হিশাম আব্দুল মালিক ব্লগ

হিশাম আব্দুল মালিক ব্লগ نَحْنُ الَّذِيْنَ بَايَعُوْا مُحَمَّــدَا عَلَى الْجِهَادِ مَا بَقِيْنَا أَبَدًا

Hisham Abdul Malik

তবুও ভাসুর ডারত আর লীগের নাম নেওয়া যাবে না।
13/12/2025

তবুও ভাসুর ডারত আর লীগের নাম নেওয়া যাবে না।

হ আমরা সবাই জানি, তুই রোকেয়া।
09/12/2025

হ আমরা সবাই জানি, তুই রোকেয়া।

07/12/2025

নাপাক মালাউনদের বিগ প্রজেক্ট হচ্ছে প্রবাসি মুসলিম ভাইদের স্ত্রীরা৷ তাদের টার্গেট করে ফাঁদে ফেলে ভোগ করে।

ব্লাকমেইলের মাধ্যমে টাকা পয়সা স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নিয়ে পতিতালয় বিক্রি করে দেয়, অনেক কে ভারতে ও পাচার করে দেয়,

প্রবাসি ভাইয়েরা সাবধান!!!
বউয়ের হাতে এন্ড্রয়েড ফোন দিচ্ছেন?
এভাবে হনুমানের জাতের সাথে উড়াল দিবে স্বর্ণালঙ্কার সব নিয়ে।

নাপাক মালাউনদের ভাগওয়া শক্তিশালি ইউনিট ছড়িয়ে আছে পুরো দেশে,প্রতিহত করুন নয় তো ধংস হবেন, আমাদের পরিবার ভেঙ্গে যাবে।

এই মেয়ের পিতাকে ধন্যবাদ, সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কিন্তু তিনি অনেক দেরিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যদি তিনি আরো আগে সঠিক শিক্ষা দিতেন, দ্বীন শিখাতেন।
উম্মুল মুমীনিনদের জীবনী পড়াতেন।
তাহলে হয়তো এই দিন দেখতে হতো না।

প্রিয় ভাই আবু মুসআব,  আপনি ফিতনার এই যমীনকে বিদায় জানিয়ে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করে ফেলেছেন। সবুজ পাখি হয়ে জান্নাতের বিভিন্...
04/12/2025

প্রিয় ভাই আবু মুসআব, আপনি ফিতনার এই যমীনকে বিদায় জানিয়ে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করে ফেলেছেন।
সবুজ পাখি হয়ে জান্নাতের বিভিন্ন গাছ পালায় উড়ে বেড়াচ্ছেন আর ফলমূল আহার করছেন।

কিন্তু আমরা তো রয়ে গেলাম ফিতনাময় দুনিয়াতেই।

ভাই আবু মুসআব।
একজন মুহাজির।
একজন মু** হিদ।
একজন মুসাফির।
একজন মুমীন।
একজন মুত্তাকী।
সর্বশেষ তিনি একজন হাকিকী, আসলি শহীদ।

তার সাথে আমার পরিচয়, কথাবার্তা বলা খুব বেশী দিনের না, কিন্তু এই অল্প দিনে তিনি আমার হৃদয়ে দাগ কেটেছেন।
হয়তো তার অবস্থা আমার মতই হয়েছিল। দুনিয়ায় আমাদের সাক্ষাৎ হয়নি, কিন্তু আশাকরি জান্নাতে হবে, আমি তাকে ময়দানে মাহশারের কঠিন সেই মূহুর্তে খুঁজে বের করে বলবো প্রিয় ভাই আপনি আমার জন্য সুপারিশ করুন।

ভাই আবু মুসআব একজন বাঙ্গালী, তিনি হিজরত করেন শাহাদার ভূমি খোরাসানের অন্তর্ভুক্ত পাক উপজাতি এলাকায়, ইমারতের বিজয় তখন হয়ে গেছে।
হটাৎ একদিন নক দিলেন, কুশলাদি বিনিময়ের মাধ্যমে কথাবার্তা শুরু হল, এভাবে আমাদের মাঝে একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হল, কিন্তু সমস্যা হল তিনি মাঝে মাঝেই হারিয়ে যেতেন, দশদিন, ১৫/২০/ দিন কখনো বা আবার একমাস হয়ে যেত, আমি মেসেজ দিয়েই যেতাম, অথবা তিনি অনলাইনে আসলেই নক করতেন সবার আগে।

