UjjvalaRupa Nitai Das

UjjvalaRupa Nitai Das My journey as a devotee is best described as a series of ups and downs.

After the initial hope of meeting Krishna and understanding the real goal of life, the bliss wears off and you understand how deep-rooted are the material contaminations in the heart.

Post No - 268আজ পবিত্র বরুথিনী একাদশী!পারন আগামীকাল ৫:২১ থেকে ৯:৪৪!যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণকে বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষের ...
04/05/2024

Post No - 268
আজ পবিত্র বরুথিনী একাদশী!
পারন আগামীকাল ৫:২১ থেকে ৯:৪৪!

যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণকে বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম ও মহিমা সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে শ্রীকৃষ্ণ বললেন, ইহলোক ও পরলোকে বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী ‘বরুথিনী’ নামে বিখ্যাত। এই ব্রত পালনে সর্বদা সুখ লাভ হয় এবং পাপক্ষয় ও সৌভাগ্য প্রাপ্তি ঘটে। দুর্ভাগা স্ত্রীলোক এই ব্রত পালনে সর্বসৌভাগ্য লাভ করে থাকে। ভক্তি ও মুক্তি প্রদানকারী এই ব্রত সর্বপাপহরণ এবং গর্ভবাস যন্ত্রণা বিনাশ করে। এই ব্রত প্রভাবে মান্ধাতা, ধুন্ধুমার আদি রাজারা দিব্যধাম লাভ করেছেন। এমনকি মহাদেব শিবও এই ব্রত পালন করেছিলেন। দশ হাজার বৎসর তপস্যার ফল কেবলমাত্র এক বরুথিনী ব্রত পালনে লাভ হয়। যে শ্রদ্ধাবান ব্যক্তি এই ব্রত পালন করেন তিনি ইহলোক ও পরলোকে সমস্ত প্রকার আকাঙ্ক্ষিত ফল লাভ করেন।

অশ্বদান, গজদান, ভূমিদান, তিলদান, স্বর্ণদান, অন্নদান, কন্যাদান, গোদানকে অন্নদান, গোদান এই সমস্ত প্রকার দান থেকে বিদ্যাদান শ্রেষ্ঠ। কিন্তু এই বরুথিনী ব্রত পালনে সেই বিদ্যাদানের সমান ফল লাভ হয়ে থাকে।

পাপমতি যে সব মানুষ কন্যার উপার্জিত অর্থে জীবনধারণ করে, পুণ্যক্ষয়ে তাদের নরকযাতনা ভোগ করতে হয়। তাই কখনও কন্যার উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করা উচিত নয়। যে ব্যক্তি বিভিন্ন স্বর্ণালঙ্কার সহ কন্যাদান করেন তাঁর পুণ্যের হিসাব স্বয়ং চিত্রগুপ্তও করতে অসমর্থ হন। কিন্তু ‘বরুথিনী’ ব্রত পালনকারী কন্যাদান থেকেও বেশি ফল লাভ করে।

ব্রতকারী ব্যক্তি দশমীর দিনে কাঁসার পাত্রে ভোজন, মাংস, মসুর, ছোলা, শাক, মধু, অন্যের প্রদত্ত অন্নগ্রহণ, দুইবার আহার ও মৈথুন পরিত্যাগ করবে। দ্যূতক্রীড়া, নেশাজাতীয় দ্রব্য, দিবানিদ্রা, পরনিন্দা-পরচর্চা, প্রতারণা, চুরি, হিংসা, মৈথুন, ক্রোধ ও মিথ্যাবাক্য একাদশীর দিনে বর্জনীয়। কাঁসার পাত্রে ভোজন, মাংস, মসুর, মধু, তেল, মিথ্যাভাষণ, ব্যায়াম, দুইবার আহার ও মৈথুন এসব দ্বাদশীর দিনে পরিত্যাজ্য।

এই বিধি অনুসারে বরুথিনী ব্রত পালনে সকল প্রকার পাপের বিনাশ এবং অক্ষয় গতি লাভ হয়। যিনি হরিবাসরে রাত্রিজাগরণ করে ভগবান জনার্দনের পূজা করেন, তিনি সর্বপাপ মুক্ত হয়ে পরমগতি লাভ করেন। তাই সূর্যপুত্র যমরাজের যাতনা থেকে পরিত্রাণের জন্য পরম যত্নে এই একাদশী ব্রত পালন করা কর্তব্য। বরুথিনী একাদশীর ব্রতকথা শ্রদ্ধাভরে পাঠ বা শ্রবণ করলে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয় এবং সর্বপাপ থেকে মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোকে গতি হয়।

Post No - 267✅অরিজিনাল  সাবুদানা  চিনার উপায় 👇👇👉প্রথমেই বলবো অরিজিনাল সাবুদানা দেখতে  কেমন হবে,,,  #অরিজিনাল সাবুদানা  হ...
01/05/2024

Post No - 267
✅অরিজিনাল সাবুদানা চিনার উপায় 👇👇

👉প্রথমেই বলবো অরিজিনাল সাবুদানা দেখতে কেমন হবে,,,
#অরিজিনাল সাবুদানা হবে পানির মতো স্বচ্ছ কাচের টুকরোর মতো,,, প্রথম দেখায় প্লাস্টিকের দানা ও ভেবে ফেলতে পারেন (ভয় নেই এটাই অরিজিনাল সাবুদানার প্রধান বৈশিষ্ট্য)

👉তারপর ১টা বাটিতে কিছু পানি নিয়ে এতে সাবুদানা দিয়ে দিন, মিনিট খানিক অপেক্ষা করেন বা চামচ দিয়ে নেড়ে নিন দেখবেন পানি স্বচ্ছ আছে কিনা,,, পানি যদি দুধের মতো সাদা হতে শুরু করে তাহলে অবশ্যই এটা নকল /আটার সাবুদানা।

