ধর্মের কথা

ধর্মের কথা হিন্দু ধর্মের কথা impressum
(1)

14/03/2026

শ্রীমান কেশব ব্রজনন্দন প্রভুর সুসাস্থ কামনায় বিশেষ প্রার্থনা চলছে । জয় শ্রী নৃসিংহ ভগবানের জয় ।
হরে কৃষ্ণ 🌿🪔🌼🙏

10/03/2026

রাধে রাধে 🌿🌺🙏

08/03/2026

শ্রী গৌর নিতাইয়ের দর্শন ও ভক্তদের অসাধারণ নৃত্য
হরে কৃষ্ণ 🙏

05/03/2026

hare Krishna hare Krishna Krishna Krishna hare hare ❤️🙏

18/02/2026

আজকে শ্রীশ্রী নৃসিংহ পূজা দর্শন করুন সিঙ্গাপুর গৌড় নিতাই মন্দিরে🌿🪔🌼
#নৃসিংহ

হরে কৃষ্ণ। *শুভ বিজয়া একাদশীর কৃষ্ণ প্রীতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন* 🌹`সবাই কৃপা করুন যেন আজকের একাদশী ব্রত নিস্ঠার সহিত পালন...
13/02/2026

হরে কৃষ্ণ। *শুভ বিজয়া একাদশীর কৃষ্ণ প্রীতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন* 🌹
`সবাই কৃপা করুন যেন আজকের একাদশী ব্রত নিস্ঠার সহিত পালন করতে পারি`

💁‍♂️*বিজয়া একাদশীর মাহাত্ম্য* 👇

📢 স্কন্দপুরাণো এই একাদশী মাহাত্ম্য এইভাবে বর্নিত রয়েছে। যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণকে বললেন — হে বাসুদেব! ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর মাহাত্ম্য অনুগ্রহ করে আমাকে বলুন। শ্রীকৃষ্ণ বললেন হে যুধিষ্ঠির! এই একাদশী, বিজয়া, নামে পরিচিত। এই একাদশী সম্পর্কে একসময় দেবর্ষি নারদ স্বয়ম্ভূ ব্রক্ষাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তিনি এই প্রসঙ্গে যা বলেছিলেন, তা আমি এখন তোমাকে বলছি। এই প্রবিএ পাপবিনাশকারী ব্রত মানুষকে জয় দান করে বলে, বিজয়া,নামে প্রসিদ্ধ। পুরাকালে শ্রীরামচন্দ্র চৌদ্দ বছরের জন্য বনে গিয়েছিলেন। সীতা ও লক্ষণের সঙ্গে তিনি পঞ্চবটী বনে বাস করতেন।সেই সময় লঙ্কাপতি রাবন সীতাকে হরণ করে। সীতার অনুসন্ধানে রাম চন্দ্র চতুর্দিক ভ্রমন করতে থাকেন। তখন মৃতপ্রায় জটায়ুর সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। জটায়ু রাবণের সীতাহরণের সমস্ত বৃওান্ত রামচন্দ্রকে জানিয়ে মৃত্যুবরন করে। এরপর সীতা উদ্বারের জন্য বানররাজ সুগ্রীবের সাথে বন্ধুত্ব করেন। ভগবান রামচন্দ্রের কৃপায় হনুমান লঙ্কায় গমন করেন।সেখানে আশোক বনে সীতাদেবীকে দর্শন করে শ্রীরাম প্রগত অঙ্গুরীয় (আংটি) তাকে অর্পণ করেন। ফিরে এসে শ্রীরামচন্দ্রের কাছে লঙ্কার সমস্ত ঘটনার কথা ব্যক্ত করেন। হনুমানের কথা শুনে রামচন্দ্র সুগ্রীবের পরামর্শে সমুদ্রতীরে যান।সেই দুস্তর সমুদ্র দেখে তিনি লক্ষ্মণকে বলেলেন —হে লক্ষ্মণ! কিভাবে এই অগাধ সমুদ্র পার হওয়া যায়। তার কোন উপায় খুঁজে পাচ্ছি না। উওরে লক্ষ্মণ বলেলেন —হে পুরুষোওম! সর্বজ্ঞাতা আদিদেব আপনি, আপনাকে আমি কি উপদেশ দেব? তবে বক্দালভ্য নামে এক মুনি এই দ্বীপে বাস করেন। এখান থেকে চার মাইল দূরে তার আশ্রম। হে রঘব, আপনি সেই প্রাচীন ঋষিশ্রেষ্ঠকে এর উপায় জিজ্ঞাসা করুন।,লক্ষ্মণের মনোরম কথা শুনে, তারা সেই মহামুনির আশ্রমে উপনীত হলেন।

