গারুড়িয়া সর্বজনীন পূজা মন্দির

  • Home
  • Bangladesh
  • Barisal
  • গারুড়িয়া সর্বজনীন পূজা মন্দির
Directions

গারুড়িয়া  সর্বজনীন  পূজা  মন্দির 🌼🌸🌿GARURIA PUBLIC WORSHIP TEMPLE🌿🌸🌼
situated
❣️GARURIA❣️
❣️BAKERGONJ❣️
❣️BARISHAL❣️
🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩

সনাতন ধর্মে প্রতি মাসে দুটি একাদশী তিথি থাকে। জুলাই মাসে দুটি একাদশী রয়েছে:১০ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার: যোগিনী একাদশী২৫ জুলা...
03/07/2026

সনাতন ধর্মে প্রতি মাসে দুটি একাদশী তিথি থাকে।
জুলাই মাসে দুটি একাদশী রয়েছে:
১০ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার: যোগিনী একাদশী
২৫ জুলাই ২০২৬, শনিবার: দেবশয়নী একাদশী

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ।

হরে কৃষ্ণ 🌼💝🙏একাদশী ব্রত তালিকা- ২০২৫
19/12/2024

হরে কৃষ্ণ 🌼💝🙏
একাদশী ব্রত তালিকা- ২০২৫

.                  ╔═══ஜ۩۞۩ஜ═══╗                    💝      "জয় শ্রীকৃষ্ণ"    💝                    ╚═══ஜ۩۞۩ஜ═══╝   🌿🌿🌿🌿🌸...
13/10/2024

. ╔═══ஜ۩۞۩ஜ═══╗
💝 "জয় শ্রীকৃষ্ণ" 💝
╚═══ஜ۩۞۩ஜ═══╝
🌿🌿🌿🌿🌸🌺🌼একাদশী বার্তা🌼🌺🌸🌿🌿🌿🌿

👉আগামী ১৪.১০.২০২৪ সোমবার পবিত্র পাশাঙ্কশা একাদশী ব্রত (ত্রিস্পৃশা মহাদ্বাদশী)।
👉পারণের সময়ঃ- পরদিন ১৫.১০.২০২৪ মঙ্গলবার সকাল ০৫ঃ৫৬ মিনিট থেকে ০৯ঃ৪৮ মিনিট এর মধ্যে।

✅আপনি নিজে একাদশী ব্রত পালন করুন এবং অন্যকে পালনে উৎসাহিত করুন।

''কৃষ্ণ ভুলি যেই জীব অনাদি বহির্মুখ ।
অতএব মায়া তারে দেয় সংসার দুঃখ ।।'' চৈতন্যচরিতামৃত( মধ্য ২০/১১৭)
অর্থাৎ,- শ্রীকৃষ্ণকে ভুলে জীব অনাদিকাল ধরে জড় প্রকৃতির প্রতি আকৃষ্ট রয়েছে। তাই মায়া তাকে এ জড় জগতে নানা প্রকার দুঃখ প্রদান করছে। পরম করুণাময় ভগবান, কৃষ্ণস্মৃতি জাগরিত করতে মায়াগ্রস্ত জীবের কল্যাণে বেদপুরাণে আদি শাস্ত্রগ্রন্থাবলী দান করেছেন।

ভক্তি হচ্ছে ভগবানকে জানার ও ভগবৎ প্রীতি সাধনের একমাত্র সহজ উপায়। শাস্ত্রে যে চৌষট্টি প্রকার ভক্ত্যাঙ্গের কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে একাদশী ব্রত সর্বত্তোম। শ্রবণ, কীর্ত্তন, স্মরণ আদি নবধা ভক্তির পরই দশম ভক্ত্যাঙ্গরূপে একাদশীর স্থান। এই তিথিকে হরিবাসর বলা হয়। তাই ভক্তি লাভেচ্ছু সকলেরই একাদশী ব্রত পালনের পরম উপযোগিতার কথা বিভিন্ন পুরাণে বর্ণিত হয়েছে। একাদশী তিথি সকলের অভীষ্ট প্রদানকারী। এই ব্রত পালনে সমস্ত প্রকার পাপ বিনষ্ট, সর্বসৌভাগ্য ও শ্রীকৃষ্ণের প্রীতি বিধান হয়। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে আট থেকে আশি বছর বয়স পর্যন্ত যে কোন ব্যক্তিরই ভক্তিসহকারে পবিত্র একাদশী ব্রত পালন করা কর্তব্য।

