দঃ চাঁদত্রিশিরা শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দির

  • Home
  • Bangladesh
  • Barishal
  • দঃ চাঁদত্রিশিরা শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দির

দঃ চাঁদত্রিশিরা শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দির স্থাপিত -১৯৭২

১২ মাসে ১৩ পার্বন।
07/01/2023

১২ মাসে ১৩ পার্বন।

শিক্ষণীয় একটা পোস্ট 🌿সবাই পড়বেন।আমি যেভাবে জ্ঞানপাপী হিন্দু হওয়া থেকে বাঁচলাম!!!!!!!আমার বয়স যখন ৫ থেকে ১৫ বছর,যখন আমার ...
13/11/2021

শিক্ষণীয় একটা পোস্ট 🌿
সবাই পড়বেন।

আমি যেভাবে জ্ঞানপাপী হিন্দু হওয়া থেকে বাঁচলাম!!!!!!!

আমার বয়স যখন ৫ থেকে ১৫ বছর,
যখন আমার অন্য ধর্মীয় বন্ধুরা সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি তাদের ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করতো তখন আমি সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি নাচ,গান,আর্ট স্কুলে দৌড়াই,আমি শিল্পকলায়,স্কুলে নাচি আর গান গাই।

আমার বয়স যখন ১৬ থেকে ২৫ বছর,
তখন আমি অন্যান্য ধর্মীয় বন্ধুদের কাছ থেকে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হই,

হিন্দুরা কেন মূর্তিপূজা করে?
মূর্তি খায় না,মশা মাছি তাড়াতে পারে না,এ আবার কেমন সৃষ্টিকর্তা?
হিন্দুরা কেন মৃতদেহ জ্বালিয়ে ফেলে?
বেদে,গীতায় নাকি মূর্তিপূজা নিষিদ্ধ!!
উত্তরায়ন বেদে,অল্লোপনিষদে নাকি আল্লাহর,নবীর কথা বলা আছে!!
হিন্দুরা কেন গরু খায় না?
হিন্দুদের জীবনের মূল লক্ষ্য কি?

আমি তাদের উত্তর দিতে পারিনা !
কারণ,আমি কোনদিন কোন ধর্ম বই পড়িনি !গীতা,বেদ,উপনিষদ পড়িনি !

আমার মা সবসময় স্কুলের বই পড়াতেন আর বলতেন,
"ভালো রেজাল্ট করতে হবে!A + পেতে হবে! ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে!বেশী টাকা আয় করতে হবে!!যেখানে টাকা নেই,লাভ নেই সেখানে আমার মা বাবা যেতে দিতেন না!বেদ,গীতা
,উপনিষদ পড়লে পরীক্ষায় A+ পাবো না,
A+ না পেলে ভালো চাকরী,টাকা পাবো না তাই ওগুলো পড়ে সময় নষ্ট!"

এই লাভ লোকসানের হিসাবটা আমাদের বংশের ধারা, আমার দাদু ঠাকুমাও আমার বাবাকে লাভ,লোকসানের হিসাব ভালোই শিখিয়েছিলেন।

তাই,বুড়ো বাবা মা ঘরে রাখলে লাভ হবেনা,অযথা খরচ ভেবে আমার বাবা উনাদের বৃদ্ধাশ্রমে রেখে এসেছেন!

তো আমি প্রশ্নের উত্তর গুলো খুঁজতে,

পুরোহিতের কাছে গেলাম,
উনি হু!!!!হা!!!!!এএএএএ!!!! বলে চলে গেলেন!!
কারণ,উত্তরগুলো উনিও জানেন না।উনার কাছে ধর্মবই মানে পুরোহিত দর্পণ, পঞ্জিকা।যেগুলো দিয়ে পেটপুঁজি চলে।বোকা হিন্দুগুলোর এটাই ইচ্ছা,মন্ত্রের অর্থ না জানলেও চলবে,পুরোহিতের পেছনে বসে মন্ত্রপাঠই কেবল ধর্ম!

আমার বাবা মার গুরু আসলে উনার কাছে গেলাম,
উনি তার শিষ্যদের কোন জ্ঞান না দিলেও নিজের এঁটো খাওয়ানোর জন্য থালা আনতে ডাকছেন।গুরুকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলে উনি বললেন,"কলিযুগে নামই সব।এত জানার দরকার নেই!"