ভগবান রামচন্দ্র ভক্তরাজ সেই মুনিকে প্রণাম করলেন। মুনিবর রামচন্দ্রকে পুরাণপুরুষ বলে জানতে পারেলেন। আনন্দভরে জিজ্ঞাসা করলেন —হে রামচন্দ্র! কি কারনে আপনি আমার কাছে এসেছেন, তা কৃপা করে বলুন। শ্রীরামচন্দ্র বলেলেন —হে মুনিবর! আপনার কৃপায় সৈন্যসহ আমি এই সমুদ্র তীরে উপস্থিত হয়েছি। রাক্ষসরাজের লঙ্কা বিজয় করাই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য। যাতে এই ভয়ঙ্কর সমুদ্র উওীন হতে পারি তার উপায় জানবার জন্য আমরা আপনার কৃপা প্রার্থনা করি।মুনিবর প্রসন্নচিওে পদ্মলোচন ভগবান শ্রীরামচন্দ্রকে বলেলেন —’হে রাম। আপনার অভীষ্ট সিদ্বির জন্য যে শ্রেষ্ঠ ব্রত করণীয় আমি তা বলছি।ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের ’ বিজয়া’ নামক একাদশী ব্রতপালনে আপনি নিশ্চয়ই সৈন্যসহ সমুদ্র পার হতে পারবেন। এই ব্রতের বিধি শ্রবন করুন। বিজয় লাভের জন্য দশমীর দিনে সোনা, রুপা,তামা অথবা মাটির কলস সংগ্রহ করে তাতে জল ওআমপাতা দিয়ে সুগন্ধি চন্দনে সাজিয়ে তার উপর সোনার নারায়ণমূর্তি স্থাপন করবেন।একাদশীর দিন যথাবিধি প্রাতঃস্নান করে কলসের গলায় মালা চন্দন পড়িয়ে উপযুক্ত স্থানে নারিকেল ওগুবাক দিয়ে পূজা করবেন। এরপর গন্ধ, পুষ্প, তুলসী, ধুপ-দ্বীপ নৈবিদ্যি ইত্যাদি দিয়ে পরম ভক্তিসহকারে নারায়ণের পূজা করে হরিকথা কীর্তন সমস্ত দিন যাপন করবেন। রাএি জাগরন করে অখন্ড ঘি-প্রদীপ প্রজ্বলিত রাখবেন। দ্বাদশীর দিন সুর্যোদয়ের পর সেই কলস বিসর্জনের জন্য কোন নদী, সরোবর বা জলাশয়ের কাছে গিয়ে বিধি অনুসারে পূজা নিবেদনের পর তা বিসর্জন দেবেন।তার পর ঐ মুর্তি বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণকে দান করবেন। এই ব্রত প্রভাবে নিশ্চয়ই আপনার বিজয় লাভ হবে। ব্রহ্মা বলেলেন —হে নারদ! ঋষির কথামতো ব্রত অনুষ্ঠানের ফলে তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন।সীতাপ্রাপ্তি, লঙ্কাজয়,রাবণবধের মাধ্যমে শ্রীরামচন্দ্র অতুল কীর্তি লাভ করেছিলেন। তাই যথাবিধি যে মানুষ এই ব্রত পালন করবেন তাদের এজগতে জয়লাভ এবং পরজগতে অক্ষয় সুখ সুনিশ্চিত জানবে। হে যুধিষ্ঠির! এই কারণে এই বিজয়া একাদশী ব্রত পালন অবশ্য কর্তব্য। এই ব্রতকথায় শ্রবন-কীর্তন মাএেই বাজপেয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়।

🌿হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।🌼
🌸হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।🌿

একাদশী বার্তা ♻️ একাদশী বার্তা ♻️ একাদশী বার্তা🌿🌸🙏হরে কৃষ্ণ 🌿🌸🙏আগামী ১৫ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৯শে জানুয়ারী ২০২৫ইং রোজ বৃহ...
28/01/2026

একাদশী বার্তা ♻️ একাদশী বার্তা ♻️ একাদশী বার্তা🌿🌸🙏
হরে কৃষ্ণ 🌿🌸🙏
আগামী ১৫ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৯শে জানুয়ারী ২০২৫ইং রোজ বৃহস্পতিবার পবিত্র....
#ভৈমী_একাদশী_ব্রত । 🙏

