Debo Guru

Debo Guru Here you will find the best folk songs, hit folk songs, sad folk songs.

28/01/2026

Tuning by Debashish Ghosh

04/04/2025
Gayatri Mantraগায়ত্রী মন্ত্র 'ওঁ ভূর্ভুবস্বতৎসবিতুর্বরেণ্যংভর্গোদেবস্য ধীমহিধীয়ো য়ো নঃ প্রচোদয়াৎ একটি শক্তিশালী মন্ত্র ...
29/12/2024

Gayatri Mantra
গায়ত্রী মন্ত্র

'ওঁ ভূর্ভুবস্ব
তৎসবিতুর্বরেণ্যং
ভর্গোদেবস্য ধীমহি
ধীয়ো য়ো নঃ প্রচোদয়াৎ

একটি শক্তিশালী মন্ত্র হল 'গায়ত্রী মন্ত্র'।
গায়ত্রী মন্ত্রের কিছু চমৎকার নিরাময় ক্ষমতা রয়েছে। এই মন্ত্রটি আমাদের চেতনার তিনটি স্তরকে প্রভাবিত করে - জেগে থাকা, গভীর নিদ্রা এবং স্বপ্ন। সুতরাং, গায়ত্রী মন্ত্রের আশ্চর্য নিরাময় শক্তিগুলি কী কী? আসুন বিস্তারিতভাবে তা জেনে নেওয়া যাক।

Gayatri Mantra
গায়ত্রী মন্ত্র ও মন্ত্রের অর্থ
'ওঁ ভূর্ভুবস্ব
তৎসবিতুর্বরেণ্যং
ভর্গোদেবস্য ধীমহি
ধীয়ো য়ো নঃ প্রচোদয়াৎ' - এখানে এই মন্ত্রের অর্থ দেওয়া হল

ক) ওঁ : পরব্রহ্ম বা সর্বশক্তিমান ঈশ্বর

খ) ভূ : পৃথিবীলোক

গ) ভুবঃ : আকাশলোক

ঘ) স্ব : স্বর্গ

ঙ) তৎ : চূড়ান্ত সত্য

চ) সবিতু : যাবৎ কিছুর উৎস

ছ) বরেণ্যম : এঁদের প্রণাম করা হচ্ছে

জ) ভর্গো : আধাত্ম্যশক্তি

ঝ) দেবস্য : দৈব সত্তা

ঞ) ধীমহি : ধ্যান করা হচ্ছে

ট) ধীয়ো : ধীশক্তি বা বৌদ্ধিক উৎকর্ষ

ঠ) য়ো : কে

ড) নঃ : আমাদের

ঢ) প্রচোদয়াৎ : আলোকপ্রাপ্তি।

"গায়ত্রী" শব্দটি নিজেই এই মন্ত্রটির অস্তিত্বের কারণ ব্যাখ্যা করে। এটি সংস্কৃত বাক্যাংশ গায়ন্তম ত্রিয়তে ইতি-থেকে এর উদ্ভব হয়েছে।

গায়ত্রী মন্ত্র নিরাময় শক্তি

গায়ত্রী শক্তি হল একটি শক্তির ক্ষেত্র এবং এটি তিনটি শক্তির সর্বোচ্চ - তেজ বা দীপ্তি, যশ বা বিজয় এবং প্রতিভা। যখন কেউ গায়ত্রী মন্ত্র জপ করে, তখন এই শক্তিগুলি তার মধ্যে প্রকাশ পায় এবং তাকে আশীর্বাদ করার শক্তি দেয়। আশীর্বাদ গ্রহণকারীর মধ্যেও শক্তি প্রেরিত হয়। গায়ত্রী মন্ত্র বুদ্ধি তীক্ষ্ণ করে এবং আমাদের স্মৃতিকে মসৃণ করে যা সময়ের সাথে কলঙ্কিত হয়ে যায়।

গায়ত্রী মন্ত্র জপ করার আদর্শ সময় হল প্রতিদিন ভোর ও সন্ধ্যায়, এমন সময় যখন অন্ধকার বা আলো নয়। এটি আত্মার দিকে মনোনিবেশ করার সঠিক সময়। এই সময়ে গায়ত্রী মন্ত্র জপ করলে মন পুনরুত্থিত হয়।

