Iskcon Karuatali

Iskcon Karuatali শ্রী শ্রী রাধা দামোদর নামহট্ট উদযাপন কমিটি
স্থাপিত ঃ 2023 ইং
স্থান ঃ আজমপুর,করুয়াতলী,ঋষিপাড়া।

Hare Krishna 🥰🥰
10/02/2026

Hare Krishna 🥰🥰

༺༊◎⃝◎❥❛ #ভৈমী_একাদশী❜❥◎⃝◎༊༻•●✦✪ #জয়া_একাদশী✪✦●• ≪━━━━━━━━━◆❃◆━━━━━━━━━≫  #একাদশী_তিথি_শুরুঃ- বাং ১৪ মাঘ১৪৩২, ইং ২৮ জানু...
29/01/2026

༺༊◎⃝◎❥❛ #ভৈমী_একাদশী❜❥◎⃝◎༊༻
•●✦✪ #জয়া_একাদশী✪✦●• ≪━━━━━━━━━◆❃◆━━━━━━━━━≫
#একাদশী_তিথি_শুরুঃ- বাং ১৪ মাঘ১৪৩২, ইং ২৮ জানুয়ারী২০২৬, বুধবার দুপুর ০২: ২১ মিনিট।
#একাদশী_তিথি_শেষঃ- বাং ১৫ মাঘ ১৪৩২, ইং ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২:০০ মিনিট।
≪━━━━━━━━━◆❃◆━━━━━━━━━≫
ইং ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২,
বৃহস্পতিবার ভৈমী একাদশী
❏❖❏❖❏❖❏❖❏❖❏❖❏❖❏
━───✤পারন✤───━
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
পরের দিন শুক্রবার সকাল
#পশ্চিমবঙ্গঃ- ০৬:২৩মিঃ - ০৯:৪৩ মিঃ
#বাংলাদেশঃ- ০৬:৪৫মিঃ - ১০:১৬মিঃ
#দিল্লিঃ ৭ঃ১০মিঃ-১০ঃ৪৬মিঃ
#বৃন্দাবনঃ ৭ঃ০৬মিঃ-১০ঃ৪৩মিঃ
#সিঙ্গাপুরঃ- ৭ঃ১৫মিঃ-১১ঃ১৭মিঃ
•*¨*•.¸¸¸¸.•*¨*•.¸¸¸¸.•*¨*•.¸¸¸¸.•*¨*•.¸¸¸¸.•*¨*•.¸¸
•───⊱✦পারণ মন্ত্র✦⊰───•
"একাদশ্যাং নিরাহারো ব্রতেনানেন কেশব।
প্রসীদ সুমুখ নাথ ঙ্গানদৃষ্টিপ্রদো ভব।।"
‌━───────⊱❉✸❉⊰────────━
‌✺ #ভৈমী_একাদশী_মাহাত্ম্য
⊰᯽⊱┈─────◑❊◑┈─────┈⊰᯽⊱
🍑🍏 মাঘী শুক্লপক্ষীয়া `জয়া' একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য ভবিষ্যোত্তর পুরাণে শ্রীকৃষ্ণ-যুধিষ্ঠির সংবাদ রূপে বর্ণিত হয়েছে।
🍇🍏‌ শ্রীগরুড়পুরাণে মাঘ মাসের শুক্লপক্ষীয়া একাদশী তিথিকে `ভৈমী' একাদশী নামে অভিহিত করা হয়েছে। কল্পান্তরে বিভিন্ন পুরাণে বিভিন্ন রকম নাম দেখা যায়। পদ্মপুরাণ অনুসারে জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষীয়া একাদশীর নামই `পান্ডবা নির্জলা' বা `ভীমসেনী'(ভৈমী) একাদশী।
🍅🫛 যুধিষ্ঠির বললেন, হে কৃষ্ণ, আপনি কৃপা করে মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর সবিশেষ বর্ণনা করুন।
🥥🥒‌ শ্রীকৃষ্ণ বললেন,হে মহারাজ, মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী `জয়া' নামে প্রসিদ্ধ।এই তিথি সর্বপাপবিনাশিনী, সর্বশ্রেষ্ঠা, পবিত্রা, সর্বকাম ও মুক্তিপ্রদায়িনী। এই ব্রতের ফলে মানুষ কখনও প্রেতত্ব প্রাপ্তি হয়না।এই একাদশীর নিম্নরূপ উপাখ্যান শোনা যায়।
🍋‍🟩🍒 একসময় স্বর্গলোকে ইন্দ্র রাজত্ব করছিলেন।সেখানে অন্য দেবতারাও বেশ সুখেই ছিলেন।তারা পারিজাত পুষ্প শোভিত নন্দনকাননে অপ্সরাদের সাথে বিহার করতেন।
🥭🍋 একদিন ৫০ কোটি অপ্সরা নায়ক দেবরাজ ইন্দ্র স্বেচ্ছায় আনন্দভরে তাদের নৃত্য করতে বললেন।নৃত্যের সাথে গন্ধর্বগণ গান করতে লাগলেন।পুষ্পদত্ত, চিত্রসেন প্রভৃতি প্রধান প্রধান গন্ধর্বরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।চিত্রসেনের পত্নীর নাম মালিনী। পুষ্পবন্তী নামে তাঁদের এক কন্যা ছিল।পুষ্পদত্তের পুত্রের নাম মাল্যবান। মাল্যবান পুষ্পবন্তীর রূপে মুগ্ধ হয়েছিল। পুষ্পবন্তী পুনঃ পুনঃ কটাক্ষ দ্বারা মাল্যবানকে বশীভূত করেছিল।
🍑🍏ইন্দ্রের প্রীতিবিধানের জন্য তারা দুজনেই সেই সভায় যোগদান করেছিল।কিন্তু একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট থাকায় উভয়েরই চিত্ত বিভ্রান্ত হচ্ছিল।সেখানে তারা পরস্পর কেবল দৃষ্টিবদ্ধ অবস্থায় দাঁড়িয়ে রইল। ফলে গানের ক্রম বিপর্যয় ঘটল।তাদের এইরকম তাল মান ভঙ্গভাব দেখে তারা যে পরস্পর কামাসক্ত হয়েছে,দেবরাজ ইন্দ্র তা বুঝতে পারলেন। তখন তিনি ক্রোধবশে তাদের অভিশাপ দিলেন, রে মূঢ়! তোমরা আমার আজ্ঞা লঙ্ঘন করেছ।তোমাদের ধিক। এখনই তোমরা পিশাচযোনী লাভ করে মর্ত্যলোকে নিজের দুষ্কর্মের ফল ভোগ কর।
🍎🥒 ইন্দ্রের অভিশাপে তারা দুজন দুঃখিত হয়ে হিমালয় পর্বতে বিচরণ করছিল। পিশাচত্ব প্রাপ্ত হওয়ায় তারা অত্যন্ত দুঃখভোগ করতে লাগল।হিমালয়ের প্রচন্ড শীতে কাতর হয়ে নিজেদের পূর্বপরিচয় বিস্মৃত হল।এইভাবে অতিকষ্টে সেখানে দিনযাপন করতে লাগল।
🍇🍏 একদিন পিশাচ নিজপত্নী পিশাচীকে বলল, সামান্য মাত্র পাপ করিনি, অথচ নরক যন্ত্রনার মত পিশাচত্ব প্রাপ্ত হয়েছি। অতএব এখন থেকে অামরা আর কোনো পাপ করবনা।এভাবে চিন্তা করে তারা মৃতপ্রায় সেই পর্বতে বাস করতে লাগল। তাদের পূর্ব কোন পুন্যবশতঃ সেইসময় মাঘী শুক্লপক্ষীয়া `জয়া' একাদশী তিথি উপস্থিত হল।তারা একটি অশ্বত্থ বৃক্ষতলে নিরাহারে নির্জলা অবস্থায় দিবানিশি যাপন করল।শীতের প্রকোপে অনিদ্রায় রাত্রি অতিবাহিত হল।
🍓🍑 পরদিন সূর্যোদয়ে দ্বাদশী তিথি উপস্থিত হল।একাদশীর দিন অনাহার ও রাত্রিজাগরণে তাদের ভক্তির অনুষ্ঠান পালিত হল। এই ব্রত পালনের ফলে ভগবান বিষ্ণুর কৃপায় তাদের পিশাচত্ব দূর হল।তারা তাদের পূর্বরূপ ফিরে পেল এবং স্বর্গে ফিরে গেল। ইন্দ্র তাদের দেখে অত্যন্ত আশ্চর্য হলেন।তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, কোন পুন্যফলে তোমাদের পিশাচত্ব দূর হল?আমার অভিশাপ থেকে কে তোমাদের মুক্ত করল?
🍊🍋 মাল্যবান বললেন, হে প্রভু, ভগবান বাসুদেবের কৃপায় জয়া একাদশীর পুন্যপ্রভাবে আমাদের পিশাচত্ব দূর হয়েছে।তাদের কথা শুনে দেবরাজ ইন্দ্র বললেন, হে মাল্যবান, তোমরা এখন থেকে আবার অমৃত পান কর।একাদশী ব্রতে যারা আসক্ত এবং যারা কৃষ্ণ ভক্তি পরায়ণ তাঁরা আমাদেরও পুজ্য বলে জানবে।এই দেবলোকে তুমি পুষ্পবন্তীর সাথে সুখে বাস কর।
🥥🍅 হে মহারাজ, এই ব্রত ব্রহ্মহত্যা জনিত পাপ কেও বিনাশ করে।এই ব্রত পালনে সমস্ত প্রকার দানের ফল লাভ হয়। সকল যজ্ঞ ও তীর্থের পুন্যফল এই ব্রত প্রভাবে আপনা হতেই পালন হয়। অবশেষে মহানন্দে অনন্তকাল বৈকুন্ঠে বাস হয়। এই ব্রতকথা পাঠ ও শ্রবণে অগ্নিষ্টোম যজ্ঞের ফল লাভ হয়।
🌸জয় ভৈমী একাদশী🌸
🌸জয় শ্রীরাধাকৃষ্ণ🌸
●●●●●●●●●●●●●●●●●●
┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈
✧═════════•❁❀❁•═════════✧
┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻
"হরে"কৃষ্ণ"হরে"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"হরে"হরে।"
"হরে"রাম"হরে"রাম"রাম"রাম"হরে"হরে।।"
┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻
╲\ | / /╭━━━━ " ҉♥️" ҉-━━━━╮╲\ | / /
" ҉♥️" ҉ কৃষ্ণময় জীবন " ҉♥️" ҉-
╱/ | \╲╰━━━━ " ҉♥️" ҉-"━━━━╯╱/| \╲"
বন্ধুরা আমি এই একাদশী ব্রত পালন করবো। তোমারা কে কে আমার মতো এই ভূমি একাদশী ব্রত পালন করবা কমেন্ট করে বলে দিও,, হরে কৃষ্ণ 🙏🙏🙏🙏🙏

