এসো কল্যাণের পথে

এসো কল্যাণের পথে "بلغوا عنى ولو آية"
রাসুল সা: বলেছেন-
আমার পক্ষ থেকে একটি বাণী হলেও পৌঁছে দাও।
-বুখারী: ৩৪৬১

عَنْ أَنَسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم انْصُرْ أَخَاكَ ظَالِمًا أَوْ مَظْلُومًا فَقَالَ رَجُلٌ يَا رَس...
03/08/2024

عَنْ أَنَسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم انْصُرْ أَخَاكَ ظَالِمًا أَوْ مَظْلُومًا فَقَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللهِ أَنْصُرُهُ إِذَا كَانَ مَظْلُومًا أَفَرَأَيْتَ إِذَا كَانَ ظَالِمًا كَيْفَ أَنْصُرُهُ قَالَ تَحْجُزُهُ أَوْ تَمْنَعُهُ مِنْ الظُّلْمِ فَإِنَّ ذَلِكَ نَصْرُهُ~
অর্থ: আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমার ভাইকে সাহায্য কর। সে জালিম হোক অথবা মজলুম হোক। এক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! মজলুম হলে তাকে সাহায্য করব তা তো বুঝলাম। কিন্তু জালিম হলে তাকে কিভাবে সাহায্য করব? তিনি বললেনঃ তাকে অত্যাচার থেকে বিরত রাখবে। আর এটাই হল তার সাহায্য।
বুখারী : [২৪৪৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৮২)

ইংল্যান্ড থেকে ফিলোসফিতে উচ্চতর ডিগ্রি নেয়া একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক আসিফ মাহতাব, ব্যক্তিগত চিকিৎসকের ভাষ্যমতে মেরুদণ্ড...
01/08/2024

ইংল্যান্ড থেকে ফিলোসফিতে উচ্চতর ডিগ্রি নেয়া একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক আসিফ মাহতাব, ব্যক্তিগত চিকিৎসকের ভাষ্যমতে মেরুদণ্ডের সমস্যার কারণে তিনি বেশিক্ষণ একভাবে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন না। তাকে চলাফেরা করতে হয় লাঠিতে ভর দিয়ে।

এই রকম একজন অসুস্থ মানুষ সেতু ভবনে হামলা করতে যাবেন তা কোনোভাবেই বিশ্বাসযোগ্য না। তারপরও সেতু ভবনে আক্রমণের অভিযোগে তাকে ছয়দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। এই ঘটনার নিন্দা জানাই।

আমি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক আসিফ মাহতাব সহ গ্রেফতারকৃত সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও নিরপরাধ মানুষের মুক্তি চাই।

01/08/2024
সমস্যাটা শোভাযাত্রায় নয়, মঙ্গলে। আনন্দ শোভাযাত্রা কী করে মঙ্গল শোভাযাত্রা হয়ে গেল!যে মঙ্গল শোভাযাত্রা মাত্র ত্রিশ বছর আগ...
14/04/2024

সমস্যাটা শোভাযাত্রায় নয়, মঙ্গলে।
আনন্দ শোভাযাত্রা কী করে মঙ্গল শোভাযাত্রা হয়ে গেল!

যে মঙ্গল শোভাযাত্রা মাত্র ত্রিশ বছর আগেও আনন্দ শোভাযাত্রা ছিলো, সেটা কী করে আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ হয়ে গেল!

যাঁরা নিজেকে বিজ্ঞানমনস্ক প্রমাণ করতে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাস করে না, কিংবা সৃষ্টিকর্তা মানুষের মঙ্গল বা অমঙ্গল কিছুই করতে পারেনা— এমন ধারণা পোষণ করে; তাঁরা কী করে আবার বিশ্বাস করে নতুন বর্ষ বরণে মঙ্গল শোভাযাত্রায় সাপ, ব্যাঙ, হুতোম প্যাঁচা, রাক্ষস, হনুমানরা জাতির জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে?

