বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস, আখাউড়া শাখা

  • Home
  • Bangladesh
  • Akhaura
  • বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস, আখাউড়া শাখা

বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস, আখাউড়া শাখা কুরআন এবং সহিহ হাদিসের আলোকে জীবন গড়া।

ঈদ হোক মানবতার মুক্তির ইসলামী রীতি অনুযায়ী ইসলামী সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে।ত্যাগের মহিমায় সুন্দর হোক জীবন, খুশিতে ভরে উঠুক ...
28/05/2026

ঈদ হোক মানবতার মুক্তির ইসলামী রীতি অনুযায়ী ইসলামী সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে।ত্যাগের মহিমায় সুন্দর হোক জীবন, খুশিতে ভরে উঠুক প্রতিটি ক্ষণ,ঈদ হোক অসামাজিক কর্মকান্ড মুক্ত, কুরআন ও সুন্নাহ সমাজের প্রতিটি স্তরের প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক ।
তাকাব্বালল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম
আল্লাহ, আপনাদের ও আমাদের নেক আমলগুলা কবুল করুন।

শুভেচ্ছান্তে
নুরুল ইসলাম সদস্য সচিব
বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদিস। ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা।

ঈদ হোক মানবতার মুক্তির ইসলামী রীতি অনুযায়ী ইসলামী সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে।ঈদ হোক  অসামাজিক কর্মকান্ড মুক্ত, কুরআন ও সুন্না...
27/05/2026

ঈদ হোক মানবতার মুক্তির ইসলামী রীতি অনুযায়ী ইসলামী সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে।ঈদ হোক অসামাজিক কর্মকান্ড মুক্ত, কুরআন ও সুন্নাহ সমাজের প্রতিটি ইসত্ত্বরে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।

সৌজন্যে
বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদিস। ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার।
সদস্য সচিব নুরুল ইসলাম।

26/05/2026
আল্লাহ, সুবাহানা ওয়া তায়ালা কোরআনুল কারিমে অসংখ্য জায়গায় হাদিস কথাটি উল্লেখ করেছেন, অতএব, যারা দিন শিখেন এবং শিখার চ...
08/05/2026

আল্লাহ,
সুবাহানা ওয়া তায়ালা কোরআনুল কারিমে অসংখ্য জায়গায় হাদিস কথাটি উল্লেখ করেছেন, অতএব, যারা দিন শিখেন এবং শিখার চেষ্টা করে , উনারা সবাই জানে, হাদিস মানে আল্লাহর কথা, হাদিস মানে আল্লাহর বাণী, এক একটি সময় মূসা আলাইহি ওয়াসাল্লামের কওম কে সতর্ক করার জন্য কথা বলেছেন, আবার অন্যদিকে মমিনদের কে পরকালের প্রতি বিশ্বাস ও ভয় থাকার জন্য কথা বলেছেন। এবং বিশেষ করে, নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবনে পাঁচশত এর ও বেশি খুতবা দিয়েছেন, প্রত্যেক খুতবায় বলেছেন, ফা ইন্না আস্দাকাল হাদিস কিতাবুল্লাহ,ওয়া খাইরুল হুদা, হুদা নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
এখানে খুতবার অর্থ বুঝিয়েছেন সর্ব উত্তম কথা হলো আল্লাহর কথা আল্লাহর বাণী, তারপর নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথা ও বাণী। সার কথা হল হাদিস শব্দের অর্থ হল, কুরআনুল কারীম ও সুন্নাহ। আশা করি সবাই বুঝতে পেরেছেন। এখন নাম দিয়েছি সুন্নি, আর কাজ করছি সুন্নাহ বিরোধী। তাহলে নামের সাথে আমলের কোনো মিল হলো না।এগুলো শয়তানের ধোকা ঈমান নষ্ট করার, আমল নষ্ট করার শয়তানের ফাঁদ । আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন। কারণ দিন বুঝতে হলে সাহাবীদের মত করে, তাবিঈনদের মতো করে, তাবে তাবীঈনদের মতো করে, এবং ইমামগন ও মুস্তাহিনদের মত করে বুজতে হবে, এবং,তা হতে হবে কোরআন ও সুন্নার মানদন্ডে। কথা কিলিয়ার, বোঝা গেছে, না হলে প্রশ্ন করতে পারেন। ০১৩১৪-৭৫৮৮৬৬ মোবাইল নাম্বার।

