আমার নিয়ত

আমার নিয়ত Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আমার নিয়ত, Melbourne.

03/09/2026

A reminder to read Surah Al Kahf and send prayers and blessings on the Prophet s.a.w as it is Friday( starts from Thursday after magrib)

The Prophet s.a.w said “Whoever reads Soorat al-Kahf on the day of Jumu’ah, will have a light that will shine from him from one Friday to the next.”
(Narrated by al-Haakim, 2/399; al-Bayhaqi, 3/249.)

It was narrated from Aws ibn Aws that the Prophet (peace and blessings of Allah be upon him) said: “The best of your days is Friday. On that day Adam (peace be upon him) was created; on that day he died; on that day the Trumpet will be blown; and on that day all of creation will swoon. So send a great deal of blessings upon me (i.e. on Friday), for your blessings will be shown to me.” Narrated by Abu Dawud, কি

30/08/2026

আপনি কি সত্যিই নিজের সিদ্ধান্তে চলেন, নাকি অনেক সময় আপনার নফসই আপনাকে চালায়?

কখনো খেয়াল করেছেন, কেউ প্রশংসা করলে ভালো কাজ করার আগ্রহ বেড়ে যায়, কিন্তু কেউ জানবে না বুঝলে সেই আগ্রহটাই কমে যায়? সকালে alarm বাজে, মনে হয় আর দশ মিনিট ঘুমাই। সালাতের সময় হয়, ভাবি কাজটা শেষ করে তারপর পড়ব। কুরআন খুলতে বসে ফোনটা হাতে নিই। কেউ ভুল ধরিয়ে দিলে কথাটা সত্য কি না ভাবার আগেই ভেতরে প্রশ্ন আসে, “আমাকে এভাবে বলল কেন?”

এগুলো খুব ছোট ঘটনা মনে হয়। কিন্তু মানুষের ভেতরের বড় লড়াইগুলো প্রায়ই এমন ছোট ছোট মুহূর্তেই শুরু হয়। প্রশ্নটা তখন শুধু “আমি কী করতে চাই?” নয়। প্রশ্নটা হলো, যখন আমার ইচ্ছা আর আল্লাহর সন্তুষ্টি একদিকে থাকে না, তখন আমি কাকে অগ্রাধিকার দিই?

আল্লাহ তাআলা বলেন,

“নিশ্চয়ই নফস মন্দ কাজের দিকে প্রবলভাবে প্ররোচিত করে, তবে আমার রব যার প্রতি দয়া করেন সে ছাড়া।”
সূরা ইউসুফ, ১২:৫৩

এর অর্থ এই নয় যে মানুষের প্রতিটি চাওয়া খারাপ। ঘুম, বিশ্রাম, আনন্দ, ভালো খাবার, সাফল্য, সম্মান চাওয়া মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তির অংশ। সমস্যা তখনই শুরু হয়, যখন সেই চাওয়া আল্লাহর সীমার সামনে এসে বলে, “আজ থাক”, “এটুকু করলে কী হবে?”, “আরেকটু পরে”, “মানুষ কী বলবে?”, “আমাকেই ঠিক প্রমাণ করতে হবে।”

নফসের বিরুদ্ধে লড়াই মানে নিজের স্বাভাবিক চাহিদাগুলোকে মুছে ফেলা নয়। বরং নিজের চাহিদাকে আল্লাহর আনুগত্যের সীমার মধ্যে রাখতে শেখা।

ধরুন, আপনি কাউকে সাহায্য করেছেন। কাজটা শেষ হওয়ার পর খুব ইচ্ছা হলো কেউ জানুক। কেউ বলুক, “আপনি অনেক ভালো কাজ করেছেন।” ভালো কাজ প্রকাশ করলেই যে রিয়া হবে, বিষয়টা এত সরল নয়; নিয়ত ও প্রয়োজনের পার্থক্য আছে। কিন্তু নিজের অন্তরকে মাঝেমধ্যে একটা প্রশ্ন করা দরকার, কেউ যদি কোনোদিন না জানে, তবুও কি আমি এই কাজটা করতাম?

