হাছান মওদুদ জৈনপুরী ঈদগাহ জামে মসজিদ

  • Home
  • Bangladesh
  • Chandpur
  • হাছান মওদুদ জৈনপুরী ঈদগাহ জামে মসজিদ

হাছান মওদুদ জৈনপুরী ঈদগাহ জামে মসজিদ হযরত মওদূদী হাসান ঈদগাহ জামে মসজিদ হচ?

ঘোষণাপত্র ও অঙ্গীকারনামাMarch for Gaza | ঢাকা | ২০২৫বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম  আল্লাহর নামে শুরু করছি — যিনি পরাক্রমশা...
12/04/2025

ঘোষণাপত্র ও অঙ্গীকারনামা
March for Gaza | ঢাকা | ২০২৫
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আল্লাহর নামে শুরু করছি — যিনি পরাক্রমশালী, যিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাকারী,
যিনি মজলুমের পাশে থাকেন, আর জালেমের পরিণতি নির্ধারণ করেন।

আমরা, বাংলাদেশের মানুষ, আজ গাজার মৃত্যুভয়হীন জনগণের পাশে দাঁড়াতে একত্র হয়েছি।
এই সমাবেশ কেবল প্রতিবাদ নয়—এটি একটি অঙ্গীকার, একটি শপথ।

আমাদের দাবি—

জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি:
১। ইসরায়েলের গণহত্যার বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে নিশ্চিত করতে হবে।
২। যুদ্ধবিরতি নয়, গণহত্যা বন্ধে কার্যকর ও সম্মিলিত পদক্ষেপ নিতে হবে।
৩। ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী ভূখণ্ড ফিরিয়ে দিতে বাধ্য করতে হবে।
৪। পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিতে হবে।
৫। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার পথ খুলে দিতে হবে।

মুসলিম উম্মাহর নেতৃবৃন্দের প্রতি:
১। ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে।
২। অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক অবরোধ আরোপ করতে হবে।
৩। গাজার জনগণের জন্য খাদ্য, চিকিৎসা ও প্রতিরক্ষা সহায়তা পাঠাতে হবে।
৪। আন্তর্জাতিক মহলে ইসরায়েলকে একঘরে করার কূটনীতি চালাতে হবে।
৫। ভারতের হিন্দুত্ববাদী শাসনের অধীনে মুসলিম নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে হবে।

বাংলাদেশ সরকারের প্রতি:
১। ‘Except Israel’ শর্ত পুনর্বহাল ও ইসরায়েলকে স্বীকৃতি না দেওয়ার অবস্থান সুস্পষ্ট করতে হবে।
২। ইসরায়েলের সঙ্গে করা সব চুক্তি বাতিল করতে হবে।
৩। গাজায় রাষ্ট্রীয়ভাবে ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা পাঠাতে হবে।
৪। জায়নবাদী কোম্পানির পণ্য বর্জনের নির্দেশনা দিতে হবে।
৫। ভারতের হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিবাদ জানাতে হবে।
৬। পাঠ্যবই ও শিক্ষানীতিতে ফিলিস্তিন ও মুসলিম সংগ্রামের ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

নিজেদের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার:
১। ইসরায়েল সমর্থিত সকল পণ্য ও কোম্পানি বর্জন করবো।
২। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ইসলাম ও উম্মাহর প্রতিনিধিত্বের জন্য প্রস্তুত করবো।
৩। সন্তানদের আদর্শ ও আত্মরক্ষার শিক্ষায় গড়ে তুলবো।
৪। বিভাজন নয়, ঐক্যই আমাদের শক্তি—এই ঐক্য রক্ষা করবো ইন শা আল্লাহ।

আমরা মনে রাখবো—
গাজার শহীদরা কেবল আমাদের দো‘আ চান না, তাঁরা আমাদের প্রস্তুতি চান।

শান্তি বর্ষিত হোক গাজার সাহসী শহীদদের উপর,
যাঁদের রক্তে ভূমি পবিত্র হয়েছে, যাঁরা সবর ও ঈমানের অনন্য দৃষ্টান্ত।
শান্তি বর্ষিত হোক বাইতুল মাকদিসের গর্বিত অধিবাসীদের উপর।

আমরা বাংলাদেশের মানুষ,
শাহ জালাল (রহ.) ও শরীয়তুল্লাহর (রহ.) ভূমি থেকে,
গাজার প্রতিরোধের পাশে আছি—সবসময় থাকবো ইন শা আল্লাহ।

বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে,
Palestine Solidarity Movement, Bangladesh





23/03/2025

📌 আলহামদুলিল্লাহ!
গৃদকালিন্দিয়া ধনীদারবাড়ি জনকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ধারাবাহিকভাবে আজ দশম দিনের মতো ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হলো। আল্লাহ তাআলা এই ক্ষুদ্র প্রয়াস কবুল ও মঞ্জুর করুন। আমিন।

_সহমর্মিতার আলোয় আলোকিত হোক সমাজ_ ✨

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কুরআনের মাধ্যমেই  আমাদের কে জানিয়ে দিয়েছেন                                                 ...
20/10/2023