মুক্তমনা আর উদার সম্প্রীতির নামে এক ধর্মের কৃষ্টি কালচার সব ধর্মের লোকের উপর চাপিয়ে দেয়া ভণ্ডামি ছাড়া আর কিছুই নয়। কিছু হইলে বলে এটা আমাদের বাঙালি সংস্কৃতি; কোনো ধর্মের সংস্কৃতি না। বাঙালি সংস্কৃতির উৎস কোত্থেকে এলো? এই ভূখন্ডে তো দীর্ঘ আটশ বছর ধরে মুসলমানরাও বাস করে আসছে, তাহলে মুসলমানদের কৃষ্টি কালচারের কোনটাই কেন যোগ হলো না বাঙালি সংস্কৃতিতে?

একজন বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে আমার জানা নেই, এই ধরনের পাগলামি আদোও কারো মঙ্গল বয়ে আনতে পারে কীনা। বরং স্পষ্টত হনুমান, হুতোম প্যাঁচা কাঁধে নিয়ে মঙ্গলের উদ্দেশ্য শোভাযাত্রা এসব ধর্মের সাথে সাংঘর্ষিক। মুসলিম ধর্মের মানুষেরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করে একমাত্র আল্লাহ ব্যতিত আর কারো পক্ষেই মঙ্গল-অমঙ্গল বয়ে আনার ক্ষমতা নাই। কেউ আল্লাহ ব্যতিত অন্যকোনো প্রাণীর উপর মঙ্গল-অমঙ্গলে ক্ষমতাধর— এই বিশ্বাস রাখলে তার ঈমান থাকবে না।

চৌদ্দশ বছর ধরে দৈনিক পাঁচবার মোয়াজ্জেম মসজিদ মাইকে হ্যাইয়া আলাল ফালাহ অর্থাৎ মঙ্গলের দিকে এসো বলে আহ্বান করছে। এরপরও কী আমাদের ঘটা করে বর্ষে বরণে একদিন হুতোম প্যাঁচা, হনুমান আর রাক্ষসদের কাছে মঙ্গল খোঁজার কোনো কারণ আছে?

(বেশি করে শেয়ার করে অথবা কপি করে সবাইকে জানিয়ে দিন)

✍️ ফিতরা নিয়ে ফিতনা কেন?ফোনটা ধরতেই উত্তেজিত কণ্ঠ শোনা গেল ‘আপনারা নবীর কথা মানেন না তাহলে আপনারা কিসের উম্মতে মুহাম্মদী...
08/04/2024

✍️ ফিতরা নিয়ে ফিতনা কেন?