31/10/2025

H**e Krishna
#হরেকৃষ্ণ #রাধেকৃষ্ণ
Iskcon Karuatali

31/10/2025

দামোদর কথা আলোচনা
সিংগারবিল দাসপাড়া।
পাঠক ঃ শ্রীমান যতিরাজ দাস ব্রহ্মচারী।
Iskcon Karuatali
#হরেকৃষ্ণ
#রাধেকৃষ্ণ Nil Akash Anath Ariyan Raaj Singh Ripon Rishi Nirmol Shriman Nipen Chandra Rishi PI NT U Raju Krishna Das Anik Das

30/10/2025

অন্নকূট মহোৎসব ২০২৫
Iskcon Karuatali

২৩ দামোদর অন্নকূট মহোৎসব ২০২৫ Iskcon Karuatali
30/10/2025

২৩ দামোদর অন্নকূট মহোৎসব ২০২৫
Iskcon Karuatali

ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে প্রদীপ নিবেদনের অনন্ত মহিমা অসংখ্য শাস্ত্রে উল্লিখিত রয়েছে। তুলা, ঘি, তিল, কর্পূর এবং অন্যান্য শস্যদা...
15/10/2025

ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে প্রদীপ নিবেদনের অনন্ত মহিমা অসংখ্য শাস্ত্রে উল্লিখিত রয়েছে। তুলা, ঘি, তিল, কর্পূর এবং অন্যান্য শস্যদানার তৈল দ্বারা প্রদীপ নিবেদন ভগবানের অত্যন্ত প্রিয়। কিন্তু তুলসীকাষ্ঠ দ্বারা নিবেদিত প্রদীপ ভগবানের অত্যন্ত প্রিয়, কেননা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সব থেকে প্রিয় উপকরণ হচ্ছেন কৃষ্ণপ্রিয়া তুলসী।

শাস্ত্রে কি নির্দেশনা রয়েছে?

