Amina Jami Mosque

Directions

Amina Jami Mosque Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Amina Jami Mosque, Mosque, Hospital Road, Patharghata, Barguna, Barishal.

🌙 সত্যের পথে এক অনন্য যাত্রা 🌙অস্ট্রেলিয়ার প্রখ্যাত রাশিয়ান অর্থোডক্স “হোলি ক্রস” চার্চের প্রধান—ডেভিড গোল্ড। দীর্ঘ ৪৫...
21/04/2026

🌙 সত্যের পথে এক অনন্য যাত্রা 🌙

অস্ট্রেলিয়ার প্রখ্যাত রাশিয়ান অর্থোডক্স “হোলি ক্রস” চার্চের প্রধান—ডেভিড গোল্ড। দীর্ঘ ৪৫ বছরের নিবেদিত সেবা, আধ্যাত্মিক নেতৃত্ব ও সম্মানের এক জীবন।

কিন্তু সত্যের সন্ধান থেমে থাকেনি…

২০২৪ সালে তিনি এক সাহসী ও হৃদয়স্পর্শী সিদ্ধান্ত নেন—
তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম গ্রহণ করেন, নিজের নতুন নাম রাখেন আবদুর রহমান।
এবং দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা দেন—
“আমি আর পুরোহিত নই।”

এরপরের দৃশ্য আরও অনুপ্রেরণাদায়ক…
সম্প্রতি তাকে দেখা গেছে সাদা ইহরামে, আল্লাহর ঘর বাইতুল্লাহর মেহমান হিসেবে—
এক নতুন জীবনের, এক নতুন আত্মসমর্পণের প্রতীক হয়ে।

✨ এটি শুধু ধর্ম পরিবর্তনের গল্প নয়,
এটি সত্যের প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা,
নিজেকে খুঁজে পাওয়ার সাহস,
এবং আল্লাহর পথে ফিরে আসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

🤲 আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাকে কবুল করুন, তার ঈমান আরও মজবুত করুন, এবং আমাদের সকলকে হেদায়েত দান করুন।

07/01/2024

আমার একটা ধারণা ছিলো সয়াবিন ওয়েল সম্ভবত রান্নার জন্য সবচেয়ে ভালো তেল নয়। কারণ এইটা এস্ট্রোজেনিক একটা ফুড, এবং এই হরমোনের আধিক্য আমাদের শরীরে নানা ধরনের হরমোনাল ভারসাম্যহীনতা জনিত সমস্যা তৈরি করতে পারে। যার একটি হচ্ছে মানুষের প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাওয়া।

কিন্তু এই ধারনার পক্ষে তেমন কোন এভিডেন্স এতোদিন চোখে পড়ে নি। আজকে জানতে পারলাম ১ টেবিল চামুচ সয়াবিন তেলে যে পরিমান এস্ট্রোজেন থাকে তা প্রায় ৩ টা জন্মনিয়ন্ত্রন পিলের সমান!! এবার মিলিয়ে দেখুন আসল সমস্যা কোথায়??

(এখন সয়াবিন তেল আর সয়া মিল সব জায়গায়, আমাদের খাবারে, পশুর খাবারে, মাছের খাবারে, পোল্ট্রি ফিডে, সুতরাং পালাবে কোথায়)

- গবেষক আবু বক্কর সিদ্দিক

আরবি চান্দ্রবর্ষের সপ্তম মাস ‘রজব’। এটি নাম ও অর্থগতভাবেই প্রাচুর্যময় সম্মানিত মাস। এ মাসের মর্যাদা উপলব্দি করতে প্রিয় ন...
04/02/2022

আরবি চান্দ্রবর্ষের সপ্তম মাস ‘রজব’। এটি নাম ও অর্থগতভাবেই প্রাচুর্যময় সম্মানিত মাস। এ মাসের মর্যাদা উপলব্দি করতে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এ হাদিসটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেছেন-‘যে ব্যক্তি রজব মাসে (ইবাদত দ্বারা অন্তরের) জমিন চাষাবাদ করল না আর শাবান মাসে (ইবাদতের মাধ্যমে মনের) জমিন আগাছামুক্ত করল না; সে রমজান মাসে (ইবাদতের) ফসল তুলতে পারবে না।’ (বায়হাকি)

রজব মাসের মর্যাদামাসটির পুরো নাম ‘রজবুল মুরাজ্জাব’ বা ‘আর-রজব আল-মুরাজ্জাব’ হলেও এটি রজব মাস নামেই বেশি পরিচিত। মাসটির অর্থগত তাৎপর্যও রয়েছে। ‘রজব’ শব্দের অর্থ হলো সম্ভ্রান্ত, মহান বা প্রাচুর্যময়। আর ‘মুরাজ্জাব’ অর্থ ‘সম্মানিত’। সুতরাং এর অর্থ দাঁড়ায় ‘প্রাচুর্যময় সম্মানিত মাস’।