রাসূলুল্লাহ ﷺ এমন ব্যক্তির কথা বলেছেন, যে এত গোপনে সদকা করে যে তার বাম হাতও যেন জানে না ডান হাত কী দান করেছে। তাকে কিয়ামতের দিন আল্লাহর বিশেষ ছায়া লাভকারীদের একজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সহিহ আল বুখারি, ১৪২৩

তাই কিছু ভালো কাজ শুধু আল্লাহ আর আপনার মধ্যে রেখে দেখুন। এমন একটা দু‘আ, যার কথা কাউকে বলবেন না। এমন একটা সাহায্য, যার credit আপনার নামে আসবে না। এমন একটা নেক কাজ, যার কোনো ছবি নেই, কোনো post নেই, কোনো প্রশংসাও নেই। এতে নিজের অন্তরকে একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা শেখানো হয়, মানুষ না দেখলেও আল্লাহ দেখছেন।

নফসের আরেকটি বড় পরীক্ষা আসে comfort-এর জায়গায়। শরীর ঘুম চায়, কিন্তু ফজরের সময় হয়ে গেছে। মন ফোনে থাকতে চায়, অথচ কুরআনের জন্য সময় রাখা দরকার। কাজের চাপ আছে, তবুও অকারণে সালাত দেরি না করে আল্লাহর ডাকে সাড়া দিতে হবে। চোখ এমন কিছুর দিকে টানছে যেটা দেখা উচিত নয়, তখন চোখ ফিরিয়ে নেওয়াটাই হয়ে যায় নিজের ওপর ছোট্ট এক বিজয়।

আল্লাহ তাআলা বলেন,

“আর যে তার রবের সামনে দাঁড়ানোর ভয় রাখে এবং নফসকে কুপ্রবৃত্তি থেকে বিরত রাখে, নিশ্চয়ই জান্নাতই হবে তার আশ্রয়।”
সূরা আন নাযিআত, ৭৯:৪০–৪১

খেয়াল করুন, আয়াতে এমন মানুষের কথা বলা হয়নি যার কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই। তারও ইচ্ছা আছে, টান আছে, দুর্বলতা আছে। কিন্তু সে প্রতিটি ইচ্ছার আনুগত্য করে না।

তাই প্রতিদিন এমন কিছু মুহূর্ত প্রয়োজন, যেখানে নিজের নফসকে শেখানো হবে, “তুমি কিছু চাইলেই আমাকে সেটা করতে হবে না।” ঘুম পাচ্ছে, তবুও উঠলেন। মন চাইছে না, তবুও কয়েক আয়াত কুরআন পড়লেন। খুব ব্যস্ত, তবুও সালাতকে জায়গা দিলেন। খরচ করতে মন চাইছে না, তবুও আল্লাহর জন্য কিছু দিলেন। temptation সামনে, তবুও নিজেকে ফিরিয়ে নিলেন।

এভাবেই discipline তৈরি হয়। বড় কোনো বক্তৃতা শুনে একদিন আবেগী হয়ে নয়, বরং প্রতিদিনের সিদ্ধান্তে আল্লাহকে অগ্রাধিকার দিতে দিতে।

কিন্তু নফসের সবচেয়ে সূক্ষ্ম পরীক্ষা হয়তো অন্য জায়গায়।

কেউ আপনাকে correction করল। সঙ্গে সঙ্গে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে ইচ্ছা হলো। কেউ ভুল বুঝল, মনে হলো এখনই তাকে বোঝাতে হবে যে আপনি ভুল নন। কেউ সমালোচনা করল, মাথার ভেতর মুহূর্তেই দশটা উত্তর তৈরি হয়ে গেল। কারণ নফস শুধু comfort চায় না, অনেক সময় সে জিততেও চায়। সে চায়, শেষ কথাটা আমার হোক। আমি ভুল হতে পারি, এই সম্ভাবনাটাও যেন স্বীকার করতে না হয়।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

