Shubban-বরিশাল জেলা শাখা

Shubban-বরিশাল জেলা শাখা লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ কালিমা শাহাদাহ'কে যথাযথ উপলব্ধি করতঃ জীবনের সর্বস্তরে কুরআন ও সুন্নাহর বিধান প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আল্লাহ'র সন্তুষ্টি অর্জন।

02/09/2026
01/09/2026

🔴 ব্যাংকে চাকরিজীবীর বাড়িতে দাওয়াত খাওয়া যাবে কিনা?
🎙️ শাইখ মুস্তাফিজুর রহমান মাদানী

আত তাওহীদ মসজিদ | নতুন বাজার, বরিশাল
01/09/2026

আত তাওহীদ মসজিদ | নতুন বাজার, বরিশাল

01/09/2026

🔴 কবরের পাশের মসজিদে সালাত আদায় করা যাবে কিনা?
🎙️ শাইখ মোস্তাফিজুর রহমান।

দাম্পত্য ও পারিবারিক জীবনের জন্য ২০টি দোয়াজীবনের প্রয়োজনীয় মুহূর্তে আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়ার জন্যদাম্পত্য জীবনে ভালোবাসা...
01/09/2026

দাম্পত্য ও পারিবারিক জীবনের জন্য ২০টি দোয়া

জীবনের প্রয়োজনীয় মুহূর্তে আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়ার জন্য

দাম্পত্য জীবনে ভালোবাসা, প্রশান্তি, ধৈর্য, ক্ষমা, সুন্দর চরিত্র, নেক সন্তান ও পারিবারিক কল্যাণ—সবকিছুর জন্যই আমাদের সবচেয়ে বড় আশ্রয় আল্লাহ।

নিচের দোয়াগুলো শুধু মুখস্থ করার জন্য নয়; বরং জীবনের বিভিন্ন পরিস্থিতিতে আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়ার জন্য। কিছু দোয়া সরাসরি পরিবার ও দাম্পত্যের সঙ্গে সম্পর্কিত, আর কিছু এমন কুরআনিক ও মাসনূন দোয়া—যেগুলো পারিবারিক জীবনের নানা পরিস্থিতিতে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১. জীবনসঙ্গী ও সন্তান হোক চোখের প্রশান্তি

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

রব্বানা হাব লানা মিন আযওয়াজিনা ওয়া যুররিইয়্যাতিনা কুররাতা আ‘ইউনিন ওয়াজ‘আলনা লিলমুত্তাকীনা ইমামা।

হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের আমাদের চোখের প্রশান্তি দান করুন এবং আমাদের মুত্তাকিদের জন্য অনুসরণযোগ্য করুন।—সূরা আল-ফুরকান: ৭৪
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

২. সুন্দর চরিত্র ও উত্তম আচরণের জন্য

اللَّهُمَّ اهْدِنِي لِأَحْسَنِ الْأَخْلَاقِ، لَا يَهْدِي لِأَحْسَنِهَا إِلَّا أَنْتَ، وَاصْرِفْ عَنِّي سَيِّئَهَا، لَا يَصْرِفُ عَنِّي سَيِّئَهَا إِلَّا أَنْتَ

আল্লাহুম্মাহদিনী লি আহসানিল আখলাক, লা ইয়াহদী লি আহসানিহা ইল্লা আন্তা, ওয়াসরিফ ‘আন্নী সাইয়্যিআহা, লা ইয়াসরিফু ‘আন্নী সাইয়্যিআহা ইল্লা আন্তা।

হে আল্লাহ! আমাকে সর্বোত্তম চরিত্রের পথে পরিচালিত করুন। আপনি ছাড়া কেউ উত্তম চরিত্রের পথে পরিচালিত করতে পারে না। আর আমার থেকে মন্দ চরিত্র দূরে রাখুন। আপনি ছাড়া কেউ তা আমার থেকে দূরে রাখতে পারে না।
—সহিহ মুসলিম: ৭৭১