👉এবার আসি রান্নার পর্যায়ে ,,, চুলায় হাড়িতে পানি এবং সাবুদানা (অবশ্যই ধুয়ে নিবেন) দিয়ে দিন । হালকা করে নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না বলক আসে,
পানি বা দুধ পর্যাপ্ত পরিমাণে দিবেন এবং দানা গুলো পরিপূর্ণ সিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন ,,, রান্না হ'য়ে গেলে সাবুর দানা গুলো ট্রান্সপারেন্ট হয়ে যাবে ।
হালকা চাপ দিয়ে দেখবেন নরম হয়েছে কিনা।

👉মনে রাখবেন সকল খাবার ভালো ভাবে রান্না করবেন নয়তো হজম ভালো হবে বলে ।

👉দেখতে ত প্লাস্টিকের মতো , তাহলে কেন বিশ্বাস করবেন যে এটা প্লাস্টিক নয়❓

চুলায় কড়াই /তাওয়ায় হালকা টেলে নিতে পারেন অথবা সরাসরি চুলার আগুনে ছেড়ে দিন কয়েক দানা, এবার লক্ষ্য করুন ছাই হয়ে যায় কিনা ❗

প্লাস্টিক হলে নিশ্চয়ই ছাই হয়ে যাবে না,,, স্টিকি হয়ে চুলায় লেগে প্লাস্টিক পুড়া গন্ধ বের হবে ।

Post No - 265🔴কেন বৈশাখ মাসে তুলসী বৃক্ষে জলধারা দান কর্তব্য? এক্ষেত্রে বৈশাখ মাসের বিশেষ কোন মাহাত্ম্য আছে কি? বৈশাখ মা...
15/04/2024

Post No - 265
🔴কেন বৈশাখ মাসে তুলসী বৃক্ষে জলধারা দান কর্তব্য? এক্ষেত্রে বৈশাখ মাসের বিশেষ কোন মাহাত্ম্য আছে কি? বৈশাখ মাসে তুলসীতে জল দান আর অন্যান্য মাসে তুলসীতে জল দানের মধ্যে পার্থক্য কি?

👉উত্তর : প্রত্যেক মাসে প্রতিদিনই ভক্তগণ সকালে শ্রীকৃষ্ণপ্রিয়া তুলসীরে স্নান করিয়ে এই মন্ত্র বলে থাকেন –

ওঁ গোবিন্দবল্লভাং দেবীং ভক্তচৈতন্যকারিণীং ।
স্নাপয়ামি জগদ্ধাত্রীং কৃষ্ণভক্তিপ্রদায়িনীম্ ॥

সাধারণত গৃহ বা মন্দির মধ্যে জলটি তুলসী বৃক্ষের মূলে দেওয়া হলেও তুলসীর সর্বাঙ্গে সামান্য ছিটিয়ে দেওয়া হয়। বাগানমধ্যে তুলসীমূলে তো দিতেই হয়, এমনকি রোজ শাখা প্রশাখা পাতায়ও জল সেচন করে ধুয়ে দেওয়া কর্তব্য যাতে বৃক্ষের ক্ষতি না হয়। বৈশাখ মাসটি আমাদের দেশে নিদাঘ কাল। এ সময়ে প্রচণ্ড গরম ও সূর্যের তেজে গাছপালার কোমল পাতা পর্যন্ত ঝলসে যায়। গাছ শুকিয়ে যায়। শ্রীহরির প্রিয় তুলসীতে জলধারা দিয়ে বৃক্ষকে সুস্থ স্নিগ্ধ রাখার প্রথাও পুরাকাল থেকেই চলে আসছে। পদ্মপুরাণে বৈশাখ মাহাত্ম্যে যমরাজের উক্তি-সকল জাতীয় পত্র অপেক্ষা তুলসী হচ্ছে কেশবের প্রিয়। আরও বলা হয়েছে, বৈশাখ মাসের পুণ্যবাসরে অর্থাৎ অক্ষয়তৃতীয়া বা একাদশী প্রভৃতি তিথিতে যারা শ্রীহরিপূজার জন্য তুলসীপত্র সংগ্রহ না করে, তাদের জীবনে, যৌবনে ও অর্থ সঞ্চয়ে ধিক্। কি ইহকাল, কি পরকাল, কোনকালেই তারা সুখ লাভ করতে পারে না। বৈশাখে উত্তপ্ত দিনগুলিতে ভগবানের স্নিগ্ধ চন্দন যাত্রা, সলিলবিহার, নৌকাবিলাস, শালগ্রামের স্নানরত থাকা ইত্যাদি অনুষ্ঠান সম্পাদন করে ভক্তরা ভগবদ কৃপাদৃষ্টি ও পরমানন্দ লাভ করে থাকেন। তুলসীপত্র বিনা ভগবানের পূজা, স্নান, ভোজন, পান হয় না। (তুলসীপাতা দিয়ে অন্য কোনও ব্যক্তির পূজা হয় না, কোন দেবদেবীর পূজা হয় না, একমাত্র শ্রীহরি বা বিষ্ণুতত্ত্বের পূজা করা হয়।) তাই ভক্তরা প্রখর বৈশাখে তুলসীবৃক্ষ যাতে নষ্ট না হয়ে যায় সেজন্য সূক্ষ্ম জলধারা দিয়ে ভক্তিদাত্রী তুলসীর যত্ন করে থাকেন। তুলসী ও শালগ্রামকে জলধারা দিলে হৃদয়ও ভক্তিপ্লুত স্নিগ্ধ সুন্দর হয়। 🙏

-----------------------------------------------

🔴 বৈশাখ মাসে অনেকে অশ্বত্থ, তুলসী বৃক্ষে জল দেন। কেন? ঐ মাসে কৃষ্ণভক্তদের কি নিয়ম পালন করা উচিত?

