আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ, মেহেরপুর যেলা।

  • Home
  • Bangladesh
  • Amjhupi
  • আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ, মেহেরপুর যেলা।

আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ, মেহেরপুর যেলা। Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ, মেহেরপুর যেলা।, Religious organisation, Gangni, Meherpur, Dhaka, Amjhupi.
(1)

আসুন! পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে জীবন গড়ি।
আমরা চাই এমন একটি ইসলামী সমাজ, যেখানে থাকবেনা প্রগতির নামে কোন বিজাতীয় মতবাদ; থাকবেনা ইসলামের নামে কোনরূপ মাযহাবী সংকীর্ণতাবাদ! আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশের পরিচিতি:
قُلْ هَذِهِ سَبِيْلِيْ أَدْعُوْا إِلَى اللهِ عَلَى بَصِيْرَةٍ أَنَا وَمَنِ اتَّبَعَنِي
وَسُبْحَانَ اللهِ وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِيْنَ
‘বলুন! ইহাই আমার পথ। আমি ও আমার অনুসারীগণ ডাকি

আল্লাহর দিকে, জাগ্রত জ্ঞান সহকারে। আল্লাহ পবিত্র এবং আমি অংশীবাদীদের অন্তর্ভুক্ত নই’ (ইউসুফ ১০৮)।

‘আহলেহাদীছ’ অর্থ ‘হাদীছের অনুসারী’। পারিভাষিক অর্থে কুরআন ও ছহীহ হাদীছের অনুসারী’। সকল দিক ছেড়ে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের দিকে ফিরে যাওয়ার আন্দোলনকেই বলা হয় ‘আহলেহাদীছ আনেদালন’। ছাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈনে এযাম ও সালাফে ছালেহীন সর্বদা এ পথেরই দাওয়াত দিয়ে গেছেন। ‘আহলেহাদীছ’ তাই প্রচলিত অর্থে কোন ফের্কা বা মতবাদের নাম নয়, এটি একটি পথের নাম। এ পথ আল্লাহ প্রেরিত সর্বশেষ অহি-র পথ। পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের পথ। এ পথের শেষ ঠিকানা হ’ল জান্নাত। মানুষের ধর্মীয় ও বৈষয়িক জীবনের যাবতীয় হেদায়াত এ পথেই মওজুদ রয়েছে। ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন’ সেই জান্নাতী পথেই মানুষকে আহবান জানায়। এ আন্দোলন তাই মুমিনের ইহকালীন মঙ্গল ও পরকালীন মুক্তির একমাত্র আন্দোলন।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
নির্ভেজাল তাওহীদের প্রচার ও প্রতিষ্ঠা এবং জীবনের সর্বক্ষেত্রে কিতাব ও সুন্নাতের যথাযথ অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। আক্বীদা ও আমলের সংশোধনের মাধ্যমে সমাজের সার্বিক সংস্কার সাধন আহলেহাদীছ আন্দোলনের সামাজিক ও রাজনৈতিক লক্ষ্য।

পাঁচটি মূলনীতি :
১. কিতাব ও সুন্নাতের সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা :
এর অর্থ- পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছে বর্ণিত আদেশ-নিষেধকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া এবং তাকে নিঃশর্তভাবে ও বিনা দ্বিধায় কবুল করে নেওয়া ও সেই অনুযায়ী আমল করা।
২. তাক্বলীদে শাখ্ছী বা অন্ধ ব্যক্তিপূজার অপনোদন :
‘তাক্বলীদ’ অর্থ- শারঈ বিষয়ে বিনা দলীলে কারো কোন কথা চোখ বুঁজে মেনে নেওয়া। ‘তাক্বলীদ’ দু’ প্রকারের : জাতীয় ও বিজাতীয়। জাতীয় তাক্বলীদ বলতে ধর্মের নামে মুসলিম সমাজে প্রচলিত বিভিন্ন মাযহাব ও তরীক্বার অন্ধ অনুসরণ বুঝায়। বিজাতীয় তাক্বলীদ বলতে- বৈষয়িক ব্যাপারের নামে সমাজে প্রচলিত পুঁজিবাদ, সমাজবাদ, গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ প্রভৃতি বিজাতীয় মতবাদের অন্ধ অনুসরণ বুঝায়।
৩. ইজতিহাদ বা শরী‘আত গবেষণার দুয়ার উন্মুক্ত করণ :
‘ইজতিহাদ’ অর্থ : যুগ-জিজ্ঞাসার জওয়াব পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ হ’তে বের করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো। এই অধিকার ক্বিয়ামত পর্যন্ত সকল যুগের সকল মুত্তাক্বী ও যোগ্য আলিমের জন্য খোলা রাখা।
৪. সকল সমস্যায় ইসলামকেই একমাত্র সমাধান হিসাবে পরিগ্রহণ :
এর অর্থ- ধর্মীয় ও বৈষয়িক জীবনের সকল সমস্যায় ইসলামকেই একমাত্র সমাধান হিসাবে গ্রহণ করা।
৫. মুসলিম সংহতি দৃঢ়করণ :
এর অর্থ- কুরআন ও সুন্নাহর আদেশ-নিষেধকে নিঃশর্তভাবে মেনে নেওয়ার ভিত্তিতে মুসলিম ঐক্য গড়ে তোলা এবং মুসলিম উম্মাহর সার্বিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া।
উপরোক্ত লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও মূলনীতিসমূহ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’ চায় এমন একটি ইসলামী সমাজ, যেখানে থাকবেনা প্রগতির নামে কোন বিজাতীয় মতবাদ; থাকবে না ইসলামের নামে কোনরূপ মাযহাবী সংকীর্ণতাবাদ।

