কুটি ইউনিয়ন আহলে সুন্নত ওয়াল জামাত

কুটি ইউনিয়ন আহলে সুন্নত ওয়াল জামাত নূরনবীজির গোলামদের ভালবাসার সংগঠন। মুরশীদের কদমে মাওলা মুশকিল কোশা মদদে।

আলহামদুলিল্লাহ, দরবারে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর মহান ১০ ই মাঘ ওরশ শরীফ উপলক্ষে দাওয়াত পএ বিতরণ। গোলামীতে ঃ মাইজভান্ডারী ...
19/01/2026

আলহামদুলিল্লাহ, দরবারে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর মহান ১০ ই মাঘ ওরশ শরীফ উপলক্ষে দাওয়াত পএ বিতরণ।
গোলামীতে ঃ মাইজভান্ডারী গাউছিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ, কুটি রামপুর শাখা (প্রস্তাবিত)
❤️খানকাহ-এ হক পাকপাঞ্জতন মাইজভান্ডারী (প্রস্তাবিত)।
প্রতিষ্ঠাতাঃ মোঃ এমরান হোসেন মোল্লা (ইমরান ভান্ডারী)। রামপুর,মাইজখার,কুটি,কসবা, ব্রাহ্মণ্যবাড়ীয়া
মোবাইল ঃ৷ 01628611600

18/01/2026

ইয়া গাউছুল আজম মাইজভান্ডারি মদদে
মহান ১০ মাঘ ওরশ শরীফ সফল হোক
বিশ্ব অলি শাহানশাহ জিয়া মদদে
মাওলা হুজুর হাসান মাইজভান্ডারি মদদে ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️

ইয়া গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী মদদে ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
14/01/2026

ইয়া গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী মদদে ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️

😭ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউনআউলাদে রাসূল (দঃ) গাউসুল আযম বিল বেরাসত হযরত মাওলানা শাহসূফি সৈয়দ গোলামুর রহমান ম...
28/12/2025

😭ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন

আউলাদে রাসূল (দঃ) গাউসুল আযম বিল বেরাসত হযরত মাওলানা শাহসূফি সৈয়দ গোলামুর রহমান মাইজভাণ্ডারী (কঃ)- প্রকাশ - বাবাভাণ্ডারী কেবলা কাবার'র সেজ শাহজাদা সৈয়দ মাহবুল বশর মাইজভাণ্ডারী (রঃ)' র শাহজাদা এবং বিশ্ব অলি শাহানশাহ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারি (কঃ) প্রেমেনামে ফানা, দয়ালু মুরশিদ মাওলা হুজুর মাইজভান্ডারি বাবার একনিষ্ঠ ভক্ত -শাহসূফি হযরত সৈয়দ ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী(কঃ)
(প্রকাশ ঃ চেয়ারম্যান বাবা) ,, মহান মালিকের ডাকে সাড়া দিয়ে আমাদের থেকে পর্দা করেছেন। 😭
উনার রুহানি ফুয়োজাত সকলের জীবনে নসিব হোক।
উনার জানাজা দাফন পরে জানানো হবে।

30/11/2025

"মাইজভাণ্ডারী একাডেমি " আয়োজনে
আওলাদে রাসুল(দ.)রাহবারে আলম মাওলা হুজুর
শাহসুফি সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (ম.)র সভাপতিত্বে গুনীজনদের উপস্থিততে ২৯শে নভেম্বর ২৫ইং শনিবার বিকাল২.টা অনুষ্ঠিত হয়।
Reclaiming Spiritual Authenticity:
Challenging the Simplified Portrayals of Sufism, ❤️❤️❤️❤️❤️

❤️১৯২৮ ইং সাল।এই সালের ২৫ শে  ডিসেম্বর মাইজভান্ডার শরীফে শাহানশান সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারী (কঃ)  জন্মগ্রহণ করেন।তাঁর ...
15/11/2025

