24/05/2026
সবাই দেখছেন একটা আম, বেশ সুন্দর মিষ্টি দেখতে আম।
এক অভাবনীয় ইতিহাস লুকিয়ে আছে এই সুন্দর আমের পিছনে।
আজকে একটা সৎসঙ্গ এর সূত্রে আমরা তিনজন দিঘা এসেছি, মন্দির থেকে সৎসঙ্গ করতে গেলাম দূরে এক প্রত্যন্ত গ্রামে। সেখানে নতুন নতুন মানুষ উজ্জীবিত হয়ে তিনটি উপযোজনা কেন্দ্র মিলে শ্রীশ্রীআচার্য্যদেবের আশীর্বাদে এক অনবদ্য সৎসঙ্গ এর আয়োজন করেছেন। উপভোগ করলাম এক স্বর্গীয় মুহূর্ত। দিঘা মন্দিরে ফিরে গিয়ে বেরোনোর মুহূর্তে শ্রদ্ধেয় দিপু দা আমাদের তিনজনের হতে এক প্যাকেট আম ধরিয়ে দিলেন, দিয়ে বললেন এই আম যে সে আম নয়। তারপর শুরু হলো সেই ঘটনা....
সে ২০১২ সালের ঘটনা,পুরী থেকে ফেরার সময় পরমপূজ্যপাদ শ্রীশ্রীদাদা দিঘা মন্দিরে দয়া করে আসেন তারপর এসে তিনি এক মন্দিরের পিছনে অবস্থিত এক আম গাছের দিকে তাকালেন দেখলেন কোনো আম নেই, তারপর দিপুদা কে জিজ্ঞাস করলেন কি ব্যাপার কোনো আম ফলেনি! শুনে দিপুদা বললেন যে এই গাছে কখনো আম হয়নি, অনেক বড় গাছ হয়েছে। শুনে শ্রীশ্রীদাদা কিছুক্ষণ গাছের দিকে তাকিয়ে "হম" "হম" বললেন। তারপর বেরিয়ে পড়লেন। তিনি চলে যাওয়ার পরের কিছু সময় বাদেই আম গাছে প্রচুর মুকুল ধরতে শুরু করলো আম হতে শুরু করলো। তারপর প্রথম আম হওয়ার পর দেওঘরে আম নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তিনি জিজ্ঞাস করলেন - "এই সেই আম, আমি চলে আসার পর হয়েছে"! যেন সব তিনি জানতেন, হওয়ার ই ছিল এমন। উত্তরে বললেন আজ্ঞে। তারপর বললেন বাবাই (পরমপূজ্যপাদ শ্রীশ্রীআচার্য্যদেব) এর মা কে দিয়ে আয় আর ছবি তুলে রাখতে বল। তারপর পরবর্তীতে অনবরত আম হতে থাকে দেওঘর গিয়ে নিবেদন করেন আর তিনি সেই বলেন, দিয়ে আয় আর ছবি তুলে রাখতে বল। তারপর কোনো কালে অন্য গাছে আম না হলেও এই গাছে আম হবেই কি হবে।
আমি সব শুনে দিপুদা কে বলে ফেললাম এত আশীর্বাদ নিয়ে যাচ্ছি, স্বয়ং ভোগ নিয়ে যাচ্ছি।
ছবি - সেই গাছের সুস্বাদু আম।
কপি- সুদীপ কুমার বাসু দাদার ফেইসবুক ওয়াল থেকে নেওয়া।।