02/13/2026
মানুষের ভোট রক্ষার ক্ষমতা যাদের নেই তাদের রাজনীতি করতে আসা উচিৎ নয়।
১) সাধারণ মানুষ জামাতকে কি পরিমাণ ভোট দিয়েছে সেটি গণভোটের ফলাফল দেখলেই বোঝা যায়। কিন্তু সেই ভোটের হিসাব চুকিয়ে নিতে পারেনি জামায়াত জোট।
২) আশ্চর্যের বিষয় হলো যখন অন্তত ১ হাজার আসনে বিএনপির কারচুপি ও জালভোট দেওয়ার ভিডিও পাব্লিক হল, তখনও জামায়াত নূন্যতম প্রতিবাদ করেনি। উপরন্তু সেনাবাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের জয়গান গেয়েছে। সব কেন্দ্র বিএনপির লোকদের দখলে গেল, সেখানে জামাতের কর্মীরা নিস্তেজ ভূমিকা পালন করেছে।
৩) যখন ভোট গণনায়ও স্পষ্ট কারচুপি দেখতে পেল তখনও জামায়াত কোন প্রতিবাদ করলো না, জামায়াতের আমীর তখনও সংবাদ সম্মেলনে ঠান্ডা মাথায় হাবিজাবি বলে শেষ করলেন।
৪) জামায়াত জোটের কফিনে সবচেয়ে বড় পেরেক মেরেছে প্রিজাইডিং অফিসারেরা। তারা রক্ষকই বক্ষকের অবদান রেখেছে। প্রিজাইডিং অফিসারেরা নিজেরাই ধুমসে ধানের শীষের উপর সিল মেরেছে কিছু কেন্দ্রে, ভোট গণনায়ও ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে জামায়াত জোটের কোন প্রতিবাদ নেই। বাংলাদেশে জোর যার মল্লুক তার, তাই সরকারি কর্মকর্তারা বিম্পির পক্ষে যাবে এটাই বাস্তব।
৫) ঢাকার বেশ কয়েকটি আসনে স্পষ্টভাবে ভোট গণনায় কারচুপি হলেও সেখানে কোন প্রতিরোধই গড়তে পারেনি জামায়াত। মির্জা আব্বাসের স্ত্রী কিভাবে ভোট গণনায় কেন্দ্রের ভিতরে অবস্থান করে সেটি নিয়ে কোন প্রতিবাদ করেনি কেন জামায়াত? জামায়াত নিজে ভদ্র সাজতে গিয়ে তার সমর্থকদের সর্বনাশ করেছে।
৬) যেখানে সারাদেশে বিএনপি ভোট কারচুপি করার অপচেষ্টা করেছে সেখানে তারেক জিয়া নিজেই সংবাদ সম্মেলনে বললেন নির্বাচনে নাকি যা হচ্ছে তা মেনে নেওয়ার নয়! তারা নির্বাচন মানবে কিনা সেটা রেজাল্ট দেখে জানাবে।
আর এদিকে জামায়াতের আমীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের জয়গান করেন, আলহামদুলিল্লাহ বলে সবকিছুর অবসান ঘটান, নূন্যতম প্রতিবাদ নেই তার মাঝে! রেজাল্ট যাই হউক সেটি মেনে নেওয়ার কথা বলেন, আপনি কি ভাই তামাশা করেন জনগণের সাথে..?
পরিশেষে, এই নির্বাচন কতটুকু সুষ্ঠু হয়েছে সেটি আপনারাই বলুন।
তবে জামায়াতের নেতা ও কর্মীদের তাদের এই গাফিলতির চরম মূল্য দিতে হবে। এত ঠান্ডা মাথার সুশীলদের জন্য রাজনীতি নয়, আপনাদের জন্য শিক্ষকতা ও ডাক্তারি পেশাই ঠিক আছে।