দেওয়ানের চর মধ্যপাড়া বায়তুন নুর জামে মসজিদ।

  • Home
  • Bangladesh
  • Belabo
  • দেওয়ানের চর মধ্যপাড়া বায়তুন নুর জামে মসজিদ।

দেওয়ানের চর মধ্যপাড়া বায়তুন নুর  জামে মসজিদ। আল্লাহ সবচেয়ে বড়..

নামাজের জন্য এসো,
কল্যানের জন্য এসো। share and explore this page.

28/05/2026
26/02/2026

রমাদান মাসের শেষ দশকের ইতিকাফের প্রস্তুতি গ্রহন করুন।
শেষ দশক হোক আল্লাহর শুকরিয়া ও গুনাহ মাফের জন্য ইতিকাফ।

10/01/2026

জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব অনেক। আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘তোমরা নামাজ আদায় করো নামাজিদের সঙ্গে।’ অর্থাৎ তোমরা জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় করো। রাসুল (সা.) বলেন, ‘জামাতের সঙ্গে নামাজে ২৭ গুণ বেশি পুণ্য নিহিত রয়েছে’ (সহিহ বোখারি)। রাসুল (সা.) বলেন, ‘একা নামাজ পড়া অপেক্ষা দুজনে জামাতে নামাজ পড়া উত্তম। দুজন অপেক্ষা বহু জন মিলে জামাতে নামাজ পড়া আল্লাহর কাছে আরও বেশি পছন্দনীয় ও উত্তম’ (আবু দাউদ)। তিনি আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি এশার নামাজ জামাতের সঙ্গে পড়বে, সে অর্ধরাত ইবাদত-বন্দেগির সওয়াব পাবে। যে ব্যক্তি এশা ও ফজরের নামাজ জামাতের সঙ্গে পড়বে, সে পূর্ণ রাত ইবাদত-বন্দেগির সওয়াব পাবে।’ (তিরমিজি)

রাসুল (সা.) পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাত ছাড়া আদায় করতেন না। এমনকি অসুস্থ অবস্থায় যখন তিনি হাঁটতে পারতেন না, তখনো দুই সাহাবির কাঁধে ভর করে পা টেনে টেনে নামাজের জামাতে হাজির হয়েছেন। তবুও জামাতবিহীন একা একা নামাজ পড়েননি। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আমার তো মনে চায় মুয়াজ্জিনকে আজান দিতে বলে কাউকে নামাজ পড়াতে বলি। আর আমি আগুনের অঙ্গার নিয়ে বের হই এবং যে আজান শোনার পরও মসজিদের জামাতে হাজির হওয়ার জন্য বের হয়নি, তার ঘর জ্বালিয়ে দিই।’ (সহিহ বোখারি)

রাসুল (সা.) বলেন, ‘কোথাও যদি তিনজন মানুষ থাকে আর তারা যদি জামাতে নামাজ না পড়ে, তাহলে শয়তান তাদের ওপর বিজয়ী হয়ে যাবে। কাজেই তুমি জামাতে নামাজ পড়াকে কর্তব্য মনে করো’ (নাসায়ি)। তিনি আরও বলেন, ‘সেই ব্যক্তির ওপর আল্লাহর অভিশাপ, যে আজান শুনেও জামাতে উপস্থিত হয় না’ (মাজমাউজ জাওয়াইদ)। চিন্তার বিষয় হলো, রাসুল (সা.) যেখানে জামাতে অনুপস্থিত মুসল্লির ঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার ইচ্ছা করেছেন, সেখানে যে নামাজই পড়ে না, তার শাস্তি যে কত ভয়াবহ তা সহজেই অনুমেয়।