ফোনটা ধরতেই উত্তেজিত কণ্ঠ শোনা গেল ‘আপনারা নবীর কথা মানেন না তাহলে আপনারা কিসের উম্মতে মুহাম্মদী?
- কিভাবে?
- নবীজী বললেন খাদ্যশস্য দিয়ে সদকাতুল ফিতির দাও, আর আপনারা বলেন টাকা দিয়ে দিতে।
- নবীজী কি দিয়ে সদকা দিতে বলেছেন?
- প্রতিটি এলাকার প্রধান খাদ্যশস্য দিয়ে।
- কোন হাদীসে আছে যে, প্রধান খাদ্যশস্য দিয়ে সদকা দিতে হবে?
- গম, যব, কিশমিস, পনির ও খেজুর দিয়ে সদকা দিতে হাদীসে বলা হয়েছে।
- তো?
- সে সময় আরবের প্রধান খাদ্য যা তা সদকা দিতে বলা হয়েছে। সুতরাং আমরাও আমাদের দেশের অনুপাতে প্রধান খাদ্যশস্য সদকা দিবো।
- আপনি যা মনে চায় তা দিয়ে সদকা দেন। এতে কার কী? কিন্তু নবীর নামে মিথ্যা বলেন কেন?
- কিভাবে?
- পনির, কিসমিস আরবের প্রধান খাদ্যদ্রব্য ছিল? এমন আজগুবী কথা আপনি কোথায় পেলেন?
- জি মানে…..।
- শায়েখদের শিখানো বুলি তোতাপাখির মতো আউড়ানো ছাড়া আর কিছুতো শিখেননি। আপনি কি পনির, কিসমিস দিয়ে সদকা দেবার কথা বলেন?
- না, আমাদের কথা হলো, বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যদ্রব্য চাউল দিয়ে সদকা দিতে হবে।
- নবীজী কোন হাদীসে চাউলের কথা বলেছেন?
- না বলেননি, তবে তিনিতো খাদ্য এর কথা বলেছেন। চাউল যেহেতু একটি খাদ্যদ্রব্য। তাই এটা দিয়েই দিতে হবে।
- নবীজী খাদ্যদ্রব্য বলেছেন কথা ঠিক। কিন্তু তিনিতো সেই খাদ্রদ্রব্যগুলোর নামও বলে দিয়েছেন। সেগুলো হলো, গম, যব, পনির, খেজুর, কিসমিস। এভাবে নির্ধারিত খাদ্য বলার পরও অন্য খাদ্য বাড়ানোর ক্ষমতা আপনাদের কে দিয়েছে?
দ্বিতীয় কথা হলো, চাউল আপনি কি হিসাব করে দিবেন? কিসমিস হিসেবে, না পনির হিসেবে? নাকি খেজুর হিসেবে? নাকি যব ও গম হিসেবে?
- গম ও যব হিসেবে।
- কেন? পনির ও কিসমিস কি দোষ করলো? আপনাদের এভাবে গম ও যবের উপর কিয়াস করে চাউল নির্ধারণ করা হাদীস সম্মত হলে নবীজীর বলা পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করা কেন হাদীস সম্মত নয়?
- বুঝি নাই।
- বুঝার কথাও না। শায়েখদের কাছে মস্তিস্ক বর্গা দিলে মাথার ঘিলু কম থাকারই কথা। আপনাদের শায়েখরা বেশ কিছু হাস্যকর কাজ করে সাদকাতুল ফিতির টাকা দিয়ে নিষেধ প্রমাণ করতে। যেমন-
১ প্রধান খাদ্য দিয়ে সদকা দিতে হবে। এটা সুস্পষ্ট নবীজীর নামে মিথ্যাচার। এমন কথা হাদীসে আসেনি। এটি শায়েখদের মনগড়া একটি কথা।
২ চাউল দিয়ে দেয়ার কথা হাদীসে আসেনি। চাউলকে গম ও যবের উপর কিয়াস করে নির্ধারণ করা হাদীস সম্মত দাবী করে, গম ও যবের মূল্য প্রদানকে নাজায়েজ বলা মূর্খতা এবং দ্বিচারিতাও বটে।
শায়েখদের কিয়াস সহীহ হাদীসের উপর আমল আর ফুক্বাহায়ে কেরামের কিয়াস হাদীস বিরোধী এটা মাদায়েনী দ্বিচারিতা ছাড়া আর কী?
- আমরা কি নবীর হাদীস মানবো না? নবীর হাদীস থাকতে কিয়াস করা দরকার কী?
- কথা ঠিক। শায়েখদের বলেন। নবীর হাদীসে পরিস্কার খাদ্যপণ্যের নাম, গম, যব, পনির, খেজুর এবং কিসমিসের কথা উল্লেখ থাকার পরও বিদআতি তরীকায় কিয়াস করে চাউল দিয়ে সদকা আদায়ের কথা কেন বলে? নবীর হাদীসের প্রকৃত মর্ম সাহাবায়ে কেরাম বুঝতেন।
- সাহাবী থেকে টাকা দিয়ে আদায়ের কথা আছে?
- অবশ্যই আছে। যেমন
حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ زُهَيْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا إِسْحَاقَ، يَقُولُ: «أَدْرَكْتُهُمْ وَهُمْ يُعْطُونَ فِي صَدَقَةِ رَمَضَانَ الدَّرَاهِمَ بِقِيمَةِ الطَّعَامِ
তাবেয়ী ইমাম আবু ইসহাক রহঃ বলেন, আমি সাহাবায়ে কেরাম রাঃ কে পেয়েছি যে, তারা রমজানের সদকায়ে ফিতির খাদ্যের মূল্য দ্বারা পরিশোধ করতেন। [মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা-৬/৫০৮, বর্ণনা নং-১০৪৭২, ১০৩৭১]
এছাড়া ইমাম বুখারী রহঃ টাকা দিয়ে সদকাতুল ফিতির আদায়ের পক্ষে মত দিয়েছেন।
قَالَ بن رَشِيدٍ وَافَقَ الْبُخَارِيُّ فِي هَذِهِ الْمَسْأَلَةِ الْحَنَفِيَّةَ
ইবনে রশীদ বলেন, ইমাম বুখারী রহঃ এ মাসআলায় [টাকা দিয়ে সদকায়ে ফিতির আদায় করা] হানাফীদের সাথে সহমত পোষণ করেছেন। [ফাতহুল বারী-৩/৪৯৭]