কর্মসূচী :
‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’-এর চার দফা কর্মসূচী হ’ল- তাবলীগ, তানযীম, তারবিয়াত ও তাজদীদে মিল্লাত । অর্থাৎ প্রচার, সংগঠন, প্রশিক্ষণ ও সমাজ সংস্কার। এর মধ্যে সমাজ সংস্কারই হ’ল মুখ্য।

১ম দফা : তাবলীগ বা প্রচার
এ দফার করণীয়ঃ (ক) ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকার ও সম্প্রীতির মাধ্যমে জনগণের নিকটে আহলেহাদীছ আন্দোলনের দাওয়াত পৌছানো (খ) প্রতিদিন বাদ এশা মুছল্লীদের সম্মুখে অর্থসহ একটি করে হাদীছ শুনানো (গ) সাপ্তাহিক তা‘লীমী বৈঠকে যোগদান ও তাবলীগী সফরে গমন করা (ঘ) সাপ্তাহিক পারিবারিক তা‘লীমের ব্যবস্থা করা (ঙ) জুম‘আর খুৎবা প্রদান করা, ইসলামী জালসা, সুধী সমাবেশ, সাংবাদিক সম্মেলন, সেমিনার ইত্যাদির আয়োজন করা ও সেখানে বক্তৃতা করা, (চ) সংগঠনের পত্রিকা ও বইসমূহ পড়ানো, ক্যাসেট-সিডি ইত্যাদি বিক্রয় করা, পোষ্টারিং ও প্রচারপত্র বিতরণ করা ইত্যাদি।

২য় দফা : তানযীম বা সংগঠন
(ক) কর্মীদের স্তর তিনটি : প্রাথমিক সদস্য, সাধারণ পরিষদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য
(খ) সাংগঠনিক স্থর চারটি : শাখা, এলাকা, যেলা ও কেন্দ্র। কোন গ্রামে বা মহল্লায় কমপক্ষে তিনজন ‘প্রাথমিক সদস্য’ থাকলে যেকোন একজনকে সভাপতি, একজনকে সম্পাদক ও একজনকে সদস্য করে শাখা গঠন করা যাবে। না থাকলে সমর্থকদের মধ্য হ’তে একজনকে আহবায়ক ও একজনকে যুগ্ম আহবায়ক করে সাতজনের একটি ‘আহবায়ক কমিটি’ ছয় মাস মেয়াদের জন্য গঠিত হবে। যেলা না থাকলে উক্ত শাখা কেন্দ্র কর্তৃক সরাসরি অনুমোদিত হ’তে হবে।

৩য় দফা : তারবিয়াত বা প্রশিক্ষণ
এ দফার করণীয় : (ক) প্রতিদিন নিয়মিতভাবে কুরআন, হাদীছ ও সাংগঠনিক ইসলামী বইপত্র অধ্যয়ন করা (খ) নিয়মিতভাবে সাপ্তাহিক তা‘লীমী বৈঠকে যোগদান করা (গ) প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণ করা (ঘ) নিয়মিতভাবে তাহাজ্জুদ ও অন্যান্য নফল ছালাত আদায় করা এবং সপ্তাহে প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার বা মাসে তিন দিন আইয়ামে বীয-এর নফল ছিয়াম পালন করা (ঙ) সর্বদা হালাল রূযী গ্রহণে সচেষ্ট থাকা, সুন্নাতী দাড়ি রাখা, তাক্বওয়ার লেবাস পরিধান করা ও বাড়ীতে ইসলামী পর্দা রক্ষা করা (চ) নির্ভেজাল তাওহীদ ও ছহীহ সুন্নাহর আলোকে জাহেলিয়াতের বিভিন্নরূপী চ্যালেঞ্জের মুকাবিলায় ইসলামকে বিজয়ী করার মত যিন্দাদিল মর্দে মুজাহিদ কর্মী তৈরীর কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

