Voice Of Al Quran আল কোরাআনের কন্ঠ

Voice Of Al Quran আল কোরাআনের কন্ঠ এ পেজে শুধু আল কোরাআনের ভিডিও

10/10/2017

এ পেজে শুধু আল কোরাআনের ভিডিও

ঈদ আসে ঈদ চলে যায়, এইতো নিয়োতিসমাজে গরিব মানুষের ঈদ আসলে ধনী মানুষেরঅপেক্ষায় তাকিয়ে থাকে শুধু একটু সাহায্যের আসায়এই হলো ...
06/07/2015

ঈদ আসে ঈদ চলে যায়, এইতো নিয়োতি
সমাজে গরিব মানুষের ঈদ আসলে ধনী মানুষের
অপেক্ষায় তাকিয়ে থাকে শুধু একটু সাহায্যের আসায়
এই হলো গরিবের আনান্দ ব্যাস, আর কিছুনা
সমাজে যারা ধনী লোক আছে তারা যদি রমজান
শেষে ফিতরার টাকা দিলে, আমার আপনার মত তারাও একটু আনান্দ করতো। আসুন সবাই মিলে
ফিতরার টাকা হিসাব করে সমাজের গরিব অসহায় মানুষের মাঝে সহযোগিতা করি।

17/05/2015

************ জিরো থেকে হিরু *************
মাত্র ১৬ টাকা হাতে নিয়ে ট্রেনে চেপে বসেন দুরন্ত কিশোর-আকিজ মিয়া
--------------------------------------------------------------------------------------

আকিজ গ্রুপ— বর্তমানে দেশের সবচেয়ে ধনী পরিবার। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সর্বশেষ হিসাবে, আকিজ পরিবারের পাঁচ সদস্যের নিট সম্পদের পরিমাণ ৭০০ কোটি টাকা।

সূত্রমতে, গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা শেখ আকিজ উদ্দিন নিজেই সব সম্পদ ছেলেদের মাঝে ভাগ করে দিয়ে যান। এর মধ্যে আকিজ গ্রুপের মূল অংশের নেতৃত্বে রয়েছেন পাঁচ ভাই শেখ বশির উদ্দিন, শেখ জামিল উদ্দিন, শেখ জসিম উদ্দিন, শেখ শামীম উদ্দিন ও শেখ নাসির উদ্দিন। এনবিআরের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, তাদের প্রত্যেকেই সমান ১৪০ কোটি টাকার নিট সম্পদের মালিক।

গ্রুপ-সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, শেখ আকিজ উদ্দিনের রেখে যাওয়া ব্যবসা আরো সম্প্রসারিত হয়েছে পাঁচ সন্তানের নেতৃত্বে। ২০০৬ সালের পর গ্রুপে যুক্ত হয়েছে নতুন কিছু প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে আকিজ গ্রুপের রয়েছে দেড় ডজন প্রতিষ্ঠান। আকিজ বিড়ি ফ্যাক্টরি লিমিটেড, আকিজ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, আকিজ কম্পিউটার লিমিটেড, আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড, আকিজ অনলাইন লিমিটেড, আকিজ পার্টিকেল অ্যান্ড হার্ডবোর্ড মিলস লিমিটেড, আকিজ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, আকিজ প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, আকিজ রিয়েল এস্টেট লিমিটেড, আকিজ টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, আকিজ জর্দা ফ্যাক্টরি লিমিটেড, ঢাকা টোব্যাকো ইন্ডাস্ট্রিজ (সিগারেট) ও ঢাকা টোব্যাকো ইন্ডাস্ট্রিজ (লিফ) এর অন্যতম।

আকিজ গ্রুপের দাবি, দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে তারা। এ গ্রুপে কর্মরত প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তা। বছরে ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দিচ্ছে গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো। দেশে পাট, বেভারেজ ও টোব্যাকো খাতের নেতৃত্বে রয়েছে আকিজ গ্রুপ। দেশের সবচেয়ে বড় জুট মিলটিও এখন আকিজের। ঢাকা টোব্যাকোও দেশের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান।