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কুরআনের মাধ্যমেই আমাদের কে জানিয়ে দিয়েছেন ইহুদীদের পরিচয়:
ইহুদীরা হযরত ইয়াকুব (আঃ) এর বংশধর। ইহুদী শব্দটি এসেছে ইয়াহুদা থেকে, যিনি ছিলেন হযরত ইয়াকুব (আঃ) এর জ্যেষ্ঠপুত্র। মূলত শব্দটি ছিল ইয়াহুযা। যালকে দাল দিয়ে পরিবর্তন করে আরবি করা হয়েছে। ইয়াহুদা শব্দের অর্থ তাওবাকারী। গো বৎসপূজা থেকে তাওবা করার কারণে তাদের নাম হয়েছে ইয়াহুযা। অর্থাৎ তাওবাকারী। (কুরতুবি প্রথম খণ্ড পৃষ্ঠা-৩৩৮)
ইহুদীরা হযরত মূসা (আঃ) কে নবী মানলেও তাঁহার কোনো আদর্শ তাদের মধ্যে নেই। এমনকি তারা তাওরাত কিতাবকে বিকৃত করেছে এবং হযরত উজাইর (আঃ) কে আল্লাহর পুত্র বলে মনে করে।
মুসলমানদের প্রধান শত্রু ইহুদীরা আল্লাহ তা‘আলা বলেন ।
لَتَجِدَنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِّلَّذِينَ آمَنُوا الْيَهُودَ وَالَّذِينَ أَشْرَكُوا ۖ
আপনি সব মানুষের চাইতে মুসলমানদের অধিক শত্রু ইহুদী ও মুশরেকদেরকে পাবেন। (সূরা মায়েদা ৮২)
# ইহুদীরা একটি অভিশপ্ত জাতি। কুরআন মাজিদের বহু জায়গায় তাদের অপকর্মের কথা বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন।
وَقَالَتِ الْيَهُودُ يَدُ اللَّهِ مَغْلُولَةٌ ۚ غُلَّتْ أَيْدِيهِمْ وَلُعِنُوا بِمَا قَالُوا ۘ
আর ইহুদীরা বলে আল্লাহর হাত বন্ধ হয়ে গেছে। তাদেরই হাত বন্ধ হোক। এ কথা বলার জন্য তাদের প্রতি অভিসম্পাত। (সূরা মায়েদা-৬৪) মহান আল্লাহ বলেছেন ।
لُعِنَ الَّذِينَ كَفَرُوا مِن بَنِي إِسْرَائِيلَ عَلَىٰ لِسَانِ دَاوُودَ وَعِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ ۚ ذَٰلِكَ بِمَا عَصَوا وَّكَانُوا يَعْتَدُونَ ‎﴿٧٨﴾
বনি ইসরাইলের মধ্যে যারা কাফের, (ইহুদী) তাদেরকে দাউদ ও মরিয়ম তনয় ঈসার মুখে অভিসম্পাত করা হয়েছে। এটা এ কারণে যে, তারা সীমালঙ্ঘন করত। (সূরা আল মায়েদা ৭৮)
# ইহুদীরা নবীদের হত্যা করতো
ইহুদীরা যুগে যুগে সব নবী - রাসূলদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে এবং হত্যার প্রচেষ্টা করেছে। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত ইহুদীরা ৩০০ জন নবীকে হত্যা করেছে (ইবনে কাসির প্রথম খণ্ড পৃষ্ঠা-১০৯)।
আল্লাহ তাআলা বলেন।
إِنَّ الَّذِينَ يَكْفُرُونَ بِآيَاتِ اللَّهِ وَيَقْتُلُونَ النَّبِيِّينَ بِغَيْرِ حَقٍّ وَيَقْتُلُونَ الَّذِينَ يَأْمُرُونَ بِالْقِسْطِ مِنَ النَّاسِ فَبَشِّرْهُم بِعَذَابٍ أَلِيمٍ ‎﴿٢١﴾
যারা আল্লাহর নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করে এবং পয়গম্বরগণকে হত্যা করে অন্যায়ভাবে, আর সেসব লোককে হত্যা করে যারা ন্যায়পরায়ণতার নির্দেশ দেয় তাদেরকে বেদনাদায়ক শাস্তির সংবাদ দিন। (সূরা আলে ইমরান ২১)
আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আরো বলেন।
كُلَّمَا جَاءَهُمْ رَسُولٌ بِمَا لَا تَهْوَىٰ أَنفُسُهُمْ فَرِيقًا كَذَّبُوا وَفَرِيقًا يَقْتُلُونَ ‎﴿٧٠﴾‏
