Khan Jahan Ali Mazar Bagerhat

Khan Jahan Ali Mazar Bagerhat Jahan Ali Mazar Bagerhat. Religious Organization

খান জাহান আলীর মাজার বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত। হযরত খান জাহান আলী (র:) বাংলাদেশের বাগেরহাট অঞ্চলে তিনি ধর্ম প্রচার করতে আসেন। তিনিই বাগেরহাটে বিখ্যাত ষাট গম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেন।

05/12/2022
একটি শিক্ষামূলক ও উপদেশমূলক পোস্ট১. কাউকে একসঙ্গে তিনবারের বেশি ফোন কল করবেন না। যেহেতু আপনার কল রিসিভ হচ্ছে না তার মান...
04/12/2022

একটি শিক্ষামূলক ও উপদেশমূলক পোস্ট
১. কাউকে একসঙ্গে তিনবারের বেশি ফোন কল করবেন না। যেহেতু আপনার কল রিসিভ হচ্ছে না তার মানে ব্যক্তিটি আপনার ফোন কলের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোন কাজে ব্যস্ত আছে।

১০/১৫ মিনিট পর আবার চেষ্টা করতে পারেন।

২. কারো কাছ থেকে টাকা ধার/ঋণ করলে সেটা অবশ্যই ফেরত দিন। যদি ঋণদাতার মনে নাও থাকে তারপরও তাকে সময়মতো ফেরত দিন বা তাকে এমন ভাবে তা পুষিয়ে দিবেন যাতে তার মনে প্রশান্তি আসে। তার সাথে নমনীয় আচরন করুন।

৩. এখনো বিয়ে করোনি কেন কিংবা তুমি নতুন বাড়ি কিনছো না কেন? কাউকে এই ধরনের প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা থেকে বিরত থাকুন।

৪. যদি কোন বন্ধু বা সহকর্মীর সঙ্গে রাইড শেয়ার করেন সেক্ষেত্রে আপনার বন্ধু বা সহকর্মী আজকে বিল পরিশোধ করলে কালকে আপনি বিল পরিশোধ করুন।

৫. অন্যের মতামতকে সম্মান জানাতে শিখুন। কারো কথার মাঝখানে কথা বলবেন না। তার কথা শেষ হলে তারপর আপনি কথা বলা শুরু করুন।

৬. কারো সঙ্গে আপনি মজা করতেছেন কিন্তু সে যদি সেটা উপভোগ না করে তাহলে আপনার অবশ্যই থামা উচিত এবং কখনো এরকম আর করবেন না।

৭. কেউ যদি কোনো ছবি দেখানোর জন্য তার ফোন আপনার হাতে দেয় তাহলে নির্দিষ্ট ছবিটি দেখুন গ্যালারির এপাশ-ওপাশ করবেন না।

৮. কারো সঙ্গে কথা বলার সময় স্মার্ট ফোন টিপাটিপি করবেন না।

৯. যতক্ষণ পর্যন্ত কোন বিষয় আপনার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি নিজের চরকায় তেল দিতে থাকুন।

১০. কারো ব্যক্তিগত ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করবেন না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনার কাছে উপদেশ চাওয়া হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত উপদেশ দিতে যাবেন না। নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে যাবেন না।

১১. সবাইকে সম্মান দিতে শিখুন হোক সে রিক্সাওয়ালা কিংবা আপনার অফিসের বস।

১২. কারো বেতন - চাকরি - ব্যবসা এসব নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করবেন না।

১৩. কেউ পাসওয়ার্ড দেওয়ার সময় ভদ্রতার সাথে চোখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে ফেলুন।

১৪. কেউ ন্যূনতম সাহায্য করলে তাকে ধন্যবাদ দিতে শিখুন।

১৫. কারো কাছ থেকে কোনো কিছুতে উপকৃত হলে তার যথাযথ মূল্যায়ন করুন।

১৬. বন্ধুত্বের উপর সবসময় বড় আবদারের আশা করে থাকবেন না।

১৭. সবসময় কোনো কিছু ফ্রি - তে পাওয়ার আশায় থাকবেন না।

১৮. কারো দোষ জানা থাকলে তা গোপন রাখুন। অপপ্রচার করবেন না।

১৯. কারো কোনো কিছু নিয়ে হিংসা করবেন না। নিজে চেষ্টা করুন। হয়তো আপনিও পারবেন।

২০. ছোট-বড় সবার সাথে মাধুর্য্যপূর্ণ আচরন করুন। আপনার সাথে কারো মতের মিল না থাকলে তর্ক না করে তার সঙ্গ এড়িয়ে চলুন।

২১. বন্ধুত্বের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হলে তার দোষ রটনা করবেন না।

২২. কাউকে খোঁটা দিবেন না।

২৩. কোনো বিষয়ে কম জানা থাকলে তা নিয়ে অন্যের সাথে তর্ক করবেন না।

২৪. ছোট-বড় কাউকে লজ্জা দিয়ে কথা বলবেন না। বিধর্মীদের তুচ্ছ করে কথা বলবেন না।

২৫. যে আপনার উপদেশ মানে না তাকে উপদেশ দিতে যাবেন না অর্থাৎ উলু বনে মুক্তা ছড়াবেন না।