পদ্মপুরাণে বর্ণনা করা হয়েছে, যদি কেউ শুষ্ক তুলসী কাষ্ঠের মাধ‍্যমে ভগবানকে শ্রীকৃষ্ণকে প্রদীপ নিবেদন করে, তাহলে সাধারণ প্রদীপ নিবেদনের চেয়ে ভগবান এক্ষেত্রে লক্ষগুণ বেশি সন্তুষ্ট হন। প্রহ্লাদসংহিতায় উল্লেখ আছে,

তুলসীপাবকেনৈব দীপং যঃ কুরুতে হরেঃ।
দীপলক্ষসহস্রাণাং পুণ্যং স্তবতি দৈত্যজ॥

অর্থাৎ, হে দৈত্যকুমার প্রহ্লাদ, যিনি তুলসীকাষ্ঠের প্রদীপ দ্বারা শ্রীহরিকে আরতি নিবেদন করেন, তার একটি দীপ দানেই শ্রী হরি এক সহস্র লক্ষ (১০ কোটি) প্রদীপ নিবেদনের সমান সন্তুষ্ট হন।

অর্থাৎ সহস্র লক্ষ দীপ নিবেদন করলে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যতটা সন্তুষ্ট হন, একটি তুলসীকাঠের প্রদীপ নিবেদন করলে তার থেকেও অধিক সন্তুষ্ট হন।

কেন করা উচিত?

শ্রীমদ্ভাগবতে বলা হয়েছে, সকাম, নিষ্কাশন, মোক্ষকামী সকলেরই ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সেবা করা উচিত। অতএব কোনো ফল লাভের আশায় হোক, অথবা নিষ্কামভাবে কেবল কৃষ্ণের সন্তুষ্টির জন্য হোক, কৃষ্ণের আদেশে সকলেরই তুলসীকাষ্ঠ দ্বারা প্রদীপ নিবেদন করা উচিত।

কে বা কারা করতে পারে?

তুলসীকাঠের প্রদীপ নিবেদন করা ভগবানকে তুলসী নিবেদনেরই মতো। অগস্ত্য সংহিতায় বলা হয়েছে,

ন তস্য নরকক্লেশো যোঽর্চ্চয়েত্তুলসীদলৈঃ।
পাপিষ্ঠো বা অপাপিষ্ঠঃ সত্যং সত্যং না সংশয়॥

অর্থাৎ, মহা পাপাত্মা ব্যক্তিও শ্রীহরিকে তুলসী নিবেদন করলে তাঁকে আর নরকযাতনা লাভ করতে হয় না। শ্রীহরির কৃপায় সে ধীরে ধীরে ধর্মাত্মায় পরিণত হয়।

অতএব, যেকোনো ব্যক্তি, সে আমিষাহারী, অশৌচ হোক, অস্নাত হোক, যবন হোক বা অন্যান্য পাপাচারে রত থাকুক, সেও ভগবানকে তুলসী নিবেদনের অধিকারী। তাই সকলেই তুলসীপত্র, তুলসী মঞ্জরী, তুলসীকাঠের প্রদীপ নিবেদন করার অধিকারী।

সারাবছরই প্রদীপ নিবেদন মঙ্গলময়। দামোদর মাস, পুরুষোত্তম মাস, বৈশাখ মাস, মাঘ মাসে অধিক গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে‌। আর বিশেষত এই সব মাসে সকলেরই বেশি বেশি কৃষ্ণ সেবা করা উচিত। তাই সকলেই এই মাসে তুলসী কাঠের প্রদীপ নিবেদন করতে পারবেন।

কেউ কেউ মনে করে তুলসী দেববৃক্ষ, তার কাষ্ঠ কীভাবে প্রজ্বলিত করা যায়? আসলে তুলসী এতটাই দিব্য, প্রকটকালে এর পত্র, মঞ্জরী কৃষ্ণ সেবায় নিয়োজিত হয়, পরিক্রমা ও জলদান করে জীব উদ্ধার পায়, আর কৃষ্ণের আদেশে শুকনো তুলসীকাঠের প্রদীপ নিবেদন করে জীবের কৃষ্ণসেবা হয়। যেহেতু এটি কৃষ্ণেরই আদেশ, আমাদের নানারকম ভাবনার থেকে এটিই অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

কীভাবে তৈরী করবেন তুলসীকাঠের প্রদীপ?