❤️১৯২৮ ইং সাল।
এই সালের ২৫ শে ডিসেম্বর মাইজভান্ডার শরীফে শাহানশান সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারী (কঃ) জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর পিতা অছি-এ গাউসুল আযম সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভান্ডারী (কঃ) একজন বড় আউলিয়া ছিলেন। তিনি মাইজভান্ডারী দর্শনকে সাংগঠনিক রূপ দিয়েছিলেন এবং ''বেলায়তে মোতলাকা """ নামক আধ্যাত্নিক গ্রন্হ রচনা করেছিলেন এবং তাঁর দাদা হযরত গাউসুল আযম সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী (কঃ) মাইজভান্ডারী দর্শনের প্রতিষ্টাতা এবং বিশ্ববিখ্যাত আউলিয়া ছিলেন। শাহানশাহ সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারী (কঃ) এর নানা হযরত গোলামুর রহমান বাবা ভান্ডারী (কঃ) প্রখ্যাত আউলিয়া ছিলেন। তাই জন্মগতভাবেই শাহানশাহ সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারী (কঃ) মাদারজাত ওলী ছিলেন। তাঁকে '' মজ্জুব''' ওলী বলা হয়।।
হযরত আলী (রাঃ) এর বংশধারা থেকে যে সকল আউলিয়া এসেছেন, তাঁদেরকে মজ্জুব ওলী বলা হয়।
অপরপক্ষে খোলাফায়ে রাশেদীন ও অন্যান্য। সাহাবীদের বংশধারা থেকে আগত আউলিয়াগণকে ''' ছালেক """ ওলী বলা হয়। এই দুইয়ের পার্থক্য বোঝানো অরেকটা কঠিন। তবুও সাধারণভাবে বলা হয় যে চট্রগ্রাম বিমানবন্দর থেকে উড়োজাহাজে ঢাকা পৌঁছাতে খুব কম সময় লাগে এবং মজ্জুব ওলীগণ তাঁদের রিয়াজত -সাধনার বলে মহান আল্লাহর নিকট দ্রুত গতিতে পৌঁছতে পারেন। অপরদিকে ছালেক ওলীগণ চট্রগ্রাম রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে ধীরে ধীরে বিভিন্ন ষ্টেশনে থেমে থেমে যেভাবে ঢাকা পৌঁছা যায়, সেভাবেই রিয়াজত -সাধনার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সান্নিধ্য পেয়ে থাকেন। কিন্তু উভয়েই হেদায়তের বাণী শুনান এবং সমাজ সংস্কারক হিসাবে কর্মব্যয থাকেন।

মহান আল্লাহ তাঁর সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সকল সৃষ্টির রহমত স্বরূপ রেসালত দান করেছিলেন। রেসালতের যুগ শেষ হবার পর বেলায়তের যুগ শুরু হয়। তাই অনাদিকাল হতেই আউলিয়াগণ বিশ্বমানবকে হেদায়েতের বাণী শুনিয়ে আসছেন এবং সমাজ সংস্কারক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। শাহানশাহ সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারী কেবলা কা"বা এর ব্যতিক্রম নন।

বিশ্বঅলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ)

তিনি মাইজভাণ্ডারী ত্বরিকার একজন প্রখ্যাত সুফি সাধক ছিলেন । তিনি বিশ্বঅলি, শাহানশাহ, জিয়া বাবা এবং শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী কাদ্দাসা সিরাহুল আজিজ নামে বহুল পরিচিত।

◑ জন্ম
তিনি ১০ পৌষ ১৩৩৫ বঙ্গাব্ধ, ২৫ ডিসেম্বর ১৯২৮ খৃষ্টাব্ধ, ১২ রজব ১৩৪৭ হিজরী চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত ফটিকছড়ি থানার মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফ নামক স্থানে জন্ম গ্রহণ করেন। জন্মের সাত দিনের মাথায় তার নাম সৈয়দ বদিউর রহমান রাখা হলেও তাঁর পিতা সৈয়দ দেলাওয়ার হোসাইন মাইজভাণ্ডারী (কঃ) স্বপ্নে যোগে হুজুরে গাউসুল আযম সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (কঃ)'র আদেশ প্রাপ্ত হয়ে নাম বদলে রাখেন সৈয়দ জিয়াউল হক। তাঁর মাতা সৈয়দা সাজেদা খাতুন ছিলেন বাবা ভাণ্ডারী (কঃ)'র দ্বিতীয় কন্যা।

