The Buddhist Express

The Buddhist Express Buddha Dhamma Sangha

শেষকৃত্যানুস্টান ও বোধের ভাবনা —-—প্রকৌশলী পুলক কান্তি বডুয়া , এফ আই ই বি সারা জীবন যার ধর্মীয় অনুশাসন ,বিধি, নিষেধ প্রয়...
03/25/2024

শেষকৃত্যানুস্টান ও বোধের ভাবনা —-

—প্রকৌশলী পুলক কান্তি বডুয়া , এফ আই ই বি

সারা জীবন যার ধর্মীয় অনুশাসন ,বিধি, নিষেধ প্রয়োজন পড়ে নাই, মৃত্যূর পরে তার ধর্মীয় ভাবে সৎকারের প্রয়োজন হয় কেন?
ধর্ম মানলে তা জীবিত কালেই গভীর অনুসন্ধিৎসু নিয়ে প্রতিপালন করুন ॥ মৃত্যুর পর শরীরের কোন মূল্য নাই , এটা তখন পরিত্যাক্ত আবর্জনা , ডাইরেক্ট পুডিয়ে ফেলুন ॥ স্মরন সভা করুন ॥ পারলৌকিক সৎকার বলতে বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শনে কিছু নাই ॥ এগুলো সব ব্রাম্মনের জীবিকা নির্বাহের ছলাকলা বৌদ্ধধর্মে নানা অপ্রমানীত সোর্সবিহীন কাল্পনিক কিছু জাতকের মাধ্যমে এই বৈজ্ঞানিক বিশুদ্ধ মানবধর্মে প্রবেশ করেছে ॥ আজ কারো মৃত্যু মানেই সমাজে একটি পরিবারের ঋৃন ও অর্থ অপচয় খরচের খরগ , আমাদের ভ্রান্ত বিশ্বাস আজ ভিক্ষুসঙ্ঘকেও নস্ট করে দিচ্ছে , কস্টকর , ত্যাগী , ভাবনাময়, পরিব্রাজক জীবন ছেড়ে নানা ক্রিয়া কর্ম করার ব্রাম্মন ভিক্ষু হয়ে যাচ্ছেন সবাই , ফলে তাদের আবাস একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয় হয়ে দাড়াচ্ছে, কারন তারা স্হায়ী হতে চায় , ছডিয়ে পরতে চায় না , আজ উত্তরবঙ্গের জন্যে কোন ভিক্ষু পাওয়া যায় না , সম্পদশালী অন্ধ বিশ্বাসী সমাজ যেখানে সেখানেই ব্রাম্মন হয়ে থাকতে চায় , ফলে তাদের মধ্যেও বিশ্বাস তৈরী হচ্ছে আবাস তার অধিকার , যেহেতু তাদের ছাড়া , মন্ত্র ছাড়া স্বর্গে যাওয়া যাবে না , মৃত্যুর পর আত্নার মুক্তি ঘটবে না , ফলে তারাও মনে করতে শুরু করেছেন এটা একটা অস্ত্র , এবং দেখা যাচ্ছে এই ভ্রান্ত বিশ্বাসকে পূজি করে হুমকী পর্যন্ত দেয়ার রেওয়াজ তৈরী হচ্ছে , সংঘদান , মাসিক , বাৎসরিক ইত্যাদি সামাজিকভাবে তৈরী করা রেওয়াজ , আচার, ঐতিহ্য , কৃস্টি , সংস্কৃতি বা শ্রেফ অনুস্টান , এর সাথে ম্যান্ডেটরী কোন ধর্মীয় বিধান এর রেফারেন্স মৌলিক সুপ্রতিস্টিত কোন বৌদ্ধ গ্রন্হে নাই ॥ বুদ্ধ নিজে এ জাতীয় কোন কর্মে যোগ দিয়েছেন বলে কোন দালিলিক প্রমান আমি পাই নাই , বুদ্ধ ভাষনেও পাই নাই , মরন ভাবনা অনুশীলনই আসল বিষয় , মরার পর শরীরের বা আত্নার কোন মুক্তি কোন মন্ত্র বা আচার দ্বারা সম্ভব নয় ( বুদ্ধ নিজে আত্না অস্বিকার করেছেন , সেখানে আসলে কার মুক্তি ঘটবে ? ), এর থেকে সাহস করে আমাদের বেড়িয়ে আসতে হবে , নতুবা ভিক্ষুসঙ্ঘ রক্ষা করা অসম্ভব , শত শত ব্রাম্মন ভিক্ষুর চাপ সমাজ নিতে আর পারবে না , ব্রাম্মন্য ও পীরতন্ত্রের মতোই সঙ্ঘ কেন্দ্রিক বিভাজন ইতিমধ্যে সমাজে ছডিয়ে পড়েছে , ফলে সমাজ ছোট থেকে ছোট হয়ে যাচ্ছে , ভবিষৎ এ এটি মহামারী আকার ধারন করবে , ইতিহাস বলে বুদ্ধের মৃত্যুর পর থেকে আজ পর্যন্ত ভিক্ষু সঙ্ঘ এক সাথে থাকতে পারে নাই , নিজেদের মধ্যে চরম অনৈক্য , ঝগড়া ঝাটি , অগ্রজ অমান্য , হিংসা , পারস্পরিক বদনাম ছড়ানো , বিনয় লঙ্ঘন , অনৈতিক কাজের শাস্তি প্রদানে ব্যার্থতাসহ লাভ , সৎকার এর বলী হয়েছে প্রবল অন্ধ , বিনয়ী , নিরীহ, ক্ষুদ্র সমাজের অসহায় শিক্ষিত , অশিক্ষিত , বয়স হয়ে যাওয়া , কম বয়সী নারী পুরুষ নির্বিশেষে সকল ধর্ম বিশ্বাসীরা, যারা বিশ্বাস আকরে নিজেদের দুঃখের পরিত্রানের স্বপ্ন দেখে , বড়ো হবার স্বপ্ন দেখে , বিপদ থেকে বাঁচার স্বপ্ন দেখে , মরার পর উন্নত কোন পরিবেশে পুনঃজন্মের স্বপ্ন দেখে অথচ তাদের সেই স্বপ্ন একদিন ছিনতাই হয়ে যায়, যাকে কেন্দ্র করে বিশ্বাস ও স্বপ্ন তার মাঝেই যখন দেখে মহা গলদ , এটা একটা মানসিক হত্যাকান্ড , স্বপ্ন ও বিশ্বাস হত্যা যা মানুষ হত্যার মতো ক্রাইম , যুগ যুগ ধরে মানুষের মাঝে প্রাকৃতিক দূর্বিপাক ও মৃত্যুভয়কে পূজি করে বিশ্বাস তৈরী করে দিয়ে , সেই বিশ্বাস দিয়েই রোগ শোক আর বয়সের ভারে নত হয়ে আসা মানুষদের বংশপরম্পরায় লালিত বিশ্বাস ও স্বপ্নকে জিম্মি করার মধ্যযুগীয় চিন্তা চেতনা আজকের দিনেও পৃথিবীর প্রায় সকল বিশ্বাস ভিত্তিক ধর্মবিশ্বাসীদের পুরহিতদের মাঝে টিকে আছে , কেবলমাত্র প্রাচ্যের একটি বড়ো বুড্ডিস্ট অংশ এর থেকে বেডিয়ে এসে পারফেক্ট মেডিটেশনকেই ধর্মীয় কাজ হিসেবে চর্চা করছেন এবং তারাই প্রকৃত ধর্মের স্বাধ পাচ্ছেন , কারন এরা অন্ধ বিশ্বাস থেকে বের হয়ে হয়েছেন সংশয়বাদী , এক্ষেত্রে আমাদের করনীয় হলো সম্ভব হলে বুডো মা বাবা বা নিজের শরীর মৃত্যুর আগেই চট্টগ্রাম মেডিক্যালে বা কোন মেডিক্যালে দান করে দিয়ে আসুন , এ সংক্রান্ত সকল নিয়ম রেজিস্টার , চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গেলেই পাবেন , আপনার আত্নীয় ,স্বজন ,মা ,বাবার শরীরের গুরুত্বপূর্ন অঙ্গসমূহ বেচে থাকুক আরেকজন মানুষের শরীরে ॥ মৃত্যু নিয়ে অনাডম্বর পারিবারিক অনুস্টান করুন , জাকজমক থেকে বেডিয়ে আসুন , শোক পালন করুন , শোকের মধ্যে বিয়াবাড়ীর মতো খানা দানার অনুস্টান আর জনে জনে নিমন্ত্রন দেওয়ার প্রচলন মৃতব্যাক্তিকে নিয়ে একটি হিপোক্রেসী , হাস্যকর তামাশা , খাওয়ানোর চিন্তায় , পারলৌকিক কর্ম করার চিন্তায় কান্না করার সময় পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে না , এ কেমন পারলৌকিককৃত অনুস্টান , এটা একটা সামাজিক আত্নহত্যা , এটা রোধ করুন , মরার পর কোন ব্রাম্মনের প্রয়োজন নাই , আপনি নিজেই নিজের শোক ও শ্রদ্ধায় শেষ বিদায় জানান নীরবে , গভীর ভাবনায় কাটান সাতদিন , সমস্ত পরিবার নিজেরা অস্টশীল রাখুন , নিভৃত হয়ে যান তাকে স্মরন করে , মরার পর পর রেয়াজউদ্দিন বাজারে দৌডানো বন্ধ করুন , লোন করে দান করা বন্ধ করুন , সন্চয় ভেঙ্গে ফকির হয়ে দেখানো খানাদানা করানোর অচলায়তন ভাঙ্গুন ॥ নিজেরাই বিহারে গীয়ে বন্দনা করে আসুন , ছোয়াইং দিয়ে আসুন , গৃহে সঙ্ঘ ডাকাডাকি রোধ করুন , ঘরে সঙ্ঘ এনে বাথরুম, বেড রুম ,অমুক তমুক দেখানো বন্ধ করুন , শোবার খাটে আসন পেতে সঙ্ঘ বসিয়ে মন্ত্রের সুর শোনে তৃপ্তি পাওয়া ছাড়ুন , বাসায় ডেকে উস্টিগোস্টির আলাপ আলোচনা বন্ধ করুন , আত্নীয় ডাকা বন্ধ করুন , দাদা কাকা মামা মাসী পিশি বইন হওয়া ছাড়ুন , বিহার যেহেতু সঙ্ঘের নিবাস , সুতরাং ঐ নিবাসেই যান যখন যা ধর্ম করতে মন চায় , আমাদের অসেচতনতাই মহান ভিক্ষু সঙঘকে ভুলপথে ধাবিত করতে প্ররোচিত করে , আমরাই দায়ী যে কোন ভিক্ষুকে নস্ট করার জন্যে , কাজেই সার্বিক শুধরানো যেহেতু শুরু হয়েছে , এই মৌলিক বিষয়টিও শুধরানোর কাজটা চলুন নিজ নিজ গৃহ থেকেই শুরু করি ॥
শেষ আবেদন বৃহত্তর সমাজের সামনে ক্ষুদ্র সমাজের মানুষ হয়ে নিজেদের বিরুদ্ধে নিজেরা মামলা , হামলা , রাজপথে মিছিল, মিটিং , প্রতিবাদ , সমাবেশ গুলো আমাদের অন্য জাতিদের সামনে প্রতিদিন হাস্যকর করে তুলছে , সংবেদনশীল আমরা অনেকেই এসব আর নিতে পারছি না , এসব আসুন বন্ধ করি ,প্রত্যেকেই নিজে নিজে প্রতিজ্ঞা করে আসুন সংশোধিত হই ,মহান ভিক্ষু সঙ্ঘ ও সমাজ রক্ষা করি , আসুন নিজেদের ঘরে ঘরে বৈশ্বিক জ্ঞান ও টেকনোলজী বেইজ প্রজন্ম গড়ে তুলতে সচেস্ট হই , সংখ্যায় অল্প জনগোস্টি বৃহত্তর জনগোস্টিতে টিকতে হলে , এটাই প্রমানীত তরিকা , সারাবিশ্বের সবচেয়ে সংখ্যা লঘু ইহুদীদের দিকে তাকান , জ্ঞান ও টেকনোলজি বেইজ প্রজন্ম তৈরী করে , সাতশো কোটির বীপরিতে মাত্র দুই কোটি ইহুদিরা পৃথিবীর যে কোন জাতির চেয়ে সেরা ও মাথা উচু করে টিকে আছে , খৃস্টীয় আমেরিকা, প্রবল ধার্মিক ভারতবর্ষও তার তল্পিবাহক ॥

