Ramakrishna Mission Barisal

Ramakrishna Mission Barisal "AS MANY FAITHS SO MANY PATHS" -SRI RAMAKRISHNA. Ramakrishna mission barisal is a brance centre of ramakrishna order. Is is the first centre in Bangladesh.
(1)

*শুভ মহালয়া কাউকে বলবেন না*।ওটা বলতে নেই। মহালয়ার সঙ্গে দুর্গাপূজোরও আদৌ কোনো সম্পর্ক নেই। যাঁরা মা দুর্গার ছবির সঙ্গে '...
30/09/2023

*শুভ মহালয়া কাউকে বলবেন না*।

ওটা বলতে নেই। মহালয়ার সঙ্গে দুর্গাপূজোরও আদৌ কোনো সম্পর্ক নেই। যাঁরা মা দুর্গার ছবির সঙ্গে 'মহালয়া' লিখছেন তাঁরা নিজেরাও জানেন না কত বড় ভুল করছেন।

সকালে রেডিওতে যে মহালয়া শোনেন সেটা মহালয়া নয়, "মহিষাসুরমর্দিনী" নামের একটি অনুষ্ঠান। এর সঙ্গে মহালয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। এই দিনে অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার হয়, এই পর্যন্তই।

মহালয়া কথাটি এসেছে 'মহত্‍ আলয়' থেকে। হিন্দু ধর্মে মনে করা হয়, পিতৃপুরুষের আত্মা এই সময়ে পরলোক থেকে ইহলোকে আসেন জল ও পিণ্ডলাভের আশায়। প্রয়াত পিতৃপুরুষদের জল-পিণ্ড প্রদান করে তাঁদের তৃপ্ত করা হয়।

কেন এই দিনেই তাঁরা আসেন? এর সঙ্গে মহাভারতের যোগ আছে। মহাভারতে বলা হয়েছে যে, মহাবীর কর্ণের আত্মা স্বর্গে গেলে সেখানে তাঁকে খেতে দেওয়া হল শুধুই সোনা আর ধনরত্ন। “ব্যাপার কী?” কর্ণ জিজ্ঞাসা করলেন ইন্দ্রকে। ইন্দ্র বললেন, “তুমি সারাজীবন সোনাদানাই দান করেছো, পিতৃপুরুষকে জল দাও নি।”

কর্ণ বললেন, “এতে আমার কী দোষ? আমার পিতৃপুরুষের কথা তো আমি জানতে পারলাম যুদ্ধ শুরুর আগের রাতে। মা কুন্তী আমাকে এসে বললেন, আমি নাকি তাঁর ছেলে। তারপর যুদ্ধে ভাইয়ের হাতেই মৃত্যু হলো। পিতৃতর্পণের সময়ই তো পেলাম না।”

ইন্দ্র বুঝলেন, কর্ণের দোষ নেই। তাই তিনি কর্ণকে পনেরো দিনের জন্য মর্ত্যে ফিরে গিয়ে পিতৃপুরুষকে জল ও অন্ন দিতে অনুমতি দিলেন। ইন্দ্রের কথা মতো এক পক্ষকাল ধরে কর্ণ মর্ত্যে অবস্থান করে পিতৃপুরুষকে অন্নজল দিলেন। তাঁর পাপস্খলন হলো এবং যে পক্ষকাল কর্ণ মর্ত্যে এসে পিতৃপুরুষকে জল দিলেন সেই পক্ষটি পরিচিত হল পিতৃপক্ষ নামে।

সেই থেকেই হিন্দুদের মধ্যে তর্পণের প্রথা চালু হয়। পারলৌকিক ক্রিয়াকর্মের তিথি হিসেবে নির্দিষ্ট হওয়ায় একে শুভ বলতে নেই। আপনার প্রিয়জনের শ্রাদ্ধের দিন কেউ যদি আপনাকে “হ্যাপি আপনার ঠাকুরদার শ্রাদ্ধ” বা “শুভ শ্রাদ্ধ” বলে, আপনার কেমন লাগবে?

