।

👉তিলক কি? কারা তিলক কপালে দিতে পারবে এবং তিলকের মহিমা! সকলকে মনোযোগ দিয়ে শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইল।👇আমরা এখন একটি গু...
24/07/2021

👉তিলক কি? কারা তিলক কপালে দিতে পারবে এবং তিলকের মহিমা! সকলকে মনোযোগ দিয়ে শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইল।👇

আমরা এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তিলক নিয়ে আলোচনা করবো। আমাদের দেশে খুব অল্প মানুষ তিলক কপালে দেয়। আমরা দেখতে পারি কোন নামযজ্ঞ কিংবা কির্তনে গেলে মানুষের কপালে তিলক দেওয়া হয়। আমরা সাধারণত দেখি বয়স্ক মানুষদের তিলক কপালে দিতে। কিন্তু ধর্ম মানুষের বুড় বয়সে করবার জন্য নয়। শিশু কাল থেকে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত আমাদের হরি নাম করা উচিত। কপালে তিলক দিয়ে হরি নাম করলে হরি কৃপা অবশ্যই করে। আসুন আজ আমরা তিলকের মহিমা জানি।
আমরা যে বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করবো তা সংক্ষেপে একটি ধারণা দিলাম নিচেঃ
১/ তিলকের উৎপত্তি কিভাবে।
২/ তিলকে কে কোথায় বাস করেন।
৩/ শ্রীকৃষ্ণ তিলক পরেন কেন।
৪/ শ্রীরাধা রানী তিলক পরেন না কেন।
৫/ তিলক ছাড়া সন্ধ্যা-বন্দনা হবে কি না।
৬/ তিলক দেখে যমরাজ কেন পালায়।
"যজ্ঞো দানং তপো হোমঃ স্বাধ্যায়ঃ পিতৃতর্পণম্।
ব্যর্থং ভব তত্ সর্বমূর্দ্ধপূনড্রং বিনাকৃতং পদ্মপুরাণ ।"
অর্থাৎঃ তিলক ব্যতিরেকে যজ্ঞ ,দান, তপস্যা ,হোম ,বেদ শাস্ত্রাদি পাঠ, পিতৃতর্পণাদি ও শুভ কর্ম যা কিছু করা হয় তা বৃথা হয়ে যায়।
অনেকেই কিন্তু তিলকের ফোঁটা দেন কিন্তু সেটা ঠিক নয়। উর্দ্ধপূনড্র করে অর্থাৎ গৌড়ীয় বৈষ্ণব যেভাবে পরেন।
"তিলকের মহিমা"
কপালে তিলক দেখে মনে হয় দেবী ,
তা নাহলে শুধু মনে হয় জল-ছবি।
তিলক আর ত্রি-লোকে গোবিন্দের বাস,
ভক্তের মাধ্যমে তাঁর মহিমা প্রকাশ।
তিলক দেখে মুখে আসে কৃষ্ণ নাম ,
মৃত্যুকালে নরকে নিতে পারেনা যম রাজ।
শাস্ত্রে আছে তিলকের কত যে মহিমা ,
তিলকের মধ্যে বিষ্ণু, ডানে শিব বামে ব্রহ্মা।
তিলক না থাকে তবে কপাল শ্মশাণ ,
সর্ব কার্যে তিলক করে শুভ শক্তিদান।
শুভ কার্যে কপালে যদি থাকে তিলক ,
সর্বলোকে গুন গায় গতি উর্ধ্ব-লোক।
তিলকের উৎপত্তি হয় গোপী পদরেনু ,
গোবিন্দের কপালে তিলক বাজায় বেনু।
তিলক থাকে গোপীদের চরণ কমলে ,
ভক্তের মহিমা বাড়াতে কৃষ্ণের কপালে।
গোপী পদরেনু তাই রাধার কপালে তিলক নাই ,
তিলক বিনে গুরু-কৃষ্ণ সেবা বিফলে গেল ভাই।

বিঃ দ্রঃ একবার কিছু ভক্ত সন্ধ্যা আরতি করে মহাপ্রভুকে প্রণাম নিবেদন করলেন। তখন মহাপ্রভু জানতে চাইলেন সন্ধ্যা আরতি করেছ। ভক্তেরা হাঁ বলেন। প্রভূ তখন বললেন তিলক ব্যাতিত সন্ধ্যা আরতি হবে না। তোমরা সবাই তিলক পড়ে আস। তিলক করে পূনরায় সন্ধ্যা আরতি করে আস।

শ্রীচৈতন্যমঙ্গল রচয়িতা শ্রীলোচন দাস ঠাকুর গেয়েছেন-
“তিলক ধারন না করে যে জন,
বৃথা জনম তার ।।”

বিষ্ণু পুরাণে বিষ্ণুদেব নারদ কে বলেছেন,
নারদ আমার প্রিয় ভক্ত সেই হয় যে আমার গুণ কীর্তন সর্বদা করে কপালে চন্দন পরিধান করে, যে ভক্ত কপালে চন্দন পরিধান করে না সে ভক্তের কপাল শশানে পরিণিত হয়! পবিত্র চন্দন শরীরে লেপন করলে পাপ ও অশুভ শক্তি বিনষ্ট হয়!

বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কি?
বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে জানতে পারে কপালে চন্দন দিলে মস্তিষ্ক ঠান্ডা রাখে, ধর্য্যশক্তি বৃদ্ধি করে, মনকে শান্ত রাখে!