05/05/2023

মা আজ বাঙ্গালীর একটি উৎসবের নাম

05/03/2023
04/08/2023

https://youtu.be/FMevKJpme-Q
ইউ টিউব চ্যানেলে গীয়ে ওপেন এ্যাপ এ গীয়ে এর সাবস্ক্রাইব , লাইক ও কমেন্ট করতে অনুরোধ করছি ॥
বিঃদ্র ——
মা ছবির গানটি সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে এক হাজার সাবস্ক্রাইব নিশ্চিত করতে হবে ॥
চ্যানেলে গীয়ে , উপরে ওপেন এপ এ ক্লীক করে ডানে নীচে বেল বাটনে টিপ দিতে হবে , তাহলে সাবস্ক্রাইব হবে , তারপর লাইকে টিপ দিতে হবে , তারপর কমেন্ট করতে হবে , তারপর সবাইকে শেয়ার করতে হবে ॥ তাহলেই এটা কার্যকর হবে ॥

04/05/2023
10/15/2021
09/12/2021

মুর্তি কি বুদ্ধ?

ড. বরসম্বোধি ভিক্ষু

বুদ্ধ মুর্তির সামনে কোন কিছুই চাইতে নেই। যদি কেহ কিছু চেয়েও থাকেন, তাহলে তা যে পাবেন, সে আশা করাও নিষ্ফল। মুর্তির সামনে নানা উপকরণ দ্বারা পূজা যেমন করতে নেই, তেমনি হাত জোর করে কিছু প্রার্থনা ও করতে নেই। মুর্তি হতে দয়ার ভিক্ষা চাওয়া কিংবা সুখের আশীর্বাদ কামনা করা সবই হল অন্ধ বিশ্বাসের সামিল। বস্তুত: সেগুলি কিছুই পাওয়া যাবেনা। এ কথা বললে হয়তো অনেকে বেজার হবেন। অনেকের খারাপ লাগবে। কারণ সমাজের অধিকাংশ লোক মুর্তিকেই বুদ্ধ মনে করে মুর্তিকেই পূজা করে, মুর্তির কাছেই সব কিছু কামনা প্রার্থনা করে। সুখ, শান্তি, দয়া, করুণা, বিষয়, আসয় সবই মুর্তির কাছেই ভিক্ষা চায়। শত্রুর দমন, অপ্রিয় জনের শাস্তি এসবই মুর্তির কাছেই আশা করে থাকে। একারণে যারা যেরকম কামনা, প্রার্থনা, আশা, আকাঙ্খা, শাস্তি, দণ্ড কামনা করে, সেরকম কামনা পুরণ করে দিলে নানা রকম অর্থ, বিত্ত, স্বর্ণালঙ্কার সহ বিভিন্ন উপঢৌকন দেওয়ার প্রলোভনও মুর্তিকে দেওয়া হয়।

