'বৈদিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি গীতা পাঠশালা' সনাতন ধর্মের প্রচার, পালন ও রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞাবদ্ধ একটি বৈদিক বিদ্যাঙ্গন। সকল সনাতনী হিন্দুদের মাঝে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির সেতু নির্মাণ করে চিন্ময় বৈদিক জ্ঞানের প্রচার ও প্রসার, কুসংস্কার দূরীকরণ, ধর্মান্তর রোধ ও বর্ণবিদ্বেষ দূর করার লক্ষ্যে একদল নিষ্কাম কর্মীদের উদ্যোগে কাজ করে যাচ্ছে 'বৈদিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি গীতা পাঠশালা'। 'বৈদিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি গীতা পাঠ
শালা' একটি স্বাধীন, স্বতন্ত্র পাঠশালা, কোনও সংগঠন, সংস্থা, সম্প্রদায় কিংবা ব্যক্তির আওতাধীন নয়। সকল সংগঠন, সংস্থা ও সম্প্রদায়ের সাথে এই পাঠশালার মিত্রতা ছিলো, আছে এবং থাকবে। পাঠশালার বিদ্যার্থীদের আধুনিকতা থেকে যথাসম্ভব দূরে রেখে কেবলমাত্র পুরনো ভাবধারায় বিদ্যা দান করা হয় এই পাঠশালায়। কেবলমাত্র ৫ জন বিদ্যার্থী ও হাতেগোনা কয়েকজন সেবকদেরকে নিয়ে প্রতিষ্ঠিত করা হয় 'বৈদিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি গীতা পাঠশালা'। ভবিষ্যতে গরিব অসহায় সনাতনীদের পাশে থাকারও স্বপ্ন দেখছে এই পাঠশালার সেবকবৃন্দ। কেবল মাঠপর্যায়েই নয় অনলাইনেও আমাদের প্রচারকার্য নিরলসভাবে প্রতিনিয়তই চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টার সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও যদি আমাদের প্রচেষ্টার দ্বারা কারও জ্ঞানচক্ষু উন্মীলিত হয় তাহলেই আমাদের এই প্রচেষ্টা স্বার্থক হবে।
আমরা যদিও পুরাতন তথা বৈদিকভাবে শাস্ত্রগ্রন্থসমূহ এবং মহাপুরুষদের বাণীসকল অবিকৃতভাবে পুনরাবৃত্তি করার চেষ্টা করেছি, তা সত্ত্বেও যেহেতু আমরা বদ্ধজীব তাই উপস্থাপনায় কিংবা আমাদের কর্মকাণ্ডে ভুল হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছুই নয়। সকল বিজ্ঞ ও সুবিবেচক ভক্তবৃন্দের শ্রীচরণকমলে বিনম্র প্রার্থনা ভুল-ত্রুটিসমূহ ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন-হরে কৃষ্ণ!
কৃপাভিক্ষু:
'বৈদিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি গীতা পাঠশালা'—এর সকল বিদ্যার্থী ও সেবকবৃন্দ।