আসসালামু আলাইকুম,দিন ইসলামের দাওয়াত দেওয়াটা প্রত্যেক মানুষের জন্য, ফরজে আইন, ফরজে কেফায়া, কিন্তু দুঃখের বিষয় আজ০৩-০৪...
03/04/2026

আসসালামু আলাইকুম,
দিন ইসলামের দাওয়াত দেওয়াটা প্রত্যেক মানুষের জন্য, ফরজে আইন, ফরজে কেফায়া, কিন্তু দুঃখের বিষয় আজ০৩-০৪-২৬ জুমাবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া সড়ক বাজার মসজিদে কাফের, রাফেজি শিয়াদের ইরানিদের জন্য দোয়া করতেছি ফরজ সালাতের পরে, নাউজুবিল্লাহ। এতে বুঝা যায় আমি কোন ধরনের মুফতি আর কোন ধরনের আলেম দিনের কতটুক জ্ঞান আমার ভিতর আছে। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

14/03/2026
একটি শোক সংবাদ।বাংলাদেশের একমাত্র আলেম,শাইখ ড.শহীদুল্লাহ খান মাদানী (হাফেজাহুল্লা)যিনি ইমাম আবু হানিফা(রাহেমাহুল্লাহ)  ফ...
14/03/2026

একটি শোক সংবাদ।
বাংলাদেশের একমাত্র আলেম,শাইখ ড.শহীদুল্লাহ খান মাদানী (হাফেজাহুল্লা)
যিনি ইমাম আবু হানিফা(রাহেমাহুল্লাহ) ফিকের উপরে পি.এইচ.ডি করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ। উনার সুযোগ্য পিতা আজ শনিবার ১৪-০৩-২০২৬ ঈসায়ী দুপুর ১:৪০ মিনিটের সময় ঠাকুরগাঁও নিজ বাসভবনে
ইন্তেকাল করেছেন।
😭😭😭

➖➖💠💠💠➖➖
إِنَّا لِلّٰهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُوْنَ،

🏴🏴🏴🏴🏴🏴🏴

ইন্না লিল্লা-হি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজি‘উন।
🌼➖💠💠💠➖🌼

اللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ، وَعَافِهِ، وَاعْفُ عَنْهُ، وَأَكْرِمْ نُزُلَهُ، وَوَسِّعْ مُدْخَلَهُ، وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ،

হে আল্লাহ! আপনি তাকে ক্ষমা করুন, তাকে দয়া করুন, তাকে পূর্ণ নিরাপত্তায় রাখুন, তাকে মাফ করে দিন, তার মেহমানদারীকে মর্যাদাপূর্ণ করুন, তার প্রবেশস্থান কবরকে প্রশস্ত করে দিন। আর আপনি তাকে ধৌত করুন পানি, বরফ ও শিলা দিয়ে,
❇❇🏵🏵🏵❇❇
আল্লা-হুম্মাগফির লাহু, ওয়ারহামহু, ওয়া ‘আ-ফিহি, ওয়া‘ফু ‘আনহু, ওয়া আকরিম নুযুলাহু, ওয়াওয়াসসি‘ মুদখালাহু, ওয়াগসিলহু বিলমা-য়ি ওয়াস্‌সালজি ওয়ালবারাদি,
➖➖💠💠💠➖➖

মুসলিম ২/৬৬৩, নং ৯৬[৩]

03/03/2026

মাসিক তর্জুমানুল হাদীস ৮ম বর্ষ ১২তম সংখ্যা (মার্চ-২০২৬) The Monthly Tarjumanul Hadeeth (March-08-12-2026) | বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস

#মাসিক #তর্জুমানুল #হাদীস

সংগ্রহ করতে যোগাযোগ করুন:
মোবাইল: ০১৯৩৩৩৫৫৯০৮

ফেসবুক পেজ: https://www.facebook.com/tarjumanulhadeeth
ফেসবুক গ্রুপ: https://www.facebook.com/groups/Mashik.Tarjumanul.Hadith
ওয়েবসাইট: www.jamiyat.org.bd

অনলাইনে ইন্টার‍্যাক্টিভ PDF পড়তে অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এই লিংকে- https://jamiyat.org.bd/monthly-tarjumanul-hadeeth-march-08-12-2026

▌আসসালামু আলাইকুম-▌ইরানের শিয়ারা কি মুসলিম?·সৌদি আরবের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি, বিগত শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ ফাক্বীহ, শাইখুল ...
03/03/2026

▌আসসালামু আলাইকুম-
▌ইরানের শিয়ারা কি মুসলিম?

