20/09/2021
একজন আপাদমস্তক দাঈ । তাঁর পুরো অস্তিত্ব জুড়ে দাওয়াত ও তাবলীগ ছাড়া কিছু নেই । বিশুদ্ধ দাওয়াত। নবীওয়ালা দাওয়াত । কালিমার দাওয়াত নিয়ে বাংলাদেশের পাহাড় আর সমতলে চষে বেড়ান তিনি । অমুসলিমদেরকে ইসলামের ছায়ায় নিয়ে আসেন । নিয়ে এসেই থামেন না। বাবার মতো তাদেরকে আশ্রয় দেন । মায়ের মতো যত্ন নেন । ভাইয়ের মতো ছায়া হয়ে থাকেন। তাদেরকে নিজে খাইয়ে দেন । গাটের পয়সা খরচ করে তাদের মুখে হাসি ফোটান । অসুস্থ হলে সেবা করেন । তাদেরকে কুরআন শেখান।
আকিদা কেন্দ্রিক অর্থহীন মারামারিতে নেই তিনি। রাজনৈতিক কাদা ছোঁড়াছুড়িতে নেই । একারণে সেলিব্রেটির তকমাও নেই তার । তবুও তিনিই টার্গেট। আবু সাঈদ মুহাম্মাদ ওমর আলী (র.) এর পরে অমুসলিমদের দাওয়াতের কাজে যারা প্রথম সারিতে ছিলেন, তাদের কেউ নিস্তার পাননি । ফলে শায়খ যুবাইর (হাফি.) এর ব্যাপারে আমার শংকা ছিল । এখন সে বাস্তবতা চোখের সামনে।
দীন ও দুনিয়ার কাজের, আল্লাহওয়ালা ও নফসওয়ালা কাজের পার্থক্য এখানেই। যেটা প্রকৃত অর্থেই নবীওয়ালা কাজ, সে কাজে পদে পদে বাধা আসবে। শত মুসীবতে জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠবে। আর যে কাজে ঝুঁকি নেই, যে কাজে ইসলামের দুশমনদের মাথা ব্যথা নেই, সেটা ইসলামের নামে হলেও ইসলামের কাজে আসে না। আল্লাহর দীন ও বান্দাদের তাতে হিতের চেয়ে ক্ষতি বেশি হয়। বাংলাদেশের প্রসিদ্ধ প্রসিদ্ধ শাইখ ও ইসলামপন্থীদের একটা বড় অংশ ঈমান ও আকীদার নামে যে দীন ও মাসলাকবাজির চর্চা করছেন, তাতে ইসলামের শত্রুরা এতটুকু উদ্বিগ্ন তো নয়ই, বরং নিশ্চিন্ত থাকার কথা। তাদের সকল উদ্বেগ তো মুফতী যুবাইরদের মতো 'সাধারণ' মৌলভীদের নিয়ে। এজন্য আমরা ভালো থাকি, গায়েব হয়ে যান যুবাইর সাহেবরা।
আল্লাহ শায়খকে হেফাজত করুন ।
লিখেছেন মুহতারাম মিজান হারুন