05/03/2023
আইয়ামে বীজের রোজা রাখছেন তো?
এমাসের রোজা ৬, ৭ ও ৮ মার্চ
আলহামদুলিল্লাহ। আমরা আরও একটি রামাদানের খুব নিকটে চলে এসেছি। এখন চলছে রামাদানের আগের মাস শা'বান। শা'বান মাসের আইয়ামে বীজের রোজাগুলো রাখতে হবে যথাক্রমে ৬, ৭ ও ৮ মার্চ রোজ সোম, মঙ্গল ও বুধবার। রবিবার দিন গিয়ে যেই রাত আসবে অর্থাৎ রবিবার দিবাগত রাতে সাহরি খেয়ে সোমবার থেকে রোজা রাখতে হবে। রোজা রাখার জন্য সাহরি খাওয়া সুন্নত।
নিয়মিত আইয়ামে বীজের নফল রোজা রাখাকে হাদীস শরীফে সারা জীবন রোজা রাখার সমতুল্য বলে গণ্য করা হয়েছে।
শা'বান মাসের একটি ফজিলতপূর্ণ রজনী হচ্ছে শা'বান মাসের মাঝখানের রজনী (১৪ শা'বান দিবাগত রাত)। হাদীসের ভাষায় একে "লাইলাতুন নিসফ মিন শা'বান" অর্থাৎ শা'বান মাসের মধ্য রজনী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ রাতটি আমাদের দেশে "শবে বরাত" বলে প্রচলিত।
অনেকে বলেন এ রাতে ভাগ্য লিখা হয়। বক্তব্যটি সঠিক নয়। এ সম্পর্কে কুরআন-হাদীসের দলীল সহ বিস্তারিত জানা যাবে ,,,,,,
উপরের লিংক থেকে আরো জানা যাবে এ রাতের করণীয় এবং বর্জনীয় শিরক-বিদআত ও কুসংস্কার সম্পর্কে।
একটি সহীহ হাদীস থেকে জানা যায়, এ রাতে আল্লাহ ২ শ্রেণীর মানুষ ব্যতীত সকলকে ক্ষমা করে দিবেন। সে দুই শ্রেণী হচ্ছেঃ অন্তরে হিংসা-বিদ্বেষ পোষণকারী এবং শিরককারী। এছাড়াও আরও কিছু হাদীসে অন্যান্য কিছু গুনাহের কথা উল্লেখ রয়েছে। যেমনঃ জাদুকর, পিতামাতার অবাধ্য, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী, ব্যভিচারী, গীবতকারী ইত্যাদি। এগুলো যেহেতু সব সময়ের জন্যই খারাপ কাজ। তাই আমাদের উচিত হবে এগুলো থেকে তাওবা করা। তাহলে ইনশাআল্লাহ শবে বরাতের রাতের যে সাধারণ ক্ষমার ঘোষণা দেয়া হয়েছে আমরা তা লাভ করব।
এ রাতের আমলের ব্যাপারে বলা যায় একাকী ঘরে সাধ্যমত সালাত আদায়, তাসবীহ-তাহলীল করতে পারি। কিন্তু দলবদ্ধ হয়ে মসজিদে বা কোনো স্থানে জমায়েত হওয়া অনুচিত। নবীজি (সা) সারা জীবনে একবার এ রাতে কবরস্থানে গিয়েছেন বলে একটি দুর্বল সনদের হাদীসে এসেছে। আমাদের দেশের অনেকে প্রতি বছর কবরস্থান আর মাজারে গিয়ে জমায়েত হয়। মাজারে গিয়ে মৃত আল্লাহর ওলির কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে শিরকে লিপ্ত হয় অসংখ্য মানুষ। শিরকের গুনাহ আল্লাহ কখনোই ক্ষমা করেন না।
এ রাতকে কেন্দ্র করে আতশবাজি, পটকা ফুটানো, হালুয়া-রুটি, সন্ধ্যার পর গোসল করা এরকম অসংখ্য কুপ্রথা ও কুসংস্কার প্রচলিত আছে। এগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে। শয়তান আমাদের সামনে বিদআতকে অনেক সুন