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, ‘আমরা কোনো সাহাবিকে জামাত থেকে অনুপস্থিত থাকতে দেখিনি। জামাত থেকে সেই ব্যক্তিই অনুপস্থিত থাকতে পারে, যে প্রকাশ্য মুনাফিক। এমনকি অসুস্থ ব্যক্তিও দুজনের সাহায্যে জামাতে এসে হাজির হতো। রাসুল (সা.) হেদায়াত ও নাজাতের যে রাস্তা আমাদের দেখিয়েছেন, তাতে আজান শুনে মসজিদের জামাতে হাজির হওয়াও অন্তর্ভুক্ত। যে ব্যক্তি কেয়ামতের দিন আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চায়, সে যেন জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় করে। কারণ আল্লাহতায়ালা স্বীয় নবীকে হেদায়াতের যে তরিকার তালিম দিয়েছেন, তাতে বিশিষ্টভাবে এটাও আছে, যে ব্যক্তি মুনাফিকের মতো মসজিদে না গিয়ে ঘরে একা নামাজ পড়ে, সে তার নবীর তরিকাকে ছেড়ে দিল। আর যে নবীর তরিকাকে ছেড়ে দিল, সে পথভ্রষ্ট। (সহিহ মুসলিম)

হজরত আবু দারদা (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর শপথ, উম্মতে মুহাম্মদির জন্য জামাতের সঙ্গে নামাজ পড়া থেকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ কিছু আছে বলে আমি জানি না’ (সহিহ বোখারি)। জামাতে নামাজ পড়ার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এটা হানাফি মাজহাব অনুসারে সুন্নতে মুয়াক্কাদা হলেও আমলগতভাবে ওয়াজিব। এটা ইসলামের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য। জামাতে নামাজ আদায় করতে গেলে পরস্পরে দেখা-সাক্ষাৎ হয়, ভালোবাসা সৃষ্টি হয়, ঐক্যবদ্ধতা প্রকাশ পায় এবং পারস্পরিক খোঁজখবর নেওয়া সহজ হয়। সাহাবায়ে কেরাম যখন আজান শুনতেন তখন দোকানপাট বন্ধ করে মসজিদে হাজির হতেন।

আমাদের ওপর কর্তব্য হলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা।

02/01/2026

হে দুনিয়ায় মানুষ দুনিয়ার চাকরি, টাকা পয়সা, সন্তান, স্ত্রী, স্বামী, দুনিয়াবী কাজের মোহে পড়ে আল্লাহকে ভুলে যেওনা।

⚠️ একটি শোক সংবাদ ⚠️আমাদের মসজিদের আওতাধীন দেওয়ানের চর  গাঙ্কুলপাড়ার মৃত মো: বাছির মিয়ার ছোট ছেলে  মো: রহমতউল্লাহ আজ বিক...
13/12/2025

⚠️ একটি শোক সংবাদ ⚠️
আমাদের মসজিদের আওতাধীন দেওয়ানের চর গাঙ্কুলপাড়ার মৃত মো: বাছির মিয়ার ছোট ছেলে মো: রহমতউল্লাহ আজ বিকেল: ৪ টা ৩০ (+-) ক্যান্সার জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

ইন্নানিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

নোট: [ ছেলে হিসেবে ভাল ছিলেন ও হাসিখুশি ছিলেন]

📌📬ম্যসেজ:
প্রত্যেকটি প্রানী ই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করবে।
কার মৃত্যু কখন হবে সেটা আল্লাহ ছাড়া কেউ বলতে পারে না।
আপনার বয়স হওয়া বা না হওয়া আসে যায় না।

বয়স হওয়ার আগেই মৃত্যু আসতে পারে। তাই পরকালের জন্য কি নিয়ে যাবেন সেটার বাজার সদায় শুরু করুন।

যা করতে হবে:
১) পবিত্রতা
২) মসজিদের জামাআতে নামাজের মাধ্যমে আল্লাহকে স্মরণ।
৩) রোযা
৪) দান সদাকাহ ও তাসবিহ পাঠ
৫) উত্তম আচরণ ও হাসিমুখ।

আজকে রহমতউল্লাহ চলে গেছেন কালকে কে যাবে তার কোনো চিঠি বা উত্তর জানা নেই। তাই আজ এখন থেকেই পরকালের পুঁজি ( বাজার)
করা শুরু করুন।

দুই মুসলমান জগড়ার পরিনতি
28/11/2025

দুই মুসলমান জগড়ার পরিনতি

21/11/2025

ভেবে দেখেছেন কি? আজ ভূমিকম্পের তীব্রতা আরো ভয়াবহ হলে খুব কম সংখ্যক মানুষের শেষ আমল হতো ফজরের নামাজ। সেই লিস্টে আপনি থাকতেন তো? উত্তর 'না' হলে, শুধরে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে এখনো। এই কম্পনে টের না পেলেও, চূড়ান্ত কম্পন কিন্তু ঠিকই টের পাইয়ে দিবে। তাই আসুন, সময় থাকতে নিজেদের শুধরে নিই।