তিনি তার কমান্ডার থেকে যে সময়টুকু পেতেন তা কাজে লাগাতেন, নতুন নতুন নিউজ দিতেন।

এভাবেই সবকিছু চলছিল।

কিন্তু একদিন হটাৎ আর নাই, তাকে ইনবক্স করি, কোনো রেসপন্স নাই,আমি চিন্তিত হলাম। এতো দীর্ঘ সময় কখনো অতিবাহিত হয়নি।

হটাৎ একদিন আমার কাছে তার আইডি থেকে মেসেজ আসল, সালাম দিলেন জবাব দিলাম। আমি অনেক খুশি হলাম।
কিন্তু সেই খুশি বেশীক্ষণ স্থায়ী হল না, একটু পরেই বিষাদে রূপ নিল।

অপরপাশ থেকে বলতেছেন ভাই আমি আপনাকে একটা বলবো, বললাম অবশ্যই বলুন, বললেন যে, ভাই আমি আবু মুসআব নই।

মানে কি?
আসলে ভাই তিনি আরো ১৫ দিন আগেই শাহাদাত বরণ করেছেন।

ইন্না-লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।

আমার চোখ ভিজে উঠল, চোখের পানিতে বুক ভেসে উঠল।

আসলে তিনি অনেক বিনয়ী ছিলেন, যা আমাকে হতবাক করেছিল, ময়দানের একজন সৈনিক, রিবাতী তো এমনই হওয়া উচিৎ।
তার প্রতিটি কথা ও শব্দের মধ্যে বিনয় ঝরে পড়ত।

পরে জিজ্ঞেস করলাম আপনি কে?
বলতেছে ভাই আমি শহীদ আবু মুসআবের বন্ধু, একসাথেই থাকতাম। ভাই আপনার কথা অনেক বলত।
তাই অনলাইনে এসে আপনাকে তার শাহাদাতের খবর দিলাম।

ভাই আবু মুসআব শহীদ হয়েছেন এটা তার পরিবারও হয়তোবা জানেনা।
শুধু আমি জানি, আরেকজন লোক ছিল সেও হয়তো হিজরত করেছে সে জানে।

আমি আবু মুসআবকে অহঙ্কার করতে দেখিনি, কারণ তিনি একজন মুহাজির এটা শুধু আমিই জানতাম। কাওকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতে দেখিনি।
কোনো আলিমকে নগ্নভাবে সমালোচনা করতে দেখিনি।

বর্তমান যারা টি*** তে আছে, তাদের নাম কেউ জানেনা তখন।

২০০১-২০২১সাল পর্যন্ত ইসলামী ইমারতে, পাক পার্বত্য অঞ্চলে অসংখ্য বাংলাদেশী শাহাদাত লাভ করেছেন।

এমরিকার একটি এয়ার স্টাইকে ১৫০ জন শহীদ হয়।

তাদের সবার নামও কেউ জানিনা।
তারা ময়দানে কাজ করতেন, এই দেশে কাজের ফিকির তারাই করেছেন। এবং কি সেই ১৫০ জনের মধ্যে একজন ছিলেন আ*ন*সা*র আল ইসলামের আমীর তারেক ভাই।

আমরা তাদের থেকে কোনো অপরিনামদর্শী কাজ পায়নি।
তারা কাজ বেশী করেছেন, প্রচার কম করেছেন।

একদল বলতেছে এই ভূমি দাওয়াতের ভূমি, আরেকদল বলতেছে এই ভূমিতে সামরিক কাজ শুরু করতে হবে।
আরেকদল হিজরতের ভূমি থেকে এই ভূমির উদ্দেশ্যে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে নিজেদের উসূলকে বাস্তবায়ন করতে মরিয়া।

তাদের এক্টিভিটি যদি আড়ালে থেকে সংবাদ প্রচার, বিভিন্ন হুকুম আহকাম বর্ণনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকত তবে কোনো মিডিয়া হাইলাইট হতো না।

বিষয়টি এমন হয়েছে যে মনে হচ্ছে খোরাসানের এই অংশে কোনো বাংলাদেশী কাজ করেনি, অথচ আমাদের মুসআব বিন উমায়েরের প্রতিচ্ছবি শহীদ ফায়েজ তার কাজের সূচনা এই জায়গা থেকেই করেছেন। সে ও আবার দশ বারো বছর আগে।

তাদের মধ্যে কোনো বিভক্তি ছিল না, ছিল না ভিন্ন কোনো এজেন্ডা।

কিন্তু দুইদিন পর পর সেক্যুলার মিডিয়ায় কোনো কোনো বাংলাদেশী মুহাজির ভাইরাল হওয়া এই ভূমিতে অফলাইনের কাজকে সংকোচনই করবে না, চরম ভাবে বাঁধাগ্রস্ত করবে।

এটাকে এজেন্সি ট্র্যাপ হিসেবে নিবে, তারা যেমন অফলাইনের আ'ম দাঈদের উপর নজরদারি বৃদ্ধি করবে, তেমনি যে কাওকে হিজরতের কথা বলে এরেস্ট করবে।

এখন এই ভূমি কি দাওয়াহর ভূমি?
নাকি অন্য কিছু?