·
সৌদি আরবের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি, বিগত শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ ফাক্বীহ, শাইখুল ইসলাম ইমাম ‘আব্দুল ‘আযীয বিন ‘আব্দুল্লাহ বিন বায (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ১৪২০ হি./১৯৯৯ খ্রি.] প্রদত্ত ফতোয়া—উনাকে প্রশ্ন করা হচ্ছে.........

প্রশ্ন: “ওই ব্যক্তির ব্যাপারে আপনি কী বলেন, যে বলে, সুন্নি ও শিয়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই? এই ব্যক্তি একটি মুসলিম রাষ্ট্রের মুফতি। এমনকি একটি পত্রিকার সাথে তাঁর একমাস ধরে সাক্ষাৎকার চলেছে, যেখানে তিনি বলেছেন, আমাদের জন্য একথা বলা হারাম যে, এই লোক সুন্নি, আর এই লোক শিয়া। এই কথা কি ঠিক? এই কথার ব্যাপারে আপনার অভিমত কী?”

উত্তর: “এটা সংক্ষিপ্ত কথা এবং এতে ভুল রয়েছে। কেননা শিয়া সম্প্রদায়ের বেশ কিছু শ্রেণি রয়েছে, তারা স্রেফ এক শ্রেণিভুক্ত নয়। শিয়া সম্প্রদায়ের বেশ কয়েকটি শ্রেণি বা উপদল রয়েছে। শাহরাস্তানী উল্লেখ করেছেন যে, তাদের ২২টি উপদল রয়েছে। তাদের মধ্যে আকিদার অনেক বিভিন্নতা রয়েছে। তাদের কারও বিদ‘আত টাকে কাফির করে দেয়, আবার কারও বিদ‘আত টাকে কাফির করে না,যেমন সমাজে কিছু প্রচলিত বেদাত আছে, আযানের আগে দরুদ পড়া, এবং পাক পাঞ্জাতনের নামে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সালাম, আলী (রা) হাসান হোসাইন (রা)এবং ফাতেমা (রা)তাদেরকে পবিত্র মনে করা,এবং তারা ভুলের ওর্ধে মনে করা, যদিও নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের কথা ভিন্ন, এতৎসত্ত্বেও তারা সবাই বিদ‘আতী। শিয়ারা সবাই বিদ‘আতী। তাদের মধ্যে সবচেয়ে ছোটো বিদ‘আতী সে, যে আবু বক্কর সিদ্দীক্ব এবং ‘উমার (রা) ওপর ‘আলীকে প্রাধান্য দিয়েছে। বস্তুত সে ভুল করেছে এবং সাহাবীদের বিরোধিতা করেছে।

কিন্তু তাদের মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক হলো রাফিদ্বীরা, যারা হলো খোমেনীর সাঙ্গপাঙ্গ। তারা সবচেয়ে বিপজ্জনক শিয়া। তারা সিরিয়া ৩০ লক্ষ সুন্নি মুসলিম হত্যা করেছে, নিজ দেশ ইরানে কোটি সুন্নী মুসলিম হত্যা করেছে,এমনকি লিবিয়া, ইরাক, ইয়েমেন,আফগানিস্তান, সহ আরো অন্যান্য দেশে তারা অনেক সুন্নি মুসলিম হত্যা করেছে, অনুরূপভাবে নুসাইরিয়াহ সম্প্রদায়, যারা হলো সিরিয়ার হাফিজ বাশার আল আসাদের সাঙ্গপাঙ্গ ও তার দলের ব্যক্তিবর্গ। আর সিরিয়া, ইরান ও ভারতের বাত্বিনী সম্প্রদায়, যারা হলো ইসমা‘ঈলী সম্প্রদায়। এই তিনটি উপদল সবচেয়ে বিপজ্জনক ও ভয়ঙ্কর শিয়া। তারা কাফির সম্প্রদায়। তারা কাফির। কেননা তারা মুসলিমদের বিরুদ্ধে অনিষ্টকে লুকিয়ে রাখে এবং নিজেদের ওপর মুসলিমদেরকে কাফিরদের চেয়েও বিপজ্জনক মনে করে। তারা কাফিরদের চেয়ে মুসলিমদেরকে বেশি ঘৃণা করে। তারা আহলুস সুন্নাহ’র জান ও মাল নিজেদের জন্য হালাল মনে করে। যদিও তারা কিছু ক্ষেত্রে মোসাহেবি করে থাকে। তারা মনে করে, তাদের ইমামরা গায়েব (অদৃশ্য) জানে, তাদের ইমামরা নিষ্পাপ, আল্লাহকে ব্যতিরেকে ইমামদেরও ইবাদত করা যায়, ফরিয়াদ জবেহ ও মানত করার মাধ্যমে এগুলো তারা দিন মনে করে জায়েজ মনে করে, নাউজুবিল্লাহ। তাদের ইমামদের ব্যাপারে এই হলো তাদের অবস্থান।