যখনই তাদের কাছে কোনো পয়গম্বর এমন নির্দেশ নিয়ে আসতেন যা তাদের মনে চাইত না, তখন তাদের অনেকের প্রতি তারা মিথ্যা আরোপ করত এবং অনেককে হত্যা করে ফেলত। (সূরা মায়েদা ৭১)
আল্লাহ আরো বলেছেন।
وَضُرِبَتْ عَلَيْهِمُ الذِّلَّةُ وَالْمَسْكَنَةُ وَبَاءُوا بِغَضَبٍ مِّنَ اللَّهِ ۗ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ كَانُوا يَكْفُرُونَ بِآيَاتِ اللَّهِ وَيَقْتُلُونَ النَّبِيِّينَ بِغَيْرِ الْحَقِّ ۗ ذَٰلِكَ بِمَا عَصَوا وَّكَانُوا يَعْتَدُونَ ‎﴿٦١﴾‏
আর তাদের (ইহুদীদের) ওপর আরোপ করা হয়েছে লাঞ্ছনা ও পরমুখাপেক্ষিতা। তারা আল্লাহর রোষানলে পতিত হয়ে ঘুরতে থাকল। এমন হলো এ জন্য যে, তারা আল্লাহর বিধিবিধান মানত না এবং নবীগণকে অন্যায়ভাবে হত্যা করত। তার কারণ, তারা ছিল নাফরমান-সীমালঙ্ঘনকারী (সূরা বাকারা ৬১)
# আল্লাহর নিদর্শনাবলি অস্বীকার
ইহুদীরা তাওরাত ছাড়া অন্যান্য আসমানি গ্রন্থকে অস্বীকার করে এবং হযরত ইয়াহিয়া, জাকারিয়া, ঈসা (আঃ) হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ) মুজিযাকে অস্বীকার করে। অথচ ঈমানের দাবি হলো- সমস্ত আসমানি কিতাব ও সব নবী-রাসূলকে বিশ্বাস করা এবং তাদের মুজিযাকে স্বীকার করা।
# অঙ্গীকার ভঙ্গ করা
ইহুদীদের অভিশপ্ত হওয়ার আরেকটি অন্যতম কারণ হলো- তাদের সাথে কৃত ওয়াদা ভঙ্গ করা। তারা আল্লাহর সাথে এবং নবীদের সাথে কৃত সব অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছে। কোনো অঙ্গীকার ঠিক রাখেনি। আল্লাহর বলেন
وَلَقَدْ أَخَذَ اللَّهُ مِيثَاقَ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَبَعَثْنَا مِنْهُمُ اثْنَيْ عَشَرَ نَقِيبًا ۖ وَقَالَ اللَّهُ إِنِّي مَعَكُمْ ۖ لَئِنْ أَقَمْتُمُ الصَّلَاةَ وَآتَيْتُمُ الزَّكَاةَ وَآمَنتُم بِرُسُلِي وَعَزَّرْتُمُوهُمْ وَأَقْرَضْتُمُ اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا لَّأُكَفِّرَنَّ عَنكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَلَأُدْخِلَنَّكُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ ۚ فَمَن كَفَرَ بَعْدَ ذَٰلِكَ مِنكُمْ فَقَدْ ضَلَّ سَوَاءَ السَّبِيلِ ‎﴿١٢﴾ فَبِمَا نَقْضِهِم مِّيثَاقَهُمْ لَعَنَّاهُمْ وَجَعَلْنَا قُلُوبَهُمْ قَاسِيَةً ۖ
আর আল্লাহ বনি ইসরাইলদের কাছ থেকে অঙ্গীকার নিয়েছিলেন এবং আমি তাদের মধ্য থেকে ১২ জন সর্দার নিযুক্ত করেছিলাম। আল্লাহ বলে দিলেন আমি তোমাদের সাথে আছি। যদি তোমরা নামায প্রতিষ্ঠা করো, জাকাত দিতে থাকো, আমার পয়গম্বরদের প্রতি বিশ্বাস রাখো, তাদের সাহায্য করো এবং আল্লাহকে উত্তম পন্থায় ঋণ দিতে থাকো, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের গুনাহ দূর করে দেবো এবং অবশ্যই তোমাদেরকে উদ্যান সমূহে প্রবেশ করাব, যেগুলোর তলদেশ দিয়ে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত। অতঃপর তোমাদের মধ্য থেকে যে ব্যক্তি এর পরও কাফের হয়, সে নিশ্চিতই সৎ পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ে। অতএব, তাদের অঙ্গীকার ভঙ্গের কারণে আমি তাদের ওপর অভিসম্পাত করেছি এবং তাদের অন্তরকে কঠোর করে দিয়েছি। (সূরা মায়েদা ১২-১৩)