✅ একাদশী ব্রত পালনের নিয়ম:-

সামর্থ্য অনুযায়ী দশমীতে একাহার, একাদশীতে নিরাহার, দ্বাদশীতে একাহার।
এতে অসমর্থ হলে শুধু একাদশীতে অনাহার। যদি এতেও অসমর্থ হয়, একাদশী তে পঞ্চশস্য বর্জনীয়, ফলমূল ও কিছু সবজি গ্রহণের বিধান আছে। যেমন-গোল আলু, মিষ্টি আলু, কুমড়ো,চাল কুমড়ো, বাদাম তেল/সূর্য্যমুখী তেল/ঘি দিয়ে রান্না করে ভগবানকে উৎসর্গ করে আহার করা যেতে পারে। এছাড়া দুধ, কলা,আপেল, আনারস, পেঁপে, পেয়ারা, শসা, নারিকেল, মিষ্টি আলু ইত্যাদি ফল আহার করা যাবে। একাদশীর পারণের সময় পঞ্জিকা তে দেওয়া থাকে, এর মাঝে ভগবান কে অন্ন নিবেদন করে উপবাস ভঙ্গ করতে হবে। নতুবা একাদশীর ফল লাভ হয়না।
বর্জনীয় পঞ্চ শস্য:-
ধান জাতীয় খাদ্য- ভাত,খিচুড়ি,মুড়ি, চিঁড়া,খই, সুজি, চালের গুঁড়ো, চালের পিঠে,
পায়েস। গম জাতীয় খাদ্য- আটা, ময়দা,সুজি,রুটি,বিস্কুট, কেক,নুডলস। যব বা ভুট্টা জাতীয় খাদ্য- ছাতু, খই, রুটি। ডাল জাতীয় খাদ্য- মুগ, মশুর, মটর, মাসকলাই, ছোলা, অড়হর, বরবটি, শিম, বুট। সরিষা, তিলের তেল।( সয়াবিন এর কথা বিতর্কিত) I চা, বিড়ি, সিগারেট,পান, যেকোনো নেশা জাতীয় দ্রব্য বর্জনীয়।
একাদশী তে সহবাস সম্পূর্ণ বর্জন। আমিষ ( পেঁয়াজ, রসুন, ডিম, মাছ, মাংস ) ভক্ষন নিষেধ।