৪র্থ দফা : তাজদীদে মিল্লাত বা সমাজ সংস্কার
আমরা বিশ্বাস করি যে, আল্লাহ প্রেরিত সর্বশেষ ‘অহি’ পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ হ’ল অভ্রান্ত সত্যের চূড়ান্ত মানদন্ড। উক্ত অহি-র সত্যকে মানব জীবনের সকল দিক ও বিভাগে প্রতিষ্ঠা করা ও সেই আলোকে সমাজের আমূল সংস্কারের লক্ষ্যে আমরা নিম্নোক্ত তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিতে চাই -
(১) শিক্ষা সংস্কার :
উচ্চ নৈতিকতা সম্পন্ন, যোগ্য, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক জনশক্তি তৈরী করাই হবে শিক্ষার জাতীয় লক্ষ্য। সে লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের প্রথম দায়িত্ব হ’ল : তাওহীদ, রেসালাত ও আখেরাত ভিত্তিক জাতীয় শিক্ষানীতি নির্ধারণ করা। উক্ত শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের জন্য আমাদের মৌলিক কর্মসূচী নিম্নরূপ : (ক) দেশে প্রচলিত ধর্মীয় ও সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থার দ্বিমুখী ধারাকে সমন্বিত করে কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক একক ও পূর্ণাঙ্গ ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা এবং সরকারী ও বেসরকারী তথা কিন্ডার গার্টেন, প্রি-ক্যাডেট, ও-লেভেল ইত্যাদি নামে পুঁজিবাদী শিক্ষা ব্যবস্থা বাতিল করে বৈষম্যহীন ও সহজলভ্য শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা। (খ) ছেলে ও মেয়েদের পৃথক শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে উভয়ের জন্য উচ্চ শিক্ষা এবং পৃথক কর্মক্ষেত্র ও কর্মসংস্থান প্রকল্প গ্রহণ করা (গ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাবতীয় দলাদলি ও রাজনৈতিক ক্রিয়াকান্ড নিষিদ্ধ করা এবং প্রয়োজনবোধে সেখানে বয়স, যোগ্যতা ও মেধাভিত্তিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা প্রবর্তন করা। (ঘ) আক্বীদা বিনষ্টকারী সকলপ্রকার সাহিত্য ও সংস্কৃতি বর্জন করা এবং তদস্থলে ছহীহ আকবীদা ও আমল ভিত্তিক সাহিত্য ও সংষ্কৃতি চালু করা।
(২) অর্থনৈতিক সংস্কার :
হালাল রূযী ইবাদত কবুলের অন্যতম পূর্বশর্ত। অথচ সূদ-ঘুষ, জুয়া-লটারী যা ইসলামে হারাম ঘোষিত হয়েছে এবং পুঁজিবাদী অর্থনীতির নোংরা হাতিয়ার হিসাবে যা সর্বযুগে সকল জ্ঞানী মহল কর্তৃক নিনিদত হয়েছে, সেই প্রকাশ্য হারামী অর্থব্যবস্থা বাংলাদেশে যুগ যুগ ধরে চালু রয়েছে। ফলে ধনীদের হাতে সম্পদ কুক্ষিগত হচ্ছে ও গরীবেরা আরও নিঃস্ব হচেছ। যার পরিণতি স্বরূপ সমাজে অশান্তি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সাথে যোগ হয়েছে দেশী ও বিদেশী পুঁজিবাদী সুদখোর এন,জি,ও-সমূহের অপতৎপরতা। যাদের অধিকাংশ দারিদ্র্য বিমোচনের নামে দারিদ্র্য স্থায়ীকরণ করছে এবং অনেকে সাধারণ জনগনের ঈমান ও নৈতিকতা হরণ করছে। এভাবে দেশটি সর্বদা অর্থ নৈতিকভাবে পঙ্গু ও পরমুখাপেক্ষী হয়ে রয়েছে- যা আন্তর্জাতিক সূদীচক্র ও সাম্রাজ্যবাদীদের সুদূরপ্রসারী নীল নকশারই অংশ। উপরোক্ত দুর্দশাগ্রস্থ অবস্থা হ’তে দেশ ও জাতিকে মুক্ত করার লক্ষ্যে আমাদের কর্মসূচী সমূহ নিম্নরূপ :
(ক) সকল প্রকারের হারাম উপার্জন হ’তে বিরত থাকা।
(খ) যাবতীয় অলসতা, বিলাসিতা ও অপচয় পরিহার করা এবং সর্বদা ‘অল্পে তুষ্ট থাকার’ ইসলামী নীতির অনুশীলন করা।
(গ) নির্দিষ্ট ইমারত-এর অধীনে সুষ্ঠু পরিকল্পনা মোতাবেক বায়তুল মালের সংগ্রহ ও বন্টন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
(ঘ) সমাজ কল্যাণমূলক ইসলামী প্রকল্প সমূহ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা।
(ঙ) অনৈসলামী অর্থব্যবস্থার বিরুদ্ধে ব্যাপক জনমত গঠন করা এবং দেশের সরকারের নিকটে ইসলামী অর্থব্যবস্থা চালুর জন্য জোর দাবী পেশ করা।
৩. নেতৃত্বের সংস্কার :
অধিকাংশ ক্ষেত্রে অসৎ নেতৃত্ব আজ সমাজ জীবনকে বিষিয়ে তুলেছে। শান্তিপ্রিয় সৎ নেতৃত্ব সর্বত্র মুখ লুকিয়েছে। এ অবস্থা সৃষ্টির জন্য পূর্বে বর্ণিত শিক্ষাগত ও অর্থনৈতিক কারণ দু’টি ছাড়াও নিম্নোক্ত বিষয়গুলিকে আমরা মৌলিক কারণ হিসাবে চিহ্নিত করতে পারিঃ
(ক) সরকারী ও বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক পদ্ধতি এবং হরতাল, ধর্মঘট ও মিছিলের যথেচ্ছ ব্যবহার।
(খ) দল ও প্রার্থী ভিত্তিক নেতৃত্ব নির্বাচন ব্যবস্থা।
(গ) সৎ ও অসৎ সকলের ভোটের মূল্য ও নির্বাচনের অধিকার সমান গণ্য করা।
(ঘ) দলীয় প্রশাসন, দুর্নীতিগ্রস্থ আমলাতন্ত্র ও বিচার ব্যবস্থা।
এক্ষণে নেতৃত্ব সংস্কারের লক্ষ্যে জাতির নিকটে আমাদের প্রস্তাবসমূহ নিম্নরূপ :
(ক) সর্বত্র ইসলামী নেতৃত্ব নির্বাচন নীতি অনুসরণ করা এবং ইমারত ও শূরা পদ্ধতি অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করা।
(খ) আল্লাহ্কে সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক হিসাবে ঘোষণা করা এবং তাঁর প্রেরিত সর্বশেষ ‘অহি’ পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছকে রাষ্ট্রীয় আইনে মূল ভিত্তি হিসাবে গ্রহণ করা।
(গ) স্বাধীন ও ইসলামী বিচার ব্যবস্থা চালু করা।