“শক্তিশালী সে নয়, যে কুস্তিতে অন্যকে পরাজিত করে; বরং প্রকৃত শক্তিশালী সে, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।”
সহিহ আল বুখারি, ৬১১৪; সহিহ মুসলিম, ২৬০৯

এর মানে এই নয় যে সব criticism চুপচাপ মেনে নিতে হবে বা অন্যায়ের প্রতিবাদ করা যাবে না। প্রয়োজন হলে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতেও হবে। কিন্তু প্রতিটি কথার জবাব সঙ্গে সঙ্গে দেওয়া, সবাইকে নিজের ব্যাখ্যা মানাতেই হবে, অথবা “আমিই ঠিক” প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত থামতে না পারা কখনো কখনো সত্যের প্রয়োজন নয়, নফসের প্রয়োজন।

কখনো উত্তর দেওয়ার আগে একটু থামা শক্তি। নিজের ভুল থাকলে স্বীকার করা শক্তি। কেউ সত্য কথা বলেছে অথচ কথাটা অহংকারে আঘাত করেছে, তারপরও সত্যটা গ্রহণ করা শক্তি। কারণ তখন আপনি অন্য মানুষকে হারাচ্ছেন না, নিজের ভেতরের অহংকারকে নিয়ন্ত্রণ করছেন।

আল্লাহ তাআলা বলেন,

“সফল সে, যে তাকে পরিশুদ্ধ করেছে। আর ব্যর্থ সে, যে তাকে কলুষিত করেছে।”
সূরা আশ শামস, ৯১:৯–১০

এই আত্মশুদ্ধি কোনো একদিনের dramatic transformation নয়। আপনি আজ খুব অনুপ্রাণিত হলেন আর কাল থেকে নফসের সব টান শেষ হয়ে গেল, বিষয়টা এমন নয়। বরং alarm বাজার মুহূর্তে, আযান শোনার পর, ফোন হাতে নেওয়ার সময়, কারও কথায় রাগ উঠলে, প্রশংসা পাওয়ার সুযোগ এলে, একা থাকলে এবং কেউ যখন দেখছে না তখন নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোই ধীরে ধীরে বলে দেয় কে কাকে নিয়ন্ত্রণ করছে।

তাই আজ নিজের জীবনের একটা জায়গা খুঁজে বের করুন।

আপনার নফস সবচেয়ে বেশি কোথায় দরকষাকষি করে? সালাতে? ঘুমে? ফোনে? মানুষের attention পাওয়ার ইচ্ছায়? রাগে? নিজের ভুল স্বীকার করতে? এমন কোনো গুনাহে, যেটা কেউ জানে না?

সবকিছু একসঙ্গে বদলাতে যাবেন না। একটা জায়গা বেছে নিন। সেখানে যখনই নিজের ইচ্ছা আর আল্লাহর সন্তুষ্টি মুখোমুখি হবে, অন্তত একবার সচেতনভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে বেছে নিন।

হয়তো বাইরে থেকে কেউ বুঝবেই না যে আপনার ভেতরে একটা যুদ্ধ হয়েছিল। কেউ হাততালি দেবে না, কেউ বলবে না আপনি আজ খুব বড় কিছু করেছেন। কিন্তু আপনি জানবেন, আল্লাহ জানবেন, আর আপনার নফসও বুঝবে আজ সে যা চেয়েছিল, আপনি তা করেননি, কারণ আপনি আল্লাহর সন্তুষ্টিকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

মানুষকে হারানো অনেক সময় সহজ।

নিজের রাগকে থামানো, নিজের চোখ ফিরিয়ে নেওয়া, নিজের অহংকারকে নরম করা, নিজের আরাম ছেড়ে আল্লাহর ডাকে সাড়া দেওয়া, মানুষের প্রশংসা ছাড়াই ভালো কাজ করে যাওয়া অনেক বেশি কঠিন।

আর হয়তো সেই নীরব বিজয়গুলোই একদিন আপনার পুরো মানুষটাকে বদলে দেবে।

আল্লাহ আমাদের নফসের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন, অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার তাওফিক দিন, গোপনে ও প্রকাশ্যে তাঁর জন্য আমল করার ইখলাস দিন এবং নিজের প্রবৃত্তির ওপর তাঁর আনুগত্যকে প্রাধান্য দেওয়ার শক্তি দান করুন। আমিন।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