সুতরাং এ মাসআলা নিয়ে বাড়াবাড়ি করা লা মাযহাবীদের হাদীস সম্পর্কে অজ্ঞতারই পরিচায়ক।
- অনেক কিছু পরিস্কার হলো। জাযাকাল্লাহু খাইরান।

তোমাদের দুঃখগুলো আর আমাদের দুঃখগুলো এক নয়। তোমরা দুঃখ বলতে বুঝো দ্বীনে ফিরে হারাম রিলেশনশীপ ছেড়ে দিয়ে প্রাক্তনের বিরহ বে...
30/03/2024

তোমাদের দুঃখগুলো আর আমাদের দুঃখগুলো এক নয়। তোমরা দুঃখ বলতে বুঝো দ্বীনে ফিরে হারাম রিলেশনশীপ ছেড়ে দিয়ে প্রাক্তনের বিরহ বেদনা। কিংবা দ্বীনি লেবাস ও আমলের কারণে লোকেদের মুখে কটু কথা শুনে পরাজিত মানসিকতার হৃদয় বেদনা। তোমাদের সর্বোচ্চ কষ্ট হতে পারে কাছের লোকের স্বাভাবিক মৃত্যু কিংবা সম্পদের অভাব-ঋণের বোঝা।

আর আমাদের দুঃখগুলো গুয়েন্তানামোয়, কাশগড়ে, কাশ্মীরে, আল আ*কসায়, সিরিয়ায়। আমাদের দুঃখগুলো রক্ত ঝড়ানোয়, কারাবরণে। বোনেদের ধ/র্ষিত হওয়ার সংবাদে, শিশুদের ক্ষুধায় আর দালানের নিচে চাপা পড়ে মৃ/ত্যুতে। আমাদের দুঃখগুলো জমে গেছে বারুদের ঘ্রাণে।

তোমরাও সবরের সবক দাও। আমরাও সবরের সবক দিই। কিন্তু তোমাদের সবরের সবক হচ্ছে লোকেদের কটু কথা মুখ বুঝে সহ্য করায়, আল্লাহর কথা স্মরণ করে প্রেমিক বা প্রেমিকাকে ভুলে থাকায় কিংবা অভাব দূর হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা আর চেষ্টা করায়।

আর আমাদের সবরের সবক হচ্ছে নির্যাতিত ও নিপিড়ীত হয়েও হক্বের উপর দৃঢ় থাকতে বলায়, দ্বীনের সাথে কোনো কিছুর আপোস না করতে বলায়, প্রতিশোধ আর আল্লাহর ফরজিয়াত আদায় করতে অবিচল থাকায়।

Zohirul Islam

এতো আলেম ওলামাদেরকে তাহলে কেন গ্রেফতার করা হয়েছে?! বন্দি রয়েছেন?এই ভাষন যদি তিনি স্কুল/কলেজ/ ভার্সিটিতে দিতেন তাহলে আশ...
29/03/2024

এতো আলেম ওলামাদেরকে তাহলে কেন গ্রেফতার করা হয়েছে?! বন্দি রয়েছেন?

এই ভাষন যদি তিনি স্কুল/কলেজ/ ভার্সিটিতে দিতেন তাহলে আশা করি এই একই কথা বলতেন।
বা সেখানে আদৌ এই জঙ্গি শব্দ উচ্চারণ করতেন না।করলেও বলতেন, জঙ্গি নিয়ন্ত্রণ তোমাদেরই করতে হবে।
মোনাফিকদের সম্পর্কে আল্লাহ তা'আলা পবিত্র কুরআন মাজিদে বলেন-

﴿وَإِذَا لَقُوا الَّذِينَ آمَنُوا قَالُوا آمَنَّا وَإِذَا خَلَوْا إِلَىٰ شَيَاطِينِهِمْ قَالُوا إِنَّا مَعَكُمْ إِنَّمَا نَحْنُ مُسْتَهْزِئُونَ﴾
[ البقرة: 14]