ধৈর্য্য সহকারে অত্যন্ত মনোযোগের সাথে প্রতিটি অক্ষর পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।💛

03/12/2022

সৌদিতে প্রায় প্রতিদিন দুআর মধ্যে একটা কথা বলে, "আল্লাহ আমি ছাড়া তোমার আরও বান্দা আছে। কিন্তু আমার তুমি ছাড়া আর কোন রব নাই। আর কোন চাওয়ার জায়গা নাই।"
আরেক জায়গায় দুআ শুনেছিলাম, "আল্লাহ! তুমিই তো অভাবীদেরকে তাড়িয়ে দিতে নিষেধ করেছো। তাহলে এই অভাবীকে খালি হাতে কেন ফিরিয়ে দিবা?
অদ্ভুত লাগে! আল্লাহর কিছু বান্দা তার রবের সাথে কীভাবে বন্ধুর মত মন খুলে কথা বলে। কত সুন্দর করে চাইতে থাকে।
আর সেই মহান রবের ঘোষনা তো আছেই-
'কতই না উত্তম বন্ধু তিনি, কতই না উত্তম সাহায্যকারী।' - সুরা হাজ্জ:৭৮
সুবাহান আল্লাহ ❤ ©

সাত আসমান সৃষ্টির রহস্য২২৮ টি দেশ নিয়ে এই পৃথিবী।পৃথিবী থেকে সুর্য ১৩ লক্ষ গুন বড়।ব্যাটেল জুইস নামে একটি তারা আছে, যা সূ...
03/12/2022

সাত আসমান সৃষ্টির রহস্য
২২৮ টি দেশ নিয়ে এই পৃথিবী।

পৃথিবী থেকে সুর্য ১৩ লক্ষ গুন বড়।

ব্যাটেল জুইস নামে একটি তারা আছে, যা সূর্যের চেয়ে ৩৩ কোটি গুণ বড়। আল্লাহু আকবর।

প্রক্সিমা সেন্ট্রাই, আলফা সেন্ট্রাই, ব্যাটেল জুইস এরকম ৫০০ বিলিয়ন তারকা নিয়ে গঠিত গ্যালাক্সি।

আল্লাহ তায়ালা কোটি কোটি গ্যালাক্সি সৃষ্টি করেছেন।

পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রতগামী যান Apollo 11. সেকেন্ডে চলে ১১ কিঃমিঃ বেগে। মিনিটে চলে ৬৬০ কিঃ মিঃ বেগে, ঘন্টায় চলে ৩৯ হাজার কিঃমিঃ বেগে। যদি কেউ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের তারকা প্রক্সিমা সেন্ট্রাই Apollo 11 তে চড়ে যেতে চায়, সময় লাগবে ১ লক্ষ ১৫ হাজার বছর। যাহা কোন ক্রমেই সম্ভব নহে।

গ্যালাক্সি, সুপার নোভা, ব্লাক হোল এগুলো ১ম আকাশ নয়।

* ১ম আকাশের মহাশুন্য,

তারপর ১ম আকাশ।

*তারপর ২য় আকাশের মহাশুন্য,

তারপর ২য় আকাশ।

*তারপর ৩য় আকাশের মহাশুন্য,

তারপর ৩য় আকাশ।

*তারপর ৪র্থ আকাশের মহাশুন্য,

তারপর ৪র্থ আকাশ।

*তারপর ৫ম আকাশের মহাশুন্য,

তারপর ৫ম আকাশ।

*৬ষ্ঠ আসমানে একটা গাছ আছে।

গাছটির নাম সিদরাতুলমুনতাহা।

বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ) বলেছেন, তোমার আংটি যদি সাহারা মরুভূমিতে ফেলে দেওয়া হয়, বিশাল মরুভূমির তুলনায় আংটিটা যত ছোট, আল্লাহর ২য় আসমানের তুলনায় ১ম আসমান ততো ছোট। আল্লাহু আকবর।

*৭ম আসমানে আছে বিশাল সমুদ্র জগৎ ও আল্লাহর আরশ। আরশের ভিতর আছে আল্লাহর কুরশি, আল্লাহর সিংহাসন। একটি বার চিন্তা করে দেখুন আল্লাহর সিংহাসন কত বড়?

আল্লাহর সিংহাসনের উপর যদি সাত আসমান, সাত জমিন রাখা হয়, বিশাল মরুভূমিতে আংটি ফেলে দিলে যেমন হারিয়ে যাবে, সাত আসমান, সাত জমিনও তদ্রূপ হারিয়ে যাবে। আল্লাহু আকবর।

মালিক তোমার সৃষ্টি সম্পর্কে জানা ও বোঝার তাওফিক নসিব দান করুন।

আমিন ইয়া রাব্বুল আলামিন।

02/12/2022

কিভাবে আল্লাহর কাছে চাইতে হয় শিখে নিন কথাগুলো শুনে চোখে পানি এসে গেল। Golam sarwar saide

একটা শিক্ষনীয় ইসলামীক গল্প "যখন আমার স্ত্রী আমাদের প্রথম সন্তানের জন্ম দেয়,তখন আমার বয়স ৩০ এর বেশি নয়।সেই রাতটির কথা আজও...
02/12/2022