শ্রী শ্রী মেহার কালী বাড়ির দশমহাবিদ্যা পূজা❤️স্থান - শ্রী শ্রী মেহার কালী বাড়ি, শাহরাস্তি, চাঁদপুর,বাংলাদেশ।
28/12/2024

শ্রী শ্রী মেহার কালী বাড়ির দশমহাবিদ্যা পূজা❤️
স্থান - শ্রী শ্রী মেহার কালী বাড়ি, শাহরাস্তি, চাঁদপুর,বাংলাদেশ।

সফলা একাদশী তারিখ: ২৬ ডিসেম্বর  ২০২৪,  বৃহস্পতিবার । সফলা একাদশী মাহাত্ম্যপৌষ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম ‘সফলা’। ব্র...
25/12/2024

সফলা একাদশী
তারিখ: ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪, বৃহস্পতিবার ।

সফলা একাদশী মাহাত্ম্য
পৌষ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম ‘সফলা’। ব্রহ্মাণ্ডপুরাণে যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে এই তিথির মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে।

যুধিষ্ঠির বললেন—হে প্রভু! পৌষ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশীর নাম, বিধি এবং পূজ্যদেবতা বিষয়ে আমার কৌতূহল নিবারণ করুন।

শ্রীকৃষ্ণ বললেন—হে মহারাজ! আপনার প্রতি স্নেহবশত সেই ব্রত কথা বিষয়ে বলছি। এই ব্রত আমাকে যেরকম সন্তুষ্ট করে, বহু দানদক্ষিণাযুক্ত যজ্ঞাদি দ্বারা আমি সেরকম সন্তুষ্ট হই না। তাই যত্নসহকারে এই ব্রত পালন করা কর্তব্য।

পৌষ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশীর নাম ‘সফলা’। নাগদের মধ্যে যেমন শেষনাগ, পক্ষীদের মধ্যে গরুড়, মানুষের মধ্যে ব্রাহ্মণ, দেবতাদের মধ্যে নারায়ণ সর্বশ্রেষ্ঠ; তেমনই সকল ব্রতের মধ্যে একাদশী ব্রতই সর্বশ্রেষ্ঠ। হে মহারাজ! যারা এই ব্রত পালন করেন, তারা আমার অত্যন্ত প্রিয়। তাদের এজগতে ধনলাভ ও পরজগতে মুক্তি লাভ হয়। হাজার হাজার বছর তপস্যায় যে ফল লাভ হয় না, একমাত্র সফলা একাদশীতে রাত্রি জাগরণের ফলে তা অনায়াসে প্রাপ্ত হওয়া যায়।

মহিষ্মত নামে এক রাজা প্রসিদ্ধ চম্পাবতী নগরে বাস করতেন। রাজার চারজন পুত্র ছিল। কিন্তু তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র লুম্ভক সর্বদা পরস্ত্রীগমন, মদ্যপান প্রভৃতি অসৎ কার্যে রত ছিল। সে সর্বক্ষণ ব্রাহ্মণ, বৈষ্ণব ও দেবতাদের নিন্দা করত। পুত্রের এই আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে রাজা তাকে রাজ্য থেকে বের করে দিলেন। স্ত্রী-পুত্র, পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজন পরিত্যক্ত হয়ে সে এক গভীর বনে প্রবেশ করল। সেখানে কখনও জীবহত্যা আবার কখনও চুরি করে জীবন ধারণ করতে লাগল। কিছুদিন পরে একদিন সে নগরে প্রহরীদের কাছে ধরা পড়ল। কিন্তু রাজপুত্র বলে সেই অপরাধ থেকে সে মুক্তি পেল। পুনরায় সে বনে ফিরে গিয়ে জীবহত্যা ও ফলমূল আহার করে দিন যাপন করতে লাগল।

