Noor E Habib Jame Masjid - নূর এ হাবীব জামে মসজিদ

  • Home
  • Bangladesh
  • Chandpur
  • Noor E Habib Jame Masjid - নূর এ হাবীব জামে মসজিদ

Noor E Habib Jame Masjid - নূর এ হাবীব জামে মসজিদ Noor-E-Habib Mosque is committed to the Islamic way of life based on the Qur’an and life example of Prophet Muhammad. Contact for Donation and Query.

24/01/2026
হজরত সুলায়মান (আলাইহি সালাম) তার সময়ে একদা মদিনা শরীফের রওজায়ে পাকের কাছে গিয়ে উনি উনার জুতা খুলে ফেললেন। তখন এই দৃশ্য ট...
09/06/2025

হজরত সুলায়মান (আলাইহি সালাম) তার সময়ে একদা মদিনা শরীফের রওজায়ে পাকের কাছে গিয়ে উনি উনার জুতা খুলে ফেললেন। তখন এই দৃশ্য টি উনার সময়কার একজন লোক যার নাম তুতবা ; তিনি বললেন- ওগো নবী সুলাইমান! এখানে কেন জুতা খুললেন?

নবীদের আদব দেখুন আমার রসূলের রওজার প্রতি, তখন সুলায়মান (আ:) তুতবাকে বললেন- এখানে কুল কায়েনাতের বাদশা নবীদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর পবিত্র রওজা মোবারক হবে।
তখন তুতবা বলল- আমি ঐ নবীজির অপেক্ষায় থাকব। তখন উনি ৭০০ বছর পর্যন্ত হায়াত পেয়ে ইন্তেকালের পূর্বে একটি চিঠি লিখে গিয়েছেন। যা উনার বংশেরই সন্তান সাহাবী হজরত আবু আইয়ুব আনছারীর নিকট ছিল। এই তুতবার লেখা চিঠি টা হলো-
" ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমি আপনার উপর আপনার সকল কথা মেনে নিলাম এবং আমি আপনার শাফায়াত চাই। আমি আপনার উম্মত হিসাবে কিয়ামতের মাঠে উঠতে চাই"।
এই চিঠিটার কথা আবু আইয়ুব আনসারী (র:) নবীজির কাছে দিতে ভুলে গেছেন।
নবীজি (দ:) একদিন আবু আইয়ুব আনছারীকে বললেন- তোমার বংশে ৭০০ বছর আগে আমার প্রেমিক তুতবার চিঠটা কোথায়?
তখন এই চিঠি আবু আইয়োব আনসারী বাড়ী থেকে এনে নবীজির কাছে এই চিঠিটা দিয়েছেন। ❤️❤️❤️❤️
ইয়া রাসুলুল্লাহ! আপনি আপনার আশিকের ৭০০ বছর আগে "নবী" বলে স্বাক্ষ্য দেয়ার খবর রাখেন।
আর আমরা কেমন উম্মত!!! আপনার নবুয়্যাত ৪০ বছর পরে পেয়েছেন এই কথা প্রচার করতে ব্যস্ত 🥲
আফসোস লাগে এই আহলে হাদিসদের বিয়াক্কল গুলারে দেখলে।
(তাফসিরে জালালাইন, পৃষ্ঠা নং - ৪১২)
ছবিঃ
প্রখ্যাত সাহাবী, হযরত সাইয়্যিদুনা আবু আইয়ূব আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর পবিত্র মাজার শরীফ, ইস্তাম্বুল, তুরস্ক।
সুবহানাল্লাহ।

💕আক্বা ﷺ💕
11/05/2025

💕আক্বা ﷺ💕

মাশাআল্লাহ!!
09/05/2025

মাশাআল্লাহ!!

15/10/2023

“আমি কোনদিন কোন বিষয়েই কাউকে হিংসা করিনিঃ

যদি কোন মানুষ জাহান্নামের পথে এগিয়ে চলে, আমি কেবল দুনিয়াবি কিছু বিষয় নিয়ে কীভাবে তাকে হিংসা করতে পারি যখন তার শেষ ঠিকানা জাহান্নামের দিকে?