এমন না বুঝেই তো আমরা কতকিছু বলি। এবার বুঝলেন তো? এর পর থেকে এই দিনটিতে আর "শুভ মহালয়া" বলবেন না।

এই উদ্রিতী টি মহাভারতের অংশ থেকে সংগৃহীত হইয়াছে 🙏

আজ ১২ জানুয়ারি। ১৮৬৩ সালের এইদিনে স্বামী বিবেকানন্দ পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন। স্বামীজী শুধু ভারতীয় একজন সন্ন্যাসী সাধু...
12/01/2022

আজ ১২ জানুয়ারি। ১৮৬৩ সালের এইদিনে স্বামী বিবেকানন্দ পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন।
স্বামীজী শুধু ভারতীয় একজন সন্ন্যাসী সাধুই নন, তিনি বিশ্ব মানবতার বিবেক। আমরা তার বিবেকানন্দ নামের স্বার্থকতা খুঁজে পাই তাঁর জীবন আচরণে, তাঁর কর্মে, তাঁর উপলব্ধ বাণীতে। স্বামীজীর আদর্শ ধারণ করে আমরা একজন পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে উঠতে পারি, খুঁজে পাই জীবনের নতুন নতুন দিশা, লক্ষ্যে পৌঁছানোর চরম প্রেরণা।

স্বামীজির বাণী-

ব্রহ্ম হ'তে কীট-পরামাণু, সর্বভূতে সেই প্রেমময়,
মন প্রাণ শরীর অর্পণ কর সখে, এ সবার পায়।
বহুরূপে সম্মুখে তোমার ছাড়ি, কোথা খুঁজিছ ঈশ্বর?
জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।

বিবাদ নয় সহায়তা, বিনাশ নয় পরস্পরের ভাবগ্রহণ, মতবিরোধ নয় সমন্বয় ও শান্তি।

ধর্ম এমন একটি ভাব, যা পশুকে মনুষ্যত্বে ও মানুষকে দেবত্বে উন্নীত করে।

মানুষের মধ্যে যে দেবত্ব প্রথম থেকেই আছে, তার বিকাশই ধর্ম।

নীতিপরায়ণ হও ও সাহসী হও, হৃদয় যেন সম্পূর্ণ শুদ্ধ থাকে।

কাপুরুষেরাই পাপ করে থাকে, বীর কখনও পাপ করে না- মনে পর্যন্ত পাপ চিন্তা আসতে দেয় না।

"জাগো বীর, ঘুচায়ে স্বপন,
শিয়রে শমন, ভয় কি তোমার সাজে ?
দুঃখভার, এ ভব-ঈশ্বর,
মন্দির তাঁহার প্রেতভূমি চিতা মাঝে।।
পূজা তার সংগ্রাম অপার,
সদা পরাজয় তাহা না ডরাক তোমা।
চূর্ণ হোক স্বার্থ সাধ মান,
হৃদয় শ্মশান, নাচুক তাহাতে শ্যামা।।"

চরিত্রই প্রকৃত শক্তি। আধ্যাত্মিকতার অর্থ সেই চরিত্রশক্তি অর্জন করা।

টাকায় কিছু হয় না, নামেও হয় না, যশেও হয় না, বিদ্যায়ও হয় না, ভালবাসায় সব হয়- চরিত্রই বাধাবিঘ্নরূপ বজ্রদৃঢ় প্রাচীরের মধ্য দিয়া পথ করিয়া লইতে পারে।

কেবল খাইয়া পরিয়া মূর্খের মতো জীবন-যাপন অপেক্ষা মৃত্যুও শ্রেয়ঃ; পরাজয়ের জীবন-যাপন অপেক্ষা যুদ্ধক্ষেত্রে মরা শ্রেয়ঃ।

পরোপকারই ধর্ম, পরপীড়নই পাপ। শক্তি ও সাহসিকতাই ধর্ম, দুর্বলতা ও কাপুরষতাই পাপ। স্বাধীনতাই ধর্ম, পরাধীনতাই পাপ। অপরকে ভালবাসাই ধর্ম, অপরকে ঘৃণা করাই পাপ। ঈশ্বরে ও নিজ আত্মাতে বিশ্বাসই ধর্ম, সন্দেহই পাপ। অভেদ-দর্শনই ধর্ম, ভেদ-দর্শনই পাপ।

মানুষকে সর্বদা তাহার দুর্বলতার বিষয় ভাবিতে বলা তাহার দুর্বলতার প্রতিকার নয়; তাহার শক্তির কথা স্মরণ করাইয়া দেওয়াই প্রতিকারের উপায়।

পড়েছ, 'মাতৃদেবো ভব, পিতৃদেবো ভব'; আমি বলি, 'দরিদ্রদেবো ভব, মূর্খদেবো ভব'। দরিদ্র, মূর্খ, অজ্ঞানী, কাতর- ইহারাই তোমার দেবতা হউক, ইহাদের সেবাই পরমধর্ম জানিবে।