👉উত্তর : পদ্মপুরাণে বলা হয়েছে, মাসো মাধবো মাধবপ্রিয়ঃ। মাধব (বৈশাখ) মাস হচ্ছে মাধবের (শ্রীকৃষ্ণের) বিশেষ প্রিয় মাস। এই মাসে অশ্বত্থ তুলসী প্রভৃতি পবিত্র বৃক্ষে জল দিলে পবিত্রতা ও ভক্তি লাভ হয়। সংসারে লোক টাকাপয়সা চায়, আধিব্যাধি থেকে মুক্ত হতে চায়, দরিদ্রতা ঘুচাতে চায়, পরিবারের সবার মঙ্গল চায়, সুন্দরভাবে কৃষ্ণসেবা করতে চায়, পূর্বপুরুষের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে চায়, নানাবিধ উৎকণ্ঠা থেকে মুক্ত হতে চায়। আর পদ্মপুরাণে বৈশাখ-মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে—

যশ্চাপি নিঃস্বঃ পুরুষো মাধবে মাসি মাধবম্ ।
পুষ্পাচনবিধানেন পূজয়েন্মধুসূদনম্ ॥
সর্বপাপবিনির্মুক্তঃ পিতৃণাং তারয়েচ্ছতম্।
স জন্মশতসহস্ৰং ন শোকফলভাগ্‌ ভবেৎ ॥
ন চ ব্যাধিভয়ং তস্য ন দারিদ্র্যং ন বন্ধনম্ ।
স বিষ্ণুভক্তো জায়েত ধন্যো জন্মনি জন্মনি ৷৷

“দরিদ্র লোক যদি বৈশাখমাসে কেবল ফুল দিয়েও শ্রীকৃষ্ণের অর্চনা করেন, তা হলে অখিল পাতক থেকে মুক্ত হয়ে শত পিতৃকুল পরিত্রাণে সমর্থ হবেন। শত সহস্ৰ জন্ম ব্যাপী শোক দুঃখ তাঁর ঘুচে যাবে। আধিব্যাধি, দরিদ্রতা ও বন্ধন ভয় থেকে মুক্ত হবেন। জন্মে জন্মে কৃষ্ণভক্ত ও ধন্যবাদার্হ হয়ে থাকবেন।”

বৈশাখমাসে নিত্য প্রাতে পবিত্র জলে স্নান, বেশি করে হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ ও কীর্তন, ব্রত-উপবাস, নিরলসভাবে ভক্ত সেবা, ব্রহ্মচর্য ব্রত পালন, জলদান, আহার্য দান প্রভৃতি মাঙ্গলিক কর্ম সম্পাদনে শ্রীমাধবের বিশেষ কৃপাশীৰ্বাদ লাভ হয়।

দয়া করে পোস্টটির নিজস্ব মতামত জানান, এবং আপনার নিকটতম এবং প্রিয় ব্যক্তিদের সাথে লাইক ও শেয়ার করুন যাতে তারা ও কৃষ্ণভাবনাময় হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়... 🙏🙏🙏

Follow My Page.....👇👇👇
https://www.facebook.com/utshomitra2

"মঙ্গলময় ভীষ্ম পঞ্চক!Post No - 262জয়পতাকা স্বামীর পক্ষ থেকে,যারা ভীষ্ম পঞ্চক পালন করতে চান, তাদের ব্রতটি পূর্ণিমা তিথি প...
23/11/2023

"মঙ্গলময় ভীষ্ম পঞ্চক!
Post No - 262
জয়পতাকা স্বামীর পক্ষ থেকে,

যারা ভীষ্ম পঞ্চক পালন করতে চান, তাদের ব্রতটি পূর্ণিমা তিথি পর্যন্ত ব্রত পালন করা উচিত। এই বছর মায়াপুরে এই ব্রতটি ৪ ই নভেম্বর থেকে ৮ ই নভেম্বর পর্যন্ত পালিত হচ্ছে। সাধারণত এই ব্রতটি পাঁচদিনের। আপনাদের রাধাকৃষ্ণ বিগ্রহ অথবা অন্য যেকোন বিগ্রহকে ঘৃত প্রদীপ এবং ফুল নিবেদন করা উচিত। প্রথম দিন ভগবানের শ্রীচরণপদ্মে পদ্মফুল নিবেদন করা হয়। দ্বিতীয় দিন উরুতে বেলপাতা নিবেদন করা হয়। তৃতীয়দিন ভগবানের নাভিদেশে গন্ধদ্রব্য নিবেদন করা হয়। চতুর্থদিন ভগবানের স্কন্ধে জবাফুল নিবেদন করা হয়। আর পঞ্চমদিনে ভগবানের মস্তকে মালতীফুল নিবেদন করা হয়। যদি আপনি গঙ্গায় স্নান করতে এবং তর্পণ করতে যেতে না পারেন, তাহলে আপনি তিনবার ""গঙ্গা"" উচ্চারণ করতে পারেন এবং ভীষ্মদেবের উদ্দেশ্যে তর্পণ, অর্ঘ্য এবং প্রণাম নিবেদন করার সময় নিম্নোক্ত তিনটি মন্ত্র উচ্চারণ করতে পারেন।

তর্পণ
ওঁ বৈয়াগ্রপদ্য গোত্রায়
সংস্কৃতি প্রবরায় চ।
অপুত্রায় দদাম্যেতৎ
সলিলং ভীষ্মবর্মণে।।
অর্ঘ্য
বসুনামাবতারায়
শান্তনোরাত্মজায় চ।
অর্ঘ্যং দদামি ভীষ্মায়
আজন্ম ব্রহ্মচারিণে।।
প্রণাম
ওঁ ভীষ্ম শান্তনবো বীরঃ
সত্যবাদী জিতেন্দ্রিয়ঃ।
অভিরদ্ভিরবাপ্নোতু
পুত্রপৌত্রচিতাং ক্রিয়াম্।।