দাম্পত্যের বহু সমস্যা আসলে ভালোবাসার অভাব থেকে নয়; বরং সুন্দর আচরণ, ধৈর্য ও উত্তম চরিত্রের অভাব থেকে শুরু হয়।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৩. নতুন দম্পতির জন্য বরকতের দোয়া

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ وَبَارَكَ عَلَيْكَ وَجَمَعَ بَيْنَكُمَا فِي خَيْرٍ

বারাকাল্লাহু লাকা, ওয়া বারাকা ‘আলাইকা, ওয়া জামা‘আ বাইনাকুমা ফী খাইর।

আল্লাহ তোমাকে বরকত দিন, তোমার ওপর বরকত নাযিল করুন এবং তোমাদের দুজনকে কল্যাণের মধ্যে একত্রিত রাখুন।—আবু দাউদ: ২১৩০; তিরমিযি: ১০৯১
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৪. বিয়ের শুরুতে জীবনসঙ্গীর কল্যাণ কামনায়

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَهَا وَخَيْرَ مَا جَبَلْتَهَا عَلَيْهِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَمِنْ شَرِّ مَا جَبَلْتَهَا عَلَيْهِ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা খাইরাহা, ওয়া খাইরা মা জাবালতাহা ‘আলাইহি। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন শাররিহা, ওয়া মিন শাররি মা জাবালতাহা ‘আলাইহি।

হে আল্লাহ! আমি তার কল্যাণ এবং যে স্বভাবের ওপর আপনি তাকে সৃষ্টি করেছেন তার কল্যাণ চাই। আর তার অনিষ্ট ও তার স্বভাবের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই।
—সুনান আবু দাউদ: ২১৬০
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৫. স্বামী-স্ত্রীর ঘনিষ্ঠতার আগে

بِسْمِ اللَّهِ، اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ، وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا

বিসমিল্লাহ। আল্লাহুম্মা জান্নিবনাশ শাইত্বানা, ওয়া জান্নিবিশ শাইত্বানা মা রাযাকতানা।

আল্লাহর নামে। হে আল্লাহ! আমাদের থেকে শয়তানকে দূরে রাখুন এবং আপনি আমাদের যা দান করবেন, তা থেকেও শয়তানকে দূরে রাখুন।
—সহিহ আল-বুখারি: ৬৩৮৮
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৬. সৎ সন্তান কামনায়

رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ

রব্বি হাব লী মিনাস সালিহীন।

হে আমার রব! আমাকে সৎকর্মশীলদের মধ্য থেকে সন্তান দান করুন।—সূরা আস-সাফফাত: ১০০
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৭. সন্তান যেন সালাতের মানুষ হয়

رَبِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلَاةِ وَمِن ذُرِّيَّتِي رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَاءِ

রব্বিজ‘আলনী মুকীমাস সালাতি, ওয়া মিন যুররিইয়্যাতী। রব্বানা ওয়া তাকাব্বাল দু‘আ।

হে আমার রব! আমাকে সালাত প্রতিষ্ঠাকারী করুন এবং আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও। হে আমাদের রব! আমার দোয়া কবুল করুন।—সূরা ইবরাহিম: ৪০
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৮. হৃদয় যেন হিদায়াত থেকে সরে না যায়

رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً

রব্বানা লা তুযিগ কুলূবানা বা‘দা ইয হাদাইতানা, ওয়া হাব লানা মিল্লাদুনকা রাহমাহ।

হে আমাদের রব! হিদায়াত দেওয়ার পর আমাদের হৃদয়কে বক্র করে দেবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদের রহমত দান করুন।—সূরা আলে ইমরান: ৮
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৯. যখন কথা বলা বা পরিস্থিতি সামলানো কঠিন

رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي. وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي

রব্বিশরাহ লী সদরী, ওয়া ইয়াসসির লী আমরী।

হে আমার রব! আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন এবং আমার কাজ সহজ করে দিন।—সূরা ত্ব-হা: ২৫–২৬
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১০. যখন ধৈর্য ধারণ করা কঠিন

رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا

রব্বানা আফরিগ ‘আলাইনা সবরা।

হে আমাদের রব! আমাদের ওপর ধৈর্য ঢেলে দিন।
—সূরা আল-বাকারা: ২৫০-এর অংশ
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১১. ভুলের পর ক্ষমা চাইতে

رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ

রব্বানা যালামনা আনফুসানা, ওয়া ইল্লাম তাগফির লানা ওয়া তারহামনা লানাকূনান্না মিনাল খাসিরীন।

হে আমাদের রব! আমরা নিজেদের প্রতি জুলুম করেছি। আপনি যদি আমাদের ক্ষমা না করেন এবং দয়া না করেন, তবে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব।
—সূরা আল-আরাফ: ২৩
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১২. যখন দুঃসময় দীর্ঘ হয়ে যায়

أَنِّي مَسَّنِيَ الضُّرُّ وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ

আন্নী মাসসানিয়াদ দুররু, ওয়া আনতা আরহামুর রাহিমীন।

আমাকে কষ্ট স্পর্শ করেছে, আর আপনি তো সকল দয়ালুর চেয়ে অধিক দয়ালু।—সূরা আল-আম্বিয়া: ৮৩
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১৩. সন্তান কামনায়

رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ الْوَارِثِينَ

রব্বি লা তাযারনী ফারদান, ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারিসীন।

হে আমার রব! আমাকে সন্তানহীন রেখে দেবেন না; আপনিই সর্বোত্তম উত্তরাধিকারী।
—সূরা আল-আম্বিয়া: ৮৯
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১৪. সঠিক পথ ও সঠিক সিদ্ধান্তের জন্য

رَبَّنَا آتِنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا

রব্বানা আতিনা মিল্লাদুনকা রাহমাতাও ওয়া হাইয়ি’ লানা মিন আমরিনা রাশাদা।

হে আমাদের রব! আপনার পক্ষ থেকে আমাদের রহমত দান করুন এবং আমাদের বিষয়টিকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন।—সূরা আল-কাহফ: ১০
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১৫. দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের জন্য

رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাতাও, ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাও, ওয়া কিনা আযাবান্নার।

হে আমাদের রব! আমাদের দুনিয়ায় কল্যাণ দিন, আখিরাতেও কল্যাণ দিন এবং আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।—সূরা আল-বাকারা: ২০১
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১৬. নিজের চরিত্র সুন্দর করার জন্য

اللَّهُمَّ كَمَا حَسَّنْتَ خَلْقِي فَحَسِّنْ خُلُقِي

আল্লাহুম্মা কামা হাসসানতা খালকী, ফাহাসসিন খুলুকী।

হে আল্লাহ! আপনি যেমন আমার অবয়ব সুন্দর করেছেন, তেমনি আমার চরিত্রও সুন্দর করুন।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১৭. সব ধরনের অনিষ্ট ও বানজর থেকে সুরক্ষার জন্য

أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ

আ‘ঊযু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক।

আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ বাণীসমূহের মাধ্যমে তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই।—সহিহ মুসলিম: ২৭০৮

أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ، وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ

আ‘ঊযু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন কুল্লি শাইত্বানিন ওয়া হাম্মাতিন, ওয়া মিন কুল্লি ‘আইনিন লাম্মাহ।

আমি আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ বাণীসমূহের আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রত্যেক শয়তান, ক্ষতিকর প্রাণী এবং প্রত্যেক ক্ষতিকর বদনজর থেকে।—সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৩৭১

বিশেষভাবে উল্লেখ্য: রাসুলুল্লাহ ﷺ এই দোয়ার মাধ্যমে হাসান ও হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুমার জন্য আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১৮. যখন জানেন না—কোনটা সত্যিই কল্যাণকর