জগতের সমুদয় ধনরাশির চেয়ে 'মানুষ' হচ্ছে বেশি মূল্যবান।

নেতা হইতে যাইও না, সেবা কর। নেতৃত্বের এই পাশব প্রবৃত্তি জীবন সমুদ্রে অনেক বড় বড় জাহাজ ডুবাইয়াছে।

যে নিজেকে বিশ্বাস করে না, সে-ই নাস্তিক। প্রাচীন ধর্ম বলিতঃ যে ঈশ্বরে বিশ্বাস করে না, সে নাস্তিক। নতুন ধর্ম বলিতেছেঃ যে নিজেকে বিশ্বাস করে না সে-ই নাস্তিক।

বিশ্বাস, বিশ্বাস, বিশ্বাস - নিজের উপর বিশ্বাস - ঈশ্বরে বিশ্বাস - ইহাই উন্নতি লাভের একমাত্র উপায়। যদি তোমার পুরাণের তেত্রিশ কোটি দেবতার এবং বৈদেশিকেরা মধ্যে মধ্যে যে সকল দেবতার আমদানি করিয়াছে, তাহার সবগুলিতেই বিশ্বাস থাকে, অথচ যদি তোমার আত্মবিশ্বাস না থাকে, তবে তোমার কখনই মুক্তি হইবে না।

মানুষ চাই, মানুষ চাই; আর সব হয়ে যাবে। বীর্যবান, সম্পূর্ণ অকপট, তেজস্বী, বিশ্বাসী যুবক প্রয়োজন। এই রকম একশ যুবক হলে সমগ্র জগতের ভাবস্রোত ফিরিয়ে দেওয়া যায়।

উত্তষ্ঠিত জাগ্রত প্রাপ্য বরান্ নিবোধত"- Arise! Awake! and stop not till the goal is reached - ওঠ, জাগো, লক্ষ্যে না পৌছানো পর্যন্ত থামিও না

পরতত্ত্বে সদালীন রামকৃষ্ণসমাজ্ঞয়া
য়ো ধর্মস্থাপনরতো বীরেশং ত্বং নমাম্যহম্

জয়তুঃ স্বামীজী।

স্বামী বিবেকানন্দের প্রয়ান১৯০২ সালের ৪ জুলাই মৃত্যু হয় স্বামী বিবেকানন্দের। তাঁর নশ্বর দেহ পঞ্চভূতে বিলীন হলেও তাঁর অম...
04/07/2021