একটা শিক্ষনীয় ইসলামীক গল্প

"যখন আমার স্ত্রী আমাদের প্রথম সন্তানের জন্ম দেয়,তখন আমার বয়স ৩০ এর বেশি নয়।সেই রাতটির কথা আজও আমার মনে আছে।

প্রতিদিনকার অভ্যাসমত, ঐ রাতটির পুরো সময় আমি বাইরেই কাটিয়েছি আমার বন্ধুদের নিয়ে।পুরো রাত কাটে গল্পে,আড্ডায় এবং লোকজনকে উপহাস করে।আমি ছিলাম তেমনই একজন, যারা মানুষকে হাসাতে পারতো।আমি অন্যদের নিয়ে উপহাস করতাম, ঠাট্টা করতাম,আর আমার বন্ধুরা এসব দেখে শুধুই হাসতো।

সেই রাতে আমি বুঝতে পারলাম, আমি তাদেরকে প্রচুর হাসাতে পারি।মানুষকে নকল করার অসাধারন এক ক্ষমতা আমার ছিলো।কারো স্বর নকল করে তাকে উত্যক্ত করতে পারতাম।

আমার এই ঠাট্টা - মশকারি থেকে কেউই রেহাই পাচ্ছিলোনা, এমনকি আমার বন্ধুরাও না।

আমার এসব ঠাট্টা থেকে বাঁচার জন্য তাদের কেউ কেউ আমাকে তখন এড়িয়ে চলছিল।

আমি এখনও মনে করতে পারি, সে রাতে আমি একজন অন্ধ ভিক্ষুককে নিয়ে ঠাট্টা করেছিলাম যে মার্কেটের রাস্তার ধারে ভিক্ষা করছিলো।সেটা ছিল খুব শোচনীয়! সে যখন অন্ধকারে আসছিলো, আমি তখন তার সামনে আমার পা বসিয়ে দিলাম।সে ধপাস করে মাটিতে পড়ে গেলো এবং চারদিকে মাথা ঘুরিয়ে দেখছিলো কে তাকে ল্যাঙ মেরে মাটিতে ফেলে দিলো।কিন্ত সে কিছুই বলতে পারছিলো না।


আমি বাড়িতে ফিরলাম, যেরকম দেরি করে প্রত্যেকদিনই ফিরি, এবং দেখলাম আমার স্ত্রী আমার জন্য তখনও অপেক্ষা করছিলো।

তার অবস্থা ছিলো ভয়ানক রকম খারাপ।সে কম্পিত গলায় জিজ্ঞেস করলো,- 'রাশেদ, তুমি এতক্ষন কোথায় ছিলে?'

- 'কোথায় থাকবো? মঙ্গলগ্রহে?' - আমি ব্যাঙ্গাত্মকভাবে উত্তর দিলাম - 'অবশ্যই বন্ধুদের সাথে ছিলাম।'

তাকে ক্লান্ত লাগছিলো।সে কান্না চাপা স্বরে বললো,- 'রাশেদ, আমি খুবই ক্লান্ত।আমার মনে হয় একটু পরেই আমাদের সন্তান পৃথিবীতে আসতে যাচ্ছে।'

এইটুকু বলতেই এক ফোঁটা অশ্রু তার চোখ বেয়ে বুকে গড়িয়ে পড়ল।

আমি তখন বুঝতে পারলাম, আমি তাকে অবহেলা করছি।আমার উচিত ছিল তার যত্ন নেওয়া, অন্তত সে যতদিন গর্ভবতী আছে,ততদিন।

এই দিনগুলো বাইরে নষ্ট করা আমার একদম ঠিক হয়নি। দ্রুত তাকে আমি হাসপাতালে নিয়ে গেলাম।তাকে ডেলিভারি কক্ষে নিয়ে যাওয়া হলো।সে তখন ভয়ানক প্রসব বেদনার ভেতর দিয়ে যাচ্ছিলো।

আমি উদ্বিগ্নতা নিয়ে আমাদের সন্তান জন্ম নেওয়ার অপেক্ষা করছিলাম।কিন্ত আমার স্ত্রীর ডেলিভারিটা কঠিন ছিল।

আমি ততক্ষন পর্যন্ত অপেক্ষা করেছিলাম যতক্ষন না ক্লান্ত হচ্ছি।হাসপাতালে আমার স্ত্রীর সেবায় কর্তব্যরত নার্স মহিলাকে আমার ফোন নাম্বার দিয়ে আমি বাসায় চলে এলাম,যাতে তারা আমাকে ফোনে সুসংবাদটা দিতে পারে।এক ঘণ্টা পরে, তারা ফোন দিয়ে আমাকে আমার পুত্র সালেমের জন্মের অভিবাদন জানালো।আমি তাড়াতাড়ি করে হাসপাতালে চলে এলাম।যখনই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাকে দেখলো, তারা আমাকে আমার স্ত্রীর ডেলিভারিতে কর্তব্যরত চিকিৎসকের সাথে দেখা করতে বললো।