◑ শিক্ষা জীবন
প্রথমদিকে গৃহ শিক্ষক মৌলভী মোজাম্মেল হকের নিকট তিনি আরবি বর্ণমালা ও কলমা শিক্ষা লাভ করেন। এরপর মাইজভাণ্ডার আহমদিয়া জুনিয়র মাদ্রাসায় তিনি তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেন। পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে নবম শ্রেণী পর্যন্ত তিনি পড়াশুনা করেন নানুপুর আবু সোব হান হাই স্কুলে। তৎপরবর্তীতে নবম ও দশম শ্রেনীর পাঠ শেষে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল হতে এ্যান্ট্রেন্স বা প্রবেশিকা পরিক্ষায় উর্ত্তীণ হলে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্জনের উদ্দেশ্যে ভর্তি হন চট্টগ্রাম কলেজে। কানুনগোপাড়া স্যার আশুতোস ডিগ্রী কলেজে বি.এ. বা স্নাতক ডিগ্রী সমাপনী পরীক্ষার তৃতীয় দিনে হঠাৎ তার স্বাভাবিক ভাবের পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়। তিনি আধ্যাত্মিক কিছু অলৌকিক অভিজ্ঞতা প্রাপ্ত হতে থাকলে অবশেষে সাদা খাতা জমা দিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্র পরিত্যাগ করে সরাসরি মাইজভাণ্ডার প্রত্যাগমন করেন। এ ছিল তাঁর জীবনের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার শেষ প্রহর।

◑ সুফি মতাদর্শ
একথা সর্বজন বিদিত যে, উপরিউক্ত ঘটনার পর তিনি বোয়ালখালী হতে মাইজভাণ্ডারে ফিরে এসে একাগ্রচিত্তে আধ্যত্ম সাধনায় আত্মনিয়োগ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় তাঁর জীবন আধ্যাত্মিক রহস্যমন্ডিত সূফিত্বে বিকশিত হয়। প্রকাশনাদি হতে জানাযায়, সূফিতাত্ত্বিক সাধনাকালে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে তিনি দিনের পর দিন অনাহারে নির্ঘুম অবস্থায় কাটিয়ে দিতেন। কখনো তীব্র শীতে পুকুড়ের কনকনে ঠান্ডা জলে দিন-রাত একাধারে ডুবে থাকতেন। আবার কখনো সকল প্রকার জৈবনিক ক্রিয়া কলাপ মুক্ত থেকে ঘরের দরজা বন্ধ অবস্থায় আপাদমস্তক চাদর মুড়ি দিয়ে কাটিয়ে দিতেন দিনের পর দিন। সন্তানের এমতাবস্থায় তাঁর পিতা যখন খুবই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তখন তাঁকে স্বপ্নযোগে হুজুর গাউসুল আযম সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (কঃ) আদেশ করেন, ‘কেন তুমি এত উদ্বিগ্ন? যাও আমার লম্বা সবুজ জুব্বাটি(আলখেল্লা) তাকে পরিয়ে দাও’। তিনি সহসা গিয়ে সন্তানকে জুব্বাটি পরিয়ে দেন। এ ঘটনার পর হতে ধীর-স্থির হয়ে যাওয়ার মত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ)'র প্রাত্যহিক আচরণে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। তাঁর জীবনী লেখকগণ তাকে মজ্জুবে ছালেক দরবেশ ( ﺍﻟﺼّﻮﻓﻲ ﺍﻟﻤﺠﺬﻭﺏ ﺍﻟﺴﺎﻟﻚ ) বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি কখনো সমূদ্রের তীরবর্তী অঞ্চলে, গহীন জঙ্গলে এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘুরে বেড়াতেন। তাঁর বহুল আলোচিত রহস্যময় অলৌকিক ঘটনাবহুল জীবন চিরস্মরণীয়। তিনি ত্বরিকার ধারাবাহিকতায় তাঁর পীর স্বীয় পিতার স্থলাভিষিক্ত হন। তাঁর পীরগত শাজরা ছোট মৌলানা সৈয়দ আমিনুল হক ওয়াছেল মাইজভাণ্ডারী হয়ে হুজুর গাউসুল আযম সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী(কঃ)'র সাথে মিলিত হয়ে হুজুর আযম শেখ সৈয়দ আব্দুল কাদের জিলানী ও হযরত আলী (রাঃ) মারফত হযরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত ব্যাপৃত।

◑ উপনাম
প্রকাশিত তথ্য মতে, বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ আশেক ভক্তগণের নিকট তিনি বেশ কিছু উপনামে বহুল পরিচিতি লাভ করেন। তন্মধ্যে দুইটি বিশেষ ভাবে উল্লেখ যোগ্য। ‘বিশ্ব অলি’ তার মূল প্রসিদ্ধ উপাধি হলেও তিনি সাধনা কাল হতেই ‘শাহানশাহ বাবাজান’ বা জিয়া বাবা নামে সমাজে পরিচিত।

