12/02/2023
যে সব হিন্দু বাংলাদেশ ছেড়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছো তোমরা ধীরে ধীরে এদেশের জন সমাজের সাথে মিলে মিশে একাত্ম হয়ে যাবে কিন্তু তোমাদের সে গুড়ে বালি । তুমি নিজে মনে মনে যতই নিজেকে প্রকৃত হিন্দু, ভারতীয় ভাবো না কেনো এদেশের স্থানীয় লোকজন সব জানে এবং দরকার হলে তারা তোমার বিরুদ্ধে বাংলাদেশী বলে সোচ্চার হয়ে উঠবে । তুমি লেখা পড়া শিখে একটা চাকরি পেতে পারো কিন্তু যখনি একটু উচু পদে ওঠার সময় আসবে তখন পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে আর পুলিশ তোমাকে থানায় ডাকবে । সেখানে তোমাকে প্রথমে বলবে 1972 সালের আগের জমির দলিল যেটা কিনা তোমার বাবার নামে অথবা তোমার ঠাকুরদার নামে হতে হবে । যদি না দেখাতে পারো তাহলেই ওরা ধরে নেবে যে তুমি বাংলাদেশী রিফিউজি । এবার ওরা তোমাকে বলবে, যদি 1972 সালের আগের জমির দলিল না থাকে তাহলে প্রাইমারি স্কুলে পড়ার সার্টিফিকেট দেখাও, 1972 সালের আগে যদি কারো বাড়িতে ভাড়া থেকে থাকো তাহলে ভাড়ার কাগজ দেখাও । যদি তুমি রিফিউজি কাম্পে থেকে থাকো তাহলে রিফিউজি ক্যাম্পে থাকার প্রমাণ দেখাও । তুমি যে মনে মনে নিজেকে প্রকৃত হিন্দু ভাবো, প্রকৃত ভারতীয় ভাবো সেটা তোমার পুঙ্গার মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে যাবে । অন্য ক্ষেত্রেও যদি তুমি একটু উপরে ওঠার চেষ্টা করো তাহলে এদেশীয় ঘটিরা স্বমস্বরে চিৎকার করে উঠবে যে এ বাংলাদেশী রিফিউজি আর সাথে সাথে খবর সারা ভারতে হিন্দি ভাসি ক্ষেত্রের লোকেদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে আর তারাও বাংলাদেশী রিফিউজি, বাংলাদেশী রিফিউজি বলে শোর গোল তুলে দেবে । তুমি ভাবছো তুমি পশ্চিমবঙ্গে এসে কোনো আত্বিও বাড়ি থেকে ইস্কুলে ভর্তি হয়ে পড়াশুনো করে আর্মিতে জয়েন করে এরশাদ হবে, তার ব্যবস্থা সমগ্র ভারতের লোকেরা করে রেখেছে । এরশাদ হওয়া তো অনেক দূরের কথা, আর্মিতে জয়েন করার পর অন্য বাঙালিদের কাছ থেকে ওরা ঠিক জেনে নেবে যে এ বাংলাদেশী । অন্য বাঙ্গালী যারা তোমার সাথে চাকরি করবে তারা হিন্দি ভাসি ক্ষেত্রের অফিসারদের বলে দেবে যে, "এ বাংলাদেশী" আর অফিসাররা তোমার প্রতি খুব নজর রাখবে । কারণ হিন্দিভাষী ক্ষেত্রের লোকেরা বাঙালি রিফিউজিস দের একদম পসন্দ করে না । তুমি চাকরি করবে কিন্তু ওরা দেখবে যাতে তুমি একটু উপরে উঠতে না পারো । ওরা খুব চালাক । ওরা তোমার দুঃখের কথা জানে না, বোঝে না । তুমি ভাবছো অন্যদের মতো ভোটে নির্বাচিত হয়ে তুমি নেতা হবে, কিন্তু যারা ঘটি, এদেশীয় তারা তোমার নেতা হওয়া পঙ্গার মধ্যে দিয়ে বের করে দেবে । তুমি ভাবছো তুমি মুখ্যমন্ত্রী হবে । যখন জানতে পারবে যে তুমি বাংলাদেশী তখন সমগ্র ভারতের লোকেরা অতি উচ্চ স্বরে চিৎকার করে উঠবে । তুমি মনে মনে নিজেকে ভালো ভাবলে কি হবে, ওরা তোমাকে ভালো হতে দেবে না । যে সব হিন্দু বাংলাদেশ ছেড়ে 1947 সালের পর এসেছে তারা ও তোমাকে রিফিউজি বলে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেবে আর তোমার মতো লোকেদের ফাইল ওপেন করার জন্য পুলিশ "বি, দি" আব্বিভিয়েশন বানিয়ে রেখেছে । বি,দি মানে বাংলাদেশী । পুলিশ ফোন করে অন্য পুলিশ স্টেশনে বলবে, "হ্যা রে, এখানে একটা