১. প্রথমে শুকনো তুলসীবৃক্ষ খোঁজ করতে হবে।
অনেকেরই অভিজ্ঞতা রয়েছে অনেকসময় তুলসীবৃক্ষ শুষ্ক হয়ে যায়, সব পাতা ঝরে যায়, তুলসী দেহত‍্যাগ করেন, সেই শুষ্ক বৃক্ষ জলে ভাসিয়ে বা মাটিতে পুতে দেয়া হয়। প্রদীপের জন‍্য এরকম শুষ্ক তুলসী সংগ্রহ করতে হবে। যদি তাজা বৃক্ষ থেকে কাঠ সংগ্রহ করা হয়, সেটাতে অপরাধ হয়ে হিতে বিপরীত হবে! তাই এখন থেকে শুকনো তুলসী বৃক্ষ যত্ন করে সংরক্ষণ করবেন।

২. শুকনো তুলসীর ডাল ধুয়ে শুঁকিয়ে নিতে পারেন।

৩. শুকনো ডাল গুলো ৬ বা ৭ ইঞ্চি করে কেটে নিতে হবে। (আরো বড় কাটা যেতে পারে, কিন্তু বেশি ছোট কাটা হলে প্রদীপের আগুনের আঁচ হাতে লাগতে পারে)
৪. এবার তুলা নিয়ে একেকটি ডালে সমানভাবে পেচাতে হবে। সবগুলো ডালে তুলো পেচিয়ে এভাবে সলতে বানিয়ে রেখে দিতে পারেন।

৫. প্রদীপ নিবেদনের আগে তুলা পেচানো তুলসীর ডালের সলিতাগুলো ঘিয়ে ডুবিয়ে তারপর অতিরিক্ত ঘি সরিয়ে দিয়ে সলিতাগুলোর মাথায় কর্পূর লাগাতে হবে।

৬. এরপর কর্পূরে আগুন জ্বালালে আস্তে আস্তে পুরো সলিতাটিয় জ্বলে উঠবে, সেক্ষেত্রে আগুন জ্বালানোর শুরু থেকেই প্রদীপ নিবেদন শুরু করা উচিত।

৭. নতুনদের জন‍্য সতর্কতা হিসেবে দামোদর-প্রদীপ-নিবেদনের আগেই একদিন সলিতা তৈরি করে প্রদীপ নিবেদন করে চেষ্টা করে দেখতে পারেন, সলিতার জন‍্য তুলসী কাঠ আরো বড় করে কাটা লাগবে কীনা, বা তুলা আরো বেশি পেচাতে হবে কীনা, ঘি আরো অধিক লাগবে কীনা ইত‍্যাদি। প্রয়োজনে প্রদীপের মধ‍্যেও তুলসীকাঠের সলিতাগুলো নিয়ে নিবেদন করতে পারেন।

৮. আরতি নিবেদনের জন‍্য, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, শ্রীনিতাইগৌর, শ্রীনৃসিংহদেব, শ্রীবিষ্ণুকে চরণে চারবার, উদরে দুইবার, মস্তকে তিনবার এবং সর্বাঙ্গে সাতবার প্রদীপ নিবেদন করতে হয়। আর, শ্রীমতী রাধারাণী, শ্রীলক্ষ্মীদেবী, শ্রীতুলসীদেবীকে সর্বাঙ্গে সাতবার প্রদীপ নিবেদন করা উচিত। শ্রীরাধাকৃষ্ণের পর শ্রীজগন্নাথ-বলদেব-সুভদ্রাকে (প্রত‍্যেককে সাতবার করে), এরপর শ্রীনৃসিংহদেব ও তারপর শ্রীনিতাইগৌরকে প্রদীপ নিবেদন করতে হয়।

এরপর তুলসীদেবীকে নিবেদনের পর শ্রীগুরুপরম্পরাকে ভগবৎপ্রসাদরূপে মুখমণ্ডলে সাতবার বা পাঁচবার নিবেদন করতে হবে।

নিজে তুলসীকাঠের সলিতার প্রদীপ নিবেদনের মহিমা জেনে ভগবানকে নিবেদন করে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রীতিবিধান করুন, অন‍্যের নিকট এই বার্তা ছড়িয়ে দিয়ে উৎসাহিত করে তার ও আপনার নিজের ভগবানকে আরো অধিক সন্তুষ্ট করার জগৎমঙ্গলময় সুযোগ গ্রহণ করুন।

🥰🥰🥰 হরে কৃষ্ণ 🥰🥰🥰🥰

শ্রী শ্রী রাধাষ্টমী ব্রত মাহাত্ম্য:-রাধা অষ্টমী হচ্ছে রাধারাণীর আবির্ভাব তিথি। বৈষ্ণব সমাজে এই অষ্টমী মহাসমারোহে উৎযাপিত...
30/08/2025

শ্রী শ্রী রাধাষ্টমী ব্রত মাহাত্ম্য:-

রাধা অষ্টমী হচ্ছে রাধারাণীর আবির্ভাব তিথি। বৈষ্ণব সমাজে এই অষ্টমী মহাসমারোহে উৎযাপিত হয়ে আসছে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের হ্লাদিনী শক্তির প্রতিরূপ স্বরূপা হচ্ছেন রাধাঠাকুরানী। রাধাষ্টমী ব্রত পালনের বর্ণনায় বলা হয়েছে যে, কোন ব্যক্তি একবারের জন্যও যদি এ ব্রত পালন করেন তবে তার কোটি জন্মার্জিত ব্রহ্মহত্যাদি মহাপাপ সকলও তৎক্ষণাৎ নষ্ট হয়। শত সহস্র একাদশী ব্রত পালনে যে ফল লাভ হয়, রাধাষ্টমী পালনে তার শতাধিক ফল লাভ হয়। প্রপঞ্চ লীলায় পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অন্তরঙ্গা স্বরূপশক্তি গোলোকেশ্বরী রাধারাণী ভাদ্র মাসে শুক্লা অষ্টমী তিথিতে অনুরাধা নক্ষত্রে সোমবারে মধ্যাহ্ন কালে ব্রজমণ্ডলে শ্রীগোকুলের অনতিদূরে রাভেল নামক গ্রামে শ্রীবৃষভানু রাজা ও কীর্তিদা মায়ের ভবনে সকলের হৃদয়ে আনন্দ দান করে আবির্ভূত হন। শ্রীরাধারাণীর প্রাননাথ স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ব্যতীত, এই রাধাষ্টমী তিথির সম্যক মাহাত্ম্য কেউই বর্ণনা করতে পারেনা।

রাধা শব্দের উৎপত্তি রাধ্ ধাতু থেকে নিস্পন্ন। রা+ধা = রাধা। রা শব্দে = ব্রহ্মাণ্ড ও ধা = শব্দে ধারণ করা বা আরাধনা করা। এখন এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের মূল আশ্রয়ের তত্ত্ব হলেন সচ্চিদানন্দ বিগ্রহ পরমব্রহ্ম শ্রীকৃষ্ণ। সেই শ্রীকৃষ্ণকে সর্বদা যিনি ধারণ বা আরাধনা করে থাকেন তিনিই রাধা।