আর রাফিদ্বীরা হলো ইসনা ‘আশারিয়াহ তথা বারো ইমামিয়াহ নামক উপদল। তাদেরকে ‘জা‘ফারিয়্যাহ’-ও বলা হয়। অবশ্য এখন তাদেরকে ‘খুমাইনিয়্যাহ’ (খোমেনীর মতাদর্শের লোকজন) বলা হয়, যারা এখনও মানুষকে বাতিলের দিকে আহ্বান করে। তারা সবচেয়ে নিকৃষ্ট উপদল। অনুরূপভাবে ‘নুসাইরিয়াহ’-ও নিকৃষ্ট উপদলগুলোর অন্তর্ভুক্ত। একইভাবে ইসমা‘ঈলী শিয়ারাও নিকৃষ্ট, যারা হলো বাত্বিনী শিয়া। তারা গুটিকয়েক সাহাবী ছাড়া সমস্ত সাহাবীকে ইসলাম থেকে খারিজ—মুরতাদ কাফির মনে করে। আর সেই গুটিকয়েক সাহাবীর অন্তর্ভুক্ত হলেন ‘আলী, হাসান, হুসাইন, ‘আম্মার বিন ইয়াসার এবং আরও দুই, তিন বা চারজন সাহাবী, যাদেরকে তারা মনে করে যে, কেবল তারাই ‘আলীর সাথে মিত্রতা পোষণ করেছিল। পক্ষান্তরে বাকি সাহাবী তাদের কাছে মুরতাদ। তাঁরা ইসলাম থেকে বের হয়ে গেছেন এবং ‘আলীর ওপর জুলুম করেছেন, ইত্যাদি আরও কথাবার্তা তারা বলে থাকে। আমরা আল্লাহ’র কাছে সুস্থতা ও নিরাপত্তা কামনা করছি।

এছাড়াও আহলে বাইত তথা নাবী পরিবারের ব্যাপারে তাদের চরমপন্থি মতাদর্শ রয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, তাঁরা (আহলে বাইত) গায়েব জানেন। তাদেরকে ইমাম হিসেবে গ্রহণ করা ওয়াজিব। আর ‘আলীর আগে ও পরে যত ইমামত (নেতৃত্ব) রয়েছে, সবই বাতিল। তাদের নিকট কেবল ‘আলী এবং হুসাইনের নেতৃত্বই হক। পক্ষান্তরে নাবী ﷺ এর যুগ থেকে বর্তমান যুগ পর্যন্ত যত নেতৃত্ব চলে আসছে, রাফিদ্বীদের নিকট তার সবই বাতিল। আমরা আল্লাহ’র কাছে সুস্থতা ও নিরাপত্তা কামনা করছি। এবং হামাস, হিজবুল্লাহ, ফাতাহ,বাদার হুড্স বা ইখুওয়ানি, এবং হুতি, তারা সবাই ইরান এবং ইহুদীদের দোসর দালাল, proxy গ্রুপ।

মোটকথা, শিয়া সম্প্রদায়ের বেশ কিছু শ্রেণি রয়েছে, তারা শুধু এক শ্রেণিভুক্ত নয়। শিয়াদের অন্তর্ভুক্ত আরেকটি উপদল হলো ইয়েমেনের ‘যাইদিয়াহ’ নামক প্রসিদ্ধ উপদল। তাদের নিকট তাফদ্বীলের মতাদর্শ রয়েছে (তাফদ্বীল হলো ‘আলী রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহুকে আবূ বাকার এবং ‘উমার রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহুমার ওপর শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করা – অনুবাদক)। এরা কাফির না। তবে তাদের মধ্যে যারা মূর্তিপূজা করে, আহলে বাইতের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করে এবং আল্লাহকে ব্যতিরেকে তাদের ইবাদত করে তাদের কথা আলাদা। পক্ষান্তরে শুধু ‘আলীকে আস-সিদ্দীক্ব এবং ‘উমারের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করা কুফর না, কিন্তু বিদ‘আত এবং গলত। আবশ্যক হলো—আস-সিদ্দীক্বকে সবার ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দেওয়া, তারপর ‘উমার, তারপর ‘উসমানকে ‘আলীর ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দেওয়া। ‘আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহু ওয়া আরদ্বাহু) হলেন চতুর্থতম। এর ওপরই সাহাবীগণ ঐক্যমত পোষণ করেছেন। রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহুম ওয়া আরদ্বাহুম।