আপনাদের শুভাকাঙ্ক্ষী সর্বদা,
জয়পতাকা স্বামী

আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য,
ভীষ্ম পঞ্চক ব্রত
================

ব্রতটি ২৩শে নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) একাদশীর দিন থেকে শুরু হয় এবং ২৭শে নভেম্বর রাসপূর্ণিমার দিন পর্যন্ত চলবে (চাতুর্মাস্যের শেষ দিন। এই ব্রত রাসপূর্ণিমার দিন সূর্যাস্ত (অথবা চন্দ্রোদয়) পর্যন্ত সম্পন্ন হয়। সাধারণত একাদশীতে সম্পূর্ণ উপবাস এবং তারপর পরবর্তী চারদিন ফলমূল গ্রহণ করতে বলা হয়। অথবা কেউ পাঁচদিনই ফলমূল গ্রহণ করতে পারে।

ব্রতের ৩টি স্তর:
---------------------

ভক্তরা তাদের সুবিধামতো নিম্নোক্ত স্তরগুলোর যেকোনটি অনুসরণ করতে পারেন। এটি যেন তাদের সাধারণ ভক্তিমূলক সেবা ও দৈনন্দিন সাধনায় বিঘ্ন সৃষ্টি না করে।

১ম স্তর:

পঞ্চগব্যের একেকটি একেক দিনে গ্রহণ করা যেতে পারে।

১ম দিন: গোময়
২য় দিন: গোমূত্র
৩য় দিন: দুধ (ক্ষীর)
৪র্থ দিন: দধি
৫ম দিন: গোময়, গোমূত্র, দুগ্ধ, দধি ও ঘিয়ের মিশ্রণে তৈরি পঞ্চগব্য।

২য় স্তর:

যদি কেউ ১ম স্তর অনুসরণ করতে না পারেন তবে ফলমূল গ্রহণ করা যেতে পারে। যেসব ফলে প্রচুর বীজ রয়েছে যেমন - পেয়ারা, ডালিম, পেঁপে, শসা প্রভৃতি বর্জন করা উচিত। আলু, কাঁচাকলা বা মিষ্টিআলু সেদ্ধ করে গ্রহণ করা যেতে পারে। স্বাদের জন্য সৈন্ধব লবণ ব্যবহার অনুমোদিত। কাজুবাদাম, কিসমিস ও খেজুর গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে দুধ বা দুগ্ধজাত কোন দ্রব্য গ্রহণ করা যাবে না। নারকেল ও নারকেলের জল গ্রহণ করা যাবে।

৩য় স্তর:

যদি কেউ ২য় স্তর পালনে অসমর্থ হন তবে ""হবিষ্যান্ন"" গ্রহণ করতে পারেন।

উৎস: পদ্মপুরাণ, ব্রহ্মখণ্ড- ২৩ অধ্যায়; স্কন্দ পুরাণ, বিষ্ণুখণ্ড- কার্তিক মাহাত্ম্য- ৩২ অধ্যায়; গরুড় পুরাণ, পূর্বখণ্ড- ১২৩ অধ্যায়।

শ্রী শ্রী হরিভক্তিবিলাসের ১৩ অধ্যায়ের ১০-১৩ নং শ্লোকে হবিষ্যান্নের উপাদান উল্লেখ করা হয়েছে:
---------------------

নিম্নোক্ত উপাদানগুলো হবিষ্যান্ন তৈরিতে ব্যবহার করা যাবে। সাধারণত হবিষ্য চাল এবং মুগ ডাল দিয়ে তৈরি করা হয়। যারা একাদশী থেকে একাদশী পর্যন্ত চাতুর্মাস্য পালন করছেন, নিয়মানুযায়ী তাদের কার্তিক মাস একাদশী পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে, তাই তারা তাদের হবিষ্যে মুগ ডাল গ্রহণ করতে পারেন। যাইহোক, অধিকাংশ ভক্তগণ পূর্ণিমা থেকে পূর্ণিমা পর্যন্ত একাদশী ব্রত পালন করেন, তাই ভীষ্ম পঞ্চকের হবিষ্যে মুগ ডাল অনুমোদিত হবে না। সকল প্রকার তেল পরিত্যাজ্য।

* আতপ চাল
* ঘি
* সৈন্ধব লবণ
* পাকা কলা
* কাল শাক
* গম
* বার্লি

এই উপাদানগুলোও গ্রহণ করা যেতে পারে:

* ফল (স্কন্দপুরাণের নাগরখণ্ডে অবশ্যই একটি ছোট বীজের অথবা কম বীজপূর্ণ ফলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে)
* আম
* কাঁঠাল
* লাবালী ফল
* কেয়া ব্যতীত সকল মূল
* পিপলী
* হরিতকি
* আমলকি
* নারঙ্গ
* ইক্ষুদ্রব্য (গুড় ব্যতীত)
* ননীপূর্ণ গোদুগ্ধ

নিম্নবর্ণিত দ্রব্যগুলো হবিষ্যান্নের অন্তর্ভুক্ত হলেও তা কার্তিক মাসে বর্জন করতে বলা হয়েছে:

* মুগ ডাল
* তিল তেল
* বেতো শাক
* সাত্ত্বিক শাক
* মূলা
* জিরা
* তেঁতুল

একজন ব্যক্তির প্রতিদিন গঙ্গার মত পবিত্র নদীতে স্নান করা উচিত। নিম্নলিখিত মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে তিনবার ভীষ্মদেবের উদ্দেশ্যে তর্পণ করা উচিত:

