Ma Sha Allah Essence

Directions

Ma Sha Allah Essence “নিশ্চয়ই আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ শান্তি লাভ করে।”
(সূরা রা’দ ১৩:২৮) A platform to spread Islamic reminders, positivity, and inspiration.

In sha Allah, growing into a trusted brand for halal lifestyle

মাঝে মাঝে আমাদের চারপাশে সবাই থাকা সত্ত্বেও নিজেদের খুব একা লাগে। এই সময়টাতে একাকীত্বে ডুবে না গিয়ে, আল্লাহর সাথে গভীর স...
26/08/2026

মাঝে মাঝে আমাদের চারপাশে সবাই থাকা সত্ত্বেও নিজেদের খুব একা লাগে। এই সময়টাতে একাকীত্বে ডুবে না গিয়ে, আল্লাহর সাথে গভীর সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করুন। জেনে রাখুন– দুনিয়ার সম্পর্কগুলো অস্থায়ী, কিন্তু আল্লাহর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক চিরস্থায়ী এবং প্রশান্তির উৎস। তাই দু'আ, ইবাদত ও কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অন্তরে প্রশান্তি খুঁজুন।

লেখা : মাহমুদুল হাছান





যারা নানা রকম কুযুক্তি, শব্দের কারসাজি, মনগড়া ব্যাখ্যার মাধ্যমে বাদ্যযন্ত্রকে জায়েজ প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন, এবং ইসলামী...
25/08/2026

যারা নানা রকম কুযুক্তি, শব্দের কারসাজি, মনগড়া ব্যাখ্যার মাধ্যমে বাদ্যযন্ত্রকে জায়েজ প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন, এবং ইসলামী লেবাস ধারণ করে বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে গান পরিবেশন করেন– তাদের অবস্থার কথা ভাবলে বিস্মিত হতে হয়। অথচ এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ১৪০০ বছর আগেই সতর্ক করে গেছেন। তিঁনি (ﷺ) বলেছেন,
“আমার উম্মাতের মধ্যে অবশ্যই এমন কতগুলো দলের সৃষ্টি হবে, যারা ব্যভিচার, রেশমী কাপড়, মদ ও বাদ্যযন্ত্রকে হালাল জ্ঞান করবে।” (সহীহ বুখারী : ৫৫৯০)

দ্বীনের বিধান আমাদের পছন্দ-অপছন্দ দিয়ে নির্ধারিত হয় না। শরীয়তে যা হারাম করা হয়েছে, তা হারামই থাকবে– মানুষ সেটাকে যত কুযুক্তি ও মনগড়া ব্যাখ্যা দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করুক না কেন।
মানুষ যুক্তি সাজাতে পারে, শব্দের ব্যাখ্যা পাল্টাতে পারে, নিজের প্রবৃত্তির পক্ষে অসংখ্য উদাহরণ দাঁড় করাতে পারে– কিন্তু আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ﷺ) যে বিষয়ে সতর্ক করেছেন, যা হারাম করেছেন; তা একজন মুসলিমকে কোনোরূপ দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াই মেনে নিতে হবে এবং তা থেকে বিরত থাকতে হবে। এটাই হলো ঈমান।

হারামকে হারাম মানতে কষ্ট হওয়া, কিংবা নিজের পছন্দের কোনো বিষয়কে জায়েজ প্রমাণ করার জন্য যুক্তি খোঁজা– একজন মুসলমানের ঈমান নষ্ট হওয়ার জন্য যথেষ্ট। শরীয়ত কখনো আমাদের পছন্দের ওপর নির্ভর করে না; বরং আমাদের পছন্দকেই শরীয়ত তথা আল্লাহর বিধানের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হয়। একজন মুসলিমের কাজ নিজের প্রবৃত্তিকে সন্তুষ্ট করা নয়; বরং সত্যের সামনে নিজের প্রবৃত্তিকে নত করা।

যারা নিজেদের প্রবৃত্তিকে খুশির করার জন্য, শরীয়তের সুস্পষ্ট বিধান লঙ্ঘন করছেন এবং বাধ্যযন্ত্রকে জায়েজ প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন। আপনারা নিজেদেরই ক্ষতি করছেন। শ*য়তানের ধোঁকায় পড়ে নিজেদের ঈমানের ক্ষতি করবেন না। শ*য়তানের কাজই এমন, শ*য়তান মানুষকে যখন পথভ্রষ্ট করতে চায়, তখন সে মানুষের মধ্যে এমন কু*ফরি চিন্তাভাবনা জাগিয়ে দেয়। তাই এখনো সময় আছে, নিজেদের সংশোধন করুন।

সবশেষে বলবো, আপনারা যতই কুযুক্তি ও মনগড়া ব্যাখ্যা দেন না কেন– বাধ্যযন্ত্র হারাম ছিল এবং কে*য়ামত পর্যন্ত তা হারামই থাকবে। ফুলস্টপ!