মর্যাদার এ মাসটিকে মহান আল্লাহ তাআলা যাবতীয় যুদ্ধবিগ্রহ, হানাহানি ও রক্তপাত নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-‘আল্লাহ তাআলার আসমান-জমিন সৃষ্টি করার দিন থেকেই বারো মাসে বৎসর হয়। এর মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত; তিনটি একাধারে জিলকদ, জিলহজ ও মহররম এবং চতুর্থটি হলো ‘রজব মুদার’, যা জমাদিউল আখিরা ও শাবানের মধ্যবর্তী মাস।’ (মুসলিম)

মর্যাদার এ মাসটি মুমিন মুসলমানের ইবাদতের মাস। বরকত লাভের মাস। কেননা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোমড়ে কাপড় বেঁধে এ মাসের ইবাদত-বন্দেগিতে নিয়োজিত হতেন। রোজা রাখতেন এবং বেশি বেশি বরকত পেতে দোয়া পড়তেন; তাঁর উম্মতকেও দোয়া পড়তে বলতেন। তাহলো এমন-اَللهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِىْ رَجَبَ وَ شَعْبَانَ وَ بَلِّغْنَا رَمَضَانَউচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রাজাবা ওয়া শাবানা ওয়া বাল্লিগনা রামাদান।’অর্থ : ‘হে আল্লাহ! রজব ও শাবান মাস আমাদের জন্য বরকতময় করুন; রমজান মাস আমাদের নসিব করুন।’ (বুখারি ও মুসলিম)

উম্মাহাতুল মুমিনিনদের বর্ণনারজব ও শাবান মাসে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কী পরিমাণ ইবাদত-বন্দগি করতেন; তা উম্মাহাতুল মুমিনিনদের বর্ণনা থেকেই সুস্পষ্ট। হাদিসে এসেছে-- হজরত উম্মে সালমা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাস ছাড়া সবচেয়ে বেশি রোজা পালন করতেন শাবান মাসে, অতপর রজব মাসে।- হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, ‘যখন রজব মাস আসত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আমলের আধিক্য দেখেই আমরা তা বুঝতে পারতাম।’- কোনো কোনো বর্ণনায় এসেছে, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রজব মাসে ১০টি রোজা রাখতেন, শাবান মাসে ২০টি রোজা রাখতেন; রমজান মাসে ৩০টি রোজা রাখতেন। (দারিমি)

রজব মাসের বিশেষ ইবাদতরজব মাসের বিশেষ আমলসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো বেশি বেশি নফল রোজা পালন করা। মাস জুড়ে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিয়মিত আমল- ‘সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা পালন করা। তাছাড়া শুক্রবারসহ মাসের ১, ১০; ১৩, ১৪, ১৫; ২০, ২৯ এবং ৩০ তারিখ রোজা পালন করা।

সাহাবায়ে কেরামের দৃষ্টিতে রজব মাসমাস জুড়ে বেশি বেশি নফল নামাজ পড়া। বিশেষ করে তাহাজ্জুদ, ইশরাক, চাশত-দোহা, জাওয়াল, আউয়াবিন; তাহিয়্যাতুল অজু, দুখুলুল মাসজিদ ইত্যাদি নামাজের ব্যাপারে যত্নবান হওয়া খুবই জরুরি। সাহাবায়ে কেরামও এ মাসের ইবাদত ও ফজিলত বর্ণনা করেছেন।- হজরত সালমান ফারসি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদিস থেকে জানা যায়, রজব মাসের প্রথম তারিখে ১০ রাকাত নফল নামাজ পড়তে হয়।- হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, অতি মহান (মর্যাদার) ৪টি রাত হলো-- রজব মাসের প্রথম রাত;- শাবান মাসের মধ্য দিবসের রাত (শবে বরাত);- শাওয়াল মাসের প্রথম রাত (ঈদুল ফিতর বা রমজানের ঈদের রাত);- জিলহজ মাসের দশম রাত (ঈদুল আজহা বা কোরবানি ঈদের রাত)।

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, রজব মাসের মর্যাদা, ফজিলত ও আমলের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখা। হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করা। রমজানের পরিপূর্ণ ইবাদতের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রজবের মাসের ফজিলত, মর্যাদা ও আমলের প্রতি গুরুত্বারোপ করার তাওফিক দান করুন। মাসজুড়ে হাদিসে বর্ণিত দোয়াটি বেশি বেশি পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