তর্পণ মন্ত্র
(তর্পণ দেয়ার সময় উপবীতকে পেছনদিকে নিয়ে (যাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) এবং উভয় হাতে জল নেয়া হয়। মন্ত্র উচ্চারণ করা হয় এবং দুই হাত ডানদিকে এবং নিচে কাত করে নিবেদন করা হয় যাতে জল ডান বৃদ্ধাঙ্গুলির নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এটি পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে নৈবেদ্য নিবেদনের একটি উপায়। আপনারা ভীষ্ম পঞ্চকে এটি ভীষ্মদেবের উদ্দেশ্যে করেন।)

ওঁ বৈয়াগ্রপদ্য গোত্রায়
সংস্কৃতি প্রবরায় চ।
অপুত্রায় দদাম্যেতৎ
সলিলং ভীষ্মবর্মণে।।

অর্ঘ্য

বসুনামাবতারায়
শান্তনোরাত্মজায় চ।
অর্ঘ্যং দদামি ভীষ্মায়
আজন্ম ব্রহ্মচারিণে।।

প্রণাম

ওঁ ভীষ্ম শান্তনবো বীরঃ
সত্যবাদী জিতেন্দ্রিয়ঃ।
অভিরদ্ভিরবাপ্নোতু
পুত্রপৌত্রচিতাং ক্রিয়াম্।।

** যদি আপনার কাছাকাছি কোন পবিত্র নদী না থাকে:
যারা ""গঙ্গা, গঙ্গা, গঙ্গা"" উচ্চারণ করেন, তারা এই পবিত্র নদীতে স্নান করার সুফল লাভ করেন, যা যেকোন স্থানেই করা সম্ভব। ভক্তেরা নদী, হ্রদ অথবা সমুদ্রে স্নান করতে পারেন।

ভগবানের নিকট নিবেদন:
-------------------------

ভক্তরা নিম্নের ফুলগুলো বিগ্রহকে নিবেদন করতে পারেন:

১ম দিন- শ্রীবিগ্রহের শ্রীচরণে অবশ্যই পদ্মফুল,
২য় দিন- শ্রীবিগ্রহের উরুতে বিল্বপত্র,
৩য় দিন- শ্রীবিগ্রহের নাভিদেশে গন্ধদ্রব্য
৪র্থ দিন- শ্রীবিগ্রহের স্কন্ধদেশে জবাফুল ও বিল্বপত্র এবং
৫ম দিন- শ্রীবিগ্রহের মস্তকে মালতী ফুল নিবেদন করা উচিত।

যদি কখনো দু'টি তিথি একত্রে পড়ে তবে ঐদিন দুইদিনের উদ্দিষ্ট ফুলগুলো একই দিনে নিবেদন করতে পারেন।

** যদি আপনার নিকট ফুলগুলো না থাকে, তবে ভগবানের নির্ধারিত স্থানে নির্ধারিত ফুলগুলো আপনি মানসিকভাবে নিবেদন করতে পারেন।

উৎস: গরুড় পুরাণ"

নিম্নের প্রবচন এবং প্রশ্নোত্তর পর্ব শ্রীল জয়পতাকা স্বামী গুরুমহারাজ কর্তৃক শ্রীধাম মায়াপুরে ২০১৬ খ্রিস্টাব্দের ১০ই নভেম্বর প্রদত্ত হয়েছে। প্রবচনটি পদ্ম ভবনের ছাদে প্রদত্ত হয়েছে এবং এটি আগত ভীষ্ম পঞ্চক ব্রত এবং তার আবশ্যক অঙ্গ সম্পর্কিত।

"২৩ নভেম্বর ভীষ্ম পঞ্চকের প্রথম দিন। ভীষ্ম পঞ্চক একটি ঐচ্ছিক ব্রত, একাদশীর দিন থেকে শুরু হয়ে পূর্ণিমা পর্যন্ত থাকে। সাধারণত এটি ৫ দিনের হয়। এতে একটি বিশেষ খাদ্যতালিকা থাকে যে অনুযায়ী কোন ব্যক্তি পঞ্চগব্য অথবা ফলমূল অথবা চাল, গম, বার্লি * এরকম অল্পকিছু দানাসহ হবিষ্যান্ন গ্রহণ করতে পারে। এই ব্রত কোন ব্যক্তিকে ভগবৎপ্রেম প্রদান করে। একজন ব্যক্তির মাধবের বিগ্রহকে পুষ্পও নিবেদন করা উচিত। একদিন তাঁর চরণকমলে পদ্মফুল নিবেদন করা হয়। প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন ফুল নিবেদনের নিয়ম রয়েছে।

প্রশ্ন: যাদের পিতা জীবিত তারাও কি তর্পণ করতে পারবে?
গুরুমহারাজ: আপনারা ভীষ্মদেবের উদ্দেশ্যে তর্পণ করছেন, আপনাদের পূর্বপুরুষের উদ্দেশ্যে নয়।

প্রশ্ন: একজন ব্যক্তি কতবার আহার গ্রহণ করতে পারে সেব্যাপারে কোন নিয়ম আছে কি?
গুরুমহারাজ: নির্ধারিত কোনকিছু বলা নেই।

প্রশ্ন: মন্দিরে ফুলগুলি পাওয়া যাবে কি?
গুরুমহারাজ: মাধব বিগ্রহের পুজারী ব্যবস্থা করবেন এবং আপনাদের বিগ্রহকে প্রদীপও নিবেদন করা উচিত। সকাল এবং সন্ধ্যায় গীতা ভবনে আমরা প্রসাদের আয়োজন করব।