লেখা : মাহমুদুল হাছান




“মনে রেখো,  ইলম"হলো নূর........আর আল্লাহর নূর কোনোঅবাধ্যকে দেওয়া হয় না।”ইমাম ওয়াকি ইবনুল জাররাহ (রহ.)-
23/08/2026

“মনে রেখো,
ইলম"হলো নূর........
আর আল্লাহর নূর কোনো

অবাধ্যকে দেওয়া হয় না।”

ইমাম ওয়াকি ইবনুল জাররাহ (রহ.)-





আর যেসব দিনে নামাজ পড়ার জন্য উঠতে ইচ্ছে করে না, সেদিন নিজেকে এই কথাটি মনে করিয়ে দিও: এমন মানুষও আছে, যারা আরেকবার এই দ...
22/08/2026

আর যেসব দিনে নামাজ পড়ার জন্য উঠতে ইচ্ছে করে না, সেদিন নিজেকে এই কথাটি মনে করিয়ে দিও: এমন মানুষও আছে, যারা আরেকবার এই দুনিয়ায় ফিরে এসে শুধু একটি সিজদা করার সুযোগ পাওয়ার জন্য সবকিছু দিয়ে দিতে চাইত।

যখন এই কথাটি তোমার মনে আসবে, তখন তুমি যে নামাজগুলো অনিচ্ছা নিয়ে পড়েছ, কিংবা যে নামাজগুলো ছুটে গেছে—সেগুলোর জন্য শুধু আফসোস না করে, বরং যে নামাজগুলো পড়তে পেরেছ, সেগুলোর জন্য আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করো। কৃতজ্ঞ হও সেই সুস্থতার জন্য, সেই সময়ের জন্য এবং আল্লাহর সামনে সিজদায় মাথা নত করার সামর্থ্যের জন্য, যা তিনি তোমাকে দান করেছেন।

ছুটে যাওয়া নামাজের ভার কিংবা ভারাক্রান্ত হৃদয়ের কষ্ট যেন তোমাকে আল্লাহর রহমত থেকে দূরে সরিয়ে না দেয়। নিশ্চয়ই তিনি পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। অনুশোচনা নিয়ে নয়, কৃতজ্ঞতা নিয়ে তাঁর দিকে ফিরে আসো। তোমার যে নিয়ামতগুলো আছে, সেগুলো ছোট মনে হলেও সেগুলোর জন্য আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করো। উঠে দাঁড়ানোর শক্তি দেওয়ার জন্য শুকরিয়া আদায় করো, এমনকি যখন তোমার একদমই উঠতে ইচ্ছে করে না তখনও। নামাজ পড়ার, তওবা করার এবং আল্লাহর আরও নিকটবর্তী হওয়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য তাঁর শুকরিয়া আদায় করো।

পরের বার যখন নামাজ পড়তে তোমার কষ্ট হবে, তখন তাদের কথা মনে করো—যারা তোমার এই সুযোগটি পাওয়ার জন্য যেকোনো কিছু দিয়ে দিতে চাইত।

আল্লাহ আমাদের নামাজকে আমাদের চোখের শীতলতা এবং হৃদয়ের প্রশান্তি ও আনন্দ বানিয়ে দিন। আমাদের যেন কখনো নামাজকে অবহেলা না করি এবং অলসতার কারণে তা বিলম্বিত না করি। যতদিন আমাদের জীবন ও সুস্থতা আছে, ততদিন যেন নিয়মিত নামাজ আদায় করার শক্তি ও তাওফিক দান করেন। আর যখন আমাদের সময় শেষ হয়ে আসবে, তখন যেন আমরা আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করি—আমাদের নামাজগুলো আন্তরিকতা ও একনিষ্ঠতার সাথে আদায় করে। আল্লাহুম্মা আমিন।

—সংগৃহিত





22/08/2026

হারামে কখনো সুখ নেই
বরং তোমরা হালাল'ভাবে জীবন সুন্দর কর দেখবে তোমার থেকে সুখী আর কেউ হবে না ইন-শা-আল্লাহ
-সংগৃহীত




যখন এই দুনিয়ার দুঃখ-কষ্ট অসহনীয় হয়ে উঠে, তখন অনেকেই মনে করেন এবং বলেও থাকেন– “ম*রে গেলে বেঁচে যেতাম!” আসলে কি তাই? মৃ*ত্...
21/08/2026

যখন এই দুনিয়ার দুঃখ-কষ্ট অসহনীয় হয়ে উঠে, তখন অনেকেই মনে করেন এবং বলেও থাকেন– “ম*রে গেলে বেঁচে যেতাম!”