স্বামী বিবেকানন্দের প্রয়ান
১৯০২ সালের ৪ জুলাই মৃত্যু হয় স্বামী বিবেকানন্দের। তাঁর নশ্বর দেহ পঞ্চভূতে বিলীন হলেও তাঁর অমর বাণীগুলি চিরদিন বেঁচে থাকবে।
স্বামী বিবেকানন্দের শরীরটা ভালো যাচ্ছে না, খুব দুর্বল।হাঁটলে পায়ে ব্যথা হয়, উপবাসে শরীর দিনকে দিন দূর্বল হয়ে পড়েছে , হাঁপানীর টানেও কষ্ট পান।
গতকাল উপোস ছিলেন, আজও খাবার ইচ্ছা নাই। শুধু একগ্লাস ঠান্ডা দুধ চাইলেন, ঘোরধরা চোখের সামনে উঁকি দিয়ে গেল নরেনের (বিবেকানন্দের আগের নাম) পুরানো স্মৃতি।গ্লাসটা পড়ে চুরমার হয়ে ভেঙে গেল।
ব্রহ্মানন্দ, যিনি তাঁর বাল্যকালের বন্ধু বললেন কি হলো নরেন, শরীর খারাপ লাগছে? তারপর তাঁকে জোর করে উপরে নিয়ে শুইয়ে দিলেন। তাঁর সেবার জন্য একজনকে রাখা হলো, তিনি বই পড়তে চেষ্টা করলেন কিন্তু বার বার তন্দ্রাচ্ছন হয়ে ঘুমিয়ে পড়ছেন।
পরদিন শরীর পুরা ঝরঝরা, হাঁটলে পায়ে ব্যথাবোধ নাই, চোখের দৃষ্টি ঝকঝকে, রোগ বালাইয়ের কোন চিহ্নই নাই, নিজেকে খুব টাটকা মনে হলো তাঁর।
তিনঘন্টা জপ করার পরে তাঁর ক্ষুধা লাগলো। তিনি ঠিক করলেন, আজ তিনি ভাতের সাথে ঝাল মশলা দেওয়া খাবার খাবেন, অম্বল ও খাবেন। না খেয়ে খেয়ে শরীরটা খুব জীর্ণ হয়ে পড়েছে।
সেদিন বেলুড়ঘাটে জেলের নৌকো ভিড়েছিল। সোনায় সোহাগার মতো সে সময় মঠের জন্য গঙ্গায় ধরা ইলিশ কিনছিলেন প্রেমানন্দ। তিনি সেখানে গিয়ে দাঁড়ালেন এবং নিজে পছন্দ করে বড় বড় গঙ্গার ইলিশ কিনলেন।
ব্রজেন নামের শিষ্যটি পূর্ববঙ্গের, তিনি বললেন, কিরে বাঙ্গাল তোদের দেশে এতো বড় বড় ইলিশ পাওয়া যায়?
ব্রজেন গর্ব করে বললো, আমাদের পদ্মার ইলিশ আরও অনেক বড়!
হ্যাঁরে তোদের ওখানে নাকি ইলিশের পূজা করা হয়?
ব্রজেন বললো, সেতো স্বরস্বতী পূজার পর। দূর্গা পূজার বিজয়া দশমীর পর ইলিশ খাওয়া বারন,স্বরস্বতী পূজার পর আবার জোড়া ইলিশ ঘরে আনতে হয়।
স্বামীজি নির্দশ দিলেন, ভাজা ইলিশ, ঝোল ইলিশ আর অম্বল ইলিশের।
তিনি পূজার ঘরে কয়েকঘন্টা কাটানোর পর বাইরে বেরিয়ে এলেন। আজ তাঁর কন্ঠের কোন জড়তা নেই, নেই হাঁপানির টান।
খাবার ঘন্টা বাজতেই বললেন, ওরে চল চল, ইলিশ মাছের ঝোল ঠান্ডা করা মহাপাপ, আবার গরম করলে সেই স্বাদ থাকেনা।
অনেকদিন পর তিনি খুব তৃপ্তি করে খেলেন ভাজা ইলিশ আর মাছের ঝোল দিয়ে। একটু ঝাল কম হওয়ায় পাতে কাঁচামরিচ ডলে নিলেন।আঙ্গুলে অম্বলের ঝোল চাটতে চাটতে বললেন, একাদশীর উপবাস করে করে কি রকম ক্ষিদে পেয়েছে দ্যাখ! থালা, বাটি, গ্লাশ ও যে খেয়ে ফেলিনি সেটাই রক্ষে!
খাওয়ার পর ঘন্টাখানেক বিশ্রাম নিয়ে প্রেমানন্দকে ডেকে তুলে বললেন, ওঠ, ওঠ, সন্যাসীদের জন্য দিবানিদ্রা ভালোনা। আমার মাথাটা ব্যথা করছে, অনেকক্ষন ধ্যান করেছি তো তাই ব্রেন উইক হয়েছে মনে হয়,ঘুমই এলোনা।
চল পড়াশুনা করি, তাহলে মাথা ঠিক হয়ে যাবে।
লাইব্রেরিতে এসে দেখলেন তরুন সন্যাসীরা পড়ায় ব্যস্ত, তিনি বললেন তোরা ভালো করে বেদ পড়বি।সংস্কৃতটা আগে শেখা দরকার। পাণিনি ( পাণিনি ছিলেন প্রাচীন ভারতীয় সংস্কৃত ব্যাকরণবিদ) ছাড়া কোন উপায় নাই, আজ আমরা সবাই মিলে পাণিনি পড়বো।
তিনঘন্টা পড়ানোর পর প্রেমানন্দ তাঁকে উঠিয়ে নিয়ে গেলেন মুক্ত বায়ু সেবনে, মাঠ পেরিয়ে রাস্তায় নেমে এলেন, চলে এলেন বেলুড় বাজার পর্যন্ত।স্বামীজি হেসে বললেন, ইলিশ মাছ খেয়ে শরীরে যেন যুবকের মতো শক্তি ফিরে এসেছে।
ফেরার পথে তিনি প্রেমানন্দকে বললেন, এখানে একটা বেদ বিদ্যালয় করা দরকার।
এই যুগে বেদ পড়ে কি হবে?
বেদ পড়লে কমপক্ষে কুসংস্কারগুলি দুর হবে। অনেকেই বেদ গ্রন্থটি চোখেই দেখেনি। মুসলমানদের বাড়িতে কোরান-শরীফ থাকে, খ্রীষ্টানদের বাড়িতে বাইবেল থাকে, কয়টা হিন্দুর বাড়িতে বেদ থাকে বল?
অশিক্ষিত পুরুতগুলি কথায় কথায় বলে, বেদে এই আছে সেই আছে অথচ তারা কোনদিন বেদ পড়েই দেখেনি।
আমাদের দেশে যে স্ত্রী - পুরুষ ভেদে নারীশিক্ষা দেয়া হয়না, এতো বেদ বিরুদ্ধ।যে দেশে, যে জাতে, মেয়েদের সম্মান করেনা, সেই দেশ কখনও বড় হতে পারেনা।
আজ যেন তিনি কথায় মেতে উঠেছেন।
ফিরে এসে উপাসনার জন্য যাবার সময় ব্রজেনকে বললেন, শরীরটা বড্ড হাল্কা লাগছে, তুই আমার জপের মালা দুটি নিয়ে বাইরে বসে থাক, দরকার মনে করলে ডাকবো।
কিছুক্ষন পরেই তিনি ব্রজেনকে ডেকে বললেন, এতো গরম লাগছে কেন, মেঘ জমেছে নাকি ?
ব্রজেন বললো আজ তো মেঘ নেই, আকাশ পরিস্কার।
স্বামীজি ঘামছেন, সব জানালা খুলে দে, বাতাস কর।
স্বামীজি শুয়ে পড়লেন, তাঁর মনে হলো অনেক হাঁটার জন্য মনে হয় পা দুটি ভার ভার লাগছে।
আরো জোরে বাতাস কর। গরমে যেন পুড়ে যাচ্ছে শরীরটা।
স্বামীজির দুইচোখে ঘুম। শিষ্য নিষ্ঠার সাথে গুরুর সেবা করছে।পা টেপা বন্ধ করে বাতাস করছে। স্বামীজি একটু পরে ঘুমের মধ্যে শিশুর মতো কেঁদে উঠলেন, ডান হাতটা কেঁপে উঠলো। একটা গভীর নিশ্বাস ফেলে মাথাটা বালিশ থেকে গড়িয়ে গেলো।দুই মিনিট পর আবার চিত হয়ে শুলেন।খুব গভীর একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে শরীরটা স্তব্ধ হয়ে গেলো চিরতরে।
মুখ এতোটুকুও বিকৃত হয়নি, চোখদুটি জবা ফুলের মতো টকটকে লাল, নাক ও মুখের দুপাশে রক্তের রেখা।
স্বামী বিবেকানন্দের দেহকে গঙ্গাজলে স্নান করিয়ে, নতুন কাপড় পরিয়ে, প্রচুর ফুলের মালা দিয়ে সাজিয়ে নীচে নামানো হলো। বেলগাছের নীচে ঘি আর চন্দন কাঠের চিতার লকলকে আগুনে তাঁর নশ্বর শরীরটা পঞ্চভূতে মিলিয়ে গেল।