🇧🇩পারনঃ পরের দিন সকাল ০৬:৪৮ থেকে ১০:১৪ মি: মধ্যে ঢাকা বাংলাদেশ সময় এবং সকাল ০৬:১৬ থেকে ০৯:৫৮ মি: মধ্যে কলকাতা ভারত সময়।🇮🇳🙏

একাদশী সংকল্প মন্ত্রঃ---
"একাদশ্যাং নিরাহারঃ স্থীত্বা অহম্ অপরেহহনি। ভোক্ষ্যামি পুন্ডরিকাক্ষ শরণং মে ভবাচ্যুত||"

অনুবাদঃ হে পুন্ডরীকাক্ষ, হে উচ্যুত, আমি একাদশীতে উপবাস পূর্বক পরদিন আহার করব। আপনি মোদিয় শরণস্থান হোন।🙏

একাদশী পারণ মন্ত্রঃ---
"একাদশ্যাং নিরাহারঃ ব্রতে নানেব কেশব।
প্রসিদ সমূখ নাথ জ্ঞান দৃষ্টি প্রদভবঃ||"

অনুবাদঃ হে কেশব আমি আপনার কৃপা দৃষ্টিতে নিরাহার ভাবে একাদশী ব্রত পালন করেছি কৃপা পূর্বক আমার উপর আপনার করুণাময় জ্ঞানদৃষ্টি প্রদান করুন।🙏

ভক্তি সহকারে একাদশী ব্রত পালন করলে সকল প্রকার যজ্ঞ ও ব্রত পালনের ফল লাভ হয়।
এবং ইহকাল-পরকালেও সমস্ত পাপ, বিপদ থেকে মুক্ত হতে এটি একটি উওম পন্থা।🙏

তাই আসুন আমরা নিজে একাদশী ব্রত পালন করি এবং অন্যদের একাদশী ব্রত পালন করতে উৎসাহিত করি।🙏🙏

একাদশীর আগাম সংবাদ পেতে চোখ রাখুন আমাদের গ্রুপে এবং পেইজে।
সেই সাথে নিজের ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা সকল সনাতনী বন্ধুদের গ্রুপে এড করে আমাদের সাথেই থাকুন।🙏

বিঃ দ্রঃ...
সকলকে জানার জন্য কৃপাপুর্বক শেয়ার করুন।🙏🙏

🙏হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে🙏

🙏🌿🌸হরে কৃষ্ণ🌿🌸🙏
#হরেকৃষ্ণ #হরিবোল #জয়শ্রীকৃষ্ণ #একাদশী

 #সধবাদের_একাদশী_পালন "একাদশী ব্রত করলে স্বামীর মৃত্যু অনিবার্য! নরকের পথে সোজা যাত্রা সধবা নারীর!" ⚡💀😭🛑 সতর্কবার্তা: শা...
27/01/2026

#সধবাদের_একাদশী_পালন
"একাদশী ব্রত করলে স্বামীর মৃত্যু অনিবার্য! নরকের পথে সোজা যাত্রা সধবা নারীর!" ⚡💀😭

🛑 সতর্কবার্তা: শাস্ত্র বিরোধী একাদশী ব্রত এই কাজ স্বামীর আয়ু হ্রাস করে এবং নরক যাত্রার কারণ হতে পারে।
🌌 নিজে সতর্ক হন, পরিবার রক্ষা করুন। 🙏

পত্যৌ জীবতি যা যোষিদুপবাসব্রতং চরেৎ।
আয়ুঃ সা হরতে ভর্ত্তুর্নরকঞ্চৈব গচ্ছতি।।

( বিষ্ণু সংহিতা ২৫-১৬)

অর্থাৎঃ- যে স্ত্রী স্বামী জীবিত থাকতে উপবাস ব্রতের আচরন করে, সে স্বামীর আয়ু হরণ ও নরক গমন করে। তাই স্বামী জীবিত থাকতে উপবাস বাঞ্ছনীয় নয়।

সকলের জন্য এই একাদশী ব্রত পালনের কোন বাধ্য বাধকতার শাস্ত্রীয় তথ্য প্রমান নেই।

শাস্ত্রে বলা হয়েছে, ত্রিসন্ধ্যাহ্নিক কৃত ব্রাহ্মণ, সন্ন্যাসী, ব্রক্ষ্মচারী, বিধবা, দীক্ষিতশিষ্য (শিষ্যা নয় ) এরা হিন্দুধর্মের ঐতিহ্য অনুযায়ী একাদশী তিথিতে ব্রতী হতে পারে।।

