22/01/2026
আক্বীদার ক্ষেত্রে সালাফদের মানহাজ ৬ টি নীতি সংক্ষিপ্ত আকারে 📍
১. আক্বীদাহ গ্রহণের উৎস কেবল আল্লাহর কিতাব ও তাঁর রসূল +সাঃ) এর সুন্নাহ, তবে তা অবশ্যই হতে হবে সালাফদের বুঝের আলোকে।
২. সহীহ সুন্নাহ তথা হাদীস দ্বারা, সেটা মুতাওয়াতির হোক কিংবা খাবারে ওয়াহেদ হোক, আক্বীদাহ সাব্যস্ত হবে।
৩. ওহীতে যে আক্বীদাহ বর্ণিত হয়ে এসেছে, তা মেনে নেওয়া ও বিবেকের যুক্তি দিয়ে সেটাকে প্রত্যাখ্যান না করা এবং গায়েবী বিষয়াদিতে অনর্থক কথা বার্তায় নিমজ্জিত না হওয়া; যা বিবেকের যুক্তির ক্ষেত্র নয়।
৪. ইলমুল কালাম তথা যুক্তিবিদ্যা ও ইলমুল ফালসাফা তথা দর্শন শাস্ত্রে নিমজ্জিত না হওয়া।
৫. ভ্রান্ত তাওযীল বা অপব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান করা।
৬. একই মাসআলাতে সকল প্রকার দলীল একত্রিত করে সিদ্ধান্ত দেওয়া।
ইমাম বারবাহারি বলেনঃ "জেনে রাখো!-আল্লাহ আপনাকে রহমত করুন- ইসলাম কেবলমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকেই এসেছে, পণ্ডিতদের বিবেক বুদ্ধি ও মতাদর্শের ভিত্তিতে তা প্রণীত হয়নি। দ্বীনের জ্ঞান আল্লাহ ও তাঁর রসূলের নিকট। অতএব তুমি তোমার প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না, তাহলে দ্বীন থেকে ছিটকে পড়বে। অতঃপর ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে; নিশ্চয়ই তোমার পক্ষে কোনো যুক্তি প্রমাণ নেই; কারণ রসূল (সাঃ) তাঁর উম্মতের জন্য চলার পথ বর্ণনা করে গেছেন এবং তার সাহাবীগণের জন্য সেটাকে পরিস্কার করে গেছেন। সাহাবীরাই হলেন আল-জামা'আহ, তারাই হলেন 'আস সাওয়াদ আল-আ'জম' তথা সর্ব বৃহৎ গোষ্ঠী। আর আস-সাওয়াদ আল-আ'জম তথা সর্ব বৃহৎ গোষ্ঠী দ্বারা উদ্দেশ্য সত্য এবং তার অনুসারীগণ।"
তিনি আরো বলেনঃ "সুন্নাহ-ই হলো মূলভিত্তি যার উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আল-জামা'আহ তথা মুহাম্মাদ (সাঃ)- এর সাহাবীগণ (আল্লাহ তাদের সবার উপর রহমত করুন)। তারাই হলেন আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা'আহ। যে ব্যক্তি তাদের থেকে দ্বীন গ্রহণ করবে না, সে পথভ্রষ্ট ও বিদ'আতী হয়ে যাবে। প্রত্যেক বিদ'আতই ভ্রষ্টতা। আর ভ্রষ্টতা ও ভ্রষ্টরা জাহান্নামে নিক্ষেপিত হবে।"
শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ রাহিঃ বলেনঃ
"কালাম শাস্ত্রবিদ ও দার্শনিকদের চাইতে আহলে হাদীস ও সুন্নাহ'র অনসারীদের নিকট বহু বহু গুণ বেশি অবিচলতা ও স্থিরতা রয়েছে।"
- [মাজমুউল ফাতাওয়া,পৃষ্ঠা -৫/৫১]
আরো বলেনঃ "ইসলামের ভিতরে আহলে সুন্নাহর অবস্থান ঠিক ঐরূপ, যে রূপ বিভিন্ন জাতির মাঝে ইসলামের অবস্থান। "
- [মাজমুউল ফাতাওয়া,পৃষ্ঠা -১৩/১৪১]
প্রকৃত সালাফি হোন ✅
AKS_Design 💙