আমি গেলাম কীর্তন আসরে,
কীর্তনে কৃষ্ণ লীলা বলতে শুধু জটিলা, কুটিলা, বড়াই,রাধা,যমুনা !!অথচ কৃষ্ণের জীবনের মূল ছিলো গীতা,মহাভারত, ভাগবত,মুক্তি, মোক্ষলাভ!
সেখান থেকেও আমি হতাশ হয়ে ফিরে এলাম!

আমি গেলাম পূজায়,
পাড়ার ছেলেমেয়েদের উদ্যম নাচ,Dj গান আর মাতলামির ধাক্কাধাক্কিতে আমি ঠাকুর মশাই অবধি যেতেও পারলাম না।

হতাশ হয়ে গীতা,বেদ,উপনিষদ কিনে পড়া শুরু করলাম।

♥♥♥আমি জানলাম,
মূর্তি ভগবান না!!!!!!! এটি কাঠ,মাটি দিয়ে তৈরী একটা উদাহরণ মাত্র!!
তাই,মূর্তি খায় না,মূর্তিতে মশা মাছি বসতে পারে,মূর্তি ভেঙ্গে অনেক মূর্খ ভাবে হিন্দুদের সৃষ্টিকর্তাকে ভেঙেছি।

মূর্তি হিন্দুদের সৃষ্টিকর্তাও না!!!!!!
মূর্তি হলো সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের অসংখ্য রূপের একটি রূপক মাত্র,যেটা কেবলমাত্র একটা চিহ্ন।যেটার মাধ্যমের ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি প্রকাশ করা হয় মাত্র।ভক্তের ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি প্রকাশের একটা মাধ্যম।

হিন্দু শাস্ত্র মতে ঈশ্বরের নিরাকার, সাকার দুই রূপেই বিরাজিত।ঈশ্বরের সাকার রূপ হলো দেবদেবী আর নিরাকার রূপ হলো আকৃতিবিহীন।বর্তমান যুগে আমাদের অশান্ত মনকে শান্ত করতে একটা মাধ্যম প্রয়োজন হয়,তাই মূর্তিকে মাধ্যম হিসেবে ধরলে ঈশ্বর আরাধনা সহজ হয়।

আমরা যখন প্রার্থনায় বসি তখন ঈশ্বরের রূপ মূর্তি বা ছবি হিসেবে সামনে থাকলে প্রার্থনায় মন বসানো যায়।
ঈশ্বরকে সহজে কল্পনা করা যায়।
ভগবানের অস্তিত্ব উপলব্ধি করা যায়।
যেমন,ক্লাসে সমগ্র বিশ্বকে বুঝাতে ম্যাপ বা গ্লোব ব্যবহার হয়।এতে ছাত্রছাত্রীরা সহজে বিশ্ব সম্পর্কে জানতে পারে।
ঠিক তেমনি মূর্তির মাধ্যমে ঈশ্বরের রূপকে সহজে বুঝানো হয়।

একটা ম্যাপ বা গ্লোব মানে যেমন সমগ্র পৃথিবী না,তেমনি মূর্তি মানেই হিন্দুদের ভগবান না।

♥♥♥ আমি জানলাম,
বেদে,গীতায় আল্লাহ,নবীর কথা লিখা নেই।
উত্তরায়ণ বেদ আর অল্লোপনিষদ নামে কোন বেদ,উপনিষদ নেই।এগুলো হিন্দুদের বিভ্রান্ত করার জন্য,বোকা বানানোর জন্য সম্রাট আকবরের সময় লিখা হয়েছিলো।

♥♥♥আমি জানলাম,
হিন্দুধর্মে মূর্তিপূজা নিষেধ না। মূর্তিপূজা নিষেধ বলে যে মন্ত্র বলা হয় এগুলো বিকৃত অর্থে প্রচারিত।

✍️(যজুর্বেদ ৪০/৯)
অন্ধং তমঃ প্রবিশন্তি যেহ সংভূতি মুপাস্তে।
ততো ভুয় ইব তে তমো য অসম্ভুত্যাঃ রতাঃ।।