শোকবার্তা: 🏴গভীর দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, বরিশাল রামকৃষ্ণ মিশনের, পূজারী ও ব্রহ্মচারী বিপ্রব্রত (সবার প্রিয় বসু দা) আজ ব...
26/05/2021

শোকবার্তা: 🏴

গভীর দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, বরিশাল রামকৃষ্ণ মিশনের, পূজারী ও ব্রহ্মচারী বিপ্রব্রত (সবার প্রিয় বসু দা) আজ বিকাল ৫:৩০ টায় মিশনের নিকটস্থ পুকুরে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে। বসুদার এই অকাল মৃত্যুতে আমরা সত্যিই শোকাহত। অনেক প্রিয় একজন মানুষ ছিল। যেখানেই থাকো বসু দা ভালো থেকো। শ্রী শ্রী ঠাকুর মা ও স্বামীজীর কাছে আমরা তার বিদেহী আত্মার মুক্তি প্রার্থনা করি। হরি ওঁ রামকৃষ্ণ। 😢😢😢

গভীর দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে আমাদের সবার প্রিয় বসু দা (ব্রহ্মচারী বিপ্রব্রত- শ্রীরামকৃষ্ণ মিশন বরিশাল) আর আমাদের মাঝে নে...
26/05/2021