প্রথমত একিউ এই ভূমিকে দাওয়াহ ও নুসরাতের ভূমি হিসেবে চিহ্নিত করেছে, তারা শুধু দাওয়াহর ভূমি হিসেবে গ্রহন করেনি।

তাদের টার্গেট হল প্রথমে দাওয়াহ দিয়ে মাদয়ূকে পুরোপুরি ভাবে প্রস্তুত করতে হবে, অর্থাৎ একজন অপরিণত লোককে পূর্নাঙ্গরূপে তৈরি করা, ময়দানের জন্য তাকে একজন সৈনিক বানিয়ে ফেলা।
প্রত্যেকের মধ্যে সুপ্ত প্রতিভা থাকে, একজন দক্ষ নেতার কাজ হল তা চিহ্নিত করা, একজন ব্যক্তির যে প্রতিভা থাকে তা বিকাশ ঘটিয়ে সংগঠনগুলো সেই ব্যক্তির সেই প্রতিভাকে কাজে লাগায়।

এরপর ইদাদের যেই যেই সেক্টর আছে, প্রতিটি সেক্টরের জন্য যোগ্য একটি দক্ষ জেনারেশন তৈরি করা।
দক্ষ জনবলের কাজ হল আরো দক্ষ জনবল তৈরি করে ময়দানে প্রেরণ করা।
একিউ এর নুসরতের ভূমির ব্যাখ্যা হল অনেকটা এরোকম।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে, এখান থেকে সর্বাত্মক ফায়দা নিবে, শত্রু ভূমির জন্য ব্যবহার করবে।

আমরা কি টি*** বিরোধী?
আমরা কি আরসা বিরোধী?

এমনটাই প্রচারনা চলছে, বিষয়টা হতাশাজনক, রিবাতের ভূমি থেকে তাদের দিকে এমন নোংরা শব্দের তীর ছোড়া হচ্ছে যারা এতোদিন টি ***র পক্ষে জীবন বাজি রেখে লেখালেখি করেছে, তারা টি***র বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ খন্ডন করত ও করে।

পরিতাপের বিষয় হল অনলাইনে তারা যে এজেন্ডা নিয়ে কাজ করতেছে, তা আমাদের পদে পদে বিপদে ফেলতেছে।

এই দেশের দাওয়াতী ময়দান এতোটা সহজ না, যেখানে মানুষ ঈমান কি, দ্বীন ধর্ম বুঝে না, ধর্মীয় জ্ঞানের থেকে ধর্মীয় আবেগের কারণে সহজেই এনজিও ইসলাম বিদ্বেষী চক্রের ফাঁদে পড়ে যায়।
সেখানে একটি ফ্রন্ট খোলার প্রশ্ন তো আরো পরে।

জনগণ চিনেনা তার শত্রু কে মিত্র কে।
দশ টাকার চা পানের বিনিময়ে ভোট বিক্রি করে।

এই ভাইদের এক্টিভিটি মোটেও ভালো কিছু বয়ে আনবে না, একটি দেশ যখন তার শত্রু দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয় সেটাও অতি গোপনে।

একটা আন্ডারগ্রাউন্ড সংগঠন নিজেরাই গোপন, তাদের এ টু জেড কাজ গোপন।
কিন্তু তারা রিবাতের ভূমি থেকে ফেস টু ফেস প্রচারনা করে আমাদের কাজকে বাঁধাগ্রস্থ করতেছে, তারা তো নিজেদের এরিয়াতে সেইফ, কিন্তু আমাদের অবস্থা তো তেমন নয়।

তাদের এক্টিভিটির জন্য এজেন্সি ধরে নিয়েছে অনেক লোক হিজরত করবে, এই জন্য দাঈদের উপর আলাদা নজরদারী শুরু করেছে।