সুতরাং সকল সনাতনধর্ম পালনকারীদের কপালে চন্দনের তিলক দেওয়া উচিত। এতে আমাদের মন প্রভুর দিকে ধাবিত হবে আর মুখে হরি নাম থাকবে।
জয় শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ।
শ্রীঅদ্বৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌরভক্তবৃন্দ।
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।

#তিলকের_উদ্ভব_কোথাথেকে_হয়েছে❓
#রাধারাণী_এবং_ব্রজগোপিকারা_কেন_তিলক_পরেন_না❓
✍দ্বারকাতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সবসময় শ্রীরাধিকা তথা ব্রজগোপিকাদের কথা মনে করে কষ্ট পেতেন। এসব দেখে রুকমিনি, সত্যভামা তথা দ্বারকার সকল মহিষী গণ ভগবানকে বলেন,----ব্রজগোপিকারা কেমন ছিল ! তুমি বারবার শুধু তাঁদের কথা চিন্তা করো! শুনেছি তুমি তাঁদের সাথে রাসলীলা করেছ! তাহলে আমাদের সাথেও তোমার রাসলীলা করতে হবে।

✍এই কথা শুনে ভগবান বললেন, তোমরা রাসে অংশ নিতে চাও? ঠিক আছে! তবে আজ মধ্যরাতে বনের ভিতর বসে আমি বাঁশি বাঁজাবো! তোমরা ওই সুর ধরে চলে এসো।

✍এদিকে বড়ভাই বলরামকে কৃষ্ণ আজ এক বিশেষ পাহাড়ার ব্যাবস্থা করতে বললেন এবং এও বললেন, তিনি যেন নিজে দাঁড়িয়ে থেকে পাহাড়া দেন!

✍মধ্যরাতে কৃষ্ণতো বাঁশি বাঁজাচ্ছেন কিন্তু তাঁর মহিষীগন ভাসুর বলরামকে দেখে আর তাঁর সামনে দিয়ে কৃষ্ণ অভিসারে যেতে পারল না! সারারাত বনের মধ্যে কাটিয়ে ভোরবেলা কৃষ্ণ প্রাসাদে ফিরে এলো। তিনি এসে মহিষীগনের বনে না যাওয়ার কারন জানতে চাইলে তাঁরা প্রাসাদের বাইরে ভাসুর বলরামের উপস্থিতির কথা বললেন।

✍কিন্তু কৃষ্ণ তখন বললেন ---- তোমরা দাদা বলরামকে দেখে লজ্জা বশত অভিসারে যেতে পারনি। কিন্তু আমার ব্রজগোপিকারা কখনোই আমার বাঁশির সুর উপেক্ষা করেনা। আমি বাঁশি বাঁজিয়ে ডাকলে তারা মা-বাবা, স্বামী-সন্তান প্রভৃতি সবাইকে উপেক্ষা করে আমার সাথে দেখা করতে চলে আসে। তাঁদের মনে তখন কোন লজ্জা, ভয়, অপমান, সম্মান কিছুই থাকে না! এটাই ব্রজগোপিকাদের প্রেম!এই প্রেমের কারনেই আমি তাঁদের নিকট ঋণী! আমাকে ভালোবেসে যা গোপিকারা করতে পারে তা আর কেউ পারে না!

✍দেখ তোমরা রাতে প্রাসাদে থাকলে কিন্তু কেউ চিন্তা করলে না সারারাত বাইরে থাকলে আমার ঠান্ডা লেগে যাবে! আমাকে ঠান্ডায় বাইরে রেখে ব্রজগোপিকারা কখনোই ঘরে থাকতে পারত না!

✍এই ঠান্ডা লাগার কারণে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের খুব জ্বর এবং মাথা ব্যাথা হয়েছিল!তিনি অসুখে ভিষণ কষ্ট পাচ্ছিলেন! এমন সময় নারদ এসে ভগবানকে জিজ্ঞেস করলেন কি করলে তাঁর এই অসুখ সেরে যাবে❓

✍ভগবান বললেন ----" যদি আমার মস্তকে আমার ভক্তের চরণধূলি দিতে পার তবেই আমি এই রোগ থেকে মুক্তি লাভ করতে পারব! কিন্তু নারদ চিন্তা করলেন, এমন কোন ভক্ত আছেন যিনি তাঁর চরণের ধূলি ভগবানের মস্তকে দিতে সাহস করবেন!

✍নারদ মুনি দ্বারকার ভগবানের মহিষীগনের নিকট গিয়ে তাঁদের চরণধূলি চাইলেন। কিন্তু কোন মহিষীই তা দিতে সম্মত হলো না। তাঁরা বলল প্রাণেশ্বরকে আমাদের চরণধূলি দিলে আমাদের নরকে যেতে হবে। আমরা নরকে যেতে পারব না।এমনিভাবে নারদ ব্রহ্মাণ্ডের সকল জায়গাতেই ভগবানের ভক্তদের নিকট গেলেন কিন্তু কেউই নরকবাসের ভয়ে তাঁদের চরণধূলি দিতে সম্মত হলেন না।

✍অবশেষে নারদ মুনি ব্রজধামে গেলেন! সেখানে নারদমুনিকে দেখেই গোপিকারা জিজ্ঞেস করলেন ----হে নারদমুনি বলো আমাদের কৃষ্ণ কেমন আছেন❓ সে কি আমাদের একেবারেই ভুলে গেছে!

✍নারদমুনি বললেন --কৃষ্ণ ভগবান তো খুবই পীড়াগ্রস্ত! সারাবিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড খুঁজেও সেই পীড়ার প্রতিকার পেলাম না। তাই খুঁজতে খুঁজতে আমি এখন ব্রজধামে এসেছি। যদি এখানে পেয়ে যাই সেই আশায়!

✍একথা শুনে রাধারাণী সহ ব্রজের সকল গোপিকারা জিজ্ঞেস করল-- কি সেই ওষুধ যা দিয়ে আমাদের প্রাণগোবিন্দের রোগমুক্তি হবে ? নারদমুনি বললেন ----ভগবান বলেছেন, যদি কোন ভক্ত তাঁর পদরজ ভগবানকে প্রদান করেন তবে সেই পদরজ ভগবানের মস্তকে দিলেই ভগবানের রোগমুক্তি হবে।

✍গোপিকারা বললেন ----এই কথা! তবে এখুনি আপনি আমাদের পদরজ নিয়ে যান!আমরা এখুনি দিয়ে দিচ্ছি! তারাতাড়ি গিয়ে কৃষ্ণের কপালে এই রজ লাগিয়ে দিন। নারদ মুনি বললেন এতে কিন্তু তোমাদের নরকবাস হতে পারে...! গোপিকারা বলেছিলেন, ---কৃষ্ণের আরোগ্যের জন্য আমরা জন্মান্তরধরে নরকে থাকতে রাজি আছি কিন্তু আমাদের প্রাণগোবিন্দ যেন সুস্থ হয়ে যায়! আহাঃ জ্বরে কতো কষ্টই না পাচ্ছেন আমাদের মধুসূদন!