সুতরাং যে ব্যক্তি ‘আলীকে তাঁদের ওপর প্রাধান্য দেয়, সে ভুলকারী বিবেচিত হবে, সে কাফির নয়। শিয়াদের মধ্যে শুধু কাফির হলো রাফিদ্বী, নুসাইরিয়াহ ও ইসমা‘ঈলিয়্যাহ সম্প্রদায়। যারা আহলে বাইতের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করে, আল্লাহকে ব্যতিরেকে তাদের ইবাদত করে, তাদের ইবাদত করা জায়েজ মনে করে, তাদের ইমামরা গায়েব জানে বলে মনে করে ইত্যাদি আরও কথাবার্তা তারা বলে থাকে। আমরা আল্লাহ’র কাছে সুস্থতা ও নিরাপত্তা কামনা করছি। মোটকথা তাদের ‘আক্বীদাহর দিকে বিশদভাবে নজর দিতে হবে। একথা বলা যাবে না যে, শিয়ারা সবাই কাফির। না, বরং তাদের ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনার অবকাশ রয়েছে। তাদের অনেকগুলো শ্রেণি রয়েছে।” [দ্র.: https://tinyurl.com/yxom3snd (শাইখের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের আর্টিকেল লিংক)]

শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ)’র ফাতওয়া থেকে প্রতীয়মান হলো যে, খোমেনীপন্থি শিয়ারা হলো রাফিদ্বী শিয়া, যারা শিয়াদের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট উপদল। নিম্নে আমরা রাফিদ্বী শিয়াদের ব্যাপারে পূর্ববর্তী আইম্মায়ে কেরামের কিছু বক্তব্য উল্লেখ করছি।

·
প্রখ্যাত তাবি‘ঈ শাইখুল ইসলাম ইমাম ত্বালহাহ বিন মুসাররিফ (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ১১২ হি.] বলেছেন, الرافضة لا تنكح نساؤهم، ولا تؤكل ذبائحهم، لأنهم أهل ردة “রাফিদ্বী সম্প্রদায়ের মহিলাদেরকে বিয়ে করা যাবে না এবং তাদের জবেহকৃত প্রাণী খাওয়া যাবে না। কেননা তারা হলো মুরতাদ সম্প্রদায়।” [আল-ইবানাতুস সুগরা, পৃষ্ঠা: ১৬১]

ইমাম আবূ হানীফাহ (রাহিমাহুল্লাহ)’র শ্রেষ্ঠ ছাত্র ইমাম আবূ ইউসুফ (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ১৮২ হি.] বলেছেন, لا أصلي خلف جهمي، ولا رافضي، ولا قدري “আমি কোনো জাহমী, রাফিদ্বী শিয়া এবং তাক্বদীর অস্বীকারকারী ক্বাদারীর পেছনে নামাজ পড়ি না।” [শারহু উসূলি ই‘তিক্বাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামা‘আহ, খণ্ড: ৪; পৃষ্ঠা: ৭৩৩]

ইসমা‘ঈল বিন ইসহাক্ব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, أن أبا عبد الله سُئل: عن رجل له جار رافضي يسلم عليه؟ قال: لا، وإذا سلم عليه لا يرد عليه “একদা আবূ ‘আব্দুল্লাহকে (ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল, মৃত. ২৪১ হি.) জনৈক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো, যার প্রতিবেশি একজন রাফিদ্বী শিয়া, আর এই রাফিদ্বী ওই ব্যক্তিকে সালাম দেয়। তিনি উত্তরে বললেন, ‘না, যদি সে তাকে সালাম দেয়, তাহলে সে তার সালামের জবাব দিবে না’।” [ইমাম খাল্লালের ‘আস-সুন্নাহ’, খণ্ড: ১; পৃষ্ঠা: ৪৯৪]