জানা গেছে, আকিজ গ্রুপের উত্থান মূলত বিড়ি দিয়েই। পঞ্চাশের দশকে বিড়ি দিয়ে ব্যবসা শুরু করে ধীরে ধীরে অন্যান্য খাতেও মনোযোগ দেন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা শেখ আকিজ উদ্দিন। ১৯৬০ সালে যশোরের অভয়নগরে গড়ে তোলেন অত্যাধুনিক চামড়া কারখানা এসএএফ ইন্ডাস্ট্রিজ। এর পর ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ঢাকা টোব্যাকো ইন্ডাস্ট্রিজ, ১৯৭৪ সালে আকিজ প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, ১৯৮০ সালে আকিজ ট্রান্সপোর্টিং এজেন্সি লিমিটেড ও ১৯৮৬ সালে জেস ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। নব্বইয়ের দশকে অর্থাৎ ১৯৯২ সালে গ্রুপটির অধীন গড়ে ওঠে আকিজ ম্যাচ ফ্যাক্টরি লিমিটেড, ১৯৯৪ সালে আকিজ জুট মিল লিমিটেড, ১৯৯৫ সালে আকিজ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড ও আকিজ টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড। এছাড়া ১৯৯৬ সালে গড়ে তোলা হয় আকিজ পার্টিকেল বোর্ড মিলস লিমিটেড, ১৯৯৭ সালে আকিজ হাউজিং লিমিটেড ও ১৯৯৮ সালে সাভার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। গ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠান আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড গড়ে ওঠে ২০০০ সালে। একই বছর চালু হয় আকিজ অনলাইন লিমিটেড ও নেবুলা লিমিটেড। আর ২০০১ সালে আবির্ভূত হয় আকিজ করপোরেশন লিমিটেড ও আকিজ ইনস্টিটিউট অ্যান্ড টেকনোলজি লিমিটেড, ২০০৪ সালে আকিজ এগ্রো লিমিটেড ও ২০০৫ সালে আকিজ পেপার মিলস।

আকিজ পরিবারের ভাষ্য, আপন মেধা ও যোগ্যতা দিয়েই সবসময় ব্যবসা করেছেন শেখ আকিজ উদ্দিন। মেনে চলেছেন রাষ্ট্রীয় সব নিয়ম-নীতি। ব্যবসার মাধ্যমে সবসময়ই তিনি রাষ্ট্রকে কিছু দিতে চেয়েছেন। রাষ্ট্র বা সরকার থেকে কোনো সুযোগ-সুবিধা নেয়ার নজির আকিজ গ্রুপে ছিল না। এখনো নেই।

আকিজ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শেখ বশির উদ্দিন এ প্রসঙ্গে বণিক বার্তাকে বলেন, তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছুই বাবার অবদান। বাবার শেখানো নিয়ম-নীতি মেনে তারা ব্যবসা করছেন। চেষ্টা করে যাচ্ছেন একে আরো বিকশিত করার।

আকিজ পরিবারের এ পাঁচ ভাইয়ের বাইরে অন্য সদস্যদের নেতৃত্বেও রয়েছে বেশকিছু প্রতিষ্ঠান। আদ-দ্বীনের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে রয়েছেন বড় ভাই ডা. শেখ মহিউদ্দিন। এছাড়া শেখ মোমিন উদ্দিন, শেখ আফিল উদ্দিন, শেখ আমিন উদ্দিন, আজিজ উদ্দিনেরও রয়েছে পৃথক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

আকিজ গ্রুপ বর্তমানে দেশের অন্যতম শীর্ষ করপোরেট প্রতিষ্ঠান হলেও শুরুটা খুব সহজ ছিল না। মাত্র ১৩ বছর বয়সেই ১৯৪২ সালে নিজ গ্রাম খুলনার ফুলতলার মধ্যডাঙ্গা ছেড়ে জীবিকার অন্বেষণে বেরিয়ে পড়েন শেখ আকিজ উদ্দিন। মাত্র ১৬ টাকা হাতে নিয়ে ট্রেনে চেপে বসেন দুরন্ত এ কিশোর। কলকাতায় পাইকারি বাজার থেকে কমলা লেবু কিনে হাওড়া ব্রিজে ফেরি করা শুরু করেন। কলকাতায় সুবিধা করতে না পেরে এক পরিচিত ব্যবসায়ীর সঙ্গে পাড়ি জমান পেশোয়ারে। অল্প দিনে পশতু ভাষা শিখে ফের অল্প পুঁজি নিয়ে শুরু করেন ফলের ব্যবসা। দুই বছর এ ব্যবসা করে লাভ হয় ১০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ডামাডোলে মা-বাবার স্নেহের টানে ফিরে আসেন নিজ গ্রাম মধ্যডাঙ্গায়। এর পর নিজ যোগ্যতায় ব্যবসা করে গড়ে তোলেন দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আকিজ গ্রুপ।

(মীর মনিরুজ্জামান | ২০১৫-০৪-১৬ ইং| বনিক বার্তা)