✅✅✅ জেনে নিন পবিত্র পাশাঙ্কুশা একাদশী ব্রত মাহাত্ম্যঃ-

আশ্বিন শুক্লপক্ষীয়া পাশাঙ্কুশা একাদশী মাহাত্ম্য ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে বর্ণনা করা হয়েছে। যুধিষ্ঠির বললেন---হে মধুসূদন! আশ্বিন শুক্লপক্ষীয়া একাদশীর নাম কি?
তদুত্তরে শ্রীকৃষ্ণ বললেন---হে রাজেন্দ্র! আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী পাশাঙ্কুশা নামে প্রসিদ্ধা। কেউ কেউ একে পাপাঙ্কুশাও বলে থাকেন। এই একাদশীতে অভিষ্ট ফল লাভের জন্য মুক্তিদাতা পদ্মনাভের পূজা করবে। শ্রী হরির নাম সংকীর্তনের দ্বারা পৃথিবীর সব তীর্থের ফল লাভ হয়। বদ্ধ জীব মোহবশত বহু পাপকর্ম করেও ভগবান শ্রী হরির শরণাপন্ন হয়ে প্রণাম নিবেদনে নরক যাতনা থেকে রক্ষা পায়। এই একাদশীর মাহাত্ম্য শোনার ফলে নিদারুণ যমদন্ড থেকে মুক্তি লাভ হয়। শ্রী হরি বাসর ব্রতের মতো ত্রিভুবনে পবিত্রকারী আর কোন বস্তু নেই। হাজার হাজার অশ্বমেধ যজ্ঞ ও শত শত রাজসূয় যজ্ঞ এই ব্রতের শতভাগের একাংশের সমান হয় না। এই ব্রত পালনে স্বর্গ বাস হয়। মুক্তি, দীর্ঘায়ু, আরোগ্য, সুপত্নী, বন্ধু প্রভৃতি অনায়াসে লাভ করা যায়।
হে রাজন! গয়া, কাশী এমনকি কুরুক্ষেত্রও শ্রী হরি বাসর অপেক্ষা পুণ্য স্থান নয়। হে ভূপাল! একাদশী উপবাস ব্রত করে রাত্রি জাগরণ করলে অনায়াসে বিষ্ণুলোকে গতি হয়। এই পাশাঙ্কুশা ব্রতের ফলে মানুষ সর্বপাপ মুক্ত হয়ে গোলোকে গমন করতে সমর্থ হয়।
এই পবিত্র দিনে যিনি স্বর্ণ, তিল, গাভী, অন্ন, বস্ত্র, জল, ছত্র, পাদুকা দান করেন, তাকে আর যমালয়ে যেতে হয় না। যারা এই সকল পুণ্য কার্য করে না, তাদের জীবন কামারশালার হাপরের মতো বিফল। নিষ্ঠার সঙ্গে এই ব্রত পালনে উচ্চ কুলে নিরোগ ও দীর্ঘায়ু শরীর লাভ হয়। অত্যন্ত পাপাচারীও যদি এই পুণ্য ব্রতের অনুষ্ঠান করে, তবে সেও রৌরব নামক মহা যন্ত্রণা থেকে মুক্ত হয়ে বৈকুণ্ঠ সুখ লাভ করে। কৃষ্ণ ভক্তি লাভই শ্রী একাদশী ব্রতের মুখ্য ফল। তবে আনুষঙ্গিক রূপে স্বর্গ, ঐশ্বর্যাদি অনিত্য ফল লাভ হয়ে থাকে।

📚👉একাদশী পারণ মন্ত্র👈
একাদশ্যাং নিরাহারো ব্রতেনানেন কেশব ॥
প্রসীদ সুমুখ নাথ জ্ঞানদৃষ্টিপ্রদো ভব॥🙏🙏🙏

এই মন্ত্র পাঠ করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পারণ করতে হয়।

👉গীতার মাহাত্ম্যে উল্লেখ আছে…

‘’যোহধীতে বিষ্ণুপর্বাহে গীতাং শ্রীহরিবাসরে।
স্বপন জাগ্রৎ চলন তিষ্ঠন শত্রুভির্ন স হীয়তে।।‘’
অর্থাৎ,- শ্রীবিষ্ণুর উৎসবের দিনে, একাদশী ও জন্মাষ্টমীতে যিনি গীতা পাঠ করেন , তিনি চলুন বা দাড়িয়ে থাকুন, ঘুমিয়ে বা জেগে থাকুন,(যে অবস্থাতেই থাকুন না কেন) শত্রু কখনো তার কোন ক্ষতি করতে পারেনা।

🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺
🌼 হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।।🌼
🌼 হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।। 🌼
🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺

👉সকলকে জানার জন্য কৃপাপূর্বক শেয়ার করুন।

.                  ╔═══ஜ۩۞۩ஜ═══╗                    💝   "জয় শ্রীকৃষ্ণ"     💝                   ╚═══ஜ۩۞۩ஜ═══╝   🌿🌿🌿🌿🌸🌺🌼এ...
27/09/2024

. ╔═══ஜ۩۞۩ஜ═══╗
💝 "জয় শ্রীকৃষ্ণ" 💝
╚═══ஜ۩۞۩ஜ═══╝
🌿🌿🌿🌿🌸🌺🌼একাদশী বার্তা🌼🌺🌸🌿🌿🌿🌿

👉আগামী ২৮.০৯.২০২৪ শনিবার পবিত্র ইন্দিরা একাদশী ব্রত।
👉পারণের সময়ঃ- পরদিন ২৯.০৯.২০২৪ রবিবার সকাল ০৫ঃ৫০ মিনিট থেকে ০৯ঃ৪৯ মিনিট এর মধ্যে।