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ، مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ، مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিনাল খাইরি কুল্লিহি, ‘আজিলিহি ওয়া আজিলিহি, মা ‘আলিমতু মিনহু ওয়া মা লাম আ‘লাম। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনাশ শাররি কুল্লিহি, ‘আজিলিহি ওয়া আজিলিহি, মা ‘আলিমতু মিনহু ওয়া মা লাম আ‘লাম।

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে সব ধরনের কল্যাণ চাই—যা নিকটবর্তী ও পরবর্তী, যা আমি জানি এবং যা জানি না। আর সব ধরনের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই।
—সুনান ইবন মাজাহ: ৩৮৪৬
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১৯. ভুল ও অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির জন্য

رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا

রব্বানা লা তুআখিযনা ইন নাসীনা আও আখতা’না।

হে আমাদের রব! আমরা ভুলে গেলে বা ভুল করলে আমাদের পাকড়াও করবেন না।
—সূরা আল-বাকারা: ২৮৬
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

২০. নেক ও পবিত্র সন্তান কামনায়

رَبِّ هَبْ لِي مِن لَّدُنكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً إِنَّكَ سَمِيعُ الدُّعَاءِ

রব্বি হাব লী মিল্লাদুনকা যুররিইয়্যাতান ত্বাইয়িবাহ। ইন্নাকা সামীউদ দু‘আ।

হে আমার রব! আপনার পক্ষ থেকে আমাকে উত্তম ও পবিত্র সন্তান দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি দোয়া শ্রবণকারী।
—সূরা আলে ইমরান: ৩৮
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

এই ২০টি দোয়া একদিনে মুখস্থ করার প্রয়োজন নেই। আজ আপনার জীবনের যে অবস্থার সঙ্গে যে দোয়াটি সবচেয়ে বেশি মিলে যায়—সেটি দিয়েই শুরু করুন।

রাগের দিনে জীবনসঙ্গীর জন্য গোপনে দোয়া করুন। অভিমানের দিনে আল্লাহর কাছে নিজের হৃদয় ও চরিত্র সংশোধনের আবেদন করুন। সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তার পাশাপাশি তাদের ঈমান, সালাত ও নেক চরিত্রের জন্য দোয়া করুন।

আল্লাহ আমাদের ঘরগুলোকে সাকীনাহ, ভালোবাসা ও রহমাহ দিয়ে পূর্ণ করুন। আমাদের চরিত্র সুন্দর করুন, আমাদের ভুলগুলো ক্ষমা করুন এবং আমাদের পরিবারকে তাঁর সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত করুন। আমিন।
উৎস: ফেসবুক পেজ:
Hadith - حَــدِيــثٌ
ম্যানহাজ সালফে আস সালিহীন

উল্লেখিত আয়াত কি কোন মুমিন/মুসলিমের পক্ষ থেকে অমুসলিমের জন্য স্বর্গ (বেহেশত) কামনা করার বৈধতা দেয়?اِنَّ الَّذِيْنَ اٰم...
31/08/2026

উল্লেখিত আয়াত কি কোন মুমিন/মুসলিমের পক্ষ থেকে অমুসলিমের জন্য স্বর্গ (বেহেশত) কামনা করার বৈধতা দেয়?