খুব ভয় লাগছে এই হাদিস টা পড়ে । আল্লাহ আমাদের কে - রাসুল এর পুরা উম্মাহ কে রক্ষা করুন।
29/08/2026

খুব ভয় লাগছে এই হাদিস টা পড়ে । আল্লাহ আমাদের কে - রাসুল এর পুরা উম্মাহ কে রক্ষা করুন।

Meet the new page for our Bangladeshi Pithas in Authentic way in the western side of Melbourne. Highly recommended.
22/08/2026

Meet the new page for our Bangladeshi Pithas in Authentic way in the western side of Melbourne. Highly recommended.

Assalamualaykum friends! Welcome to my new page. Right now my kitchen is open to cater for Bangladeshi pithas. I am taking order for vapa , chaler ruti, crunchy puli, vapa puli, teler pitha and also Porota. I am trying my best to serve in authentic way. Please try once. You won’t be disappointed inshaAllah!! Only for weekends.

আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা! আমার নতুন পেজে আপনাদের স্বাগতম। এখন আমার রান্নাঘর খোলা আছে বাংলাদেশি পিঠা পরিবেশনের জন্য। আমি ভাপা, চালের রুটি, ক্রাঞ্চি পুলি, ভাপা পুলি, তেলের পিঠা এবং পরোটা অর্ডার নিচ্ছি। আমি চেষ্টা করছি আপনাদেরকে যতটা সম্ভব আসল স্বাদে পরিবেশন করতে। একবার চেষ্টা করে দেখুন। ইনশাআল্লাহ আপনাদের হতাশ হতে হবে না!! শুধু মাত্র উইকেন্ডই।

21/08/2026

ইবনু আব্বাস ( রা) হতে বর্ণিত:
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আব্বাস ইবনু আবদুল মুত্তালিব (রাঃ)-কে বললেনঃ হে আব্বাস! হে আমার চাচা! আমি কি আপনাকে দান করবো না? আমি কি আপনাকে উপহার দিবো না? আমি কি আপনার দশটি মহৎ কাজ করে দিবো না? আপনি যখন সে কাজগুলো বাস্তবায়ন করবেন, তখন আল্লাহ আপনার প্রথম ও শেষ, অতীত ও বর্তমান, ইচ্ছা ও অনিচ্ছাকৃত, ছোট ও বড় এবং প্রকাশ্য ও গোপন সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন।

ঐ দশটি মহৎ কাজ হচ্ছেঃ আপনি চার রাকাতের কেরাত হতে অবসর হয়ে দাঁড়ানো অবস্থায় বলবেন, “সুবহানাল্লাহ ওয়াল-হামদুলিল্লাহ ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার” পনের বার, অতঃপর রুকু করুন এবং রুকু অবস্থায় তা পাঠ করুন দশবার, আবার রুকু হতে মাথা উঠিয়ে তা পাঠ করুন দশবার, অতঃপর সিজদায় যান এবং সিজদার অবস্থায় তা পাঠ করুন দশবার, অতঃপর সিজদা হতে মাথা উঠিয়ে তা পাঠ করুন দশবার।

আবার সিজদা করুন, সেখানে তা পাঠ করুন দশবার। অতঃপর সিজদা হতে মাথা তুলে তা পাঠ করুন দশবার, এ নিয়মে প্রত্যেক রাকাতে তাসবিহের সংখ্যা হবে পঁচাত্তর বার এবং তা করতে থাকুন পূর্ণ চার রাকাতে। (এতে পুরো সালাতে তাসবিহের সংখ্যা হবে তিন শত বার)।

আপনার পক্ষে সম্ভব হলে উক্ত সালাত দৈনিক একবার আদায় করুন। অন্যথায় সপ্তাহে একবার, তাও সম্ভব না হলে মাসে একবার, এটাও সম্ভব না হলে বছরে একবার, যদি তাও না হয় তবে সারা জীবনে অন্তত একবার আদায় করুন।
সুনানে আবু দাউদ ১২৯৭।

19/08/2026
19/08/2026

সূরা আল-ইনশিরাহ
ছোট্ট একটা সূরা, মাত্র আট আয়াতের।

অথচ এই আট আয়াতের মধ্যেই কি অসাধারণভাবেই না তিনি লাইফের অন্যতম সাকসেস ফর্মুলাটা দিয়ে দিলেন!