✅আপনি নিজে একাদশী ব্রত পালন করুন এবং অন্যকে পালনে উৎসাহিত করুন।

''কৃষ্ণ ভুলি যেই জীব অনাদি বহির্মুখ ।
অতএব মায়া তারে দেয় সংসার দুঃখ ।।'' চৈতন্যচরিতামৃত( মধ্য ২০/১১৭)
অর্থাৎ,- শ্রীকৃষ্ণকে ভুলে জীব অনাদিকাল ধরে জড় প্রকৃতির প্রতি আকৃষ্ট রয়েছে। তাই মায়া তাকে এ জড় জগতে নানা প্রকার দুঃখ প্রদান করছে। পরম করুণাময় ভগবান, কৃষ্ণস্মৃতি জাগরিত করতে মায়াগ্রস্ত জীবের কল্যাণে বেদপুরাণে আদি শাস্ত্রগ্রন্থাবলী দান করেছেন।

ভক্তি হচ্ছে ভগবানকে জানার ও ভগবৎ প্রীতি সাধনের একমাত্র সহজ উপায়। শাস্ত্রে যে চৌষট্টি প্রকার ভক্ত্যাঙ্গের কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে একাদশী ব্রত সর্বত্তোম। শ্রবণ, কীর্ত্তন, স্মরণ আদি নবধা ভক্তির পরই দশম ভক্ত্যাঙ্গরূপে একাদশীর স্থান। এই তিথিকে হরিবাসর বলা হয়। তাই ভক্তি লাভেচ্ছু সকলেরই একাদশী ব্রত পালনের পরম উপযোগিতার কথা বিভিন্ন পুরাণে বর্ণিত হয়েছে। একাদশী তিথি সকলের অভীষ্ট প্রদানকারী। এই ব্রত পালনে সমস্ত প্রকার পাপ বিনষ্ট, সর্বসৌভাগ্য ও শ্রীকৃষ্ণের প্রীতি বিধান হয়। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে আট থেকে আশি বছর বয়স পর্যন্ত যে কোন ব্যক্তিরই ভক্তিসহকারে পবিত্র একাদশী ব্রত পালন করা কর্তব্য।

✅ একাদশী ব্রত পালনের নিয়ম:-

সামর্থ্য অনুযায়ী দশমীতে একাহার, একাদশীতে নিরাহার, দ্বাদশীতে একাহার।
এতে অসমর্থ হলে শুধু একাদশীতে অনাহার। যদি এতেও অসমর্থ হয়, একাদশী তে পঞ্চশস্য বর্জনীয়, ফলমূল ও কিছু সবজি গ্রহণের বিধান আছে। যেমন-গোল আলু, মিষ্টি আলু, কুমড়ো,চাল কুমড়ো, বাদাম তেল/সূর্য্যমুখী তেল/ঘি দিয়ে রান্না করে ভগবানকে উৎসর্গ করে আহার করা যেতে পারে। এছাড়া দুধ, কলা,আপেল, আনারস, পেঁপে, পেয়ারা, শসা, নারিকেল, মিষ্টি আলু ইত্যাদি ফল আহার করা যাবে। একাদশীর পারণের সময় পঞ্জিকা তে দেওয়া থাকে, এর মাঝে ভগবান কে অন্ন নিবেদন করে উপবাস ভঙ্গ করতে হবে। নতুবা একাদশীর ফল লাভ হয়না।
বর্জনীয় পঞ্চ শস্য:-
ধান জাতীয় খাদ্য- ভাত,খিচুড়ি,মুড়ি, চিঁড়া,খই, সুজি, চালের গুঁড়ো, চালের পিঠে,
পায়েস। গম জাতীয় খাদ্য- আটা, ময়দা,সুজি,রুটি,বিস্কুট, কেক,নুডলস। যব বা ভুট্টা জাতীয় খাদ্য- ছাতু, খই, রুটি। ডাল জাতীয় খাদ্য- মুগ, মশুর, মটর, মাসকলাই, ছোলা, অড়হর, বরবটি, শিম, বুট। সরিষা, তিলের তেল।( সয়াবিন এর কথা বিতর্কিত) I চা, বিড়ি, সিগারেট,পান, যেকোনো নেশা জাতীয় দ্রব্য বর্জনীয়।
একাদশী তে সহবাস সম্পূর্ণ বর্জন। আমিষ ( পেঁয়াজ, রসুন, ডিম, মাছ, মাংস ) ভক্ষন নিষেধ।