ঐ বনে বহু বছরের পুরানো একটি বিশাল অশ্বত্থ বৃক্ষ ছিল। সেখানে ভগবান শ্রীবাসুদেব বিরাজমান বলে বৃক্ষটি দেবত্ব প্রাপ্ত হয়েছে। সেই বৃক্ষতলে পাপবুদ্ধি লুম্ভক বাস করত। বহুদিন পর তার পূর্বজন্মের কোনো পুণ্য ফলে সে পৌষ মাসের দশমী দিনে কেবল ফল আহারে দিন অতিবাহিত করল। কিন্তু রাত্রিতে অসহ্য শীতের প্রকোপে সে মৃতপ্রায় হয়ে রাত্রিযাপন করল। পরদিন সূর্যোদয় হলেও সে অচেতন হয়েই পড়ে রইল। দুপুরের দিকে তার চেতনা ফিরল। ক্ষুধা নিবারণের জন্য সে অতিকষ্টে কিছু ফল সংগ্রহ করল। এরপর সেই বৃক্ষতলে এসে পুনরায় বিশ্রাম করতে থাকল। রাত্রিতে খাদ্যাভাবে সে ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ল। সে প্রাণরক্ষার্থে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে ফলগুলি নিয়ে—‘হে ভগবান! আমার কি গতি হবে’ বলে অশ্রুপাত করতে করতে সেই বৃক্ষমূলে, ‘হে লক্ষ্মীপতি নারায়ণ! আপনি প্রসন্ন হোন’ বলে নিবেদন করল। এইভাবে সে অনাহারে ও অনিদ্রায় সেই রাত্রি যাপন করল।

ভগবান নারায়ণ সেই পাপী লুম্ভকের রাত্রি জাগরণকে একাদশীর জাগরণ এবং ফল অর্পণকে পূজা বলে গ্রহণ করলেন। এইভাবে অজ্ঞাতসারে লুম্ভকের সফলা একাদশী ব্রত পালন হয়ে গেল। প্রাতঃ কালে আকাশে দৈববাণী হল—হে পুত্র, তুমি সফলা ব্রতের পুণ্য প্রভাবে রাজ্য প্রাপ্ত হবে। সেই দৈববাণী শোনামাত্র লুম্ভক দিব্যরূপ লাভ করল। তার পাপবুদ্ধি দূর হল। সে পুনরায় নিষ্কণ্টক রাজ্য লাভ করল। স্ত্রীপুত্রসহ কিছুকাল রাজ্যসুখ ভোগের পর পুত্রের ওপর রাজ্যের ভার দিয়ে সে সন্ন্যাস আশ্রম গ্রহণ করল। অবশেষে মৃত্যুকালে সে অশোক অভয় ভগবানের কাছে ফিরে গেল।

হে মহারাজ! এভাবে সফলা একাদশী যিনি পালন করেন, তিনি জাগতিক সুখ ও পরে মুক্তি লাভ করেন। এই ব্রতে যারা শ্রদ্ধাশীল, তাঁরাই ধন্য। তাঁদের জন্ম সার্থক, এতে কোনো সন্দেহ নেই। এই ব্রত পাঠ ও শ্রবণে মানুষের রাজসূয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়।

গুরু তাঁর শিষ্যের প্রবচন লুকিয়ে শ্রবণ করছেন। শ্রীমৎ রাধানাথ স্বামী মহারাজের শিষ্য শ্রীমৎ ভক্তি রসামৃত স্বামী মহারাজ যাক...
23/09/2024

গুরু তাঁর শিষ্যের প্রবচন লুকিয়ে শ্রবণ করছেন। শ্রীমৎ রাধানাথ স্বামী মহারাজের শিষ্য শ্রীমৎ ভক্তি রসামৃত স্বামী মহারাজ যাকে প্রবচন দিতে দেখছেন। আর গর্ভ মন্দিরের ভেতরে বসে আছেন তাঁর গুরুদেব রাধানাথ স্বামী। লুকিয়ে শোনার কারণ হলো যদি ভক্তি রসামৃত মহারাজ জানতেন যে তার গুরুদেব মন্দিরে উপস্থিত রয়েছেন বা গুরুদেব সামনা সামনি বসতেন তাহলে ভক্তি রসামৃত স্বামী মহারাজ প্রবচন দিতে চাইতেন না। কারণ শিষ্য কখনই তার গুরুর সামনে ব্যাস আসনে বসে প্রবচন দিতে রাজি হবে না। তাই এই প্রক্রিয়া।এর মাধ্যমে শ্রীমৎ রাধানাথ স্বামী মহারাজের বিনম্রতা এবং একইসাথে প্রিয় শিষ্যের প্রতি স্নেহ উভয়ই প্রকাশ পেয়েছে।
হরিবোল!!!