পুরাণে বর্ণিত রয়েছে যে, হেলায় বা অশ্রদ্ধায় যদি কোন পাপিষ্ঠ এ ব্রত পালন করে, তাহলেও তার বৈকুণ্ঠলোকে গতি হয়। পদ্মপুরাণের সর্গখন্ডের চল্লিশতম অধ্যায়ে এমনই এক কাহিনী বর্ণিত রয়েছে- পুরাকালে সত্যযুগে লীলাবতী নামে এক পতিতা বাস করত। একদিন নগর ভ্রমণকালে এক সুসজ্জিত মন্দিরে রাধাঠাকুরাণীর পূজা উদযাপন দেখতে পেয়ে ব্রতীদের কাছে গেলেন। সে তাদের জিজ্ঞেস করল- হে পূণ্যাত্মা সকল! তোমরা এত যত্ন সহকারে কোন ব্রত উদযাপন করছ? তদুত্তরে রাধাব্রতীগন বলতে লাগলেন-যেহেতু ভাদ্র মাসে সীতাষ্টমীতে শ্রীরাধিকা আবির্ভূত হয়েছিলেন, আমরা সেই রাধাষ্টমী ব্রত পালন করছি। এই অষ্টমী ব্রত গোঘাত জনিত পাপ, স্তেয়জ, ব্রহ্মহত্যা জনিত অথবা স্ত্রীহত্যা জনিত সকল পাপই নাশ করতে সক্ষম।

তাদের কাছ থেকে রাধাষ্টমীর মহিমা শ্রবণ করে সেই পতিতাও স্বেচ্ছায় ব্রত পালনে সংকল্প বদ্ধ হলেন এবং ভক্তগনের সহিত যথাযথ ভাবে ব্রত পালন করলেন। পরদিন সর্প দংশনে তার মৃত্যু হল। যমদূতেরা ক্রুদ্ধচিত্তে তাকে বন্ধন করে যমালয়ে যাত্রা করলে, শঙ্খচক্র গদাধর বিষ্ণুদূতগন উপস্থিত হয়ে লীলাবতীর সকল বন্ধন ছেদন করলেন। তাকে নিয়ে রাজহংসযুক্ত দিব্য বিমানে করে বৈকুণ্ঠলোকে গমন করলেন। এভাবে অধঃপতিত বেশ্যাও কেবলমাত্র রাধাষ্টমী ব্রত পালনের ফলে সকল পাপ মুক্ত হয়ে বৈকুণ্ঠে গমন করলেন।

আরেকটি প্রচলিত গল্প হচ্ছে- একজন ভক্ত সারা বিশ্ব পরিভ্রমণ করছিল। সে বেশি কঠোর ছিল না। সে মন্দিরে যেত। তো সমস্ত মহিলারা মালা ও জিনিস তৈরি করছিল। সে বলল, "কি অনুষ্ঠান চলছে?"

"তুমি জানো না? আগামীকাল রাধাষ্টমী! আসো এবং আমাদেরকে রাধাষ্টমী উদযাপনে সাহায্য কর।" তো, এইভাবে সে রাধাষ্টমীতে থেকে গেল এবং সেবায় অংশগ্রহণ করল, অভিষেক দর্শন করল। এটি বলা হয়ে থাকে যে, সে এবং তার অনেক পূর্বপুরুষ ও বংশধরেরা সকল পাপ থেকে মুক্ত হল। সে ভগদ্ধামে ফিরে গেল।

যে ব্যক্তি এই রাধাষ্টমী ব্রত পালন করে না, শতকোটি কল্পেও তার নরক হতে নিষ্কৃতি নেই। শ্রীমতী রাধারাণী শ্রীকৃষ্ণের প্রাণের চেয়েও প্রিয়। আমরা কৃষ্ণকে পাওয়ার আশা করি। আর কৃষ্ণকে পেতে হলে আগে তার প্রাণাধিক প্রিয় রাধারাণীকে সন্তোষ্ট করতে হবে। এক পর্বত সমান দান করলে যে ফল পাওয়া যায়, এ ব্রত পালনে সে ফল পাওয়া যাবে এবং অগণিত পাপ ক্ষয়ে যাবে।

পদ্মপুরাণে শ্রী নারদের প্রতি শিবঠাকুর বলেছিলেন-"হে দেবর্ষি! ব্রহ্মা প্রমূখ মহান সত্তমগনের নিত্য মহারাধ্যা যিনি, দেবতাগন দূর থেকে যার সেবা করতে ইচ্ছা করেন, সেই শ্রী শ্রী রাধারাণীর সতত ভজনা করা উচিত। এই রাধানাম যে ব্যক্তি শ্রীকৃষ্ণনামের সঙ্গে কীর্তন করেন, তার মাহাত্ম্য আমি কীর্তন করতে সক্ষম নই, এমনকি শ্রী অনন্তদেবও নন।"

১। কেউ রাধাষ্টমী ব্রত পালন করলে তার কোটি ব্রহ্মহত্যার পাপ চলে যায়।

২। রাধাষ্টমী ব্রত একবার পালন করলে সহস্র একাদশী পালনের একশো গুণ ফল লাভ হয়।

৩। পর্বত সমান সোনা দান করলে যে ফল লাভ হয়, তার একশো গুণ ফল লাভ হয়, রাধাষ্টমী ব্রত পালনে।

৪। একবার রাধাষ্টমী ব্রত পালন করলে সহস্র কন্যাদানের ফল লাভ হয়।

৫। একবার রাধাষ্টমী ব্রত পালনে গঙ্গা আদি সকল তীর্থের ফল লাভ হয়।

৬। যদি কোন পাপী ব্যক্তি অশ্রদ্ধায় বা অবহেলাতেও রাধাষ্টমী ব্রত পালন করে, তাহলে তার কোটি কুল সহ বিষ্ণুলোকে নিত্যকাল বিরাজ করে।