✍নারদমুনি অবাক হয়ে গেলেন! গোপিরা নারদমুনির গাঁয়ের নামাবলী নিয়ে তাতে তাঁদের পদরজ রেখে একটি পুটলি বেঁধে দিলেন। তারা এটাও ভাবলেন না নামাবলী যা অত্যন্ত পবিত্র!এতে চরণ লাগলেও পাপ হয়! এরকম গভীর ছিল গোপিদের কৃষ্ণের প্রতি প্রেম! নারদমুনি গোপিকাদের প্রেম দেখে বাকশূণ্য হয়ে গেলেন এবং অশ্রু বিসর্জন করতে লাগলেন!

✍নারদমুনি তারাতাড়ি করে দ্বারকাতে ফিরে এসে ভগবানের কপালে গোপিদের চরণধূলি লাগিয়ে দিলেন এবং সাথেসাথেই কৃষ্ণের রোগমুক্তি হলো!

✍তখন ভগবান সবাইকে বললেন ----বিশ্বের কারোর সাথেই ব্রজগোপিকাদের প্রেমের তুলনা হবে না।তাই তাঁরা সর্বদা আমার হৃদয়ে বাস করে! এইজন্যেই আমি তাঁদের চরণধূলি আমার মস্তকে ধারণ করি! কেউ যদি আমাকে পেতে চায় তবে সর্বপ্রথম তাকে গোপিকাদের চরণের স্মরণ নিতে হবে! গোপিদের চরণ স্মরণ ছাড়া কৃষ্ণকে কোনদিনও পাওয়া যাবে না।

✍সেই থেকে সকল কৃষ্ণপ্রেমি ভক্তগন তাঁদের কপালে তিলক করেন! তিলক করা ভগবানের এই লীলার মাধ্যমেই এসেছে। অর্থাৎ এই তিলক আর অন্যকিছু নয় ব্রজগোপিকাদের চরণধূলি! তাই এই তিলককে গোপি চন্দন বলা হয়। গোপি চন্দন দ্বারকা থেকে এসেছে।যাঁরা যাঁরা গোপি চন্দন ব্যাবহার করছেন তাঁরা সবাই দ্বারকা থেকে আগত গোপিদের পদধূলি মস্তকে ধারণ করছেন!

✍আপনারা লক্ষ্য করবেন --- শুধু পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণই নন তাঁর স্বাংশ প্রকাশ শ্রীবিষ্ণু তথা সকল অবতারের কপালেই তিলক করা আছে। অর্থাৎ ভগবান সহ তাঁর সকল প্রকাশই ব্রজগোপিকাদের চরণধূলিকে তাঁদের মস্তকে ধারণ করছেন।

✍এথেকে আমরা কি বুঝি.❓ এটাই বুঝি যে ভগবান সর্বদাই তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ ভক্তকে তাঁর মস্তকে রাখেন।

এজন্যেই শাস্ত্রে ভগবান স্বয়ং বলেছেন -----
ভক্তের পেছনে চলি আমি বাঁজাইয়া বেণু!
গাঁয়ে মেখে ভক্তপদরেণু!

কেন রাধারাণী তথা ব্রজগোপিকারা তাঁদের কপালে তিলক করেন না...❓

✍তিলকতো স্বাক্ষাৎ রাধারাণী এবং ব্রজগোপিকাদের চরণরেণু! যা পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তথা তাঁর সমগ্র বিশ্বের সকল প্রকাশ, সকল বৈষ্ণব ভক্তবৃন্দ তাঁদের মস্তকে ধারণ করেন! কিন্তু ব্রজগোপিরা কি করে তাঁদের নিজেদের চরণধূলি নিজেদের মস্তকেই ধারণ করবেন... ❓ যা সম্ভব নয় এবং এর প্রয়োজনীয়তাও নেই! যাঁদের চরণধূলি এতটা পবিত্র যা সমগ্র বিশ্ব মস্তকে ধারণ করেন তাহলে ভাবুন তাঁদের মস্তক কতটা চিন্ময়...!!!!
ভুল বললাম!!! রাধারাণী এবং ব্রজাঙ্গনাদের সমগ্র শরীরই চিন্ময় প্রেমের তৈরি! সেখানে আলাদা করে তাঁদের নিজেদেরই চরণের ধূলি তাঁদের নিজেদের মস্তকে লাগানোর কোনই প্রয়োজনীয়তা নেই!
-----------------------------------------------------------------------------
পোস্টটি ভাল লাগে অবশ্যই স-কলকে শেয়ার করবেন।
প্রনিপাত

সদা সর্বদা শ্রী শ্রী রাধা ও কৃষ্ণের পাদপদ্মের কথা স্মরণ করুন, তাহলে শ্রীকৃষ্ণের দ্বারা আপনার জন্য বরাদ্দকৃত কার্য সম্পাদন করতে কোনও অসুবিধা অনুভব করতে হবে না।

জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে শ্রীকৃষ্ণের কৃপার প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও ভরসা রাখতে হবে।
শ্রীকৃষ্ণের পবিত্র নামটিতে অসাধারণ আধ্যাত্মিক শক্তি রয়েছে কারণ শ্রীকৃষ্ণের নাম স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণের থেকে আলাদা নয় ....

ঐকান্তিক ভালবাসা এবং নিষ্ঠার সাথে এই নামগুলি জপ করুন তবেই আপনি চিণ্ময় আনন্দ অনুভব করবেন:

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ...(১০৮ বার)

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করুন এবং সুখী হন ...