তবে,

উপবাসস্তথায়াসো বিত্তোৎসর্গস্তথা কলৌ।
ধর্ম্মো যথাভিরুচিতৈরনুষ্ঠানৈরনুষ্ঠিতঃ""।।

(ব্রহ্মপুরাণ ২৩০ অধ্যায়ে শ্লোক ১৫)

কলি যুগে -উপবাস,আয়াস,ধন-দানাদি ধর্ম্মকর্ম্ম নিশ্চয় যথেচ্ছা রুপে অনুষ্ঠিত হতে থাকবে।

সধবা স্ত্রীলোকের উপবাসাদি ব্রত নাই।

এ প্রসঙ্গে ভগবান ব্যাসদেব বলেছেন-

সধবানাং হি নারীণাংনেপবাসাদিকংব্রতম।

(বৃহদ্ধর্ম্মপুরাণ, উত্তরখণ্ডম ৮ম অধ্যায় ৭নং শ্লোকে)

অর্থাৎঃ- সধবা স্ত্রীলোকের উপবাসাদি ব্রত নাই।

চার। তাহলে সধবা স্ত্রীলোক একাদশী উপবাস ব্রত পালন করেন তবে কি হবে?

এর উত্তরে অত্রিমুনি বলেছেন-

জীবদ্ভর্ত্তরি যা নারী উপোষ্য ব্রতচারিণী।
আয়ুষ্যং হরতে ভর্ত্তুঃ সা নারী নরকং ব্রজেৎ।।

(অত্রিসংহিতা ১৩৬নং শ্লোক।)

অর্থাৎঃ- যে নারী স্বামী জীবিত থাকিতে উপবাস করিয়া ব্রত করে,সে নারী স্বামীর আয়ু হরণ করে ও নরকে গমন করেন।

এই বচন অনুসারে কোন হিন্দু সধবা নারী, একাদশী উপবাস ব্রত পালন করে স্বর্গে যাওয়া ত দুরের কথা, সাথে স্বামীর আয়ু হরণ কারিনী হন।
সেজন্য আমাদের কর্তা- ঠাকুমা, মা- বড়মা সধবা থাকাকালীন কেউ একাদশী করতো না।

🌸 একই অঙ্গে সাত রূপ: এক মহা-তিথির মিলন 🌸আসন্ন ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, শুক্রবার (মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথি) আমাদের জন্...
22/01/2026

🌸 একই অঙ্গে সাত রূপ: এক মহা-তিথির মিলন 🌸
আসন্ন ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, শুক্রবার (মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথি) আমাদের জন্য এক পরম সৌভাগ্যের দিন। এই মহিমান্বিত দিনে আমরা পালন করতে চলেছি সাত-সাতটি পবিত্র উৎসব ও স্মৃতিচারণ।

একই দিনে যে ৭টি উৎসব:

🌼 বসন্ত পঞ্চমী: ঋতুরাজ বসন্তের শুভ আগমনী বার্তা।

🌼সরস্বতী পূজা: পরাবিদ্যার অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা সরস্বতীর আবির্ভাব তিথি।

🌼শ্রীল পুণ্ডরীক বিদ্যানিধি: শ্রীমতী রাধারাণীর পিতা শ্রী বৃষভানু মহারাজের কলৌপ্রকাশ শ্রীল পুণ্ডরীক বিদ্যানিধি ঠাকুর মহাশয়ের আবির্ভাব।

🌼 শ্রীমতী বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী: শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নিত্যসঙ্গী মা বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর শুভ আবির্ভাব তিথি।

🌼 শ্রী রঘুনন্দন ঠাকুর: শ্রীগৌর পার্ষদ শ্রী রঘুনন্দন ঠাকুরের আবির্ভাব।

🌼শ্রীল রঘুনাথ দাস গোস্বামী: গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মের অন্যতম প্রধান আচার্য শ্রীল রঘুনাথ দাস গোস্বামী মহারাজের আবির্ভাব।

🌼শ্রীল বিশ্বনাথ চক্রবর্তী ঠাকুর: প্রাতঃস্মরণীয় শ্রীল বিশ্বনাথ চক্রবর্তী ঠাকুরের পবিত্র তিরোভাব তিথি।