◑ বংশধারা
তিনি জনৈক বদিউজ্জামান চৌধুরীর (বদন সিকদার) ছোট কন্যা সৈয়দা মনোয়ারা বেগমের সাথে ১৯৫৫ সালের ২৮ জানুয়ারি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁর সূফিতাত্ত্বিক পীর এবং পিতা, লেখক ও সূফি সাধক অসিয়ে গাউসুল আযম সৈয়দ দেলাওয়ার হোসাইন মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ১৯৮২ সালের ১৮ জানুয়ারি ওফাত বরণ করেন। সাজরা মোতাবেক তিনি নবী করিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম'র বংশধর। এ ধারা হুজুর আযম শেখ সৈয়দ আব্দুল কাদের জিলানী এবং ফাতেমা জাহারা হয়ে আল্লাহর হাবীব সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম'র সাথে যুক্ত হয়।

◑ উত্তরাধিকার
তিনি ছিলেন পাঁচ কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক। তাঁর একমাত্র পুত্র সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মঃ) ইংরেজী বিষয়ে সম্মান ডিগ্রী লাভের পর তাঁর সুফিধারা উত্তরাধিকার বা সাজ্জাদানশীন হিসাবে স্থলাভিসিক্ত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক ট্রাস্ট নামের প্রতিষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষকের দায়িত্ব পালন করছেন। ট্রাস্টটি আর্তমানবতাসহ কতিপয় স্কুল, এতিমখানা এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে।

◑ওফাত শরিফ
তিনি ২৬ আশ্বিন ১৩৯৫ বঙ্গাব্ধ, ১৩ অক্টোবর ১৯৮৮ খৃষ্টাব্দ, হিজরী সনের পহেলা রবিউল আউয়াল রাত ১২টা ২৭ মিনিটে ওফাত বরণ করেন।

◑ রওজা-এ-পাক
তাঁর সমাধির উপর স্থপতি আলমগীর কবিরের নকশায় শাপলা ফুলের আঙ্গীকে নতুন একটি রওজা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যা স্থাপত্য শৈলীর আঙ্গীকে একটি আধুনিক স্থাপনা হিসাবে নানা প্রকাশনায় প্রসংসিত হতে দেখা যায়। প্রতি বছর ১১ অক্টোবর ২৬ আশ্বিন, তাঁর উরসে পাক-এ লক্ষ লক্ষ আশেক-ভক্তের সমাগম ঘটে।

মাইজভান্ডার, চট্টগ্রামে তাঁর নূরানী মাজার শরীফ অবস্থিত। প্রতিদিন হাজার হাজার মানব এবং জ্বীন রূহানী ফয়েজ হাসিল করছে। এবং ফেরেশতাদের একটি মিলনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ইয়া রাব্বুল আলামিন ওনার মাজার শরীফকে জান্নাতের টুকরা বানিয়ে দিন।

জিয়াউল হক ভান্ডারী (কঃ) ওরশ মোবারক সফল হোক ❤️

"❤️" মহান ২৬ আশ্বিন ওরশ শরীফ উপলক্ষে "" আল্লাহর পানির কল""বসানো হয়েছে মাইজখার উওর পাড়া রামপুর ব্রিজের পাশে হারুনের দোকান...
07/10/2025

"❤️" মহান ২৬ আশ্বিন ওরশ শরীফ উপলক্ষে "" আল্লাহর পানির কল""
বসানো হয়েছে মাইজখার উওর পাড়া রামপুর ব্রিজের পাশে হারুনের দোকানে সামনে।
""মানবিক কসবা "" সহযোগিতায় নিরাপদ পানির টিউবওয়েল। ❤️
বাস্তবায়নেঃ মাইজভান্ডারি গাউছিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ, পাকপাঞ্জতন শাহানশাহ হকভান্ডারী দায়রা শাখা (প্রস্তাবিত)
গ্রাম:রামপুর,পোঃমাইজখার,কুটি,কসবা, ব্রাহ্মণ্যবাড়ীয়া।❤️

27/09/2024

Address

Kasba
Brahmanbaria

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কুটি ইউনিয়ন আহলে সুন্নত ওয়াল জামাত posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share