জয় শ্রীল প্রভুপাদ🙌🙌🙌
জয় শ্রীল গুরুদেব🙌🙌🙌

আপনার বিনীত সেবক
সুন্দর নিত্যানন্দ দাস

যোগাযোগের মাধ্যম : +৯১৫৫৭৮৭০৭৩৬(সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে)

আপনি যদি আমাদের প্রশ্ন করুন উত্তর পাবেন গ্রুপে যুক্ত হতে চান , তাহলে আজই আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত করুন নিজেকে। নিচে টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত লিংক দেয়া হল :
https://t.me/joinchat/mEs6EdXmyPI1NDg1

YouTube Channel Link:
https://www.youtube.com/c/SundarNityanandaD

দয়া করে পোস্টটির নিজস্ব মতামত জানান, এবং আপনার নিকটতম এবং প্রিয় ব্যক্তিদের সাথে লাইক ও শেয়ার করুন যাতে তারা ও কৃষ্ণভাবনাময় হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়... 🙏🙏🙏

19/05/2021

#দীক্ষা নেওয়ার আগে যে বিষয়গুলি #খেয়াল রাখবেন ||

* * মহাপ্রভু #স্বীকৃত ৪ সম্প্রদায় গুলি কি কি||
* * ১৩ টি #অপসম্প্রদায় কি কি ||
* * কার কাছ থেকে দীক্ষা নিবেন ||
* * দীক্ষা #কেন নিবেন ||
* * ৪ সম্প্রদায়ের বাহিরে দীক্ষা নিলে কি #ফল হবে ||
* * অপসম্প্রদায়ের বর্ণনা || 🔶

🌿 কলিযুগ পাবন অবতার শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু স্বীকৃত চার সম্প্রদায়ঃ

১। রামানুজাচার্য (শ্রী সম্প্রদায়)
২। মধবাচার্য ( ব্রহ্ম সম্প্রদায়)
৩। বিষ্ণুস্বামী ( রুদ্র সম্প্রদায়)
৪। নিম্বাকাচার্য ( কুমার সম্প্রদায়)

🌿 আমাদের সমাজে মোট ১৩ প্রকারের অপসম্প্রদায় রয়েছে। ১৩টি অপসম্প্রদায়ের তালিকাঃ

১.আউল
২.বাউল
৩.কর্ত্তাভজা
৪.নেড়া
৫.দরবেশ
৬.সাই
৭.সহজিয়া
৮.সখীভেকী
৯.স্মার্ত
১০.জাত-গোসাই
১১.অতিবাড়ি
১২.চুড়াধারী
১৩.গোরাঙ্গ-নাগরী

🌿 ১৩ টি অপসম্প্রদায়ের বর্ণনাঃ

🔘১. আউলঃ
মায়াবাদের প্রকার বিশেষ এই মতবাদ। নিজেদের ঈশ্বর বলে মনে করে প্রকৃতিকে ভোগ করে যথেচ্ছভাবে। পরনারী সঙ্গ করে। পতিতা বারবণিতা এদের কোন বাচ-বিচার নেই। সকলের সাথে এদের সমন্বয়। অবাধ মেলামেশা,বিধবা লোলুপ। এবং পরস্ত্রী ভুলিয়ে নিতে পারলে এরা আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তোলে।

🔘২. বাউলঃ
এটিও মায়াবাদের মধ্যে। আউল বাউলের মধ্যে আচার ব্যবহার সামান্য পার্থক্য থাকলেও এরা মহাসম্ভোগবাদী।
আচার্য শ্রীল বিনোদ ঠাকুর লিখছেন

বাউল বাউল বলছ বটে বাউল হচ্ছে ক'জনা।
দাড়ি চূড়া রেখে ভাইরে লোককে করছ বঞ্চনা।।

দাড়ি এবং গোফ রেখে এরা ঘুরে বেড়ায়। এরা পরনারী সঙ্গদোষী।পরের নারী নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। নারী পুরুষের অবাধ মিলনে যেন রাধা কৃষ্ণের প্রেম অনুভব হয়।
তাই আবারও ভক্তি বিনোদ ঠাকুর মহাশয় বলছেন

সহজ ভজন করছ মামু
সঙ্গে লয়ে পরের বালা
সখিভাবে ভজছেন তারে
নিজে হয়ে নন্দলালা।।

এসবই তাদের লীলা খেলা।শুক্র,শোণিত, মল মুত্রাদি ভক্ষণ এদের সাধন প্রণালি।

🔘৩. কর্তাভজাঃ
এমতের প্রবর্তক অউলে চাঁদ।এরা গুরুকে কর্তা বলে।গুরুকেই ঈশ্বর ভাবে।গুরুই এদের গৌরাঙ্গ। যেমন, অনুকুল ভক্তরা।হরিচাঁদের দল।এরা ঘোর ভক্তি বিরোধী মায়াবাদি।এদের মাঝে উচ্ছিষ্ট ভোজন প্রথা প্রচলিত আছে।এরা গুরু সত্য হরি সত্য বলে কিন্তু কোন সদাচার পালন করেন না।

🔘৪. নেড়াঃ
কথিত আছে এদের দলে বারশত নেড়া তেরো শত নেড়ী ছিল।
এরা শ্রীনিত্যানন্দাত্মজ বীরভদ্র প্রভুর অনুগব্রুব।বীরচন্দ্র প্রভুর উদ্দেশ্য ছিল এরা সদাচারী হয়ে হরিভজন করুক।কিন্তু প্রভু বীরচন্দ্রের সে ইচ্ছা উদ্দেশ্য সফল হয়নি।তারা স্বতন্ত্রতার অপব্যবহার করে মৎস্য মাংসাদি ভক্ষণ পুর্বক অপকর্মে লিপ্ত হয়।শাস্ত্র ও মহাপ্রভুর ভাবধারা এবং গোস্বামীদের আদর্শকে অবজ্ঞা করায় এরা নেড়া বলে কথিত হয়।