# নিয়ামতে নাশুকরি
আল্লাহ তায়ালা ইহুদীদের অসংখ্য নিয়ামত দান করেছেন। যেমন- সমগ্র বিশ্বের কর্তৃত্ব নেতৃত্ব দান। আল্লাহ তায়ালা বলেন
يَا بَنِي إِسْرَائِيلَ اذْكُرُوا نِعْمَتِيَ الَّتِي أَنْعَمْتُ عَلَيْكُمْ وَأَنِّي فَضَّلْتُكُمْ عَلَى الْعَالَمِينَ ‎﴿٤٧﴾‏
হে বনি ইসরাইল! তোমাদের প্রতি প্রদত্ত আমার নিয়ামতের কথা স্মরণ করো। আর আমি তোমাদেরকে সমস্ত জগতের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি। (সূরা বাকারা-৪৭)
# আসমানি কিতাব বিকৃতি
ইহুদীরা তাদের কাছে প্রেরিত আসমানি কিতাবকে বিকৃত করেছে। আল্লাহর কালামে নিজেদের মনগড়াভাবে পরিবর্তন সাধন করেছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন
يُحَرِّفُونَ الْكَلِمَ عَن مَّوَاضِعِهِ ۙ وَنَسُوا حَظًّا مِّمَّا ذُكِّرُوا بِهِ ۚ
তারা কালামকে তার স্থান থেকে বিচ্যুত করে দেয়’ আর তাদের যে-সব নির্দেশ দেয়া হয়েছিল তার অংশবিশেষ ভুলে যায়। (সূরা মায়েদা-১৩)
# ইহুদীদের মরণ হবে মুসলিমদের হাতেই
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ]، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ [ قَالَ ‏ "‏ لاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يُقَاتِلَ الْمُسْلِمُونَ الْيَهُودَ فَيَقْتُلُهُمُ الْمُسْلِمُونَ حَتَّى يَخْتَبِئَ الْيَهُودِيُّ مِنْ وَرَاءِ الْحَجَرِ وَالشَّجَرِ فَيَقُولُ الْحَجَرُ أَوِ الشَّجَرُ يَا مُسْلِمُ يَا عَبْدَ اللَّهِ هَذَا يَهُودِيٌّ خَلْفِي فَتَعَالَ فَاقْتُلْهُ.‏ إِلاَّ الْغَرْقَدَ فَإِنَّهُ مِنْ شَجَرِ الْيَهُودِ ‏
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত মুসলিমদের সঙ্গে ইহুদী সম্প্রদায়ের যুদ্ধ না হবে। মুসলিমগণ তাদেরকে হত্যা করবে। ফলে তারা পাথর বা গাছের পিছনে লুকিয়ে থাকবে। তখন পাথর বা গাছ বলবে, হে মুসলিম! হে আল্লাহর বান্দা! এই তো ইয়াহুদী আমার পিছনে লুকিয়ে আছে। এসো, তাকে হত্যা কর। কিন্তু ’গারকাদ’ নামক গাছ দেখিয়ে দিবে না। কারণ এটা হচ্ছে ইহুদীদের সহায়তাকারী গাছ। (মুসলিম: ২৯২২)
গেলো ৭ই অক্টোবর হতে মুসলিম সংগঠন হামাস ও ইসরাইলের ইহুদীদের সংঘর্ষ নতুন করে শুরু হয়েছে। ইসরাইল নির্বিচারে মুসলিমদের হত্যা করে যাচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে ইহুদিরা চরম মার খেয়েছে। হিটলার, সালাহউদ্দিন আইয়ুবি, মুসলিনি, বখতে নাসসার প্রমুখ লাখ লাখ ইহুদিকে হত্যা ও দেশ ছাড়া করেছে। বর্তমানে আমেরিকা, ব্রিটেন এবং কতিপয় ইউরোপীয় দেশ তাদের ঘাঁটি হিসেবে ইসরাইল নামক একটি ইহুদি রাষ্ট্র ফিলিস্তিনে প্রতিষ্ঠা করেছে। এবং মুসলমানদেরকে হত্যা করে যাচ্ছে।
তবে খুশির সংবাদ হলো একটা সময় এমন আসবে যে পৃথিবীর সকল ইহুদী মুসলিমদের হাতেই নিহত হবে। সারা বিশ্বের মুসলিমদের একযুগে ফিলিস্তীনের মুসলিমদের সাহায্য করা প্রয়োজন। আল্লাহ আমাদের সেই তাওফীক দান করুন। আমীন ইয়া রাব্বুল আলামিন।