আর কেউ যদি জান্নাতের পথে এগিয়ে চলে, একজন জান্নাতি মানুষের ব্যাপারে আমি কীভাবে হিংসা পোষণ করতে পারি যখন স্বয়ং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা নিজেই তার উপরে খুশি?”

– ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে সিরিন (রাহিমাহুল্লাহ)

[আবু বাকর আল-দাইনুরি, আল-মুজাসালাহ ওয়া জাওয়াহির আল-'ইলম, ২৯৩১]

09/10/2023

সিরিয়ান আলিম শায়খ রাতিব আন-নাবুলুসি লিখেছেন:

‏لو كان يرزقك بقدر عبادتك
ما ذُقت في دنياك شربة ماء

অর্থ: আল্লাহ যদি আপনার ইবাদাত অনুপাতে আপনাকে রিযিক দিতেন, তবে এই জগতে এক ঢোক পানিও আপনার কপালে জুটত না!

 #মুক্ত_পোস্ট১৫ বছর ছাগল চড়ানোর অর্থে হজ পালন।নাম আবদুল কাদের। কারাসা বালুচ পাকিস্তানের অধিবাসী। থাকেন পরের জমিতে ঝুপড়...
02/05/2023

#মুক্ত_পোস্ট

১৫ বছর ছাগল চড়ানোর অর্থে হজ পালন।

নাম আবদুল কাদের। কারাসা বালুচ পাকিস্তানের অধিবাসী। থাকেন পরের জমিতে ঝুপড়ি বানিয়ে। ঝুপড়ির বেড়া দিয়েছেন ঝাউ জাতীয় কাঁটাদার গাছ দিয়ে। একদম প্রান্তিক অজপাড়া গাঁ। নেই কোনো বিদ্যুতের ঝলমল। বুঝেন না মোবাইল কী? নেই নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা। কিন্তু রবের সাথে সম্পর্ক নিবিড়। বুকে আশার বাসা বেঁধে রেখেছেন বাইতুল্লাহর জিয়ারত করবেন। তাওয়াফ করবেন কাবার চারপাশে। নবীয়ে রহমতের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে সালাম পেশ করবেন। পান করে সিক্ত হবেন জমজম। দেখবেন মিনা আরাফাত। দৌড়াবেন সাফা মারওয়ায়। আরো কত শত স্বপ্ন বুনে রেখেছেন হৃদয় জুড়ে।

কিন্তু আশা করলেই তো আর দূর দেশে আরব সাগর পাড়ি দিয়ে নবীর দেশে যাওয়া যায় না। প্রয়োজন হয় অর্থের। স্বাদ থাকলেই তো আর মিটানো যায় না। থাকতে হয় সাধ্যের মধ্যে। কিন্তু এই আশা তো সাধ্যের চেয়ে অনেক উর্ধ্বে। তবে প্রেম ভালোবাসার স্বাদ যত উর্ধ্বের হোক। মানে না সাধ্যের বাঁধা। অতিক্রম করে সিক্ত হয় প্রেমের অমিয় সুধায়।

বাবাজি আবদুল কাদের একজন সাধারণ রাখাল। অন্যের ছাগল লালন-পালন করে দিন করেন গুজরান। হজের জিয়ারতের বাসনা কীভাবে মিটাবেন? একজন রাখালের পক্ষে তো অসম্ভব। সারা বছর ছাগল পালন করার পর এলাকার নিয়মমাফিক বছর শেষে মালিকের পক্ষ থেকে পারিশ্রমিক হিসেবে মিলে মাত্র একটি ছাগল ছানা। থাকার ঘর নেই। সংসার চালানোর যোগান হয় না ঠিক মতো। কিন্তু রবের ভালোবাসা যে পূরণ করতেই হবে।

এই ইচ্ছে শক্তি নিয়ে শুরু করলেন টাকা জমানো। কয়েক বছর রাখালি করে কয়েকটি ছাগল জমালেন। তা বিক্রি করে বানালেন পাসপোর্ট। কিন্তু হায়! উপযুক্ত অর্থ জমানো পর্যন্ত পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলো।