🔘৫. দরবেশঃ
এরা প্রচ্ছন্নবাদী। কারাগার থেকে বিমুক্ত হওয়ার অছিলায় কারারক্ষী কে শ্রীল সনাতন গোস্বামীপাদ ৭০০০ মুদ্রা দিয়ে বলেন, তিনি দরবেশ সেজে মক্কায় যাবেন।কিন্তু সনাতন গোস্বামী মহাপ্রভুর দর্শন করেন কাশিধামে।সেখানে মহাপ্রভুর কাছে সম্বন্ধ,অভিধেয় এবং প্রয়োজন তত্ত্ব প্রসঙ্গে উপদেশ গ্রহণ করেন।কিন্তু কতক দুর্ভাগা সনাতন গোস্বামীপাদের উদ্দেশ্য না বুজতে পেরে কৃত্রিম উপায়ে দরবেশ সেজে সনাতন ধর্মকে উপেক্ষা করে স্ফটিক ও প্রবালের মালা এবং আলখেল্লা পরিধান করে, দাড়ি, চুল রেখে যত্রতত্র আহার বিহার করে ঘুরে বেড়ায়।

🔘৬. সাঁইঃ
এরা প্রায় বাউলের মতই। নির্বিশেষবাদি। আলোক সাঁই,ক্ষিরোদ সাঁই,গর্ভ সাঁই,নানক সাঁই এদের উপদেষ্টা ছিল। এরা অহিন্দু আচার পালন করে।

🔘 ৭. সহজিয়াঃ
চিন্ময় ধর্মের বিকৃত প্রতিফলন কারী এরা।ভগবানের জন্ম কর্ম নিত্য এই তত্ত্ব এরা মানে না।যেমন আমরা কিছু ব্যক্তি আছি।তারা বলেন কৃষ্ণ রক্ত মাংসের গড়া।তা না হলে জরা ব্যাধের শরাঘাতে কেন বিদ্ধ হবে।মাধাইয়ের কলসির আঘাতে নিতাইয়ের মাথা কেন ফাটবে।নিমাই যদি শৌক্র জন্ম না হবেন তবে কেন শচী জগন্নাথ তাঁর মা বাবা হবেন ইত্যাদি তাদের ভাবনা।গীতার মতে এরা মূঢ়।
অবজান্তি মাং মূঢ়া, মানুষীং তনুমাশ্রিতম্।
এই দলের লোকরা বৈষ্ণবে জাতিবুদ্ধি,গুরুকে মর্তবুদ্ধি,প্রসাদকে ডাল ভাত মনে করে।নীচু জাতির স্পর্শে এদের পবিত্রতা নষ্ট হয়ে যায়।

🔘৮. সখিভেকিঃ
এরা বিবর্তনবাদি।নিজের মরদেহকে সখি বা গোপি ভেবে চুল রেখে, খোপা বাধে।শাখা সিদুর, শাড়ি চুড়ি, পায়ে আলতা ধারন করে।
এরা কখন ললিতা,কখনও বিশাখা,কখনও বা চম্পকলদা সখি সেজে গোফ দাড়ি সেফ করে হিজড়ের ন্যায় সেজে কৃষ্ণ সেবার ভান করে।

🔘৯. স্মার্তঃ
যার প্রবর্তক নবদ্বীপের রঘুনন্দন ভট্টাচার্য
তিনি অসুরদের বিধি বিধান দিয়ে গেছেন।এটা কল্পিত। নবদ্বীপের ভঙ্গ কুলিন ব্রাহ্মণ কুলোদ্ভুত রঘুনন্দন এই জড়কর্মস্মার্ত মতের তথা পাপের পথের জন্মদাতা।

১০. জাত গোঁসাইঃ
যেটা আমরা আমাদের সমাজে দেখতে পারছব।গোঁসাই গীরিই এদের পেশা।গুরুর ছেলে গুরু আবার তার ছেলেও গুরু।এদের চৌদ্দ গুষ্ঠি গুরু।শির্ষ্যরা এদের কাছে ক্রিতদাস।এরা মহাপ্রভুর নাম ভাঙায় খাই।সে বাড়ির শিষ্য টাকা দিতে পারবে সেটা ভাল।পান বিড়ি সিগারেট গুল সেবন করে।দেখা যাবে বড় সাধু কিন্তু কাজের বেলা অসাধু।
এরা সদাচারী না।দীক্ষা দেই সেই শিষ্য মুরগির চরণ সেবা করে।গুরুও মাঝে মাঝে সেবা করে।যারা যে মন্ত্র চাই তাকে সেই মন্ত্র দান করে।শিষ্য বাড়ানোর কু মতলব।

🔘১১. অতি বাড়িঃ
উৎকল দেশের জগন্নাথ দাস নামক বৈরাগী এই মতের প্রচারক।
মহাপ্রভুর শিক্ষাকে অতি মার্জিত করার মানসে এরা খুব বাড়াবাড়ি করে।
তাই এদের অতি বাড়ি বলে অভিহিত।
কথায় বলে বেশি বাড়া ভাল না ঝড়ে ভেঙে যাবে।

🔘১২. চুড়াধারীঃ
এটিও অসম্প্রাদায়
এরা ভোগবাদি,নিজে কৃষ্ণ ভেবে চুড়া ধারন করে।কৃষ্ণের ন্যায় বাঁশি বাজাই। এরা সকল প্রকার ব্যভিচারগ্রস্হ

🔘১৩. গৌরাঙ্গ নাগরীঃ
এটি কাল্পনিক মতবাদ।
গৌর কৃষ্ণ অভিন্ন। এই অভিন্নতা ভেবে সন্ন্যাসী শিরোমনি শ্রী গৌর সুন্দর কে গৌরাঙ্গ নাগর ভেবে তারা পুজো করে।কিন্তু তারা জানে না শ্রীকৃষ্ণ নাগর হলেও গৌর নাগর নহেন। যদিও কৃষ্ণ গৌরাঙ্গ তবু গৌরাঙ্গ নাগর নহেন তার এই লীলায়। তাই মহাত্মা তোতারাম এদেরও সঙ্গ করতে নিষেধ করছেন।

🔴এসকল স্বীকৃত ৪ সম্প্রদায় এবং ১৩ অপসম্প্রদায়ের কথা শাস্ত্রের কোথায় আছে, এবং এসকল স্বীকৃত সম্প্রদায় থেকেই কেন দীক্ষা নিবেন তার সব শাস্ত্রীয় প্রমাণ দেওয়া হলো নিচে 🔴

🌿 শুদ্ধভক্তি-প্রতিকূল কত রকমের অপসম্প্রদায় রয়েছে? সেগুলি কে আবিষ্কার করেছেন?