''তোমরা কি নিশ্চিত হয়ে গেছো যে, যিনি আসমানে রয়েছেন তিনি তোমাদেরকেসহ এ জমিনকে ধ্বসিয়ে দেবেন না, অতঃপর আকস্মিকভাবে তা থর থর করে কাঁপতে থাকবে?'' [সূরা আল-মুলক : ১৬]

20/11/2025

সূরা ২৫. আল-ফুরকান
আয়াত নং ৬৩

وَ عِبَادُ الرَّحۡمٰنِ الَّذِیۡنَ یَمۡشُوۡنَ عَلَی الۡاَرۡضِ هَوۡنًا وَّ اِذَا خَاطَبَهُمُ الۡجٰهِلُوۡنَ قَالُوۡا سَلٰمًا ﴿۶۳﴾

অনুবাদঃ
আর রহমানের বান্দা তারাই যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং অজ্ঞ লোকেরা যখন তাদেরকে সম্বোধন করে তখন তারা বলে ‘সালাম’। -(আল-বায়ান)

আর রহমানের বান্দা তারাই যারা যমীনে নম্রভাবে চলাফেরা করে আর অজ্ঞ লোকেরা তাদেরকে সম্বোধন করলে তারা বলে- ‘শান্তি’, (আমরা বিতর্কে লিপ্ত হতে চায় না)। -(তাইসিরুল)

‘রাহমান’ এর বান্দা তারাই যারা নম্রভাবে চলাফিরা করে পৃথিবীতে এবং তাদেরকে যখন অজ্ঞ লোকেরা সম্বোধন করে তখন তারা বলেঃ সালাম। -(মুজিবুর রহমান)

তাফসীরে আহসানুল-বায়ান

(৬৩) তারাই পরম দয়াময়ের দাস, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদেরকে যখন অজ্ঞ ব্যক্তিরা সম্বোধন করে, তখন তারা বলে, ‘সালাম’। [1]

[1] ‘সালাম’ বলার অর্থ মুখ ফিরিয়ে নেওয়া ও তর্ক-বিতর্ক ছেড়ে দেওয়া। অর্থাৎ, ঈমানদাররা জাহেল ও মুর্খ লোকদের সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়ে না। বরং তারা এমতাবস্থায় এড়িয়ে চলার পদ্ধতি অবলম্বন করে এবং ফালতু বিতন্ডা বর্জন করে।

তাফসীরে জাকারিয়া

৬৩. আর রাহমান-এর বান্দা তারাই, যারা যমীনে অত্যন্ত বিনম্রভাবে চলাফেরা করে(১) এবং যখন জাহেল ব্যক্তিরা তাদেরকে (অশালীন ভাষায়) সম্বোধন করে, তখন তারা বলে, সালাম(২);

(১) অর্থাৎ তারা পৃথিবীতে নম্রতা সহকারে চলাফেরা করে। هون শব্দের অর্থ এখানে স্থিরতা, গাম্ভীর্য, বিনয় অর্থাৎ গর্বভরে না চলা, অহংকারীর ন্যায় পা না ফেলা। অহংকারের সাথে বুক ফুলিয়ে চলে না। গর্বিত স্বৈরাচারী ও বিপর্যয়কারীর মতো নিজের চলার মাধ্যমে নিজের শক্তি প্ৰকাশ করার চেষ্টা না করা। বরং তাদের চালচলন। হয় একজন ভদ্র, মার্জিত ও সৎস্বভাব সম্পন্ন ব্যক্তির মতো। খুব ধীরে চলা উদ্দেশ্য নয়। কেননা, বিনা প্রয়োজনে ধীরে চলা সুন্নাত বিরোধী। হাদীস থেকে জানা যায় যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুব ধীরে চলতেন না; বরং কিছুটা দ্রুত গতিতে চলতেন। হাদীসের ভাষা এরূপ, كَأنَّهَا الأرْضُ تُطْوَى لَهُ অর্থাৎ “চলার সময় পথ যেন তার জন্য সংকুচিত হত।” [ইবনে হিব্বানঃ ৬৩০৯] এ কারণেই পূর্ববর্তী মনীষীগণ ইচ্ছাকৃতভাবেই রোগীদের ন্যায় ধীরে চলাকে অহংকার ও কৃত্রিমতার আলামত হওয়ার কারণে মাকরূহ সাব্যস্ত করেছেন। উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু জনৈক যুবককে খুব ধীরে চলতে দেখে জিজ্ঞেস করেনঃ তুমি কি অসুস্থ? সে বললঃ না। তিনি তার প্রতি চাবুক উঠালেন এবং শক্তি সহকারে চলার আদেশ দিলেন। [দেখুন-ইবন কাসীর, কুরতুবী, বাদাইউত তাফসির]