ভীষ্ম পঞ্চক গোবিন্দের নিকট বিশেষ প্রিয় এবং আপনি অতি সহজেই কৃষ্ণভক্তি লাভ করতে পারেন। (ভক্তগণ: হরিবোল) এটি হরিভক্তিবিলাসে উল্লেখ করা আছে। এটি একটি ঐচ্ছিক ব্রত। আপনাকে পূর্ণিমার দিন সূর্যাস্তের পর এবং চন্দ্রোদয়ের সময় ব্রতের পারণ করতে হবে। তা প্রায় ৫ টায়। তো সেদিন আমরা বিকালের প্রসাদ পাইনা। কেননা ৫ টায় আমরা ব্রত শেষ করব। সেটি একটি মহাভোজ হবে। তো অধিকাংশ ব্যক্তি ফলমূল গ্রহণ করে। তাই আমরা আলু, মূল এবং ফল যেমন কলা, আপেল, কূল, পানিফল, খেজুর, বাদাম, আখরোট, হেলেনটস প্রদান করি। বিভিন্ন ফলের মত এগুলিও ফল হিসেবে বিবেচিত হয়। কাজু, চীনাবাদাম এগুলিও ফল হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রশ্ন: আখের রস কি গ্রহণ করা যাবে?
গুরুমহারাজ : আখের রস এবং ইক্ষুদ্রব্য যেমন মিছরি গ্রহণ করা যাবে। কিন্তু গুড় এবং মোলাসেস অনুমোদিত নয়।

যেহেতু উদ্দেশ্যটি হল আপনাদের নিয়মিত ভগবদ্ভক্তি চালিয়ে যাওয়া, এমন নয় যে, আমি উপবাস করছি তাই আমি কিছু করব না। যাদের ডায়াবেটিস আছে অথবা যারা সম্পূর্ণ উপবাস করতে পারবেন না তারা হবিষ্যান্ন পেতে পারেন। যে ব্যাপারটি চিত্তাকর্ষক সেটি হল, ভীষ্মদেব তাঁর পিতার কারণে বিয়ে না করার প্রতিজ্ঞা করেছেন। এর পেছনে পুরো একটি কাহিনী রয়েছে। তো প্রার্থনায় আছে, 'আজন্ম ব্রহ্মচারিণে', তো আমরা তাঁর জন্য তর্পণ করছি। তাঁর কোন সন্তান নেই, তিনি কখনো বিয়ে করেননি। তো এটি আশ্চর্যজনক যে, কীভাবে সারা ভারত এবং সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষ ভীষ্মদেবের জন্য ভীষ্ম পঞ্চক করছেন এবং তারা তর্পণ করছেন, কিন্তু তাঁর কোন সন্তান নেই। এবং তিনি গঙ্গামাতার সন্তান। তাই যখন এখানে ভক্তেরা গঙ্গায় যান, গঙ্গাদেবী প্রসন্ন হন যে তাঁর পুত্র সম্মানপ্রাপ্ত হচ্ছেন।

প্রশ্ন: মাতাজীরা তর্পণ করতে পারেন?
গুরুমহারাজ : আমি যতদূর জানি তারা পারেন। আমি জানিনা। মন্ত্রসমূহের মধ্যে তর্পণ, অর্ঘ্য এবং প্রণাম রয়েছে। আমি মনে করি প্রত্যেকে প্রণাম এবং অর্ঘ্য প্রদান করতে পারে। কিন্তু তর্পণের ব্যাপারে ঐতিহ্য কী আমি জানিনা। প্রভুপাদ মাতাজীদের ব্রাহ্ম গায়েত্রী প্রদান করেছেন। যেটা সাধারণত করা হয়না। তিনি এমন কিছু করতেন যা ছিল ব্যতিক্রম।

প্রশ্ন: জেপিএস ওয়েবসাইটে কি এই ব্যাপারে ঘোষণা করা যায় যে, আমরা আমাদের ভীষ্ম পঞ্চক ব্রত উদযাপনের ফল গুরুমহারাজকে নিবেদন করতে পারি কিনা? আমি কি এখানে সকল গুরুভ্রাতা ও গুরুভগ্নীকে এব্যাপারে অনুরোধ করতে পারি?
গুরুমহারাজ : আমি চাই আপনারা সকলে পারমার্থিক সুফল লাভ করুন। তো বলা হয়েছে যে, এর মাধ্যমে আপনারা কৃষ্ণের চরণকমল লাভ করবেন। (ভক্তগণ : হরিবোল) আমি ইতিমধ্যেই বলেছি, তারা নিজেদের জন্য ৪ বার এবং আমার জন্য ৪ বার তুলসী পরিক্রমা করতে পারে।

প্রশ্ন: একাদশীর দিন উপবাস করার পর পরেরদিন কী খেয়ে আমাদের পারণ করা উচিত? ফলমূল?
গুরুমহারাজ : আমরা একটি সংকল্প করি যে, আমরা ভীষ্ম পঞ্চক পালন করছি। সংকল্প করার মাধ্যমে এটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। আপনি যদি হবিষ্যান্ন গ্রহণ করেন তবে দ্বিতীয় দিন দানা গ্রহণ করতে পারেন। ভক্তিচারু স্বামী দেখেন যে, এতে বহু বৈচিত্র্য রয়েছে। তো তিনি নির্জলা একাদশী পালন করেন। একাদশীর পরদিন তিনি জল গ্রহণ করেন। ১ম এবং ২য় স্তরের ক্ষেত্রে আপনি পাঁচ দিন দানা গ্রহণ করবেন না। এই অনুযায়ী আপনি পাঁচদিন দানা গ্রহণ করবেন না অর্থাৎ পাঁচদিন দানা নিষিদ্ধ। তারপর ৫ম দিন আপনি ব্রতের পারণ করবেন। এবং আপনি যদি সত্যিই এব্যাপারে চিন্তিত হন, তবে আপনি নির্জলা করতে পারেন। "