اِنَّ الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا وَالَّذِيْنَ هَادُوْا وَالنَّصٰرٰي وَالصّٰبِئِيْنَ مَنْ اٰمَنَ بِاللّٰهِ وَالْيَوْمِ الْاٰخِرِ وَعَمِلَ صَالِحًا فَلَهُمْ اَجْرُهُمْ عِنْدَ رَبِّهِمْ ۪ۚ وَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُوْنَ

নিশ্চয় যারা বিশ্বাস করে (মুমিন), যারা ইয়াহুদী (১) এবং খ্রিষ্টান (২) হয়েছে অথবা সাবেয়ী (২) হয়েছে, এদের মধ্যে যে কেউ আল্লাহ এবং শেষ দিবসে বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে, তাদের জন্য তাদের প্রতিপালকের নিকট পুরস্কার আছে। তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা দুঃখিত হবে না। (৪)
(সূরা বাকারা ২:৬২)

অত্র আয়াতের উপরের আয়াতে অবাধ্যদের শাস্তির বর্ণনা ছিল। এখানে তাদের মধ্যে যারা ভাল লোক ছিল তাদের প্রতিদানের বর্ণনা দেয়া হচ্ছে। নবীর অনুসারীদের জন্যে এ সু-সংবাদ কিয়ামত পর্যন্ত রয়েছে যে, তারা ভবিষ্যতের ভয় হতে নির্ভয় এবং অতীতের হাত ছাড়া জিনিসের জন্যে আফসোস করা হতে পবিত্র।

(১) তাদেরকে ইয়াহুদী নামকরণ তারা নিজেরাই করেছিল। কারও কারও মতে ইয়াকুব আলাইহিস সালামের পুত্র ‘ইয়াহুদা’ এর নামানুসারে তাদের এ নাম দেয়া হয়েছিল। অপর কারও কারও মতে, ‘হাওদ’ শব্দের অর্থ ঝুঁকে যাওয়া। তারা তাওরাত পাঠের সময় সামনে-পিছনে ঝুঁকে যেত বলে তাদের এ নাম হয়েছে। অথবা হাওদ এর অর্থ ফিরে আসা। তারা বলেছিল إِنَّا هُدْنَا إِلَيْكَ আমরা তোমার প্রতি প্রত্যাবর্তন করলাম। [সূরা আল-আরাফ: ১৫৬] সে অনুসারে তাদের নাম হয়েছে, ইয়াহুদ। পবিত্র কুরআনে যেখানেই তাদেরকে এ নামে উল্লেখ করা হয়েছে সেখানেই তাদের খারাপ গুণে উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং ইয়াহুদী নামটি কোন ভাল গুণবাচক নাম নয়।
(তাফসির ইবনে কাসির)

(২) কাতাদাহ বলেন, তাদেরকে নাসারা নামকরণ করা হয়েছে, কেননা তারা নাসেরাহ নামক এক গ্রামের অধিবাসী ছিল যেখানে ঈসা আলাইহিস সালাম তাদের কাছে এসেছিলেন। এ নামে তারা নিজেদেরকে নামকরণ করেছিল। তাদেরকে এ নাম দেয়ার জন্য আল্লাহ নির্দেশ দেন নি।
(আত-তাফসীরুস সহীহ)

(৩) সাবে’ঈন কারা এ নিয়ে মুফাসসিরগণ বিভিন্ন মত পোষণ করেছেন। মুজাহিদ রাহিমাহুল্লাহ বলেনঃ তারা ইয়াহুদী-নাসারা এবং অগ্নি-উপাসকদের মাঝামাঝি একটি জাতি। তাদের কোন সুনির্দিষ্ট দ্বীন নেই। হাসান বসরী রাহিমাহুল্লাহ বলেনঃ তারা ফেরেশতা-উপাসক জাতি। তারা কেবলার দিকে ফিরে সালাত আদায় করে। রাগেব ইস্পাহানী বলেনঃ তারা এমন এক সম্প্রদায় যারা নূহ আলাইহিস সালাম-এর দ্বীনের অনুসরণ করে চলত। বস্তুতঃ সাবেঈনরা এক বিরাট জাতি, যাদের অস্তিত্ব ইরাক থেকে শুরু করে পূর্ব দিকের দেশগুলোতে দেখা যায়। বর্তমানেও ইরাকে তাদের অস্তিত্ব বিদ্যমান। তাদের কিছু ইবাদাত, যেমনঃ অযু, সালাত, কেবলা, সাওম ইত্যাদি প্রায় মুসলিমদের মতই। কিন্তু, আকীদাগতভাবে তারা দু’ভাগে বিভক্ত।