ইমাম বুখারী (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ২৫৬ হি.] তাঁর খালকু আফ‘আলিল ‘ইবাদ গ্রন্থে বলেছেন, ما أبالي صليت خلف الجهمي والرافضي، أم صليت خلف اليهود والنصارى، ولا يسلم عليهم، ولا يعادون، ولا يناكحون، ولا يشهدون، ولا تؤكل ذبائحهم “আমি কোনো পরোয়া করি না, আমি জাহমী ও রাফিদ্বীর পেছনে সালাত পড়লাম, নাকি ইহুদি ও খ্রিষ্টানের পেছনে সালাত পড়লাম। তাদেরকে সালাম দেওয়া যাবে না, তারা অসুস্থ হলে তাদেরকে দেখতে যাওয়া যাবে না, তাদেরকে বিয়ে করা যাবে না, তারা মারা গেলে তাদের জানাযাহয় শরিক হওয়া যাবে না এবং তাদের জবেহকৃত প্রাণী খাওয়া যাবে না।” [খালকু আফ‘আলিল ‘ইবাদ, পৃষ্ঠা: ১২৫]

শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ৭২৮ হি.] রাফিদ্বী শিয়াদের ব্যাপারে আলোচনা করতে গিয়ে বলেছেন, أن كفرهم أغلظ من كفر اليهود والنصارى، لأن أولئك عندهم كفار أصليون وهؤلاء مرتدون وكفر الردة أغلظ بالإجماع من الكفر الأصلي، ولهذا السبب يعاونون الكفار على الجمهور من المسلمين فيعاونون التتار على الجمهور “তাদের কুফর ইহুদি-খ্রিষ্টানদের কুফরের চেয়েও গুরুতর। কেননা ইহুদি-খ্রিষ্টানরা হলো সত্ত্বাগত কাফির। পক্ষান্তরে তারা (রাফিদ্বীরা) হলো দ্বীন থেকে বের হয়ে যাওয়া মুরতাদ। আর মুরতাদ হওয়ার কুফর ইজমা‘র (মতৈক্য) ভিত্তিতে সত্ত্বাগত কুফরের চেয়েও গুরুতর। এজন্যই তারা মুসলিম জনসাধারণের বিরুদ্ধে কাফিরদের সহযোগিতা করে। যেমন তারা মুসলিম জনগণের বিরুদ্ধে (মুসলিম জনপদে গণহত্যা পরিচালনাকারী) তাতার সম্প্রদায়কে সহযোগিতা করছে।” [মাজমূ‘উ ফাতাওয়া, খণ্ড: ৬; পৃষ্ঠা: ৪২১]

মুসলিম উম্মাহর শ্রেষ্ঠ ‘উলামাদের বক্তব্য থেকে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হলো যে, ইরানের শিয়ারা হলো কাফির, যাদের সাথে কাফিরদের মতো আচরণ করতে হবে। বলাই বাহুল্য যে, তাদেরকে ‘মুসলিম’ বলে বিশ্বাস করাও কুফর। আল্লাহ আমাদেরকে সত্য বোঝার এবং তদনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুন। আমীন, ইয়া রাব্বাল ‘আলামীন।

শিয়াদের ১১০ টি ভ্রান্ত আকিদা কুরআন সুন্নাহ বহির্ভূত.!
https://www.facebook.com/share/p/18ShgvAiEH/
·
তথ্যসূত্র: সাহাব (sahab) ডট নেট ও আজুর্রি (ajurry) ডট কম।

·
অনুবাদক: মুহাম্মাদ ‘আব্দুল্লাহ মৃধা
সালাফী: ‘আক্বীদাহ্ ও মানহাজে।

এ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ আলেমদের মতামত------
https://www.facebook.com/share/v/1DjxThp44Y/

পৃথিবীর বিখ্যাত ইমামগণের নিকট শিয়াদের আকিদা!
https://www.facebook.com/share/p/1JCqcqBtN9/

জঘন্য শিয়ারা আল্লাহ রাসূল সাহাবায়ে কেরাম কে গালাগালি করে......!
https://www.facebook.com/share/p/1AVp6daY52/

শিয়াদের জঘন্য কালিমা!
https://www.facebook.com/share/v/16fHE5HWpV/

শিয়ারা আমাদের বর্তমান কোরআন বিকৃত বলে দাবি করে....
https://www.facebook.com/share/p/1BZzfUXa4x/

যারা শিয়াদেরকে কাফের বলে না তাদের বিধান কি?
https://www.facebook.com/share/p/1APsvH9maD/

Address

Akhaura, Masjid Para, Brahman Baria
Akhaura
3450

Telephone

+8801314758866

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস, আখাউড়া শাখা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস, আখাউড়া শাখা:

Share