আমাদের জন্য নির্ধারিত করা হয়েছে হিজরতের ভূমি হিসেবে পাক ও কাশ্মীর।
কিন্তু পাকিস্তান থেকে হিজরতের জন্য কোনো মুহাজিরের প্রচারনা শুধু বিঘ্নিতই করবে না, হিজরতের গোপন রাস্তাও বন্ধ করবে।
অলরেডি মধ্যপ্রাচ্যে ওয়ার্কার ভিসার জন্য কয়েকজন যাত্রীকে ইমিগ্রেশনে জিজ্ঞাসাবাধ করেছে, অথচ তারা সাধারণ ব্যক্তি।

হিজরত আজ থেকে দশ পনেরো বিশ বছর আগে অনেকে করেছে, এখনো করতেছে সামনেও করবে।
কিন্তু কোনো বাঙ্গালী মুহাজিরের এক্টিভিটি, নিয়মিত হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জারে চ্যাট করে উদ্ভুদ্ধ করা শুধু নজরদারিই বৃদ্ধি করবে না, বরং আমাদের প্রকাশ্য দাঈদের উপর ব্লেম আসবে, অথচ তারা কেউ এই কাজে জড়িত নয়।

ইতিমধ্যেই পাঁচজনের বিরুদ্ধে এরোকম ব্লেম দিয়েছে।

তাদেরও কাজ আছে, তাদেরও হয়তো এজেন্ডা থাকতে পারে।

কিন্তু আমরা তো একটা সেক্টরের জন্য বাকি সেক্টরের কাজে বাঁধা সৃষ্টি করতে পারি না।

মুহাজিরদের সংবাদ প্রচার করা, হুকুম আহকাম, কারামত বর্ণনা করা পর্যন্ত সবকিছু স্বাভাবিক।

যখন দায়িত্বশীল না হয়ে বার্তা প্রেরণ করা, নিজের বুঝ কে চাপিয়ে দেওয়া হয়, মিডিয়া কভারেজ পেয়ে যায়, তখন বিষয়টি আর স্বাভাবিক থাকে না। এটা অশনিসংকেত।

মুহাজির ভাইদের বলবো আপনাদের এক্টিভিটি কমান, ইনশাআল্লাহ হিজরতের গতি আগের মতই থাকবে।
বরং আরো বেগবান হবে।
শুধু আপনারা নিউট্রাল থাকুন।

26/11/2025

নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলী রিয়াজের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন ও জোরপূর্বক গর্ভপাতের গুরুতর অভিযোগ

আজকের কন্ঠ ডেস্ক,

বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক আলী রিয়াজের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন, প্রতারণা এবং জোরপূর্বক গর্ভপাত করানোর গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন অতন্দ্র নূরী পা নামের এক নারী। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তিনি এই অভিযোগ করেন। নিজেকে একজন কবি হিসেবে পরিচয় দিয়ে ওই নারী দাবি করেন, বর্তমানে তিনি প্রাণনাশের হুমকিতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

ভিডিও বার্তায় অতন্দ্র নূরী জানান, কবিতার সূত্র ধরে ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে ফেসবুকে অধ্যাপক আলী রিয়াজের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। আলী রিয়াজ নিজের একাকিত্ব ও নিঃসঙ্গতার কথা শেয়ার করার মাধ্যমে তাদের মধ্যে সম্পর্কের গভীরতা বাড়ে।

অভিযোগকারী বলেন, "গত বছর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. ইউনূস সরকারের হয়ে কাজ করতে তিনি (আলী রিয়াজ) ঢাকায় আসেন এবং আমাকে ডেকে নেন। আমরা প্রথমে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে কয়েকদিন থাকি এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন স্থানে যাই।"

ওই নারীর দাবি, উপদেষ্টা আলী রিয়াজ তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়েছিলেন এবং খুব দ্রুত তাকে আমেরিকায় নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। শারীরিক সম্পর্কের একপর্যায়ে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "উনি বারবার আমাকে বুঝিয়েছিলেন যে উনার ভ্যাসেকটমি করানো আছে, তাই প্রোটেকশনের প্রয়োজন নেই। আমি উনার মতো বড় মাপের মানুষকে বিশ্বাস করেছিলাম।"

ভিডিওতে তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রেগন্যান্সি নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই আলী রিয়াজ তাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করেন। এরপর দিলরুবা শারমিন নামের এক নারী তাকে ফোন করে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে এবং আলী রিয়াজের বিপদের কথা বলে গর্ভপাতের জন্য চাপ দেন। একপর্যায়ে তাকে বুঝিয়ে ধানমন্ডি গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে নিয়ে গর্ভপাত (অ্যাবরশন) করানো হয়।