পিছপা না হয়ে আবারো ছাগল জমাতে শুরু করেন। দীর্ঘ পনেরো বছর রাখালি করে ছাগল লালন-পালন করে জমানো টাকা দিয়ে শেষ-মেষ উমরাহ পালনের অর্থ কোনোভাবে জমেছে। তাও শুধু নতুন পাসপোর্ট যাতায়াত ভাড়া ও সামান্য হাত খরচ। নেই হোটেলে থাকার ভাড়া। তার জমানো অর্থ পরিমাণ কোনো হজ এজেন্সির কাছে কোনো প্যাকেজ তো দূর ধারে কাছেও নেই। তাই স্থির করেছেন একা যাবেন। পড়ে থাকবেন কাবা চত্বরে বা আশপাশের কোথাও।

১৪৪৪ হিজরী এই রমজানে মাসে ইতিহাস রচনাকারী আল্লাহ প্রেমীদের সমাগম হয়েছে। রিপোর্ট বলছে শুধু রমজানে ৫০ লাখ মানুষ উমরাহ পালনের জন্য সৌদি গমন করেছেন। পাকিস্তানের এই বাবাজি আবদুল কাদেরও একজন। কিন্তু সবার থেকে আলাদা। সাথী নেই। নেই এজেন্সিও। চিনেন না অযুখানা বাথরুম বা অযু ইস্তেঞ্জার জায়গা। জানেন না আরবি ভাষা। এমনকি নেই উর্দু ভাষার সাথেও দূরতম সম্পর্ক। কথা বলেন আঞ্চলিক বালুচ ভাষায়। খাবার হিসেবে হারামে পাকে যা ইন্তিজাম আছে তাই যথেষ্ট। অযু করবেন অযুখানা চিনেন না। পাশের দোকান থেকে এক বোতল পানি নিয়ে অযু সেরেছেন। পরে কেউ দেখিয়ে দিলেন নিচেই আছে সব।

একজন দুইজন এভাবে সবার নজরে আসতে থাকেন আবদুল কাদের নামের বালুচী এই রাখাল বাবাজি। একে একে সবাই। বাবাজি আবদুল কাদেরের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়তে লাগল আরব মিডিয়া থেকে নেট দুনিয়ায়। মুহূর্তেই ভাইরাল কাবার আঙ্গিনায় তার হাঁটাচলার দৃশ্য। কিন্তু তার কোনো খবরই নেই ঐসব কিছুর। ভূপৃষ্ঠে কতশত অখ্যাত অপরিচিত মানুষ আল্লাহর কাছে খুব পরিচিত প্রিয়। কখনো কখনো দুনিয়াবাসির কাছেও প্রিয় হয়ে যান।

না হয় এই রমজানে উমরাহ পালন করেছেন কত রাজা বাদশাহ আমীর উমারাহ! কত শত উযির নাযির মন্ত্রী মিনিস্টার! সবাইকে পিছনে ফেলে ছাগল চড়ানোর সাধারণ রাখাল আলোচনায় সবার শীর্ষে। কেউ বলছেন ফেরেশতা সিফাত ইনসান। কেউ বলছেন দরবেশ। কেউ বলছেন সাহাবাদের যুগের মানুষ। কেউ কাছে এসে দোয়ার আবেদন করছেন। হাদিয়া দিচ্ছেন। ছবি তুলছেন ভিডিও বানাচ্ছেন। কিন্তু তিনি মজে আছেন রবের প্রেমে।

আবদুল কাদের বাবাজি কে ঘিরে মানুষের এই আলোচনা পৌঁছে গিয়েছে রাজ প্রাসাদের রাজ পরিবারের সদস্যদের কাছে। কোনো এক রাজপুত্র ভিডিও বার্তায় তার তালাশির সংবাদ জানালেন। রাজকীয় মর্যাদায় শাহী মেহমান বানাতে চেয়ে আশা ব্যক্ত করেছেন। ততক্ষণে আবদুল কাদের বাবাজি বালুচের বালুভূমির সেই ঝুপড়িতে ফিরে গেছেন।

তালাশ করে খুঁজে পেলেন তিনি একজন পাকিস্তানি। দেওয়া হলো দাওয়াত। ঘোষণা করা হলো রাজকীয় মর্যাদায় মেহমানদারির। অফার করা হয়েছে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৪৪৪ হিজরীতে হজের জিয়ারতের। আল্লাহু আকবার।