৭। একবার রাধাষ্টমী ব্রত পালন করলে গোহত্যা, ব্রহ্মহত্যা সহ সকল পাপ বিনষ্ট হয়।

৮। যদি কোন মূঢ় ব্যক্তি জেনে বা না জেনে রাধাষ্টমী ব্রত পালন না করে, তাহলে শতকোটি কল্পেও সে নরক যন্ত্রণা থেকে নিষ্কৃতি পাবে না।

৯। যে রাধাষ্টমী ব্রত পালন করে না, সে কোটিকল্পে নরকবাস করে থাকে আর পৃথিবীতে কোন ভাবে জন্মগ্রহণ করলেও তাকে বিধবা হতে হয়।

১০। যদি কেউ রাধাষ্টমী ব্রত মাহাত্ম্য শ্রবণ করে, তাহলে সে নিত্যকাল বৈকুণ্ঠলোকে বাস করার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারে।

১১। কোটি জন্মের অর্জিত পাপরাশি ভক্তিপূর্ণ রাধাষ্টমী ব্রত ফলে বিনষ্ট হয়।

১২। গঙ্গা ইত্যাদি সমস্ত পবিত্র তীর্থে স্নান করে যে ফল লাভ হয়, একমাত্র বৃষভানু কন্যার জন্মাষ্টমী পালন করে সেই ফল লাভ হয়।

একজনের অবশ্যই মনে করা উচিত নয় যে, আমি রাধাষ্টমী পালন করেছি, তো আমার আর কিছুই করতে হবে না। আমরা সবকিছু করি। কিন্তু সেগুলোর মধ্যে রাধাষ্টমী বিশেষ কৃপার দিন। তো, তাঁর আবির্ভাব তিথি পালনের মাধ্যমে কৃষ্ণের বিশেষ কৃপা পেতে পারি।

রাধাষ্টমীর ব্রত রেখে ভক্তরা রাধারাণীর কাছে প্রার্থনা করবেন,“ শ্রীরাধিকা, কৃপা পূর্বক আমাকে আপনার শ্রীপাদপদ্মের দাস্য দান করুন।” আর শ্রীমতী রাধারানীর দাসত্ব গ্রহণ করার অর্থ হল, শ্রীকৃষ্ণের কৃপা লাভ। সকলে রাধাষ্টমী ব্রত পালন করে ভগবানের অশেষ কৃপা লাভ করুন।

পদ্মপুরাণে শ্রীনারদের প্রতি শিবঠাকুর বলেছিলেন,- হে দেবর্ষি, ব্রহ্মা প্রমুখ মহান সত্তমগনের নিত্য মহারাধ্যা যিনি, দেবতাগণ দূর থেকে যাঁর সেবা করতে ইচ্ছা করেন, সেই শ্রীশ্রীরাধিকাদেবীকে সতত ভজনা করা উচিত। এই রাধানাম যে ব্যক্তি শ্রীকৃষ্ণ নামের সঙ্গে কীর্ত্তন করেন, তার মাহাত্ম্য আমি কীর্ত্তন করতে সক্ষম নই, এমনকি শ্রীঅনন্তদেবও নন।

শ্রীপদ্মপুরাণে (ব্রহ্মখণ্ড ৭/৮) বলা হয়েছে,-

‘’একাদশ্যাঃ সহস্রেন যং ফলং লভতে নরঃ ।
রাধা জন্মাষ্টমী পুণ্যং তস্মাং শত গুণাধিকম্ ।।‘’

অর্থাৎ,- একহাজার একাদশী ব্রত পালন করলে যে ফল লাভ হয়, শ্রীরাধাষ্টমী ব্রত পালন করলে তার চেয়ে শতগুণ অধিক ফল লাভ হয়ে থাকে।

পদ্মপুরাণে আরো বলা হয়েছে-

‘’রাধাষ্টমী ব্রতং তাত যো ন কুর্য্যাচ্চ মূঢ়ধী।
নরকান্ নিষ্কৃতি নাস্তি কোটিকল্পশতৈরপি ।।‘’

অর্থাৎ,- যে মূঢ় মানুষ রাধাষ্টমী ব্রত করে না, সে শতকোটি কল্পেও নরক থেকে নিস্তার পেতে পারেনা।

‘’স্ত্রীয়শ্চ যা না কৃবন্তি ব্রতমেতদ্ সুভপ্রদম ।
রাধাকৃষ্ণপ্রীতিকরং সর্বপাপপ্রনাশম্ ।।
অন্তে যমপুরীং গত্বা পতন্তি নরকে চিরম্ ।
কদাচিদ্ জন্মচাসাদা পৃথিব্যাং বিধবা ধ্রুবম্ ।।‘’

অর্থাৎ,- যে নারী শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণের প্রীতিকর সর্ব পাপনাশক এই শুভপ্রদ মহাব্রত পালণ করে না, সে জীবনের অন্তকালে নরকে গিয়ে চিরকাল সেখানে যাতনা ভোগ করে। পৃথিবীতে থাকাকালীনও সে দুর্ভাগিনী হয়। এই মহাব্রত করলে শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণের অভয় পাদপদ্মে অচলা ও অব্যভিচারিনী ভক্তি লাভ হয়ে থাকে।

রাধারাণীর সৃষ্টি কিভাবে? এর উত্তর ব্রহ্মবৈবর্ত বলছেন,-

"আর্ব্বিভূব কন্যৈকা কৃষ্ণস্য বামপার্শ্বতঃ"।

কৃষ্ণের বাম অঙ্গ থেকে রাধারাণীর সৃষ্টি। রাধাকৃষ্ণ কখনই পৃথক করা যায় না। রুপ পৃথক কিন্তু স্বরুপ এক।

‘’রাধা কৃষ্ণ ঐচ্ছে সদা একই স্বরুপ ।
লীলারস আস্বাদিতে ধরে দুই রুপ ।।''

