নন্দতেঘরী বায়তুছ ছালাম শাহী জামে মসজিদ

  • Home
  • Bangladesh
  • Bogura
  • নন্দতেঘরী বায়তুছ ছালাম শাহী জামে মসজিদ

নন্দতেঘরী বায়তুছ ছালাম শাহী জামে মসজিদ It is an under construction mosque. Whose construction work was officially started in 2019.

The most prominent holy mosque is being constructed in Bogra district, Sherpur police station, Bhabanipur union, Nandetaghari village.

09/07/2026
নামাজ হলো মুমিনের মেরাজ। এটি এমন একটি শক্তিশালী মাধ্যম, যা আমাদের শারীরিক দূরত্ব সত্ত্বেও সরাসরি আল্লাহর সাথে আধ্যাত্মিক...
07/07/2026

নামাজ হলো মুমিনের মেরাজ। এটি এমন একটি শক্তিশালী মাধ্যম, যা আমাদের শারীরিক দূরত্ব সত্ত্বেও সরাসরি আল্লাহর সাথে আধ্যাত্মিক সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে। এই মুহূর্তগুলো জীবনের লক্ষ্যকে সর্বদা সামনে রাখে।

19/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ।

পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে আলোক সজ্জায় সজ্জিত মসজিদ।

আলহামদুলিল্লাহ।  পবিত্র রমজান মাসে আমাদের এই মসজিদে সুদূর আমেরিকা প্রবাসী মো:কাউছার সাহেব একটি ডিজিটাল ঘড়ি অত্র গ্রামের ...
18/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ।

পবিত্র রমজান মাসে আমাদের এই মসজিদে সুদূর আমেরিকা প্রবাসী মো:কাউছার সাহেব একটি ডিজিটাল ঘড়ি অত্র গ্রামের প্রকৌশলী Md Forhad Hossain এর মাধ্যমে দান করেছেন।

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তার দান কে কবুল আর মঞ্জুর করুন, তাকে আরও বেশি বেশি দান করার তৌফিক দান করুন, তার মনের আশা পূরণ করুন, তার পরিবার কে হেফাজত করুন, সর্বপরি তার সকল নেক নসিহত কে কবুল করুন। আমিন

🤍(বিসমিল্লাহির রহ্‌মানির রহী-ম)🤍☔(নামাজের জন্য মনস্তাত্ত্বিক ও মানসিক প্রস্তুতি)☔📖 নামাজে মনোযোগী হওয়ার সামর্থ্যকে আরও ব...
12/03/2026

🤍(বিসমিল্লাহির রহ্‌মানির রহী-ম)🤍

☔(নামাজের জন্য মনস্তাত্ত্বিক ও মানসিক প্রস্তুতি)☔

📖 নামাজে মনোযোগী হওয়ার সামর্থ্যকে আরও বাড়ানো
যায় যদি এর জন্য পর্যাপ্ত মানসিক মনস্তাত্ত্বিক
এবং শারীরিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এবং নামাজের মধ্যেও
মনোযোগ বাড়াতে উদ্যোগী হওয়া যায়। নীচে আমরা
↓এ ধরনের কয়েকটি পদক্ষেপে বিষয়ে আলোচনা করছি↓

🔰 (১)~ আপনার সারাদিনের কর্মতৎপরতার পরিকল্পনা
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজকে কেন্দ্র করে তৈরী করুন।
📖(সূরা মাআরিজ, ৭০, ২২-২৩)📖
এমন যেনো না হয় আপনি প্রচণ্ড ব্যস্ত এক কর্মপরিকল্পনা
করলেন, এরপর দিনের কাজ শুরু করে এই ব্যস্ততার
মাঝে নামাজকে স্থান দিতে চেষ্টা করুন।

🔰(২)~এটা নিশ্চিত করুন যে, যেসব আইন কানুন নামাজ
নিয়ন্ত্রণ করে তার সবগুলো আপনি মেনে চলছেন।
নামাজে উচ্চারিত এবং নামাজ সংক্রান্ত
কুরআনের আয়াতসমূহ এবং হাদীসগুলো গভীরভাবে
👁️👁️👁️অনুধাবন করার চেষ্টা করুন।👁️👁️👁️