🕒 পঞ্চমী তিথির সময়সূচি (২৩ জানুয়ারি ২০২৬):
🇮🇳 ভারত: মধ্যরাত্রি ১:৪৬ ঘটিকা পর্যন্ত।
🇧🇩 বাংলাদেশ: রাত্রি ২:১৬ ঘটিকা পর্যন্ত।

পালনীয় নির্দেশিকা:

উপবাস: এই বিশেষ তিথিতে অন্ততপক্ষে মধ্যাহ্ন (দুপুর ১২টা) পর্যন্ত উপবাস রাখা শ্রেয়।

আহার: অবশ্যই সাত্ত্বিক নিরামিষ আহার অথবা কৃষ্ণপ্রসাদ গ্রহণ করুন।

জ্ঞানের আলোয় এবং ভক্তির রসে সিক্ত হোক এই পবিত্র দিনটি। সকলকে জানাই বসন্ত পঞ্চমী ও সরস্বতী পূজার আন্তরিক শুভেচ্ছা! 🚩

21/01/2026

🚨 আগামী ২৩ শে জানুয়ারি ২০২৬ইংরেজী রোজ শুক্রবার শ্রীশ্রী সরস্বতী পূজা ও পরদিন প্রতীমা শুভাযাএা প্রতি বৎসরের ন্যায় করবন্দ, মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টান, পাড়া মহল্লায় অনুষ্ঠিত হইবে । ❤️❤️‍🩹🙏
জয় মা সরস্বতী 📕📚🖋️✒️🖊️🌿🌸🙏
ভিডিও এডিটর:-
https://www.facebook.com/prince.gobindo.56

সতীদাহ প্রথা—যেভাবে পালিত হতো। নারীকে পোড়ানো হতো ♦ সতীদাহ মূলত উচ্চবর্ণের হিন্দু সমাজেই প্রচলিত ছিল। হাজার হাজার বছর ধর...
14/01/2026