👉 সকলের জন্যে ভীষ্মদেবের ৯টি উপদেশ🙏🙏১। ক্রোধ না করা২। মিথ্যা কথা না বলা৩। সম্পদ সমভাবে বন্টন করা ৪। ক্ষমা করা৫। কেবল বিব...
22/09/2024

👉 সকলের জন্যে ভীষ্মদেবের ৯টি উপদেশ🙏🙏
১। ক্রোধ না করা
২। মিথ্যা কথা না বলা
৩। সম্পদ সমভাবে বন্টন করা
৪। ক্ষমা করা
৫। কেবল বিবাহিত পত্নীর দ্বারাই সন্তান উৎপাদন করা
৬। দেহে ও মনে শুদ্ধ হওয়া
৭। কারো প্রতি শত্রুভাবাপন্ন না হওয়া
৮। সরল হওয়া
৯। আশ্রিত অথবা অধীনস্তদের পালন করা ।

👉 তাছাড়া ভীষ্মদেব আরো কিছু উপদেশ দিয়েছেন🙏🙏

১। ক্রোধ থেকে মুক্ত হবার জন্য ক্ষমা করতে শিখতে হবে ।
২। অবৈধ বাসনাসমূহ থেকে মুক্ত হবার জন্য ভবিষৎ পরিকল্পনা করার প্রবণতা ত্যাগ করতে হবে ।
৩। আধ্যাত্মিক অনুশীলনের দ্বারা ঘুমকে জয় করা যায়
৪। সহনশীলতার দ্বারা কেউ বাসনাসমূহ এবং বিদ্বেষকে জয় করা যায় ।
৫। নিয়ন্ত্রিত আহারের দ্বারা কেউ বিভিন্ন রোগের উপদ্রব পরিহার করতে পারবে ।
৬। আত্ম-সংযমের দ্বারা মিথ্যা আশা থেকে মুক্ত হওয়া যায় ।
৭। অপ্রত্যাশিত সঙ্গ পরিহার করে অর্থ বাচানো যায় ।
৮। যোগ অনুশীলনের দ্বারা ক্ষুদা ও তৃষ্ণা জয় করা যায় ।
৯। জগতের অনিত্যতার সম্বন্ধে জ্ঞান আহরণের ফলে বিষয়-তৃষ্ণা নিবারন করা যায় ।
১০। ভোরে শয্যা ত্যাগ করার দ্বারা বিহ্বলতা জয় করা যায় ।
১১। তথ্য নির্ধারনের মাধ্যমে মিথ্যা তর্ক জয় করা যায় ।
১২। গাম্ভীর্য এবং মৌনতার দ্বারা বাচালতা পরিহার করা যায় ।
১৩। শৌর্যের দ্বারা ভয় পরিহার করা যায় ।
১৪। আত্ম অনুশীলনের ফলে যথার্থ জ্ঞান অর্জন করা যায় ।

শ্রীমদ্ভাগবত ১/৯/২৭ এর তাৎপর্য🙏🙏

10/12/2023

আপনি কি জানেন প্রার্থনা কয় প্রকার? এবং কি কি?
উত্তর : প্রার্থনা তিন প্রাকার।

১)হীন প্রার্থনা। ২)মধ‍্যম প্রার্থনা। ৩) উত্তম প্রার্থনা।

১) হীন প্রার্থনা হলো - ধন, জন, স্ত্রী, পুত্র বিষয় আদি প্রার্থনা।

২)মধ‍্যম প্রার্থনা হলো - স্বর্গলোক, দেবলোক, অর্থাৎ যে লোক পূর্ণক্ষয়ে ত্যাগ করতে হয়।

৩) উত্তম প্রার্থনা হলো - নির্বান প্রার্থনা তথা পরমাত্মায় বিলিন হয়ে মুক্তির আশাই উত্তম প্রার্থনা বলে।

01/12/2023

দুর্গা পুজার নৃত্য।

06/09/2023

প্রান জোরানো কীর্তন।

26/08/2023

কবিগান,
মেহার কালীবাড়ী।

Address

Chandpur
3623

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Debo Guru posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Debo Guru:

Share

Category