(এক) যারা একমাত্র আল্লাহর ইবাদাত করে। কিন্তু তারা কোন রাসূলের অনুসরণ করে না।

(দুই) যারা তারকা-পূজার এবং পৃথিবীর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সরাসরি তারকার প্রভাব রয়েছে বলে বিশ্বাস করে।

(৪) হযরত সালমান ফারেসী (রাঃ) বলেনঃ “আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর খিদমতে হাজির হওয়ার পূর্বে যেসব ধর্মপ্রাণ লোকের সাথে সাক্ষাৎ করি, তাদের নামায, রোযা ইত্যাদির বর্ণনা দেই। তখন এই আয়াত অবতীর্ণ হয় (মুসনাদ-ই- ইবনে আবি হাতিম)।" আর একটি বর্ণনায় আছে যে, হযরত সালমান (রাঃ) তাদের আলোচনা করতে গিয়ে বলেনঃ “তারা নামায, রোযাদার ও ঈমানদার ছিল এবং আপনি যে প্রেরিত পুরুষ এর উপরও তাদের বিশ্বাস ছিল।” তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “তারা জাহান্নামী।” এতে হযরত সালমান (রাঃ) দুঃখিত হলে সেখানেই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। কিন্তু এটা স্পষ্ট কথা যে, ইয়াহূদীদের মধ্যে ঈমানদার ঐ ব্যক্তি যে তাওরাতের উপর ঈমান আনে এবং তা অনুযায়ী কাজ করে, কিন্তু যখন হযরত ঈসা (আঃ) আগমন। করেন তখন তারও অনুসরণ করে এবং তার নবুওয়াতকে সত্য বলে বিশ্বাস করে। কিন্তু তখনও যদি তাওরাতের উপর অটল থাকে এবং হযরত ঈসা (আঃ) কে অস্বীকার করতঃ তাঁর অনুসরণ না করে, তবে সে বে-দ্বীন হয়ে যাবে। অনুরূপভাবে, খ্রীষ্টানদের মধ্যে ঈমানদার ঐ ব্যক্তি যে ইঞ্জীলকে আল্লাহর কিতাব বলে বিশ্বাস করে, হযরত ঈসা (আঃ)-এর শরীয়ত অনুযায়ী আমল করে এবং তার যুগে শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কে পেলে তাঁর আনুগত্য স্বীকার করে ও তার নবুওয়াতকে সত্য বলে বিশ্বাস করে। কিন্তু তখনও যদি ইঞ্জীল ও হযরত ঈসা (আঃ)-এর আনুগত্যের উপর স্থির থাকে এবং হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর সুন্নাতের অনুসরণ না করে তবে সে ধ্বংস হয়ে যাবে। (মুসনাদ-ই-ইবনে আবি হাতিম)। সুদ্দীও (রঃ) এটাই বর্ণনা করেছেন। সাঈদ বিন যুবাইর (রঃ) এটাই বলেছেন। ভাবার্থ এই যে, প্রত্যেক নবীর অনুসারী, তাঁকে মান্যকারী হচ্ছে ঈমানদার ও সৎলোক। সুতরাং সে আল্লাহ তা'আলার নিকট মুক্তি পেয়ে যাবে। কিন্তু তার যুগেই যদি অন্য নবী এসে যান এবং নবীকে সে অস্বীকার করে তবে সে কাফির হয়ে যাবে। কুরআন মাজীদের অন্য জায়গায় রয়েছেঃ “যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম অনুসন্ধান করে, তা কবুল করা হবে না এবং আখেরাতে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। এই দু'টি আয়াতের মধ্যে আনুকূল্য এটাই। কোন ব্যক্তির কোন কাজও কোন পন্থা গ্রহণীয় নয় যে পর্যন্ত না শরীয়তে মুহাম্মদীর (সঃ) অনুরূপ হয়। কিন্তু এটা সে সময় যে সময় তিনি প্রেরিতরূপে দুনিয়ায় এসে গেছেন। তার পূর্বে যে নবীর যুগ ছিল এবং যেসব লোক সে যুগে ছিল তাদের জন্যে সে নবীর অনুসরণ ও তার শরীয়তের অনুসরণ করা শর্ত।
(তাফসির ইবনে কাসির)
আল্লাহই সবচেয়ে বেশী জানেন