তথ্য জয় পতাকা স্বামী গুরুমারাজের পেইজ থেকে সংগৃহীত।

দয়া করে পোস্টটির নিজস্ব মতামত জানান, এবং আপনার নিকটতম এবং প্রিয় ব্যক্তিদের সাথে লাইক ও শেয়ার করুন যাতে তারা ও কৃষ্ণভাবনাময় হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়... 🙏🙏🙏

Follow My Page.....👇👇👇
https://www.facebook.com/utshomitra2

Post No - 261জয় জয় শ্রীমতি রাধা ঠাকুরানীর চরণ দর্শন লাভ কি.. জয় জয় জয়..🙏🙏🙏
20/11/2023

Post No - 261
জয় জয় শ্রীমতি রাধা ঠাকুরানীর চরণ দর্শন লাভ কি.. জয় জয় জয়..🙏🙏🙏

Post No - 259
17/11/2023

Post No - 259

Post No - 256দিব্য যমজ রঙ্গ দেবী এবং সুদেবী সখীর আবির্ভাব তিথির শুভেচ্ছা!আজ রঙ্গ দেবী এবং সুদেবী সখীর মহিমান্বিত আবির্ভা...
30/09/2023

Post No - 256
দিব্য যমজ রঙ্গ দেবী এবং সুদেবী সখীর আবির্ভাব তিথির শুভেচ্ছা!

আজ রঙ্গ দেবী এবং সুদেবী সখীর মহিমান্বিত আবির্ভাব তিথি। তাঁরা দুজনেই যমজ এবং অর্ধবেলা ব্যবধানে আবির্ভূত হয়েছেন। বরিষ্ঠ গোপীদের মধ্যে রঙ্গদেবী হলেন সপ্তম এবং সুদেবী হলেন অষ্টম। তাঁদের গাত্রবর্ণ পদ্ম কেশরের ন্যায় এবং তাঁরা জবার মতো লাল রঙের বস্ত্র পরিধান করেন। তাঁরা দুজনেই শ্রীমতী রাধারাণীর চেয়ে সাত দিনের ছোট। তাঁদের পিতা হলেন রঙ্গসার এবং মাতা হলেন করুণা দেবী।

রঙ্গদেবী সর্বদাই উৎকণ্ঠিত ভাবে ভাবিত। তিনি সর্বদাই কৃষ্ণের প্রতি আকৃষ্ট। তাঁর সেবা হলো চন্দন লেপন এবং তাঁর প্রকৃতি হল মধ্যবামা। গৌর লীলায় তিনি গদাধর ভট্ট। কৃষ্ণের উপস্থিতিতে তিনি সর্বদাই শ্রীমতী রাধারাণীর সাথে হাস্যপরিহাস করেন। তিনি যুক্তিবিদ্যায় বিশেষ পারদর্শী এবং তাঁর পূর্বের তপস্যার লব্ধ মন্ত্রবলে তিনি শ্রীকৃষ্ণকে আকর্ষণ করতে সক্ষম। তিনি সুগন্ধি ধূপ প্রজ্বলনে, শীতকালে অঙ্গার বহন ও গ্রীষ্মে দিব্য যুগলকে ব্যজনে বিশেষ পারদর্শী।

সুদেবী খুবই সুমিষ্ট এবং আকর্ষণীয় প্রকৃতির। গৌর লীলায় তিনি অনন্ত আচার্য গোস্বামী। তিনি সর্বদাই কলহন্তরিতা ভাবে ভাবিত। জল আনয়ন তাঁর সেবা। সুদেবী সর্বদাই রাধারাণীর পাশে অবস্থান করেন এবং তিনি রাধারাণীর কেশবিন্যাস করেন, মাশকারা দ্বারা তাঁর নেত্র সুসজ্জিত করেন এবং তাঁর অঙ্গমর্দন করেন। তিনি শুক ও সারির প্রশিক্ষণ প্রদানের পারদর্শী, একজন দক্ষ নাবিক, এবং চন্দ্রকলার সাথে সাথে প্রস্ফুটিত পুষ্পের সম্পূর্ণ বিবরণ জানেন।

উৎস: Mayapur.com

"আমরা রঙ্গদেবী ও সুদেবী সখীর নিকট প্রার্থনা করি যেন উনারা আমাদের দিব্যযুগল, রাধাকৃষ্ণের প্রতি শুদ্ধ প্রেম প্রদান করেন।"

~শ্রীল জয়পতাকা স্বামী,
২রা সেপ্টেম্বর, ২০২০
শ্রীধাম মায়াপুর

দয়া করে পোস্টটির নিজস্ব মতামত জানান, এবং আপনার নিকটতম এবং প্রিয় ব্যক্তিদের সাথে লাইক ও শেয়ার করুন যাতে তারা ও কৃষ্ণভাবনাময় হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়... 🙏🙏🙏

Follow My Page.....👇👇👇
https://www.facebook.com/utshomitra2

Post No - 255ইন্দুলেখা সখীর আবির্ভাব তিথির শুভেচ্ছা!ইন্দুলেখা সখী বরিষ্ঠ সখীদের মধ্যে ষষ্ঠ। তাঁর কৃষ্ণের প্রতি গভীর প্রে...
26/09/2023

Post No - 255
ইন্দুলেখা সখীর আবির্ভাব তিথির শুভেচ্ছা!