🔰(৩)~ আপনার নামাজ আদায়ে সময়ানুগ হউন।
📖📖📖(সূরা নিসা-৪: ১০৩)📖📖📖
ওয়াক্ত হওয়ার পরে দ্রুততম সময়ে নামাজ আদায়
করুন। 🌺(রাসূল (সঃ)🌺 বলেছেন যে (আফজল)
সঠিক সময়ে আদায়কৃত নামাজই 💞(আল্লাহর)💞
🌸🌸🌸কাছে সবচাইতে বেশি পছন্দনীয়।🌸🌸🌸

🔰(৪)~ যথাসময়ে ফরজ নামাজগুলো জামাআতের সাথে
আদায় করুন। 📖(সূরা বাকারা-২/৪৩)📖

🔰(৫)~ নামাজের মধ্যে আপনার মনকে দুনিয়ার সকল
☔☔☔দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত রাখুন।☔☔☔

🔰(৬)~ আপনি কোন আয়াত বা দু'আ পড়বেন তা সম্বন্ধে
🍁🍁🍁🍁পরিকল্পনা করুন।🍁🍁🍁🍁

🔰(৭)~মনে রাখুন যে,আপনি নিজেকে নামাজে নিয়োজিত
করার মাধ্যমে নিজেকে এই দুনিয়ার যাবতীয়
দুশ্চিন্তা ও মানুসিক চাপ থেকে মুক্ত করার এক অনুপম
সুযোগ পাচ্ছেন। 🌺(রাসূল (সঃ)🌺 বলেছেন যে,
নামাজই তার সুখ নিহিত। অতএব, এই পৃথিবীর দাসত্ব
এবং বোঝা থেকে নিজেকে মুক্ত করার এই সুযোগকে
সাদরে গ্রহণ করুন। 📖(সূরা বাকারাহ্‌~২/৪৫)📖

🔰(৭) আপনার পুরা জীবনকে 💞(আল্লাহ্‌ তা'য়ালার)💞
নির্দেশিত মিশনের দিকে চালিত করতে
💗💗💗নামাজকে ব্যবহার করুন।💗💗💗

🔰(৮)~ আপনার জীবনে আরও উদ্দীপনা, শক্তি ও
🤲🤲🤲🤲নামাজের সাহায্য নিন।🤲🤲🤲🤲

09/03/2026

কাল সন্ধ্যা থেকে শুরু হতে যাচ্ছে রামাদানের শেষ দশক। আর যদি এই মাস ২৯ দিনের হয়, তাহলে তো ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।

এবার পালা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিশনের! এটা হলো লাইলাতুল ক্বদরকে খুঁজে পাওয়ার মিশন।

রাসূল (সা.) বলেছেন, "তোমরা রমাদানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে গুলোয় লাইলাতুল কদর খোঁজে কর।" [বুখারি, মুসলিম]

কিন্তু কিভাবে করবো খোঁজ? আগে থেকে কিভাবেই বা বুঝবো কবে হবে সেই মহিমান্বিত রজনী?

এই রাতকে নিশ্চিত ভাবে পেতে হলে তাই সালাত, যিকর, সাদাকাহ, দুআ, কুরআন তিলাওয়াত ও অন্যান্য সব ইবাদত বাড়িয়ে দিতে হবে আজ থেকে। যেটাই করা হবে না কেন এই রাতে, সাওয়াব বেড়ে যাবে হাজার গুণ! এত সুবর্ণ সুযোগ কি হাতছাড়া করা যায়?

এই দশদিন ইবাদাত করবেন আপনার নিজের সামর্থ অনুযায়ী। তা সফলভাবে যেন করতে পারেন সেজন্য আমরা কিছু টিপস থাকছে-

🌙 দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্নতা :

কোয়ালিটিফুল ইবাদাতের জন্য প্রথমেই দুনিয়াবি চিন্তা ও অপ্রয়োজনীয় কাজ থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া উচিত।

• বেস্ট হল মসজিদে ইতিকাফ করা। তবে ইচ্ছা থাকলেও সেই সুযোগ এ বছর হয়তো হবে না অনেকেরই। বাসার ভেতরেও আলাদা রুমে বা এক কোনায়, একাকী ইবাদত করতে পারেন। এটা ইতিকাফ না, তবে মনোযোগ ধরে রাখতে সহায়ক হতে পারে।

• তাও না সম্ভব হলে দুনিয়াবি আলাপ থেকে এই কটা রাত যথাসম্ভব দূরে থাকুন, অন্তত সোশ্যাল মিডিয়া থেকে।

• মহিলাদের পক্ষে বিচ্ছিন্ন হওয়াটা কষ্টকর, সংসারের কাজ থাকেই। সেসব কাজ যথাসম্ভব দিনের বেলা গুছিয়ে নিবেন।