"আউল, বাউল, কর্তাভজা, নেড়া, দরবেশ, সাঁই।
সহজিয়া, সখীভেকী, স্মার্ত, জাত-গোসাঞি।।
অতিবাড়ী, চূড়াধারী, গৌরাঙ্গ-নাগরী।
তোতা কহে, এ তেরর সঙ্গ নাহি করি।।"
(সূত্রঃ গৌড়ীয়-কণ্ঠহার-১৩-১১১)

অসৎ সম্প্রদায় বা অপসম্প্রদায়ের তেরটি নাম উল্লিখিত হয়েছে। আউল, বাউল, কর্তাভজা, নেড়া, দরবেশ, সাঁই,
সহজিয়া, সখীভেকী, স্মার্ত, জাত-গোসাঞি, অতিবাড়ী, চূড়াধারী, গৌরাঙ্গ-নাগরী। এই তের প্রকার অপসম্প্রদায় শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর পথ পরিত্যাগ করে ব্যভিচারী হয়েছে।

🔘শ্রীল তোতারাম দাস বাবাজী মহারাজ এই তালিকা দিয়েছেন।
তিনি ছিলেন পশ্চিমদেশীয়। বর্তমান শহর নবদ্বীপে তাঁর বড় আখড়া আছে। তাঁর তীব্র শাসন ছিল। তাঁর ইচ্ছা ছিল যে, নবদ্বীপে বসে কেউ যেন ধর্মের নামে ব্যভিচার না করে। তিনি বর্তমান শহর নবদ্বীপের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

🌿পদ্মপুরাণে দেখা যায়,---

সম্প্রদায়বিহীনা যে মন্ত্রাস্তে নিষ্ফলা মতাঃ। অতঃ কলৌ ভবিষ্যন্তি চত্বারঃ সম্প্রদায়িনঃ।
শ্রী-মাধ্বী-রুদ্র-সনকা বৈষ্ণব্য ক্ষিতিপাবনাঃ। চত্বারস্তে কলৌ দেবী সম্প্রদায়প্রবর্ত্তকাঃ॥১॥

অর্থাৎ, যাঁরা সম্প্রদায়-বিহীন বা কোনও সম্প্রদায়-ভুক্ত নন, তাঁদের মন্ত্র ফলদায়ক হয় না। এইজন্য কলিকালে
শ্রী, মাধ্বী, রুদ্র ও সনক এই চারজন ক্ষিতি-পাবন বৈষ্ণব আবির্ভূত হয়ে চারটি সম্প্রদায় প্রবর্ত্তন করবেন।

🌿 ''শ্রী ব্রহ্ম রুদ্র সনক বৈষ্ণব ক্ষিতিপাবন,
চত্বারন্তে কলৌ ভব্য হি উৎকলে পুরুষোত্তম''।।পদ্মপুরান।।

অর্থাৎ জগতের পবিত্রতা সম্পদানকারী শ্রী, ব্রহ্ম, রুদ্র ও সনক, এই কলিযুগে চারটি সম্প্রদায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ থেকে বা উৎকল দেশ পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীজগন্নাথ থেকে আবির্ভূত হবে।।

🌿 ভক্তমাল-গ্রন্থে দেখতে পাই,---

“রামানুজং শ্রীঃ স্বীচক্রে মধ্বাচার্য্যং চতুর্ম্মুখঃ। শ্রীবিষ্ণুস্বামিনং রুদ্রো নিম্বাদিত্যং চতুঃসনঃ॥”

অর্থাৎ-শ্রী (লক্ষ্মী) রামানুজকে, চতুর্ম্মুখ (ব্রহ্মা) মধ্বাচার্য্যকে, রুদ্র (মহাদেব) শ্রীবিষ্ণুস্বামীকে এবং চতুঃসন
(সনক, সনন্দ, সনাতন, সনৎকুমার) নিম্বাদিত্যকে আপনি আপন সম্প্রদায়-প্রবর্ত্তকরূপে স্বীকার করেন।
এই চার সম্প্রদায় হতে অসংখ্য বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হয়েছে।”

🌿 কেন দীক্ষা নিবেন ❓কার কাছ থেকে দীক্ষা নিবেন ❓ অপসম্প্রদায় থেকে দীক্ষা নিলে তার কি ফল হবে❓

আমাদের ইন্দ্রিয়সমুহ অপুর্ণ তাই আমরা পরম সত্যকে জানতে পারি না। যেমন কোন বিষয়ে জ্ঞান লাভ করতে হলে আমরা সে বিষয়ের জ্ঞানীর নিকট হতে শিক্ষা লাভ করি। তেমনি পরমার্থজ্ঞান লাভ করতে হলে তত্ত্বদর্শী ব্যাক্তি বা পরমার্থতত্ত্ববেত্তা পুরুষের আশ্রয় গ্রহন করতে হয়। এবং এই তত্ত্বদ্রষ্টা পুরুষ হলেন গুরুদেব। এই গুরুদেবও একান্তভাবে আশ্রিত যথার্থ ও যোগ্য শিষ্যের মত কোন তত্ত্বদর্শী ব্যাক্তি বা গুরুদেবের কাছ থেকে এই জ্ঞান লাভ করেছেন। এবং পরবর্তীতে তিনি আবার এই কর্মসাধ্য পারমার্থিক জ্ঞান তার যোগ্য শিষ্যের মাঝে দান করেন।