আমি চিৎকার করে বললাম,- 'কিসের ডাক্তার? আমি এক্ষুনি আমার ছেলেকে দেখতে চাই।'

তারা বললো,- 'প্লিজ, আগে ডাক্তারের সাথে দেখা করুন।'

আমি ডাক্তারের কাছে গেলাম।তিনি আমাকে আমার স্ত্রীর ভয়াবহ ডেলিভারির কথা বললেন।

এবং আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ হতে বললেন।


তারপর তিনি বললেন,- 'আপনার সন্তানের চোখে সমস্যা আছে।সম্ভবত সে কখনোই চোখে দেখবেনা।'

আমি কোনরকমে কান্না চেপে ধরে মাথা নিচু করে ফেললাম। আমার মনে পড়লো সেই অন্ধ ভিক্ষুকের কথা, যাকে মার্কেটে আমি ল্যাঙ মেরে ফেলে দিয়েছিলাম অন্যদের হাসানোর জন্য।

সুবাহান-আল্লাহ! আপনি তাই পাবেন,যা আপনি দেবেন।

তখন আমি কি বলবো তাই ভেবে পাচ্ছিলাম না।হঠাৎ আমার স্ত্রী আর সদ্যজাত সন্তানের কথা মনে পড়ল। ডাক্তারকে তার দয়ার জন্য ধন্যবাদ দিয়ে আমি আমার স্ত্রী আর সন্তানকে দেখতে গেলাম।

আমার স্ত্রীকে আমি মোটেই বিষন্ন দেখলাম না।আল্লাহর উপর তার বিশ্বাস ছিলো।সে ছিল সন্তুষ্ট।

সে কতোবারই না আমাকে বলতো,- 'মানুষকে নিয়ে ঠাট্টা-মশকারি করো না।'

সে আমাকে বারবার এই কথা বলতো।আমি শুনতাম না।


পুত্র সালেমসহ আমরা হাসপাতাল থেকে বাসায় চলে এলাম।

বাস্তবে, আমি সালেমের প্রতি উদাসীন ছিলাম।মনে করতাম, সালেম আমাদের পরিবারেই থাকেনা।সে আমাদের কেউ না,এরকম।

যখন সে জোরে জোরে কান্না করতো, তখন আমি ঘুমানোর জন্য অন্য কক্ষে চলে যেতাম।

কিন্ত আমার স্ত্রী তার খুব যত্ন করতো।তাকে অনেক ভালোবাসতো।

নিজের ক্ষেত্রে, আমি তাকে ঘৃণা করতাম না।কিন্ত এও ঠিক যে, আমি তাকে ভালোও বাসতে পারতাম না।

সালেম আস্তে আস্তে বড় হচ্ছে।হামাগুড়ি দেওয়ার চেষ্টা করছে।যখন তার বয়স এক বছর, সে তখন হাঁটার চেষ্টা করছিলো।তখন আমরা লক্ষ্য করলাম, সে আসলে প্রতিবন্ধী।

আমি তখন তাকে আমার উপর বোঝা মনে করলাম।


সালেমের পর আমার স্ত্রী আরো দু'টি সন্তানের জন্ম দেয়।উমর এবং খালেদ।

বছর যেতে লাগলো।সালেম বড় হচ্ছিলো।সাথে উমর এবং খালেদও।বাসায় থাকতে আমার ভালো লাগতোনা।আমি আগের মতোই বেশিরভাগ সময় বন্ধুদের সাথে বাইরে বাইরে কাটাতাম।

আমার এরকম আচরনে আমার স্ত্রী কখনোই আশা ছেড়ে দেয়নি।সে সবসময় আমার হিদায়াতের জন্য দো'য়া করতো।আমার এহেন আচরণে সে কখনোই রাগ করতোনা।কিন্ত সে মনে মনে খুব কষ্ট পেতো, যখন সে দেখতো আমি পুত্র সালেমকে অবহেলা করে অন্য দু'জনকে আদর করছি।সালেম বড় হচ্ছিলো আর সাথে বাড়ছিল আমার দুশ্চিন্তাও।

আমার স্ত্রী যখন তাকে একটি ভাল প্রতিবন্ধী স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিতে বললো, আমি আপত্তি জানাইনি।

কতগুলো বছর যে চলে গেলো, আমি বুঝতেই পারলাম না।আমি দিনগুলো ছিল আগের মতই।

খাওয়া-কাজ-আড্ডা-ঘুম। এভাবেই।

এক শুক্রবার। আমি বেলা এগারোটা'য় ঘুম থেকে উঠলাম।বলা চলে,প্রতিদিনের তুলনায় সেদিন আমি অনেক ভোরেই জেগেছি।কারন, আমার এক জায়গায় দাওয়াত ছিলো।আমি কাপড় পরে,গায়ে পারফিউম মেখে বের হতে যাচ্ছিলাম।

যখনই আমি আমাদের বেডরুম অতিক্রম করছিলাম, আমি দেখলাম, সালেম একা একা কাঁদছে।

তার জন্মের পর এই প্রথমবার আমি তাকে নিজ চোখে কাঁদতে দেখছি।দশ বছর কেটে গেলো,কিন্ত এতদিন আমি তার দিকে একটু নজরও দিইনি।এবারও আমি তাকে ইগনোর করতে চেয়েছিলাম,কিন্ত কেন যেন পারলাম না।

আমি শুনলাম, সে কান্না করছে আর তার মা'কে ডাকছে।

আমি এই প্রথমবার তার কাছে গেলাম এবং জিজ্ঞেস করলাম,- 'সালেম, তুমি কাঁদছো কেনো?'