আমাদের দাওয়াত
‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’ এদেশে ইসলামের পূর্ণাঙ্গ বিজয় ও বাস্তবায়ন দেখতে চায়। এজন্যে রাসুলুল্লাহ (ছাঃ)-এর তরীকা আনুযায়ী নির্দিষ্ট ‘ইমারত’-এর অধীনে পূর্ণ ইখলাছের সাথে দাওয়াত ও জিহাদের কর্মসূচী নিয়ে জামা‘আতবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে চায়। অতএব কিতাব ও সুন্নাতের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে বিশ্বাসী সকল মুমিন ভাই-বোনকে এই জিহাদী কাফেলায় শামিল হ’য়ে জান ও মালের কুরবাণী পেশ করার জন্যে আমরা উদাত্ত আহবান জানাই!! আরও জানতে হ’লে ‘আন্দোলন’-এর পক্ষ থেকে প্রকাশিত বইপত্র পড়ুন ও সংগঠনে যুক্ত হয়ে প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ গ্রহণ করুন।

22/05/2026

🕌 জুমু'আর খুৎবা।
বিষয়ঃ শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড ও মাদকের অভিশাপ
🌸 খতীব:
🎙️প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
◼️আমীর, আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ
◼️ প্রফেসর (অবঃ), আরবী বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

🚩স্থান : মারকাযী জামে মসজিদ, আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী মাদ্রাসা, আমচত্বর, রাজশাহী।
🗓️তারিখ : ২২ মে ২০২৬, রোজ : শুক্রবার।

#যাকাত #খুতবা

21/05/2026

ধর্ষকের শাস্তি হোক প্রকাশ্যে!
ড. আহমাদ আব্দুল্লাহ ছাকিব
চেয়ারম্যান, হাদীছ ফাউণ্ডেশন শিক্ষা বোর্ড।
কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক, আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ।

সম্প্রতি ঢাকার মুহাম্মাদপুরস্থ আল-আমীন জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত এক হালাকায় জর্ডানী শায়খ ড. উসামা আল-উতায়বী (হাফিযাহুল্লাহ)-এ...
17/05/2026

সম্প্রতি ঢাকার মুহাম্মাদপুরস্থ আল-আমীন জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত এক হালাকায় জর্ডানী শায়খ ড. উসামা আল-উতায়বী (হাফিযাহুল্লাহ)-এর একটি মন্তব্য আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশে এমন বহু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী রয়েছে যারা “সুরূরী“ (السرورية) চিন্তাধারার প্রভাব বহন করলেও নিজেরা তা অনুধাবন করেন না। এ প্রসঙ্গে উদাহরণ হিসেবে তিনি অত্যন্ত বিস্ময়করভাবে আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ এবং এর আমীর প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিবের নাম উল্লেখ করেন।

বিষয়টি আমাদের নিকট অত্যন্ত দুঃখজনক ও অস্বাভাবিক বলে প্রতীয়মান হয়েছে। কারণ বাংলাদেশে তাওহীদ, সুন্নাহ ও ছহীহ আক্বীদাভিত্তিক দাওয়াত, শিরক-বিদআত বিরোধী আন্দোলন এবং সমাজ সংস্কারের ক্ষেত্রে আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশের বিগত কয়েক দশকের ভূমিকা সর্বমহলে সুপরিচিত। বিশেষত প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব (হাফি.) দীর্ঘ ৬০ বছর যাবৎ বাংলার মাটিতে কুরআন ও ছহীহ হাদীছভিত্তিক বিশুদ্ধ সালাফী মানহাজ প্রচারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

ইখওয়ানী চিন্তাধারা ও রাজনৈতিক ইসলামকেন্দ্রিক বিভিন্ন আক্বীদাগত বিচ্যুতির বিরুদ্ধে বহু বছর পূর্ব থেকেই তাঁর সুস্পষ্ট অবস্থান সর্বজনবিদিত। এ বিষয়ে ১৯৮৭ সালে তথা পঞ্চাশ বছর পূর্বে তাঁর রচিত “তিনটি মতবাদ” গ্রন্থ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। পরবর্তীতে “ইক্বামতে দ্বীন : পথ ও পদ্ধতি” এবং “ইসলামী খেলাফত ও নেতৃত্ব নির্বাচন ব্যবস্থা” গ্রন্থদ্বয়েও তিনি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় একাডেমিক ও দলীলভিত্তিকভাবে উক্ত চিন্তাধারার বিভিন্ন ত্রুটি-বিচ্যুতি তুলে ধরেছেন। মাসিক আত-তাহরীকের পাতায় পাতায় এ বিষয়ে বিগত ৩০ বছরে অজস্র লেখনী প্রকাশিত হয়েছে। বাংলা ভাষায় লেখনী ও বক্তৃতার মাধ্যমে ইখওয়ানী মতবাদের বিরুদ্ধে তাঁর মতো প্রতিবাদী কণ্ঠ সম্ভবত আর দ্বিতীয়টি নেই। বলা যায় এরই প্রতিক্রিয়ায় দীর্ঘ প্রায় সাড়ে তিন বছর যাবৎ তাঁকে কারা নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। অথচ তাঁর মত ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে সরাসরি নাম উচ্চারণ করে একজন আরবীভাষী শায়খের এমন প্রকাশ্য মন্তব্য অতীব হতাশাজনক এবং দুর্ভাগ্যজনক।

