18/04/2025
...................... শানে হুজুর ﷺ................
যখনই কারো পরিচিতি বর্ণনা করা হয় কিংবা করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় তখন বর্ণনাকরীকে সর্বাগ্রে তাঁকে ভালোভাবে চিনে ও জেনে নিতে হয়। উম্মতের কাণ্ডারী হুজুর করীম মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামের মর্যাদা এতই উন্নত, মহান ও অসীম যে, কোন মানুষের যথাযথ উপলদ্ধির আওতায় তা আসতে পারে না। এ জন্যই বিশ্বকুল সরদার, উভয় জাহানের মুনিব মোহাম্মদ মোস্তফা আহমদ মোজতবা সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামের মর্যাদার যথাযথভাবে বর্ণনা দেয়া সম্ভব নয়। এর উপমা হলো যেন দূরবীক্ষণ যন্ত্র ছাড়াই কোন তারকাকে প্রত্যক্ষ করার চেষ্টা করা। তখন কিন্তু তারকা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞানার্জন করা এবং এর আলোকের প্রকৃত অবস্থা জানা অসম্ভব হয়ে যায়। যদিও আমরা এমনিতে তারকা সম্পর্কে কোন একটা ধারণা অর্জন করতে সক্ষম হই, বস্তুতঃ তারকার উজ্জ্বলতা তার চেয়েও বহুগুণ ঊর্ধ্বে থাকে। অনুরূপ, হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামের শান সম্পর্কে যথাযথ উপলদ্ধি করা প্রকাশ্য চক্ষু তো দূরের কথা মহাজ্ঞানীদের জ্ঞানচক্ষুর পক্ষেও সম্ভবপর হয় না। প্রকৃতপক্ষে, হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে যেই পবিত্র সত্ত্বা জানেন, তিনি হলেন একমাত্র স্বয়ং রাব্বুল ইজ্জত আল্লাহ তায়ালা। হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম একদা হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক (রা.)-কে ইরশাদ করেন,
يَا أَبَا بَكْرٍ لَمْ يَعْرِفْنِي حَقِيقَةً غَيْرُ رَبِّي
অর্থাৎ “হে আবূ বকর! আমার হাকীকত আর প্রতিপালক ছাড়া কেউ চিনতে পারে নি।"
আর একজন আশেকে রাসূল হযরত শেখ সাদী (রাহ.) বলেছেন,
بعد از خدا بزرگ توئی قصہ مختصر
لا يمكن الثناء كما كان حقه
অর্থাৎ “তাঁর যথাযথ প্রশংসা করা সম্ভবপরই নয়। ইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম! সংক্ষিপ্তভাবে এতুটুকু বলা যায় যে, আল্লাহর পর আপনারই মর্যাদার স্থান।"
কিতাব- খোদার ভাষায় নবী(ﷺ) এর মর্যাদা
লেখক- আল্লামা মুহাম্মদ আসলাম