ছবিঃ ইয়াহুদীদের উপাস্য দেবতা!

...এর টাইমলাইন থেকে সংগৃহীত।

আল-আকসা প্রাঙ্গনে ইহুদিরা 'থার্ড সলোমন টেম্পল' নির্মান করতে চায়। প্রশ্ন হল এক্স্যাক্টলি এখানেই কেন, আল-আকসা প্রাঙ্গনেই ক...
18/10/2023

আল-আকসা প্রাঙ্গনে ইহুদিরা 'থার্ড সলোমন টেম্পল' নির্মান করতে চায়। প্রশ্ন হল এক্স্যাক্টলি এখানেই কেন, আল-আকসা প্রাঙ্গনেই কেন? ইহুদিদের বিশ্বাস এই প্রাঙ্গনের নিচেই সোলাইমান (আঃ) এর প্রথম টেম্পল অবস্থিত। এখন যদি প্রশ্ন করা হয় সোলাইমান (আঃ) এর টেম্পল এর সাথে ইহুদিদের কি সম্পর্ক?! তিনি যে তাদের একমাত্র নবী ছিলেন এমনও না। উত্তরটা বুঝার জন্য আমাদের বেশ পেছনে যেতে হবে...

আমরা জানি মানুষের মাঝে সবচেয়ে প্রিভিলেজড ক্ষমতা (মুজিজা) লাভকারি পয়গম্বর ছিলেন সোলাইমান (আঃ)। আল্লাহর ইচ্ছায় তিনি জ্বীন জাতি ও পশুপাখিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারতেন। উনার ছিল মহা সাম্রাজ্য ও অচিন্তনীয় ধনসম্পদ। তার ক্ষমতা নিয়ে আজো গল্প, সিনেমা, উপন্যাসে বহু মিথের প্রচলন আছে। আল্লাহর ইচ্ছায় প্রাপ্ত তার এই মহা ক্ষমতা ও সম্পদ অর্জন করার জন্য বহুকাল আগে থেকেই একদল মানুষ লোভে পতিত হয়। এই উদ্দেশ্যে ব্যবিলনিয়দের সময় থেকেই প্রচুর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু এই ভুল উদ্দেশ্য তাড়া করেই কিনা, ব্যবিলনিয়রা জাদুবিদ্যা ও শয়তান চর্চায় জড়িয়ে গিয়ে অধঃপতিত হয়েছিল। কোরআনে সুরা বাকারায় এই ব্যাপারে বলা আছে।

যাই হোক, খ্রিস্টানদের ন্যায় ইহুদি জাতিও কিন্তু স্রেফ একটি ধারা না। মুসা (আঃ) এর সময় থেকেই তারা নানা দল-উপদলে বিভক্ত হয়। পরবর্তিতে ইহুদি জাতির একটি বিশেষ কিছু দল সোলাইমান (আঃ) এর ক্ষমতা ও ব্যবিলনিয়দের জাদুবিদ্যার প্রতি সবচেয়ে বেশি প্রলুব্ধ ছিল। বিশেষত 'আশকেনাজি' ওরফে 'খাজারিয়ান' জিউরা এদের মাঝে অগ্রগন্য। এই প্রচন্ড নটোরিয়াস গ্রুপটি মূলত 'খাজারিয়া' বা বর্তমান ইউক্রেনের একটি যাযাবর ও ঠগী গোষ্ঠী ছিল। এরা জন্মসূত্রে ইয়াহূদী ছিল না বরং ইউরোপিয়ান ছিল। ঘটনাক্রমে ততকালীন রাশান জারের দেয়া শর্তমতে প্রাণে বেচে থাকার জন্য এরা বাধ্য হয়ে ইহুদি ধর্মে রুপান্তরিত হয়েছিল। একটা পর্যায়ে ব্যবিলনে পালিয়ে গিয়েছিল ও কোনভাবে সেই জাদুকর, শয়তানপূজারী গোষ্ঠীর সংস্পর্শে এসেছিল। এরা তখন একটি নতুন অকাল্ট ধর্ম বা মিস্টিক ধারা তৈরি করে যা 'কাব্বালিক' হিসেবে পরিচিত। ঘটনাক্রমে মধ্যযুগে এদের সাথে ব্যাভারিয়ান 'ফ্রিমেসন' নামক আরেকটি গুপ্তসংঘ ও খ্রিস্টান ক্রুসেডারদের বিশেষ বাহিনী 'নাইট টেম্পলার' দের যোগসূত্র স্থাপিত হয়। নাইট টেম্পলাররা এদের দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়ে ক্রিশ্চিয়ানিজম থেকে দলছুট হয়ে যায়। এর ফলে ইউরোপে চার্চ তাদের ধর্মত্যাগী ঘোষণা করে হুলিয়া জারি করে যে তাদের দেখামাত্রই হত্যা করতে হবে। এর ফলে 'নাইট টেম্পলাররা' নর্দান ইউরোপের দেশগুলোতে আত্মগোপনে চলে যায় কয়েক শতকের জন্য।

ধারণা করা হয় এই 'কাব্বালিক ইহুদি', 'ব্যাভারিয়ান' এবং 'নাইট টেম্পলার' এই তিন গোষ্ঠীর সন্মিলনে এক বা একাধিক সমমনা গুপ্তসংঘের আবির্ভাব ঘটে। ইউরোপ থেকে পুনরায় আত্মপ্রকাশ করা এই সংঘগুলির সদস্যরা পরবর্তীতে পৃথিবীতে বিপুল পরিমাণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করে। আমরা 'ফ্রি-মেসন' কিংবা 'ইলুমিন্যাটি' বিভিন্ন নামে বর্তমানে যে বিপুল ক্ষমতাধর গুপ্তসংগঠনগুলোকে ডাকি- তারা সেই গোষ্ঠীগুলোরই ব্লাডলাইন তথা উত্তরসূরী। হ্যাঁ, কয়েক শতকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে বিপুল ক্ষমতা বিস্তার করে বর্তমানে এরাই আড়াল থেকে এই পৃথিবীর কলকাঠি নাড়ে। নতুন এই বিশ্বের গালভরা নাম দিয়েছে এরা 'নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার'। বর্তমানে আমরা মোটের উপরে এই পৃথিবীর যে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক বাস্তবতা দেখি তা অনেকাংশেই এই নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডারের নিয়ন্ত্রিত। প্রায়ই এমেরিকা, ইউরোপের যে নামকরা সেলিব্রেটি, রাজনীতিবিদ, ধনকুবেরদের স্যাটানিক রিচুয়ালের (শয়তান পূজা) খবর, ছবি ভাইরাল হয় তারা এদেরই হাতের পুতুল।