একটু খানার জন্য কত খুশি। হায়রে সমাজহায়রে মানুষ একটু সহযোগীতা ব্যাস।
16/05/2015

একটু খানার জন্য কত খুশি। হায়রে সমাজ
হায়রে মানুষ একটু সহযোগীতা ব্যাস।

13/05/2015

এক মহিলার দুই মেয়ে, একটি সন্তান গর্ব অবস্থায় তাহার স্বামি মারা যায় । কয়এক মাস মহিলা একটি পুত্র সন্তান হলো। আল্লাহ পাকের কৃপায় তিন সন্তানের
মা - মায়ের মন যানেনতো কথায় আছে মা না খেয়ে আগে সন্তানের মুখে খাওন দেয়। এ ভাবে চলতে চলতে
দুইটি মেয়েকে বিয়ে দিলো, মহিলাটি একজন সাধা মনের মানুষ ছিলেন। সত্যবাদী, সহজ সরল লোক
ঈমানদ্বারও বঠে। খুবই অসহায় কি আর করবে স্বামি
নেই , সংসারে আয় রোজগারেরর কেউ নেই। অবশেষে
মানুষের বাড়িতে বলতে কি গ্রামের মাএ দুই বাড়িতে
কাজ করে নিজের সংসার টা কোন রকম চলতো।
এদিগে ছেলে আস্তে আস্তে নাবালক থেকে সাবালক হতে লাগলো। কিন্ত দু:খের বিষয় ছেলেও সরল সোজা কাজ কর্ম কিছুই করে না, কথায় বলে উপযুক্ত ছেলে থাকলে মা-বাবার সুখের সিমা থাকেনা। তবে যা হউক ছেলেকে বিয়া করাইলো,
ঐ সোজালোকটিকে শুশুরা একটি সরকারি চাকরি দিয়েছে। এ ভাবে আরেক সংসার শুরু হলো এখন ছেলের সংসার আরাম্ভ ঐ ছেলের ঘরে চার ছেলে, দুই মেয়ে । মহিলা এখনও মাঝে কাজ করে। বৃদ্ধা মা
খুশি আমার এক ছেলের ঘরে চার ছেলে আমার মানিক
আল্লায় দিবে একদিন, আসলেই গরিবের আল্লাহ আছে। অনেক কষ্টের মধ্যে দিন যায়, রাত আসে।
আল্লা আল্লা করে অনেক বছর ত্যাগ শিকার করে নাতিরা বড় হতে শুরু করলো, নাতিগো মা মানি ওনার
বউমা একটু চালাকের কারনে সময় যেন ফিরে চলছে।
একদিন বউমা পুরা সংসারে আলোর প্রদিপ জ্বালিয়ে দিলো। মহিলা সামান্য একটু সুখ পেয়েছে। কিন্ত
নিয়োতি একদিন সুখ ছেড়ে চলে গেল অজানা দেশে।
সবাই একটু দোয়া করবেন । তাই বলতে হয় নিরাশ হবেন না, আল্লাহ তাহার বান্দার কপালে সুখ-দুখ দুইটা লিখে রেখেছেন তাই সুখের পরে দুখ একদিন আসবেই।
একদম সত্য একটি পুরানো ঘটনা
//// ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট করে আমাদের পাশেই থাকুন ////

এরই নাম গরিব.......  গরিবের ভালবাসা এমননি হয়, মায়ের ভালোবাসা এ যেন মধুর চেয়ে মিষ্টি ।
13/05/2015

এরই নাম গরিব....... গরিবের ভালবাসা এমননি হয়, মায়ের ভালোবাসা এ যেন মধুর চেয়ে মিষ্টি ।

গ্রামের একটি প্রবাদ আছে,  জনযত,দনতত,কিন্ত এ প্রবাদটি উল্টো যেমন, একজন লোক প্রথম বিয়ে করলো, সে সংসাররে তার দুইটি সন্তান, ...
30/04/2015

গ্রামের একটি প্রবাদ আছে, জনযত,দনতত,কিন্ত এ প্রবাদটি উল্টো যেমন, একজন লোক প্রথম বিয়ে করলো, সে সংসাররে তার দুইটি সন্তান, এর পর বৌ মারাগেল এবং দ্বিতীয় বার বিয়ে করলো সে সংসার তিনটা সন্তান সেই বৌটি মারা গেল। তার পর ৩ নং বিয়ের পর ঐ সংসারে মোট চারটা সন্তান এভাবে একের পর এক বিয়ে করে কিন্ত দু:খের বিষয় হলো তার একটি বৌ বেচে নেই, লোকটি দিন কামলা দেয়, তবুও বয়স বেশির কারনে এখন আর কাজকম্ম করতে পারে না। আমার মনে হয় লোকটি শান্তি পায়নী, গরিব গরিবে থেকে গেল, যানিনা লোকটি বেচে আছে কিনা। যদি বেচে থাকে তাহলে আল্লাহ যেন হায়াত দান করে এবং বাকি জীবনটা সুখে শান্তিতে কাটতে পারে সকলে দোয়া করবেন ( সত্য একটি ঘটনা) জে

Address

Shahrasti, Chandpur
Chandpur
3622

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice Of Al Quran আল কোরাআনের কন্ঠ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Voice Of Al Quran আল কোরাআনের কন্ঠ:

Share