আমার কণ্ঠ শোনামাত্র সে কান্না থামালো।আমাকে তার এত কাছে পেয়ে সে তার ছোট ছোট হাত দুটি হাতড়িয়ে আমাকে অনুভব করার চেষ্টা করতে লাগলো।সে তখনও বুঝতে পারছে না তার সাথে কি হচ্ছে।

আমি খেয়াল করলাম, সে আমার থেকে দূরে চলে যাচ্ছে।যেন সে ঘৃণাভরে আমাকে বলতে চাচ্ছে,- ''এতদিনে আমাকে তোমার মনে পড়লো? এই দশ বছর কোথায় ছিলে?''

আমি তাকে অনুসরন করলাম।দেখলাম, সে তার রুমের দিকে চলে গেলো।

প্রথমে সে তার কান্নার কারণ আমাকে বলতে চায়নি।আমি তার সাথে শান্তভাবে কথা বলতে লাগলাম।এরপর সে আমাকে তার কান্নার কারন বললো।সে যখন আমাকে তার কান্নার কারন বলছিলো, আমি তা শুনছিলাম আর কাঁপছিলাম।

বলতে পারো কি সেই কারন?

তার ছোট ভাই উমর, যে তাকে ধরে ধরে প্রতিদিন মসজিদে নিয়ে যায়, সে এখনও তাকে নিতে আসেনি।সালেমের ভয় হচ্ছিলো, না জানি আবার মসজিদে যেতে দেরি হয়ে যায় আর সে মসজিদের সামনের কাতারে বসার জায়গা না পায়।

তাই সে উমর আর তার মা'কে চিৎকার করে ডাকছিল।কিন্ত তারা কেউই সাড়া দিচ্ছেনা দেখেই সে কাঁদছিল।


আমি সালেমের পায়ের কাছে বসে গেলাম।দেখলাম,তখনও সালেমের চোখ বেয়ে অঝোর ধারায় অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে।

তার পরের কথাগুলো আমি আর সহ্য করতে পারছিলাম না।আমি আমার হাত দিয়ে তার চোখের জল মুছে দিতে দিতে বললাম,- 'এইজন্যেই কি তুমি কাঁদছিলে,সালেম?'

- 'জ্বি' - সে বললো।

আমি আমার বন্ধুদের কথা ভুলে গেলাম,দাওয়াতের কথা ভুলে গেলাম।

আমি বললাম,- 'সালেম, কেঁদোনা।তুমি কি জানো আজ কে তোমাকে মসজিদে নিয়ে যাচ্ছে?'

সালেম বললো,- 'উমরই নিয়ে যাবে।কিন্ত সে সবসময় দেরি করে ফেলে।'

-- 'না সালেম।আজ আমিই তোমাকে মসজিদে নিয়ে যাবো।'- আমি বললাম।

সালেম খুব অবাক হলো।সে কিছুতেই এটা বিশ্বাস করতে পারছিলোনা।সে ভেবেছে, আমি তার সাথে ঠাট্টা করছি।সে আবার কাঁদতে লাগলো।

আমি আমার হাত দিয়ে তার চোখের জল মুছে দিলাম, এবং আমার হাত তার হাতের উপর রাখলাম।আমি তাকে আমার গাড়িতে করে মসজিদে নিয়ে যেতে চাইলাম,কিন্ত সে আপত্তি জানালো।সে বললো,- 'মসজিদ খুব কাছেই।আমাকে ধরে নিয়ে যান।'


শেষ কবে যে আমি মসজিদে ঢুকেছিলাম আমার মনে নেই।কিন্ত এতবছর ধরে যা পাপ আমি করেছি,তার জন্যে এই প্রথম আমার মনের ভেতর ভয় এবং অনুতাপ অনুভব করলাম।

পুরো মসজিদ মুসল্লিতে ভরপুর ছিল।কিন্ত তবুও আমি দেখলাম, একদম সামনের কাতারে সালেমের জন্য একটা খালি জায়গা রেখে দেওয়া আছে।আমরা একসাথে জুমার খুতবা শুনলাম।সালেম আমার পরে পরে রুকু-সিজদাতে যাচ্ছিলো, কিন্ত বাস্তবপক্ষে, মনে হচ্ছিলো, আমিই তার পরে পরে রুকু-সিজদা করছি।

নামাজের পর সে আমাকে একটি কুরআন এনে দিতে বললো।আমি অবাক হলাম।সে তো অন্ধ।সে কি করে কুরআন তেলাওয়াত করবে?