এবার মূল কথায় আসি। ইব্রাহীম (আ:) এর বংশধররা মূলত হলদেটে বর্ণের 'জুডাইস্ট'। জিনেটিকালি আরবদের ভাই এই জুডাইস্টদের একটা বড় অংশ নম্র এবং ধর্মগ্রন্থ হিসেবে 'বুক অব তোরাহ' অনুসরণ করার চেষ্টা করে। এরা ব্রাজিল, রাশিয়াসহ পৃথিবীর নানা দেশে ছড়িয়ে আছে। একটু খোঁজ নিলে জানতে পারবেন যে এই জুদাইস্টদের একটি বড় অংশ 'প্রমিসড ল্যান্ড' এর নামে স্বাধীন ফিলিস্তিনে জুলুম করে ইজ্রাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে।

আসি মূল টুইস্টে। বর্তমান জায়নবাদী ইজরাইলের মূল হোতা হচ্ছে সেই ইউরোপীয় লালমুখো আশকেনাজি জিউরা। এরা অনুসরণ ও চর্চা করে করে 'বুক অব তালমুদ'। যেটি কোন আসমানী কিতাব নয় বরং কথিত আছে এটি জাদুবিদ্যায় ঠাসা একটি বই! এর একটি নাম হচ্ছে 'ব্যবিলনিয়ান তালমুদ'! কি?! কিছু মনে পড়ে যাচ্ছে?! বিশ্বাস না হলে গুগল করে দেখতে পারেন! এই চূড়ান্ত বিপথগামী জায়োনিস্টরা একটি বিশেষ এজেন্ডা নিয়ে কাজ করছে। ফিলিস্তিনে স্রেফ একটি ইহুদি রাষ্ট্র কায়েম করা তাদের উদ্দেশ্য না। সারা বিশ্বে ইহুদিরা অর্থনৈতিকভাবে ও রাজনৈতিকভাবে যে বলীয়ান তারা পৃথিবীর যে কোন স্থানে কি রাষ্ট্র কায়েম করতে পারতো না? একটি স্বাধীন রাষ্ট্রকে রীতিমত দখল করে, এত রক্তক্ষয় করে এটা তারা কেন করতে চাচ্ছে? এই প্রশ্নের উত্তর জানলে আরো বহু প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।

কথিত 'প্রতিশ্রুত ভূমি' তে তারা একটি রাষ্ট্র কায়েম করতে চায়। সেই রাষ্ট্র থেকে তারা সোলাইমান (আ:) এর সেই বিস্ময়কর ক্ষমতা ও রাজত্বের অনুকরনে পুরো পৃথিবী করতলগত করতে চায়। তাদের আল্টিমেট টার্গেটের একটি হচ্ছে আল-আকসা প্রাঙ্গনে কথিত 'সলোমন টেম্পল' পুনঃর্নির্মান। এখন এই সলোমন টেম্পল নিয়ে বেশ রহস্যে ঘেরা আলোচনা আছে। ইহুদিদের বিশ্বাস এই টেম্পলে এমন শক্তি/জ্ঞান লুপ্ত আছে যা তাদেরকে প্রবল ক্ষমতাধর করবে ও সারা পৃথিবীতে বিজয়ী করবে। তাদের বিজয়ের কান্ডারি হাল ধরবেন এবং এই টেম্পল থেকেই নিজের একচ্ছত্র রাজত্ব ঘোষণা করবেন। এই কান্ডারীর আগমন ঘনিয়ে আসার কারনেই আল-আকসা দখলে এত তোড়জোড়! এই কান্ডারীটা কে জানেন?

-মসিহাহ দাজ্জাল!

কি? চমকে গেলেন?! মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফিতনা। যারা রাসুল (সাঃ) এর শেষ জামানার প্রফেসিগুলো জানেন তারা জানেন যে এর অধিকাংশই বাস্তবায়িত হয়েছে। অধিকংশ শাইখই বলছেন দাজ্জাল আসার সময় নিকটবর্তী। তিনটি ধর্ম- মুসলিম, খ্রিস্টানদের একাংশ, ইহুদিরা নিজ নিজ মসিহার জন্য অপেক্ষা করছে। আমরা অপেক্ষা করছি ইমাম মাহদি (আ:) ও ইসা (আঃ) এর জন্য, ক্রিস্টানরা অপেক্ষা করছে ইসা (আঃ) এর জন্য। তাহলে ইহুদিরা অপেক্ষা করছে কার জন্য? ইহুদিরা তাদের মসিহাহ দাজ্জালের অপেক্ষা করছে!

কিন্তু কেন?!