আল্লাহর প্রেম দরিয়ায় ডুব দিয়ে চেয়েছিলেন সামান্য একজন ভিখারি বেশে হলেও একটু হাজিরা দেওয়ার আল্লাহ পাক কবুল করে নিলেন মেহমান হিসেবে। ব্যবস্থা করে দিলেন রাজকীয় মর্যাদায় মেহমানদারির।
আল্লাহর প্রতি তার ঘর ও নবীয়ে রহমতের দোরগোড়ায় হাজিরা দেওয়ার এমন আকুতি আল্লাহ্ পাক সবাইকে দিন। আমাদের সবাইকে এমন প্রত্যাশী বানিয়ে দিন। আমীন।

💔 We used to know but we didn't actIbnul Qayyim (RA) said,"A girl died of the plague and her father saw her in his dream...
08/04/2023

💔 We used to know but we didn't act

Ibnul Qayyim (RA) said,

"A girl died of the plague and her father saw her in his dream. He said, 'my daughter, tell me about the hereafter. So she said, 'We've approached a serious matter. We used to know but we didn't act. I swear by Allah, to add one tasbeehah (saying Subhan Allah) or a single Rak'ah to my book of deeds is more beloved to me than the whole world and everything in it.'

This girl said words of great importance. 'We used to know but we didn't act', but many of us don't understand what she means.

We used to know, that if we say Subhan Allah wa bi Hamdihi 100 times our sins are forgiven even if they're like the foam of the sea (yet days and nights pass and we don't say it)

We used to know that two rak'ahs of Duha prayer is the equivalent of giving 360 charities (yet day after day pass and we don't pray it)

We used to know that a house in the middle of Jannah is guaranteed for one who abandons lying even while joking (yet every second sentence we utter is a lie)

We used to know that fasting a day voluntarily for the sake of Allah puts a distance between our face and the fire the size of seven trenches and Allah distances our face from the fire the distance travelled in 70 years, (and we haven't fasted single day this week)

We used to know that whoever visits a sick person is followed by 70,000 angels seeking Allah's forgiveness on his behalf (but we haven't visited a sick person this week)

We used to know that whoever prayed a funeral prayer and followed it till it was burried has two Qiraats of reward and a Qiraat is like the mountain of Uhud (yet weeks pass and we haven't been to the graveyard.)

We used to know that whoever builds a mosque even if it's like a bird's nest Allah builds a house for them in paradise (yet we haven't contributed to the building of a Masjid, even with 10 dinars)

We used to know that the one who supports the widow and her children is like the fighter in the path of Allah and the one who fasts all day and prays all night without sleeping. (Yet we haven't contributed to sponsoring a widow and her children)

We used to know that whoever reads a single letter from the Quran has a good deed and every deed is multiplied by 10. Yet we haven't made a point to read it every day.

We used to know that an accepted Hajj has the reward of jannah and it sends the person who completed it off like the day his mother gave birth to him. (With a clean book of deeds) yet we haven't performed the rites of Hajj although our circumstances have made it easy for us.

We knew the honor of a believer is in Qiyam Al-layl, and that the Prophet (pbuh) and his companions never missed it all their lives despite being busy with making a living and fighting in the path of Allah and spreading the religion. But we have neglected this matter terribly.

We knew the Day of Judgment was coming without a doubt and that Allah will resurrect us from our graves but we haven't prepared for that day.

We used to bury the deceased and pray over them but haven't prepared ourselves for a day like this one, as if we have a guarantee that it won't happen to us.

We know that every breath we breathe is getting us closer to death yet we're still busy with amusement and playing. It's time we change the way we're living and prepare properly for the day of accounting.

"On the Day a man will flee from his brother. And his mother and his father
And his wife and his children, For every man, that Day, will be a matter adequate for him."

Quran (80:34-37)

Address

Shilmondi, Ward No. 5, PO: Bordia Bazar, Matlab Dakshin Upazila
Chandpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Noor E Habib Jame Masjid - নূর এ হাবীব জামে মসজিদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category