প্রেক্ষাপট অনেকটা এরকম।
মক্কার শুরুর দিকে আল্লাহর রাসূল যখন দাওয়াত স্টার্ট করলেন
রিজেকশনের পর রিজেকশন খাওয়া স্টার্ট করলেন
উনার বেশ মন খারাপ হলো।
রিজেকশন তো পরের কথা, উনাকে নিয়ে রীতিমতো হাসি-ঠাট্টা শুরু করলো মক্কার কাফিরা।
স্বাভাবিকভাবেই তাঁর মনটা একদম ভেঙে গেলো!
তাঁর এই ভাঙা মনকে চাঙ্গা করার জন্যই তখন এই সূরার অবতরণ!
তিনি চমৎকার একটা প্রেসক্রিপশন পাঠালেন
সেই প্রেসক্রিপশন নিয়েই আজকের লেখা
শুরুটা করলেন তিনি তিনটা বড় বড় নিয়ামতগুলোর কথা মনে করিয়ে দিয়ে
যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে বলছেন
আমি তোমার জন্য কি কি করেছি সেগুলো একটু মনে করো
-আমি কি তোমার হৃদয়ে ইসলামের আলো দিয়ে প্রশস্ত করিনি?
-মানুষ আর সমাজ নিয়ে আপনার যখন চিন্তার ভারে নুয়ে পড়ছিলেন তারও কি একটা সুন্দর সমাধান দেখিয়ে দিইনি?
-আর তোমাকে রাসূল বানিয়ে সমগ্র দুনিয়াতে তোমার সম্মানকে বাড়িয়ে দিইনি?
খেয়াল করুন উনার অ্যাপ্রোচটা
"তিনি আগে পিছনে তাকাতে বললেন" কেন?
কারণ অফেন আমরা যখন হার্ডশিপ-এর মধ্যে পড়ি
নেচারালি তখন অতীতের সব নিয়ামত ভুলে গিয়ে বর্তমানের প্রবলেমটাকেই পুরো রিয়েলিটি বানিয়ে ফেলি!
মনে করি—এই বুঝি সব শেষ, আর কোনো রাস্তা নেই, কিছুই আর ঠিক হবে না
অথচ একটু পিছনে তাকালেই কিন্তু দেখতে পাই যে
আমি তো এই প্রথম কোনো প্রব্লেমে আটকে যাইনি
এর আগেও তো এমন কত জায়গায় আটকে গিয়েছিলাম
তখনও তো মনে হয়েছিল কোনো রাস্তা নেই, আমি শেষ
তখন তো ঠিকই তিনি এমন দিক থেকে রাস্তা বের করে দিয়েছিলেন যে আমি কল্পনাও করিনি?
আজ কেন এতো চিন্তিত!
তাই সূরার শুরুতেই একটা রিমাইন্ডার—আগে পিছনে তাকাও! রিফ্লেক্ট করো!
যিনি আগে তোমার ভার হালকা করেছেন, এবারও তিনিই হালকা করবেন!
এরপরই আসে সূরাটার সবচেয়ে পাওয়ারফুল অংশটা
"ফা ইন্না মা'আল উসরি ইউসরা"
"ইন্না মা'আল উসরি ইউসরা"
"অতএব কোন ডাউট রাখবে না যে কষ্টের সাথেই স্বস্তি আছে"
একবার না, দু দুবার একই কথা রিপিট করেছেন
"অবশ্যই অবশ্যই কষ্টের সাথেই স্বস্তি আছে"কেন?
কারণ আমার রব জানেন যে
হার্ডশিপ-এর সময় আমাদের কথা কানে ঢুকলেও মন কিন্তু তা সহজে বিশ্বাস করতে চায় না!
তাই তাঁর এই ডাবল এসিউরেন্স!
তবে এই অ্যাসিওরেন্সে খেয়াল করেন তিনি কিন্তু বলেননি যে
হার্ডশিপের পরে স্বস্তি আছে, বলেছেন কষ্টের সাথে স্বস্তি আছে
বলেছেন—"মা'আল উসর"
"মা'আ" মানে—সাথে, পরে না!
অর্থাৎ কষ্ট আর স্বস্তি সেপারেট কিছু না এরা একজন আরেকজনের পরিপূরক!
আপনি আজ হার্ডশিপ-এর মধ্যে আছেন এর অর্থ হলো সলিউশনও খুব কাছাকাছিই আছে!
আপনি হয়তো সলিউশন দেখতে পাচ্ছেন না কারণ সেটা হয়তো এমন একটা ফর্মে এসেছে যেটা আপনি এখনো রিকগনাইজই করতে পারছেন না
কিন্তু আমার রব যেহেতু বলছেন—আছে, এর মানে হচ্ছে আছে!