• ছোট বাচ্চার মায়েরা রাতের বেলা জলদি সন্তানদের ঘুম পাড়ানোর পর একটু নিরিবিলি ইবাদাত করতে পারেন।

🌙 সালাত :

ফরজ ও সুন্নাহ সালাতের পাশাপাশি নফল সালাতের প্রতিও গুরুত্ব দিতে হবে।

• শেষ রাতে কিয়ামুল লাইল পড়বেন, অন্তত দুই রাকাত হলেও। পরিপূর্ন বিশ্বাস ও সাওয়াবের আশা নিয়ে সালাত পড়লে তা পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফের উসিলা হতে পারে। (সুনান নাসাঈ)

• সালাত জামাতে পড়ার মাধ্যমে সাওয়াব ২৭ গুণ করে ফেলতে পারেন।

• রাতে ওযুর পর দু রাকাত নফল সালাত পড়তে পারেন, এই সালাতের ফজিলত অনেক।

• রুকু ও সিজদাহ দীর্ঘ করার চেষ্টা করবেন রাসূল (সাঃ) এর মত। নতুন কিছু তাসবীহ মুখস্ত করে নিন আগে।

• চেষ্টা করবেন সালাতে যেন সর্বোচ্চ ফোকাস (খুশু) ধরে রাখতে।

🌙 কুরআন :

কুরআন নাযিলের মাসে কুরআনের সাথে অধিক সময় কাটাবেন অবশ্যই।

• কুরআন তিলাওয়াত করুন বেশি বেশি। প্রতিটি হরফের জন্য ১০ নেকি! তিলাওয়াত করতে না পারলে অন্তত অডিও শুনুন।

• তিলাওয়াতের পাশাপাশি অর্থও পড়ুন। সালাতে পড়ার সূরাগুলোর প্রতিটি শব্দের অর্থ জানুন, বিশেষ করে সূরা ক্বদরের। সম্ভব হলে সেগুলোর তাফসীরও পড়বেন এবং গভীরভাবে চিন্তা করবেন।

• নতুন কোন সূরা বা কুরআনের ছোট্ট কোন দুআ মুখস্ত করতে পারেন।

🌙 যিকর :

যখনই সময় পাবেন যিকর করবেন। চলতে-ফিরতে, শুয়ে-বসে কিংবা রান্না করতে করতেও যিকর করা যায়। কিছু সহজ যিকরের উদাহরণ দেয়া হল, যেগুলো পড়লে প্রচুর লাভবান হবেন-

• আজানের পর শাহাদাহ বাক্য- পড়লে জান্নাতের সব দরজা উন্মুক্ত হয়ে যাবে

• দুরূদ- একবার পড়লে দশবার রহমত নাজিল হয়

• লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়াহদাহু লা শারিলাহু, লাহুল মূলক ওয়া লাহুল হামদ, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইইন ক্বদীর- একশবার পড়লে দশজন ক্রীতদাস মুক্তির সাওয়াব

• সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি- সকালে ও সন্ধ্যায় একশো যে পড়বে, কিয়ামতের দিন তার থেকে বেশি ভালো কিছু কেউ উপস্থিত করতে পারবে না

• সালাত শেষে সুবহানাল্লাহ (৩৩), আলহামদুলিল্লাহ (৩৩), আল্লাহু আকবর (৩৩)- সমুদ্রের ফেনার মত গুনাহও মাফ হবে

• লা হাওলা, ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ- জান্নাতের একটি অলংকার

• আস্তাগফিরুল্লাহ- রাসূল (সাঃ) দৈনিক অন্তত ৭০-১০০ বার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতেন

• সকাল সন্ধ্যার যিকিরসমূহ (দেখুন হিসনুল মুসলিম)- এগুলো প্রতিদিন পড়লে সমূহ বিপদ ও শয়তানের হাত থেকে রক্ষা করে।

🌙 সাদাকা :

প্রতি রাতেই অল্প অল্প করে সাদাকাহ করার চেষ্টা করবেন।

• কত টাকা সাদাকা করবেন আগেই নির্দিষ্ট করে ফেলুন। যেহেতু বেজোড় রাতে এবং শেষের দিকে লাইলাতুল ক্বদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি তাই দশদিনের জন্য এভাবে টাকা ভাগ করতে পারেন- ১৫০, ১০০, ১৫০, ১০০, ২৫০, ১০০, ২৫০, ১০০, ২৫০, ১০০। এটা একটা উদাহরণ মাত্র। আপনার সুবিধা অনুযায়ী ভাগ করুন।