আমাদের ধারণা, তাঁকে এ বিষয়ে ভুল তথ্য এবং অসত্য ধারণা দেয়া হয়েছে এবং আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ নাম থেকে “আন্দোলন“ শব্দটিকে টার্গেট করে তাঁর কাছে মিথ্যা বার্তা দেয়া হয়েছে। অথচ সকলেই জানেন যে, এখানে “আন্দোলন” শব্দটি সামাজিক ও দ্বীনী গণজাগরণের অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এটা কোন রাজনৈতিক পরিভাষা নয়। এই অর্থে আল্লামা আব্দুল্লাহিল কাফী আল-কুরায়শী “আহলেহাদীছ আন্দোলন“ নামে সরাসরি বই লিখেছেন এবং তাঁর লেখনীতে অসংখ্যবার এই শব্দবন্ধ ব্যবহার করেছেন। সুতরাং যারা মিথ্যাচার করে উক্ত শায়খকে ভুল বুঝিয়েছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ রইল, তাঁরা যেন আল্লাহকে ভয় করেন এবং সঠিক তথ্য শায়খের নিকট পৌঁছে দেন।

সর্বোপরি, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে এমন গুরুতর আদর্শিক মন্তব্য করার ক্ষেত্রে অধিকতর সতর্কতা, পর্যাপ্ত যাচাই-বাছাই এবং ইনসাফপূর্ণ মূল্যায়ন একান্তভাবে কাম্য। বিশেষত যখন এমন বক্তব্য সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি, ভুল বোঝাবুঝি ও অনাকাঙ্ক্ষিত বিভাজনের সৃষ্টি করতে পারে।

আমরা আশা করি, পারস্পরিক মতপার্থক্যের ক্ষেত্রেও ব্যক্তি বিদ্বেষের ঊর্ধ্বে উঠে আহলুস সুন্নাহর আদব, ন্যায়পরায়ণতা ও ইলমী আমানতদারিতা বজায় থাকবে এবং যে কোনো অভিযোগ দলীল, বাস্তবতা ও নিরপেক্ষ গবেষণার ভিত্তিতে উপস্থাপিত হবে। মুসলিম হিসাবে ন্যূনতম এইটুকু সতর্কতা আমরা একান্তভাবে কামনা করি। আল্লাহ আমাদের হেফাযত করুন। আমীন!

শাইখ উবাইদ ইবন আবদুল্লাহ আল-জাবিরি (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেনঃ“আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ। সকল প্রশংসা...
17/05/2026

শাইখ উবাইদ ইবন আবদুল্লাহ আল-জাবিরি (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেনঃ

“আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আমাদের নবী, তাঁর পরিবার ও সকল সাহাবির উপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক।

আমি পূর্বে যে ফতোয়া দিয়েছিলাম, এখনও সেই ফতোয়ার উপরই আছি— এটাই প্রথম কথা।

দ্বিতীয়তঃ আমরা লিবিয়ায় আমাদের সন্তানদের জন্য যে নসীহত লিখেছি— শাসক ও প্রজাদের ব্যাপারে— আমরা এখনও তার উপরই আছি।

তৃতীয়তঃ এই ব্যক্তি, যার নাম উসামা ইবন আতাইয়া আল-ফিলিস্তিনি, যে নিজেকে ‘আল-উতাইবি’ নামে পরিচয় দেয়— আল্লাহই ভালো জানেন এটি তার প্রকৃত বংশ কিনা, এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। তবে আমি বলছি, তার অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তা পাগলামি, হঠকারিতা ও বুদ্ধিহীনতার পর্যায়ে পড়ে।

সুতরাং আমার উপদেশ হলো— লিবিয়ার সাধারণ মানুষ ও বিশেষ ব্যক্তিরা যেন তার দ্বারা প্রতারিত না হয়। বরং তারা যেন আল্লাহ যাকে তাদের উপর দায়িত্ব দিয়েছেন, তার চারপাশে একত্রিত থাকে— যতক্ষণ না সে আল্লাহর অবাধ্যতার আদেশ দেয়। এবং তারা যেন সহজ-সুবিধা ও কষ্টের সময়ে, পছন্দ ও অপছন্দের অবস্থায় তার আনুগত্য স্বীকার করে।

এটাই ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে আমার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য। আর তার অনিষ্ট প্রতিরোধ করা— আল্লাহর কসম!— তা না আমি পারি, না তুমি পারবে। যদি আমার হাতে কিছু ক্ষমতা থাকত, তবে আমি তাকে নিবৃত্ত করতাম। কারণ লোকটি ফিতনা উসকে দিয়েছে।

বারাকাল্লাহু ফিকুম, এটাই আমার কাছে যা আছে। আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের ও আপনাদেরকে প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সব ফিতনা থেকে রক্ষা করেন।”

এটি লিখিয়ে নিয়েছেন উবাইদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন সুলাইমান আল-জাবিরি, সোমবার রাত, ২৯ শাওয়াল, ১৪৩৫ হিজরি।

---

শাইখ উবাইদ ইবন আবদুল্লাহ আল-জাবিরি (রহিমাহুল্লাহ) আরও বলেছেনঃ

১- “এর মধ্যে হালকাপনা আছে, সে স্থির-প্রকৃতির নয়। আলহামদুলিল্লাহ, এমন অনেক বড় আলেম আছেন যারা এ ব্যক্তির প্রয়োজনীয়তাকে অতিক্রম করেন। লোকটির মধ্যে অপছন্দনীয় হালকাপনা আছে। সে প্রত্যেক বিষয়ে ঢুকে পড়তে ভালোবাসে।”

২- “সে হঠকারী ও আত্মমুগ্ধ ব্যক্তি। তার কাছে যেও না… তার মধ্যে হঠকারিতা ও বিশৃঙ্খলা আছে… সুতরাং কখনোই তার কাছে যেও না।”