ইন্দুলেখা সখী বরিষ্ঠ সখীদের মধ্যে ষষ্ঠ। তাঁর কৃষ্ণের প্রতি গভীর প্রেম রয়েছে। তাঁর ভাব হলো প্রোষিতভর্তৃকা। তিনি রাধাকৃষ্ণের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমে তাঁদের মধ্যকার প্রেম বৃদ্ধি করেন। তাঁর অঙ্গকান্তি হরিতাল (উজ্জ্বল হলুদ) বর্ণের। তিনি সর্পশাস্ত্র মন্ত্রে বিশেষজ্ঞ, সামুদ্রিক শাস্ত্রে সম্পূর্ণ তত্ত্বজ্ঞা, বিজ্ঞান শাস্ত্রে অভিজ্ঞা, মহা জ্যোতিষী। তাঁর প্রধান সেবা চামর ব্যজন। ইন্দুলেখা সখী সুন্দর সুন্দর মনোহর হার রচনা করতে পারেন। ব্রজধামে যে সমস্ত সখীরা দাস্যকার্যে নিযুক্তা, অলংকার নির্মাণে নিযুক্তা, পোশাক তৈরি কর্মে নিযুক্তা, কোষরক্ষা বিষয়ে যুক্তা, তাঁদের সকলের অধ্যক্ষা হচ্ছেন ইন্দুলেখা দেবী। তাঁর কুঞ্জ হলো পূর্ণেন্দু কুঞ্জ। গৌরলীলায় তিনি কৃষ্ণদাস ব্রহ্মচারী।

উৎস: শ্রী রাধাকৃষ্ণ গণোদ্দেশ দীপিকা
গৌর গণোদ্দেশ দীপিকা

দয়া করে পোস্টটির নিজস্ব মতামত জানান, এবং আপনার নিকটতম এবং প্রিয় ব্যক্তিদের সাথে লাইক ও শেয়ার করুন যাতে তারা ও কৃষ্ণভাবনাময় হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়... 🙏🙏🙏

Follow My Page.....👇👇👇
https://www.facebook.com/utshomitra2

Post No - 254শ্রীমতী চম্পকলতা সখীর আবির্ভাব তিথির শুভেচ্ছা!চম্পকলতা সখী শ্রীমতী রাধারাণীর প্রধান অষ্টসখীর মধ্যে অন্যতম এ...
24/09/2023

Post No - 254
শ্রীমতী চম্পকলতা সখীর আবির্ভাব তিথির শুভেচ্ছা!

চম্পকলতা সখী শ্রীমতী রাধারাণীর প্রধান অষ্টসখীর মধ্যে অন্যতম একজন প্রিয় সখী। তাঁর গায়ের রং অনেকটা চাঁপা ফুলের মত। চম্পকলতা দেবীর প্রিয় বাদ্যযন্ত্রের নাম সারঙ্গী। তাঁর ভাব সম্পর্কে উদাহরণ দিয়ে বলা যেতে পারে যে, তাঁর ভাব যেন বাসক সাজ্জিকার নায়িকার ন্যায়। তিনি নিজেকে সজ্জিত রাখেন প্রিয়তমের আগমনের জন্য প্রতীক্ষারত এক নায়িকার মত। তাঁর পিতার মতোই চম্পকলতা দেবীও নানা শিল্পকর্মে পারদর্শী। যেমন- নানা ধরনের খেলনা, মৃত্তিকা দিয়ে মাটির নানা জিনিস তৈরি করা, নানা ধরনের মিষ্টি তৈরি করা ইত্যাদি। নানা রকমের মিষ্টি তৈরিতে পটু থাকার জন্য তাঁর ডাকনাম মিষ্টিহস্ত বা মিষ্টিহাত। তাছাড়াও তাঁর কুঞ্জের রান্নাঘরটি বেশ বিখ্যাত। তাঁর সাথে তর্ক যুদ্ধে সবাই হেরে যায়; কোন গোপী যদি শ্রীমতী রাধারাণীর বিরুদ্ধাচরণ করে, তখন খুব সহজেই সেই গোপীকে তিনি পরাস্ত করেন। সেই কারণে কোন গোপী তাঁর কাছে সহজে আসতে চান না। গৌরলীলায় এই চম্পকলতা দেবী রাঘব গোস্বামী রূপে আবির্ভূত হন।

উৎস: Mayapur.com

দয়া করে পোস্টটির নিজস্ব মতামত জানান, এবং আপনার নিকটতম এবং প্রিয় ব্যক্তিদের সাথে লাইক ও শেয়ার করুন যাতে তারা ও কৃষ্ণভাবনাময় হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়... 🙏🙏🙏

Follow My Page.....👇👇👇
https://www.facebook.com/utshomitra2

রাধাষ্টমীতে দুপুর পর্যন্ত উপবাস করুন এবং তারপর দুপুরে শ্রীমতী রাধারাণীর কাছে প্রার্থনা করুন যে তিনি যেন আপনাকে শ্রীকৃষ্ণ...
22/09/2023

রাধাষ্টমীতে দুপুর পর্যন্ত উপবাস করুন এবং তারপর দুপুরে শ্রীমতী রাধারাণীর কাছে প্রার্থনা করুন যে তিনি যেন আপনাকে শ্রীকৃষ্ণের সেবায় নিয়োজিত করেন।'

~শ্রীল জয়পতাকা স্বামী, ৪ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৯

Post No -253

দয়া করে পোস্টটির নিজস্ব মতামত জানান, এবং আপনার নিকটতম এবং প্রিয় ব্যক্তিদের সাথে লাইক ও শেয়ার করুন যাতে তারা ও কৃষ্ণভাবনাময় হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়... 🙏🙏🙏

Follow My Page.....👇👇👇
https://www.facebook.com/utshomitra2

Jayapataka Swami Bangla
Jayapataka Swami Bangla

Address

Notun Bazar
Barishal
8200

Telephone

+8801799239337

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when UjjvalaRupa Nitai Das posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to UjjvalaRupa Nitai Das:

Share