🌼এইভাবে যথার্থ শিষ্য পরম্পরার মাধ্যমে আদিগুরু পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ থেকে এই জ্ঞান প্রবাহিত হয়েছে। এবং পরবর্ত্তীতে তা একাধিক ধারা বা গুরুপরম্পরা রুপ বা সম্প্রদায় সৃষ্ট হয়েছে।
তাই শুদ্ধ পরম্পরা ধারা বা সম্প্রদায়ের সাথে যুক্ত না হলে জীবের পারমার্থিক জীবন, তার ইহলোক ও পরলোক দুটোই নষ্ট হয়।

🌼এই চারটি সম্প্রদায়ে চারজন আচার্য্য দ্বারা কলিযুগে পারমার্থিক জ্ঞান প্রবাহিত হয়েছে।
১। রামানুজাচার্য (শ্রী সম্প্রদায়)
২। মধবাচার্য ( ব্রহ্ম সম্প্রদায়)
৩। বিষ্ণুস্বামী ( রুদ্র সম্প্রদায়)
৪। নিম্বাকাচার্য ( কুমার সম্প্রদায়)

🌼শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এই চারটি সম্প্রদায় ছাড়া অন্যান্য নিজ মনগড়া অপসম্প্রদায়গুলিকে ত্যাগ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

🌼শাস্ত্র ও তত্ত্ববিদ্গনের মতে চারটি শুদ্ধ পরম্পরায় ধারা বর্তমান আছে এর বাইরে বিভিন্ন সময়ে যত সম্প্রদায় সৃষ্ট হয়েছে তা সবই অপসম্প্রদায়।

🌿 যারা উপরোক্ত এ চার সম্প্রদায়ের বাহিরে দীক্ষা নিবেন, তাদের জনম বৃথা যাবে এবং পরবর্তী জনমে পশুযোনী প্রাপ্ত হবে।

🌼তাই মানব জীবন স্বার্থক করতে হলে, গোলকধাম- যা আমাদের সত্যিকারের গন্তব্যস্থান, সেখানে যেতে হলে অবশ্যই এ চার সম্প্রদায়ের সিদ্ধ দীক্ষা পরম্পরা হতে দীক্ষা নিতে হবে। তবেই পরমেশ্বর এর সেবার অধিকারী হতে পারবো, তার ভজনের মাধ্যমে তুষ্ট করে তার চরণ যুগল লাভ করতে পারবো। এবং তা অবশ্যই সিদ্ধ গুরুপরম্পরা তথা সিদ্ধ দীক্ষা পরম্পরার মাধ্যমে।

🌼অনেকেই বিভিন্ন মত ভালো লাগে বলে যেখান সেখান হতে দীক্ষা নিয়ে নেন, এবং তা সিদ্ধ না । তাই দীক্ষা নেওয়ার ব্যাপারে সাবধান।

🔘উক্ত চার সম্প্রদায় পরম্পরা ধারায় আগত শিক্ষা প্রদান করাই গুরুপরম্পরার উদ্দেশ্য।

🔴 অন্যথায় গুরুপরম্পরা কেবল একটি শারীরিক পরম্পরা বলে গন্য হবে।
মনে রাখবেন, অপসম্প্রদায়গুলি কেবল তাদের গুরু-নামধারী ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে,, যাদের দেওয়া মন্ত্রে কোন ক্রিয়া হয় না।

🌿 #তাই গুরু নির্বাচনের পুর্বে আমাদের অবশ্য কর্তব্য গুরুদেবের পরম্পরা বিষয়ে অনুসন্ধান করা।

♻️কোন্ পরিস্থিতিতে গুরু ত্যাগ করা যায়♻️

গুরু যদি অধঃপতিত হয়, তাহলে শাস্ত্রে তাকে বর্জন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গুরোর অপ্যবলিপ্তস্যকার্যাকার্যম অজানতঃ উৎপথ-প্রতিপন্নস্য পরিত্যাগো বিধীয়তে ॥ (মহাভারত, উদ্যোগ পর্ব- ১৭৯/২৫)

অনুবাদ: যদি গুরুদেব ইন্দ্রিয় তর্পণের প্রতি আসক্ত হয় এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন হয়ে ভক্তিযুক্ত ভগবৎসেবার পথ পরিত্যাগ করে পতনমুখী পথের দিকে ধাবিত হয়, তাহলে তাকে ত্যাগ করা উচিত।

পরমার্থগুর্ব্বাশ্রয়ো ব্যবহারিক গুর্ব্বাদিপরিত্যাগে নাপিকর্তব্য।

অনুবাদ: ব্যবহারিক গুরু, লৌকিক গুরু (কুলগুরু) প্রভৃতি অযোগ্য গুরু পরিত্যাগ করে পারমার্থিক গুরুর আশ্রয় গ্রহণ করবে।
(ভক্তিসর্ন্দভ- ২১০ অনু)

অবৈষ্ণবোপদিষ্টেন মন্ত্রেণ নিরয়ং ব্রজেৎ। পুনশ্চ বিধিনা সম্যগ্ গ্রাহয়েদ্ বৈষ্ণবাদ্ গুরোঃ ॥

তাৎপর্য, শ্রীমদ্ভাগবতম্ ১১/৩/৪৮, নারদ পঞ্চরাত্র উদ্ধৃত অনুবাদ: কোনো অবৈষ্ণবের দ্বারা মন্ত্রে দীক্ষিত মানুষকে অবশ্যই নরকগামী হতে হয়। অতএব, কোনো বৈষ্ণব গুরুর মাধ্যমে যথাযথ পদ্ধতি অনুসারে তাকে আবার সঠিকভাবে দীক্ষালাভ করতে হয়।

শাস্ত্রবিধি অনুসারে, যে গুরু জঘন্য কার্যে লিপ্ত হয়েছে এবং ভালো-মন্দ বিচারবোধ হারিয়ে ফেলেছে, তাকে পরিত্যাগ করা উচিত। (তাৎপর্য, শ্রীমদ্ভগবদগীতা ২/৫)

