05/09/2022
আমি একজন এসএসসি ২০২২ ব্যাচ এর পরিক্ষার্থী।
১) তিস্তার পানি বেড়ে প্লাবিত অঞ্চল, আবারও ভয়াবহ বন্যার আসংখ্যা। ( সূত্র: সময় টিভি)
২) দেশে বাড়ছে হ্যান্ড ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিস,স্কুল বন্ধ রাখার পরামর্শ। ( সূত্র: যমুনা টিভি)
৩)রাজনৈতিক এর খারাপ অবস্থা।
৪) বিদ্যুৎ এর জন্য আমরা ভালো মতো পড়াশোনাই করতে পারতেছি না। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অতিরিক্ত মাত্রায় লোডশেডিং হচ্ছে। আর.... আর গতবছর করনার জন্য আমাদের কী কী ক্ষতি হয়েছে সেগুলো না হয় বাদই দিলাম।
এতো এতো কিছু নিয়ে আমারা কীভাবে এক্সাম দিবো। আমাদের তো কম ক্ষতি হলো না। ২০২১ ব্যাচ এর চেয়ে আমরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। সবাই কত সুযোগ সুবিধা পেল এইদিকে আমরা কিচ্ছু পেলাম না। কতজন কতো আন্দোলন করল সিলেবাস কমানোর ৩ বিষয়ে এক্সাম নেয়ার। শেষমেশ কিছুই হলো না। যখন শুনলাম ১৯ জুন এক্সাম তাও এক্টু প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম যেই বন্যার জন্য এক্সাম পিছিয়ে গেল পড়াশোনা থেকেও মন উঠে গেল। এখন আর পড়ায় মনই বসে না। প্রস্তুতি টাও নষ্ট হয়ে গেছে। আবার নতুন রুটিন দিল ১৫ তারিখ এক্সাম। এখন আবার কতকিছু শুনতেছি। সত্যি কথা বলতে এখন আর পড়ায় মনই বসে না। অনেকেই পরীক্ষা দিতে চাচ্ছে যদিও তাদের সংখ্যা খুবই কম। অনেকেই অটোপাশ চাচ্ছে। তাদের অবস্থাটাও এক্টু বুঝুক। সব কিছু মিলিয়ে আমাদের মানুষিক ভাবে অনেক অসুবিধা হচ্ছে। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর নিকট আমাদের অনুরোধ, এই অবস্থায় আমাদের ৩ বিষয় বা অটোপাশ দিয়ে দিক। আমরা কতো দিন আর এভাবে থাকবো। ২০২১ সাল যদি এতো সুবিধা পায় আমরা ২২ সাল তার থেকেও ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পাবো না কেন। সবার ১০ বছরের ভবিষ্যৎ ফেইল করলে কী অবস্থা হবে। আবার অনেক জায়গায় দেখা যাচ্ছে এক্সাম না হওয়ার জন্য অনেক স্টুডেন্ট দের বিয়েও দিয়ে দিচ্ছে। অনেকেরই জীবন শেষ। স্টুডেন্ট রা পড়ায় মন বসাতে পারতেছে না। অবশ্যই এটা একটু বিবেচনা করে দেখার বিষয়।
ভুল কিছু বলে থাকলে ভুল ত্রুটি ক্ষমা করবেন। আসলে কথাগুলো ঠিক মনে হলো তাই বললাম। বাকিটা আল্লাহ্ ভরসা। যা হবে আমাদের ভালোই হবে ইন-শা-আল্লাহ।