✅✅✅ জেনে নিন পবিত্র ইন্দিরা একাদশী ব্রত মাহাত্ম্যঃ-

মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন---হে মধুসূদন! আশ্বিন মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশীর নাম কি তা কৃপা করে আমাকে বলুন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন--হে রাজন! আশ্বিন মাসের একাদশী 'ইন্দিরা' নামে পরিচিত। এই ব্রত পালনে মহাপাপ বিনষ্ট হয়। এমনকি কর্মবিপাকে যারা নিম্নযোনি লাভ করেছেন, সেই পূর্বপুরুষদেরও উত্তম গতি লাভ হয়। এই একাদশীর মাহাত্ম্য শোনামাত্রেই সামবেদীয় যজ্ঞ ফল লাভ করা যায়।
হে রাজন! মাহিস্মতি নগরে ইন্দ্রসেন নামে এক প্রসিদ্ধ রাজা ছিলেন। ধর্ম বিধি অনুসারে রাজ্য পালনে তিনি বিশেষ খ্যাতি সম্পন্ন ছিলেন। তার বিপুল ধনসম্পত্তি ছিল। পুত্র পৌত্রাদিসহ তিনি সুখে রাজ্য পরিচালনা করতেন। বিষ্ণু ভক্তি পরায়ন সেই রাজা নিরন্তর শ্রী গোবিন্দ নাম গানে মগ্ন থাকতেন।
একদিন রাজা সুখে রাজসভায় বসে আছেন। এমন সময় দেবর্ষি নারদ স্বর্গ থেকে সেখানে এলেন। তাঁকে দর্শন করে রাজা হাত জোড় করে উঠে দাঁড়ালেন। দন্ডবৎ প্রণাম করে মুনিকে আসন, পাদ্য, অর্ঘ্য আদি ষোড়শোপচারে পূজা নিবেদন করলেন। তারপর বললেন---হে মুনিবর! আপনার দর্শন মাত্রই আমার যাবতীয় যজ্ঞ ফল লাভ হয়েছে। এখন আপনার আগমনের কারণ জানিয়ে আমাকে কৃতার্থ করুন।
দেবর্ষি নারদ বললেন---হে মহারাজ! অতি বিস্ময়কর এক কথা শ্রবণ করুন। আমি এক সময় যমলোকে গিয়েছিলাম। সেখানে যমরাজের রাজসভায় বহু পুণ্যকারী আপনার পিতাকে দেখলাম। ব্রত ভঙ্গ পাপে তাকে সেখানে যেতে হয়েছে। হে রাজন! আপনার পিতা যে সংবাদ প্রেরণ করেছেন, আমি এখন তা আপনাকে বলছি।
তিনি বললেন ---হে ঋষিবর! মাহিস্মতির ইন্দ্রসেন রাজা আমার পুত্র। তাকে বলবেন যে, আমি বহু পুণ্য অনুষ্ঠান করলেও কোনো কারণ বশত যমালয়ে আসতে বাধ্য হয়েছি। আপনি কৃপা করে তাকে ভয় সর্বপাপ নাশক ইন্দিরা একাদশী পালন করতে বলবেন। সেই ব্রত প্রভাবে আমি নিষ্পাপ হয়ে স্বর্গ লোকে যেতে পারবো।' এই কথা জানাবার জন্যই আমার আগমন। হে রাজন! আপনার পিতার মঙ্গল বিধানে আপনি যথাবিধি ইন্দিরা একাদশী পালন করুন।
রাজা জিজ্ঞাসা করলেন--হে দেবর্ষি! সেই ইন্দিরা একাদশীর বিধি কি, কোন তিথি বা কোন পক্ষে এই ব্রত পালন করা কর্তব্য তা কৃপা করে আমাকে বলুন।
দেবর্ষি উত্তর দিলেন--- হে মহারাজ! আশ্বিন মাসের কৃষ্ণপক্ষের দশমীর দিনে শ্রদ্ধা সহকারে প্রাতঃস্নান করবেন, মধ্যাহ্নে ভক্তি ভাবাপন্ন হয়ে পুনরায় স্নান করবেন এবং রাত্রি কালে ভূমিতে শয়ন করবেন। পরদিন একাদশীতে প্রাতঃকৃত্যাদি সমাপণ করে নিরাহারে থাকবেন। ব্রতের নিয়মাবলী দৃঢ়ভাবে পালন করবেন। 'হে পুন্ডরীকাক্ষ! হে অচ্যুত! এশরণাগতের প্রতি কৃপা করুন'। এই ভাবে শ্রদ্ধা সহকারে শালগ্রাম পূজা করে পিতার উদ্দেশ্যে ব্রতের ফল অর্পণ করবেন। দ্বাদশীর দিন সকালে ভক্তিভরে শ্রী গোবিন্দের পূজা করে ব্রাহ্মণ ভোজন করিয়ে অবশেষে নিজে মহাপ্রসাদ গ্রহণ করবেন। হে রাজন! বিধি অনুসারে শ্রী হরি এবং ভক্তদের অর্চন করলে আপনার পিতৃবর্গ মুক্তিলাভ করে শীঘ্রই বৈকুণ্ঠে গমন করবেন।
রাজাকে এই উপদেশ দিয়ে দেবর্ষি নারদ প্রস্থান করলেন। রাজা ইন্দ্রসেন মুনির উপদেশ অনুসারে পুত্র পরিজন সহ ভক্তি সহকারে এই ব্রতের অনুষ্ঠান করলেন। তখন দেবলোক থেকে পুষ্প বৃষ্টি হতে লাগল এবং তার পিতাও বিষ্ণুলোকে গমন করলেন। তারপর রাজা ইন্দ্রসেন নিজপুত্রকে রাজ্য ভার অর্পণ করে নিজেও বিষ্ণুলোকে ফিরে গেলেন। এই ইন্দিরা একাদশীর মাহাত্ম্য পাঠ ও শ্রবণে মানুষ সকল পাপ মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হয়।