হাসান বসরী রাহিমাহুল্লাহ (يَمْشُونَ عَلَى الْأَرْضِ هَوْنًا) আয়াতের তাফসীরে বলেনঃ খাঁটি মুমিনদের সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, চক্ষু, কৰ্ণ, হাত, পা, আল্লাহর সামনে হীন ও অক্ষম হয়ে থাকে। অজ্ঞ লোকেরা তাদেরকে দেখে অপারগ ও পঙ্গু মনে করে, অথচ তারা রুগ্নও নয় এবং পঙ্গুও নয়; বরং সুস্থ ও সবল। তবে তাদের উপর আল্লাহভীতি প্রবল, যা অন্যদের উপর নেই। তাদেরকে পার্থিব কাজকর্ম থেকে আখেরাতের চিন্তা নিবৃত্ত রাখে। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে না এবং তার সমস্ত চিন্তা দুনিয়ার কাজেই ব্যাপৃত, সে সর্বদা দুঃখই ভোগ করে। কারণ, সে তো দুনিয়া পুরোপুরি পায় না এবং আখেরাতের কাজেও অংশগ্রহণ করে না। যে ব্যক্তি পানাহারের বস্তুর মধ্যেই আল্লাহর নেয়ামত সীমিত মনে করে এবং উত্তম চরিত্রের প্ৰতি লক্ষ্য করে না, তার জ্ঞান খুবই অল্প এবং তার জন্য শাস্তি তৈরী রয়েছে। [ইবন কাসীর]

(২) অর্থাৎ যখন জাহেল ব্যক্তিরা তাদের সাথে কথা বলে, তখন তারা বলে- ‘সালাম’। এখানে جَاهِلُون শব্দের অর্থ বিদ্যাহীন ব্যক্তি নয়; বরং যারা মূর্খতার কাজ ও মূর্খতাপ্রসূত কথাবার্তা বলে, যদিও বাস্তবে বিদ্বানও বটে। মুর্থ মানে অশিক্ষিত বা লেখাপড়া না জানা লোক নয় বরং এমন লোক যারা জাহেলী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হবার উদ্যোগ নিয়েছে এবং কোন ভদ্রলোকের সাথে অশালীন ব্যবহার করতে শুরু করেছে। রহমানের বান্দাদের পদ্ধতি হচ্ছে, তারা গালির জবাবে গালি এবং দোষারোপের জবাবে দোষারোপ করে না। [দেখুন-ফাতহুল কাদীর, কুরতুবী, বাদাইউত তাফসির]। যেমন কুরআনের অন্য জায়গায় বলা হয়েছেঃ “আর যখন তারা কোন বেহুদা কথা শোনে, তা উপেক্ষা করে যায়। বলে, আমাদের কাজের ফল আমরা পাবো এবং তোমাদের কাজের ফল তোমরা পাবে। সালাম তোমাদের, আমরা জাহেলদের সাথে কথা বলি না।” [সূরা আল-কাসাসঃ ৫৫]

18/11/2025

সূরা নং- ২৩, আল-মুমিনুন, আয়াত নং - ৩ (২৩:৩) এর বঙ্গানুবাদ ও তাফসীর | Bengali translation and Tafsir of Surah 23, Al-Mu'minun, Aya: 3 (23:3)

Address

Belabo
3122

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দেওয়ানের চর মধ্যপাড়া বায়তুন নুর জামে মসজিদ। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share