গভীর দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে আমাদের সবার প্রিয় বসু দা (ব্রহ্মচারী বিপ্রব্রত- শ্রীরামকৃষ্ণ মিশন বরিশাল) আর আমাদের মাঝে নেই। আজ সন্ধ্যার কিছু পূর্বে (সময় - ৫.৪০মি.) মিশনের পুকুরে ডুবে মর্মান্তিকভাবে তার মৃত্যু হয়েছে। শ্রীশ্রী ঠাকুর মা ও স্বামীজীর কাছে আমরা তার বিদেহী আত্মার মুক্তি প্রার্থনা করি। হরি ওঁ রামকৃষ্ণ।

19/04/2021

ব্রহ্মার স্তব
= = = = = =
ত্বং স্বাহা ত্বং স্বধা ত্বং হি বষটকারং স্বরাত্মিকা ।
সুধা ত্বমক্ষরে নিত্যে ত্রিধা মাত্রাত্মিকা স্থিতা ।
অর্ধমাত্রা স্থিতা নিত্যা যানুচ্চার্য্যা বিশেষতঃ ।
তমেবসা ত্বং সাবিত্রী ত্বং দেবি জননী পরা ।।
ত্বয়ৈব ধার্য্যতে সর্বং ত্বয়ৈতৎ সৃজ্যতে জগৎ ।
ত্বয়ৈতৎ পাল্যতে দেবি ত্বমৎসান্তে চ সর্বদা ।।
বিসৃষ্টৌ সৃষ্টিরূপা ত্বং স্থিতিরূপা চ পালনে ।
তথা সংহৃতিরূপান্তে জগতোহস্যজগন্ময়ে ।।
মহাবিদ্যা মহামায়া মহামেধা মহাস্মৃতিঃ ।
মহামোহা চ ভবতী মহাদেবী মহাসূরী ।।
প্রকৃতিস্তঞ্চ সর্বস্য গুনত্রয়বিভাবিনী ।
কালরাত্রির্মহারাত্রির্মোহরাত্রিশ্চ দারুনা ।।
ত্বং শ্রীস্তমীশ্বরী ত্বং হ্রীস্তং বুদ্ধির্বোধলক্ষনা ।।
লজ্জা পুষ্টিস্তথা তুষ্টিস্তং শান্তিঃ ক্ষান্তিরেবচ ।।
খড়্গিনী শূলিনী ঘোরা গদিনী চক্রিণী তথা ।
শঙ্খিনী চাপিনী বাণ-ভূশণ্ডিপরিঘায়ূধা ।।
সৌম্যা সৌম্যতরাশেষসৌম্যভ্যস্ততিসুন্দরী ।
পরা পরাণাং পরমা ত্বমেব পরমেশ্বরী ।।
🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

X - MAS EVE 2020
26/12/2020

X - MAS EVE 2020

মহাষ্টমী
24/10/2020

মহাষ্টমী

12/08/2020

#শ্রীরামকৃষ্ণসঙ্গীত
(রচয়িতা - তিলন বসু)
অরূপ তোমার করুণাধারা সদানন্দ আত্মহারা
তুমি ভাবাবেশে ধ্যানমগ্ন মাতৃনামে পাগলপারা।
"যত মত তত পথ" সবার এক গন্তব্য
সাধন করিলে সত্য ব্যাপ্ত তুমি ভুবন ভরা।
লীলাময় ঈশ্বর হে- যাহার যেমন সহে
তাহার তরে তেমন তুমি সাকার আকার নিরাকারা।
ব্রহ্ম যিনি মা ও তিনি অভেদ পরমাত্মনি
রামকৃষ্ণ রূপে তুমি জগতের আনন্দধারা।
হে পরমব্রহ্ম পরাৎপর প্রভু মোদের কৃপা করো
চেতনে বা অচেতনে না হই যেন তোমা ছাড়া।
১২-০৮-২০২০

16/10/2019

বিবেকানন্দ ছাত্রাবাস, শ্রীরামকৃষ্ণ মিশন, বরিশালের; প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্রদের "৩য় পূর্নমিলনী - ২০২০" এবং বিবেকানন্দ ছাত্রাবাসের "৫০ বছর পূর্তি উৎসব" উদযাপন উপলক্ষে-
আগামী ১৮ ই অক্টোবর, রোজ শুক্রবার, প্রাক প্রস্তুতিমূলক মিটিং অনুষ্ঠিত হবে।

মিটিং এর সময়: বিকাল ৪:৪৫ মিনিট।

মিটিং এর স্থান:

'বরিশাল জোন'
মন্দির প্রাঙ্গণ,
শ্রীরামকৃষ্ণ মিশন, বরিশাল।

'ঢাকা জোন'
জগন্নাথ হল মন্দির,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