অতন্দ্র নূরী অভিযোগ করেন, গর্ভপাতের পর আলী রিয়াজ তার সঙ্গে সবধরণের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার ওপর নেমে আসে মানসিক নির্যাতন ও হুমকি। তিনি বলেন, "পুলিশ আমাকে হুমকি দিচ্ছে। আমাকে তুলে নিয়ে গুম করার ভয় দেখানো হচ্ছে। আমি ভয়ে ফোন বন্ধ করে বোরখা পরে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। নিজের বাসাতেও থাকতে পারছি না।"

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ওই নারী বলেন, "আমি সাধারণভাবেই বাঁচতে চাই। আমি পাবলিকলি কোনো কথা বলতে চাইনি, কিন্তু উপায় না পেয়ে আজ বলতে বাধ্য হচ্ছি। আমি তো তার কোনো ক্ষতি করিনি, তাহলে উনি কেন আমাকে স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে দিচ্ছেন না?"

এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত অধ্যাপক আলী রিয়াজ বা সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এটা ভাইরাল করতে হবে, মার্কিন দালাল আলী রিয়াজ আমাদের ধর্ম ও দেশের শত্রু।

পায়ূকামীদের মূল রাজনৈতিক এজেন্ডা। তারা এই দেশকে ফ্রান্স বানাবে, ফ্রান্সে কি হয়? আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে নিয়ে বেয়াদবি করেই ...
25/11/2025

পায়ূকামীদের মূল রাজনৈতিক এজেন্ডা।

তারা এই দেশকে ফ্রান্স বানাবে, ফ্রান্সে কি হয়?

আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে নিয়ে বেয়াদবি করেই শেষ করে না, তারা বিশাল পর্দায় কার্টুন বানিয়ে দেখায় সেটাও রাষ্ট্রের মদদে।

তার মানে রাখাল রাহাসহ গত এক বছরে সবগুলো শাঠিমকে এনসিপি ব্যাকআপ দিয়েছে, তারা গোপনে গোপনে শাঠিমদের সাহায্য করেছে।

আমি চাই আমার ফ্রেন্ড লিস্টে যাদের চোখের সামনে এই পোস্ট চোখে পড়বে তারা নিজেরাও পোস্ট করুন।

আল হামদুলিল্লাহ আমি প্রতিজ্ঞা করলাম আগামী কমপক্ষে তিনদিন এনসিপি আর ইনকিলাব মঞ্চের হাদির জন্য বরাদ্দ করলাম।

ঢাকা ৮ আসনে নির্বাচন করবে হাদি, আমরাও দেখব হাদির জামানত সর্বনিম্ন ভাবে কেমনে বাজেয়াপ্ত করা যায়।

জাশির ভাইয়েরা কি উনাদের মূল তাত্ত্বিকের কিতাব পড়েন ? উনিও কি একিউ/আনসার ? গণতন্ত্র সম্পর্কে মাওলানা মওদূদী রঃ বলেন -“"আম...
15/11/2025

জাশির ভাইয়েরা কি উনাদের মূল তাত্ত্বিকের কিতাব পড়েন ? উনিও কি একিউ/আনসার ?

গণতন্ত্র সম্পর্কে মাওলানা মওদূদী রঃ বলেন -

“"আমি মুসলমান ভাই-ভগ্নিদেরকে পরিষ্কাররূপে বলে দিতে চাই যে, বর্তমান যুগের ধর্মহীন গণতন্ত্র সম্পূর্ণরূপে আপনাদের দ্বীন ও ইমানের পরিপন্থী জিনিস। উহার সম্মুখে আপনাদের মাথা অবনত করে দেয়ার অর্থ কুরআন হতে মুখ ফিরিয়ে থাকা। আপনারা যদি উহার প্রতিষ্ঠা ও স্থায়িত্বের কাজে অংশগ্রহণ করেন, তবে উহা হবে আপনাদের রাসূল সা এর সাথে বিশ্বাসঘাতকতার নামান্তর। আর যদি আপনারা উহার পতাকা উড্ডীন করতে দণ্ডায়মান হয়, তবে উহা হবে আপনার আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহীর পতাকা উত্তোলনের শামিল।”