৩- “লোকটির মধ্যে বুদ্ধির হালকাপনা আছে। সে লিবিয়ার রাজনৈতিক বিষয়ে শক্তভাবে জড়িয়ে পড়েছে। তাই আমি তার কথার উপর কখনোই আস্থা রাখি না। তার মধ্যে হালকাপনা ও হঠকারিতা আছে। আল্লাহ আমাদেরকে তার অনিষ্ট থেকে রক্ষা করুন। সে বিভ্রান্ত, বিভ্রান্ত, বিভ্রান্ত, বিভ্রান্ত। পাগল, পাগল, পাগল, পাগল। তার কথায় প্রতারিত হয়ো না। তাকে উপেক্ষা করো।”

৪- “আহমদ ইবন উমর ইবন সালিম বাজমূল এবং উসামা ইবন আতাইয়া— উভয়েই ফিতনাবাজ। তাদের উপর ভরসা করা যায় না। তবে উসামা মিথ্যাবাদী, আত্মমুগ্ধ, তার কোনো অঙ্গীকার বা প্রতিশ্রুতি নেই। উভয়েই ফিতনা উসকে দেওয়ার কাজে জড়িত। তারা সেই ‘হঠাৎ শাইখ’দের অন্তর্ভুক্ত, যাদের উপর বহু বছর অতিবাহিত হয়েছে অথচ তারা পরিচিত ছিল না।

হ্যাঁ, এটাই ঐ দুই ব্যক্তির অবস্থা সম্পর্কে আমার কাছে যা সংক্ষেপে এসেছে। সুতরাং তাদের দ্বারা প্রতারিত হয়ো না, আর যারা তাদের প্রশংসা করে তাদের দ্বারাও প্রতারিত হয়ো না। কারণ তাদের প্রশংসা করবে হয় এমন ব্যক্তি যে তাদের প্রকৃত অবস্থা জানে না, অথবা এমন ব্যক্তি যে তাদের অবস্থা পছন্দ করে।

আর আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবার ও সাহাবিদের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।”

তারিখঃ ১১ মহররম ১৪৩৬ হিজরি।

---

প্রশ্নকারীঃ আসসালামু আলাইকুম।

শাইখ উবাইদ আল-জাবিরিঃ ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আল্লাহ আপনাকে জীবিত রাখুন হে আবু আলী, স্বাগতম।

প্রশ্নকারীঃ আল্লাহ আপনাকে উত্তম সকাল দান করুন শাইখ। কেমন আছেন? ভালো তো?

শাইখঃ নূরের সকাল। স্বাগতম। পিতা-মাতা, সন্তান ও পরিবারের অবস্থা কেমন?

প্রশ্নকারীঃ আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ আপনাকে হেফাজত করুন শাইখ, ইনশাআল্লাহ।

শাইখঃ আপনাকেও, আপনাকেও। আল্লাহ আপনাকে জীবিত রাখুন। আলহামদুলিল্লাহ।

প্রশ্নকারীঃ আপনার স্বাস্থ্য ও সন্তানরা কেমন আছেন শাইখ? ভালো তো ইনশাআল্লাহ?

শাইখঃ কোনো সমস্যা নেই, আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহর প্রশংসা। তারা ভালো আছে।

প্রশ্নকারীঃ আল্লাহ আপনাদের হেফাজত করুন ও তত্ত্বাবধান করুন।

শাইখঃ আপনাকেও, আপনাকেও।

প্রশ্নকারীঃ শাইখ, বেশি সময় নেব না। একটি প্রশ্ন আছে।

শাইখঃ বলুন।

প্রশ্নকারীঃ শাইখ, আগামী দিনে আমাদের এখানে একটি ইলমি দাওরা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে শাইখ আবদুল কাদির জুনাইদ ও উসামা ইবন আতাইয়া থাকবেন। ভাইয়েরা জানতে চাচ্ছে— উসামা ইবন আতাইয়ার থেকে উপকৃত হওয়ার ব্যাপারে কী হুকুম?

শাইখঃ না, না, তার কাছে যেও না… কখনোই না। সে হঠকারী ও আত্মমুগ্ধ ব্যক্তি। তার কাছে যেও না।

প্রশ্নকারীঃ বারাকাল্লাহু ফিক।

শাইখঃ কে তাদের দু’জনকে একত্র করল, আমি জানি না!

প্রশ্নকারীঃ আল্লাহর কসম, শাইখ, আয়োজকদের ব্যাপারে আমি জানি না। আমার কাছে শুধু এই তথ্য পৌঁছেছে— শাইখ আবদুল কাদির জুনাইদ ও উসামা ইবন আতাইয়া।

শাইখঃ শাইখ আবদুল কাদির জুনাইদ ভালো মানুষ ইনশাআল্লাহ। কিন্তু উসামা ইবন আতাইয়া নয়… তার মধ্যে হঠকারিতা ও মিশ্রণ আছে। তোমরা তাকে চেনো।

প্রশ্নকারীঃ জি, জি।

শাইখঃ (অস্পষ্ট কথা)

প্রশ্নকারীঃ জি আল্লাহর কসম, আমরা আল্লাহর কাছে তার হিদায়াত চাই।

শাইখঃ সুতরাং তোমরা কখনোই তার কাছে যেও না।

প্রশ্নকারীঃ বারাকাল্লাহু ফিক, জাযাকাল্লাহু খাইরান। এই কথা কি আমি প্রচার করব, শাইখ?