আসলে কি তাই?

মৃ*ত্যু কি সত্যিই সব কষ্টের শেষ? নাকি মৃ*ত্যু আমাদের এমন এক দরজার ওপারে নিয়ে যায়, যেখানে দুনিয়ার এই সাময়িক কষ্টের পর শুরু হবে অনন্ত জীবনের হিসাব? এবং আমরা কি প্রস্তুত সেই হিসাবের মুখোমুখি হতে? ভেবে দেখেছেন– আল্লাহ যদি আপনার প্রতি সন্তুষ্ট না থাকেন, আপনার কি অবস্থা হবে? এই দুনিয়ার সকল দুঃখ-কষ্টকে একত্রিত করলেও জা*হান্নামের কষ্ট এর চেয়ে হাজার হাজার গুণ কষ্টের এবং যন্ত্রণার। কবরের আ*জাবও রয়েছে। এছাড়াও মৃ*ত্যু কামনা করা হারাম ও কবিরা গুনাহ। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের কেউ যেন মৃ*ত্যু কামনা না করে। কারণ সে যদি সৎ হয় তবে (বেঁচে থাকলে) হয়তো সে নেক কাজ বৃদ্ধি করবে। আর যদি পাপী হয়, তাহলে হয়ত সে তওবা করবে।” (সহীহ বুখারী : ৭২৩৫) দুনিয়ার কষ্ট যতই গভীর হোক, মাথায় রাখুন– এই জীবনটাই আপনার শেষ সুযোগ। তাই যথাসম্ভব চেষ্টা করুন, সবর ও নেক আমলের মাধ্যমে আপনার রবকে খুশি করার। আপনি আজ যে দুঃখ-কষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, সেটি কখনোই স্থায়ী নয়। এবং এই দুঃখ-কষ্টের মাধ্যমে আপনার রব হয়তো আপনাকে পরীক্ষা করছেন– এই দুঃখ-কষ্টের মধ্যেও কি আপনি সবর করেন কি না এবং আল্লাহর প্রতি আপনার ঈমান কতটুকু, তা তিঁনি এভাবে পরীক্ষা করে থাকেন। তাই এই দুনিয়ার দুঃখ-কষ্ট যতই অসহনীয় হয়ে উঠুক না কেন, কখনোই মৃ*ত্যু কামনা করবেন না; বরং সবরকে একান্ত সঙ্গী বানিয়ে নিন।

লেখা : মাহমুদুল হাছান





প্রত্যেক মানুষের জীবনে এমন একজন বিশেষ মানুষ থাকা দরকার– যার সাথে নির্দ্বিধায় সব কিছু শেয়ার করা যায়। যে সুখে-দুঃখে, বিপদে...
21/08/2026

প্রত্যেক মানুষের জীবনে এমন একজন বিশেষ মানুষ থাকা দরকার– যার সাথে নির্দ্বিধায় সব কিছু শেয়ার করা যায়। যে সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে, অসুস্থতায়; সব সময় পাশে থাকবে, সাহায্য করবে, সাহস জোগাবে। যে হবে বিশ্বস্ত, যার সাথে সব গোপনীয়তা ও দুর্বলতা শেয়ার করা যাবে। যে কখনো ভুল বুঝবে না, খারাপ ব্যবহারেও বিরক্ত হবে না; বরং ধৈর্য নিয়ে মানিয়ে নিবে সবকিছু। যখন প্রয়োজন হবে, তখন সৎ পরামর্শ দিয়ে আগলে রাখবে– ভালোবাসায়, দু'আয় এবং মমতায়!