- ইসলাম ও ধর্মহীন গণতন্ত্র , পৃ: ২৬। লেখকঃ মাওলানা মাওদুদী রঃ

কপি

04/11/2025

আব্দুল্লাহ ইবনে খাতালেরা জেগে উঠেছে, ঘুমিয়ে আছে মুহাম্মদ বিন মাসলামার উত্তরসূরী দাবিদারেরা। আব্দুল্লাহ ইবনে খাতাল, মক্কা...
05/10/2025

আব্দুল্লাহ ইবনে খাতালেরা জেগে উঠেছে,
ঘুমিয়ে আছে মুহাম্মদ বিন মাসলামার উত্তরসূরী দাবিদারেরা।

আব্দুল্লাহ ইবনে খাতাল, মক্কা বিজয়ের আগে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে নিয়ে যারা অশ্লীল কবিতা আবৃত্তি করতো, তাদের মধ্যে ছিল ইবনে খাতাল, হিন্দা প্রমুখ।

সাহাবিরা খুজতে খুঁজতে গিয়ে দেখলেন ইবনে খাতাল কাবার গিলাফ ধরে কান্নাকাটি করতেছে, সাহাবিরা তাকে কিছু না বলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জানালেন, তিনি বললেন তাকে ঐ অবস্থায় শেষ করে দাও।

পরিতাপের বিষয় হল সাহাবিদের তখন কোনো সুশীল ছিল না, মক্কার গিলাফ ধরে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতেছে, আর তাকে বাঁচানোর জন্য কেউ একটা কথা বলল না।
এটা কি মানা যায়?
উচিৎ কি ছিল না, একজন লোক ভয়ে হোক, অনুতাপে হোক, সে কাবার গিলাফ ধরে ক্রন্দন করতে ছিল।
আর তাকে ঐ অবস্থায় ভবলীলা সাঙ্গ করা কোনো মানবাকিতার অংশ হল?

এখন আমাদের মধ্যে কতো সুশীল, হাজার হাজার মানুষকে শহীদ করে, তিরিশ হাজার বিকলাঙ্গ লোকের অপরাধী হাসিনাকে ক্ষমা করে দিয়ে জামায়াতের আমীর শফিক সাহেব যেই উদারতা দেখিয়েছে, তা যুগ যুগ ধরে মানুষ ইতিহাস বানিয়ে পাঠ্য পুস্তকে পড়বে।

গতকাল নর্থ সাউথের কাফিরকে মানসিক রুগি বানিয়র যারা বাচিয়ে দিল তাদের হাশর যেন ইবনে খাতালের সাথেই হয়।

একে যে যে বলেছে মানসিক রুগি, নিঃসন্দেহে তারা নিজেরাই মানসিক রুগি।

আর যদি সুশীলতার জন্য করে থাকে তাহলে মুর্তাদ।
ইশরাক আর ইফতেখার জামিলের ঈমান আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে।

নেক্স অপসনে কি করবেন?

উত্তর একদম সোজা।
একেবারে ইবনে খাতালের আইটেম বানাতে হবে।

সমস্যা হল ফেইজবুকে পোস্ট করে ভাইরাল করা, তখন পুলিশ গিয়ে তাকে বাচিয়ে দেয়।

আপনাদের দশ জনের সামনে এমন ঘটনা ঘটলে চুপে চুপে নজরদারি করুন৷ এরপর একটা নিরিবিলি লোকেশনে নিয়ে গিয়ে কাজ সারুন।
শুধু দেখবেন আশেপাশে কোনো সিসি ক্যামারে আছে কিনা।
কোনো আলামত রাখবেন না।

আর যদি বেশী মানুষ হয় তখন বিষয়টা তো আরো পানির মতো পরিস্কার।
ভিড়ের মধ্যে গিয়ে কানের সাথে নরম অংশ, অথবা বুকে, অথবা অন্ডকোষ বরাবর হলে আল হামদুলিল্লাহ বেশী টাইম লাগবে না।
মানুষের অঙ্গের কিছু দুর্বল অংশ আছে, এই তিনটা সেনসিটিভ।

একটি টেকনিক জানুন, ইউটিউবে, গুগুলে তো ভাই অভাব নাই।

কেন আমরা বিচার চাইতে যাব, আমরা নিজেরাই বিচার করবো।

তাদের ইমান তোদের আব্বোদের দম্ভে হাগু করে।
02/10/2025

তাদের ইমান তোদের আব্বোদের দম্ভে হাগু করে।

Address

Dubai
Abu Dhabi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হিশাম আব্দুল মালিক ব্লগ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to হিশাম আব্দুল মালিক ব্লগ:

Share