এখানেই বড় টুইস্ট। আমরা জানি তৌরাত ও ইঞ্জিলে শেষ নবী আগমনের কথা বলে রাখা হয়েছে। কিন্তু শেষ নবী (সাঃ) যখন আসলেন ইহুদিরা তখন তাকে অস্বীকার করলো। ফলে তাদের হিসেবে শেষ নবী এখনো আসেনি। এই বিপথগামিতা তাদেরকে এখন মানব জাতির সবচেয়ে বড় ফিতনার অনুগামী করেছে। তারা শেষ নবী হিসেবে দাজ্জালকে মনে করে তার আগমনের জন্য অপেক্ষা করছে! নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার মূলত দাজ্জালের আগমনের পূর্বে বিশ্বকে প্রস্তুত করার পরিকল্পনা।

যাই হোক, এটা মেইনস্ট্রিম কোন একক লিটারেচার থেকে নেয়া মতামত না। এটা আমার দীর্ঘ একটা পড়াশোনার ফসল। ইতিহাসের অনেক ছেঁড়া সুতো পাশাপাশি জুড়ে দিয়ে এই আলোচনাটা দাড় করানো। অনেক বিশেষজ্ঞ আলেমদেরও মতামত এমন। অনেকগুলো কনসেপ্টের আলাদা আলাদা কন্টেক্সট ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা রয়েছে। কারো বিস্তারিত জানার আগ্রহ থাকলে আমাকে জানাবেন। দ্বিমত থাকতেই পারে। থাকলে বিস্তারিত ও গঠনমূলক মতামত জানালে খুশি হব।

- সৈয়দ তানজীম হাসান
পুনঃ লিখিত ও পরিমার্জিত

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু
03/08/2023

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু

20/04/2023

তোমরা যেখানেই থাকো না কেন মৃত্যু তোমাদের নাগাল পাবে যদিও তোমরা সুদৃঢ় দুর্গে অবস্থান করো।
-সূরা আন-নিসা, আয়াতঃ ৭৮

04/01/2023

পৃথিবিতে সব চাইতে কঠিন কাজ হল নিজে সংশোধন হওয়া আর সব চাইতে সহজ কাজ হল অন্যের সমলোচনা করা..
-(হযরত আলী রাঃ)

26/08/2022

কষ্টের ফলে হৃদয় শক্তিশালী হয়
আর স্বাচ্ছন্দ এর ফলে তা নষ্ট হয়!

16/07/2022

মিশরের একজন শিক্ষিকার জীবনে ঘটে যাওয়া এক সত্যি ঘটনা বর্ণনা করেছেন তার এক সহকর্মী শিক্ষিকা:

কুরআনের সেই শিক্ষিকা তার স্টুডেন্টদের সবসময় একটা আয়াতের মাধ্যমে নসীহা দিতেন-
"হে আমার পালনকর্তা, আমি তাড়াতাড়ি তোমার কাছে এলাম যাতে তুমি সন্তুষ্ট হও৷" (সূরা ত্বহা:৮৪)

তিনি এই আয়াত দ্বারা এতই প্রভাবিত ছিলেন যে তিনি যখন কোন জরুরী কাজে ব্যস্ত থাকতেন, আর এমন সময় আযান শুনতে পেতেন, তিনি এই আয়াতের কথা স্মরণ করতেন৷ হাতের সব কাজ রেখে দিয়ে তিনি আগে তার পালনকর্তার ডাকে সাড়া দিতেন, সালাত আদায় করে নিতেন৷

তিনি তাহাজ্জুদ পড়ার জন্য অ্যালার্ম সেট করে রাখতেন৷ কখনো অ্যালার্ম বাজছে তবু ক্লান্তিতে চোখ জড়িয়ে গেলে ঐ আয়াতের কথা স্মরণ করে বিছানা ছেড়ে উঠে যেতেন৷

তার হাজব্যান্ড অনেক রাত পর্যন্ত ডিউটিতে থাকতেন৷ এত রাতে এসে যাতে ঠান্ডা খাবার খেতে না হয় তাই স্ত্রীকে ফোন দিতেন তিনি৷

তারপর বাসায় এসে খেয়ে-দেয়ে ঘুমিয়ে যেতেন৷
একদিন তার স্বামী 'মাহশি' খেতে বায়না ধরলেন৷ এটা একটা টাইম কনস্যুমিং রেসিপি যা বানাতে অনেক হাঙ্গামা করতে হয়৷ প্রথমে অনেকরকম স্পাইস দিয়ে রাইসটা কুক করতে হয়, তারপর গ্রেপলিভস দিয়ে সেগুলো মুড়িয়ে ভাপ দিয়ে অথবা ওভেনে বেক করতে হয় এই আইটেম৷

তো সেই কুরআন টিচার তার হাবির জন্য বানাচ্ছিলেন মাহশি৷ তিনটি পাতা মুড়তে তখনো বাকি ছিল৷ সেগুলো মুড়ে ভাপে বসাতে আর মিনিট পাঁচেক লাগতো হয়তো, এমন সময় 'ইশার আযান হলো৷ তিনি হাতের কাজ অসমাপ্ত রেখেই সালাতের জন্য উঠে গেলেন৷