লেখা : মাহমুদুল হাছান





তোমার যদি এমন একজন বন্ধু থাকে, যে তোমাকে দ্বীনের পথে ডাকে, তাহলে তাকে শক্ত করে ধরে রাখো। কারণ, ভালো বন্ধুত্ব ধরে রাখার চ...
21/08/2026

তোমার যদি এমন একজন বন্ধু থাকে, যে তোমাকে দ্বীনের পথে ডাকে, তাহলে তাকে শক্ত করে ধরে রাখো। কারণ, ভালো বন্ধুত্ব ধরে রাখার চেয়ে খুঁয়ে ফেলা সহজ। — ইমাম শাফেয়ী (রহ.) [সূত্র : হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৪/১০১]




বহুল কাঙ্খিত বরকতময় আর একটি জুমু'আহ আলহামদুলিল্লাহ... সুন্নাহময় হয়ে উঠুক প্রতিটি প্রাণ ইং শা আল্লাহ্জুমার রাত ও দিনে ...
20/08/2026

বহুল কাঙ্খিত বরকতময় আর একটি জুমু'আহ আলহামদুলিল্লাহ... সুন্নাহময় হয়ে উঠুক প্রতিটি প্রাণ ইং শা আল্লাহ্
জুমার রাত ও দিনে সর্বোচ্চ পরিমাণে সর্বশ্রেষ্ঠ দরুদ "দরুদে ইব্রাহিম" পড়ুন ইনশাআল্লাহ..

اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَىٰ مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ.
اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَىٰ مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ آلِ
رَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ.






খাপছাড়া মানুষগুলোর পেছনের গল্প ঘাঁটলে দেখা যায়, তাদের শৈশবটাও ছিল ভীষণ অগোছালো। যে শিশুটি বাবা-মায়ের কাছ থেকে নিরাপত্তা ...
20/08/2026

খাপছাড়া মানুষগুলোর পেছনের গল্প ঘাঁটলে দেখা যায়, তাদের শৈশবটাও ছিল ভীষণ অগোছালো। যে শিশুটি বাবা-মায়ের কাছ থেকে নিরাপত্তা পাওয়ার বদলে প্রতিনিয়ত অবহেলা, তুচ্ছতাচ্ছিল্য কিংবা অতিরিক্ত শাসনের ঘানি টেনে বড় হয়, সে বড় হয়েও সব সম্পর্কে এক অদ্ভুত অস্থিরতা আর অবিশ্বাসে ভোগে। কাউকে সহজে ভরসা করতে পারে না, এমনকি আল্লহ'র ওপর সুধারণা রাখতে গিয়েও খেই হারিয়ে ফেলে। আর সবচেয়ে মর্মান্তিক সত্য হলো, না চাইতেও সে তার এই ক্ষতগুলো অজান্তেই নিজের সন্তানের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়—এভাবেই চলতে থাকে জেনারেশনাল ট্রমা। তাই বাবা-মা হওয়ার আগে নিজের ভেতরের এই ভাঙনগুলো নিয়ে ভাবাটা ভীষণ জরুরি। শৈশবের এসব ট্রমা কি আপনার বর্তমান জীবন আর রবের সাথে সম্পর্কের মাঝখানে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছে?​তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। যতই গভীর ক্ষত হোক না কেন, আল্লহ'র কাছে নিরাময় অসম্ভব নয়। এই ট্রমা থেকে বেরিয়ে নিজেকে গুছিয়ে নেওয়ার কিছু কার্যকর উপায়: > ১. অতীতে পরিবার থেকে পাওয়া আঘাত বা অবহেলার ক্ষতগুলোকে চিহ্নিত করা এবং সচেতন হওয়া, যাতে তা আপনার বর্তমান সম্পর্কে প্রভাব না ফেলে। > ২. ​আল্লহ'র সাথে সম্পর্ক বাড়িয়ে দেওয়া । মানুষের কাছে সান্ত্বনা খোঁজার চেয়ে আল্লহ'র কাছে নিজেকে সোপর্দ করুন। > ​৩. নিজের অতীতে পাওয়া কষ্টগুলোর প্রভাব যেন আপনার সন্তানের ওপর কোনোভাবেই না পড়ে, সে বিষয়ে আজই সচেতন হওয়া। সন্তানের সাথে বন্ধুসুলভ ও নিরাপদ একটি সম্পর্ক তৈরি করুন। যেনো তাকে আপনার শৈশবের মতো বিভীষিকাময় দিন পার করতে না হয়। ​কোনো ক্ষত বা ট্রমা এতটাই ভাঙা নয়, যা আমাদের রব সারাতে পারবেন না। তিনি তো 'আল-জাব্বার' - ভাঙ্গা হৃদয় মেরামতকারী। তাই রবের সাথে সম্পর্ক জোড়া লাগান। দেখবেন জেনারেশন ট্রমার শিকল ভেঙে কিভাবে একটা সুস্থ, সুন্দর প্রজন্ম বেড়ে উঠছে।



Address

Barisal

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ma Sha Allah Essence posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share