বাস্তবে বুদ্ধ হলেন এ সব হতে অনেক দূরে। বুদ্ধ কাউকে এসব কিছু দেয়না। বুদ্ধ তো মুর্তির মধ্যে নাই। বাহিরের কোথাও বুদ্ধ অবস্থান করেননা। বুদ্ধ তো মনুষ্যের অন্তর্জগতেই শুয়ে আছে। বুদ্ধত্ব অবস্থা সকলের মধ্যেই লুক্কায়িত রয়েছে। সকলের চিত্তে শায়িত বুদ্ধ চিত্তকে জাগ্রত করতে হবে। অন্তর্রাজ্যে যে বুদ্ধ লুকানো রয়েছে, তাকে প্রকাশ করতে হবে। মনুষ্য তাদের অপার ক্ষমতাকে পরিচয় করার জন্য সবাইকে বুদ্ধ হওয়ার প্রেরণা বুদ্ধ নিজেই দিয়েছেন, যাতে প্রত্যেক ব্যক্তি বুদ্ধ হতে পারেন এবং নিজেদের সুখ-শান্তির জন্য কারো সামনে দয়ার ভিক্ষা করতে না হয়। এ রাস্তা হল অনেক দীর্ঘ, কিন্তু সে রাস্তা দিয়েই আমাদেরকে চলতে হবে।

বুদ্ধ কোন ধন-দৌলত দেননা, পদ-পদবী দেননা, মান-প্রতিষ্ঠাও দেননা। এগুলির জন্য বুদ্ধ মুর্তির সামনে পূজা দিয়ে হাত জোর করে কখনও কারো ভিক্ষা করা উচিত নয়। তাঁর প্রশংসার ভূরি ভূরি স্তূতি-গাথা আবৃত্তিতে কোন কাজ হবেনা বা তাঁকে খুশী করার, তোষামোদ-খোষামোদ বা তুষ্ট করার সমস্ত প্রচেষ্টাও নিষ্ফলই হয়। বুদ্ধ কারো তোষামোদ, খোশামোদ বা প্রশংসার জন্য লালায়িত নন। তিনি কারো স্তূতি গীতির জন্য আকাঙ্খাও করেননা। এমনকি কেহ তাঁর চীবর আঁকড়ে ধরে থাকলেও কোন লাভ হবে না বলে বুদ্ধ নিজেই বলেছেন। যাঁরা এভাবে বুদ্ধকে কাছে পেতে চান, বুদ্ধ তাঁদের কাছ হতে শত-সহস্র-লক্ষ যোজন দূরে অবস্থান করেন।

আগরবাতি, মোমবাতি, ফুল-মালা ও নানা প্রকার খাদ্য ভোজ্য তথা বস্ত্রালঙ্কার সমর্পণ করে তাঁকে খুশী করার প্রচেষ্টা করতে থাকলেও তা ব্যর্থই হবে। নির্রথকই হবে। কেননা, বুদ্ধ সেগুলি গ্রহণ করার জন্য এখন পৃথিবীতে বিদ্যমান নাই। সেজন্য কেহ লক্ষ কোটিবার প্রচেষ্টা করলেও তাতে কিছুই লাভ হতে পারেনা।

এখন তো কেবল তাঁর প্রদর্শিত সত্য মার্গই সংসারে অবশিষ্ট রয়েছে। মানব কল্যাণের জন্য ধর্মই অবশিষ্ট রয়েছে। বুদ্ধের দেশিত চার আর্যসত্য, আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ, শীল, সমাধি এবং প্রজ্ঞার মার্গই রয়েছে। মৈত্রী, করুণা, মুদিতা ও উপেক্ষাতেই ধর্ম নিহিত রয়েছে। মানবের সুখ, শান্তি, কল্যাণ, মান-সম্মান, পদ-প্রতিষ্ঠা যা কিছু সব ধর্মের মধ্যেই সমাহিত রয়েছে। সেজন্য বুদ্ধ প্রত্যেককে ধর্মকে অনুসরণ করতে বলেছেন। ধর্মকে ধারণ করতে উপদেশ তথা নির্দেশ দিয়েছেন।