✍️সরলার্থঃ যারা সকামকর্ম(অর্থাৎ ফলের আশায় কাজ করা,স্বার্থপরতা,লোভ ইত্যাদি) আসক্ত হয় তারা অন্ধকারে প্রবেশ করে এবং যারা "অসম্ভুত্যাং" অর্থাৎ বিধ্বংসী কার্যকলাপে লিপ্ত হয় তারা আরো অন্ধকারে প্রবেশ করেন।
✍️এখানে,
**প্রবিশ্যন্তি- প্রবেশ করে
**সম্ভুতি- সকাম কর্ম
**মু উপাস্তে- সংযুক্ত হওয়া
**রত্যাঃ- আসক্ত হওয়া

👉বিকৃত অর্থ - প্রকৃতির পূজা করলে অন্ধকারে নরকে যাবে,আর কার্যব্রহ্মে মানে মাটি দিয়ে কিছু বানানো, একদম স্পষ্ট, একদম স্পষ্ট ভাবে মূর্তিপূজা নিষিদ্ধ!

✍️(যজুর্বেদ ৩২/৩)
ন তস্য প্রতিমা অস্তি যস্য নাম মহদ্ যশঃ।
হিরণ্যগর্ভ ইত্যেষ মা মা হিংসীদিত্যেষা যস্মান্ন জাত ইত্যেষঃ।।
✍️এখানে যে প্রতিমা শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে তা সংস্কৃত শব্দ প্রতিম এর সাথে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে। প্রতিম শব্দের অর্থ তুল্য বা সমতুল্য।
এখানে এর সরলার্থ করলে হবে নিরাকার ব্রহ্মের সমতুল্য কেউ নেই।
কিন্তু এখানে ও বলা নেই যে দেব-দেবীর পূজা করা যাবে না। কারণ দেব-দেবী ঈশ্বরেরই সাকার রূপ।

👉ভূল ব্যাখ্যাঃ-তারা এর ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে থাকে এবং তারা যে লাইন ব্যবহার করে তা নিম্নরুপঃ
"ন তস্য প্রতিমা অস্থি"
এবং তাদের কথা হচ্ছে যেহেতু প্রতিমা অর্থ ইংরেজিতে sculpture, icon etc. তাই এখানে বলা হয়েছে ঈশ্বরের কোনো প্রতিমা নেই। যা সম্পূর্ণ ভুলভাবে তারা উপস্থাপন করে থাকে। যদি তাদের এই ব্যবহার করা মাত্র দুইলাইন শব্দ নিই সম্পূর্ণ মন্ত্র থেকে
👉"ন তস্য প্রতিমা অস্থি"
তদাপি এখানে তাদের ব্যাখ্যা কোনোভাবেই আসে না। এখানে এর সরলার্থ হয় ঈশ্বরের সমতুল্য কেউ নেই। কিন্তু তার সাকার রূপকে দেব-দেবী মেনে পূজা নিষিদ্ধ এটা কোথাও নেই৷

♥♥♥আমি জানলাম,
হিন্দুরা মৃতদেহ জ্বালায় কারণ,হিন্দু শাস্ত্রমতে মৃতদেহ প্রকৃতির পঞ্চভূত(পাঁচটি জিনিসে) তৈরী।তাই মৃতদেহকে এই পঞ্চভূতে মেশানোর উদ্দেশ্যেই জ্বালিয়ে ভস্ম নদীতে ফেলা হয়।তবে মুখাগ্নি করে মৃতদেহ মাটিতে সমাধি করারও বিধান আছে।
আর মৃতদেহের কোন অনুভূতি নেই।পুড়ালে যা,মাটিতে দিলেও তা।
তাই পুড়িয়ে আগুনে মেশানোকে অমানবিক আর মাটিতে পঁচিয়ে,দুর্গন্ধযুক্ত করে মেশানোকে মানবিক বলা যাবে না।দুটোই সমান।

♥♥♥আমি জানলাম,
বেদে গোহত্যা, গোমাংস খাওয়া নিষেধ।তাই হিন্দুরা গোমাংস খায় না।গোহত্যা করে না।

♥♥♥আমি জানলাম,
হিন্দুদের জীবনের মূল লক্ষ্য মোক্ষ লাভ বা মুক্তি লাভ।সুখ দূঃখের উর্দ্ধে উঠে পরমাত্মা(ঈশ্বরের) কাছে যাওয়া।ঈশ্বর লাভ করা।