• বিকাশে বা নগদে পাঠালে ফোন নাম্বার আগেই লিখে কোথাও লিখে রাখুন। যেন ওই সময়ে ফোন হাতে সময় অপচয় না হয়।

• বিকাশ, নগদ কিছুই না থাকলে একটি খামে প্রতি রাতে টাকা আলাদা করে রাখবেন, পরদিন সকালে বা পরে একবারে দিয়ে দিবেন।

🌙 দুআ :

দুআ হল লাইলাতুল ক্বদরের মূল আকর্ষণ। এটিও কিন্তু এক প্রকার ইবাদাত, তাই এতে পর্যাপ্ত সময় দিন।

• দুআ লিস্ট তৈরি না করে জলদি করুন। নিজের ও আপনজনদের কি চাওয়া সব লিখে ফেলুন। মুসলিম উম্মাহকে ভুলবেন না।

• একটি দুআর শর্টলিস্ট রাখবেন। দুআ কবুলের সময় গুলোতে পড়ার জন্য। (যেমন- ইফতারের আগে, শেষ রাতে, বৃষ্টির সময়, ভালো কাজের পর, আজানের পর ইত্যাদি)

• কুরআনের ও হাদিসের দুআ গুলো সব পড়বেন, প্রয়োজনে দেখে দেখে। এগুলোর মধ্যেই মোটামুটি আমাদের যা প্রয়োজন তা মোটাদাগে আছে।

• আল্লাহর সুন্দরতম নামগুলোর সাহায্যে, একাগ্রতার সাথে, কিবলামুখী হয়ে এবং দুহাত তুলে চাইবেন। নিশ্চয়ই কবুল হবে। আর কবুল না হওয়ার হলে বুঝবেন এর থেকেও উত্তম কিছু আল্লাহ আপনার জন্য লিখে রেখেছেন।

• লাইলাতুল ক্বদরের একটি বিশেষ দুআ আছে যেটা বেশি বেশি পড়বেন-

اللّٰهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّيْ

(আল্লাহুম্মা ইন্নাকা 'আফুউন, তু'হিব্বুল 'আফওয়া, ফা'ফু 'আন্নী)

হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাকারী, তুমি মাফ করতেই পছন্দ কর, অতএব তুমি আমাকে মাফ করে দাও।

🌙 ইলম অর্জন

লাগাতার ইবাদাত কষ্টকর হতে পারে, মাঝে মধ্যে দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমেও সাওয়াব পেতে পারেন।

• ভালো কোন বই পড়ুন। কাগজের বই, পিডিএফ না। ফোন থেকে দূরে থাকাই উত্তম।

• সেটাও কষ্ট হলে ভালো কোন লেকচার শুনুন। লেকচারটি আগেই সেইভ করে রাখতে পারেন, যেন তখন ইন্টারনেট চালু করার প্রয়োজন না হয়।

🌙 অন্যান্য

সাওয়াব অর্জনের উপায় কি শুধু উপরের গুলোই? না। বরং আরো অনেক উপায়েই হতে পারে যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য করা হয়।

• সন্তানের যত্ন নেয়া, মা বাবার খেয়াল রাখা, পরিবারের জন্য রান্না করা, ছোট খাটো গৃহস্থালি কাজ করা ইত্যাদি যাই করবেন, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করবেন।

• দিনের বেলা আত্মীয়ের খোঁজ নিন। কারো উপর রাগ পোষণ করে থাকবেন না। আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করলে আপনার দুআ কবুল নাও হতে পারে।

• অন্তত শেষ দশদিন নিজের জিহবা ও পেটকে লাগাম দিন। কম খেলেই বেশি ইবাদাত করতে পারবেন, বিশ্বাস করুন!

• তারাবীর আগে একটু এক্সারসাইজ বা স্ট্রেচিং করে নিন। দেখবেন অনেক এনার্জি পাবেন।

• নিজেকে পরিপাটি ও সজ্জিত করা, উত্তম পোশাক পড়ার মাধ্যমেও সাওয়াব পেতে পারেন। রাতের সালাতের আগে মিসওয়াক করে, আতর মেখে বা বাখুর জ্বালিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করে নিবেন, কারণ আপনি দুনিয়ার মালিকের সামনে দাঁড়াতে যাচ্ছেন!