আজ অনেকেই যখন বুদ্ধের মুর্তিকে অসম্মান করে, মুর্তির ক্ষতি করে এবং বুদ্ধকে গালি দেয় তখন লোক অসন্তুষ্ট হয়, ক্রোধ উৎপন্ন করে থাকে। তাদের প্রতি এরকম ক্রোধ উৎপন্ন করে গালমন্দ করাও অনুচিত। ইহাও বুদ্ধ পথ নয়। কেননা, বুদ্ধ তো মুর্তিতে নেই, বুদ্ধ তো বিহারেও নেই, বুদ্ধ তো শাস্ত্রেও নেই। ক্রোধের মধ্যে বুদ্ধ ধর্ম নাই।

তাই শাস্ত্র অবমাননা করলে বা মুর্তি অবমাননা করলে বুদ্ধের কিছুই আসে যায়না। অজ্ঞ ও মুর্খেরাই কেবল মনে করে যে, শাস্ত্র নষ্ট করে কিংবা মুক্তি ধ্বংস করে বুদ্ধের বিনাশ করা যাবে। তা মুর্খতা ছাড়া আর কিছুই নয়। বরং যারাই এগুলি করেছে বা করতে প্রয়াস করছে, জগতে তারা বর্বর, অসভ্য, মুর্খ, উন্মত্ত, হিংস্র পাগল পশু বলে আখ্যায়িত হয়েছে, মানব সভ্যতার শত্রু বলে পরিচিতি লাভ করেছে এবং বুদ্ধের মহিমা জগত জুড়ে বেশী করে আরো উদ্ভাসিত হয়েছে।

বুদ্ধকে পেতে হলে তো তাঁর প্রদর্শিত মার্গে চলতে হবে। বুদ্ধ তো রয়েছে ব্যক্তির আচরণে, ব্যক্তির ব্যবহারে, সৎ চরিত্রের মধ্যে, সদাচারের মধ্যে, দয়া ও করুণার মধ্যেই রয়েছে বুদ্ধ। মৈত্রী-ভালবাসার মধ্যেই বুদ্ধের অবস্থান রয়েছে। বুদ্ধের দর্শন তো তাঁরাই পেয়ে থাকেন, যাঁরা অন্তর্মুখী হয়ে নিজের ভিতরের লোভ, লালসা, হিংসা, ক্রোধকে দূর করে চিত্তকে নির্মল করেছেন বা নির্মল করার জন্য প্রয়াস রত আছেন তাঁরাই বুদ্ধ দর্শন করছেন এবং বুদ্ধের সাথে রয়েছেন। বাহিরে হাজার চেষ্টা করলেও বুদ্ধের নাগাল পাওয়া বা দর্শন পাওয়া অতীব দুষ্কর।

হাঁ, যদি কেহ জ্ঞান, ধ্যান, শীল, সমাধি এবং প্রজ্ঞার মার্গে চলমান থেকে বুদ্ধের রাস্তায় আনন্দ এবং সুখ অনুভব করতে থাকেন, মানব কল্যাণের জন্য বুদ্ধের বাণী উপযোগী বলে অনুভব করতে থাকেন, তাহলে বুদ্ধের প্রতি অবশ্যই শ্রদ্ধা উৎপন্ন করে বন্দনা করবেন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবেন যে, হে তথাগত! হে ভগবান! আপনি এ ধরণীতে এসেছিলেন এবং সম্পূর্ণ মানব কল্যাণ করে গিয়েছেন।

https://www.dhakapost.com/entertainment/19698
03/25/2021

https://www.dhakapost.com/entertainment/19698

সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হলো স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ নাটক ‌‘জননী’। এটি পরিচালনা করেছেন অরণ্য আনোয়ার। যার মূল চ....

Address

5419 ½ Fernwood Avenue Apt . 03
Los Angeles, CA
90027

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Buddhist Express posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share