শাইখঃ প্রচার করো, সমস্যা নেই।

প্রশ্নকারীঃ বারাকাল্লাহু ফিক।

সময়ঃ ১৪:৫১
তারিখঃ ১৪ যুল-ক্বা‘দাহ ১৪৩৫ হিজরি।

---

উসামা ইবন আতাইয়া আল-উতাইবী সম্পর্কে সতর্কীকরণঃ

• উসামা ইবন আতাইয়া থেকে সতর্ক থাকার ঘোষণা।
• মিথ্যাবাদী ও দুষ্ট উসামা ইবন আতাইয়া আল-ফিলিস্তিনি, যে নিজেকে ‘আল-উতাইবি’ বলে পরিচয় দেয়— তার ব্যাপারে সতর্কীকরণ।
• উসামা ইবন আতাইয়া, যে নিজেকে উতাইবা গোত্রের দাবিদার বানিয়েছে এবং প্রকাশ্যে ও ইঙ্গিতে আহলুস সুন্নাহর আলেম ও দাঈদের বিরুদ্ধে কটাক্ষ করে— তার ব্যাপারে সতর্কীকরণ।
• উসামা ইবন আতাইয়ার জবাব, যে শাইখ আল্লামা রবী আল-মাদখালি (রহিমাহুল্লাহ)-এর মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ ও সন্দেহের মধ্যে ফেলার চেষ্টা করেছে।
• হাদ্দাদী উসামা ইবন আতাইয়ার জবাব, যে শাইখ উবাইদ ইবন আবদুল্লাহ আল-জাবিরি (রহিমাহুল্লাহ)-এর বিরুদ্ধে অপবাদ আরোপ করেছে।
• মুহাম্মাদ ইবন হাদি আল-মাদখালি উসামা আতাইয়াকে জবাব দিয়েছেন হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর বের হওয়ার মাসআলায়।

“কাশফুল খাবায়া মিন সিরাতি ইবন আতাইয়া” থেকে নির্বাচিত অংশ—
এটি ইমাম রবী আল-মাদখালি-এর সমালোচক উসামা আল-উতাইবীর সংক্ষিপ্ত পরিচয়।

“কাশফুল খাবায়া মিন সিরাতি উসামা ইবন আতাইয়া”

মুহতারাম আমিরে জামা'আত প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব-এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফি...
16/05/2026

মুহতারাম আমিরে জামা'আত প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব-এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

আজ ১৬ই মে ২০২৬ বেলা পৌনে এগারোটায় আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয় আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফীতে মুহতারাম আমীরে জামাআত প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিবের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ জামাআতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। এসময় তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির চারজন সংসদ সদস্য—অধ্যাপক মুজীবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম, নূরুল ইসলাম বুলবুল ও কেরামত আলী প্রমুখ।

সৌজন্য বৈঠকে ডা. শফিকুর রহমান সমাজ সংস্কার, বিশুদ্ধ ইসলামী দাওয়াত ও আদর্শিক নেতৃত্বে মুহতারাম আমীরে জামাআতের দীর্ঘদিনের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি ২০০৫ সালে অন্যায়ভাবে আমীরে জামাআতের কারাভোগের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি সে সময় এ ব্যাপারে যথাযথ প্রতিকারমূলক ভূমিকা গ্রহণ করতে না পারাকে তাদের “সাংগঠনিক ব্যর্থতা” হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বিষয়টিকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানান।

তিনি দেশের একজন প্রবীণ ইসলামী ব্যক্তিত্ব ও মুরব্বী হিসেবে প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিবের নিকট দোআ, দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ কামনা করেন। পাশাপাশি তিনি অনুরোধ করেন যে, বাংলাদেশ জামাআতে ইসলামীর কোনো বিচ্যুতি বা ভুল-ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তিনি যেন তা দ্বিধাহীনভাবে সংশোধন করে দেন।

এসময় মুহতারাম আমীরে জামাআত ডা. শফিকুর রহমানকে “জেলখানার তোহফা” হিসেবে তাঁর রচিত কয়েকটি গ্রন্থ উপহার প্রদান করেন। তিনি মতবিনিময় কালে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, গণতান্ত্রিক তাগুতী ব্যবস্থার মাধ্যমে কখনই ইসলামী অনুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। তবে দেশকে ইসলামী আদর্শ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থার পথে পরিচালনার লক্ষ্যে যে কোনো কল্যাণকর উদ্যোগে তিনি সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

⁉ প্রশ্ন (৩৯/৩১৯) : অসুস্থতা আল্লাহর পক্ষ থেকে নে‘মত না পাপের ফল? এটা বুঝার উপায় কি?🔰 উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদ...
15/05/2026

⁉ প্রশ্ন (৩৯/৩১৯) : অসুস্থতা আল্লাহর পক্ষ থেকে নে‘মত না পাপের ফল? এটা বুঝার উপায় কি?

🔰 উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদের সুখ-দুঃখ এবং সচ্ছলতা-অসচ্ছলতা দিয়ে পরীক্ষা করেন। কখনও তিনি তাদের পরীক্ষা করেন তাদের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য, সুখ্যাতি ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এবং নেকী বহুগুণে বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য। যেমনটি তিনি নবী-রাসূল ও নেককার বান্দাদের ক্ষেত্রে করে থাকেন। নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, ‘মানুষের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হন নবীগণ, তারপর যারা তাদের নিকটবর্তী (মর্যাদাবান), এরপর যারা তাদের নিকটবর্তী’ (তিরমিযী হা/২৩৯৮; মিশকাত হা/১৫৬২, সনদ হাসান)। আবার কখনও আল্লাহ এটি করেন গুনাহ ও পাপাচারের কারণে, যাতে দুনিয়াতেই দ্রুত শাস্তি প্রদান করা হয়। যেমনটি আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, ‘তোমাদের ওপর যেসব বিপদ-আপদ পতিত হয়, তা তোমাদেরই কর্মফল এবং তিনি তোমাদের অনেক গুনাহ ক্ষমা করে দেন’ (শূরা ৪২/৩০)।