• ঘরটিকেও সুন্দর করে পরিষ্কার করে গুছিয়ে নিবেন। ফেরেশতারা যে মেহমান হতে পারে আপনার ঘরে!

• যেহেতু রাতে ঘুম কম হবে, দুপুরে একটু কায়লুলা বা পাওয়ার ন্যাপ নিলে ভালো হবে। তবে আবার বেশি ঘুমাবেন না।

• ছোট খাটো কোন নতুন সুন্নাহ পালনের টার্গেট নিতে পারেন। বাড়ির অন্যদেরকেও এ ব্যাপারে উৎসাহিত করতে পারেন যেন আপনার সাওয়াব আরো বৃদ্ধি পায়।

• অসুস্থতার কারণে কিছুই করতে না পারলে শুয়ে শুয়ে আল্লাহর দেয়া নিয়ামত নিয়ে ভাবুন, ইস্তিগফার এবং যিকর করুন। তবু আশা হারাবেন না। আপনার সাথে আপনারই তুলনা হবে, আর কারো সাথে না।

রাসূল (সাঃ) কোমর বেঁধে (দৃঢ়ভাবে) ইবাদাত করতেন রামাদানের শেষের দশদিন। পরিবারের অন্যদেরকেও জাগিয়ে দিতেন। আমরাও তাঁর মত চেষ্টা করবো নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে ইবাদাত করার, আপনজনদের সঙ্গে নিয়ে। হতে পারে এটাই আমাদের জীবনের শেষ লাইলাতুল ক্বদর।

আল্লাহ আমাদের সকলকে লাইলাতুল ক্বদর মিলিয়ে দিন ও সে রাতের প্রচেষ্টা কবুল করে নিন। আমিন।

আজ ঐতিহাসিক বদর দিবস মহান আল্লাহ সবাইকে তাক্বওয়াবান হওয়ার তাওফিক দান করুন "আমিন"
07/03/2026

আজ ঐতিহাসিক বদর দিবস
মহান আল্লাহ সবাইকে তাক্বওয়াবান হওয়ার তাওফিক দান করুন "আমিন"

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ। সবাইকে পবিত্র মাহে রামাদান ও জুম্মার শুভেচ্ছা। নন্দতেঘরী বায়তুছ ছালাম শাহী জামে মসজিদ বগ...
06/03/2026

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ। সবাইকে পবিত্র মাহে রামাদান ও জুম্মার শুভেচ্ছা।

নন্দতেঘরী বায়তুছ ছালাম শাহী জামে মসজিদ বগুড়া জেলার, শেরপুর থানার, ভবানীপুর ইউনিয়নের নন্দতেঘরী গ্রামে ২০১৯ সালে নির্মিত একটি জামে মসজিদ।

যেটি ২০১৮ সালের সিদ্ধান্ত মোতাবেক গ্রামের সন্মানিত শ্রদ্ধাভাজন বিশিষ্ট সমাজ সেবক হাফিজুর রহমান দিং এর দান কৃত জমির উপর তৎকালীন সময়ে তার নেতৃত্বে নির্মান কাজ শুরু হয়।

পরবর্তীতে মসজিদের আয়তনবৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তায় অত্র গ্রামের বিশিষ্ট মুরুব্বি আলহাজ্ব দুদু আকন্দ মসজিদের সামনের জায়গা দান করে দেন।

মসজিদের জমি দাতা এই দুজন মানুষ আল্লাহর মেহমান হয়েছেন। আল্লাহ তায়া’লা তাদের এই দানের উছিলায় জান্নাতুল ফেরদৌসে নসিব করুন। আমিন

মসজিদ টির বর্তমানে বাহিরের চার দিকে টাইলস করা সম্পুর্ন হয়েছে, ভিতরের তিন দিকে টাইলসের কাজ সম্পুর্ন হয়েছে এবং মেঝের ঢালাই কাজ সম্পুর্ণ হয়েছে। মসজিদের বর্তমান View প্রোফাইল পিকচারে দেওয়া আছে।

আজকে মসজিদ টি নির্মাণের কিছু স্মৃতি শেয়ার করা হইলো।

সবাইকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ।

Address

Village :Nondoteghory, Post:Sonka, Utca P:Bhabanipur , PS:Sherpur
Bogura
5840

Telephone

+8801518309410

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নন্দতেঘরী বায়তুছ ছালাম শাহী জামে মসজিদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to নন্দতেঘরী বায়তুছ ছালাম শাহী জামে মসজিদ:

Shortcuts

Share

Category