14/03/2024
"নিশ্চয় আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি শ্রেষ্ঠতম-সুন্দর আকৃতিতে।'’ [সুরা তীন : আয়াত-৪]
আল্লাহ আপনাকে কত উত্তম ভাবে সৃষ্টি করেছে। আর আপনি অন্যের সাদৃশ্য অবলম্বন করছে? আপনি কি আপনার দেহিক গঠন আল্লাহর সৃষ্টিতে সন্তুষ্টি নয়? ইহুদি খ্রিস্টানদের তৈরি করা এইসব পোর্টাল ব্যবহার করে ঈমান হারাচ্ছেন না তো?
প্রতিটি মানুষ কোন না কোন অর্থে সুন্দর।
কারোর চোখ সুন্দর,কারোর চুল,কারোর হাসি, অথবা কারোর গায়ের রঙ!
তবে সবথেকে বেশি সুন্দর হওয়া জরুরী মানুষের মন। যার মন সুন্দর তার মানসিকতা সুন্দর তাই নয় কি?
আশরাফুল মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা জীব হলো মানুষ!
❝ মানুষের চেহারা বিকৃত করা হারাম ❞
বর্তমান ফেসবুকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় মানুষ সৌদি স্টাইলে ছবি বিকৃত করছে।
আসুন জেনে নেই এই সম্পর্কে ইসলাম কি বলে...❞
মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা জীব। মহান আল্লাহ তা’আলা মানুষকে সুন্দর অবয়ব ও গঠনের অধিকারী করে সৃষ্টি করেছেন। মহান আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমি মানুষকে সর্বোত্তম সুন্দর আকৃতিতে সৃষ্টি করেছি। [সূরা ত্বীন, আয়াত ৪]
দুঃখজনক হলেও সত্য আজকাল মানুষের ছবি বিকৃত করা একটা ফ্যাশনে পরিণত হয়ে যাচ্ছে।
আশরাফুল মাখলুকাত মানুষের ছবি বিকৃত করা আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে পরিবর্তন করার শামিল।
মহান আল্লাহ তা’আলা বলেন, নিশ্চয়ই আমি আদম সন্তানকে মর্যাদা দান করেছি, আমি তাদের স্থলে ও জলে চলাচলের বাহন দান করেছি! তাদের উত্তম জীবনোপকরণ প্রদান করেছি এবং তাদের অনেক সৃষ্ট বস্তুর ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি।” [সূরা বনি ইসরাইল : ৭০]
আর এইগুলো শয়তানের কাজ, শয়তান এগুলো আদম সন্তানদের পথভ্রষ্ট করার জন্য করিয়ে থাকে।
◾ কুরআনের বর্ণিত, শয়তান বলতেছে, আমি আদম সন্তানদের আদেশ করব যেন, তারা আল্লাহর সৃষ্টি পরিবর্তন করে এবং আল্লাহকে পরিত্যাগ করে শয়তানকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে। [সূরা আন-নিসাঃ ৪/১১৯]
স্বয়ং আল্লাহ তা’আলা যেখানে মানুষের মর্যাদা দান করেছেন, সৌন্দর্য-শ্রেষ্টত্ব দিয়ে পরিপূর্ণতা দান করেছেন। সেখানে আমরা কেনো অন্য মানুষের চেহারাকে নিজের আকৃতিতে রূপান্তর করবো?
শান্তির ধর্ম ইসলাম কখনো কোনো মানুষের দৈহিক অবয়ব বিকৃত করা কখনো সমর্থন করে না। তাই এগুলো থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে এবং অন্যদেরও বিরত রাখতে হবে।
মহান আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে নিজের এবং মানুষের ছবি বিকৃত করার মতো মহাপাপ হতে রক্ষা করুন। আমিন!