বি, দি কেস এসেছে । " তারপর ওরা তোমাকে ধরে জেরা করবে, তোমাকে অধার কার্ড দেখাতে বলবে, না দেখাতে পারলে ওরা বলবে তোমার পরিচিত কেউ আছে কি ? যদি তুমি তোমার কোনো আত্মীয়ের ফোন নাম্বার দাও তাহলে ওরা তোমার আত্বিওকে ফোন করে বলবে যে, "তোমার এক বাংলাদেশী আত্তিও ধরা পড়েছে, তাকে ছাড়িয়ে নিতে হলে পঞ্চাশ হাজার টাকা লাগবে, না হলে কোর্টে তোলা হবে আর একবার কোর্টে তুললে 10 বছরের জেল হবে ।" এবার তোমাকে ছাড়াতে তোমার অত্বিও কি পঞ্চাশ হাজার টাকা, 1 লক্ষ টাকা দিতে পারবে ? তোমার আত্বীও তো এমনিতেই গরীব, খেতে পায় না, কুড়ে ঘরে থাকে । তুমি হিন্দু মারানোর জন্য পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলে, হিন্দু পুলিশে মিলে ভালো করে তোমার পঙ্গা মেরে দেবে । তুমি জেলের মধ্যে বসে হাউ মাউ, হাউ মাউ করে কেদে কেদে বুক ভাসিয়ে দেবে । তুমি ভাববে, "হে ভগবান, আমার সব আত্বীরা ভারতে আছে, আমি কিভাবে জেলের মধ্যে চলে গেলাম রে ! " তুমি জানো তোমার এই অবস্থার জন্য কে দায়ী ? তোমার এই অবস্থার জন্য দায়ী তারা যারা দেবতা ইংরেজদের তাড়িয়ে ভারত বিভাগ করে তোমার এই অবস্থার সৃষ্টি করেছে । এইজন্য, বাংলাদেশে যে সব হিন্দু ফেঁসে রয়েছো তাদের ধর্ম হলো বাংলাদেশের মুসলমানদের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করা । বাংলাদেশের মুসলমানরা চায় মন্দির ধ্বংস করতে । তোমরা ও মুসলমানদের সাথে মিলে মন্দির ধ্বংস করবে, কীর্তন গানের আসরে গুলি চালিয়ে হারিনামের কাঙালদের মেরে মেরে লাশ ফেলে দেবে যাতে ভারতের লোকেদের একটু টনক নড়ে । নিচের কৌশল টি একবার পড়ো, তাহলেই বুঝতে পারবে কি করতে হবে ।
আপনি কি জানেন ভারতে রিফিউজি সমস্যা কে তৈরি করেছে ? রাজনৈতিকভাবে দেখলে সৈতান জিন্না সৃষ্টি করেছে কিন্তু ধর্মীয়ভাবে বিচার বিশ্লেষণ করলে বলতে হবে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু কৌশল করে রিফিউজি সমস্যা সৃষ্টি করেছিলেন । শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু বৈষ্ণব ধর্ম বিকাশ করতে চেয়েছিলে ন, যে ধর্মে লোকেরা সংসারের সব কিছু ত্যাগ করে, জমি জমা, ঘর বাড়ি, আত্তীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব, বাবা মা ত্যাগ করে সন্যাসী জিবন অতিবাহিত করবে, এমন একটি ধর্ম । এইরূপ পরিস্থিতি সর্বহারা রিফিউজি দের দৈনন্দিন জীবনের সাথে পুরো মিলে যায় । একবার ভগবান বিষ্ণু চৈতন্য মহাপ্রভু হিসেবে অবতার নেওয়ার কথা ভাবে এবং আজ থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচশ বছর আগে পশ্চিমবঙ্গের নবদ্বীপ বা মায়াপুর নামক স্থানে নিমাই পণ্ডিত হিসেবে অবতার গ্রহণ করে । পরে তিনি বৈষ্ণব ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে পূর্ববঙ্গে গমন করেন । পূর্ব বঙ্গ মানে বর্তমান বাংলাদেশে । পূর্ব বঙ্গ ভ্রমণের সময় তার বৈষ্ণব বেশ দেখে ওখানকার লোক হাসাহাসি করা শুরু করে । ঠাট্টা করে । উনি দেখলেন পূর্ববঙ্গের লোকেদের অবস্থা খুব স্বচ্ছল । গোলা ভরা ধান, পাট, সর্সে, মুসুরি, কলাই, গাছে প্রচুর ফল, কলা, কাঠাল, আম, জাম, তেতুল, নারিকেল, কুল, পেয়ারা, লেবু, পেঁপে, ক্ষেতে আখ, বাদাম আর পুকুর ভরা মাছ । সবাই সুখে আনন্দে উদ্বেলিত উল্লসিত আত্বহারা হয়ে অনেকটা