আমি তার অনুরোধ প্রায়ই প্রত্যাখ্যান করতে চাইলাম,কিন্ত তখন তার অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে এরকম কিছু করা আমার পক্ষে সম্ভব ছিলোনা।আমি তাকে একটি কুরআন এনে দিলাম।সে আমাকে বললো কুরআনের সূরা কাহফ খুলে দিতে।আমি কুরআনের পৃষ্ঠা উল্টাতে লাগলাম আর সূচিপত্র দেখে সূরা কাহফ খুঁজতে লাগলাম।

সে আমার হাত থেকে কুরআন নিয়ে নিল।সেটি তার সামনে ধরলো আর সূরা কাহফ [কুরআনের ১৮নং সূরা] তিলাওয়াত করতে লাগলো।

ইয়া আল্লাহ! পুরো সূরা কাহফ তার মুখস্ত!!


আমি নিজেই নিজের প্রতি লজ্জিত হলাম।আমিও একটি কুরআন হাতে নিলাম।তখন আমার পুরো শরীর কাঁপছিল।আমি কুরআন তিলাওয়াত করেই যাচ্ছি।আমি আল্লাহর কাছে বারবার মাফ চাইছিলাম আর বলছিলাম, - 'হে আল্লাহ! আমাকে সিরাতুল মুস্তাকিমের পথ দেখাও।'

আমি এভাবে আর থাকতে পারলাম না।আমি মুহূর্তেই শিশুর মতো কান্না শুরু করলাম।

সেখানে তখনও কিছু মুসল্লি ছিল যারা সুন্নাত আদায় করছিলো।আমি লজ্জিত হলাম।তাই আমি কোনরকমে আমার কান্না চেপে যেতে চাইলাম।আমার চাপা কান্না দীর্ঘায়িত হলো আর শরীর কাঁপছিলো।আমি তখন খেয়াল করলাম, একটি ছোট্ট হাত আমার মুখমণ্ডল স্পর্শ করছে আর আমার চোখের জল মুছে দিচ্ছে।এটা ছিল আমার পুত্র সালেম।

আমি তাকে জড়িয়ে ধরলাম।বললাম, - 'সালেম, তুমি অন্ধ নও।অন্ধ তো আমি, যে অসৎ সঙ্গীর পাল্লায় পড়েছি যারা আমাকে জাহান্নামের দোরগোড়ায় নিয়ে যাচ্ছে।'


আমরা বাড়ি চলে এলাম।ততক্ষনে আমার স্ত্রী সালেমের জন্য উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লো।কিন্ত তার উদ্বিগ্নতা আনন্দাশ্রুতে পরিণত হল, যখন সে জানতে পারলো সালেমের সাথে আমিও জুমা'হ আদায় করেছি।

সেদিন থেকে, আমি আর এক ওয়াক্ত সলাতও ছাড়িনি।আমি আমার খারাপ বন্ধুগুলোকে ত্যাগ করলাম এবং মসজিদে নিয়মিত সলাত আদায় করে এরকম কিছু মানুষকে বন্ধু করে নিলাম।

তাদের সাথে মিশতে মিশতে আমি ঈমানের স্বাদ অনুভব করতে লাগলাম।তাদের কাছ থেকে আমি এমন কিছু শিখছিলাম যা আমাকে এই দুনিয়া নয়,পরের দুনিয়া সম্পর্কে ভাবাতে লাগলো।

আমি কোন ধর্মীয় বক্তৃতা মিস করতাম না।প্রায়ই আমি পুরো কুরআন তিলাওয়াত করে ফেলতাম,অনেক সময় সেটা এক মাসের মধ্যেই।

আমি সবসময় আল্লাহর স্মরণে থাকতাম।ভাবতাম, তিনি অবশ্যই আমার পূর্বের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন।আমি আমার পরিবারের দিকে মন দিলাম।আমার স্ত্রীর চোখে-মুখে সবসময় যে ভয়ের রেখা দেখা যেত,সেটি আর নেই।এক টুকরো হাসি আমার ছেলে সালেমের মুখে লেগেই থাকতো।যে কেউ তার এই হাসি দেখতো, তারা বুঝতে পারতো, সে সম্ভবত দুনিয়ার সবকিছুই অর্জন করে ফেলেছে।আল্লাহর এই বিশেষ রহমতের জন্য আমি তার শুক'রিয়া আদায় করলাম।


একদিন আমার ঈমানী বন্ধুরা মানুষকে ঈমানের দাওয়াত দেওয়ার জন্য কিছু দূরে যাওয়ার প্ল্যান করলো।আমি যাবো কি যাবো না, এটা নিয়ে দ্বিধায় ভুগছিলাম।আমি ইস্তিখারা করছিলাম আর আমার স্ত্রীর সাথে এই বিষয়ে পরামর্শ করছিলাম।

আমি ভেবেছিলাম সে আমায় যেতে নিষেধ করবে।কিন্ত হলো তার উল্টোটি।সে এটা শুনে খুবই খুশি হলো,এবং উপরন্তু আমাকে যেতে উৎসাহ দিলো।কারণ, সে ইতিপূর্বে কখনো কোথাও যাওয়ার আগে আমাকে তার সাথে পরামর্শ করতে দেখেনি।

আমি সালেমের কাছে গেলাম,এবং বললাম যে আমাকে কিছু দিনের জন্য দাওয়াতি কাজে বেরোতে হবে।

