30/06/2026
যে আমল দুশ্চিন্তা দূর করে, অকল্পনীয় জায়গা থেকে রিজিকের দরজা খুলে দেয়!
মানুষের জীবনে এমন কিছু সময় আসে, যখন চিন্তা, অভাব আর অনিশ্চয়তা চারদিক থেকে ঘিরে ধরে। অনেক চেষ্টা করেও যখন সমস্যার সমাধান দেখা যায় না, তখন মনে হয় হয়তো আর কোনো পথ নেই। কিন্তু একজন মুমিন জানে, রিজিকের মালিক মানুষ নয়, একমাত্র আল্লাহ তাআলা। তিনি এমন জায়গা থেকে সাহায্য পাঠাতে পারেন, যা মানুষের কল্পনারও বাইরে।
আর এমন একটি মহান আমল হলো ইস্তিগফার।
ইস্তিগফার মানে শুধু মুখে আস্তাগফিরুল্লাহ বলা নয়, বরং নিজের ভুল স্বীকার করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং তাঁর দিকে ফিরে আসা। আল্লাহ তাআলা কুরআনে হযরত নূহ (আ.)-এর কথা উল্লেখ করে বলেন—
فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًا وَيُمْدِدْكُم بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ
উচ্চারণ:
ফাকুলতুস্তাগফিরু রাব্বাকুম ইন্নাহু কানা গাফ্ফারা, ইউরসিলিস সামাআ আলাইকুম মিদরারা, ওয়া ইউমদিদকুম বিআমওয়ালিওঁ ওয়া বানীন।
অর্থ: আমি বলেছি, তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের ওপর প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, তোমাদের সম্পদ ও সন্তান দ্বারা সাহায্য করবেন।"
(সূরা নূহ: ১০-১২)
ইস্তিগফারের বরকত শুধু রিজিকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি মানুষের অন্তরের অশান্তি দূর করে, গুনাহ মাফের পথ খুলে দেয় এবং জীবনে বরকত নিয়ে আসে।
একজন বান্দা যখন বারবার বলে—
أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ
উচ্চারণ:
আস্তাগফিরুল্লাহ
অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই।
তখন সে নিজের দুর্বলতা স্বীকার করে তার রবের দিকে ফিরে আসে। অনেক সময় আমরা রিজিককে শুধু টাকা-পয়সা মনে করি। কিন্তু শান্তি, সুস্থতা, ভালো সম্পর্ক, হালাল উপার্জনের সুযোগ—সবই আল্লাহর রিজিকের অন্তর্ভুক্ত।
একটি ছোট আমল একজন মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে, যদি তা করা হয় আন্তরিকতা, বিশ্বাস ও তাওবার মন নিয়ে।
🤲