কনিউন সিস্টেমে বা গোষ্ঠী সাম্যবাদী ধাঁচে জিবন নির্বাহ করছেন। এমন সময় শ্রী চৈতন্যের সন্যাসী বেশ দেখে সবাই হাসাহাসি করা শুরু করে দেয় আর তখুনি ভাগ্যবান ক্রোধান্বিত হয়ে সবাইকে অভিশাপ দেয় যে তাদের সুখের বাসা যেনো অচিরেই ভেঙে যায় । কারণ বৈষ্ণব ধর্মের বিকাশের জন্য প্রচুর সংসার ত্যাগী লোকের দরকার ছিলো আর লোক কেনো তার সব কিছু পরিত্যাগ করে সন্যাস ধর্ম গ্রহণ করে না খাইয়া ঘুরে বেড়াবে ? তাহলে এমন অবস্থার সৃষ্টি করতে হবে যাতে লোকে বৈষ্ণব ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য হয় আর সেটা হলো কোটি কোটি সর্বহারা রিফিউজি তৈরি করা । কোটি কোটি লোক রিফিউজি হলে কমপক্ষে তার মধ্যে থেকে কতেক সো লোক দৈনন্দিন জীবনের অভাব অনটনের হাত থেকে রক্ষা পাবার জন্য বাড়ি থেকে পালিয়ে বৈষ্ণব সংঘে বা ইস্কনে গিয়ে যোগদান করবে এবং বৈষ্ণব ধর্ম বিকাশ লাভ করবে । কিন্তু মানুষের মনের দুঃখ, অভিশাপ ভাগ্যবানের ও লাগে যেমনটি কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের পর গান্ধারী ভাগ্যবান ভগবান শ্রী কৃষ্ণ কে অভিশাপ দিয়েছিলেন । ঠিক তাই হচ্ছে । শ্রী চৈতন্যের অবতারকে হিন্দিভাষী ক্ষেত্রের লোকেরা মানে না, ওনাকে অবতার না মেনে একজন সাধু বলে মনে করে । উনি যে ভগবান বিষ্ণুর পূর্ণ অবতার একথা হিন্দিভাষী ক্ষেত্রের লোকেরা মানতে চায় না । তারা ওনাকে কবীর, নানক, মিরাবাইয়ের সমকক্ষ বলে মনে করে এবং বইয়ের আলোচ্য অংশে তাই বলা হয়েছে । হিন্দিভাষী ক্ষেত্রের ইতিহাস বইতে অনেক নানক, কবীর, মিরাবাইয়ের সমকক্ষ বলে সাধারণত বর্ণনা করা হয়ে থাকে । আমরা যখনই হিন্দিভাষী ক্ষেত্রের লোকেদের, দক্ষিণ ভারতীয় এবং আসামের লোকেদের এই বোঝাতে চেষ্টা করি যে ভগবান শ্রী কৃষ্ণ শ্রী শ্রী রাধারাণীর ঋণ পরিশোধ করার জন্য কলিযুগে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু হয়ে অবতার গ্রহণ করেছিলেন এই কথা বোঝাই তখনি তারা আমাদের উল্টো বুঝিয়ে দেয়, তারা হাসাহাসি করে । তারা তাদের এলাকার কোনো সাধুর সাথে তুলনা করে । যেমন, মহারাষ্ট্রের কোনো লোককে যদি বলা হয় যে জানো, স্বয়ং ভগবান বিষ্ণু স্বয়ং শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু হয়ে অবতার গ্রহণ করেছিলেন তাহলে তারা পরস্পরের দিকে তাকিয়ে মিট মিট করে হাসে, তারা কিছুতেই একথা মানতে চায় না । তারা বাংলাকে এতই অবজ্ঞা করে যে তারা কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারে না যে ভগবান বাংলাতে অবতার গ্রহণ করতে পারে । হিন্দিভাষী ক্ষেত্রের লোকেরা কিছুতেই বাংলার আধিপত্যকে মেনে নিতে চায় না, দক্ষিণ ভারতের লোকেরাও চায় না আর তাই তারা ভাবে যদি শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু কে পূর্ণ অবতার মেনে নেওয়া হয় তাহলে বাঙালিদের ভাও বা ভ্যালু অনেক বেড়ে যাবে তাই তারা নিজেদের ক্ষেত্রের প্রাধান্য বজায় রাখার জন্য তাদের ক্ষেত্রের অবতারী কেই প্রাধান্য দিয়ে থাকে, যেমন সাইবাবা । স্বাধীনতার পর ভারত বিভাগের ফলে যে বিপুল সংখ্যক মানুষ রিফিউজি হয়েছে তাদের জিবন ধরনের মান এত নিম্ন যে তার থেকে ইসকনের সন্যাসী দের জিবন ধরনের মান অনেক বেশি । তুলনামূলকভাবে, রিফিউজি দের জীবন ধারণ একজন সন্যাসী র থেকেও বেশি ত্যাগী । তা সে মনের দিক থেকে ত্যাগী না হলেও পরিস্থিতির বশবর্তী হয়ে সর্বত্যাগী হতে বাধ্য হইয়াছে । একজন রিফিউজি যে ত্যাগের মাধ্যমে বেঁচে থাকে তাতে সেই হলো মহান বৈষ্ণব । একজন রিফিউজি জানে না কাল সে কি খাবে, কি কমাবে, কি অর্জন করবে কিছুরই নিশ্চয়তা নেই । ঠিক বৈষ্ণবদের যেমন শেখানো হয় সে যেনো কাল কি খাবে তার চিন্তা না করে ।