সতীদাহ প্রথা—যেভাবে পালিত হতো। নারীকে পোড়ানো হতো
♦ সতীদাহ মূলত উচ্চবর্ণের হিন্দু সমাজেই প্রচলিত ছিল। হাজার হাজার বছর ধরে অসংখ্য ভারতীয় হিন্দু নারী জীবিত অবস্থায় চিতার লেলিহান আগুনে প্রবেশ করেছেন কখনও স্বেচ্ছায়, কখনও জোরপূর্বক।
♦ স্বেচ্ছায় হলেও মানবিকতার বিচারে এই প্রথার অস্তিত্ব ভারতীয় সভ্যতার এক ভয়াবহ কলঙ্কবিন্দু।
♦ কিন্তু কীভাবে পালিত হতো এই নৃশংস প্রথা?
♦ গোরাচাঁদ মিত্রের লেখা ‘সতীদাহ’ বইয়ের বর্ণনা থেকে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো
স্বামীর মৃতদেহ চিতায় শায়িত। নাপিত এসে বিধবা নারীর নখ কেটে দিলেন।
শুচিতার নিয়ম অনুযায়ী তিনি স্নানের উদ্দেশ্যে এগোলেন হাতে ভাঙা শাঁখা, চোখে নিস্তব্ধতার ছাপ।
স্নান শেষে শুরু হলো চিতারোহণের সাজ।
আত্মীয়রা এগিয়ে এসে পরিয়ে দিল লাল চেলী, হাতে রাঙা সুতায় বাঁধা আলতা, কপালে টকটকে লাল সিঁদুর।
চুল সযত্নে আচড়ানো, গায়ে অলংকার—সব মিলিয়ে যেন তাকে হাতের পুতুলের মতো সাজিয়ে তোলা হচ্ছে।
স্বামীহারা স্ত্রী চোখের জল ফেলতেও সাহস পেতেন না এ যেন এক সামাজিক নাটকের চরিত্রমাত্র।
তিনি কুশ হাতে নিয়ে পুবমুখে বসে আচমন করলেন।
হাতে তিল, জল আর কুশনির্মিত ত্রিপত্র তুলে ব্রাহ্মণদের ঘিরে উচ্চারিত হলো
"ওঁ তৎসৎ"।
বিধবা নারীর কণ্ঠে ধ্বনিত হলো শপথ
এই অমুক তিথিতে, অমুক দিনে, অমুক গাত্রে, তিনি অরুন্ধতীর সমমর্যাদায় স্বর্গপ্রাপ্তির আশায়
স্বামীর জ্বলন্ত চিতায় আরোহণ করছেন।
তিন কোটিরও বেশি বছর স্বর্গসুখ ভোগের কামনায়,
মাতৃকুল–পিতৃকুল–পতিকুলকে পবিত্র করার অভিপ্রায়ে
এবং যদি স্বামী পাপী হন তবে তাকেও পরিশুদ্ধ করার সংকল্পে
তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করছেন।
তিনি ডাকলেন সূর্য, চন্দ্র, বায়ু, অগ্নি, আকাশ, ভূমি, জল, ধর্ম, যম এবং সময়কে
সাক্ষী রেখে ঘোষণা করলেন যে তিনি স্বামীর অনুগামী হয়ে প্রজ্বলিত চিতায় প্রবেশ করছেন।
এবার শুরু হলো চিতাপ্রদক্ষিণ—সাতবার খই, খণ্ড, কড়ি আঁচলে বেঁধে।
মন্ত্রপঠনের পর বিধবা স্ত্রী স্বামীর পাশে চিতায় শায়িত হলেন।
উল্লাসরত আত্মীয়রা গাছের ছালের দড়ি দিয়ে আষ্টেপৃষ্ঠে তাকে বেঁধে ফেলল
যেন কোনো বিকার ঘটলে তিনি পালাতে না পারেন।
এরপর নিকট আত্মীয় এগিয়ে এসে অগ্নিসংযোগ করলেন।
ঢাক–ঢোল, কাঁসরের আর্তনাদে পরিবেশ স্তব্ধ।
দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল চিতা।
কিন্তু তাতেই শেষ নয়
পুণ্যার্থীরা কেউ কেউ তীর–কাঁটা ছুঁড়ে আগুন আরও উসকে দিতে লাগল।
চিতার পাশে ‘ধর্মরক্ষাকারীরা’ দাঁড়িয়ে থাকত মোটা বাঁশ হাতে
বিধবা স্ত্রী যদি সামান্য নড়াচড়াও করতেন,
বাঁশের উপর্যুপরি আঘাতে তাকে নিস্তেজ করে ফেলা হতো।
যদি কোনো নারী দৈবক্রমে চিতা থেকে পালিয়ে যেতেন,
অনুষ্ঠান–কর্তারা ক্ষুধার্ত নেকড়ের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে
তাকে টেনে–হিঁচড়ে আবার আগুনে নিক্ষেপ করত
না হলে নাকি বংশের মুখে কলঙ্ক লেগে যেত!
চিতার আগুন ধীরে ধীরে নিভে গেলে পুরোহিতের আরেক কাজ
ছাই উলটে অলংকার সংগ্রহ করা।
কারণ ওই অলংকারগুলির নতুন মালিক সাধারণত তিনিই।
অন্যদিকে মৃতের আত্মীয়রা ঘরে ফিরতে ফিরতে হিসাব কষতেন
স্ত্রীর মৃত্যুর কারণে মৃত ব্যক্তির কত সম্পত্তি তাদের দখলে আসবে।
অনেক ক্ষেত্রে দাহের আগেই বিধবা নারীকে মদ–ভাঙ খাইয়ে মানসিক ভারসাম্য নষ্ট করে দেওয়া হতো
যেন তিনি প্রতিবাদ করতে না পারেন।
ভাবলে বিস্ময় লাগে
স্বর্গসুখের অপার্থিব প্রতিশ্রুতি আর ধর্মের নামে ভয় দেখিয়ে
অগণিত নারীকে ইতিহাসের সবচেয়ে নৃশংস প্রথার শিকার হতে হয়েছিল।
💠💠তথ্যসূত্রঃ সতীদাহ | লেখকঃ গোরাচাঁদ মিত্র

কেউ কেউ মদ-মাংসের পার্টি করে নতুন বছর উদযাপন করবে আর কেউ কেউ মহাপবিত্র একাদশী ব্রত পালন করে নতুন বছর উদযাপন করবে।কি ভাগ্...
31/12/2025

কেউ কেউ মদ-মাংসের পার্টি করে নতুন বছর উদযাপন করবে

আর কেউ কেউ মহাপবিত্র একাদশী ব্রত পালন করে নতুন বছর উদযাপন করবে।
কি ভাগ্যবান আমরা! 😍🙏

Address

Chandpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ধর্মের কথা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to ধর্মের কথা:

Share