আসুন, সনাতনী হিন্দু ভাইবোনেরা নিজেরা ধর্মজ্ঞান অর্জন করি।বাচ্চাদের শিখাই।আর কোন হিন্দু যেনো জ্ঞানপাপী না হয়।

স্বর্গের লোভ নয়,নয় নরকের ভয়।
সৃষ্টিকর্তাকে ভয় নয়,ভালোবাসুন।
আসুন মুক্তির পথে সত্য,শান্তি,সুন্দর সনাতনে।

Collected

জয় মা 🙏🙏🙏

We demand safety of Bangladeshi Hindus.✊
16/10/2021

We demand safety of Bangladeshi Hindus.✊













07/04/2021

শ্রীকৃষ্ণ_প্রণাম_মন্ত্র_।।_Sri_Krisna_Pranam_Mantra_।।

প্রশ্ন: আমি কেন শ্রীকৃষ্ণের ভক্ত হব.???উত্তরঃ এই পৃথিবীর প্রতিটি মানুষই কারো না কারো ভক্ত।যেমন,কোন মানুষ মেসির ভক্ত,কেউ...
20/02/2021

প্রশ্ন: আমি কেন শ্রীকৃষ্ণের ভক্ত হব.???

উত্তরঃ এই পৃথিবীর প্রতিটি মানুষই কারো না কারো ভক্ত।যেমন,কোন মানুষ মেসির ভক্ত,কেউ নেইমারের ভক্ত,কেউবা শচীন টেন্ডুলকার ভক্ত,কেউবা অনুকূল ঠাকুরের ভক্ত,কেউ রামকৃষ্ণের ভক্ত,কেউ লোকনাথের ভক্ত,কেউবা শিব-কালীর ভক্ত,কেউবা গণেশ-কার্তিকের ভক্ত।এভাবে এই পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ কারো না কারো ভক্ত।তো আপনি কেন শ্রীকৃষ্ণের ভক্ত হবেন,তা নিচে আলোচনা করছি....
অনন্ত কোটি বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ডের একমাত্র মালিক হলেন পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং তিনি হলেন অনাদির আদি গোবিন্দ ও সর্বকারনের পরম কারন(ব্রহ্মসংহিতা--১/১)।শ্রীকৃষ্ণ থেকে শ্রেষ্ট বা তার সমান আর কেউ নেই(গীতা-৭/৭)।শ্রীকৃষ্ণ হলেন সব কিছুর উৎস(গীতা-১০/৮)। পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সকল জীবের বীজ প্রদানকারী পিতা(গীতা--১৪/৪)।তিনি হলেন সকল জীবের সুহৃদ বা বন্ধু(গীতা- ৫/২৯)।শ্রীকৃষ্ণ তার ভক্তকে রক্ষা করার জন্য অসুরদের বিনাশ করার জন্য এবং ধর্ম সংস্থাপন করার জন্য যুগে যুগে পৃথিবীতে অবতরণ করেন(গীতা-৪/৮)।কেবল মাত্র শ্রীকৃষ্ণের শরণাগত হওয়ার ফলেই সমস্ত পাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়(গীতা-১৮/৬৬)শ্রীকৃষ্ণের ভক্ত হলে আমরা শ্রীকৃষ্ণকে লাভ করতে পারব(গীতা-৭/২৩,১৮/৬৫)।শ্রীকৃষ্ণকে লাভ করলে বা শ্রীকৃষ্ণের ধামে গেলে আর আমাদের এজগতে ফিরে আসতে হবে না(গীতা--৮/১৬)।শ্রীকৃষ্ণের ধাম চিন্তামনি দ্বারা রচিত,কল্পবৃক্ষ দ্বারা আবৃত ও সেই আনন্দময় ধামে সমস্ত বাসনা পূর্ণকারী সুরভী গাভী রয়েছে(ব্রহ্মসংহিতা-৫/২৯)।এই ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মাজী শ্রীকৃষ্ণের ভক্ত(ব্রহ্মসংহিতা --৫৫/৩০)।শিবজী বলেছেন-শ্রীকৃষ্ণ বা বিষ্ণুর আরাধনাই শ্রেষ্ঠ(পদ্মপুরান)।

আপনি একটু চিন্তা করুন,যেখানে শিবজী বলছেন শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা করা হলো শ্রেষ্ট।যেখানে ব্রহ্মাজী কৃষ্ণের ভক্ত।যেখানে পঞ্চপাণ্ডব শ্রীকৃষ্ণের ভক্ত।যেখানে ব্যাসদেব-শুকদেব গোস্বামী-শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু শ্রীকৃষ্ণের ভক্ত, সেখানে আপনি কেন শ্রীকৃষ্ণের ভক্ত হবেন না....???