উক্ত মিটিং এ বিবেকানন্দ ছাত্রাবাসের প্রাক্তন ও বর্তমান অনুজ ও অগ্রজ ভাইদের স্ব-স্ব জোনে উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

অনুরোধক্রমে
পলাশ দাস
প্রাক্তন ছাত্র
বিবেকানন্দ ছাত্রাবাস

বি.দ্র. অাপনাদের উপস্থিতি এবং সর্বাত্মক সহযোগিতা অনুষ্ঠান করতে উৎসাহ প্রদান করবে।
যারা ঢাকা এবং বরিশালে ঐ সময়ে থাকতে পারবেন না, তারা ঐ সময়ে ফেইসবুক গ্রুপের সাথে সংযুক্ত থাকবেন, কারন পুরো মিটিং লাইভ কভারেজ করা হবে।

27/06/2019

○○○○ #নাগা_সন্ন্যাসীর_ইন্টারভিউ○○○○○

স্বামী সোমেশ্বরানন্দঃ

ভুমাগিরি নাগা-সন্ন্যাসী। কুম্ভমেলায় দেখা। উজ্জয়িনীতে। বসেছিলেন এক শিবিরের সামনে। মাটিতে। হাতজোড় করে প্রণাম জনিয়ে বললাম "ওঁ নমো নারায়ণায়"। তিনি সাড়া দিলে বসে পড়লাম তার সামনে, মাটিতে আসন করে।
#প্রশ্ন করি: মহারাজের আশ্রম কোথায়?
●বললেন -- উত্তরকাশীর কাছে, হিমালয়ে।
#আশ্রমে ক'জন থাকেন? মন্দির আছে?
●19জন সাধু থাকেন। মন্দির নেই। হলঘরে বড় শিবলিঙ্গ। সেখানেই সাধুরা ধ্যান করেন।
#জিজ্ঞেস করলাম: আপনাদের দিন কীভাবে কাটে?
● ভোরে উঠে বাইরে স্নান করতে যাই। ফিরে এসে ধ্যান। 2-3ঘন্টা ধ্যান করে বই পড়ি। মধ্যাহ্নভোজনের পর একঘন্টা বিশ্রাম করে আবার ধ্যান। বিকেলে পাহাড়ি পথে কিছুক্ষণ হেঁটে সন্ধ্যায় আরতি, ধ্যান।
#সকালে ভিক্ষায় যাননা?
●আমরা তো ভিক্ষা করিনা। ঈশ্বরের ইচ্ছায় যা পাই, খাই। কয়েকজন লোক ও সমিতি খাবার পাঠান। এতেই চলে যায়। একবেলা খাই।
#আপনরা কি খাটিয়ায় ঘুমোন? কম্বল গায়ে দেন?
●না, মাটিতে ঘুমাই। কম্বল নয়, শীত করলে গায়ে বিভূতি (ছাই) মেখে নিই।
ো কঠোরতা কেন? শরীরকে কষ্ট দেওয়া!
●কষ্ট নয়, সাধনা। দেহের উপর মনের বিজয়, জড়ের উপরে চেতনার আধিপত্য।
#আপনারা সবসময় ধ্যান করেন। সমাজসেবা করেননা কেন? মানুষের এতো দুঃখ কষ্ট!
●তুমি কি কোনো বিজ্ঞানীকে বলবে ল্যাবরেটরী ছেড়ে এসে সমাজসেবা করতে? এই যে অসংখ্য সাধু-সন্ন্যাসী জপধ্যান করছেন, তাদের দিব্য চিৎ তরঙ্গ সূক্ষ্মভাবে সমাজের কল্যাণ করছে।

#মহারাজ, নাগা সাধুরা উলঙ্গ থাকেন কেন?
●সন্ন্যাসী সব ছেড়েও কিছু প্রতীক ধারণ করেন। বৈষ্ণব সাধুরা মাথায় শিখা রাখেন, দশনামীরা মুণ্ডিত মস্তক। কেউ কপালে তিলক দেন, কেউ কপালে বিভূতি, কেউবা কানে কুণ্ডল। কেউ সাদা কাপড়, কেউ লাল, কেউ আবার গেরুয়া। নাগা সাধুরা সেসবও ব্যবহার করেননা। তাই উলঙ্গ।
#নাগা_সাধুরা হাতে অস্ত্র রাখেন কেন?
●বিদ্যারণ্য মুনি নাগা সাধু সম্প্রদায় তৈরি করেছিলেন মুসলমান অত্যাচারীদের হাত থেকে হিন্দুদের রক্ষা করতে। আমরা হলাম সৈনিক। তাই আমাদের হাতে তরোয়াল, ত্রিশূল, অস্ত্র।
#কুম্ভমেলায় নাগাসাধুরা প্রথমে স্নান কেন করেন?
●সেনাবাহিনী আগে গিয়ে দেখবে রাস্তায় বিপদ আছে কিনা। তারা গ্রীন সিগন্যাল দেবে স্নানের।