আমরা সবাই কোনো না কোনো হার্ডশিপের ভিতর দিয়ে যাচ্ছি
-কারো চাকরি চলে গিয়েছে তো কারো ব্যবসাটা টিকেনি
-কারো বছরের পর বছরের সম্পর্কটা হঠাৎ ভেঙে গিয়েছে তো কেউ এক্সিস্টিং সংসারটা টিকিয়ে রাখতেই হিমশিম খাচ্ছি
-কেউ দিনের পর দিন চাকরির জন্য অ্যাপ্লাই করছি কিন্তু কোথাও থেকে একটা কলও আসছে না
-কেউ প্রিয় মানুষের সুস্থ হওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনছি তো কেউ প্রিয় মানুষটার চলে যাওয়ার প্রহর গুনছি
-কেউ ঋণের বোঝায় রাতে ঘুমাতে পারছি না তো কেউ প্রাচুর্যের মাঝেও এক অশান্তিতে ভুগছি
-আবার কেউ কেউ তো এমন একটা হার্ডশিপ-এর মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি যে কাউকে বলতেও পারছি না!
অর্থাৎ সবাই আমরা কেউ সন্তান নিয়ে, কেউ বাবা-মাকে নিয়ে আর কেউ বা নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তায় জর্জরিত
এই সব কিছুর উত্তর হচ্ছে, সলিউশনও সাথেই আছে!
তবে এই সূরার সব থেকে ইন্টারেস্টিং জায়গা হচ্ছে ঠিক এই লাইনটার পর থেকে ইম্পর্টেন্ট দুটো লাইন
ইম্পর্টেন্ট দুটো প্রেসক্রিপশন
দু-দুইবার অ্যাসিওরেন্স দেয়ার পর কিন্তু তিনি বলেননি যে
সাহায্য তো আসছেই, সবর করো!
বলছেন একশনে যাও!
-"ফাইযা ফারাগতা ফানসাব"
-"ওয়া ইলা রাব্বিকা ফারগাব"
যখন তুমি ফ্রি হবে তখন তুমি "ফানসাব" করবে আর
আর তোমার রবের দিকে "ফারগাব" করবে!
এখানে এই "ফানসাব" আর "ফারগাব" শব্দ দুটো হচ্ছে আসল চাবি!
প্রথমে শুরু করি ফানসাব নিয়ে:
ফানসাব এসেছে নুন-সদ-বা — ن ص ب রুট থেকে যার অর্থ হচ্ছে "এফোর্ট"
অর্থাৎ তিনি শুধু বলছেন না যে
কাজ শেষে রেস্ট নাও! বরং বলছে ফানসাব!
অর্থাৎ এফোর্ট দাও!
প্রথম যখন পড়েছিলাম তখন মনে হয়েছিল
কাজ তো করলাম এখন আবার কি এফোর্ট দেব?
এখানে এফোর্টের ইম্পর্টেন্স বুঝতে হলে স্টিফেন কোভের সেভেন হ্যাবিটসে পাওয়া একটা ঘটনার কথা বলি
একদিন তিনি জিমে তার এক ফ্রেন্ডের সাথে ওয়ার্কআউট করছিলেন
তার ফ্রেন্ড বেঞ্চ প্রেস করছিলেন আর তিনি পাশে দাঁড়িয়ে তাকে স্পট করছিলেন
ফ্রেন্ড আগেই বলে রেখেছিলেন—
আমি না বলা পর্যন্ত ওয়েট ধরবে না
একটার পর একটা রিপিটিশন চলছিল
একটা পর্যায়ে উনার মনে হচ্ছিল
তার ফ্রেন্ডের পক্ষে আর একটা রিপিটিশনও দেয়া সম্ভব না!
চেহারা লাল হয়ে যাচ্ছিল, শরীর কাঁপছিল, প্রচণ্ড কষ্ট হচ্ছিল
এ অবস্থা দেখে তিনি যেই না ওয়েট ধরতে গেলেন, তার ফ্রেন্ড চিৎকার করে তাকে মানা করলেন—
না না, এখনো না! আরও একটা, আরও একটা!
ফাইনালি যখন আর সম্ভবই হচ্ছিল না তখন গিয়ে বললেন—
ব্যস! এবার ধরো
তিনি অবাক হয়ে তাকে প্রশ্ন করলেন
এত এক্সট্রিম এফোর্ট দেয়ার মানে কি?
তিনি তখন উত্তর দিলেন
আসল বেনিফিটটা তো শেষের ওই শেষ দিককার এফোর্টেই
ওই ফাইনাল এফোর্টেই তো নিউ মাসল গ্রো করে, মাসল গুলো আরও স্ট্রং হয়