আর তারা যখন ঈমানদারদের সাথে মিশে, তখন বলে, আমরা ঈমান এনেছি। আবার যখন তাদের শয়তানদের সাথে একান্তে সাক্ষাৎ করে, তখন বলে, আমরা তোমাদের সাথে রয়েছি। আমরা তো (মুসলমানদের সাথে) উপহাস করি মাত্রা। [সূরা বাকারাহ্: 14]

হঠাৎ করে ছবিটা দেখলে মাথায় আসবে, ধ্বংসস্তুপের মাঝে একটা হাত দেখা যাচ্ছে। হাতের মাঝ থেকে গাছ বের হয়ে আসছে। কিন্তু একটু ঠা...
15/03/2024

হঠাৎ করে ছবিটা দেখলে মাথায় আসবে, ধ্বংসস্তুপের মাঝে একটা হাত দেখা যাচ্ছে। হাতের মাঝ থেকে গাছ বের হয়ে আসছে। কিন্তু একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবলে এই ছবির পিছনের গল্পটা মাথায় আসবে।
এই হাতটায় একটা খেজুর ধরা ছিলো।
হয়তো খাওয়ার জন্য তুলে ছিলেন।
কিন্তু খাওয়া হয়নি।
খেজুরের বীজ থেকে জার্মিনেট হয়ে এমন চারার পর্যায়ে আসতে ৩মাসের মত লাগে।
তিন মাসে এই বীজ থেকে চারা রূপান্তরিত হয়ে গেলো।
এতে অবাক করার কি আছে? অবাক করার বিষয় হচ্ছে হাতটা।
আংগুলগুলো স্পষ্ট, চামড়ার রং ঠিক জীবন্ত মানুষের মত। এতদিনে হাত, হাতের আংগুল পচে গলে যাওয়ার কথা। কাদের শরীর মৃত্যুর পরেও সুন্দর সতেজ রয়ে যায়, বলুন তো?
#ফ্যাক্ট: গা জা

11/03/2024

রমজানের চাঁদ 🌙 উঠেছে
আলহামদুলিল্লাহ! চাঁদ স্বচক্ষে দেখলাম....

যখন আলী হাসান উসামা হাফিঃ চরমোনাইর কিছু বিষয়ে নিয়ে কথা বলেছিলেন, তখন অনেক ভাইদের নিকট আলী হাসান উসামা উচ্চতর আলেম ছিলেন।...
05/03/2024

যখন আলী হাসান উসামা হাফিঃ চরমোনাইর কিছু বিষয়ে নিয়ে কথা বলেছিলেন, তখন অনেক ভাইদের নিকট আলী হাসান উসামা উচ্চতর আলেম ছিলেন। এবং চর মোনাই ওয়ালাদের নিকট খুব বেয়াদব, মানহাজী ও মুর্খ ছিলেন।

যখন আলী হাসান উসামা হাফিঃ এক কালিমায় রুটি রুজি, ইস্যুতে কথা বলেছিলেন, তখনও উনি অনেক উচ্চতর যোগ্য আলেম ছিলেন।

কিন্তু যখনই তিনি সাহাবী বিদ্বেষী ইস্যুতে জ্বা।লা।ম।য়ী ভূমিকা রাখলেন ইলমি যোগ্যতা দিয়ে, ঠিক তখনই আলী হাসান উসামা হাফিঃ সেই ভাইদের নিকট হয়ে গেছেন নিকৃষ্টতম আলেম, অযোগ্য আলেম তবে ভিতরে ভিতরে চরমোনাই ওয়ালারা আবার খুশি।

আসলে আমরা কিছু লোক আছি নিজেদের
সার্থের বেলায় কুরু কুরু আর অন্যান্যদের বেলায় মাকরুহ!!
আসল কথায় আসি, আসলেই আলী হাসান ওসামা হাফিঃ সুস্পষ্ট ভাবে একজন সত্যবাদী ও হক্বানী আলেম এবং বাতিলের আতঙ্ক, হক্বানী হতে হলে হক্ব কথা বলার সাহস থাকতে হবে নচেৎ হক্বানী হওয়া যাবে না! চাই কারো কাছে ভালো লাগুক বা নাই লাগুক সত্য কথা বলতে হবে আর সত্য কথা বললে কেউ কখনো কারো কাছে ভালো হবে না এটা চির সত্য ও তিক্ত।

এসো কল্যাণের পথে

Address

Benapole

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এসো কল্যাণের পথে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to এসো কল্যাণের পথে:

Share