তার হাজব্যান্ড বারবার কল করেও সাড়া পাচ্ছিলেন না৷ তিনি বাধ্য হয়ে একটু আর্লিই বাড়ি ফিরলেন, দেখলেন আর তিনটা মাত্র মাহশি বাকি ছিল রেডি করতে, তারপর সেটা স্টোভে দেয়া যেত৷ তিনি খুব আপসেট হলেন, বললেন,"খাবারটা চুলায় চড়িয়ে দিয়েও তো নামায পড়া যেত! মোটে তো তিনটাই বাকি ছিল!"
অনেক্ষন বাদেও তার স্ত্রীর পক্ষ থেকে কোন সাড়া না পেয়ে তিনি কাছে এগিয়ে গেলেন৷ তারপর তাকে সিজদারত অবস্থায় মৃত পেলেন৷
সুবহানআল্লাহ্! তিনি যদি হাতের কাজ শেষ করার অজুহাতে আর পাঁচ মিনিট দেরি করতেন, হয়তো তার মৃত্যু হতো কিচেনে৷

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,"প্রত্যেকটি মানুষ সেই একই হালতে পূণরুত্থিত হবে যেই হালে তার মৃত্যু হয়৷"
#মুসলিম-২৮৭৮

মৃত্যুর সময় কোন অবস্থায় থাকবো জানিনা 😞
জান্নাতি সুঘ্রাণ পেয়ে যেন তোমার দরবারে হাজির হতে পারি এই তামান্নাই মনে এঁকেছি, ইয়া রব।

"মনের পশুত্ব করি দূর"                  - মোঃ মারুফ হোসেন মিঠু মিঞা।মনের পশুত্ব করে দূরস্রষ্টাকে দিতে ঠাঁই,পূতপবিত্র রাখত...
10/07/2022

"মনের পশুত্ব করি দূর"

- মোঃ মারুফ হোসেন মিঠু মিঞা।

মনের পশুত্ব করে দূর
স্রষ্টাকে দিতে ঠাঁই,
পূতপবিত্র রাখতে মানব আত্মা
পশুরে করি জবাই !

ধৈর্য্য প্রেমে বিশ্বাস রাখি
মহান আল্লাহ্'র প্রতি,
সৃষ্টিতে যাঁর রহমত অফুরান
করেনা যিনি ক্ষতি !

যাঁর দয়াতে ইহকাল পরকাল
জ্বীন ইনসানের জন্য,
তাঁর পরশে বিশ্বাসীর জীবন
হয়ে যাবে ধন্য !

সকল ইবাদত চাওয়া পাওয়া
শুধুই স্রষ্টার কাছে,
জীবন মৃত্যু তাঁর-ই দান
কি'বা বুঝার আছে।

প্রাণের খুশিতে ভরে উঠেছে
দেখ ত্যাগের বিনিময়ে,
পিতার আসন লভিলেন ইবরাহীম
পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে !

♥ তাক্বাবালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম ♥

06/07/2022

লুমাযাহ
আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা বুক ফুলিয়ে বলেন, "আমি উচিৎ কথা বলতে কাউকে ছাড়ি না!
আমি উচিৎ কথা মুখের উপর বলে দেই"!
আপনি অনেক স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড!
যা মনে আসে তাই বলেন!

সবাইকে একদম সামনেই ধুয়ে দেন এবং এটা নিয়ে আপনি বেশ গর্বও করেন!

ইসলাম ধর্মে এটাকেই "লুমাযাহ" বলা হয় ।
◾যে ব্যক্তি:-
★ সরাসরি কাউকে লাঞ্চিত ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে।
★ কাউকে তাচ্ছিল্য ভরে কোনকিছু নির্দেশ করে (আঙুল,চোখ, মাথা বা ভ্রু দ্বারা) ।
★ কারও অবস্থান বা পদবি নিয়ে তাকে ব্যাঙ্গ করে।
★ কারো বংশের নিন্দা করে বা বংশ নিয়ে কথা বলে।
★ কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করে কথা বলে, অপমান করে।
★ কারও মুখের উপর তার সম্পর্কে বিরুপ মন্তব্য করে।
★ সরাসরি বাজে কথা দিয়ে কাউকে আঘাত করে।
★ কাউকে এমন কোনো কথা বললো যাতে আরেকজন কষ্ট পাবে।
★ অসন্মান করে কথা বললো।

উপরোক্ত ব্যাক্তিরাই মূলতঃ "লুমাযাহ" এর অন্তর্ভুক্ত।

আল্লাহ্‌ তায়ালা এই মানুষদেরকে পরিবর্তন হতে বলেছেন। নয়তো তাদের জন্য অনিবার্য ধ্বংসের সতর্ক বাণী দিয়েছেন।
আল্লাহ তাদের প্রতি কঠোর লানত করেছেন।

নবী (সাঃ) বলেছেন, "যার ভিতরে নম্রতা নেই, সে সকল কল্যাণ থেকে বঞ্চিত"।

আসুন, আমরা একটু নরম হই, একটু সহনশীল হই, অন্তরকে পরিশুদ্ধ করি।
মনে রাখবেন- আল্লাহ যাকে নম্রতা দিয়েছেন, তিনি দুনিয়ার সেরা নেয়ামত পেয়ে গেছেন।

আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুন।
আমীন।

Address

Hasan Modud Jaunpuri Eidgah Jama Masjid
Chandpur
3QV9+FM8

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হাছান মওদুদ জৈনপুরী ঈদগাহ জামে মসজিদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category