📚👉একাদশী পারণ মন্ত্র👈
একাদশ্যাং নিরাহারো ব্রতেনানেন কেশব ॥
প্রসীদ সুমুখ নাথ জ্ঞানদৃষ্টিপ্রদো ভব॥🙏🙏🙏

এই মন্ত্র পাঠ করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পারণ করতে হয়।

👉গীতার মাহাত্ম্যে উল্লেখ আছে…

‘’যোহধীতে বিষ্ণুপর্বাহে গীতাং শ্রীহরিবাসরে।
স্বপন জাগ্রৎ চলন তিষ্ঠন শত্রুভির্ন স হীয়তে।।‘’
অর্থাৎ,- শ্রীবিষ্ণুর উৎসবের দিনে, একাদশী ও জন্মাষ্টমীতে যিনি গীতা পাঠ করেন , তিনি চলুন বা দাড়িয়ে থাকুন, ঘুমিয়ে বা জেগে থাকুন,(যে অবস্থাতেই থাকুন না কেন) শত্রু কখনো তার কোন ক্ষতি করতে পারেনা।

🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺
🌼 হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।।🌼
🌼 হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।। 🌼
🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺

👉সকলকে জানার জন্য কৃপাপূর্বক শেয়ার করুন।

মা আসছে 🌼💝🙏
10/09/2024

মা আসছে 🌼💝🙏

27/11/2023

Address

Garuria, Bakerganj
Barisal

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গারুড়িয়া সর্বজনীন পূজা মন্দির posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category