সে অশ্রুসজল চোখে আমার দিকে তার দুই বাহু প্রসারিত করে দিলো।

আমি প্রায়ই সাড়ে তিন মাসের মত বাইরে ছিলাম।তখন আমি যখনি সুযোগ পেতাম,ফোনে আমার স্ত্রী আর সন্তানদের সাথে কথা বলতাম।

আমি তাদের অনেক মিস করতাম।বিশেষ করে সালেমকে।আমি তার কণ্ঠ শোনার জন্য ব্যাকুল ছিলাম কিন্ত আমি চলে আসার পর সবার সাথে কথা হলেও,শুধু তার সাথে আমার কথা হয়নি।

আমি যখনই বাড়িতে ফোন করতাম,তখন হয় সে স্কুলে থাকতো,নয়তো মসজিদে।যখনই আমি আমার স্ত্রীকে বলতাম যে, সালেমকে আমি কতোটা মিস করছি, তখন সে আনন্দে,গর্বে হাসতো, শুধু শেষবার যখন ফোনে কথা বলি সেবার ছাড়া।তার কণ্ঠস্বর পাল্টে গেল।আমি বললাম,- 'সালেমকে আমার সালাম দিও।'

সে শুধু বললো,- 'ইনশাআল্লাহ! এরপর চুপ করে গেলো।'


আমি বাড়ি এলাম।দরজায় নক করলাম।আমি ভেবেছিলাম যে, সালেমই আমার জন্য দরজা খুলে দিবে।কিন্ত আমাকে অবাক করে দিয়ে খালেদই দরজা খুলে দিলো যার বয়স চার বছরের বেশি ছিল না।

সে যখন আমাকে 'বাবা বাবা' বলে ডাকছিল,তখন আমি তাকে কোলে তুলে নিলাম।কেন জানিনা, যখন থেকে ঘরে ঢুকলাম,তখন থেকেই আমার মনের ভেতর একটা ভয় কাজ করছিলো।

আমি শয়তানের প্ররোচনা থেকে আল্লাহর পানাহ চাইলাম।আমি আমার স্ত্রীর কাছে গেলাম।তার চেহারা ছিলো ভিন্ন।যেন সে ভাল থাকার অভিনয় করছে এরকম।


আমি তাকে বললাম,- 'কি হয়েছে তোমার?'

- 'কিছু না।'- সে জবাব দিলো।

হঠাৎ, আমার সালেমের কথা মনে পড়লো।আমি বললাম,- 'সালেম কোথায়?'

সে কিছুই বললনা।মাথা নিচু করে ফেললো।তার চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়তে লাগলো।

আমি কান্না শুরু করলাম।চিৎকার করে বললাম,- 'সালেম, কোথায় সালেম?'

তখন দেখলাম, আমার চার বছরের ছেলে খালেদ তার মতো করেই বলছে, - 'বাববা! তালেম দান্নাতে তলে গেথে আল্লাহর তাতে!'

আমার স্ত্রী এটা সহ্য করতে পারল না।সে ফ্লোরে পড়ে গেলো আর দ্রুত রুম ছেড়ে চলে গেলো।

পরে আমি জানতে পারলাম, আমি যাওয়ার দুই সপ্তাহ পরে সালেম জ্বরে আক্রান্ত হয়।আমার স্ত্রী তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।কিন্ত সে আর সেরে ওঠেনি।

ইহকালীন জীবনে শেষবারের মত ঘুমিয়ে গেলো, কিন্তু যাবার আগে একজন চিরঘুমন্ত মানুষকে জাগিয়ে দিয়ে গেলো, যে কখনোই নিজে থেকে জেগে উঠতে চায়নি।"

[[ একটি ইংরেজি ম্যাগাজিন পেপার থেকে সংগৃহিত, রাশেদ নামের এক বাবার হিদায়াতের বাস্তব গল্প। । অসাধারণ এই লেখাটি অনুবাদ করেছেন আরিফ আজাদ ]]

কেন আপনি সারা জীবন গরিব থাকবেন?অর্থনৈতিক মুক্তি লাভের জন্য নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং যতগুলো বই, কোর্স, সেমিনার এবং পডকাস...
02/12/2022

কেন আপনি সারা জীবন গরিব থাকবেন?
অর্থনৈতিক মুক্তি লাভের জন্য নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং যতগুলো বই, কোর্স, সেমিনার এবং পডকাস্ট শোনার পর প্রধান যে বিষয়গুলো উপলব্ধি করতে পেরেছি তা হল:

✍️ আপনি যদি সারাজীবন চাকরি করে যান এবং যদি কোম্পানির কোন শেয়ারের অংশ না পেয়ে থাকেন।

✍️ অর্থ উপার্জন করার জন্য যদি একটি রাস্তার ওপর নির্ভর করেন।

✍️ ৩ বছর আগে যেখানে ছিলেন, এখনো যদি সেখানে থাকেন অথবা ১০% বৃদ্ধি করতে পারেন, তাহলে আপনি পারবেন না।