জুমার খুতবা | পিরোজপুর | ২৮/০৮/২০৬ইনশাআল্লাহ
27/08/2026

জুমার খুতবা | পিরোজপুর | ২৮/০৮/২০৬
ইনশাআল্লাহ

জুমার খুতবাখতিব: প্রভাষক মোঃ রফিকুল ইসলাম।সহ-সভাপতি, জমঈয়ত শুব্বানে আহলে হাদীস বরিশাল জেলা শাখা।স্থান: বায়তুন নূর সালা...
27/08/2026

জুমার খুতবা

খতিব: প্রভাষক মোঃ রফিকুল ইসলাম।
সহ-সভাপতি, জমঈয়ত শুব্বানে আহলে হাদীস বরিশাল জেলা শাখা।

স্থান: বায়তুন নূর সালাফি মসজিদ।
দক্ষিণ পূর্ব সুঠিয়াকাঠী, আকন বাড়ি, স্বরূপকাঠী, পিরোজপুর।

তারিখ: ২৮/০৮/২০২৬ (শুক্রবার)

সময়: ১২:১৫ মিনিট।

ভোলা ও বরিশালের দাওয়াতি সফরের স্থীর চিত্র। ভোলায় জুমু'আর খুতবা ও Shubban-বরিশাল জেলা শাখা কর্মীদের সাথে ঢাকা মহানগর দক্ষ...
26/08/2026

ভোলা ও বরিশালের দাওয়াতি সফরের স্থীর চিত্র। ভোলায় জুমু'আর খুতবা ও Shubban-বরিশাল জেলা শাখা কর্মীদের সাথে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শুব্বানের সাংগঠনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
14/08/2026

আহলে হাদীসদের সকল নেতা-কর্মী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব  এবং সর্বসাধারণকে ধৈর্য্য  ধারণের আহবান। যাদের জন্য আপনি নিজের সময়,  অ...
24/08/2026

আহলে হাদীসদের সকল নেতা-কর্মী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সর্বসাধারণকে ধৈর্য্য ধারণের আহবান।