বৈষ্ণবরা সংসার ছেড়ে পুনরায় একজায়গায় জড়ো হয়ে অনেকটা সাংসারিক জীবের মতই বসবাস করে । তাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রায় সব জিনিসেরই দরকার হয় । কমিউনিস্ট রা প্রত্যেকটি লোকের বাঁচার উপায় খোঁজে কিন্তু সেই বাঁচার জন্য প্রত্যেককে কিছু না কিছু কাজ করতে হয় । কাজ না করলে সে খেতে পাবে না এই মতবাদে বিশ্বাসী । কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার তৃণমূল দেখিয়েছে যে যারা কাজ পায় নি তাদের ও বাঁচার অধিকার আছে । তাদের জন্যও কিছু ভাতার ব্যবস্থা করতে হবে । আবার যারা সাধু সঙ্গে বাস করে তাদের ও বাঁচার অধিকার আছে, তারা ধর্মাচরণ করে দিন কাটায় কিন্তু অন্য কোনো কাজ করে না । তারা সংসারের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে ভগবানের সাধনা করে মুক্তি পেতে চায় । সবকিছু মিলিয়ে দেখলে সবাই সবার জায়গায় ঠিক আছে । লোককে সর্বত্যাগী বানানোর জন্য ভগবান শ্রী কৃষ্ণ মানে শ্রী শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু কৌশল করে বাংলা বিভাগ তথা ভারত বিভাগ ইংরেজদের দিয়ে করিয়েছিলেন যাতে তিনি উপযুক্ত সংখ্যক সার্বত্যাগী বৈষ্ণব পান । যাতে তার ইচ্ছা সফল হয় । কিন্তু গান্ধারীর মত মানুষের অভিশাপ ও ভগবানের লাগে আর তাই ভারতের অন্য অংশের লোক তাকে ভগবান বিষ্ণুর অবতার মানতে রাজী নন । ভগবানের এই অবতার টা মনে হয় রিফিউজিদের আশা আকাঙ্ক্ষার মত আর সফল হবে না । যতই মাইক লাগিয়ে সারা দিন রাত চেঁচাতে থাকো, হিন্দী ভাসি ক্ষেত্রের লোক কিছুতেই তোমাকে শ্রী বিষ্ণুর অবতার মানবে না । সারা রাত হরে কৃষ্ণ গাও কোনো বাধা নেই কিন্তু সারা রাত মাইক লাগিয়ে চেছানো বের হয়ে যাবে । সারা রাত মাইক বাজায়, এতো দেখছি যারা দি জে মাইক লাগিয়ে পিকনিক করতে যায় তাদের থেকেও খারাপ । ডী জে তবু কোনো ফাকা জায়গায় গিয়ে বাজানো হয় কিন্তু বৈষ্ণবরা তো দেখছি দি জে অলাদের থেকেও ভয়ংকর । যারা কীর্তন গান গায় সেই কির্তনিয়ারা চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সারারাত সারাদিন মাইক বাজিয়ে কীর্তন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে । রাত দশটার পর মাইক বাজিয়ে কীর্তন করা চলবে না, আপনারা সরকার এবং প্রশাসনকে লিখিতভাবে জানান । না মানলে অন্য ব্যবস্থা করতে হবে । মাইক এর তার খুলে নিয়ে যেতে হবে, তাতে বাধা দিলে টাইম বম্ব লাগিয়ে কীর্তন আসর থেকে কেটে পড়তে হবে । শীতের দিনে চাদর গায়ে দিয়ে কীর্তন শুনতে যেতে হবে আর চাদরের মধ্যে ছোটো একটা ব্যাগে টাইম বম্ব লাগিয়ে কিছুক্ষণ কীর্তন শুনে তারপর নিচে বসার তাবুর নিচে বা যেখানে তাবু ভুর দেওয়া আছে সেখানে টাইম বম্ব সেট করে আস্তে ওখান থেকে কেটে পড়তে হবে । সারা রাত ঘুম এর ডিস্টার্ব করে কির্তনিয়ারা কিন্তু সকালে ঘুমোবে, তখন ওদের হাত পা বেঁধে কোনো জিনিসের সাথে বেঁধে দি জে মিউজিক কানের কাছে লাগিয়ে ছেড়ে দিতে হবে । দেখ, মজা কেমন লাগে । যতক্ষণ এই কৌশল অবলম্বন করা না হচ্ছে ততক্ষণ কির্টনিয়ারা ছাগলের মত জিদ করে সারা রাত মাইক বাজাতেই থাকবে । ওরা বেশি সাহস পায়ে গেছে । ওদের শায়েস্তা করার জন্য গুপ্ত প্ল্যান করতে হবে । ওরা এই ভাবা শুরু করেছে যে কেউ ওদের বিরুদ্ধে কিছু করতে পারবে না ।