গুরু কখন অসৎ হন:

ক) যদি কোনো গুরুদেব মৎস্যভোজী ব্যক্তিকে দীক্ষা প্রদান করেন, তবে তিনি সদৃগুরু নন।

খ) যদি গুরুদেব শিষ্যের সম্পদ ভোগ করার বাসনায় দীক্ষা প্রদান করেন বা জীবিক নির্বাহ ও সংসার প্রতিপালনের নিমিত্তে শিষ্যবৃত্তি করেন, তবে তিনি সদৃগুরুদেব নন।

(গ) গুরুদেব শিষ্যকে বিগ্রহ আরাধনা, শৃঙ্গার, মন্দির-মার্জন প্রভৃতি ভগবৎমুখী সেবায় যুক্ত করবেন, যদি তিনি না করেন তবে তিনি সদৃশুরু নন।

দৃষ্টান্ত: অসুরগুরু শুক্রাচার্য বলি মহারাজকে ভগবৎমুখী সেবায় যুক্ত না করে জীবিক নির্বাহের জন্য তার সম্পদ ভোগ করার প্রয়াসী হয়েছিলেন; তাই বলি মহারাজও শুক্রাচার্যকে ত্যাগ করেছিলেন।

🔷 #গুরুত্যাগের_বিচার❓🔷
গ্রুপে প্রায়ই অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন, "আমি কুলগুরুর কাছে দীক্ষা নিয়েছি, কিন্তু উনি আমিষভোজন করেন, আমি আপনাদের কাছ থেকে জেনেছি শুদ্ধ সদগুরু নিরামিষভোজী, অতএব আমি আপনাদের মতো সদগুরুর দীক্ষা নিতে চাই কিন্তু #গুরুত্যাগ এর পাপকে কি করে খন্ডন করব, কৃপা করে কিছু বলুন "

🔷শাস্ত্রনির্দেশিত আমাদের উত্তর 🔷

সাধারণ সূত্র দিয়ে যেরূপ যজ্ঞসূত্রের কাজ চালানো যায় না,তেমনি অসদগুরু দিয়েও পারমার্থিক জীবনে উন্নতি করা যায় না। গুরুত্যাগ পাপ হলেও অসদগুরু ত্যাগ পাপ নয়। কোন কোন ক্ষেত্রে গুরুত্যাগ করলে পাপ হবে না—

(১)সম্প্রসায়বিহীন গুরু পরিত্যাজ্য। যাদের সম্প্রদায় নেই তাদের মন্ত্র নিষ্ফলা।

(২)অবৈষ্ণব অনেক ব্যক্তি অন্যদের বিষ্ণুমন্ত্র দেয়।তাদের কাছ থেকে বিষ্ণুমন্ত্র গ্রহণ করলে নরকে যেতে হবে। #অবৈষ্ণবোপদিষ্টেন_মন্ত্রেণ_নিরয়ং_ব্রজেৎ। #পুনশ্চ_গ্রাহয়েদ্বৈষ্ণবাদগুরো ইত্যাদি শাস্ত্রবচনে প্রমাণিত অবৈষ্ণব গুরু পরিত্যাজ্য।

(৩) সৎসম্প্রদায়ী হলেও #গুরোরপ্যবলিপ্তস্য_পরিত্যাগো_বিধীয়তে। বিচারে স্ত্রীসঙ্গী ও মিছাভক্তও গুরু হিসাবে পরিত্যাজ্য।

(৪)কৌলিক ও লৌকিক, মন্ত্রব্যবসায়ী গুরু পরিত্যাজ্য।

(৫) #উৎপথপ্রতিপন্নস্য_পরিত্যাগো_বিধীয়তে অর্থাৎ বৈষ্ণব অভিমানে বৈষ্ণব নিন্দুক, স্বেচ্ছাচারী, অভিমানী, ব্যভিচারী, কলিস্থানসেবী গুরুও পরিত্যাজ্য।

(৬) #সমন্বয়বাদী পাষন্ড গুরুও পরিত্যাজ্য। পাষন্ডীরা ৭ জন্ম কুকুর,গাধা,শূকর, উট ও সর্প হয়।পাষন্ডীর লক্ষণ কি? যারা সর্বেশ্বর বিষ্ণুর সাথে ক্ষুদ্র দেবতার সমজ্ঞান করেন।যারা নরে নারায়ণ ও নারায়ণে নর জ্ঞান করেন তারাও পাষন্ডী।

(৭) #মায়াবাদী #বৌদ্ধ #জৈনাদি গুরুও পরিত্যাজ্য। কারণ তারা সবাই তত্ত্বভ্রমী অবৈষ্ণব। মায়াবাদ,বৌদ্ধ ও জৈন মতবাদ বেদবিরুদ্ধ।

(৮) কর্মকান্ডী ও জ্ঞানকান্ডী বৈদিকগনও প্রকৃত গুরুত্বশূন্য। স্মার্তগুরুও পরিত্যাজ্য। কেননা তারা #শ্রৌত্রীয় ও #ব্রহ্মনিষ্ঠ নয়।

(৯)আউল,বাউল, কর্তাভজা,চূড়াধারী,গৌরাঙ্গ নাগরী,স্নার্ত্ত,জাত গোঁসাই, অতিবাড়ী, এই ১৩ টি অপসম্প্রদায়ের কেউ গুরু হবার যোগ্য নয়।

(১০) সৎ সম্প্রদায়ী, পারমার্থিক দিকে নিতান্ত অনিপুণ, বিষয়ী ব্যক্তি গুরু হবার অযোগ্য।

🔷 #সদগুরু_কে?🔷
শব্দব্রহ্মে নিষ্ণাত, পরব্রহ্মে শুদ্ধভক্তিমান এবং প্রাকৃতবিষয় হতে নিবৃত্তাত্মাই সৎগুরু। অর্থাৎ ভাগবতীয় গুরু আশ্রয়ই শ্রেয়।

Address

Chandpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shri shri Giridhari Temple,Chandpur,Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category