সারকথা হ’ল, পরীক্ষা বা বালা-মুছীবত কখনও মর্যাদা বৃদ্ধি ও বিপুল ছওয়াবের জন্য হয়, যেমনটি আল্লাহ নবীগণ এবং একনিষ্ঠ নেককারদের সাথে করেন। আবার কখনও এটি গুনাহ মাফের জন্য হয়, যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘যে কেউ মন্দ কাজ করবে তাকে তার ফল দেওয়া হবে’ (নিসা ৪/১২৩)। আর নবী করীম (ছাঃ) বলেন, ‘মুসলিম ব্যক্তির ওপর যে কোন দুশ্চিন্তা, দুঃখ-কষ্ট, ক্লান্তি, রোগ, শোক কিংবা যাতনা আসুক না কেন, এমনকি তার গায়ে যদি একটি কাঁটাও ফোটে, তার বিনিময়ে আল্লাহ তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন’ (আহমাদ হা/১১২০৪, সনদ ছহীহ)। নবী করীম (ছাঃ) আরও বলেছেন, ‘আল্লাহ যার মঙ্গল চান, তাকে তিনি বিপদে ফেলেন’ (বুখারী হা/৫৬৪৫; মিশকাত হা/১৫৩৬)।

আবার কখনও এই পরীক্ষা গুনাহের কারণে এবং দ্রুত তওবা না করার ফলে দ্রুত শাস্তি হিসাবে নেমে আসে। যেমনটি নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, ‘আল্লাহ যখন তাঁর কোন বান্দার কল্যাণ চান, তখন দুনিয়াতেই তার (গুনাহের) শাস্তি দিয়ে দেন। আর যখন তিনি তাঁর কোন বান্দার অকল্যাণ চান, তখন তার গুনাহের শাস্তি থেকে তাকে বিরত রাখেন, যাতে ক্বিয়ামতের দিন তাকে পূর্ণ শাস্তি প্রদান করতে পারেন’ (তিরমিযী হা/২৩৯৬; ছহীহুল জামে‘ হা/৩০৮)।

📝 প্রশ্নোত্তর
📝 মে ২০২৬
📚 মাসিক আত তাহরীক

বাংলাদেশ আহলেহাদীছ যুবসংঘ -এর গঠনতন্ত্র -এর ধারা-১২ অনুযায়ীদায়িত্বশীলদের গুণাবলী(১) আল্লাহভীরুতা(২) সুন্নাতের পাবন্দী(৩)...
15/05/2026

বাংলাদেশ আহলেহাদীছ যুবসংঘ -এর
গঠনতন্ত্র -এর ধারা-১২ অনুযায়ী

দায়িত্বশীলদের গুণাবলী
(১) আল্লাহভীরুতা
(২) সুন্নাতের পাবন্দী
(৩) ইমারতের প্রতি আনুগত্য
(৪) পদের প্রতি লোভহীনতা
(৫) দায়িত্বানুভূতির তীব্রতা
(৬) সততা ও যোগ্যতা
(৭) আমানতদারী
(৮) হালাল রুজী
(৯) ইসলামী পরিবার
(১০) সংগঠনের জন্য ত্যাগ স্বীকারের মানসিকতা ।

🕌 জুমু'আর খুত্ববা 🕌🎤 খতিব: শায়েখ হায়দার আলীসাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ আহলেহাদীছ যুবসংঘ, মেহেরপুর জেলা।📅 তারিখ: ১৫ মে  ২০২৬⏰ ...
13/05/2026

🕌 জুমু'আর খুত্ববা 🕌

🎤 খতিব: শায়েখ হায়দার আলী
সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ আহলেহাদীছ যুবসংঘ, মেহেরপুর জেলা।

📅 তারিখ: ১৫ মে ২০২৬
⏰ সময়: দুপুর ১২:৩০ ঘটিকা
📍 স্থান: গাংনী শাহর আহলেহাদীছ জামে মসজিদ। হলপাড়া,গাংনী, মেহেরপুর।

বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধ্বংসকারী দুই নেতা হলেন আমেরিকার প্রেসিডেণ্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইস্রাঈলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়াম...
11/05/2026

বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধ্বংসকারী দুই নেতা হলেন আমেরিকার প্রেসিডেণ্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইস্রাঈলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামীন নেতানিয়াহু। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দেশে চলছে হাযার হাযার মানুষের বিক্ষোভ মিছিল। খোদ আমেরিকায় একদিনে ৮০ লাখ মানুষ মিছিল করেছে। নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধেও তার দেশে সমানে মিছিল হচ্ছে। বহু লোক দেশ ছেড়ে অন্য দেশে চলে গেছে। তাতেও নেতারা বোমা বর্ষণ ও নিরীহ মানুষ হত্যা বন্ধ করেননি। কেননা তারা গণতন্ত্রের মাধ্যমে নির্বাচিত। মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েই যাবেন।

11/05/2026

রিযিক নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন?

25/04/2026

‘আমরা চাই এমন একটি ইসলামী সমাজ, যেখানে থাকবে না প্রগতির নামে কোন বিজাতীয় মতবাদ; থাকবে না ইসলামের নামে কোনরূপ মাযহাবী সংকীর্ণতাবাদ’

Address

Gangni, Meherpur, Dhaka
Amjhupi
7110

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ, মেহেরপুর যেলা। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ, মেহেরপুর যেলা।:

Share