Hidden Truth: Once Lord Vishnu foresaw British rule, division of India and generation of crores and crores of refugees. He saw crores of Hindu Bangali of Bangladesh will lose everything and will take shelter in Nadia district of West Bengal and other parts of West Bengal and India and they will be landless, penniless and just like beggars. So, to appease those refugees he decided to take incarnation as sanyasi so that those poor refugees accept his path and become happy. So, all landless refugees will accept Vaishnavism dharma and in performing that dharma, refugees will feel themselves happy and satisfied because rituals, rules and regulations of this dharma will be similar to the condition of their life style. Thus, Lord Vishnu tried to solve refugee problem.God can foresee everything going to happen, so he could see arrival of Britishers in India, their rule, division of India, generation of refugee and fertile area for spreading of Vaishnav dharma. Mayapur was the fertile area because he knew that refugees will assemble around Mayapur area and refugees will be so poor that their life style will be similar to that of a Vaishnav. He knew people of other states will not be attracted towards Vaishnav dharma so, part of West Bengal will be his leelabhumi.
I request Hindu people of Bangladesh to shake hands with muslims and attack Mandirs and Durga Puja pandel so that it gives little bit pain in the mind of Indians. As Indian government are against Hindu refugees of Bangladesh hence Hindu people of Bangladesh must do such things that will give pain to hindus of India. Hindu people will set fire to Durga Puja pandel, Pandel of Kirtan gaan, break mandirs, break building of Vishwa Hindu Parishad.
তুমি ভাবছো পশ্চিমবঙ্গে গিয়ে অন্যের জমিতে জন দিয়ে যে মজুরি পাবে তাই দিয়ে চাল ডাল কিনে বাঁচবে । তুমি যাদের জমিতে কাজ করবে তারা সারাদিন তোমাকে দিয়ে কাজ করিয়ে দিন শেষে যখন মজুরি নিতে যাবে তখন ওরা তোমাকে বলবে, "আরে, তুই তো একটু ও কাজ করিস নি । এই বলে ওরা তোমাকে খুব কম টাকা দেবে যা দিয়ে তুমি এক কেজি চাল কিনতে পারবে না, একটু ডাল, একটু আলু কিনতে পারবে না । তোমার অবস্থা না খেতে থাকার মতো হবে । তোমার নিজের আত্মীয় রা তোমাকে দেখে হাসাহাসি করবে ।
উপরের লেখাগুলো বাংলাদেশের হিন্দুদের মধ্যে বিলি করবে যাতে তারা বিষয়টি জানতে পারে । হাতে লিখে বা প্রিন্ট আউট নিয়ে লেখাটি হিন্দুদের ঘরের মধ্যে ঢুকিয়ে দেবে ।