কারণ বাকি গুলোতে তো সে অলরেডি অভ্যস্ত!
এ হচ্ছে ফানসাব!
এটা যেন নেচারের একটা অঘোষিত রুল
নতুন কিছু পাওয়ার জন্য আপনার কমফোর্ট জোন থেকে বের হতেই হবে!
সো যেই মুহূর্তে আপনার মনে হবে যে আজকের মতো এফোর্ট শেষ
তখনই আসল এফোর্টটা দেওয়া চাই ,যেমন
বারবার অ্যাপ্লাই করে কোনো কল আসছে না? নতুন স্কিল ডেভেলপ করা স্টার্ট করুন!
-ব্যবসায় একটার পর একটা চেষ্টা ফেইল করছে? নতুন বিজনেস মডেল নিয়ে কাজ করুন
-একটা ক্লায়েন্টের পেছনে ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত? নতুন ক্লায়েন্ট খোঁজা শুরু করুন
-নিজের প্রবলেম নিয়ে ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত? অন্য কারো একটা প্রবলেম সলভ করতে লেগে পড়ুন
-একটা প্রবলেমের সলিউশন খুঁজতে খুঁজতে ক্লান্ত? নতুন পারস্পেক্টিভ থেকে নতুন উদ্যমে আবার চেষ্টা করুন
অর্থাৎ রিলেন্টলেসলি এফোর্ট চালিয়ে যান!
এবার আসি দ্বিতীয় শব্দে "ফারগাব"
"ওয়া ইলা রাব্বিকা ফারগাব"
আর তোমার রবের দিকেই "ফারগাব" করো
"ফারগাব" শব্দটা এসেছে রা-গইন-বা রুট থেকে যার অর্থ হচ্ছে "লংগিং" বা "আকাঙ্ক্ষা"
অর্থাৎ কোনো কিছুর প্রতি একটা "বার্নিং ডিজায়ার"
শুধু মুখ দিয়ে চাওয়া না, মন থেকে তীব্রভাবে চাওয়া!
আর আমরা তো ইদানিং এই চাওয়াটাকেই শব্দের ভিতর আবদ্ধ করে ফেলেছি,মনে করি যে মুখস্থ কয়েকটা কথা বলে ফু দিবো, ব্যস হ্যারি পটারের মন্ত্রের মত কাজ হয়ে যাবে
ভুলে গিয়েছি যে
দোয়ার আসল এসেন্সই হচ্ছে এই তীব্র আকাঙ্ক্ষার মধ্যে, তিব্র ভাবে চাওয়ার মধ্যে!
সো এখানে প্রেসক্রিপশনের দুটো ইনস্ট্রিকশন
-একটা হচ্ছে "এক্সট্রা এফোর্ট"
-আরেকটা হচ্ছে "তীব্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে রবের কাছে চাওয়া"!
সাধারণত দেখা যায় যে আমরা যেকোনো একটার দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ি
হয় কেউ প্রচণ্ড ফানসাব
অর্থাৎ দিনরাত এফোর্ট দিচ্ছি, নিজের অ্যাবিলিটি নিজের কানেকশন নিজের ইন্টেলিজেন্স, নিজের প্ল্যানিং-এর উপর পুরো ভরসা
নয়তো কেউ প্রচণ্ড ফারগাব
নামাজ পড়ছি, মন থেকে দোয়া করছি, সবর করছি
কিন্তু যে এফোর্ট দরকার সেই এফোর্টের খবর নাই!
ভুলে যাই যে দোয়া আর দাওয়া দুটোই দরকার!
আজ আপনি যেই হার্ডশিপেই থাকেন না কেন
প্রব্লেম গুলোতে নতুন উদ্যমে এফোর্ট দেয়া স্টার্ট করুন, এক্সট্রা এফোর্ট!
আর পাশাপাশি বার্নিং ডিসায়ার নিয়ে সেজদায় গিয়ে সলিউশনের জন্য নিজের ভাষায় রবের কাছে চাইতে থাকুন
কিছুদিনের মধ্যে ফিল করবেন
ব্যাকগ্রাউন্ডে কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে
স্বস্তি আশা শুরু করেছে
কারণ এটাযে আমার কথা না, আমার রবের ওয়াদা-
"ইন্না মা'আল উসরি ইউসরা"
"নিশ্চই কষ্টের সাথেই স্বস্তি আছে"
অবশ্যই আছে!
এতে সন্দেহ রাখি কি করে?