আসুন,আমরা সবাই শ্রীকৃষ্ণের ভক্ত হই....!!!

হরেকৃষ্ণ হরেকৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

নমস্কার কি? নমস্কার কি সকলকে জানানো যায়? নমস্কার জানাতে হাত জোড় করা হয় কেন ?-------------------------নমস্কার বা নমস্ত...
04/01/2021

নমস্কার কি? নমস্কার কি সকলকে জানানো যায়? নমস্কার জানাতে হাত জোড় করা হয় কেন ?
-------------------------

নমস্কার বা নমস্তুতেবাঃ সংক্ষেপে নমস্তে হচ্ছে বৈদিকযুগ হতে প্রচলিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কর্তৃক ব্যবহৃত অভিবাদনসূচক শব্দ। সাধারণত দুই হাত জোড় করে ‘নমস্কার’ শব্দটি উচ্চারণ করা হয়ে থাকে বলে একে অঞ্জলি মুদ্রা বা প্রণামও বলা হয়।

‘নমস্কার’ শব্দটি এসেছে মূল সংস্কৃত শব্দ ‘নমঃ’থেকে যার আভিধানিক অর্থ সম্মানজ্ঞাপনপূর্বক অবনত হওয়া।

ইদানিং সনাতন ধর্ম বিরোধী নানা কুপ্রচারণার অংশ হিসেবে একশ্রেণীর কুচক্রী মহল প্রচার করে চলেছে যে , যেহেতু,নমস্কার শব্দটি অবনত হওয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট তাই সাধারণ জনগণকে নমস্কার জানানো উচিত নয় ।
দেখা যাক,এ সম্পর্কে বৈদিক শাস্ত্র কি বলে !

“যো দেবো অগ্নৌ যো অপসু যো বিশ্বং ভূবনাবিবেশ য ওষধীষু যো বনস্পতি তস্মৈ দেবায় নমো নমঃ॥”(শ্বেতাশ্ব তর উপনিষদ ২-১৭)

“যোগ যেমন পরমাত্মার দর্শনের সাধন বা উপায় ,নমস্কারাদিও অনুরূপ বলিয়া তাঁহাকে নমস্কার জানাই।”
তিনি কিরুপে?তিনি দেব অর্থাত্‍ পরমাত্মার প্রকাশভাব । তিনি কোথায়?

তিনি আছেন অগ্নিতে,জলে,তৃণ -লতাদিতে, অশ্বাথাদি বৃক্ষে,তিনি এই বিশ্বভুবনে অন্তর্যামীরুপে অণুপ্রবিষ্ট হইয়া আছেন।”
তাই যখন কাউকে নমস্কার জানানো হয় তখন মূলত সর্বজীবে অন্তর্যামীরুপে অবস্থিত পরমাত্মাকেই প্রণতি নিবেদন করা হয় ,কোন মনুষ্যদেহকে নয় । সুতরাং,নমস্কার সকলকেই জানানো যায়।

দুইহাত জোড় মূলত অহম্ ত্যাগ পূর্বক বিনয়ভাব প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়।
সংস্কৃতিভেদে করজোড়ে কিছুটা বৈচিত্র্য দেখা যায় যেমন দেবতাদের উদ্দেশ্যে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করতে সাধকরা মাথার উপরে দু’হাত জোড় করে থাকেআবার কোন ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাতে নমস্কার জানাতে বুকের বরাবর হাত জোড় করা একই সাথে পরমাত্মাকে প্রণতি ও আয়ুষ্মান (দীর্ঘায়ু কামনা) -কে নির্দেশ করে।

আমাদের মন্দিরের দূর্গা প্রতিমা।
24/10/2020

আমাদের মন্দিরের দূর্গা প্রতিমা।

আমাদের মন্দিরের প্রতিমা ❤️
23/10/2020

আমাদের মন্দিরের প্রতিমা ❤️

25/08/2020

Address

দঃ চাঁদত্রিশিরা শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দির
Barishal
8242

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দঃ চাঁদত্রিশিরা শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দির posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share