18/10/2021
16/09/2020

সূরা হুজরাতের ২ নং আয়াত নাযিল হওয়ার পর সাহাবায়ে কেরামের অবস্থা
------
ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমরা নবীর আওয়াজের উপর তোমাদের আওয়াজ উচ্চ করো না। তোমরা নিজেরা পরস্পরে যেমন উচ্চ আওয়াজে কথা বল, তাঁর সঙ্গে সে রকম উচ্চ আওয়াজে কথা বলো না। তা করলে তোমাদের (যাবতীয়) আমল নিস্ফল হয়ে যাবে, আর তোমরা একটু টেরও পাবে না।
(সূরা হুজরাত, আয়াত ২)

(উক্ত আয়াত নাযিলের পর) হযরত উমর (রাঃ) যখন নবী ﷺ এঁর সঙ্গে কোন কথা বলতেন, তখন (আওয়াজ উচ্চ হয়ে যাওয়ার ভয়ে) গোপন বিষয়ের আলাপকারীর মত চুপে চুপে বলতেন, এমন কি তা শোনা যেত না যতক্ষণ না নবী ﷺ তাকে আবার জিজ্ঞেস করতেন।

(সহিহ বুখারী ৭৩০২)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, একদা নবী ﷺ সাবিত ইবনু কায়স (রাঃ) কে খুঁজে পেলেন না। একজন সাহাবী বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ ﷺ! আমি আপনার কাছে তাঁর সংবাদ নিয়ে আসছি। তারপর তিনি তাঁর কাছে গিয়ে দেখলেন যে, তিনি তাঁর ঘরে মাথা নীচু করে বসে আছেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, আপনার কী অবস্থা? তিনি বললেন, অত্যন্ত খারাপ। কারণ (এই অধম), তার আওয়াজ (স্বর) নবী ﷺ এঁর আওয়াজ হতে উচ্চ হয়েছিল। ফলে, তার ‘আমল বরবাদ হয়ে গেছে এবং সে জাহান্নামীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে। [এগুলো তিনি আশংকার কারণে বলছিলেন কেননা জন্মগতভাবেই তাঁর আওয়াজ উচ্চ ছিল। আর তিনি হলেন সেই সাহাবী যাঁকে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এঁর খতীব বলা হত। আহ! ইনাদের কেমন আল্লাহভীতি এবং প্রিয় নবী ﷺ এঁর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ছিল!]

তারপর ঐ সাহাবী নবী ﷺ এঁর কাছে ফিরে এসে খবর দিলেন যে, তিনি এমন এমন কথা বলছেন। মূসা ইবনু আনাস রহঃ বলেন, এরপর ঐ সাহাবী এক মহা সুসংবাদ নিয়ে তাঁর [সাবিত ইবনু কায়স (রাঃ)] কাছে ফিরে গেলেন (এবং বললেন) নবী ﷺ আমাকে বলেছেন, তুমি যাও এবং তাকে বল, তুমি জাহান্নামীদের অন্তর্ভুক্ত নও বরং তুমি জান্নাতীদের অন্তর্ভুক্ত। (সুবহান আল্লাহ। অদৃশ্যের সংবাদদাতা নবী তাকে জান্নাতের সুসংবাদও দিয়ে দিলেন)

(সহিহ বুখারী ৩৬১৩, ৪৮৪৬)

16/09/2020
সূরা কাহফ’র প্রথম ১০ আয়াত সকলে মুখস্ত করার চেষ্টা করুন।
07/04/2020

সূরা কাহফ’র প্রথম ১০ আয়াত সকলে মুখস্ত করার চেষ্টা করুন।

30/10/2019

হে ঈমানদারগণ সময় থাকতে সাবধান হন।

জায়নামাজ কিনলে খুবই খেয়াল করে কিনবেন।
কা'বা ঘর এবং মক্কা ও মদিনার ছবি যুক্ত জায়নামাজ কিনবেন না।

আমরা প্রতিনিয়ত বুঝে না বুঝে কা'বা ঘর এবং মক্কা ও মদিনার শানে বেয়াদবী করছি।

এর দ্বারা আমাদের গুনাহ হচ্ছে।

তাই আপনারা সবাই খেয়াল করে কা'বা ঘর এবং মক্কা ও মদিনার ছবি ছাড়া জায়নামাজ কিনবেন এবং অপর মুসলমান ভাই ও বোনদেরকে এ বিষয় অবগত করবেন।

Address

Hospital Road, Patharghata, Barguna
Barishal
8720

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amina Jami Mosque posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category