যাদের জন্য আপনি নিজের সময়, অর্থ এবং জীবন উৎসর্গ করে দিচ্ছেন তাদেরই পক্ষ থেকে আপনার বিরুদ্ধে বিরোধিতা, এবং ষড়যন্ত্রের সময় ধৈর্যের পরিচয় দেয়াই ইসলামে সর্বোত্তম ধৈর্য।
পৃথিবীতে আগমনকারী সকল নবী- রাসূলগণ এমনই ধৈর্য্য ধারণ করে গেছেন।
উহুদ যুদ্ধ নবী স : এর পবিত্র মুখমন্ডল ও মাথা রক্তে রঞ্জিত হয়ে গিয়েছিল তখন নবী স : বাধ্য হয়ে বলে ছিলেন এ জাতি কীভাবে মুক্তি পেতে পারে যারা তাদের নবীকে মেরে রক্তাক্ত করে দেয়, মাথা ফাঠিয়ে দেয়। সহীহ বুখারী।
একই পন্হায় আহলে হাদীসগণ আজও জুলুম -নির্যাতনের শিকার হয়ে চলেছে। আহলে হাদীসদের বিশেষ করে বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস এর কাজ কী?
নি:সন্দেহে এ দেশে বিশুদ্ধ তাওহীদ এবং সহীহ সুন্নাহ প্রতিষ্ঠা।
সুতরাং যেখানে নব নির্বাচিত মাননীয় ধর্মপ্রতিমন্ত্রী জনাব শামীম কায়সার লিংকন কে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় অভিনন্দন ও মোবারকবাদ দেয়া উচিত ছিল সেখানে দু:খজনক ভাবে বিভিন্ন মহলে থেকে প্রতিবাদ করা হচ্ছে।
এরাই ডক্টর জাকির নায়েকের বাংলাদেশের আগমনের প্রতিবাদ জানিয়েছিল এবং এয়ারপোর্ট ঘেরাও করার হুমকি দিয়েছিল। অথচ সানি লিওন দিব্যি বাংলাদেশ ঘুরে গেল।
পাকিস্তান থেকে শির্ক ও বিদআয়তের ডিব্বা ও গুদাম এবং মাজার পূজার কান্ডারী আসলো অথচ সবাই নিশ্চুপ।
এ সবের জন্য অনেকাংশেই আহলে হাদীসদের নিস্ক্রিয়তা এবং বিভক্তি ও বিভাজনও দায়ী।
এদেশের শতকরা 20 পার্সেন্টেজ এর বেশি জনসংখ্যা আহলে হাদীস সে হিসেবে কমপক্ষে 10 জন মন্ত্রী থাকা উচিত ছিল।
এ ভাবে বাধা ও প্রতিবাদ আসতে থাকলে আপনারা ঐক্যবদ্ধ হোন আমি আপনাদের আগামীতে দশজন মন্ত্রী উপহার দিব ইন শা আল্লাহ।
বি এ ন পির মত এত বিশাল দলের মনোনয়ন পেলেন তারপরও একজন বিদ্রোহী প্রার্থীর নিকট শোচনীয় এবং লজ্জাজনক ভাবে পরাজিত হলেন। আর আপনার কতটুকু জনপ্রিয়তা সেটা জাতি জানে তারপরও আপনি মুখ খুলেন এটা একেবারে অনাকাঙ্ক্ষিত।
মাননীয় সেনাপ্রধান বিদআতের বিরুদ্ধে সামান্য ইংগিত দিয়েছেন তাতেই বিদআতীদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। তাঁকে নিয়ে কী অভদ্র আচরণ করা হয়েছে এবং হচ্ছে।
আহলে হাদীসরা অদ্যাবধি কোন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত নন তথাপি আল্লাহর রহমতে প্রায় চৌদ্দ -পনের জন আহলে হাদীস সংসদ সদস্য রয়েছেন।
আগের সময়গুলোতে এ সংখ্যা আরো বেশি ছিল।
অন্যায়ভাবে আহলে হাদীসদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলতে থাকলে আমরাও বসে থাকবো না ইন শা আল্লাহ। তবে আলহামদুলিল্লাহ আমাদের সাথে এবং জনাব শামীম কায়সার লিংকন সাহেবের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় কওমী ঘরানার এবং দেওবন্দী আকীদার অসংখ্য উলামায়ে কিরাম আমাদের সাথে আছেন এবং থাকবেন ইন শা আল্লাহ।

পরিশেষে আমরা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারকে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান সাহেবকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই এই অন্যায় এর সামনে মাথা নত না করার জন্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি প্রমাণ করেছে আপনি বাংলাদেশের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক শহীদ ( মহান আল্লাহ কবুল করুন) জিয়াউর রহমান এবং আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালিদা জিয়ার রহ: সুসন্তান তার আপনি প্রমাণ রেখেছেন।
মহান আল্লাহ আমাদের এ লাল সবুজের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের উন্নতি অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধি দান করুন এবং আমাদের ঐকবদ্ধ জাতি হিসেবে কবুল করুন, আমীন।

Address

Barishal

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shubban-বরিশাল জেলা শাখা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share