তাই রাধা ও কৃষ্ণ এক এবং অভিন্ন। সকলে রাধাষ্টমী ব্রত পালন করে দুর্লভ মানব জীবনকে ধন্য করুন ও সকলে রাধারাণীর কৃপা লাভ করুন।

রাধা- ভজনে যদি মতিনাহি ভেলা I
কৃষ্ণভজন তব অকারণে গেলা I I
আতপ– রহিত সুরয় নাহি জানি I
রাধা–বিরহিত মাধব নাহি মানি I I
কেবল মাধব পূজয়ে, সোঅজ্ঞানী I
রাধা– অনাদর করই অভিমানী I I
কবহি নাহি করবি তাঁকর সঙ্গ I
চিত্তে ইচ্ছাসি যদি ব্রজরস – রঙ্গ I I
রাধিকা - দাসী যদি হোয় অভিমান I
শীঘ্রহি মিলই তব গোকুল – কান I I
ব্রহ্মা, শিব, নারদ, শ্রুতি, নারায়ণী I
রাধিকা– পদরজ পূজয়ে মানি I I
উমা, রমা, সত্যা, শচি, চন্দ্রা, রুক্মিণী I
রাধা– অবতার সবে, আম্নায় – বাণী I I
হেন রাধা – পরিচর্য্যা জাঁকর ধন I
ভকতিবিনোদ তাঁর মাগয়ে চরণ I I

যাঁরা রাধাকৃষ্ণের কৃপা ও কৃষ্ণভক্তি লাভ করতে চান - তাঁরা অবশ্যই এই ব্রত পালন করবেন।

❤️ রাধে রাধে ♥️

শুভ রাধাষ্টমী শুভেচ্ছা 🥰🥰🥰🥰সবাইকে শ্রী শ্রী রাধা দামোদর নামহট্ট সংঘ করুয়াতলী পক্ষে থেকে জানাই শুভ রাধাষ্টমীর শুভেচ্ছা।।।...
26/08/2025

শুভ রাধাষ্টমী শুভেচ্ছা 🥰🥰🥰🥰
সবাইকে শ্রী শ্রী রাধা দামোদর নামহট্ট সংঘ করুয়াতলী
পক্ষে থেকে জানাই শুভ রাধাষ্টমীর শুভেচ্ছা।।।

রাধে রাধে ⭕❕⭕

আজ পরামর্শর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ শুভ জন্মাষ্টমী তিথি উপলক্ষে এক বিশাল অভিষেকের আয়োজন করা হয়েছে। সমবেত ঘোর ভক্তবৃন্দ সবা...
16/08/2025

আজ পরামর্শর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ শুভ জন্মাষ্টমী তিথি উপলক্ষে এক বিশাল অভিষেকের আয়োজন করা হয়েছে। সমবেত ঘোর ভক্তবৃন্দ সবাইকে অভিষেকে অংশগ্রহণ করার জন্য বিশেষ ভাবে আমন্ত্রিত ও নিমন্ত্রিত।

আয়োজনে Iskcon Karuatali

*•──◎⃝◎❛ শুভ জন্মাষ্টমী-২০২৫❜◎⃝◎──•*     °°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°➤ 16 August 2025, ৩০শে শ্রাবণ ১৪৩২, শনিবার আজ  ...
16/08/2025

*•──◎⃝◎❛ শুভ জন্মাষ্টমী-২০২৫❜◎⃝◎──•*
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
➤ 16 August 2025, ৩০শে শ্রাবণ ১৪৩২, শনিবার আজ শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তিথি।
*⭕অষ্টমী শুরু 😘 আজ শুক্রবার রাত ১১ঃ৪৯ মিনিটে।
*⭕অষ্টমী শেষ 😘 ১৬ই আগষ্ট শনিবার রাত ৯ঃ৩৪ মিনিট
*🔰রোহিনী নক্ষত্র: ──*
✅ শুরু হবে ১৫ই আগস্ট, বিকাল ৪:৩৫ থেকে
✅ শেষ হবে ১৬ই আগস্ট, বিকাল ৫:৩০ পর্যন্ত।
──অর্থাৎ ১৬ আগষ্ট, শনিবার শুদ্ধ জন্মাষ্টমী তিথি। কারন এদিনে
রোহিনী নক্ষত্র রয়েছে।
*☢️ শাস্ত্র নির্নয়:──*
স্কন্দপুরানে বলা হয়েছে
উদয়ে চাষ্টমী কিঞ্চিন্নবমী সকলা যদি।
🌈অর্থাৎ, সূর্য উদয়ের সময়ে যদি অষ্টমী তিথি যুক্ত থাকে এবং কিঞ্চিত নবমী যুক্ত হয় তাহলে সেই তিথিতেই জন্মাষ্টমী পালন করতে হয়।
──১৬ আগষ্ট, শনিবার শুদ্ধা জন্মাষ্টমী তিথি।
*🌀 পারণঃ─* পরের দিন রবিবার সকাল ৬ঃ৪৫ মিনিট (পশ্চিমবঙ্গ সময়ানুযায়ী)
┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻
"হরে"কৃষ্ণ"হরে"কৃষ্ণ"
"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"হরে"হরে।"
"হরে"রাম"হরে"রাম"
"রাম"রাম"হরে"হরে।।"
┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻
*🧚‍♂️𝄞⋆⃝ 🧚‍♂️𝖍𝖆𝖗𝖎𝖇𝖔𝖑🧚‍♂️𝄞⋆⃝🧚‍♂️*
*_━────⊱❉✸❉⊰─────━_*
*⚜️জয় শ্রীরাধাকৃষ্ণ⚜️*
🙏🏻 👣👣🙏🏻

 #হরেকৃষ্ণ ~ আসুন আমরা জানি মৃত্যুর পর মানুষের কি হয়?  #হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, মানুষের মৃত্যুর পর শরীর ও আত্মার পথ আল...
13/08/2025

#হরেকৃষ্ণ ~ আসুন আমরা জানি মৃত্যুর পর মানুষের কি হয়?

#হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, মানুষের মৃত্যুর পর শরীর ও আত্মার পথ আলাদা হয়ে যায়।

১. শরীরের অবস্থা

মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে দেহ জড় পদার্থে পরিণত হয়—পঞ্চভূতে (মাটি, জল, আগুন, বায়ু, আকাশ) মিলিয়ে যায়।
গীতায় (২.২২) ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন—

> যেমন মানুষ পুরোনো কাপড় ত্যাগ করে নতুন কাপড় পরে, তেমনি আত্মা পুরোনো দেহ ত্যাগ করে নতুন দেহ গ্রহণ করে।
২. আত্মার যাত্রা

আত্মা কখনো মরে না, কেবল দেহ ত্যাগ করে। মৃত্যুর পরে আত্মা তার কর্মফল ও সংস্কার অনুযায়ী পরবর্তী গন্তব্যে যায়।

সৎকর্ম বেশি থাকলে — দেবলোক বা উচ্চতর জন্মলাভ।

পাপকর্ম বেশি থাকলে — নরক বা দুঃখজনক জন্মলাভ।

ভক্তি ও ঈশ্বরস্মরণে মৃত্যু হলে — মুক্তি পেয়ে ভগবানের ধামে প্রবেশ।

৩. যমদূত ও যাত্রা

গারুড় পুরাণে বর্ণিত আছে— মৃত্যুর পরে যমদূত আত্মাকে নিয়ে যমপুরীতে যান, সেখানে কর্মফল নির্ধারণ হয়। তবে ভগবান নামস্মরণে মৃত্যুবরণ করলে বিষ্ণুদূত এসে ভক্তকে নিয়ে যান, যমদূতের কোনো অধিকার থাকে না।
৪. নতুন জন্ম বা মুক্তি

যদি কর্মফল শেষ না হয়, আত্মা আবার জন্ম নিয়ে জীবনের চক্রে প্রবেশ করে (পুনর্জন্ম)।

যদি ঈশ্বরচরণে আত্মা সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করে, তবে জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি পেয়ে মোক্ষ লাভ হয়।
মৃত্যু-পরবর্তী আত্মার যাত্রা গারুড় পুরাণ ও ভাগবত অনুসারে দিনভিত্তিক সম্পূর্ণ বি— মৃত্যুর পর প্রথম দিন থেকে ১৩ দিন পর্যন্ত কী কী ঘটে। রাধে রাধে 🌸🙏
গারুড় পুরাণ ও শ্রীমদ্ভাগবতের ভিত্তিতে মানুষের মৃত্যুর পর আত্মার প্রথম ১৩ দিনের যাত্রা বিস্তারিত ।
এটি মূলত হিন্দু ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা।

*******
_____________________
#মৃত্যুর পর ১৩ দিনের আত্মার যাত্রা

১ম দিন: (মৃত্যুর মুহূর্ত)

মৃত্যুর সাথে সাথে আত্মা দেহ ত্যাগ করে।

যারা ভক্ত, তারা নামস্মরণে থাকলে বিষ্ণুদূত এসে নিয়ে যান।

সাধারণ মানুষ বা যারা ভগবানের চেতনায় নেই, তাদের আত্মা প্রায়শই বিভ্রান্ত ও হতবাক অবস্থায় থাকে।

যমদূত আত্মাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন (যদি পাপকর্ম থাকে)।

২য়–৩য় দিন :

আত্মা তার চারপাশ দেখে, প্রিয়জনদের কান্না শুনতে পায় কিন্তু কিছুই বলতে বা স্পর্শ করতে পারে না।

আত্মা তখনও বুঝতে চেষ্টা করে যে সে শরীর ছেড়ে গেছে।

বাড়িতে শাস্ত্র অনুযায়ী শৌচ পালন হয়।

৪র্থ দিন :

গারুড় পুরাণে বলা হয়েছে—এই সময় আত্মাকে এক বিশেষ সূক্ষ্ম দেহ (যাত্রাদেহ) দেওয়া হয়।

সে যমপুরীর পথে ধীরে ধীরে অগ্রসর হয়।

যাত্রা শুরুর আগে আত্মা তার আগের জীবনের কাজগুলো স্মরণ করে।

৫ম–৯ম দিন :

আত্মার সামনে যমপুরীর পথে নদী, অরণ্য, পাহাড়, কণ্টকাকীর্ণ পথ আসে।

ভালো কর্ম করলে পথ সহজ হয়, পাপ করলে পথ কষ্টকর হয়।

আত্মার জন্য বাড়িতে প্রতিদিন পিণ্ডদান ও জলদান করলে পথের কষ্ট কমে।

১০ম দিন

আত্মা যমপুরীর নিকটে পৌঁছায়।

বাড়িতে এই দিনে দশক্রিয়া হয় — শাস্ত্র মতে, দেহের অবশিষ্ট সূক্ষ্ম সম্পর্ক ছিন্ন হয়।

১১তম–১২তম দিন :

আত্মাকে যমরাজের সভায় নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে চিত্রগুপ্ত তার কর্মফল লিপি পাঠ করেন।

সৎকর্ম, পাপকর্ম ও ভক্তি অনুসারে পরবর্তী গন্তব্য নির্ধারণ হয় —

দেবলোক

নরক

পুনর্জন্ম

বা মুক্তি।

১৩তম দিন :

গৃহে শ্রাদ্ধ ও পিণ্ডদান হয়।

এটি আত্মার জন্য শেষ বিদায় ও পথের আশীর্বাদ।

এর পর আত্মা নির্ধারিত স্থানে চলে যায়।
ভক্ত আত্মা সরাসরি ভগবানের ধামে পৌঁছে যায়।
💡 বিশেষ কথা:
গারুড় পুরাণ বলছে, মৃত্যুর পর প্রথম ১৩ দিন আত্মার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ — কারণ তখন পরিবার যদি নামকীর্তন, ভগবৎ স্মরণ, গীতা পাঠ, ও পিণ্ডদান করে, আত্মার যাত্রা শান্ত ও কল্যাণময় হয়।

Address

আজমপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
Akhaura

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Iskcon Karuatali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share