14/08/2026

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘কেউ এমন বৈঠকে বসল যেখানে অহেতুক কথাবার্তা বেড়ে গেল, কিন্তু প্রস্থানের পূর্বে সে যদি বলে,

"
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لا إلهَ إِلَّا أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ

সুবহানাকাল্লাহুম্মা ওবিহামদিকা আশহাদু আল্লাহ ইলাহা ইল্লা আনতা আস্তাগফিরুকা ওয়াআতুবু ইলাইক ।

“আল্লাহ, আপনি বড়ই পবিত্র, আপনার জন্যই প্রশংসা। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি
আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আপনার কাছে মাফ চাচ্ছি এবং আপনার
কাছে তাওবা করছি।”

তা হলে সেই বৈঠকে হওয়া যাবতীয় গুনাহ থেকে সেই ব্যক্তি ক্ষমা পেয়ে যাবে।’

📖তিরমিযি : ৩৪৩৩

রেস্টুরেন্টে খেতে বসে আলাপচারিতা অথবা বন্ধুদের সাথে আড্ডায় অহেতুক গুনাহের আলোচনা, পারিবারিক আড্ডা, সভা সমাবেশ শেষে আপনি যদি এ দোয়াটি পড়েন তাহলে সেই বৈঠকে হওয়া গুনাহ থেকে আপনি ক্ষমা পেয়ে যাবেন ।

রাসূল সাঃ এর মুখে সর্বদা ওপরের দু'আটি লেগেই থাকত।

আমাদের মা আয়িশা রাঃ বলেন,
"এমন কোনো বৈঠক নেই, তিলাওয়াত নেই, সালাত নেই, যা শেষ করার পর
আল্লাহর রাসূল এর এই দুআ পড়তেন না। "

📖 নাসাঈ : ১০০৬৭

Address

Melbourne, VIC
3030

Telephone

0433235221

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আমার নিয়ত posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share