✍️ ভবিষ্যতের জন্য যদি টাকা সঞ্চয় করেন।

✍️ অর্থ কিভাবে উপার্জন করতে হয়, তা যদি শিখতে না চান।

✍️ পূর্ববর্তী প্রজন্ম যে রাস্তা অবলম্বন করেছে, আপনি যদি একই রাস্তা অবলম্বন করেন।

✍️ লোনের চক্রে যদি আবদ্ধ হয়ে যান।

✍️ কমপক্ষে একটি ব্যবসা যদি শুরু করতে না পারেন।

✍️ কমপক্ষে তিনটি পরোক্ষ উপার্জন করা যায়, এমন ব্যবস্থা যদি করতে না পারেন।

✍️ বিনিয়োগ সম্পর্কে যদি কোনো ধারণা না রাখেন।

✍️ উপার্জনের বেশিরভাগ অর্থ যদি অভাব পূরণের জন্য ব্যয় করে থাকেন।

উপরের শক্তিশালী কারণগুলো যদি আপনার ভিতরে থাকে তাহলে আপনার অর্থনৈতিক মুক্তি পেতে অনেকটা বেগ পোহাতে হবে, তবে আমি একটি কথা বিশ্বাস করি তাহলে মানুষ পারেনা এমন কিছুই নাই।

“ আপনি যদি আপনার লার্নিংকে তিনগুণ বাড়িয়ে দিতে পারেন, তাহলে আপনার বর্তমান যা আর্নিং আছে এক বছর পর তার দ্বিগুন আকারে বৃদ্ধি পেতে থাকবে ”

ধন্যবাদ 🙏

রাশেদুল ইসলাম, ফাউন্ডার #স্কিলস #রাইডার

28/11/2022

বিমানের ভেতর থেকে হঠাৎ কি দেখা গেলো ওইটা

আলহামদুলিল্লাহ:-😍 #হজযাত্রীদের জন্য  #সুখবর" #বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী খরচে  #২০২৪ সাল থেকে আধুনিক বিলাস ব...
28/11/2022

আলহামদুলিল্লাহ:-😍
#হজযাত্রীদের জন্য #সুখবর"
#বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী খরচে #২০২৪ সাল থেকে আধুনিক বিলাস বহুল ১৮ তলাবিশিষ্ট #জাহাজ চলাচল শুরু হবে #চট্টগ্রাম - #জেদ্দা নৌরুটে।
👉🏼দেশের জাহাজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান- #কর্ণফুলী #শিপবিল্ডার্স #লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ইঞ্জিনিয়ার এমএ রশিদ
👉🏼বুধবার২৩ নভেম্বর,দুপুরে পতেঙ্গার ওয়াটার বাস টার্মিনালে অবস্থানরত 'এমভি বে ওয়ানে' আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।মাএ ৮ দিনে চট্টগ্রাম থেকে জেদ্দা পৌঁছাবে জাহাজটি।❤️

মাঠে নামার সময় প্রতি খেলোয়াড়ের সাথে একেকজন বাচ্চা থাকে কেন?খেলোয়াড়দের সাথে থাকা এসব বাচ্চাদের "প্লেয়ার মাসকট" বা "চাইল্ড...
27/11/2022

মাঠে নামার সময় প্রতি খেলোয়াড়ের সাথে একেকজন বাচ্চা থাকে কেন?
খেলোয়াড়দের সাথে থাকা এসব বাচ্চাদের "প্লেয়ার মাসকট" বা "চাইল্ড মাসকট" (mascot) অথবা "চাইল্ড এসকর্ট"বলে।
এদের সাথে রাখার কারণ হল -
১/শিশুরা হল নিষ্পাপ, নিষ্কলুষতার প্রতীক।
২/ কোনো দুই দল প্রবল প্রতিপক্ষ হলে তাদের খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এজন্য মাঝখানে শিশু দেওয়া হয়।
৩/ অনেক সময় একদলের সমর্থকরা অন্য দলকে bullying করে অথবা বিভিন্ন জিনিস ছুঁড়ে মারতে পারে। কিন্ত ছোট বাচ্চারা সাথে থাকলে সেটা করা সম্ভব হয় না।
এদের বয়স হয়ে থাকে সাধারণত ৬-১৮ এর মধ্যে। ১৯৯০ সাল থেকে এই প্রথার প্রচলন হয়৷
শিশু ছাড়াও, আন্তর্জাতিক মা দিবস উপলক্ষে নেদারল্যান্ডস এর আয়াক্স আমস্টারডাম ফুটবল ক্লাব তাদের খেলোয়াড়দের নিজ নিজ মাকে এসকর্ট হিসেবে নিয়ে আসে।

27/11/2022

" আদম সন্তান সবাই অপরাধ করে। অপরাধীদের মধ্যে উত্তম তারাই যারা তওবাহ করে "
🌹
(তিরমিজি)

25/11/2022

দুই সেজদার মাঝে দোয়াটি পড়ুন যা চাইবেন তাই পাবেন | মনের আশা পুরন হবে | 2 sejdar maje duati paron #সরলপথে #নামাজের #দুই

Address

Bagerhat, Khulna Division
Bagerhat
9300

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khan Jahan Ali Mazar Bagerhat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Khan Jahan Ali Mazar Bagerhat:

Share