#শুনেছি, সন্ন্যাসী হওয়ার আগে আপনি সফ্টওয়ার ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন, বিদেশী কোম্পানিতে। ভাল চাকরি, প্রচুর টাকা। সব ছেড়ে দিলেন কেন?
●বেতন 10হাজার হোক কি 1লাখ 10হাজার, জীবন তো সেই একই রকম। রোজ সকালে ব্রেকফাস্টের পর অফিস, সারাদিন কাজ করে বাড়ি ফেরা, চা খেতেখেতে টিভি দেখা, পরে ডিনার ও শেষে ঘুমোনো। হাঁফিয়ে উঠেছিলাম-- এই কি জীবন? অর্থহীন অস্তিত্ব! একবার গঙ্গাসাগরে দেখা হলো এক নাগা সাধুর সাথে। পরে তাদের আশ্রমেও গেলাম, হিমালয়ে। এক বছর বাদে চাকরি ছেড়ে যোগ দিলাম সেখানে।
#কি_পেলেন সাধু হয়ে? এত সাধনা করে?
●নিজের মধ্যে এক স্থির সত্তাকে। জগত ও জীবনের তাত্পর্য খুঁজে পেলাম।
#আপনার সাধন পথটি কি?
●নাগারা জ্ঞান মার্গের সাধক। শঙ্করাচার্য পন্থী। শিব-উপাসক। আমরা দশনামী সন্ন্যাসী। নির্বাণী ও নিরঞ্জনী আখাড়াতেই বেশি নাগা পাবেন।
#সন্ন্যাসী উলঙ্গ থাকলেই কি তিনি নাগা?
●জৈন ধর্মের দিগম্বর সাধুরাও কাপড় পরেননা। নাগা সাধুর জটাকে বলে #নাগজটা। জটা থেকে চুলের গুচ্ছ নেমে আসে দড়ির মতো পাকিয়ে। রামকৃষ্ণ-গুরু তোতাপুরীর এই নাগজটা ছিল। চুল এমন পাকানো না থাকলে বলা হয় শম্ভুজটা। বিজয় গোস্বামীর ছবিতে যেমন দেখা যায়। আর জটা ছোট হলে তা বাবরান জটা।

প্রশ্ন করলাম : #কুম্ভমেলার পর আপনি কি আশ্রমে ফিরে যাবেন কিংবা অন্য কোথাও?
●আশ্রমে। প্রতি বছর একবার তীর্থযাত্রা করি। তিন মাসের মতো বাইরে থাকি। এ-বছর কুম্ভমেলা, গত বছর পরশুরাম কুন্ডে (আস্যাম-অরুণাচলের বর্ডারে)। আশ্রমের অন্য সাধুরাও এভাবে যান।
#কিন্তু কোনো ট্রেনে বা বাসে নাগাসাধুকে দেখিনি কখনো!
●আমরা হেঁটেই যাই সব জায়গায়।
#একটা ব্যক্তিগত প্রশ্ন করি। আপনি তো উচ্চশিক্ষিত, ইঞ্জিনিয়ার। নিরক্ষর উলঙ্গ সাধুদের সাথে থাকতে অসুবিধা হয়না?
●আপনি হয়তো জানেননা যে প্রচুর উচ্চশিক্ষিত সাধু আছেন সমাজে। আমাদের আশ্রমেই আছেন প্রাক্তন IAS অফিসার, ফিল্মস্টার, পাইলট। আরেকটা কথা। একজন মানুষ উচ্চশিক্ষিত বা নিরক্ষর, তারচেয়েও বড় কথা সে ভালমানুষ কিনা।

(আগামী বই #ধর্মের_খোঁজে_এক_সন্ন্যাসী থেকে সংক্ষেপে এক অংশ উপরের লেখাটি।)

Address

Ramakrishna Mission
Barishal
8200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ramakrishna Mission Barisal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share